Tag: রাজ

  • রাজের সঙ্গে ডিভোর্সের এক বছর, যা বললেন পরীমনি

    ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনি। ভালোবেসে বিয়ে করেন চিত্রনায়ক শরিফুল রাজকে। দুই বছর যেতে না যেতে পরীমনি ডিভোর্স দিয়েছেন রাজকে। তাদের মধ্যকার বিয়েবিচ্ছেদের এক বছর পূর্ণ হয়েছে। গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর রাজকে ডিভোর্স লেটার দেন অভিনেত্রী। তারপর আলাদা হয়ে যান এবং নিজেদের মতো করে জীবন শুরু করেন তারা।

    এই দুই বছরের বিবাহিত জীবনে একাধিকবার দাম্পত্যকলহের বিষয় প্রকাশ্যে এসেছে। তবে পৃথক সময় সেসব নিয়ে তারা কেউ কথা না বললেও গত বছরের সেপ্টেম্বরে আলাদা হয়ে যান এই জুটি।

    এদিকে রাজের সঙ্গে ডিভোর্সের সময় অভিনেতার সন্তান পূণ্যের মা পরীমনি। বিচ্ছেদের পর একমাত্র ছেলেকে নিয়ে নিজের মতো করে জীবন শুরু করেন। মা-বাবা উভয়ের দায়িত্ব পালন করা শুরু করেন। আবার চলতি বছরের মে মাসেই একটি কন্যাসন্তান দত্তক নেন অভিনেত্রী। সবমিলে দুই সন্তানের সঙ্গে দারুণ সময় কাটছে তার।

    এ অবস্থায় বিয়েবিচ্ছেদের এক বছর পূর্ণ হয়েছে চিত্রনায়িকা পরীমনির। এ কারণে অবশ্য নিজেকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। একইসঙ্গে রাজের সঙ্গে সম্পর্ক থেকে বের হওয়ায় শুকরিয়াও আদায় করেছেন তিনি।

    মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া ১০টার দিকে ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি ছবি পোস্ট করে পরীমণি লিখেছেন, ‘আজ এখন যখন আমি আমার দিকে দেখি, আমি দেখতে পাই একজন পরিপূর্ণ সুখী মানুষকে। এই জীবনে কষ্ট থাকুক। সেটা কেবল বড় হওয়ার কষ্ট। আমি সেই কষ্টটা আনন্দ নিয়েই করতে চাই। কিন্তু অন্যের ছেড়ে যাওয়ার কষ্ট পেতে দেব না আর নিজেকে আমি। এই তো কেমন হাসতে খেলতে ওদের নিয়ে জীবন উদযাপন করছি।’

    এরপর দুই সন্তানকে উল্লেখ করে তিনি লেখেন, ‘আমার মানিকজোড়, একদিন আমরা সত্যি ওই আকাশ ছোঁব দেখিস।’

    অভিনেতা রাজের সঙ্গে বিচ্ছেদের ঘটনা উল্লেখ করে লিখেছেন, ‘আজ থেকে এক বছর আগে আমার জীবনের সেই ভুল মানুষকে ছেড়ে দিয়েছিলাম। এক বুক হাহাকার, হতাশা আর বুকের মধ্যে জাপটে ধরে ছিল আমার ছোট্ট বাচ্চা ছেলেটা। কিন্তু দেখ, আজ আমরা একটু একটু করে নিজেদের মতো ভালো থাকতে শিখে গেছি। আজ আর সেই ভুল মানুষের কোনো অস্তিত্ব নেই আমাদের কারো জীবনে। না সেটা আমার বা আমার ছেলের।’

    সবশেষ এ অভিনেত্রী বিচ্ছেদের জন্য শুকরিয়া আদায় করে নিজেকে শুভেচ্ছা জানান এবং লেখেন, ‘শুকরিয়া। আমারা ভালো আছি। হ্যাপি ডিভোর্স অ্যানিভার্সারি পরী!’

    বিনোদন ডেস্ক

  • মায়া আছে বলেই তো রাজকে বাসায় ঢুকতে দিয়েছি: পরীমনি

    ঢাকাই সিনেমার তারকা রাজের সঙ্গে পরীমনির বিচ্ছেদ হয়েছে প্রায় দুই বছর। বিচ্ছেদের পর থেকে ছেলে পুণ্য পরীমনির কাছেই বড় হচ্ছে। বিচ্ছেদের পর থেকে তাদের দুজনের মুখ দেখাদেখিও বন্ধ ছিল। এতদিনে সন্তানকেও দেখার সুযোগ হয়নি রাজের। এই সময়ে রাজ চুপচাপ থাকলেও অনেকবারই ব্যক্তিজীবন নিয়ে কথা বলেছেন পরীমনি। ছেলের প্রতি দায়িত্ব পালন না করার অভিযোগ তুলে বেশ কয়েকবার দেশ-বিদেশের গণমাধ্যমে রাজের সমালোচনা করেছেন। কিন্তু হঠাৎ করে তাদের দুজনকে ঘিরে দৃশ্যপট যেন পাল্টাচ্ছে, এমন খবরই পাওয়া যাচ্ছে। 

    ঘনিষ্ঠ সূত্র থেকে জানা গেছে, মাসখানেক হলো রাজ নাকি পরীর বাসায় যাতায়াত করছেন। এর মধ্যে কয়েকটি অনুষ্ঠানেও দুজনকে একসঙ্গে দেখা হয়েছে। সন্তানকে দেখার জন্য এরই মধ্যে বেশ কয়েকবার পরীমনির বাসায় গেছেন রাজ।

    রাজের বাসায় যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন পরীমনি। তিনি বলেন, ‘অন্য একটি বিষয়ের জন্য সে (রাজ) বাসায় এসেছিল। বিচ্ছেদ হওয়ার পর আমার সঙ্গে দেখা হয়নি। আমি দেখা করতেও চাইনি। বাসায়ও আসা মানা ছিল তার। কিন্তু হঠাৎ করেই কিছু দিন আগে আমার বাসায় এসেছিল। সেই সময় বাসা থেকে যাওয়ার আগে তার কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র আমার বাসায় রয়ে গিয়েছিল। কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে বাসায় এসেছিল। কাগজপত্রগুলো আমি যত্ন করেই রেখে দিয়েছিলাম। এসে নিয়ে গেছে। বেশ অনেকক্ষণই ছিল। এলে তো আর বের করে দিতে পারি না।’

    ছেলের সঙ্গে দেখা হয়েছে কিনা, জানতে চাইলে অভিনেত্রী বলেন, ‘হ্যাঁ, দেখা তো হবেই। তারও তো সন্তান পুণ্য। আমি রান্না করেছিলাম। সবাই মিলে একসঙ্গে খাওয়াদাওয়া করেছি। এই আরকি।’

    তা হলে দুজনের মধ্যে সম্পর্কের জায়গাটা শীতল হয়েছে, বলা যাবে কি— এমন প্রশ্নে পরীমনি বলেন, ‘শীতলের কী আছে। আর শীতল তো হতেই পারত, কিন্তু সেটি মেইনটেইন করেনি রাজ। এই শহরে অনেকেরই তো বিচ্ছেদ হয়েছে, হয়। সন্তানকে ঘিরে কি বিচ্ছেদ বাবা-মায়ের দেখা-সাক্ষাৎ হয় না? কথা হয় না? সন্তানকে ঘিরে সুন্দর সময়ও কাটে না বাবা-মায়ের? কিন্তু রাজের বিষয়টি ভিন্ন। ও বাচ্চাকে সময় দেয়নি। সন্তানের ভরণপোষণের দায়িত্ব নেয়নি। শখ করেও কোনো দিন সন্তানকে খেলনা পর্যন্ত কিনে দিতে দেখলাম না। ঠিকমতো খবরই তো রাখেনি। আমার মনে হয়, সন্তানের মর্মই ও বোঝে না।’

    তিনি আরও বলেন, ‘কয়েক দিন তো দেখলাম। রাজ পুণ্যকে কোলে নিতে চাইলে ওভাবে রাজকে বাবা হিসেবে চিনতে পারে না এখন। অথচ আগে রাজ ছাড়া পুণ্য কিছুই বুঝত না। এটি রাজের জন্য নির্মম।’ এই নায়িকার মন্তব্য, ‘সব কথার শেষ কথা— রাজের সাফল্যেও আমার যায় আসে না, ব্যর্থতাতেও নয়। সে তো আমার জীবনে অতীত। সে এখন আমার কাছে ঘৃণার পাত্র।’

    পরী বলেন, ‘অনেক কিছুই তো শুনি রাজকে নিয়ে। এমন কোনো কাজ যেন বাবা হিসেবে রাজ না করে, যাতে বড় হয়ে সবার কাছে ছোট হয় সন্তান। কারণ সন্তানের বাবা হিসেবে রাজকে তো আর অস্বীকার করতে পারব না।’

    তিনি বলেন, ‘মায়া আছে বলেই তো বাসায় ঢুকতে দিয়েছি। হাজার হলেও সে আমার সন্তানের বাবা। তাই বলে সে চাইলেই সব সময় বাসায় আসতে পারবে না। তার প্রতি আমার ঘৃণা থাকতেই পারে। তবে সে যেখানেই থাকুক, ভালো ভালো কাজ করুক, ভালো থাকুক। কারণ সন্তানের সুন্দর জীবনের জন্য বাবাকেও ভালো থাকতে হয়।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাজের সঙ্গে প্রেম হওয়ার সুযোগ নেই: মন্দিরা

    নাটকের অভিনেত্রী মন্দিরা চক্রবর্তী। প্রথমবার সিনেমায় অভিনয় করেছেন প্রায় তিন বছর আগে। নাম ‘কাজলরেখা’। ময়মনসিংহ গীতিকা অবলম্বনে তৈরি এ সিনেমায় নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন মন্দিরা। গিয়াসউদ্দিন সেলিম পরিচালিত এ সিনেমাটি ঈদে মুক্তি পেয়েছে। 

    rnrn

    তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন অভিনেতা শরীফুল রাজ। নিজের অভিনয়গুণে প্রশংসিত হচ্ছেন মন্দিরা। সম্প্রতি একটি অনলাইনভিত্তিক সংবাদমাধ্যমে কাজলরেখা নিয়ে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন মন্দিরা চক্রবর্তী। 
    rnপাশাপাশি বিভিন্ন বিতর্কিত বিষয়েরও সোজাসাপ্টা জবাব দেন মন্দিরা। তবে সেগুলোর বেশিরভাগই ছিল নায়ক শরীফুল রাজকে ঘিরে।

    rnrn

    মন্দিরাকে প্রশ্ন করা হয়, এবারের ঈদে রাজের তিনটি সিনেমা মুক্তি পেয়েছে, তিনটি ছবির তিনজন নায়িকা, তার মধ্যে একজন হচ্ছেন মন্দিরা চক্রবর্তী, কাকে বেশি সময় দিচ্ছেন বুবলীকে না মন্দিরাকে? 

    rnrn

    উত্তরে নায়িকা বলেন, ‘ওর তিনটি চলচ্চিত্র মুক্তি পেয়েছে, তিনটিকেই সমানভাবে সময় দেওয়া উচিত। আমার কাছে মনে হয়, কাজ মানে তিনটিই আমার সন্তানের মতো। একটি একটু বেশি ভালোবাসছি, একটি একটু কম ভালোবাসছি, সে রকম নয়। যখন কাজটা করব, পুরোপুরি চেষ্টা দিয়েই তো আমি করছি। আমার কাছে মনে হয় তিনটিকেই সমানভাবে দেখা উচিত।’

    rnrn

    এখন রাজ-মন্দিরাকে নিয়ে নানা কথা হচ্ছে, রাজ-মন্দিরার প্রেমটা কত দিনের? 

    rnrn

    উত্তরে নায়িকা বলেন, ‘এটা কি হওয়ার ছিল? আমরা খুবই ভালো বন্ধু। প্রেমটা হওয়ার সুযোগ নেই আসলে। বলতে পারি সে আমার খুবই ভালো একজন বন্ধু হয়ে উঠেছে। শুটিংয়ের সময় সে আমার বন্ধু ছিল না। কারণ তখন আমার সঙ্গে তার বেশি কথা হতো না, খুবই কম। আমাদের শুটিং হয়েছিল ২০২২ সালে। তার তখন সন্তান হয়েছিল, সব কিছু মিলিয়ে সে তার মতো ছিল। তখন মাত্রই আমাদের প্রথম দেখা। সহকর্মী হিসেবে যতটা কথা বলার দরকার ছিল, ততটা। কিন্তু সিনেমার প্রচারের সময় বিভিন্ন জায়গায় যাওয়া–আসা। তো থাকে না একজন মানুষের সঙ্গে আপনি নিয়মিত বের হচ্ছেন, কাজে যাচ্ছেন তো আপনার তার সঙ্গে একটি বন্ডিং হয়ে যাবে, এটিই স্বাভাবিক।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • বুবলীর হাত ধরে কোথায় পালালেন রাজ!

    কখনো পাবলিক বাসে, কখনো সড়কে, আবার কখনো নদীর ধারে ভালোবাসা ছড়িয়েছেন রাজ-বুবলী। এই দুজনের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও কম কথা হয়নি। সেসব কাটিয়ে নতুন পথে হাঁটছেন তারা। এবারের ঈদে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে তাদের সিনেমা ‘দেয়ালের দেশ’। তবে এই সিনেমার প্রচারে গিয়ে বুবলীর হাত ধরে দৌড় দিলেন রাজ। 

    বিষয়টি একটু খোলাসা করা যাক। ঈদে পরিচালক মিশুক মনিরের ‘দেয়ালের দেশ’ সিনেমায় জুটি হয়ে অভিনয় করেছেন চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী ও নায়ক শরিফুল রাজ। ভিন্নধর্মী গল্প হওয়ায় প্রথম দিন থেকে মাল্টিপ্লেক্সেগুলোতে শো হাউস ফুল যাচ্ছে। তৃতীয় দিন সিনেমাটির প্রমোশনের অংশ হিসেবে রাজধানীর বসুন্ধরা স্টার সিনেপ্লেক্সে গিয়েছিল টিম ‘দেয়ালের দেশ’। সেখানে গিয়ে দর্শক ও সংবাদকর্মীদের ভিড়ের মাঝে পড়ে যান তারা। একপর্যায়ে বুবলীর হাত ধরে দৌড়ে সিনেপ্লেক্সের প্রশাসনিক কক্ষে ঢোকার চেষ্টা করেন।

    এর আগে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন মিশুক মনিরসহ বুবলী ও শরিফুল রাজ। বুবলী বলেন, ‘দেয়ালের দেশ’ সিনেমার পোস্টার, টিজার ও ট্রেলার প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই দর্শকের যেভাবে সাড়া পাচ্ছিলাম তাতে মনে হয়েছিল ভালো কিছু হতে যাচ্ছে। ঠিক যেন তাই হলো। গত দুই দিনে তার প্রমাণ পেয়েছি। চিন্তাও করিনি দর্শকের এতটা ভালোবাসা পাব। ‘দেয়ালের দেশ’ সিনেমাটি আসলে গল্প ও শিল্পীদের পরিশ্রমের কারণে এগিয়ে যাচ্ছে। আমি চাই সবাই সিনেমা হলে গিয়ে ‘দেয়ালের দেশ’ দেখুক।

    সিনেমাটির শুরু থেকেই ‘দেয়ালের দেশ’ টিমের সঙ্গেই মজে ছিলেন বলে জানালেন নায়ক শরিফুল রাজ। তার কথায়, যেদিন শুটিং শুরু করেছিলাম সেদিন থেকেই আমি এই টিমের সঙ্গে মজে ছিলাম। সিনেমা দেখে দর্শক যখন প্রশংসা করছে, তখন মনে হচ্ছে আমাদের কষ্টটা সার্থক হয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঈদে সন্তানকে দেখতে যাননি রাজ, জানালেন কারণ

    এবার একমাত্র ছেলে পূণ্যের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করেছেন পরীমনি। সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে ছেলের সঙ্গে কয়েকটি ছবি আপলোড করেছেন পরীমনি।

    rnrn

    জানা গেছে, বিচ্ছেদের পর সন্তান পুণ্যকে নিজের কাছে রেখেছেন পরীমনি। সংবাদমাধ্যমকে একাধিকবার জানিয়েছিলেন ছেলের কোনো খোঁজখবর নেন না রাজ। এবার জানা গেল গতকাল বৃহস্পতিবার ঈদের দিনও ছেলেকে দেখতে যাননি রাজ। সংবাদমাধ্যমকে রাজ নিজেই জানিয়েছেন বিষয়টি, সঙ্গে জানিয়েছেন কারণও।

    rnrn

    তিনি বলেন, ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও দেখা করা সম্ভব হয়নি। অস্বীকার করার উপায় নেই, বিচ্ছেদের পর আমার আর পরীর মধ্যে সম্পর্কটা স্বাভাবিক জায়গায় নেই। বিষয়টি এমন একটি জায়গা এখন, আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ছেলের সঙ্গে দেখা করতে হবে। এ ব্যাপারে আমার আইনজীবী সেভাবে আমাকে নির্দেশনা দেবেন, সেভাবেই আমাকে চলতে হবে। তবে এখন পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে আছে আমার সন্তান। সে হাসিখুশিতে সুন্দরভাবে বেড়ে উঠছে। এটাই আমার সন্তানের জন্য দরকার ছিল। সবাই আমার ছেলের জন্য দোয়া করবেন।

    rnrn

    রাজ এবারের ঈদ কাটাচ্ছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া। সেখানে গ্রামে বসে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় মেতেছেন তিনি। ঈদ উপলক্ষে রাজের তিনটি ছবি মুক্তি পেয়েছে। ছবি তিনটি হলো ‘কাজলরেখা, ‘ওমর’ ও ‘দেয়ালের দেশ’। মাল্টিপ্লেক্সসহ দেশের বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে দেখানো হচ্ছে সিনেমাগুলো। 

    বিনোদন প্রতিবেদন

  • পরীমনির পর কলকাতায় রাজ, ডুব দিলেন কার চোখে?

    বিগত বেশ কিছু দিন ধরেই কলকাতায় আছেন বাংলাদেশের বিখ্যাত অভিনেত্রী পরীমনি। সঙ্গে আছে তার ছেলে পদ্মও। বর্তমানে তিনি কলকাতায় ফেলুবক্সি ছবির শুটিং করছেন। তিনি যখন কলকাতায় বর্তমান, তখন এই একই শহরে এসে পৌঁছলেন তার সাবেক স্বামী শরিফুল রাজ। 

    rnrn

    পরীমনি কিছু দিন আগেই জানিয়েছেন রাজ তার কাছে মৃত। কিন্তু অভিনেতাও কি সেই একই জিনিস মনে করেন, নাকি সাবেক স্ত্রী ও পুত্রের টানেই এলেন এই শহরে? না। ব্যাপারটি সেটি নয়। তিনিও কাজের জন্যই কলকাতায় এসেছেন।

    rnrn

    ২০২৪ সালেই মুক্তি পাচ্ছে শরিফুল রাজের নতুন ছবি ওমর। সেই ছবিটির একটি আইটেম গানে পারফর্ম করেছেন দর্শনা বণিক। তাদের সেই গানের লুকেই এদিন দেখা যায়। শরিফুলের বাহুলগ্না হয়ে দাঁড়িয়ে দর্শনা। কখনো কাঁধে হাত রাখছেন, কখনো ডুবছেন একে অন্যের চোখে। তাদের এই ভিডিও ভাইরাল হতেই বইছে কটাক্ষের বন্যা।

    rnrn

    এক ব্যক্তি লেখেন— 'ছেলেটার চোখ বারবার দর্শনার বুকের ওপরে গিয়ে পড়ছে, হি ইজ নট এ প্রফেশনাল অ্যাক্টর।' কেউ আবার লেখেন— 'কী দেখে পরিচালকরা রাজকে সিনেমায় নেয় কে জানে, রুচির মানবিক বিপর্যয়।' আরেকজন মজা করে লেখেন— 'দর্শনা আপু সাবধান কিন্তু। পরীমনি আপনার ছালবাকল তুলে ফেলবে! অপেক্ষা করেন একটা ফেসবুক পোস্টের।'

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাজকে ফের সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে যা বললেন পরীমনি

    বর্তমানে কলকাতায় ব্যস্ত সময় পার করছেন ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা পরীমনি। সেখানে ‘ফেলু বক্সী’ সিনেমার কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। মূলত এই সিনেমার মাধ্যমে টালিউড ইন্ডাস্ট্রিতে ডেবিউ হতে যাচ্ছে এ নায়িকার।

    আনন্দবাজারের সঙ্গে এ সময় চিত্রনায়ক শরিফুল রাজের সঙ্গে দাম্পত্যজীবনের কলহ ও বিচ্ছেদ নিয়ে কথা বলেছেন তিনি।

    মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) প্রকাশ হওয়া প্রতিবেদনে দেখা যায়, পরীমনির কাছে প্রশ্ন করা হয় ছেলে রাজ্যের জন্য শরিফুল রাজকে আরও একটি সুযোগ দেওয়া সম্ভব কিনা? জবাবে এ নায়িকা বলেন, ওই নাম মুখেই আনতে চাই না। ওর প্রতি এত ঘৃণা। কোনোদিন যদি মরেও যায়, তাহলে দেখতে যাব না।

    এর পরই এ নায়িকা বলেন, এখন যে মানুষটা বেঁচে আছে সে অন্য মানুষ। যে আমার কাছে ছিল, সে আরও অনেক আগেই মরে গিয়েছে। সেই মরদেহটা দেখেছি। আসলে মানুষটা আমার কাছে এখন মরদেহ।

    প্রসঙ্গত, নির্মাতা গিয়াস উদ্দিন সেলিমের ‘গুণিন’ সিনেমায় অভিনয় করতে গিয়ে সম্পর্কে জড়ান শরিফুল রাজ-পরীমণি। সম্পর্কের সাতদিনের মাথায় ১৭ অক্টোবরে, ২০২১ সালে বিয়ে করেন তারা। এরপর ২০২২ সালের ২১ জানুয়ারি হলুদ অনুষ্ঠান এবং পরদিন ২২ জানুয়ারি জমকালো আয়োজনে ১০১ টাকা দেনমোহরে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পর্ন হয় এই তারকাজুটির।

    দাম্পত্যজীবনে এক পুত্রসন্তান আসে তাদের সংসারে। কিন্তু সেই ছেলের প্রথম জন্মবার্ষিকীর কিছুদিন পরই বিচ্ছেদ হয় তাদের। নানা কলহ ও অভিযোগের পর গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর অভিনেতাকে ডিভোর্স লেটার পাঠান পরীমণি। সেখানে বিচ্ছেদের কারণ হিসেবে মনের মিল না হওয়া, বনিবনা না হওয়া, খোঁজখবর না রাখা ও মানসিক অশান্তিরক থা উল্লেখ করা হয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আবেগ সামলে লড়াই শিল্পার

    ব্যবসায়ী ও শিল্পপতি রাজ কুন্দ্রাকে ২০০৯ সালে বিয়ে করেন শিল্পা শেঠি। বছর দুয়েক আগে পর্নোগ্রাফি মামলায় নাম জড়ায় তার স্বামী রাজ। এবং দীর্ঘ সময় হাজতবাসও হয় তার। যদিও পরে জামিন পান রাজ। 

    rnrn

    জেল থেকে ছাড়া পেলেও জীবনের ওই অধ্যায় ভোলেননি তিনি। হাজতবাসের সময় শুধু নিজের লড়াইয়ের কথা ভেবে নয়, নিজের পরিবারের চিন্তাতেও অস্থির হয়ে গিয়েছিলেন রাজ। এমনকি দেশ ছেড়ে অন্যত্র গিয়ে সংসার করার কথাও নাকি ভেবেছিলেন শিল্পা ও রাজ। তবে সেসব করতে হয়নি। 

    rnrn

    কারণ শিল্পা সব সময় ছিলেন রাজের পাশে। তবে জেলে থাকাকালীন নিজের ৪৭তম জন্মদিনটা কাটাতে হয় তাকে। সেদিন চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি রাজ।

    rnrn

    গ্রেফতার হওয়ার পর একটা লম্বা সময় ছেলে ভিয়ান কুন্দ্রকে বাবার হাজতবাসের ঘটনা লুকিয়ে রাখা হয়। পরে অবশ্য সবটাই জানতে পারে ১০ বছরের ভিয়ান। তবে সবটা শক্ত মনে সামলেছে সে। 

    rnrn

    কিন্তু বাবার ৪৭তম জন্মদিনে ধরা গলায় বাবা রাজকে ফোন করে বলে, ‘বাবা তোমাকে খুব মিস্ করছি। কাজ শেষ করে তাড়াতাড়ি চলে এসো।’ 

    rnrn

    ছেলের গলা শুনে নিজের আবেগ ধরে রাখতে পারেননি শিল্পার স্বামী। রাজের কথায়, ‘আমার জন্মদিনে যখন ভিয়ানের গলা শুনি, বুঝতে পারছিলাম ওর গলা বুজে আসছে। আর জেলে নিজের আবেগ দেখালে লোকে মাথার ওপর চেপে বসে। তাই মুখে চাদর চাপা দিয়ে কেঁদেছিলাম সেদিন। আমার ছেলের কাছে আমি হিরো। ও জানে আমার সংস্থা ওর নামে। সেখানে কোনো নোংরা কাজ হতে পারে না। গোটাটা দুঃস্বপ্নের মতো।’

    rnrn

    রাজ বলেন, শিল্পা আমার পাশে না থাকলে হয়তো আমার পরিবার, সংসার সবই ভেঙে যেত। কীভাবে কঠিন এ পথ পাড়ি দিয়েছেন শিল্পা তাও সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলেন রাজ। অনেকের কথা শুনেও চেপে গিয়েছিলেন শিল্পা। এমনকি অনেক স্বজনের কথাও শুনতে হয়। 

    rnrn

    সমাজ চারদিক থেকে বন্দি করে ফেলেছিল শিল্পার পরিবারকে। তবে আবেগ সামলে সে কঠিন সময়টা লড়াই করে গেছেন এ অভিনেত্রী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সাবেক প্রেমিক রাজের কথা শুনে যা বললেন পায়েল

    পায়েল সরকার বয়স এখন ৪১! আগামী মাসেই ৪২-এ পা দেবেন এই অভিনেত্রী। একটা সময় বাংলা বাণিজ্যিক ছবির অন্যতম মুখ ছিলেন পায়েল। দেব থেকে সোহম, আবির— একাধিক তারকার সঙ্গে জুটি বেঁধে ব্লকবাস্টার ছবি উপহার দিয়েছেন পায়েল। গত কয়েক বছরে পায়েলের ক্যারিয়ার গ্রাফ নিম্নমুখী।

    একসময়কার নামি অভিনেত্রীর জীবনে বহুবার বসন্ত এসেছে। কিন্তু তা চিরস্থায়ী হয়নি। তাই তো এখনো বিয়ের পিঁড়িতে বসা হয়নি পায়েলের। তার একাধিক প্রেমের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত সম্পর্ক ছিল রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে। রাজ-মিমি-শুভশ্রীর ত্রিকোণ প্রেম নিয়ে একটা সময় বহু আলোচনা হয়েছে। কিন্তু রাজের জীবনে মিমির এন্ট্রির আগেই জায়গা করে নিয়েছিলেন পায়েল। ‘প্রেম আমার’, ‘লে ছক্কা’ থেকে ‘বোঝে না সে বোঝে না’। অটুট ছিল সম্পর্কের বন্ধন।

    আরও পড়ুন: 

    ‘বোঝে না সে বোঝে না’-এর সেটেই নাকি মিমির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে রাজের। তার পরই পায়েলের সঙ্গে দূরত্ব। রাজ তার জীবনের ‘ক্লোজড চ্যাপ্টার’, পরিচিত মহলে এমনটাই বহুবার জানিয়েছেন অভিনেত্রী। অন্যদিকে শুভশ্রীকে বিয়ে করে সুখে সংসার করছেন রাজ। পুরনো সম্পর্ক নিয়ে মাথাব্যথা নেই তার।

    সম্প্রতি এক টকশোতে হাজির হয়েছিলেন পায়েল। সেখানেই হোস্ট তথা অভিনেত্রী অনন্য়া জানতে চান, এই মানুষদের নাম শুনলে প্রথম কোন কথাটা মাথায় আসবে, সেটি বলবে। রাজের নামটা যে তালিকায় থাকবেই, সেটাই স্বাভাবিক। শুরুটা হলো সোহমকে দিয়ে। পায়েল জানান, ‘সোহম কিউট, হিরন-নাইস।’ মিঠুনদার নাম শুনে সবচেয়ে খুশি পায়েল। গড়গড়িয়ে বলেন, ‘মিঠুনদা চার্মিং। মিঠুনদা না (চুটকি বাজিয়ে দেখালেন) এইভাবে বন্ধুত্ব করে নিতে পারে কারুর সঙ্গে। উনি খুব চার্মিং’। রাজের নাম আসামাত্রই খানিক অস্বস্তির ঝলক পায়েলের মুখে। দায়সারাভাবে বললেন, ‘ভালো পরিচালক’।

    রাজের সঙ্গে প্রেমের কথা খোলাখুলি স্বীকার করেননি কোনো দিন। তবে এই সম্পর্ক ছিল ইন্ডাস্ট্রির ওপেন সিক্রেট। প্রেম ভাঙার পর পরিচিত মহলে পায়েল নাকি বলেছিলেন, জীবন নিয়ে দুজনের দৃষ্টিভঙ্গি আলাদা, এই প্রেম নাকি পূর্ণতা পাওয়ার ছিল না।

    পরবর্তীতে 'যমের রাজা দিল বর' পরিচালক আবির সেনগুপ্তের সঙ্গেও পায়েলের ঘনিষ্ঠতার গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল। তবে তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। পায়েল ভালোবেসেছেন, কাছে টেনেছেন, কিন্তু প্রেম পূর্ণতা পায়নি কোনোবারই। নায়িকা কী জীবনে থিতু হবেন? সেই উত্তর তো তিনিই জানেন। তবে দীর্ঘদিন পর রুপালি পর্দায় বড় প্রোজেক্টে দেখা মিলবে তার। শাকিব খানের প্য়ান ইন্ডিয়া ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় রয়েছেন পায়েল। ছবিতে শাকিবের নায়িকা অবশ্য় বলিউডের সোনাল চৌহান।

    তথ্য সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাজ-ইধিকার গুঞ্জনই সত্যি হলো

    তিন মাস আগের কথা। তখনই শোনা গিয়েছিল অভিনেতা শরিফুল রাজের সঙ্গে জুটি বাঁধছেন ভারতীয় অভিনেত্রী ইধিকা পাল। সেই সময় ইধিকা জানিয়েছিলেন, তার কাছে চিত্রনাট্য এসেছে। যতক্ষণ না তিনি গল্পটা পড়ছেন, কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না। অক্টোবর মাসে হয়েছিল এ আলোচনা। 

    rnrn

    অবশেষে তিন মাস পর রাজের সঙ্গেই অভিনয় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নায়িকা। বাংলাদেশি ছবি ‘কবি’তে দেখা যাবে অভিনেত্রীকে। ছবিটি পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন হাসিবুর রেজা কল্লোল। কলকাতাতেই সিনেমাটির শুটিং শুরু হওয়ার কথা।

    rnrn

    এ বিষয়ে ইধিকা বলেন, নতুন টিমের সঙ্গে কাজ করছি। নতুন অভিজ্ঞতা হবে। কাজটি নিয়ে আমি ভীষণ রোমাঞ্চিত। মন দিয়ে করার চেষ্টা করব। আগে মানুষ আমায় যেভাবে ভালোবাসা দিয়েছে, ভবিষ্যতেও তেমন ভালোবাসা দেবে— এটিই আশা করছি।

    rnrn

    অ্যাকশন ও প্রেমে ভরা এই ছবির গল্প। সিনেমার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে শহর কলকাতা। এই ছবিতে রাজ ও ইধিকা ছাড়াও দেখা যাবে ঢাকার মিশা সওদাগর, কলকাতার খরাজ মুখোপাধ্যায়, অনন্যা বিশ্বাসসহ একাধিক অভিনেতাকে। 

    rnrn

    এর আগে ইধিকাকে দর্শক দেখেছেন শাকিব খানের বিপরীতে। ‘প্রিয়তমা’ ছবির মাধ্যমে বড়পর্দায় প্রথম দেখা যায় তাকে।

    বিনোদন প্রতিবেদন