মামলা করলে ভালো, তদন্তে আসল অপরাধী কে জাতি জানতে পারবে: রাজ

Written by

in

টক অব দ্য কান্ট্রিতে রূপ নিয়েছে চিত্রনায়ক শরিফুল রাজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফাঁস হওয়া কয়েকটি ছবি ও ভিডিও। অভিনেত্রী তানজিন তিশা, সুনেরাহ বিনতে কামাল, নাজিফা তুষি ও শরিফুল রাজের এসব ছবি ও ভিডিও প্রকাশ্যে আসায় বিতর্ক ও সমালোচনার বাইরেও অনেকেই তাদের বিবেক বোধ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। বিষয়টিকে ঘিরে এখনো উত্তাল নেটদুনিয়া।

এদিকে ব্যক্তিগত মূহুর্তের ভিডিও ফাঁস হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন তারকারা। ফলে এই অভিনেত্রীরা মামলার পথেও হাঁটবেন বলে জানিয়েছেন একই মাধ্যমে।

শুক্রবার এ বিষয়ে একটি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন রাজ। তিনি বলেন, ‘তারা হেনস্তার স্বীকার, ভুক্তভোগী। মামলা করতেই পারে। মামলা করলে ভালো হবে। মামলা হওয়ার পর তদন্ত হবে। তদন্তে আসল ঘটনা বের হয়ে আসবে। মামলা করলেই আসল কালপ্রিট কে, তা জাতি জানতে পারবে।’

তিনি বলেন, ‘প্রথম দিনই এ বিষয় নিয়ে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা বলেছেন, তাদের মতো করে বিষয়টি নিয়ে কাজ করছেন। সত্য কথা কী— বিষয়টি নিয়ে আমি নিজেই বিব্রত। আমি চাই, সত্য বেরিয়ে আসুক। তা না হলে শুধু ভুক্তভোগীরা নয়, দেশের মানুষ আমাকেও ভুল বুঝছে।’

এই চিত্রনায়ক আরও বলেন, ‘এ মামলায় আমাকে জেলে যাওয়া লাগলে আমি যাব। তবে আমি বলতে চাই— আমি কোনো অন্যায় করিনি। যেহেতু আমার আইডি থেকে এটি প্রকাশিত হয়েছে, আমার নামেই মামলা হবে, এটিই স্বাভাবিক। এ মামলাকে স্বাগত জানাই।

তিনি বলেন, কারণ মামলা হলে তদন্ত হবে। আমার ফোন সিজ করবে। কে আপ করেছে, কারা কারা জড়িত ছিল, কোন লোকেশন থেকে এটি প্রকাশ করা হয়েছে, সব বের হওয়া সম্ভব।

এই পুরো ঘটনায় সুনেরাহ, তিশাদের মতো তিনি নিজেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে মনে করেন রাজ। তিনি বলেন, ‘আমার নিজেরও পরিবার আছে। কারণ আমার ছোটবোনের বিয়ে ছিল এ মাসে। হঠাৎই এ ঘটনায় টক অব দ্য টাউন হলাম আমি। এ কারণে আমার বোনের বিয়ে পেছাতে হয়েছে। আমি বিষয়টি নিয়ে খুবই ক্লান্ত, হতাশ। আমি এখান থেকে বের হতে চাই। আমি কাজ নিয়ে থাকতে চাই, কাজের কথা বলতে চাই।’

তবে পুরো বিষয়টি নিয়ে পরীমনির নামও এলে তার সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করতে রাজি নয় রাজ। তিনি বলেন, ‘সে আমার স্ত্রী, আমার বাচ্চার মা। তাকে নিয়ে আমি কোনো বাজে মন্তব্য করব না।’

বিনোদন ডেস্ক

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *