Tag: মামলা

  • জেরিন খানের ফৌজদারি মামলা বাতিল করল কলকাতা হাইকোর্ট

    ২০১৮ সালের নভেম্বরে কলকাতায় কালীপূজার একটি অনুষ্ঠানে অতিথি শিল্পী হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল বালিউড অভিনেত্রী জেরিন খানের। তবে সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত না হওয়ায় আয়োজক কমিটি তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করে। দীর্ঘ শুনানির পর বৃহস্পতিবার সেই মামলা বাতিল কলেছে কলকাতা হাইকোর্ট। 

    ফিনিক্স ট্যালেন্ট ম্যানেজমেন্টের দায়ের করা সেই মামলায় দাবি করা হয়, ১২ লক্ষ রুপি পেমেন্ট পাওয়ার পরও জেরিন খান তার চুক্তিবদ্ধ বাধ্যবাধকতা লঙ্ঘন করেছেন, যার ফলে সংস্থার ৪২ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

    এমন অভিযোগে অভিনেত্রী এবং তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির (আইপিসি) ৪০৬, ৪২০, ৫০৬ এবং ১২০বি ধারার অধীনে ষড়যন্ত্র, বিশ্বাসভঙ্গ, প্রতারণা এবং হুমকি দেওয়ার অভিযোগ মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে ২০২৩ সালে এ বিষয়ে একটি চার্জশিট দাখিল করা হয় এবং মামলাটি শিয়ালদহের একটি বিচারিক আদালতে শুনানি চলছিল।

    জেরিন খান তার আত্মপক্ষ সমর্থনে বলেন, বিষয়টি চুক্তিভিত্তিক এবং ফৌজদারি মামলার আওতায় পড়া উচিত নয়। 

    কলকাতা বিচারপতি বিভাস রঞ্জন দে একমত পোষণ করে বলেন, দেওয়ানি বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ফৌজদারি আদালত ব্যবহার করা হয় না। 

    বিচারপতি আরও উল্লেখ করেছেন যে, একই বিষয়ে একটি দেওয়ানি মামলা ইতোমধ্যেই মুম্বাইয়ের একটি আদালতে বিচারাধীন।

    কলকাতা হাইকোর্ট জোর দিয়ে জানিয়েছে, এই বিরোধের ফলে ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। তাই জেরিন খানের মামলা বাতিলের আবেদন মঞ্জুর করা হয়।

    এই রায়ের মাধ্যমে জেরিন খান তার বিরুদ্ধে পাঁচ বছর ধরে চলমান ফৌজদারি মামলা থেকে অব্যহতি পেলেন। যদিও দেওয়ানি মামলাটি এখনো অমীমাংসিত রয়েছে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • সাম্প্রদায়িক উসকানির অভিযোগে মিঠুনের বিরুদ্ধে মামলা

    টালিউড-বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সামনে সাম্প্রদায়িক উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ায় এ বিজেপি নেতা মামলায় জড়িয়ে পড়েন। 

    গত সোমবার কলকাতার বৌবাজার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে মিঠুনের বিরুদ্ধে।

    এফআইআরে উল্লেখ করা হয়েছে— কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বিজেপির একটি সভায় মিঠুনের উসকানিমূলক মন্তব্যের জেরে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক। যদিও নিরাপত্তার স্বার্থে অভিযোগকারীর নাম গোপন রাখা হয়েছে।

    মিঠুনের মন্তব্যের জেরেই ওই এফআইআর দায়ের হয়েছে। সিনেমার পর্দায় মিঠুনের মারকাটারি সংলাপ দশকের পর দশক দর্শকদের বিনোদন দিয়েছে। কিন্তু বাস্তবজীবনেও সেই ধরনের সংলাপসংবলিত রাজনৈতিক বক্তৃতা দিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছেন ফাটাকেষ্ট।

    বিজেপির সেই সভায় মিঠুন বলেছিলেন, ‘আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সামনেই বলছি, যা করতে হয় সব করব। এসব কিছুর মধ্যে অনেক অর্থ লুকিয়ে রয়েছে। আমাদের এখানকার এক নেতা বলেন, ৭০ শতাংশ মুসলিম, ৩০ শতাংশ হিন্দু। কেটে ভাগীরথীতে ভাসিয়ে দেব। ভাবলাম, মুখ্যমন্ত্রী তাকে কিছু বলবেন। এমন কথা না বলতে বলবেন। কিছু হলো না। আমি মুখ্যমন্ত্রী নই। কিন্তু বলে রাখছি— ভাগীরথী নদী আমাদের মা। তাই ভাগীরথীতে কেটে ভাসিয়ে দেব না। কিন্তু তোমার মাটিতেই তোমাকে পুঁতে দেব!’

    এ ফাটাকেষ্টখ্যাত অভিনেতা আরও বলেছিলেন— বারবার বলছি, যা করতে হয় সব করব। এমন সদস্য চাই, যারা বুক চিতিয়ে বলবেন, মার! কত গুলি আছে দেখি! এমন কর্মী চাই না, যারা টাকা নিয়ে কাজ করেন। এমন করলে আপনারা তৃণমূলে চলে যান। 

    তিনি বলেন, আমি বলে যাচ্ছি, আপনারা আমাদের বাগানের একটা ফল যদি ছেঁড়েন, আমরা চারটে ছিঁড়ব। এটা সত্যি। নইলে জিততে পারব না।

    ভোটারদের মধ্যে হিন্দু-মুসলিমসংক্রান্ত মন্তব্য করে মিঠুন আরও বলেন, এটা অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী বলছে না। ১৯৬৮ সালের ২৮ বছর বয়সি মিঠুন বলছে। রাজনীতি করেছি। রক্তের রাজনীতি করেছি। সব জানি, কে কোথা থেকে কী করবে। আপনাদের পাশে চাই। সাহস চাই। বুক চিতিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মামলা প্রসঙ্গে মুখ খুললেন অপু বিশ্বাস

    ঢাকাই সিনেমার অভিনেত্রী অপু বিশ্বাসের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঢাকার একটি আদালতে গত ২৪ আগস্ট সিমি ইসলাম কলি নামের এক প্রযোজক এই মামলাটি করেছেন। অপু বিশ্বাস ছাড়াও মামলায় আসামি করা হয়েছে কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিরো আলম ও জাহিদুল ইসলাম আপনকে। অপুর বিরুদ্ধে মামলা প্রসঙ্গে এবার মুখ খুললেন তিনি নিজেই।

    অপু বিশ্বাস বলেন, আর পারি না এই মহিলাকে (সিমি ইসলাম কলি) নিয়ে। ওনার তো সবকিছু দিয়ে দেওয়া হয়েছে। আবার মামলা কীসের! আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না। এসব তো ফাজলাম।

    অভিনেত্রী বলেন, এখানে হিরো আলম এলো কোথা থেকে! এটা সিমিই ভালো বলতে পারবেন। আমি তাকে ঠিকঠাকভাবে চিনিও না। আমি কী উত্তর দিতে পারি বলেন। সে টাকা কোথায় দিয়েছে কেন দিয়েছে— আমি কিছুই জানি না। এখন এসব মনগড়া কথা বলছে কেন।

    অপু আরও বলেন, অফিসিয়ালি ইউটিউব চ্যানেল নিয়ন্ত্রণ করেন আমার অ্যাডমিন। হয়তো নাম আমার। মালিকানা আমার। কিন্তু আমি এসব নিয়ন্ত্রণ করি না। অন্য সংস্থা দিয়ে চালাই। যদি আমার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হতো তাহলে আমি বলতে পারতাম।

    তিনি বলেন, আমি যতটুকু জানি তিনি (সিমি) বুদ্ধিমান। তার মাথায় এসব কে ঢোকাচ্ছে, কেন ঢোকাচ্ছে জানি না। তিনি যদি চলচ্চিত্রেই কাজ করতে চান তাহলে এসব নিয়ে কেন বিতর্ক সৃষ্টি করছেন। আর তিনি টাকা কোথায় দিয়েছেন না দিয়েছেন কী সব বানোয়াট কথা ছড়াচ্ছেন।

    বিষয়টি নিয়ে অপু কোনো আইনি পদক্ষেপ নিতে চান কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি বিষয়টি নিয়ে চিন্তাভাবনা করে তারপর জানাবো।

    অন্যদিকে মামলা প্রসঙ্গে গণমাধ্যমে সিমি বলেন, ইউটিউব চ্যানেলটি ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য বহুদিন অপুর কাছে গিয়ে অনুরোধ করেছি। কিন্তু কোনো লাভ হয়নি। আমার হয়ে প্রযোজক নেতা খোরশেদ আলম খসরু ভাইও অপুর সঙ্গে কথা বলেছে। কিন্তু তার কথাও সে রাখেনি।

    তিনি আরও বলেন, একদিন হিরো আলম আমাকে ফোন করে বলে, আমি রাজি হলে অপুর সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সমাধান করে দেবেন। আমার মনে হয়, অপুই তাকে ফোন দিতে বলেছেন আমাকে। এরপর টাকার বিনিময়ে চ্যানেলটি ফিরে পেলেও ভিডিওগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়। বিষয়টি হিরো আলমকে জানালে তিনি বলেন, দেখছি কী করা যায়। এরপর আর কোনো খবর নেই।

    মামলার অভিযোগে বলা হয়, তার (সিমি) ইউটিউব চ্যানেলটি হ্যাক করেছেন অপু বিশ্বাস ও জাহিদুল ইসলাম আপন। বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যেই সাধারণ ডায়েরি ও প্রযোজক সমিতির মাধ্যমে সুরাহা করার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু কোনো সমাধান না পেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি। পাশাপাশি মামলায় আরও অভিযোগ করেন, হিরো আলমের মাধ্যমে সমাধানের নাম করে তার কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা নিয়েছেন অপু বিশ্বাস।

    উল্লেখ্য, গত বছর আগস্টে ইউটিউব চ্যানেল হ্যাক করার অভিযোগে অপু বিশ্বাস ও জাহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে লালবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন সিমি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সালমানের এই দুঃসময়ে শাহরুখ কেন চুপ

    বাবা সিদ্দিকীর মৃত্যুর পর থেকেই আতঙ্কে মুম্বাই। বিশেষ করে বলিউড অভিনেতা সালমান খান। কারণ এনসিপি (অজিত) নেতাকে খুন করার দায় স্বীকার করেছে লরেন্স বিষ্ণোইর নেতৃত্বাধীন বিষ্ণোই গ্যাং। কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলার পর থেকেই এই গ্যাংয়ের নিশানায় বলি ভাইজান সালমান খান। ফলে তার জীবন নিয়েও এখন শঙ্কা দেখা দিয়েছে। যদিও সেসব নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নন ভাইজান। 

    নিজের নিরাপত্তার কথা না ভেবেই বাবা সিদ্দিকীর মৃত্যুর খবরে ছুটে গিয়েছিলেন তিনি। সাবেক মন্ত্রীর পরিবারেরও পাশে দাঁড়িয়েছেন সালমান। 

    যে কারণে সালমানকে উদ্দেশ্য করে আবারও হুমকিবার্তা পাঠিয়েছে বিষ্ণোই গ্যাং। এমন অবস্থায় শুরু থেকেই চুপ বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান। বাবা সিদ্দিকীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকলেও তার মৃত্যুতে নিশ্চুপ তিনি। 

    সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে একটি পুরোনো ছবি। যেখানে দাবি করা হচ্ছে— সালমানকে ‘শত্রু’ মনে করা বিষ্ণোইদের কাছ থেকেই সংবর্ধনা পেয়েছিলেন বলি বাদশাহ শাহরুখ খান। 

    জানা গেছে, শাহরুখের সংবর্ধনার এই ছবিটি ২০১৭ সালের। ‘হ্যারি মেট সেজল’ সিনেমার শুটিং করতে রাজস্থানে গিয়েছিলেন সুপারস্টার। সেই সময় তাকে বিষ্ণোই সমাজের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। 

    তারকার পরনে ছিল কালো প্যান্ট, টি-শার্ট আর জ্যাকেট। চোখে চশমা। মাথায় পাগড়িও পরেছিলেন বলিউড বাদশাহ। সেই সময় একটি প্রশংসাপত্রও দেওয়া হয়েছিল কিং খানকে।

    প্রসঙ্গত, এক সময় এমন ছিল যখন শাহরুখ-সালমান একে অন্যের ছায়া থেকেও দূরে থাকতেন। শোনা যায়, ক্যাটরিনা কাইফের জন্মদিনের একটি ঘটনা কেন্দ্র করে তাদের সম্পর্ক তিক্ত হয়েছিল। কিন্তু বন্ধু বাবা সিদ্দিকীর ইফতার পার্টিতেই এই তিক্ততার অবসান হয়। আলিঙ্গনে নতুন করে বন্ধুত্বের সূচনা হয়।

    তবু সেই বাবা সিদ্দিকীর মৃত্যুতে নিশ্চুপ শাহরুখ খান। তার ঘনিষ্ঠজনরা বলছেন, নতুন করে জীবনে কোনো ঝুঁকি নিতে চান না বলিউড বাদশাহ। তাই চুপ থাকাই শ্রেয় মনে করেন তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবার আসামি শমী কায়সার

    জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতা আন্দোলনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার কারণে একাধিক শিল্পীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এবার সে তালিকায় যুক্ত হলেন অভিনেত্রী শমী কায়সার। 

    সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে কটূক্তি করার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মাগুরার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করেছেন জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতা। 

    এ মামলার আইনজীবী কাজী মিনহাজ উদ্দিন বলেন, ‘নানা সময়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে জাতিকে বিভক্ত করেছেন শমী কায়সার। এজন্য বাদী এ মামলাটি দায়ের করেছেন। আদালত এটি তদন্তের জন্য ঝিনাইদহের পিবিআইকে নির্দেশের পাশাপাশি ভবিষ্যতে কথাবার্তায় সতর্ক থাকতে বলেছেন।’ ছাত্রদের আন্দোলনে আওয়ামী সরকারের পক্ষে শমী কায়সারের অবস্থান ছিল চোখে পড়ার মতো। ৫ আগস্টের পর থেকেই অবশ্য এ অভিনেত্রী রয়েছেন আত্মগোপনে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ইভার বিরুদ্ধে ৫০০ কোটি টাকার মানহানি মামলা

    কণ্ঠশিল্পী ইভা আরমানের বিরুদ্ধে ৫শ’ কোটি টাকার মানহানি মামলা করেছেন ফকির আক্তারুজ্জামান। সম্পত্তি বিষয়ক মিথ্যাচারের অভিযোগে এই গায়িকার বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    ঢাকার ৫ম যুগ্ম জেলা জজ আদালতে মামলাটি দায়ের করেন ফকির গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সিআইপি ফকির আক্তারুজ্জামান। 

    মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, গুলশান ২–এর ৪৪ নম্বর রোডের ৬/বি, ব্লক সিডাব্লিউএন (বি), প্লটে ‘ইভা রোজ’ নামে একটি বহুতল আবাসিক ভবনে দুটি অ্যাপার্টমেন্ট কেনার জন্য ডিজনী প্রপার্টিজ লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তি করেন। শিল্পপ্রতিষ্ঠান ফকির গ্রুপের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ফকির মাসরিকুজ্জামান ও পরিচালক ফকির মাসফিকুজ্জামান ফ্ল্যাট দুটি কেনার জন্য চুক্তি করেন ২০১৬ সালে ২৮ মার্চ। এই ফ্ল্যাট দুটি ৬ষ্ঠ ও ৭ম তলায় অবস্থিত এবং প্রতিটি ফ্ল্যাট কমবেশি ৪৫০০ বর্গফুট গড় আয়তনের। চুক্তিতে দুটি করে কার পার্কিং এবং আড়াআড়ি জমিসহ ভোগ দখলের প্রয়োজনীয় অধিকারও উল্লেখ আছে।

    শেখ উর্মী আরমান (ইভা) এই জমিটি পেয়েছিলেন তার প্রাক্তন স্বামী মাহফুজুর রহমানের কাছ থেকে। তখন তিনি ইভা রহমান নামে পরিচিত ছিলেন। এই জমিতে বিল্ডিং নির্মাণের জন্য ইভা চুক্তি করেন ডেভলপার প্রতিষ্ঠান ডিজনী প্রপার্টিজ লিমিটেডের সঙ্গে এবং ২০১০ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি ঐ প্রতিষ্ঠানকে রেজিস্ট্রার্ড পাওয়ার দেন। পরবর্তীতে ডেভেলপারের সঙ্গে ইভার  বিবাদ শুরু হলে ইভা নিজে ভবনটি নির্মাণের দায়িত্ব নেন। 

    ২০১৭ সালের ৩ ডিসেম্বর ফকির মাসফিকুজ্জামান (ফাবি) ও ফকির মাসরিকুজ্জামানের সঙ্গে ফ্ল্যাট দুটি নিয়ে রেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি (চুক্তি নং ৮৫৩৬ ও ৮৫৩৭ ) হয়। চুক্তি অনুযায়ী ইভা ঐ ভবনের বাকি নির্মাণ কাজ শেষ করে ফ্ল্যাট দুটি ফকির মাসফিকুজ্জামান ও ফকির মাসরিকুজ্জামানকে রেজিষ্ট্রি করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। চুক্তি অনুযায়ী, অ্যাপার্টমেন্টের সব টাকা পরিশোধ করে দেন ফকির আক্তারুজ্জামানের দুই পুত্র। 

    চুক্তিতে আরও উল্লেখ ছিল, ইভা নিজ দায়িত্বে ছয় মাসের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করে ক্রেতাকে সাফ কওলা রেজিস্ট্রি করে দিবেন। অথচ চুক্তির শর্ত না মেনে অসম্পূর্ণ অবস্থাতেই ফ্ল্যাট দুটির দখল দুই ক্রেতাকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। 

    ফকির গ্রুপের লিগ্যাল অ্যাডভাইজার এডভোকেট জাফর শরীফ বলেন, ইভা আরমান রেজিস্ট্রি করা বিক্রয়চুক্তিপত্রের শর্তও মানতে রাজি হননি। বরং ঐ ফ্ল্যাট দুটি তিনি বিক্রি করেননি বলে মিথ্যাচার করছেন। পরবর্তীতে ইভা ঐ ফ্ল্যাট দুটি নিয়ে ১ম যুগ্ম জেলা জজ আদালতে দেওয়ানি মামলা (নং ২৪৫/২০২৩ ) করেন। আদালত উভয়কে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ প্রদান করেন এবং বর্তমানে মামলাটি চলমান রয়েছে।

    এদিকে ইভা ফ্ল্যাট দুটি নিয়ে শান্তি ও শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ এনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে ফকির আক্তারুজ্জামানের বিরুদ্ধে পিটিশন মামলা (নং  ৮৩/২০২২) দায়ের করেন। পরবর্তীতে আদালত মামলাটি খারিজ করে দেন।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • রোকেয়া ও অরুণার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা

    নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের কাচঁপুর এলাকায় নোয়াগাঁও ইউনিয়নের লাধুর চর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে রুহুল আমিনকে গুলি করে পঙ্গু করার ঘটনায় রোকেয়া প্রাচী ও অরুণা বিশ্বাসকে আসামি করে হত্যাচেষ্টার মামলা দায়ের করা হয়েছে। 

    রোববার রাতে আহত রুহুল আমিন নিজেই বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় এ মামলা দায়ের করেন। মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (খ-অঞ্চল) শেখ বিল্লাল হোসেন।

    এ দুজন ছাড়াও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বোন শেখ রেহেনা ও ছেলে সজিব ওয়াজেদ জয়কে আসামি করে ১৭৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। এতে ১৭৯ জনের নাম উল্লেখ এবং ৫০-৬০ জন অজ্ঞাত আসামি করা হয়।

    মামলায় উল্লেখ করা হয়, গত ২০ জুলাই সোনারগাঁয়ের কাচঁপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে চলাকালে বাদীকে কাঁচপুর এলাকায় গুলি করে মারাত্মকভাবে আহত করা হয়। বর্তমানে তিনি পঙ্গুত্ব বরণ করে আছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মামলা আতঙ্কে গা ঢাকা দিয়েছেন মাহি

    আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে একের পর এক মামলার আসামি হচ্ছেন দলটির নেতাকর্মীরা। ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে হত্যাকাণ্ড সহ অতীতের বিভিন্ন ঘটনায় নতুন করে মামলা রুজু হচ্ছে। এর ফলে দলটির শীর্ষ পর্যায়ের নেতা থেকে শুরু করে তৃণমূলের কর্মীরাও গা ঢাকা দিয়েছেন। কেউ কেউ অবৈধভাবে দেশত্যাগের চেষ্টাও করছেন।

    শুধু আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাই নন, পালিয়ে বেড়াচ্ছেন দলটির সঙ্গে সম্পর্কিত বিনোদন জগতের তারকারাও। এই যেমন চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের কেন্দ্রীয় কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলটির পক্ষ থেকে মনোনয়নও তুলেছিলেন তিনি। যার ফলে এখন মামলা আতঙ্কে দিন কাটছে তার।

    সামাজিক মাধ্যমে কিছুটা সক্রিয় থাকলেও শুটিং ফ্লোরে তার দেখা নেই। মোবাইল নম্বর কিংবা হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও সাড়া দিচ্ছেন না। বলা যায়, মামলার আতঙ্কে একপ্রকার গা ঢাকা দিয়ে রয়েছেন এই অভিনেত্রী।

    মাহির ঘনিষ্ঠজনরা সংবাদমাধ্যমকে জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকেই বেশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন এই অভিনেত্রী। বিগত সময়ে দলটির হয়ে প্রচার-প্রচারণায় সরব থাকায় বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় কিছুটা আতঙ্কেও রয়েছেন তিনি।

    প্রসঙ্গত, আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর দেশত্যাগ করতে গিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপত্তাকর্মীদের জেরার মুখে পড়েন মাহি। সেখানে তাকে দেড় ঘণ্টা বসে থাকতে হয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থার বিভিন্ন প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঢাকার পর বগুড়ায় মামলা করছেন হিরো আলম

    ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচন ও ২০২৩ সালের উপনির্বাচনে হামলা এবং ভোটে কারচুপির অভিযোগে এবার বগুড়ায় মামলা করছেন আলোচিত ইউটিউবার আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম। 

    বৃহস্পতিবার বগুড়ার আদালতে হাজির হয়েছিলেন মামলাটি করতে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন জমা দিতে না পারায় আজ আর তার মামলাটি করা হয়নি তার। 

    পরে হিরো আলম গণমাধ্যমকে জানান, মামলার দরকারি কিছু কাগজ ও প্রক্রিয়া শেষ করতে কিছুটা দেরি হওয়ায় আজ আবেদন জমা দিতে পারেননি। সব প্রক্রিয়া শেষে রোববার মামলার আবেদন আদালতে জমা দেবেন।

    এ সময় তার কাছে সাংবাদিকদের প্রশ্ন ছিল- এত মামলা কেন করছেন? জবাবে হিরো আলম বলেন, ‘দেশ স্বাধীন হয়েছে, তাই মামলা করছি। আশা করছি প্রত্যেকটি মামলার সুষ্ঠু বিচার পাব।’

    বগুড়ার আদালতে কার বিরুদ্ধে মামলা করছেন- এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, বগুড়ার সাবেক সংসদ সদস্য রেজাউল করিম তানসেন ও বগুড়ার সদ্যবিদায়ী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সাইফুল ইসলামসহ অন্তত ৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করছি।’

    উল্লেখ্য, হিরো আলম ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৪ আসন থেকে প্রথমবার স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করেন। যদিও পরে ‘অনিয়মের’ অভিযোগ তুলে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান তিনি। এরপর ২০২৩ সালে উপনির্বাচনে বগুড়া-৪ ও বগুড়া-৬ আসন থেকে প্রার্থী হন তিনি। সেবার বগুড়া-৪ আসনে মাত্র ১ হাজার ভোটের ব্যবধানে ১৪ দলের প্রার্থী জাসদের রেজাউল করিম তানসেনের কাছে পরাজিত হন তিনি।

    এ ছাড়া ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনেও অংশ নিয়েছিলেন তিনি। সেটিতে পরাজিত হন, হারান জামানতও। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোহাম্মদ আলী আরাফাত (মোহাম্মদ এ আরাফাত) নির্বাচিত হন। 

    অনলাইন ডেস্ক

  • ল্যান্ড রোভারের কাছে ৫০ কোটি রুপি ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিমি সেনের মামলা

    বিলাসবহুল গাড়ি প্রস্তুতকারক সংস্থা ল্যান্ড রোভারের বিরুদ্ধে ৫০ কোটি রুপি ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলা করলেন বলিউড অভিনেত্রী রিমি সেন। ত্রুটিপূর্ণ গাড়ি পাঠিয়ে মানসিক যন্ত্রণা দেওয়া অভিযোগে তিনি এ মামলা করেছেন।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে। 

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২০ সালে ৯২ লাখ রুপি দামে গাড়িটি কিনেছিলেন রিমি। এরপর থেকেই ভোগান্তির শুরু তার। অভিনেত্রীর দাবি, গাড়িটি ত্রুটিপূর্ণ এবং সংস্থা যেভাবে মেরামতের কাজ পরিচালনা করেছে— তাতে তিনি মানসিক যন্ত্রণা পেয়েছেন, যা তাকে আইনি পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করেছে। এই গাড়ির কারণে মানসিক কষ্টের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে তাকে। সেই কারণেই বাধ্য হয়ে মামলা করেছেন তিনি।

    রিমির দাবি, যে গাড়িটি তিনি কেনেন তার সানরুফ, আওয়াজ এবং রিয়ার-অ্যান্ড ক্যামেরার সমস্যা ছিল। ফলে ২০২২ সালের ২৫ আগস্ট একবার গাড়িটির ধাক্কা লাগে অন্য গাড়ির সঙ্গে। সেই সময় অভিযোগ জানালেও ডিলারেরা তার অভিযোগ আমলে নেননি। এরপর গাড়িটি প্রায় ১০ বার মেরামত করাতে হয়েছে। এই পুরো ঘটনার কারণে মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে তাকে। সেই কারণে ৫০ কোটি রুপি ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি আইনি খরচের জন্য বাড়তি ১০ লাখ রুপি দাবি করেছেন রিমি। শুধু তাই নয়, ত্রুটিপূর্ণ গাড়িটির বদলে নতুন গাড়িও চেয়েছেন এই অভিনেত্রী।

    বিনোদন ডেস্ক