Tag: মামলা

  • বিরল বন্যপ্রাণীর মাংস খেয়ে বিপদে বলিউড অভিনেত্রী

    ১৯৯৯ সাল। রাজস্থানের জোধপুরে বলিউড সিনেমা ‘হাম সাথ সাথ হ্যাঁয়’–এর শুটিং চলাকালীন সময় উঠেছিল বড়সড় এক অভিযোগ—বিরল প্রজাতির কৃষ্ণসার হরিণ শিকার করেছেন অভিনেতা সালমান খান। এ অভিযোগের পর থেকেই শুরু হয় বলিউড সুপারস্টারকে ঘিরে এক দীর্ঘ ও জটিল আইনি অধ্যায়ের।

    ২০১৮ সালে এ মামলায় চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করে জোধপুর আদালত। সালমান খানকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়, যদিও পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান।

    এ বার তিন ধরনের বিরল বন্যপ্রাণী খেয়ে ফেললেন ‘লাপতা লেডিস’ খ্যাত অভিনেত্রী ছায়া কদম। মারাঠি এই অভিনেত্রীর সিনেমা ‘অল ইউ ইমাজিন অ্যাজ লাইট’ কান চলচ্চিত্র উৎসবের মঞ্চে সম্মানিত হয়েছেন। তিনি নাকি নিজেই স্বীকার করেছেন তিনি ইগুয়ানা, কচ্ছপ ও হরিণের মাংস খেয়েছেন। ইতিমধ্যেই বন দপ্তরের পক্ষে আইনি নোটিশ গিয়েছে ছায়ার কাছে।

    এমনিতেই ভারতে এই তিন প্রাণী হত্যা নিষিদ্ধ। অভিনেত্রী কীভাবে এই তিন বিরল প্রাণীর মাংস পেলেন তার খোঁজ চালানো হচ্ছে। জানা গিয়েছে, ঠানে এলাকা থেকে এই মাংস খেয়েছেন অভিনেত্রী। মনে করা হচ্ছে, এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে চোরাশিকারিরা।

    ইতিমধ্যেই তদন্তের জন্য একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে। এ ঘটনার তদন্তকারী আধিকারিক রাকেশ ভোর জানিয়েছেন, ছায়া কদম শহরে নেই। ছবির শুটিংয়ের কাজে চার দিনের জন্য বাইরে আছেন।

    তিনি আরও জানান, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সহযোগিতা করবেন। এরই পাশাপাশি আইনি সুরক্ষার ব্যবস্থাও করছেন তিনি। সবে কর্মজীবনে সাফল্যের মুখ দেখতে শুরু করেছিলেন অভিনেত্রী। ‘অল ইউ ইমাজিন অ্যাজ লাইট’ এবং ‘লাপতা লেডিজ’— দুটি ছবিই প্রশংসিত। এর মধ্যে তবে কি কোনো বিপদের মুখে পড়বেন অভিনেত্রী?

    বিনোদন ডেস্ক

  • সিদ্দিক সুশীল ভূমিকায় আন্দোলনের সময় যা খুশি করেছেন: রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রাজধানীর গুলশানে ভ্যানচালক জব্বার আলী হাওলাদারকে হত্যাচেষ্টা মামলায় ছোট পর্দার অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমানকে ৭ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার এসআই আব্দুস সালামের আবেদনের শুনানি নিয়ে বুধবার ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ছানাউল্যাহ এ আদেশ দেন।

    রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মাহবুব আলম সিদ্দিকের রিমান্ড মঞ্জুরের পক্ষে শুনানি করেন।

    তিনি বলেন, ‘এই আসামি সুশীল মানুষের ভূমিকায় থেকে আন্দোলনের সময় রাস্তায় থেকে যা খুশি করেছে। মামলার ভিকটিম গুলিবিদ্ধ হয়ে রাস্তায় পড়েছিল। তাকে হাসপাতালে নিতে বাধা দেয়। এছাড়া সে বিভিন্ন সময় খালেদা জিয়াকে নিয়েও কটূক্তি করে। তার ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুরের প্রার্থনা করছি।’

    সিদ্দিককে সকালে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে আনার পর প্রথমে হাজতখানায় রাখা হয়। পরে ১০ দিনের রিমান্ড শুনানির জন্য তোলা হয় আদালতে।

    সিদ্দিকের রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করে তার আইনজীবী জাহাঙ্গীর বিশ্বাস বলেন, ‘আসামির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নেই। ঘটনার সাথে জড়িত না। তিনি তার একমাত্র ছেলেকে নিয়ে বসবাস করেন। ছেলেটা অসুস্থ। তিনি নিজেও অসুস্থ। তার রিমান্ড বাতিল করে জামিনের প্রার্থনা করছি।’

    দুই পক্ষের আইনজীবীর শুনানি নিয়ে বিচারক এই অভিনেতাকে পুলিশ হেফাজতে সাতদিন রেখে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন।

    এর আগে মঙ্গলবার বিকালে বেইলি রোড দিয়ে যাওয়ার সময় কিছু যুবক সিদ্দিককে আটক করে। পরে তাকে রমনা থানা থেকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়। 

    মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত বছরের ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় গুলশানের শাহজাদপুরে কনফিডেন্স টাওয়ারের সামনে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানো হয়। এতে জব্বার আলী হাওলাদার গুলিবিদ্ধ হন। এ ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১০৯ জনের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় এ মামলা করেন ভ্যানচালক জব্বার আলী হাওলাদার।

    এর আগে ছোটপর্দার অভিনেতা সিদ্দিককে মারধরের একাধিক ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ভিডিওতে দেখা যায়, জামাকাপড় ছেঁড়া অবস্থায় তাকে একদল যুবক টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছেন। এ সময় সিদ্দিক কান্নাকাটি করছিলেন এবং যুবকদের মধ্যে কেউ কেউ তার গায়ে হাত তুলছিলেন। তারা ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ বলে স্লোগান দিচ্ছিলেন।

    জানা যায়, জামাকাপড় ছেঁড়া অবস্থায় সিদ্দিককে ঢাকার রমনা থানায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ওই দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রমনা থানার ওসি (অপারেশনস) আতিকুল আলম। 

    তিনি গণমাধ্যমকে জানান, ‘প্রায় ৪০ মিনিট আগে একদল বিক্ষুব্ধ জনতা সিদ্দিককে আমাদের কাছে হস্তান্তর করে। তিনি এখন আমাদের হেফাজতে আছেন।’

    জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটেছে ঢাকার কাকরাইল এলাকায়। ভিডিওতে দেখা যায়, প্রকাশ্যে মারধর ও স্লোগানের মধ্য দিয়ে সিদ্দিককে থানায় নেওয়া হয় এবং পরে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

    তবে যারা সিদ্দিককে মারধর করে থানায় সোপর্দ করেছেন, তারা কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মী কিনা- তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ভিডিওতে এক ব্যক্তি ধারাবিবরণী দিতে দিতে বলেন, ‘আমরা সিদ্দিককে, আওয়ামী লীগের একজন দালালকে পুলিশে হস্তান্তর করছি।’

    উল্লেখ্য, অভিনেতা সিদ্দিক আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুলশান ও টাঙ্গাইলের মধুপুর আসন থেকে একাধিকবার সংসদ নির্বাচনের মনোনয়ন চেয়েছিলেন।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • গৃহপরিচারিকার সংবাদ সম্মেলন, পরীমনি বললেন ‘হাস্যকর’

    ঢাকাই সিনেমার অভিনেত্রী পরীমনির বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছেন তার দুই গৃহপরিচারিকা। এ বিষয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা জানাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তারা। তবে পুরো ঘটনা শুনে হাসছেন পরীমনি।

    মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) বিকাল ৫টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন গৃহপরিচারিকা পিংকি আক্তার। তিনি অভিযোগ করেন, শিশুকন্যাকে খাবার দেওয়াকে কেন্দ্র করে পরীমনি তাকে মারধর করেছেন।

    পিংকির সঙ্গে আরও অভিযোগ তোলেন আরেক গৃহপরিচারিকা শিরিন আক্তার। তার দাবি, পরীমনি তাকে অশ্রাব্য ভাষায় গালাগাল করেছেন এবং ১ মাসের বেতন না দিয়েই কাজ থেকে বের করে দিয়েছেন।

    সংবাদ সম্মেলনে পিংকি আক্তার দাবি করেন, পরীমনির বাসার সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করলে প্রকৃত ঘটনা পরিষ্কার হবে। তারা এই বিষয়ে তদন্তেরও দাবি জানান।

    পিংকি আক্তার সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘কাদের এজেন্সির মাধ্যমে পরীমনির বাসায় কাজ পাই। কাজ ছিল বাচ্চার দেখাশোনা করা। তিনি আমাকে বাসার অন্য কাজও করাতেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনার দিন ২ এপ্রিল তার বাচ্চাকে বসিয়ে রেখে বাজারের লিস্ট করছিলাম। এ সময় বাচ্চাটি কান্না শুরু করে। এর মধ্যে কান্না শুনে পরীমনির কাছে আসা সৌরভ নামের এক ব্যক্তি বাচ্চাকে সলিড খাবার খাওয়ানোর পরামর্শ দেন। তাকে বলেছিলাম, কিছুক্ষণ আগে সলিড খাবার খেয়েছে। কাজ শেষ করে ওকে দুধ খাওয়াব।’

    দুধের কথা শুনেই পরীমনি ক্ষিপ্ত হন অভিযোগ করে পিংকি বলেন, ‘আমার আগে যে গৃহকর্মী ছিলেন, বাচ্চা কান্না করলে তিনিও মাঝেমধ্যে দুধ দিতেন। সে জন্য আমি বাচ্চাটার জন্য দুধ রেডি করছিলাম। এর মধ্যে পরীমনি মেকআপ রুম থেকে বের হয়ে আমাকে তুই-তুকারি করে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন, কেন আমি বাচ্চার জন্য দুধ নিয়েছি।’

    নির্যাতনের বর্ণনা দিতে গিয়ে পিংকি বলেন, ‘একপর্যায়ে তিনি আমাকে থাপ্পড় দিতে থাকেন এবং মাথায় জোরে জোরে আঘাত করতে থাকেন। মারধরের পর আমি জোরে জোরে কান্না করতে থাকি এবং তাকে বলি, আমাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। তিনি আমাকে বলেন, “তুই এখান থেকে কোথাও যেতে পারবি না। তোকে এখানেই মারব, এখানেই চিকিৎসা করব।” এ কথা বলে তিনি আবার আমাকে মারতে আসেন। তখন সৌরভ তাকে বাধা দেন। তিনি সৌরভকেও গালাগাল করতে থাকেন।’

    পিংকি আক্তার বলেন, ‘একপর্যায়ে আমি অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পড়ে যাই। প্রায় ১ ঘণ্টা পর আমার জ্ঞান ফেরে। বাসার আরেক গৃহকর্মী বৃষ্টিকে বলি আমাকে যেন দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যায়। বৃষ্টি বলেন, পরীমনি ঘুমিয়েছেন, তাকে এখন ডিস্টার্ব করা যাবে না। তখন আমি বাথরুমে গিয়ে লুকিয়ে এজেন্সির কাদের ভাইকে ফোন করে পুরো ঘটনা জানাই এবং সাহায্য চাই। তিনি যেন আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু তিনিও আমাকে সাহায্য করেননি। উল্টো দুদিন পর পরীমনিকে আরেকজন গৃহকর্মী দিয়ে যান। বাধ্য হয়ে আমি ৯৯৯-এ ফোন করি এবং পুলিশকে জানাই।’

    সংবাদ সম্মেলনে পিংকি বলেন, ‘পুলিশ পরীমনির বাসার সামনে এলে পরীমনি বৃষ্টিকে বলেন, আমাকে যেন বাসার নিচে নামিয়ে দিয়ে আসে। বৃষ্টি আমাকে বাসার নিচে নামিয়ে দেন। আমি রিকশা নিয়ে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নিই এবং প্রাথমিকভাবে থানায় একটি অভিযোগ দিই। এখন তিনি আমার বিরুদ্ধে নানারকম মিথ্যাচার করে বেড়াচ্ছেন।’

    পরীমনির বাসায় কাজ করেছেন দাবি করা আরেক গৃহপরিচারিকা শিরিন অভিযোগ করে বলেন, ‘পরীমনি আমার এক মাস চার দিনের বেতন বকেয়া রেখে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে বাসা থেকে বের করে দিয়েছে। আমার আগেও দুজনের সঙ্গে একই কাজ করেছেন।’

    এসব অভিযোগ পুরোনো। তবু এই ঘটনা নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে যোগাযোগ করা হয় পরীমনির সঙ্গে। অভিনেত্রী ঘটনাটি শুনে হাসতে থাকেন। জাগো নিউজকে তিনি বলেন, ‘যে ঘটনা ইতিমধ্যে আদালতে উঠে গেছে, সেটা নিয়ে কেন প্রেস কনফারেন্স করতে হচ্ছে? যে ঘটনার বিচার আদালত করবেন, সেটা কেন মিডিয়া ট্রায়ালের চেষ্টা করা হচ্ছে?’

    পিংকি আক্তারের অভিযোগগুলো শুনে পরীমনি বলেন, ‘ওর বক্তব্য হাস্যকর। আমি নাকি ওকে আধঘণ্টা ধরে থাপ্পড় দিয়েছি! আমার বাচ্চার কামড়ে সে নাকি অজ্ঞান হয়ে গেছে! আমার বাচ্চা কি ভ্যাম্পায়ার নাকি?’ পরীমনি বলেন, ‘আমার পরিবার চলে গৃহকর্মীদের সাহায্যে। তাদের নিয়েই আমার সবকিছু। এতগুলো মানুষ আমার সঙ্গে থাকে, এত বছর হয়ে গেল, কেউ তো কখনও এ রকম অভিযোগ করেনি! এটা একটা প্রতারক চক্রের কাজ, কেউ ওদের দিয়ে এসব করাচ্ছে। এই মেয়েটি আগেও একটা পরিবারে কাজ করতে গিয়ে এ রকম অভিযোগ করেছিল, ভিডিও আছে।’

    নির্যাতনের অভিযোগ এনে গত ১৭ এপ্রিল পরীমনিকে ১ নম্বর আসামি করে আদালতে মামলা করেছেন। মামলায় আসামি করা হয়েছে একই ফ্ল্যাটে বসবাস করা সৌরভ (২৮) নামে এক ব্যক্তিকে। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে মামলাটি তদন্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) আগামী ৮ মের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ইরেশের বিরুদ্ধে মামলা নিয়ে যা বললেন জয়

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রাজধানীর মিরপুরে মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যার
    অভিযোগে অভিনেতা ইরেশ যাকেরসহ ৪০৮ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে।
    অভিনেতার বিরুদ্ধে
    হত্যা মামলার খবর সামনে আসতেই ক্ষোভে ফুসছে শোবিজ দুনিয়া। ইরেশের পাশে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ
    জানাচ্ছেন সহকর্মী থেকে শুরু করে ভক্তরাও।

    ইরেশের মামলার বিষয়ে এবার মুখ খুলেছেন আলোচিত উপস্থাপক ও অভিনেতা শাহরিয়ার
    নাজিম জয়। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে ইরেশের মামলার ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছেন
    তিনি। একইসঙ্গে নিজের বিরুদ্ধে হওয়া মামলা ও হয়রানি নিয়ে মুখ খুলেছেন তিনি।

    ওই পোস্টে জয় লেখেন, ‘অভিনেতা ইরেশ যাকেরের নামে মামলা দেওয়ায় সব শিল্পী
    সমাজের সঙ্গে আমিও তীব্র প্রতিবাদ জানাই। আজ থেকে আট মাস আগে আমার বিরুদ্ধেও এ রকম
    একটি হয়রানিমূলক মামলা হয়েছিল। একমাত্র আশফাক নিপুণ ছাড়া আর কাউকে পাশে পাইনি। বরং
    বাদ পড়েছি বিভিন্ন কাজ থেকে। আমেরিকায় শো করতে গিয়েও দুই-একজন অতি উৎসাহী কলিগের
    কারণে মঞ্চে উঠাতো দূরের কথা আমাকে হোটেল থেকেও বের হতে দেয়নি। মামলার কারণে সামাজিকভাবে
    হেনস্থা হয়েছি। অনেক আত্মীয় অতি উৎসাহী  আত্মীয়তা
    ভঙ্গ করেছে। অনেক কলিগ ফোনও ধরেনি। যোগাযোগ করেনি।’

    তিনি আরও লেখেন, ‘শুনেছি আমার বিরুদ্ধে যে মামলা করেছিল সেই বাদী এখন
    থানায় আটক আছে। বিভিন্নজনের নামে মামলা দিয়ে টাকা খাওয়ার অপরাধে। আমার বিরুদ্ধে
    পুলিশ সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে আমার কোনো সম্পৃক্ততা পায়নি এবং আমাকে পুলিশ ও রাষ্ট্র
    কোনো হয়রানি করেনি। বরং হয়রানি করিয়েছে আমার পরিচিত কাছের স্বজনেরা এবং চিরকালের
    বন্ধুরা। যাক আমি কারো প্রতি দোষারোপ করছি না। সবাইকে ক্ষমা করে দিয়েছি।’

    নিজের ছোটখাটো ভুলের জন্য বার বার ক্ষমা চেয়েছেন জানিয়ে পোস্টে জয় লেখেন,
    ‘বড় অপরাধী ও অপরাধকে ছোট করে ফেলে এ ধরণের মামলা। যেখানে এমন একজন সেলিব্রেটির নাম
    ঢুকিয়ে দেওয়া হয় যে মামলার চেয়ে সেলিব্রেটিকে নিয়ে চর্চা হয় বেশি। তখন আসল অপরাধীরা
    মুচকি হাসে। মামলাটাকে হাস্যকর মনে করে। এতে বিচার প্রক্রিয়া পিছিয়ে যায়। আমরা চাই
    অপরাধীর বিচার হোক। যে যার জায়গা থেকে নতুন বাংলাদেশে ভুল সংশোধন করে নতুন করে বাঁচুক।
    সবাই সবার প্রতি সহানুভূতিশীল হোক। ছবিটিতে আমার অটিস্টিক বেবি আযানের সঙ্গে আমি। অনেকের
    চোখে আমি খারাপ মানুষ হলেও আমার সন্তানের কাছে আমি সেরা।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবারও ফেঁসে যাচ্ছেন নায়িকা পরীমনি!

    ২০২১ সালে বোটক্লাবকাণ্ডে সংবাদ সম্মেলনে কান্নাকাটি করেছিলেন ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা পরীমনি। শুধু তাই নয়, ক্লাবের পরিচালক নাসির উদ্দিন মাহমুদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে মামলাও করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে বোটক্লাবের ঘটনায় পরীমনি নিজেই ফেঁসে যান। 

    সম্প্রতি নিজের বাসার গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠে এই নায়িকার বিরুদ্ধে। এ নিয়ে থানায় অভিযোগও দায়ের করা হয়। বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হলে শুক্রবার রাতে ফেসবুক লাইভে আসেন পরীমনি। সেখানে তিনি মারধরের শিকার পিংকীকে নিজের গৃহকর্মী বলে অস্বীকার করেন এবং তিনি মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন।  কিন্তু বোটক্লাবকাণ্ডের মতো এবারও তার বক্তব্যের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। 

    পুলিশ বলছে, নায়িকা পরীমনির বিরুদ্ধে গৃহকর্মী পিংকীকে মারধরের সত্যতা মিলেছে। 

    গত বৃহস্পতিবার পরীমনির গৃহকর্মী পিংকী আক্তার ভাটারা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, পরীমনি তার এক বছরের দত্তক কন্যাসন্তানকে খাবার খাওয়ানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে গৃহকর্মী পিংকী আক্তারকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন। 

    ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম শনিবার যুগান্তরকে বলেন, চিত্রনায়িকা পরীমনির বিরুদ্ধে তার গৃহকর্মীর দেওয়া অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। পিংকী আক্তার নামে ওই গৃহকর্মী যে অভিযোগ দিয়েছিলেন তা জিডি হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলমান রয়েছে। 

    গৃহকর্মী পিংকী আক্তারের বাড়ি নেত্রকোনায়।  অভিযোগে তিনি বলেন, একটি এজেন্সির মাধ্যমে এক মাস আগে তিনি পরীমনির বাসায় কাজ নেন। তার দায়িত্ব ছিল পরীমনির এক বছর বয়সি মেয়ের দেখাশোনা করা এবং তাকে খাবার খাওয়ানো। ওই বাচ্চাকে প্রতি দুই ঘণ্টা পরপর খাওয়ানোর নিয়ম। পাশাপাশি বাসার অন্যান্য কাজও করতেন পিংকী। গত ২ এপ্রিল গৃহকর্মী পিংকী পরীমনির বাচ্চাটিকে পাশে বসিয়ে বাজারের লিস্ট করছিলেন। এ সময় বাচ্চা কান্না শুরু করলে পরিমনির পরিচিত সৌরভ নামে এক ব্যক্তি বাচ্চাকে ‘সলিড খাবার’ দেওয়ার পরামর্শ দেন। 

    পিংকী বলেন, সলিড খাবার দেওয়ার সময় না হওয়ায় আমি বাচ্চার জন্য দুধ তৈরি করছিলাম। এমন সময় পরীমনি মেকআপ রুম থেকে বেরিয়ে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল ও একপর্যায়ে বেধড়ক মারধর করেন। তিনি একের পর এক আমার মাথায় মারতে থাকেন। তার মারধরে আমি তিনবার ফ্লোরে পড়ে যাই। এরপর তিনি আমার বাম চোখে অনেক জোরে একটি থাপ্পড় মারেন। এতে আমার চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 

    মারধরের একপর্যায়ে পিংকী অচেতন হয়ে যান। কিন্তু তাকে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়নি। পিংকী আক্তারের অভিযোগ, প্রায় এক ঘণ্টা পর তার জ্ঞান ফিরে। এরপর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। এরপর পিংকী কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। 

    এদিকে গৃহকর্মীর থানায় অভিযোগ দায়েরের ঘটনায় গতকাল রাতে ফেসবুক লাইভে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেন পরীমনি। তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ আইনিভাবে মোকাবিলার কথা জানিয়েছেন তিনি। 

    পাশাপাশি বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় গণমাধ্যমের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। থানার সাধারণ ডায়েরির সূত্র ধরে তাকে নিয়ে গণমাধ্যম যেভাবে খবর প্রকাশ করেছে, এতে তিনি মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন।

    তিনি বলেন, আমি যদি অন্যায় করি ডেফিনেটলি আমার শাস্তি পাওয়া উচিত।

    একইভাবে ২০২১ সালেও বোটক্লাবকাণ্ডে সংবাদ সম্মেলনে কান্নাকাটি করেন পরীমনি। তখন তিনি ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ করেন।  

    এই অভিযোগে ২০২১ সালের ৯ জুন রাতে সাভার থানার ঢাকা বোট ক্লাবে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ১৪ জুন ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন নায়িকা পরীমনি। সেই মামলার তদন্ত তদারক কর্মকর্তা ছিলেন সাকলায়েন। তদন্তের সময় পরীমনির সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ ওঠার পর তাকে বদলি করা হয়েছিল এবং তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছিল।

    পরীমনির বিরুদ্ধে ২০২১ সালের ১৮ জুলাই নাসির উদ্দিন মাহমুদ হত্যাচেষ্টা, মারধর, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে আদালতে মামলা করেন। যদিও পরীমনি প্রথমে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন, কিন্তু তদন্তে সত্যতা মেলে।

    এছাড়াও ২০২১ সালের ৪ আগস্ট পরীমনির বনানীর বাসায় অভিযান চালায় র‌্যাব। তখন ফেসবুক লাইভে পরীমনিকে কান্নাকাটি করতে দেখা যায় এবং অভিযানকে বেআইনি বলতে শোনা যায়। এরপর সেদিন তার বাসা থেকে বিপুল পরিমাণে বিদেশি মদ উদ্ধার করে র‌্যাব এবং তাকে গ্রেফতার করে। এ মামলায় তিন দফায় মোট সাত দিন তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। গ্রেফতারের ২৭ দিন পর ১ সেপ্টেম্বর পরীমনি কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হন।

    উল্লেখ্য, পরীমনি এই মামলাগুলো বর্তমানে আদালতে চলমান রয়েছে। চলতি বছরের শুরুর দিকে মামলার শুনানিতে হাজির না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। এরপর আদালতে তার জামিনদার হন তরুণ গায়ক শেখ সাদী। এই গায়কের সঙ্গেও পরীমনি সম্পর্কের গুঞ্জন চলছে। ফেসবুকের বিভিন্ন পোস্ট ও ছবিতেও তার ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি। 

    এদিকে, গৃহকর্মীকে মারধরের ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরীমনির গ্রেফতারের দাবি জোরালো হচ্ছে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে মারধরের সত্যতা মেলায় মামলার তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে এই আলোচিত অভিনেত্রীর। 

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • পরীমনির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ, থানায় জিডি

    ঢাকাই সিনেমার নায়িকা পরীমনি কাজের চেয়ে বরং ব্যক্তিজীবন নিয়েই বেশি আলোচনায় থাকেন। এবার গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সেই গৃহকর্মী পরীমনির বিরুদ্ধে থানায় জিডিও করেছেন। 

    জানা গেছে, পরীমনির এক বছরের দত্তক মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানোকে কেন্দ্র করে গৃহকর্মীকে মারধর করেন তিনি।  এ ঘটনায় পিংকি আক্তার নামের সেই গৃহকর্মী ঢাকার ভাটারা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন।

    বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) এই জিডিটি করেন পিংকি আক্তার। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ভাটারা থানা পুলিশ। 

    ভাটারা থানার ওসি মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, চিত্রনায়িকা পরীমনির বাসার এক গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে ওই গৃহকর্মী থানায় একটি জিডি করেছে। বিষয়টি আমরা তদন্ত করে দেখছি।

    প্রসঙ্গত, এর আগেও নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জন্য পরীমনির বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আদালতে চলমান রয়েছে। 

    ২০২১ সালের ৬ জুলাই ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব হাসানের আদালতে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ বাদী হয়ে পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। মামলায় নাসিরউদ্দিন উল্লেখ করেন, পরীমনি ও তার সহযোগীরা অ্যালকোহল সেবনে অভ্যস্ত। তারা সুযোগ বুঝে বিভিন্ন নামিদামি ক্লাবে ঢুকে অ্যালকোহল পান করেন এবং পার্সেল নিয়ে মূল্য পরিশোধ করেন না। পরীমনি তার পরিচিত পুলিশ কর্মকর্তাদের দিয়ে মিথ্যা মামলা করিয়ে হয়রানির ভয় দেখান।

    বাদী মামলায় আরও উল্লেখ করেন, পরীমনি ও তার সহযোগীরা তাকে (নাসির উদ্দিনকে) মারধর ও হত্যার হুমকি দিয়েছেন ও বোট ক্লাবে ভাঙচুর করেছেন। এ ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য পরীমনি সাভার থানায় বাদী নাসির উদ্দিনসহ দুজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ তুলে মামলা করেন।

    এছাড়া, ২০২১ সালের ৪ আগস্ট বিকালে রাজধানীর বনানীর ১২ নম্বর সড়কে পরীমনির বাসায় অভিযান চালায় র‌্যাব। এ সময় ওই বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। মাদকের মামলায় পরীমনির  সে বছরের ৫ আগস্ট চারদিন ও ১০ আগস্ট দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। 

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • মা-বোনের বিরুদ্ধে মামলা করতে যাচ্ছেন পপি

    জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্ত অভিনেত্রী সাদিকা পারভীন পপি। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি আড়ালে। গত পাঁচ বছর শোবিজের কোনো আয়োজনেই তাকে দেখা যায়নি। এমনকি সামাজিক মাধ্যম থেকেও নিজেকে গুটিয়ে রেখেছিলেন। অঘোষিত বিদায় জানিয়েছেন অভিনয়কেও। 

    তবে হঠাৎ করে আবারও প্রকাশ্যে এসেছে পপির স্বামী, সন্তান ও ব্যক্তিগত জীবন। ঘটনার সূত্রপাত, তার আপন বোনের করা একটি মামলা থেকে। 

    সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে খুলনায় পৈতৃক সম্পত্তি দখলচেষ্টার অভিযোগ তুলেছেন মা ও বোন। এ বিষয়ে খুলনার সোনাডাঙ্গা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও করেছেন পপির বোন ফিরোজা পারভীন।

    ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই পরিবারের সবাইকে নিয়ে রাজধানী ঢাকায় থাকতেন পপি। কখনো দ্বন্দ্বের আভাস পাওয়া যায়নি। হঠাৎ করেই পপির পারিবারিক দ্বন্দ্বের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসায় অনেকেই হতবাক হয়েছেন।

    সেই মামলার মাসখানেক পেরিয়েছে, বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে আবারও গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন এ অভিনেত্রী। 

    তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। আমার করা সাধারণ ডায়েরি তদন্তাধীন। আইনিভাবেই লড়াই করব। বর্তমানে মামলার প্রস্তুতি চলছে। অন্যায়ভাবে আমার জমি দখলে রেখেছে তারা। মামলা করবই। ছয় কাঠা জমির দলিল আমার নামে। সামনের অংশের জমিতে ভাগ পাবো। কিন্তু সব কিছু মা-বোনেরা দখলে রেখেছে। সামনে যে ঘর তুলেছিলাম, তা থেকে প্রায় ৬০ হাজার টাকা ভাড়া আসে। সব তারাই নেয়।

    মায়ের বিরুদ্ধে সংসার ভাঙার অভিযোগ এনে পপি বলেন, নিজের কোনো শখ-আহ্লাদও পূরণ করিনি। নিজের সবটা দিয়ে পরিবারকে দেখেছি। সেই মা আমার স্বামী ও সন্তান নিয়ে মিডিয়ায় ছোট করেছে। আমি চেয়েছিলাম সময়-সুযোগ বুঝে স্বামী-সন্তান নিয়ে কথা বলব। কিন্তু খুব বাজেভাবে স্বামী ও সন্তানকে উপস্থাপন করেছে। আমি বিয়ে করে সংসারী হয়েছি। আমার শেষ আশ্রয় যেটা ছিল, যে আমাকে আশ্রয় দিয়েছে; জীবন বাঁচাতে দায়িত্ব নিয়েছে। কিন্তু সেই মানুষটাকেও অসম্মান করেছে। সংসার নষ্ট করার চেষ্টা করছে। এটা পৃথিবীর কোনো মা তা করতে পারে না। শ্বশুরবাড়ি ফোন করে নানা মিথ্যাচার করেছে। আমাকে ডিভোর্স দেওয়ার জন্য বলেছে। 

    তিনি আরও বলেন, যাদের উপকার করেছি, তারা আমার ক্ষতি করছে। শ্বশুরবাড়িতে যে সম্মানে থাকব তা-ও দিচ্ছে না। প্রতিনিয়ত অসম্মানিত করছে। এজন্য উঠতে-বসতে কথা শুনতে হয়। বিয়ে করেছি, সামনে আনিনি। এটা আমার ব্যক্তিগত বিষয়। অন্যায় কিছু করিনি। প্রতিটি মানুষের একটা ব্যক্তিগত বিষয় থাকে। আমি চাইনি আমার ব্যক্তিগত বিষয় মিডিয়ায় আসুক। তারা সব প্রকাশ করেছে।

    আক্ষেপ জানিয়ে পপি বলেন, তারা আমার মান-সম্মানের কথা একবারও ভাবেনি এবং আমার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক রাখেনি। তাই আমার প্রাপ্য জমি কখনোই ছেড়ে দেবো না। প্রয়োজনে আমার হক এতিমখানা কিংবা মাদরাসায় দেওয়া হবে কিন্তু তাদের আর নয়। কোনো নিমকহারামকে কিছু দেওয়া হবে না। আমার ৩০ বছরের কষ্টের মূল্য তারা দেয়নি। আমার সম্মান নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • শাহরুখ, অজয় ও টাইগারকে আদালতে তলব

    ভারতে পানমশলা নামে একটি পণ্য রয়েছে। এই পণ্যের বিজ্ঞাপনে অংশ নেওয়ায় বলিউডের জনপ্রিয় তিন অভিনেতা শাহরুখ খান, অজয় দেবগন ও টাইগার শ্রফকে আইনী নোটিশ দিয়েছে ভারতের জয়পুরের ক্রেতা বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন। 

    আদালতের মতে, অভিনেতারা ক্রেতাদের বিভ্রান্ত করেছেন। এই বিভ্রান্ত করার অভিযোগেই তিন অভিনেতাকে নোটিশ দেওয়া হল। 

    নোটিশে বলা হয়েছে, শাহরুখ, অজয় ও টাইগার শ্রফ অভিনীত পানমশলার বিজ্ঞাপনে দেখানো হয়, পণ্যের প্রতি দানায় দানায় কেশর রয়েছে। কিন্তু এই দাবি পুরোটাই বিভ্রান্তিকর। এ নিয়ে আপত্তি তুলেছেন জয়পুরের বাসিন্দা যোগেন্দ্র সিং বাদিয়াল। বিজ্ঞাপনের ট্যাগ লাইনের বিরুদ্ধেই তার মূল অভিযোগ। তাই অভিযোগ নিয়ে তিনি ভোক্তা ফোরামের দ্বারস্থ হন। এরপর ভোক্তা ফোরামের চেয়ারম্যান গিয়ারসিলাল মীনা এবং সদস্য হেমলতা আগরওয়াল নোটিশটি জারি করেন। 

    অভিযোগকারীর আইনজীবী ভারতীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, কেশর স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হলেও পানমশলা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তবু বিক্রি বাড়াতেই এমন বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন বানিয়েছে পানমশলা তৈরির কোম্পানি। আর সেটা প্রচার করছেন এই তিন অভিনেতা।

    আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে পানমশলা প্রস্তুতকারক কোম্পানী ও অভিনেতাদের তলব করে আগামী ১৯ মার্চ তারিখ হাজিরা দিতে বলেছে। এক মাসের মধ্যে তাদের জবাবদিহি করারও নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তবে এ নিয়ে শাহরুখ খান, অজয় দেবগণ এবং টাইগার শ্রফ কোনও মন্তব্য করেননি।

    আনন্দনগর ডেস্ক

  • বিছানা থেকে ওঠার শক্তি পাচ্ছেন না পরীমনি

    ঢাকাই সিনেমার নায়িকা পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন ঢাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিনের করা মামলায় হাজিরা না দেওয়ার কারণে রোববার আদালত এ রায় দেন। এ বিষয়ে পরীমনি জানিয়েছেন, শারীরিকভাবে তিনি খুবই অসুস্থ। বিছানা থেকে ওঠার শক্তিও পাচ্ছেন না। তাই শুনানির নির্ধারিত তারিখে তিনি আদালতে হাজির হতে পারেননি। 

    গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির বিষয়ে মাদককাণ্ডে বিতর্কিত এই নায়িকা গণমাধ্যমকে বলেন, ফোন হাতে নিয়ে ফেসবুক স্ক্রল করতে করতে খবরটা দেখলাম। আমি আজ আদালতে যেতে পারিনি। এর আগেও একবার যেতে পারিনি, সেবার আমার মৃত নানুর একটা বিষয় ছিল। সেই হিসেবে পরপর দুবার আমি আদালতে যেতে পারিনি। আজকে আমার শারীরিক অসুস্থতার কারণে হাজির থাকতে পারিনি। আমার আইনজীবীকে তা জানিয়েছি। আদালতের ভাষ্য অনুযায়ী, আজকে আমার অবশ্যই যাওয়া উচিত ছিল। সচেতন নাগরিক হিসেবেও মনে করছি যাওয়া উচিত ছিল। 

    নিজের শারীরিক অসুস্থতার কারণ উল্লেখ করে পরীমনি বলেন, শরীর অনেক বেশি খারাপ ছিল। শরীর অসুস্থ থাকলে তো কিছুই করার নেই। আমি বিছানা থেকে ওঠার মতো শক্তিও পাচ্ছিলাম না। ঠিক থাকলে আমি তো আদালতে যেতাম। আদালতে যাওয়া নিয়ে আমার কখনই কোনো সমস্যা ছিল না। মাতৃত্বকালীন সময়টায়ও কিন্তু আমি আদালতে যাওয়া বাদ দিইনি।

    উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ৬ জুলাই ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব হাসানের আদালতে বোট ক্লাবের সভাপতি ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ বাদী হয়ে পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে এ মামলা করেন। অন্য দুই আসামি হলেন- পরীমনির সহযোগী ফাতেমা তুজ জান্নাত বনি ও জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিম।

    মামলায় নাসিরউদ্দিন উল্লেখ করেন, পরীমনি ও তার সহযোগীরা অ্যালকোহল সেবনে অভ্যস্ত। তারা সুযোগ বুঝে বিভিন্ন নামিদামি ক্লাবে ঢুকে অ্যালকোহল পান করেন এবং পার্সেল নিয়ে মূল্য পরিশোধ করেন না। পরীমনি তার পরিচিত পুলিশ কর্মকর্তাদের দিয়ে মিথ্যা মামলা করিয়ে হয়রানির ভয় দেখান। ২০২১ সালের ৯ জুন রাত ১২টার পর আসামিরা সাভারের বোট ক্লাবে ঢোকেন এবং দ্বিতীয় তলার ওয়াশরুম ব্যবহার করেন। পরে তারা ক্লাবের ভেতরে বসে অ্যালকোহল পান করেন।

    গত বছর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই ঢাকা জেলার পরিদর্শক মো. মনির হোসেন ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পরীমনি ও তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিমের বিরুদ্ধে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করেন।

    তবে আরেক আসামি ফাতেমা তুজ জান্নাত বনির বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। পরবর্তী সময়ে ১৮ এপ্রিল ঢাকার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এম সাইফুল ইসলামের আদালত পিবিআইয়ের দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করেন। একই সঙ্গে পরীমনি ও তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিমকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেন। এরপর তারা ২৫ জুন ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিন পান।

    বেশ কয়েকবার মামলার শুনানিতে পরীমণিকে আদালত তলব করলেও উপস্থিত হননি তিনি। অবশেষে রোববার তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হলো। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • সাইফের মামলার নতুন মোড়

    বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা সাইফ আলি খানের ওপর
    হামলার মামলা একের পর এক ভিন্ন মোড় নিচ্ছে। হামলার পর মুম্বাই পুলিশ অভিনেতার বান্দ্রার
    বাড়িতে ১৯টি আঙুলের ছাপ পেয়েছিল। তবে তার সঙ্গে মিল নেই গ্রেফতার হওয়া মুহাম্মদ শরিফুল
    ইসলাম শেহবাজের আঙুলের ছাপের।

     ভারতীয়
    গণমাধ্যম জানিয়েছে, অভিনেতার বান্দ্রার বাড়ি থেকে পাওয়া ফিঙ্গারপ্রিন্টগুলো সিআইডির
    বিশেষজ্ঞ দলের কাছে পাঠিয়েছে মুম্বাই পুলিশ। সিআইডির একটি সিস্টেম জেনারেটেড রিপোর্ট
    বলছে, ওই ছাপের সঙ্গে মিল নেই ধৃত শরিফুলের আঙুলের ছাপের।

    জানা গেছে, সিআইডির বিশেষজ্ঞ টিমের ফিঙ্গারপ্রিন্ট
    টেস্ট রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।

    গত ১৬ জানুয়ারি ডাকাতির উদ্দেশ্যে এক ব্যক্তি
    সাইফ আলি খানের বাড়িতে ঢুকে পড়ে। একপর্যায়ে তাকে বাধা দিতে গেলে অভিনেতাকে ছুরিকাঘাত
    করে সেই ব্যক্তি। তিন দিনের ব্যাপক তল্লাশির পর মুম্বাইয়ের একটি এলাকা থেকে গ্রেফতার
    করা হয় মুহাম্মদ শরিফুল ইসলাম শেহবাজকে।

    তবে ইতোমধ্যে ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে
    যে, আটককৃত শরিফুলের সঙ্গে সিসিটিভি ফুটেজের ব্যক্তির মিল নেই। শরিফুলের বাবাও এমন
    অভিযোগ করেছেন।

    মূলত ফেশিয়াল রেকগনিশন পদ্ধতি ব্যবহার করে শরিফুলকে
    গ্রেফতার করে মুম্বাই পুলিশ। তবে আঙুলের ছাপ না মেলায় নতুন করে তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠতে
    শুরু করেছে।

    বিনোদন ডেস্ক