Tag: মামলা

  • আমিশা প্যাটেলের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

    বলিউড অভিনেতা রাজপাল যাদব ‘চেক বাউন্স’সংক্রান্ত অভিযোগের ভিত্তিতে জেলে গিয়েছিলেন। ৯ কোটি টাকার ঋণ শোধ করতে না পারায় আত্মসমর্পণ করেছিলেন তিনি। পরে জেলে যেতে হয় তাকে। ১২ দিন জেল খাটার পর জামিনে মুক্তি পান। এবার চেক বাউন্স মামলায় আইনি জটিলতায় জড়িয়েছেন অভিনেত্রী আমিশা প্যাটেল। হাজিরা এড়ানোয় তার বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন উত্তরপ্রদেশের মোরাদাবাদ আদালত। 

    অভিনেত্রী আমিশা প্যাটেলের বিরুদ্ধে এ মামলার সূত্রপাত প্রায় ১০ বছর আগের। ২০১৭ সালে মোরাদাবাদের একজন ইভেন্ট ম্যানেজার পবন ভার্মা অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে আর্থিক জালিয়াতির মামলা করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য ১৪ লাখ ৫০ হাজার রুপি নিয়েও অনুষ্ঠানে উপস্থিত হননি আমিশা প্যাটেল। 

    এমনকি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা দাবি করে তিনি মুম্বাই ফিরে যান। পরে ১০ লাখ রুপি ফেরত দিলেও বাকি সাড়ে ৪ লাখ রুপির জন্য দেওয়া চেকটি বাউন্স করে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    মামলাকারী পবন ভার্মার দাবি, বকেয়া টাকা পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দিলেও আমিশা তা রক্ষা করেননি। এ বিষয়ে মোরাদাবাদ আদালত একাধিকবার তাকে তলব করলেও তিনি হাজিরা দেননি। গত সোমবারের নির্ধারিত শুনানিতেও অনুপস্থিত থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা হিসেবে এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। আগামী ২৭ মার্চ তাকে সশরীরে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

    এ বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন ‘গাদার টু’খ্যাত অভিনেত্রী। তার দাবি, এটি ১৫ বছর আগের ঘটনা এবং সব পাওনা সই-সাবুদ করেই মিটিয়ে দেওয়া হয়েছে। পবন ভার্মা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা মামলা করেছেন বলে পাল্টা অভিযোগ করেন তিনি। আমিশা জানান, তার আইনজীবীরা বিষয়টি দেখছেন এবং ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে এরই মধ্যে ফৌজদারি মামলা প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • দুই হলিউড তারকার যৌন হয়রানির মামলার সমঝোতা হলো না

    এক বছরের বেশি সময় ধরে আলোচনায় হলিউড অভিনেত্রী ব্লেক লাইভলি ও জাস্টিন বালডোনির মামলা। যৌন নিপীড়নের অভিযোগে এই অভিনেতা-পরিচালকের বিরুদ্ধে মামলা ঠুকেছিলেন অভিনেত্রী। আদালত-নির্দেশিত মধ্যস্থতায় গত বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কোর্টে উপস্থিত হয়ে সারা দিনের বৈঠক শেষে শেষ পর্যন্ত দুই পক্ষ কোনো সমঝতায় পৌঁছতে পারেনি। 

    এ নিয়ে বালডোনির আইনজীবী ব্রায়ান ফ্রিডম্যান গণমাধ্যমকে জানান, কোনো সমঝোতা হয়নি। ভবিষ্যতে সমঝোতার সম্ভাবনা একেবারে নেই—এমন নয়, তবে মামলাটি বিচারে গড়ানোর সম্ভাবনাই বেশি। ‘আমরা মনে করি মামলাটি বিচারে গড়াবে। আমরা তার জন্য প্রস্তুত,’ বলেন তিনি। 

    অভিনেত্রীর অভিযোগ, ‘ইট এন্ডস উইথ আস’ ছবির শুটিং সেটে বালডোনি তাকে যৌন হয়রানি করেন। অভিযোগ জানানোর পর বালডোনি তার পিআর টিমের মাধ্যমে লাইভলির বিরুদ্ধে বদনাম ছড়ানোর প্রচারণা চালান বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়। মামলার সম্ভাব্য বিচার শুরুর তারিখ আগামী ১৮ মে নির্ধারিত হয়েছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অন্যদিকে বালডোনির পক্ষ থেকে সামারি জাজমেন্টের আবেদন করা হয়েছে। বিচারক লুইস লিম্যান এখন বিবেচনা করছেন—বিচারের আগেই লাইভলির অভিযোগ পুরোপুরি অথবা আংশিকভাবে খারিজ করা হবে কিনা। আবেদনে দাবি করা হয়েছে, অভিযোগগুলো মূলত ব্যক্তিগত বিরোধ ও অসন্তোষের বিষয়, যা আইনি দৃষ্টিতে যৌন হয়রানির মানদণ্ড পূরণ করে না। 

    তবে লাইভলির আইনজীবীদের দাবি, সেটে বালডোনির এই আচরণ নতুন কিছু নয়। এ নিয়ে অন্যান্য অভিনেতারাও তাকে নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন। তাদের মতে, অভিযোগগুলো গুরুতর এবং বিষয়টি জুরির মাধ্যমে বিচার হওয়াই যথাযথ হবে।  

    সূত্র: ভ্যারাইটি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • তিহার জেলে রাজপাল যাদব, পাশে দাঁড়ালেন সালমানসহ অনেকেই

    ‘ইন্ডাস্ট্রিতে আমার কোনো বন্ধু নেই।’ চেক বাউন্স মামলায় রাজপাল যাদবের তিহার জেলে যাওয়া যখন নিশ্চিত, সেই সময়ে আক্ষেপের সুরে এমন মন্তব্য করেছিলেন বলিউডের জনপ্রিয় এই কমেডি অভিনেতা। শুরুতে ইন্ডাস্ট্রির তেমন কাউকে পাশে না পেলেও এবার তার পাশে দাঁড়াচ্ছেন বলিউডের প্রথম সারির সব তারকা। 

    রাজপাল যাদবের ম্যানেজার গোল্ডি এক সাক্ষাৎকারে সম্প্রতি বলেন, ‘সোনু সুদ, সালমান খান ও অজয় দেবগন সকলেই রাজপালের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। প্রবীণ পরিচালক ডেভিড ধাওয়ান ও অভিনেতা বরুণ ধাওয়ানও যোগাযোগ করেছেন। এমনকি রতন জৈনের মতো প্রযোজকরাও এগিয়ে আসছেন।’ 

    ঘটনার শুরু ২০১০ সালে। সে সময় নিজের পরিচালিত ছবি ‘আতা পাতা লাপাতা’-র জন্য দিল্লির এক সংস্থার কাছ থেকে ৫ কোটি টাকা ঋণ নেন রাজপাল। ২০১২ সালে ছবিটি বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়লে ঋণের জালে জড়িয়ে পড়েন তিনি। সুদে-আসলে সেই অঙ্ক এখন ৯ কোটিতে রুপিতে দাঁড়িয়েছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এ নিয়ে দীর্ঘদিন আইনি লড়াই চালিয়ে যান এ কমেডি অভিনেতা। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দিল্লির একটি আদালত তাকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। বর্তমানে তিনি তিহার জেলে আছেন। 

    জীবনের এই কঠিন সময়ে অভিনেতাকে সাহায্যের জন্য প্রথম এগিয়ে আসেন বলিউডে খলনায়ক চরিত্রে অভিনয় করা তারকা সোনু সুদ। নিজের আগামী ছবিতে রাজপালকে অভিনয়ের সুযোগ দিয়ে অগ্রিম পারিশ্রমিক পাঠানোর প্রস্তাবও দেন তিনি। 

    এরপরই যেন বলিউডের প্রভাবশালী তারকাদের টনক নড়ে। এখন অনেকেই তার পাশে থাকার আশ্বাস দিচ্ছেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা, হিরো আলম কি ভোট দিতে যাবেন?

    আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলমের বিরুদ্ধে সম্প্রতি গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। বিয়ের আশ্বাসে ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় এ পরোয়ানা জারি করা হয়। 

    মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক আনোয়ারুল হক এ আদেশ দেন। এমতাবস্থায় গ্রেফতারি পরোয়ানা মাথায় নিয়েই নিজ এলাকায় ভোট দিতে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। 

    নাগরিক হিসেবে ভোট দেওয়া তার সাংবিধানিক অধিকার উল্লেখ করে গণমাধ্যমকে এই আলোচিত-সমালোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর জানান, কোনো পরিস্থিতিতেই তিনি ভোটাধিকার প্রয়োগ থেকে বিরত থাকবেন না।  হিরো আলম বলেন, ‘আমি এলাকার দিকে রওনা হয়েছি। রাতের মধ্যে এলাকায় চলে যাব। মামলা তো ভুয়া। নির্বাচনের পর আমি আদালত যাব।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ‘নায়িকা বানানোর প্রলোভন দেখিয়ে’ সাদিয়া রহমান মিথিলাকে একাধিকবার ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতন করেন হিরো আলম। পাশাপাশি তাকে জোরপূর্বক গর্ভপাতেও বাধ্য করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। 

    হিরো আলম ঘটনাটি অস্বীকার করলে সাদিয়া রহমান মিথিলা ২০২৫ সালের ২১ এপ্রিল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে হিরো আলমের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে পিবিআই প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পায়। পরবর্তীতে আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • কারাগারে বলিউডের জনপ্রিয় কমেডিয়ান অভিনেতা রাজপাল

    বলিউডের জনপ্রিয় কৌতুক অভিনেতা রাজপাল যাদবকে গ্রেফতার করে তিহার জেলে পাঠানো হয়েছে। চেক বাউন্স সংক্রান্ত মামলায় ৫০ লাখ রুপি পরিশোধের সময় বাড়ানোর আবেদন খারিজ করে দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট। খবর সামা টিভির।

    গত ৪ ফেব্রুয়ারি দিল্লি হাইকোর্ট রাজপাল যাদবের অতিরিক্ত সময় চাওয়ার আবেদন নাকচ করে দেয়। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ৫ ফেব্রুয়ারি তিনি নিজেই তিহার জেলে হাজির হন। 

    জেল সূত্র জানিয়েছে, বিকাল ৪টার দিকে তিনি কর্তৃপক্ষের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। এরপর নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শুরু হয়।

    এর আগে আদালত তাকে ২ ফেব্রুয়ারির আদেশে ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে জেল কর্তৃপক্ষের সামনে হাজির হতে বলেছিল। তবে তার আইনজীবী আরও এক সপ্তাহ সময় চেয়ে আবেদন করেন। তিনি জানান, রাজপাল যাদব ৫০ লাখ রুপি জোগাড় করেছেন, তবে পুরো অর্থ পরিশোধে কিছুটা সময় প্রয়োজন। বিচারপতি স্বর্ণা কান্তা শর্মা এ আবেদন খারিজ করে দেন এবং বলেন, সময় বাড়ানোর পক্ষে কোনো আইনগত ভিত্তি নেই।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ার কারণে রাজপাল যাদবকে ছয় মাসের কারাদণ্ড ও জরিমানা দেওয়া হয়েছিল। যদিও সে সময়ই তিনি জামিন পান। পরে ২০২৪ সালের জুনে হাইকোর্ট শর্তসাপেক্ষে তার সাজা সাময়িকভাবে স্থগিত করে এবং বাদীপক্ষের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করার নির্দেশ দেয়।

    সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, একটি চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য রাজপাল যাদব এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৫ কোটি রুপি ঋণ নিয়েছিলেন। সেই টাকা ফেরত দিতে না পারায় ওই ব্যবসায়ী তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেন।

    ‘ভুলভুলাইয়া’, ‘হাঙ্গামা’, ‘ধামাল’, ‘চুপ চুপ কে’, ‘ফির হেরা ফেরি’ ও ‘কাল হো না হো’-এর মতো জনপ্রিয় ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে পরিচিত রাজপাল যাদবের এ ঘটনায় ভক্তদের মধ্যেও চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ফের গ্রেফতার হতে পারেন নোবেল

    নতুন করে আবারও বিতর্কে জড়িয়েছে ‘সারেগামাপা’খ্যাত কণ্ঠশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেলের নাম। অর্থ আত্মসাৎ, প্রতারণাসহ একাধিক অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তরুণ এই গায়কের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। মামলার শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজু আহমেদের আদালত এই আদেশ দেন। 

    ফলে গ্রেফতার হতে পারেন এই কণ্ঠশিল্পী। 

    যদিও কারাবাসের ঘটনা আলোচিত-সমালোচিত এই শিল্পীর জন্য নতুন কিছু নয়।  বেফাঁস মন্তব্য ও নানা বিতর্কিত কাণ্ডের জন্য পরিচিত নোবেল আগেও গ্রেফতার হয়ে কারাবাস করেছেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    মামলার এজাহার অনুযায়ী ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ- নোবেল বিভিন্ন সময়ে তার গোপন ছবি তুলে সেগুলো ব্যবহার করে তাকে ব্ল্যাকমেইল করতেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, একপর্যায়ে পারিবারিকভাবে নোবেলের সঙ্গে তার বিয়ের উদ্দেশ্যে এনগেজমেন্টও হয়। তবে শারীরিক সম্পর্কের জন্য নোবেল চাপ সৃষ্টি করলে তিনি তাতে সম্মতি দেননি। পরবর্তীতে ওই গোপন ছবি দেখিয়ে নোবেল তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ২০ লাখ টাকারও বেশি অর্থ হাতিয়ে নেন। 

    ভুক্তভোগী নারীর আইনজীবী সাজিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে বলেন, আদালতে উপস্থাপিত অভিযোগ ও প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে। এতে পর্ণোগ্রাফি অভিযোগ আনা হয়েছিলো। মামলাটি আদালতে গত বছরের ১৩ আগস্ট করা হয়। ঘটনা তদন্তে দায়িত্ব পেয়েছিল পুলিশের তদন্ত সংস্থা পিবিআই।  

    বিনোদন ডেস্ক

  • ৫০ কোটি রুপির মানহানি মামলায় পক্ষে রায় পেলেন কুমার শানু

    গত কয়েক মাসে ভারতের জনপ্রিয় গায়ক কুমার শানুর বিরুদ্ধে তার সাবেক স্ত্রী রীতা ভট্টাচার্য একাধিক অভিযোগ আনেন।  তিনি দাবি করেন, অন্তঃসত্ত্বা থাকাকালীন তাকে অত্যন্ত কষ্টে দিন কাটাতে হয়েছে। সেই সময়টাতেই নাকি কুমার শানু পরকীয়ায় লিপ্ত ছিলেন। এই সব অভিযোগের প্রেক্ষিতে সামাজিক মাধ্যমে এই গায়ককে নিয়ে সে সময়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। এর পরই সাবেক স্ত্রীর বিরুদ্ধে ৫০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করেন কুমার শানু। 

    সম্প্রতি সেই মামলার রায় দিয়েছে আদালত। আদালতের রায় কুমার শানুর পক্ষেই এসেছে। একইসঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন যে, রীতা ভট্টাচার্য যেন গায়কের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে আর কোনো মানহানিকর মন্তব্য না করেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অভিযোগ ওঠার পর কুমার শানু দাবি করেছিলেন, রীতার এসব মন্তব্য মিথ্যা এবং তা তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছে। আদালতেও তার আইনজীবী জানান, প্রাক্তন স্ত্রীর কারণে গায়ককে আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে। মামলার শুনানি শেষে আদালত সিদ্ধান্ত দেয়, রীতা যেন গায়ককে নিয়ে আর কোনও কুমন্তব্য বা মানহানিকর মন্তব্য না করেন।  গায়কের বিরুদ্ধে তাকে কুমন্তব্য করতে নিষেধ করা হয়েছে। 

    মূলত, এই বিতর্কের সূত্রপাত হয় কুনিকা সদানন্দের বক্তব্য থেকে। বিগ বস-এ গিয়ে কুনিকা কুমার শানুর সঙ্গে নিজের বিবাহবর্হিভূত সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন।  এর পরই এক সাক্ষাৎকারে রীতা  দাবি করেন, ‘আমি যখন অন্তঃসত্ত্বা, সেই সময়ই ও (কুমার শানু) অন্য সম্পর্কে ছিল। তখন থেকেই নানা আলোচনা আমার কানে এসেছে। আমার বয়স অল্প ছিল বলে তখন পুরোটা বুঝতে পারিনি।’ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভারতীয় অভিনেতার বিরুদ্ধে মামলা

    ওপার বাংলার বড় পর্দার অভিনেতা ও রাজনীতিক হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের বিয়ে নিয়ে বিতর্ক যেন থামছেই না। প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের আগেই দ্বিতীয় বিয়ে করায় হিরণের বিরুদ্ধে আনন্দপুর থানায় ইতোমধ্যে অভিযোগও জানিয়েছেন প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা। এবার সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই হিরণের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। 

    জানা যায়, হিরণের বিরুদ্ধে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ এনেছেন অনিন্দিতা। সঙ্গে বিবাহিত অবস্থায় অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগও করেছেন তিনি। এসব অভিযোগ যদি প্রমাণিত হয়, তাহলে শাস্তি হিসাবে হিরণের জেলও হতে পারে।  অবশ্য এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেননি এই অভিনেতা। 

    এর আগে গত বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাতে ইনস্টাগ্রামে একটা লম্বা পোস্ট করেছিলেন হিরণের দ্বিতীয় স্ত্রী হৃতিকা গিরি। যদিও পরবর্তীতে সেই পোস্ট তিনি সরিয়ে নেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া সেই পোস্টে হৃতিকা অভিনেতার প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতার দিকে তার বয়স নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরির অভিযোগ তোলেন। পোস্টে হৃতিকা আরও দাবি করেন, হিরণের সঙ্গে গত ৫ বছর ধরে তিনি দাম্পত্য সম্পর্কে রয়েছেন এবং হিরণ অনেক আগেই অনিন্দিতাকে ডিভোর্সের নোটিস পাঠিয়ে রেখেছেন। 

    ঋতিকা আরও লেখেন, ‘আমার বয়স সম্পর্কে ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছে। ডিভোর্সের নোটিস আগেই পাঠানো হয়েছে। এই বিয়ে আমরা ৫ বছর আগেই করেছি। সবটাই অনিন্দিতা জানত।’ 

    এর আগে অনিন্দিতা দাবি করেছিলেন, ছয় মাস আগেও হিরণ তাদের সঙ্গে এক বাড়িতে ছিলেন। এই বিষয়ে হৃতিকা লেখেন, ‘৬ মাসের জন্য হিরণ ওর সঙ্গে থাকেনি। ২০২৪-এর নভেম্বর থেকে ২০২৫-এর ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হিরণ ওর মেয়ের জন্য ওই বাড়িতে ছিল।’ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • সেই মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন মেহজাবীন

    পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখার বিনিময়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাত ও হুমকি ধামকি এবং ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে করা মামলায় মডেল ও অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিশান চৌধুরীকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।

    সোমবার (১২ জানুয়ারি) ঢাকার এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।

    মেহজাবীনের আইনজীবী তুহিন হাওলাদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  

    মামলার অভিযোগে বলা হয়, দীর্ঘদিনের পরিচয়ের সূত্রে মেহজাবীনের নতুন পারিবারিক ব্যবসায় অংশীদার হতে বাদী আমিরুল ইসলাম ২৭ লাখ টাকা দেন। তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু না হওয়ায় টাকা ফেরত চাইলে আসামিরা সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। 

    অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, গত বছরের ১৬ মার্চ (২০২৫) হাতিরঝিল এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে বৈঠকের কথা বলে ডেকে নিয়ে মেহজাবীন, তার ভাইসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজন তাকে গালাগালি ও হত্যার হুমকি দেন। পরে বিষয়টি নিয়ে ভাটারা থানায় গেলে পুলিশ আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেয়। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এ ঘটনায় আমিরুল ইসলাম বাদী হয়ে ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারী কার্যবিধির ১০৭/ ১১৭(৩) ধারায় মামলা দায়ের করেন।

    আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলাটিতে আসামি মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিসান চৌধুরীর আদালতে হাজির না হওয়ায় গত ১০ নভেম্বর আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। পরে ১৬ নভেম্বর সন্ধ্যায় ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ আফরোজা হক তানিয়ার আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের এ আবেদন করেন তারা। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • সামীরা-ডনসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন পেছাল

    চিত্রনায়ক সালমান শাহকে হত্যার অভিযোগে রাজধানীর রমনা মডেল থানায় দায়ের করা মামলায় তার সাবেক স্ত্রী সামীরা হক ও খলনায়ক ডনসহ ১১ আসামির বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল আবারও পেছাল। আগামী ১৩ জানুয়ারি নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।

    রোববার (৭ ডিসেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালত এ নতুন দিন ধার্য করেন। এদিন প্রতিবেদন দাখিলের সময় থাকলেও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও রমনা মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক আতিকুল ইসলাম খন্দকার কোনো প্রতিবেদন জমা দিতে পারেননি। ফলে আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

    মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন— সামীরা হকের মা লতিফা হক লুছি, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুসি, খলনায়ক ডন, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, রুবী, আ. ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ওরফে ফরহাদ।

    গত ২০ অক্টোবর সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় করা অপমৃত্যুর মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন আদালত। এর পরদিন মধ্যরাতে সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে তার ভাই মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন।

    ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইস্কাটনের বাসা থেকে চিত্রনায়ক সালমান শাহর লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে তার বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেন। ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই ওই মামলা হত্যা মামলা হিসেবে রূপান্তরের আবেদন করা হলে আদালত সিআইডিকে তদন্তের দায়িত্ব দেন।

    ১৯৯৭ সালের ৩ নভেম্বর সিআইডি তদন্ত শেষে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে, যেখানে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলা হয়। ওই বছরের ২৫ নভেম্বর সিএমএম আদালত প্রতিবেদনটি গ্রহণ করলেও কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী তা প্রত্যাখ্যান করে রিভিশন মামলা করেন। পরে ২০০৩ সালের ১৯ মে মামলাটি বিচার বিভাগীয় তদন্তে পাঠানো হয়। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    দীর্ঘ ১১ বছর পর ২০১৪ সালের ৩ আগস্ট বিচার বিভাগীয় তদন্তের প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইমদাদুল হক। ওই প্রতিবেদনেও সালমান শাহর মৃত্যুকে অপমৃত্যু বলা হয়। 

    কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরীর মৃত্যুর পর তার স্ত্রী নীলা চৌধুরী হত্যা মামলার বাদী হন এবং ২০১৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজির আবেদন করেন।

    সর্বশেষ পিবিআই তদন্ত করে ২০২১ সালের ৩১ অক্টোবর আদালত সেই প্রতিবেদন গ্রহণ করে মামলাটি নিষ্পত্তি করেন। পরে ২০২২ সালের ১২ জুন এ আদেশের বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে রিভিশন মামলা দায়ের করা হয়।

    যুগান্তর প্রতিবেদন