Tag: মামলা

  • অর্থ আত্মসাতের মামলায় বাবা কারাগারে, মুখ খুললেন পূজা চেরি

    চলচ্চিত্র নির্মাণের নামে ১৩ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় করা মামলায় চিত্রনায়িকা পূজা চেরির বাবা দেবু প্রসাদ রায়কে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। গত ১৮ এপ্রিল এ আদেশ দেওয়া হলেও বিষয়টি শনিবার (২৫ এপ্রিল) সামনে আসে। এবিষয়ে এবার মুখ খুললেন পূজা চেরি।

    তিনি বলেন, ‘আপনারা যে অভিযোগ কিংবা মামলার কথা বলছেন, তার সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। আমাকে এ বিষয়ে জড়াবেন না। মামলাটি তদন্তাধীন, এটি আমার পারিবারিক বিষয় হলেও এ বিষয়ে আমার কোনো তথ্য জানা নেই। আইনগত প্রক্রিয়া চলমান, সিদ্ধান্ত দেবেন আদালত।’

    মামলার এজাহার অনুযায়ী, ভুক্তভোগী মিজানুর রহমানের কাছ থেকে চলচ্চিত্র প্রযোজনার ব্যবসার কথা বলে ২০১৯ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর দেবু প্রসাদ রায় প্রথমে ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা নেন। এরপর একই ধরনের আশ্বাসে আরও ৫০ লাখ টাকা এবং পরে ২০২৪ সালের ১৫ মে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে ৬ কোটি টাকা গ্রহণ করেন।

    এছাড়া বিভিন্ন সময়ে মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে আরও এক কোটি ২০ লাখ টাকা লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। সর্বশেষ চলতি বছরের ৩০ মার্চও তার অনুরোধে বিকাশে অতিরিক্ত অর্থ পাঠানো হয়।

    ভুক্তভোগীর দাবি, দীর্ঘ সময় পার হলেও কোনো অর্থ ফেরত দেওয়া হয়নি। উলটো টাকা চাইলে নানা অজুহাত দেখানো হয় এবং একপর্যায়ে হুমকিও দেওয়া হয়। এতে প্রতারণার মাধ্যমে মোট ১৩ কোটি ২০ লাখ ১০ হাজার ২০০ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নতুন করে পুরোনো বিতর্কে নোরা ফাতেহি

    কন্নড় ইন্ডাস্ট্রির সিনেমা ‘কেডি: দ্য ডেভিল’-এর গান ‘সরকে চুনর তেরি’ নিয়ে বিতর্ক যেন থামছেই না। গানটি মুক্তির পর থেকেই এর অশালীন কথা এবং দৃষ্টিকটূ নাচের ভঙ্গিমা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন নোরা ফাতেহি ও সিনেমাসংশ্লিষ্ট সবাই।

    অশালীন শব্দ ব্যবহারের অভিযোগে এবং নোরা ফতেহির শরীরী ভঙ্গি নিয়ে শুরু থেকেই গানটি নিয়ে নেটপাড়ায় বিতর্কের ঝড় ওঠে। এ নিয়ে দেশটির জাতীয় মহিলা কমিশন স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা দায়ের করেছে।

    কিন্তু এই ঘটনায় মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) নোরাকে সশরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও তিনি সেখানে উপস্থিত হননি। অবশ্য হাজিরা এড়ালেও পার পাচ্ছেন না এই আইটেম গার্ল।  কমিশন তাকে শেষবারের মতো সশরীরে হাজির হওয়ার সুযোগ দিয়েছে। আগামী ২৭ এপ্রিল মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

    এছাড়া জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপারসন বিজয়া রহাটকরের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত মঙ্গলবারের এই বিশেষ শুনানিতে নোরার অনুপস্থিতি নিয়ে অসন্তোষও প্রকাশ করা হয়।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তবে এই ইস্যুতে নোরা একাই নন, বিপাকে পড়েছেন বলিউড অভিনেতা সঞ্জয় দত্তও। গানটিতে নোরার সঙ্গে তিনিও অভিনয় করেছিলেন। এই অভিনেতাকে বুধবার (৮ এপ্রিল) আলাদাভাবে তলব করেছে কমিশন।

    মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত ওই শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন বিতর্কিত গানটির গীতিকার রাকিব আলম, পরিচালক প্রেম এবং প্রযোজনা সংস্থা কেভিএন প্রোডাকশনসের প্রতিনিধি গৌতম কেএম ও সুপ্রীত। কমিশনের এমন কঠোর অবস্থানের মুখে ছবির নির্মাতারা নতি স্বীকার করে জাতীয় মহিলা কমিশনের কাছে লিখিতভাবে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন এবং স্বীকার করেছেন যে, গানটি সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

    এই ঘটনায় মহিলা কমিশনের চেয়ারপারসন জানিয়েছেন, সৃজনশীলতার নামে নারীজাতির মর্যাদাহানি কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।  

    বিনোদন ডেস্ক

  • দোষ করলে আমার ফাঁসি হোক, বিচারের মালিক আল্লাহ: জাহিদ অন্তু

    বাংলাদেশের তরুণ গায়ক, সুরকার ও গীতিকার জাহিদ অন্তু। কিছুদিন আগে রাজধানীর গুলশানে ইডেন কলেজের শিক্ষার্থী সাবেক প্রেমিকাকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগের মামলায় তিনি গ্রেফতার হন। গ্রেফতারের এক দিনের মাথায় বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) তার জামিনও হয়।

    এবার বিষয়টিকে ইঙ্গিত করেই নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন তিনি।

    মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরের দিকে দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে এই সংগীতশিল্পী নিজের একটি ছবি শেয়ার করে তার ক্যাপশনে লেখেন, ‘বিচক্ষণ ব্যক্তি একপক্ষের কথা শুনে মন্তব্য করে না। আইন বিচার করবে। দোষ করলে আমার ফাঁসি হোক। এভাবে হাসতে হাসতে মেনে নেব। বিচারের মালিক আল্লাহ।’

    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে গিটার ক্লাস চলাকালে অভিযুক্ত জাহিদের সঙ্গে ইডেন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের এক শিক্ষার্থীর পরিচয় হয় এবং পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে সেই সম্পর্কের অবসান ঘটে এবং তাদের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    গত ২৭ মার্চ সন্ধ্যায় একটি পণ্যের ফটোশুটের কথা বলে জাহিদ ওই শিক্ষার্থীকে তার গুলশানের বাসায় যেতে বলেন। সেখানে যাওয়ার পর জাহিদ অন্তু ওই শিক্ষার্থীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়ন ও শ্লীলতাহানি করেন। এতে বাধা দিলে শিক্ষার্থীকে মারধর করা হয়, যার ফলে তার মুখ, গলা ও মাথায় আঘাত লাগে।

    পরবর্তীতে ওই ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী কৌশলে বাসা থেকে বের হয়ে স্বজনদের সহায়তায় কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী গুলশান থানায় ৩০ মার্চ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

    উল্লেখ্য, তরুণ এই মিউজিশিয়ান কলকাতার পিবি একাডেমিক স্কুল ভেন্যুতে ‘ইন্ডিয়ান আইডল’ এর বাছাই পর্বে অংশ নিয়ে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে আলোচনায় আসেন। তিনি মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের গাওয়া গান ও ভিডিওর জন্য পরিচিত।

    এদিকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম আগামী ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত জাহিদ অন্তুকে এই মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • গায়িকার বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে জিতে যা বললেন আলী জাফর

    দীর্ঘ প্রায় আট বছর ধরে চলা মানহানি মামলায় অবশেষে গায়িকা মিশা শাফির বিরুদ্ধে আইনি বিজয় লাভ করেছেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা আলী জাফর। গত ৩১ মার্চ আদালত তার পক্ষে রায় দেওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এই তারকা।

    মামলায় লাহোরের একটি আদালত গায়িকা মিশা শাফিকে ৫০ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, মিশা শাফি একাধিক শুনানিতে উপস্থিত হননি এবং তার অভিযোগের সপক্ষে শক্তিশালী কোনো প্রমাণ উপস্থাপনে ব্যর্থ হয়েছেন।

    অন্যদিকে আলী জাফর তার সমস্ত সাক্ষী ও প্রমাণ আদালতের সামনে তুলে ধরেন, যার ভিত্তিতে আদালত এ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

    রায়ের দুদিন পর নীরবতা ভেঙে আলী জাফর ইনস্টাগ্রামে এক আবেগঘন বার্তায় জানান, তিনি এই রায়কে অন্য কাউকে পরাজিত করার আনন্দ হিসেবে দেখছেন না।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    আলী জাফর বলেন, ‘আমি এ রায়কে কোনো বড় বিজয় হিসেবে উদযাপন করতে চাই না বরং অত্যন্ত বিনয় ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে গ্রহণ করছি। আমার কাছে আসল সন্তুষ্টি হলো ন্যায়বিচার পাওয়া, কাউকে হারানো নয়।’তিনি আরও জানান, যারা কঠিন সময়ে তার পাশে ছিলেন এবং সত্যের প্রতি অবিচল ছিলেন, তাদের প্রতি তিনি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ।

    প্রসঙ্গত, এ ঘটনার সূত্রপাত হয় ২০১৮ সালে, যখন ‘মি টু’ আন্দোলন বিশ্বব্যাপী ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। সেই সময়টায় মিশা শাফি আলী জাফরের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ আনেন। এর পরপরই আলী জাফরও তার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন।

    পাকিস্তানের শোবিজ জগতের ইতিহাসে এটি অন্যতম আলোচিত ও দীর্ঘস্থায়ী আইনি লড়াই হিসেবে পরিচিতি পায়।  

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিনেত্রীকে নিপীড়নের অভিযোগে পরিচালক গ্রেফতার

    এক তরুণী অভিনেত্রীর করা শ্লীলতাহানির অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার হয়েছেন দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার জনপ্রিয় পরিচালক ও প্রযোজক রঞ্জিত বালাকৃষ্ণন। ঘটনাটি ঘিরে দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রিতে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। বর্তমানে এই নির্মাতা জেলে বন্দি রয়েছেন।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই অভিনেত্রী সম্প্রতি কোচি পুলিশের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, একটি সিনেমার শুটিং চলাকালীন পরিচালক রঞ্জিত তাকে কথা বলার বাহানায় একটি ক্যারাভ্যানে ডেকে নেন। সেখানে তাকে শারীরিক হেনস্তার চেষ্টা করা হয় বলে দাবি করেন ওই অভিনেত্রী।

    অভিযোগ পাওয়ার পরপরই তদন্তে নামে কোচি পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর তাকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানায়, এক গোপন অভিযানের মাধ্যমে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রঞ্জিতের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যেই সুনির্দিষ্ট ধারায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গ্রেফতারের পর রঞ্জিতকে স্থানীয় আদালতে পেশ করা হলে বিচারক তাকে ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

    এই ঘটনার প্রেক্ষিতে রঞ্জিতের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।  তবে পরিচালকের আইনজীবীর দাবি, ‘এই মামলা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং আমরা এর বিরুদ্ধে আইনি পথেই লড়াই করব।’

    এদিকে ঘটনাটি সামনে আসার পর মালয়ালম চলচ্চিত্র জগতে তীব্র ক্ষোভ ও আলোচনা শুরু হয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • গ্ল্যামার থেকে মাদক মামলায় জড়ানো প্রজ্ঞা মার্টিনের ক্যারিয়ারের উত্থান-পতন

    ২০০৯ সালে দক্ষিণ ভারতের তারকা অভিনেতা মোহনলালের ‘সাগর অ্যালিয়াস জ্যাকি রিলোডেড’ সিনেমার মাধ্যমে যখন এক কিশোরী বড় পর্দায় পা রাখেন, তখন অনেকেই তাকে ভবিষ্যতের তারকা হিসেবে দেখেছিলেন। সেই কিশোরী আর কেউ নন, দক্ষিণী সিনেমার আজকের পরিচিত মুখ প্রজ্ঞা মার্টিন। তবে তার এই দীর্ঘ পথচলা কখনোই মসৃণ ছিল না।

    রুপালি পর্দায় অভিষেকে মোহনলালের সঙ্গে অভিনীত প্রজ্ঞার এই সিনেমাটি মূলত ১৯৮৭ সালের সিনেমা ‘ইরুপাথাম নোত্তানডু’-এর স্পিন-অফ। যদিও এটি প্রত্যাশা অনুযায়ী সাফল্য পায়নি, তবু ছোট একটি চরিত্রে অভিনয় করেও দর্শকের নজর কাড়েন প্রজ্ঞা মার্টিন। পরবর্তীতে তিনি মালয়ালম তারকা দুলকার সালমান ও পৃথ্বীরাজ সুকুমারনের সঙ্গেও চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।

    মাত্র পাঁচ বছর বয়স থেকেই ভরতনাট্যম, কুচিপুড়ি এবং মোহিনীঅট্টমের মতো ধ্রুপদী নৃত্যে তালিম নেওয়া শুরু করেন প্রজ্ঞা। স্কুলে পড়ার সময় অভিনয়ের জন্য রাজ্য পর্যায়ে পুরস্কার পাওয়ার পরই তিনি নিশ্চিত হন, রূপালী পর্দাই তার গন্তব্য। যদিও প্রথম দিকে মডেলিং নিয়ে তার খুব একটা আগ্রহ ছিল না।

    ক্যারিয়ারের টার্নিং পয়েন্ট: ‘পিসাসু’ 

    প্রজ্ঞার ক্যারিয়ারে নাটকীয় মোড় আসে তামিল পরিচালক মিসকিনের হাত ধরে। একটি বিজ্ঞাপনে তাকে দেখে মুগ্ধ হয়ে মিসকিন তাকে ‘পিসাসু’ (২০১৪) সিনেমায় ভূতের চরিত্রে কাস্টিং করেন।  সিনেমাটি তাকে রাতারাতি জনপ্রিয়তা এনে দেয়। এরপর একে একে ‘রামলীলা’, ‘কাত্তাপানাইলে ঋত্বিক রোশন’ এবং সুরিয়ার বিপরীতে তামিল অ্যান্থলজি ‘নভরাসা’-তে অভিনয় করে তিনি নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    উত্থান-পতন ও সাম্প্রতিক বিতর্ক 

    তবে সাফল্যের পাশাপাশি প্রজ্ঞাকে ক্যারিয়ারে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তার অভিনীত সিনেমাগুলো বক্স অফিসে খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি। এর মধ্যেই ২০২৪ সালের অক্টোবরে একটি মাদক মামলায় কুখ্যাত গ্যাংস্টার ওমপ্রকাশের সঙ্গে তার নাম জড়িয়ে পড়লে তিনি বিতর্কের মুখে পড়েন।

    যদিও প্রজ্ঞা শুরু থেকেই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিলেন, তবুও পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে হয় এই অভিনেত্রীকে। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, যথাযথ তদন্ত শেষে গত ১২ অক্টোবর পুলিশ তাকে এই মামলা থেকে ক্লিন চিট বা নির্দোষ ঘোষণা করে। মামলা থেকে মুক্তি পাওয়ার পর আবার নতুনভাবে ক্যারিয়ার গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন প্রজ্ঞা। যদিও আগের মতো নিয়মিত সিনেমায় দেখা যায় না তাকে, তবু অভিনয় থেকে পুরোপুরি সরে যাননি।

    বিতর্ক কাটিয়ে প্রজ্ঞা আবারও তার অভিনয় জীবনে পূর্ণ মনোযোগ দিতে পারবেন বলেই তার ভক্তদের প্রত্যাশা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মাদক মামলায় নিজেকে নির্দোষ দাবি আসিফের, রায় ৯ মার্চ

    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের করা মামলায় জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ও বিসিবি পরিচালক আসিফ আকবর নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন। অফিসে চার বোতল বিদেশি মদ রাখার অভিযোগে দায়ের করা এই মামলার রায় আগামী ৯ মার্চ ঘোষণা করা হবে।

    মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আয়েশা আক্তার মৌসুমী রায়ের জন্য এ দিন ধার্য করেন। যুক্তিতর্ক শুনানি হলে আদালত ওই দিনই রায় দেবেন বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি মোহাম্মদ ওয়ালিউল ইসলাম তুষার। এদিন সিআইডি পুলিশের ইন্সপেক্টর শাহিনুল ইসলাম এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের এসআই জামাল উদ্দিন আদালতে সাক্ষ্য দেন।

    আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ ওয়ালিউল ইসলাম তুষার জানান, সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানিতে আসিফ আকবর নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। পরে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের তারিখ নির্ধারণ করেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এর আগে মামলার বাদী সিআইডির সাইবার তদন্ত শাখার উপপরিদর্শক প্রশান্ত কুমার সিকদার ১৫ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্য দেন। এই মামলায় মোট তিনজন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন।

    মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৫ জুন রাতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার হন আসিফ আকবর। সেসময় তার অফিস কক্ষে চার বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়। পরে তা পরীক্ষার জন্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে পাঠানো হয়।

    লাইসেন্স ছাড়া বিদেশি মদ নিজের দখলে রাখার অভিযোগে একই বছরের ২৩ জুলাই তেজগাঁও থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন এসআই প্রশান্ত কুমার সিকদার। তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা এসআই জামাল হোসেন।

    অভিযোগপত্র দাখিলের পাঁচ বছর পর, ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর অভিযোগ গঠন করে ঢাকার প্রথম যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালত বিচার শুরুর আদেশ দেন। অভিযোগ যদি প্রমাণিত হয়, তাহলে আসিফের সর্বোচ্চ সাত বছরের সাজা হতে পারে বলে জানান প্রসিকিউটর মোহাম্মদ ওয়ালিউল ইসলাম তুষার।

    প্রসিকিউটর মোহাম্মদ ওয়ালিউল ইসলাম তুষার বলেন, “গত বছরের ২০ মার্চ বিচারের জন্য মামলাটি আমাদের আদালতে পাঠানো হয়। আমরা তিনজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেছি। আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণের সক্ষম হয়েছি।” 

    বিনোদন ডেস্ক

  • দেশে ফিরেছেন আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলায় অভিযুক্ত অভিনেত্রী তিথি

    অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরার আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলার অন্যতম অভিযুক্ত অভিনেত্রী ইফফাত আরা তিথি নেপাল থেকে দেশে ফিরেছেন। বিষয়টি অভিনেত্রী নিজেই গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন।

    দেশে ফেরার কথা জানিয়ে তিথি বলেন, ‘অনেকেই অভিযোগ করছেন ‘আলভী তার স্ত্রীকে শেষ দেখা দেখতে আসেননি, তার গার্লফ্রেন্ডকে নিয়ে নেপালে ঘুমিয়ে আছে’-এটা ভুল কথা। আমি পুরো টিমের সঙ্গে সোমবার (২ মার্চ) দেশে এসেছি। যেদিন ইকরা আত্মহত্যা করে ওই দিন একটা টিকিটের জন্য অনেক জায়গায় ফোন দেওয়া হয়েছে। প্রথম দিন কোথাও টিকিট পাওয়া যায়নি। পরের দিনের টিকিট ব্যবস্থা করে টিমের সবাই দেশে ফিরেছি।’

    এদিকে শোবিজে অনেক দিন ধরেই গুঞ্জন ছিল, সহশিল্পী ইফফাত আরা তিথির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন জাহের আলভী। ইকরার আত্মহত্যার পর তার বান্ধবীরাও দাবি করেন, আলভী ও তিথির পরকীয়ার কারণেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন ইকরা, যা তাকে আত্মহত্যার পথে ঠেলে দিয়েছে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অবশ্য আলভীকে বরাবরই নিজের ‘ভালো বন্ধু’ বলে এসেছেন এই অভিনেত্রী। অভিনেতার সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন প্রসঙ্গে তিথি বলেন, তার (আলভী) সঙ্গে আমি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছি। কোনো অফিসে যখন আপনার কলিগ থাকে, আপনি যখন তার সঙ্গে চার-পাঁচ বছর অফিস করবেন, তখন আপনার সঙ্গে তার ভালো বন্ধুত্ব হতেই পারে। আমি আগেও বলেছি যে, ইন্ডাস্ট্রিতে আলভী আমার সবচেয়ে ভালো বন্ধু।

    উল্লেখ্য, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে ১২টায় গলায় দড়ি দেওয়া অবস্থায় পরিবারের সদস্যরা অভিনেতা আলভীর স্ত্রী ইকরাকে উদ্ধার করেন। এরপর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    এই ঘটনায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে ইতোমধ্যে রাজধানীর পল্লবী থানায় জাহের আলভী, তার মা ও তিথির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে অভিনেতা জাহের আলভীকে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ইকরার মৃত্যুতে আলভীসহ এক অভিনেত্রীর নামে মামলা

    আফরা ইবনাত খান ইকরার আত্মহত্যার ঘটনায় তার স্বামী অভিনেতা জাহের আলভী ও অভিনেত্রী ইফফাত আরা তিথির নামে আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলা করা হয়েছে। রোববার (১ মার্চ) পল্লবী থানায় এ মামলা করা হয়।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পল্লবী থানার ওসি এ কে এম আলমগীর জাহান। জানা যায়, মামলায় আলভী ও তার মাসহ পরিবারের কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

    ওসি বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর তা গ্রহণ করে নিয়মিত মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রাথমিক তদন্ত শুরু হয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিনি জানান, আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে মামলা হয়েছে। আসামিরা পলাতক।

    দীর্ঘ ১৫ বছরের দাম্পত্য জীবনে স্বামীর পরকীয়া ও অমানুষিক নির্যাতনের অভিযোগ সামনে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইকরার ব্যক্তিগত চ্যাট ফাঁস হয়। এরপর থেকেই বিষয়টি ঘিরে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

    ২০১০ সালের ৯ নভেম্বর ভালোবেসে গোপনে বিয়ে করেন আলভী ও ইকরা। তাদের সংসারে এক পুত্রসন্তান রয়েছে।

    এদিকে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আত্মহত্যার ঘটনার পেছনে পারিবারিক অশান্তি, মানসিক চাপ বা অন্য কোনো কারণ রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনসহ অন্যান্য আলামত বিশ্লেষণ করে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।  

    বিনোদন ডেস্ক

  • স্বামীসহ নায়িকা নিঝুমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

    প্রতারণা করে অর্থ আত্মসাতের এক মামলায় ঢাকাই সিনেমার নায়িকা রুবিনা আক্তার নিঝুম, তার স্বামী মামূনুর রশীদ রাহূল, দেবর নান্নু মিঞা ও ননদ মহিমা বিবির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

    বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিলরুবা আফরোজ তিথি এ আদেশ দেন।

    বাদীপক্ষের আইনজীবী কায়েশ আহমেদ অর্ণব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    এর আগে মোছাম্মৎ সুরভী বেগম নামের এক নারী গত ২৯ জানুয়ারি এই মামলা দায়ের করেন। আদালত সেদিন আসামিদের ১৯ ফেব্রুয়ারি হাজির হতে সমন জারি করেন।

    এ বিষয়ে বাদীপক্ষের আইনজীবী বলেন, ‘আজ তারা আদালতে হাজির হননি। সে কারণে আমরা গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করি। আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    মামলায় অভিযোগ করা হয়, সুরভী বেগম ও রুবিনা নিঝুম পূর্ব পরিচিত। রুবিনা ও রাহূল সুরভীর আস্থাভাজন ও বিশ্বস্ত ছিলেন। রুবিনা ও রাহূল বিভিন্ন সময় সুরভীর কাছ থেকে টাকা ধার নিয়ে যথাসময়ে ফেরত দিয়ে আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করেন। সেই সুবাদে ২০২০ সালের ১ অক্টোবর রুবিনা ও রাহূল সুরভীর কাছ থেকে সাড়ে ১২ লাখ টাকা ধার চান।

    ১১ অক্টোবর থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত তিন দফায় তাদের সাড়ে ১২ লাখ টাকা দেন সুরভী। দুই মাসের মধ্যে টাকা ফেরত দেবেন বলে তাদের মধ্যে চুক্তিনামাও সম্পাদিত হয়। রাহূল টাকা ফেরত না দিলে বা মারা গেলে তার ভাই নান্নু টাকা ফেরত দেবেন বলে উল্লেখ করা হয়।

    পরে সুরভী বেগম গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে আর্থিক অস্বচ্ছলতা দেখা দেয়। জরুরি ভিত্তিতে টাকার প্রয়োজনে গত বছরের ১ মে টাকা ফেরত চান। তবে রুবিনা ও রাহূল টাকা ফেরত দেবেন না বলে জানিয়ে দেন। ২২ সেপ্টেম্বর রুবিনা ও রাহূলের রামপুরার বনশ্রী বাসায় গিয়ে টাকা ফেরত চান সুরভী।

    কিন্তু টাকা ফেরত দেওয়ার কথা অস্বীকার করে সুরভীকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হয়। এ বিষয়ে সুরভী রামপুরা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

    বিনোদন ডেস্ক