Tag: মামলা

  • প্রতারণার অভিযোগে নুসরাতের বিরুদ্ধে মামলা

    টালিউড অভিনেত্রী ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সংসদ সদস্য নুসরাত জাহানের বিরুদ্ধে ২৪ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগ করা হয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) কাছে।

    সোমবার সন্ধ্যার দিকে প্রতারণার অভিযোগ নিয়ে বেশ কয়েকজন ইডির দপ্তরে হাজির হয়েছিলেন। সেখানেই নুসরাত জাহানের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগকারীদের সঙ্গে ইডির দপ্তরে দেখা গিয়েছিল বিজেপি নেতা শঙ্কু দেব পাণ্ডাকেও।

    তৃণমূল সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ২০১৪ সালে তার প্রতিষ্ঠান ৪২৯ জনের কাছ থেকে পাঁচ লাখ ৫৫ হাজার টাকা করে নিয়েছিল ৩ বিএইচকে ফ্ল্যাট দেওয়ার নামে। কিন্তু প্রায় ৯ বছর কেটে যাওয়ার পরও ফ্ল্যাট পাওয়া যায়নি। সেই সময় নাকি নুসরাতের প্রতিষ্ঠান দাবি করেছিল, রাজারহাট হিডকোর কাছে ফ্ল্যাট দেওয়া হবে এই ৪২৯ জনকে। তিন বছরের মধ্যে ফ্ল্যাটগুলো হস্তান্তরের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল।

    অভিযোগ, গড়িয়াহাট রোডে মেসার্স ৭সেন্স ইনফাস্ট্রাকচার প্রাইভেট লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে পাঁচ লাখ ৫৫ হাজার টাকা করে দিয়েছিলেন এই ৪২৯ জন ফ্ল্যাট প্রত্যাশী। সেই বাবদ মোট ২৪ কোটি টাকা তোলা হয়েছিল সংস্থার পক্ষ থেকে। অভিযোগ, সংস্থাটি নুসরাতের। পাশাপাশি রাকেশ সিং নামে আরও একজন ডিরেক্টর আছেন এই প্রতিষ্ঠানের। এই প্রতিষ্ঠান নাকি ৪২৯ জনকে বলেছিল, ৫০০ কাঠা জমি কিনে সেখানে নির্মাণ করা হবে ফ্ল্যাট।

    যদিও সময় মতো ফ্ল্যাট না পেয়ে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছিলেন গড়িয়াহাট থানায়। আলিপুর কোর্টেও এ নিয়ে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। তবে তারা এখনো ফ্ল্যাট কিংবা টাকা কোনোটিই পাননি। শেষ পর্যন্ত তাই ইডির কাছে নালিশ করেছেন তারা। দাবি করা হয়েছে, এ মামলায় আলিপুর আদালতের পক্ষ থেকে একাধিকবার তলব করা হয় নুসরাতকে।

    সংবাদ মাধ্যমের কাছে তিনি জানান, নুসরাত আদালতের সমন পেয়েও হাজিরা দেননি। আলিপুর কোর্টে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে।

    এদিকে অভিযোগ, নুসরাতের বিরুদ্ধে এ মামলা তুলে নেওয়ার জন্য অভিযোগকারীদের ওপর প্রশাসনিক স্তর থেকে চাপ দেওয়া হচ্ছে। অভিযোগ উঠছে, অভিযোগকারীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তা দিয়ে অ্যাভিনিউতে ফ্ল্যাট কিনেছেন নুসরাত নিজে। তাই বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য ইডির কাছে আবেদন জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শিল্পী ঋতুরাজের বিরুদ্ধে মাদকের মামলায় অভিযোগপত্র

    কণ্ঠশিল্পী ঋতুরাজ বৈদ্যের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। গত ১৭ এপ্রিল গুলশান-২ এর রূপায়ন টাওয়ারের সামনে থেকে মদ্যপ অবস্থায় তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    সোমবার অভিযোগপত্র দেওয়ার বিষয়টি জানা গেছে। যদিও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার এসআই মো. এছকান্দার আলী সরদার গত ১২ জুন ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। 

    অভিযোগপত্র জমা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালত পুলিশের কর্মকর্তা এসআই জালাল উদ্দিন।

    অভিযোগপত্রে বলা হয়, ওই দিন রাত ১০টার দিকে গুলশান-২ নাম্বারের রূপায়ন টাওয়ারের সামনে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মাহমুদুর রহমানের সরকারি গাড়ি ভাঙচুর করেন ঋতুরাজ। এ সময় গাড়িতে ছিলেন চালক অতুলচন্দ্র মণ্ডল।

    এতে আরও বলা হয়, ঋতুরাজ মদ্যপ অবস্থায় হেঁটে গাড়ির সামনে গিয়ে ফ্ল্যাগ স্ট্যান্ড, বাম পাশের লুকিং গ্লাস ও হেডলাইট ভেঙে ফেলেন। তখন তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে দেখা যায়, তিনি সম্পূর্ণ মদ্যপ অবস্থায় আছেন।

    পরে তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। জরুরি বিভাগে ভর্তি করলে চিকিৎসক প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে ওয়াশ করেন।
    ওই ঘটনায় গুলশান থানার এসআই হোসনে মোবারক বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন।

    ১৮ এপ্রিল ঋতুরাজকে আদালতে হাজির করে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এছকান্দার আলী সরদার। পরে ঢাকা মহানগর হাকিম রাজেশ চৌধুরী তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। 

    গত ২৫ এপ্রিল এক হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন পান ঋতুরাজ। কোক স্টুডিও বাংলায় ‘বুলবুলি’ গান গেয়ে জনপ্রিয়তা পান শিল্পী ঋতুরাজ বৈদ্য।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • সমীরের বিরুদ্ধে ‘জবানবন্দি দেবেন’ শাহরুখ-আরিয়ান

    চলতি বছর মে মাসের মাঝামাঝি ঘুসের জন্য সমীর ওয়াংখেড়ে, আশীষ রঞ্জন, বিশ্ব বিজয় সিং ও আরও দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করে সিবিআই। সেই মামলায় শাহরুখ ও তার ছেলে জবানবন্দি দিতে পারেন বলে হিন্দুস্থান টাইমস জানিয়েছে।

    আরিয়ানকে মাদককাণ্ডে না ফাঁসানোর শর্তে ওয়াংখেড়ের নির্দেশে অভিযুক্ত কিরণ গোসাভি ও সানভিল ডি সুজা শাহরুখের কাছ থেকে ২৫ কোটি রুপি হাতাতে চেয়েছিলেন। হিন্দুস্তান টাইমসকে এ কথা বলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার এক কর্মকর্তা। 

    ২০২১ সালের অক্টোবরে মুম্বাইয়ের এক প্রমোদতরীর পার্টি থেকে গ্রেফতার হন আরিয়ান। ভারতের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ব্যুরো-এনসিবির জোনাল হেড সমীর ওয়াংখেড়ের নেতৃত্বে আরিয়ান খানসহ মোট আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

    তবে আরিয়ানকে ফাঁসাতে সেই কাজ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠার পর সমীরের বিরুদ্ধে শুরু হয় সিবিআইর তদন্ত।

    সমীর বলেন, মামলা চলাকালীন শাহরুখের সঙ্গে তার কোনো আলাপই হয়নি। তার বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করেছেন। 

    সম্প্রতি আত্মপক্ষ সমর্থনে মুম্বাই হাইকোর্টে একটি আবেদন করেন সমীর। সেখানে তিনি বলেছেন, প্রতিশোধের বশে সিবিআই তাদের হেনস্তা করার চেষ্টা করছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবার শাহরুখ খানের বিরুদ্ধে মামলা!

    শাহরুখ খানপুত্র আরিয়ান খান ২০২১ সালের ২ অক্টোবর মুম্বাই উপকূলে একটি প্রমোদতরীতে মাদককাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছিলেন। ওই অভিযান চালিয়েছিলেন এনসিবিপ্রধান সমীর ওয়াংখেড়ে। টানা ২৬ দিন জেলে থাকার পর জামিনে ছাড়া পান আরিয়ান। পরে তাকে ক্লিনচিট দেন আদালত।

    rnrn

    মাদককাণ্ড থেকে ছেলে আরিয়ান খানকে বাঁচাতে ঘুস দিয়েছেন শাহরুখ খান। আর সেই টাকা নিয়েছেন সমীর ওয়াংখেড়ে- এবার এমন অভিযোগে ভারতের মুম্বাই হাইকোর্টে দায়ের হলো নতুন মামলা। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।

    rnrn

    মুম্বাই হাইকোর্টে নতুন জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে শাহরুখ খান ও তৎকালীন এনসিবি অফিসার সমীর ওয়াংখেড়ের বিরুদ্ধে।

    rnrn

    সংশ্লিষ্ট মামলা দায়েরকারী বিশিষ্ট সমাজকর্মী রশিদ পাঠান দাবি করেছেন, ‘এনসিবির মুম্বাই জোনের সাবেক ডিরেক্টর সমীর ওয়াংখেড়ে শাহরুখ খানের কাছ থেকে ১৮ কোটির টাকার মধ্যে মোট ৫০ লাখ টাকা ঘুস নিয়েছেন তার ছেলে আরিয়ানকে গ্রেফতার না করার জন্য। আগামী ২০ জুন এই জনস্বার্থ মামলার শুনানি রয়েছে।

    rnrn

    পিটিশনে বলা হয়েছে, ভারতীয় দুর্নীতি দমন আইনের ১২নং ধারায় রয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি সরকারি কর্মকর্তার কাছ থেকে অনুগ্রহ পাওয়ার জন্য তাকে ঘুস দেয়, তা হলে সেই ব্যক্তিও সমদোষে দোষী। এই পরিপ্রেক্ষিতেই নতুন করে জনস্বার্থ মামলা হয়েছে শাহরুখ খান ও সমীর ওয়াংখেড়ের বিরুদ্ধে। 

    rnrn

    পাশাপাশি মুম্বাই পুলিশের যে কর্মকর্তারা সমীরকে ক্লিনচিট দিয়েছিলেন, তাদের বিরুদ্ধেও যেন পুলিশে অভিযোগ হয় সংশ্লিষ্ট জনস্বার্থ মামলায় সেই দাবিও করা হয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • যেসব যুক্তিতে মামলা বাতিল চান পরীমনির আইনজীবী

    আলোচিত-সমালোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনির বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মাদক মামলা বাতিল হবে কিনা, এ বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী ১৫ জুন দিন ধার্য করেছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের দ্বৈত বেঞ্চে অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলা বাতিল সংক্রান্ত শুনানি শুরু হয়।

    rnrn

    বাসা থেকে জব্দ করা সাত বোতল মদ পুলিশ সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছিল। মামলার এজাহার ও চার্জশিটে গরমিল রয়েছে— এমন চার যুক্তিতে এ মামলা বাতিলের দাবি চান অভিনেত্রীর আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক।
    rnতিনি বলেন, পরীমনিকে আটকের ২৩ ঘণ্টা পর মামলা করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে। জব্দকৃত মাদকে অ্যালকোহলের পরিমাণ ৪০ শতাংশের কথা বলা হলেও কেমিক্যাল রিপোর্ট বলছে, তাতে ১১-১২ শতাংশ অ্যালকোহল ছিল। এ ছাড়া নায়িকার গাড়িতে করে মাদক বহনের বিষয়টিও গ্রহণযোগ্য নয়।

    rnrn

    এ ছাড়া পরীমনির আইনজীবী বলেন, তার মাদকের লাইসেন্স ছিল। মহামারি করোনার কারণে লাইসেন্সের নবায়ন হয়নি। মামলা হয়েছে এক মাস পর। এক মাস তার নবায়ন ছিল না। সে সময় করোনার কারণে কোনো কার্যক্রম পরিচালনা হতো না।

    rnrn

    এদিকে পাল্টা জবাবে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেন, ২০২০ সালের জুন মাসে মাদক গ্রহণের লাইসেন্সের মেয়াদোত্তীর্ণ হয় পরীমনির। ঘটনাটি ঘটেছে এক বছরেরও বেশি সময় পরে এসে। এ ক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে করা মামলাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা বলার কোনো সুযোগ নেই।

    rnrn

    উল্লেখ, ২০২১ সালের ৪ আগস্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান চালায় পরীমনির বনানীর বাসায়। অভিযানে অভিনেত্রীর বাসা থেকে মদ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানানো হয়। পরে মাদক মামলায় গ্রেফতার করা হয় তাকে। প্রায় এক মাস কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পান তিনি। আর বর্তমানে মামলাটির বিচারকাজ নিম্ন আদালতে স্থগিত রয়েছে।

    rnrn

    rn 

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে কারণে অ্যাঞ্জেলিনা জোলির বিরুদ্ধে আদালতে ব্র্যাড

    সাবেক স্ত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ থেকে পিছু হটছেন না হলিউড অভিনেতা ব্র্যাড পিট। অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা নাকি তাদের যৌথ সম্পত্তি থেকে কিছু অংশ বিক্রি করে দিয়েছেন ব্র্যাডের অনুমতি না নিয়েই। এতে চটে গেছেন ‘মানি বল’-এর অভিনেতা। 

    rnrn

    মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, ফ্রান্সে ১৩ লক্ষ ১৮২ কোটি টাকা মূল্যের একটি আঙুর ক্ষেতের সমান দুই ভাগ মালিকানা রয়েছে ব্র্যাড আর অ্যাঞ্জেলিনার। সেখান থেকেই নিজের ভাগটুকু অভিনেত্রী দিয়েছেন রাশিয়ার এক কোটিপতিকে। যার নাম ইউরি শেফলার।

    rnrn

    ব্র্যাডের অভিযোগ, তার অনুমতি না নিয়ে শাতো মিরাভাল নামের বিপুল বাগানের অর্ধেক বেচে দিয়ে বেআইনি কাজ করেছেন তার সাবেক স্ত্রী। অভিনেতার আইনজীবী ইতোমধ্যেই লস অ্যাঞ্জেলেসের আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। অভিযোগে বলা রয়েছে, অ্যাঞ্জেলিনা গোপনে গোপনে শেফলারের সংস্থার সঙ্গে চুক্তিতে গিয়ে ব্র্যাড ও তার সংস্থার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছেন।

    rnrn

    অন্যদিকে অ্যাঞ্জেলিনার আইনজীবী জানিয়েছেন, ব্র্যাডের অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং অত্যন্ত মানহানিকর এক পদক্ষেপ। কারণ দলিল অনুযায়ী, ভিনিয়ার্ড বা আঙুর ক্ষেতটির সঙ্গে বাণিজ্যিক চুক্তিতে আছে সুরা (মদ) প্রস্তুতকারী সংস্থা মার্ক পেরিন। ব্র্যাডের নিজস্ব সংস্থা মন্ডো বঙ্গোর সঙ্গেই ২০১৩ সাল থেকে একত্রে ব্যবসা করছেন তারা। শাতো মিরাভাল তার পরই বড়সড় বাণিজ্যিক কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে এর নাম।

    rnrn

    ব্র্যাডের আইনজীবীর দাবি, এই বাগানের সাফল্যের জন্য অ্যাঞ্জেলিনার বিশেষ কিছুই অবদান নেই। অর্থ এবং শ্রম দিয়ে সহধর্মিনীর মতো তিনি ব্র্যাডের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ব্র্যাডের সঙ্গে শাতো মিরাভালকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার।

    rnrn

    অ্যাঞ্জেলিনা নাকি ব্র্যাডকে না জানিয়েই নিজস্ব ব্যবসা পরিকল্পনা করছিলেন বিবাহ বিচ্ছেদের পর পরই। ২০১৯ সালে তাদের মধ্যে সব কিছু ভাগাভাগি হয়ে যায়, আইন অনুযায়ী একা মা হন জোলি। ৬ সন্তানের জননী অ্যাঞ্জেলিনা তখন সন্তানদের কাছে রাখা নিয়েও লড়ছিলেন। এ সময়ে যাবতীয় সম্পতিও দুই ভাগ হয়ে যায় ব্র্যাড আর জোলির মধ্যে। যদিও সন্তানেরা এখন থাকে মায়ের সঙ্গেই। 

    rnrn

    ২০১৬ সাল থেকে আলাদা থাকেন ব্র্যাড-জোলি। বহুল পরিচিত তারকাজুটির সামনে এবার আইনি জট। কে জিতবেন, তা নিয়ে আশঙ্কায় রয়েছেন তাদের অনুরাগীরা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মামলা করলে ভালো, তদন্তে আসল অপরাধী কে জাতি জানতে পারবে: রাজ

    টক অব দ্য কান্ট্রিতে রূপ নিয়েছে চিত্রনায়ক শরিফুল রাজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফাঁস হওয়া কয়েকটি ছবি ও ভিডিও। অভিনেত্রী তানজিন তিশা, সুনেরাহ বিনতে কামাল, নাজিফা তুষি ও শরিফুল রাজের এসব ছবি ও ভিডিও প্রকাশ্যে আসায় বিতর্ক ও সমালোচনার বাইরেও অনেকেই তাদের বিবেক বোধ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। বিষয়টিকে ঘিরে এখনো উত্তাল নেটদুনিয়া।

    এদিকে ব্যক্তিগত মূহুর্তের ভিডিও ফাঁস হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন তারকারা। ফলে এই অভিনেত্রীরা মামলার পথেও হাঁটবেন বলে জানিয়েছেন একই মাধ্যমে।

    শুক্রবার এ বিষয়ে একটি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন রাজ। তিনি বলেন, ‘তারা হেনস্তার স্বীকার, ভুক্তভোগী। মামলা করতেই পারে। মামলা করলে ভালো হবে। মামলা হওয়ার পর তদন্ত হবে। তদন্তে আসল ঘটনা বের হয়ে আসবে। মামলা করলেই আসল কালপ্রিট কে, তা জাতি জানতে পারবে।’

    তিনি বলেন, ‘প্রথম দিনই এ বিষয় নিয়ে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা বলেছেন, তাদের মতো করে বিষয়টি নিয়ে কাজ করছেন। সত্য কথা কী— বিষয়টি নিয়ে আমি নিজেই বিব্রত। আমি চাই, সত্য বেরিয়ে আসুক। তা না হলে শুধু ভুক্তভোগীরা নয়, দেশের মানুষ আমাকেও ভুল বুঝছে।’

    এই চিত্রনায়ক আরও বলেন, ‘এ মামলায় আমাকে জেলে যাওয়া লাগলে আমি যাব। তবে আমি বলতে চাই— আমি কোনো অন্যায় করিনি। যেহেতু আমার আইডি থেকে এটি প্রকাশিত হয়েছে, আমার নামেই মামলা হবে, এটিই স্বাভাবিক। এ মামলাকে স্বাগত জানাই।

    তিনি বলেন, কারণ মামলা হলে তদন্ত হবে। আমার ফোন সিজ করবে। কে আপ করেছে, কারা কারা জড়িত ছিল, কোন লোকেশন থেকে এটি প্রকাশ করা হয়েছে, সব বের হওয়া সম্ভব।

    এই পুরো ঘটনায় সুনেরাহ, তিশাদের মতো তিনি নিজেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে মনে করেন রাজ। তিনি বলেন, ‘আমার নিজেরও পরিবার আছে। কারণ আমার ছোটবোনের বিয়ে ছিল এ মাসে। হঠাৎই এ ঘটনায় টক অব দ্য টাউন হলাম আমি। এ কারণে আমার বোনের বিয়ে পেছাতে হয়েছে। আমি বিষয়টি নিয়ে খুবই ক্লান্ত, হতাশ। আমি এখান থেকে বের হতে চাই। আমি কাজ নিয়ে থাকতে চাই, কাজের কথা বলতে চাই।’

    তবে পুরো বিষয়টি নিয়ে পরীমনির নামও এলে তার সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করতে রাজি নয় রাজ। তিনি বলেন, ‘সে আমার স্ত্রী, আমার বাচ্চার মা। তাকে নিয়ে আমি কোনো বাজে মন্তব্য করব না।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • শ্লীলতাহানির মামলা: পরীমনিকে জেরা করতে পারেনি আসামি পক্ষ 

    শ্লীলতাহানি ও মারধরের অভিযোগে করা মামলায় ঢাকা বোট ক্লাবের সাবেক সভাপতি নাসির ইউ মাহমুদ এবং তার সহযোগী তুহিন সিদ্দিকী অমি ও শহিদুল আলমের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে হাজির হননি চিত্রনায়িকা পরীমনি। এ কারণে সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে দিয়েছেন আদালত। 

    rnrn

    মঙ্গলবার পরিমনিকে আসামিপক্ষের জেরা করার জন্য দিন ধার্য ছিল; কিন্তু পরীমনি হাজির না হওয়ায় তাকে জেরার জন্য সময় দেন ট্রাইব্যুনাল। 

    rnrn

    বিচারক শাহিনা হক সিদ্দিকা আগামী ২৪ জুলাই পরবর্তী তারিখ ধার্য করেন। গত বছরের ২৯ নভেম্বর পরীমনি ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯-এ হাজির হয়ে তিনজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেন। 

    rnrn

    পরীমনির আইনজীবী নীলাঞ্জনা সুরভী বলেন, পরীমনি শারীরিক অসুস্থতার কারণে হাজির হতে পারেননি। এ কারণে ট্রাইব্যুনাল সময় দিয়েছেন। গত বছরের ১৮ মে নাসিরসহ তিনজনের বিরুদ্ধে একই ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ গঠন করেন। 

    rnrn

    ২০২১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. কামাল হোসেন ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। 

    rnrn

    এতে ঢাকা বুট ক্লাবের সাবেক সভাপতি নাসির ইউ মাহমুদ ও তার সহযোগী তুহিন সিদ্দিকী অমিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। প্রাথমিক তথ্য বিবরণীতে (এফআইআর) শাহ শহিদুল আলমের নাম না থাকলেও তদন্তের সময় সম্পৃক্ততা পাওয়ায় পুলিশ অভিযোগপত্রে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করে। 

    rnrn

    ২০২১ সালের ১৪ জুন নাসির, অমি এবং আরও চারজন অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করেন পরীমনি। ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আনা হয় এজাহারে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • শাকিব খানের বিরুদ্ধে এবার ১০০ কোটি টাকার মামলা

    ঢাকাই সিনেমার সুপারস্টার শাকিব খানের বিরুদ্ধে এবার ১০০ কোটি টাকার মানহানি মামলা করা হয়েছে। মামলাটি করেছেন অপারেশন অগ্নিপথ সিনেমার প্রযোজক রহমত উল্লাহ। আজ রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়।

    rnrn

    প্রযোজক রহমত উল্লাহ ও তার আইনজীবী ড. মো. তবারক হোসেন ভূঁঞা মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

    rnrn

    এর আগে ১৩ এপ্রিল এই প্রযোজক শাকিব খানের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪৯৯/৫০০/৫০১ ধারায় ঢাকার সিএমএম কোর্টে মো. রশিদুল আলমের আদালতে আরও একটি মানহানি মামলা করেছিলেন। মামলা নম্বর- সিআর-২৪৯/২৩ (রমনা)। মামলাটি তদন্ত করার জন্য পুলিশের বিশেষ শাখা পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। 

    rnrn

    এর আগে গণমাধ্যমের কাছে রহমত উল্লাহকে বাটপার-প্রতারক ও আপত্তিকর মন্তব্যের জেরে রহমত উল্লাহর পক্ষে তার আইনজীবী ড. মো. তবারক হোসেন ভূঁঞা শাকিব খানকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠান। 

    rnrn

    অপরদিকে প্রযোজক রহমত উল্লাহর বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করতে গত ১৮ মার্চ রাতে গুলশান থানায় যান শাকিব খান। কিন্তু সেখানে মামলা নেওয়া হয়নি। পরের দিন ১৯ মার্চ সন্ধ্যায় মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ করেন শাকিব খান। পরবর্তীতে গত ২৩ মার্চ চাঁদা দাবির অভিযোগ এনে প্রযোজক রহমত উল্লাহর বিরুদ্ধে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরাফাতুল রাকিবের আদালতে মামলা করেন শাকিব খান। গত ২৬ এপ্রিল বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আসামিকে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেন আদালত। ওই মামলায় আদালতে হাজির হয়ে জামিন পান রহমত উল্লাহ। শাকিব খান পরবর্তীতে রহমত উল্লাহর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ঢাকা ট্রাইব্যুনালে আরেকটি মামলা করেন। 

    rnrn

    উল্লেখ্য, গত ১৫ মার্চ বিকালে অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বাঙালি এই প্রযোজক সশরীরে এফডিসিতে উপস্থিত হয়ে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক, পরিচালক, শিল্পী সমিতি ও ক্যামেরাম্যান সমিতি বরাবর শাকিব খানের বিরুদ্ধে অসদাচরণ, মিথ্যা আশ্বাস ও সহ-নারী প্রযোজককে ধর্ষণের মতো গুরুতর বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করেন। 

    rnrn

    অভিযোগপত্রে রহমত উল্লাহ উল্লেখ করেন, নির্মিতব্য ‘অপারেশন অগ্নিপথ’ (২০১৭) সিনেমায় অসদাচরণ, মিথ্যা আশ্বাস, ধর্ষণ (মামলা নং: ৬২৪৯৪৯৫৯) এবং পেশাগত অবহেলার মাধ্যমে চলচ্চিত্রটির ক্ষতি সাধন, চলচ্চিত্রের শুটিং সম্পন্ন করতে অথবা লগ্নিকৃত অর্থ ফিরিয়ে দিতে রাজি না হওয়ায় নিরুপায় হয়ে অভিযোগ করেছেন।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • শাকিব খানের বিরুদ্ধে মামলা নিয়ে যা বললেন সেই প্রযোজক

    মানহানির অভিযোগে জনপ্রিয় নায়ক শাকিব খানের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী প্রযোজক রহমত উল্লাহ। গত ১৩ এপ্রিল করা মামলার বিষয়ে কথা বলতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তিনি। 

    বৃহস্পতিবার রাজধানী বিজয় নগরের একটি ল ফার্মে অনুষ্ঠিত হয় সংবাদ সম্মেলন।

    সেখানে প্রযোজক রহমত উল্লাহর পক্ষে কথা বলেন তার আইনজীবী মো. তাবারক হোসেন ভূঁঞা। তিনি বলেন, ‘আমার মক্কেলের নামে (রহমত উল্লাহর) শাকিব খান যে মানহানিকর বক্তব্য দিয়েছিলেন তা প্রত্যাহারের জন্য আমরা তাকে লিগাল নোটিশ পাঠিয়েছিলাম। আপনি আমার মক্কেলের অনুভূতিতে আঘাত করেছেন, আপনাকে তিনদিন সময় দেওয়া হলো, আপনি আপনার বক্তব্য প্রত্যাহার করেন।

    ‘তিনি আমাদের লিগাল নোটিশের উত্তর না দিয়ে মামলা করে দেন। এরপর আমার মক্কেল অস্ট্রেলিয়া থেকে আসলেন। আমরাও মামলা করেছি। শাকিব খান যেহেতু তার বক্তব্য প্রত্যাহার করেননি, আমরা দণ্ডবিধির ৪৯৯, ৫০০ ও ৫০১ ধারায় মামলা করেছি। আমাদের মামলা গৃহীত হয়েছে এবং সেটা তদন্তে দেয়া হয়েছে।’

    সংবাদ সম্মেলনে শাকিব খানের বিরুদ্ধে ‘ধর্ষকের অভিযোগ’ তোলা নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে রহমত উল্লাহ বলেন, ‘কিছু মামলা এর মধ্যে হয়েছে, মামলা চলমান, মামলা চলমান থাকা অবস্থায় আমি এমন কিছু বলব না, যেটা মামলার ওপর প্রভাব ফেলবে। ধর্ষণের অভিযোগ বিষয়ে বলব— এটা সম্পর্কিত বিষয়, কিন্তু এটাই মূল ইস্যু নয় এবং ধর্ষণ নিয়ে আপাতত কিছু বলতে চাচ্ছি না।’

    এদিকে গত ২৩ মার্চ ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে রহমত উল্লাহর বিরুদ্ধে ‘চাঁদা দাবি ও হত্যার হুমকি’ দেওয়ার অভিযোগে মামলা করেন শাকিব খান। এ সময় আদালত তার জবানবন্দি গ্রহণ করেন। সেই সঙ্গে রহমত উল্লাহকে আগামী ২৬ এপ্রিল আদালতে হাজির হওয়ার সমন জারি করেন আদালত।

    এর চার দিন পর ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালে গিয়ে রহমত উল্লাহর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আরেকটি মামলা করেন শাকিব। বিচারক এ এম জুলফিকার হায়াত বাদীর জবানবন্দি শুনে বিষয়টি তদন্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) আগামী ৬ জুন প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

    বিনোদন ডেস্ক