Tag: মামলা

  • মডেল তাসনিয়ার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার আবেদন

    অভিনেত্রী ও মডেল তাসনিয়া রহমানের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার আবেদন করেছেন চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিচালক জসীম আহমেদ।

    rnrn

    ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালে বুধবার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮-এর ২৫ ও ২৯ ধারায় মামলার আবেদন করেন প্রযোজক জসীম।

    rnrn

    এরপর প্রযোজক জসীম ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে একটি সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে মডেল তাসনিয়ার বিরুদ্ধে মামলার আবদনের কথা জানান সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী আল মামুন রাসেল ও শাহেদুল আজম। প্রযোজকের এই দুই আইনজীবী জানান, মডেল তাসনিয়ার বিরুদ্ধে তারা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার আবেদন করেছেন। বিচারক পরে আদেশ প্রদান করবেন। 

    rnrn

    আইনজীবী আল মামুন রাসেল বলেন, ‘জসীম আহমেদের সঙ্গে তাসনিয়ার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। আর এই সম্পর্কের অব্যবহার করেছে তাসনিয়া। তার নামে মিথ্যা মামলাও করেছে সে। এ ছাড়া কয়েকদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় এই পরিচালক ও প্রযোজকের নামে নানা মিথ্যা জিনিস প্রকাশ করছে যা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ এর ২৯ ধারায় অপরাধ।’

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • মামলার পর দিনই আলিয়াকে সমঝোতার প্রস্তাব, কেন পিছু হটলেন নওয়াজ?

    বলিউড অভিনেতা নওয়াজ উদ্দিন সিদ্দিকীর দাম্পত্য কলহ বারবারই সংবাদের শিরোনাম হচ্ছে। নতুন বছরে সেই দাম্পত্য কলহ গড়িয়েছে আদালত পর্যন্ত। 

    rnrn

    তবে সন্তানদের মুখ চেয়ে কি এবার ঝামেলা মিটিয়ে ফেলতে চাইছেন নওয়াজ ও আলিয়া? নওয়াজের সাম্প্রতিক পদক্ষেপে তারই ইঙ্গিত মিলেছে।

    rnrn

    দিন কয়েক আগেই স্ত্রী আলিয়া সিদ্দিকী ও ভাই শামাস সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন নওয়াজ উদ্দিন সিদ্দিকী। সেই মামলায় ১০০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি করেন ‘সেক্রেট গেমস’ অভিনেতা। তবে মানহানি মামলা করার একদিন পরেই নাকি স্ত্রী আলিয়া সিদ্দিকীকে সমঝোতা প্রস্তাব পাঠিয়েছেন নওয়াজ।

    rnrn

    আলিয়ার আইনজীবীর দাবি, সেই সমঝোতা প্রস্তাব পেয়েছেন তার মক্কেল। ওই প্রস্তাবে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করতে প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন নওয়াজ। মামলার শুনানির আগামী তারিখের আগেই নাকি স্ত্রী আলিয়ার সঙ্গে একটা বোঝাপড়ায় পৌঁছতে আগ্রহী অভিনেতা। সে ক্ষেত্রে মানহানি মামলা তুলে নেওয়ার কথাও ভেবে দেখবেন অভিনেতা।

    rnrn

    আলিয়ার তরফ থেকে এখনো কোনো উত্তর আসেনি বলে জানা গেছে। তবে দুই সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে নিজেদের মধ্যে মিটমাট করে নিতে রাজি নওয়াজ ও আলিয়া। এ কথা নাকি আদালতকেও জানিয়েছেন দুই পক্ষই। 

    rnrn

    তবে কি সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা ভেবেই এই পদক্ষেপ? নাকি অন্য কোনো আশঙ্কা থেকে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নওয়াজ? আপাতত এই প্রশ্নেই বাড়ছে জল্পনা।
    rn 

    যুগান্তর ডেস্ক

  • রহমত উল্লাহর বিরুদ্ধে শাকিব খানের আরেক মামলা

    প্রযোজক রহমত উল্লাহর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আরেকটি মামলা করেছেন চিত্রনায়ক শাকিব খান। 

    rnrn

    সোমবার ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ এম জুলফিকার হায়াতের আদালতে এ মামলা করেন। ট্রাইব্যুনাল মামলাটি গ্রহণ করে পিবিআইকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

    rnrn

    দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ এম জুলফিকার হায়াতের আদালতে আসেন তিনি।

    rnrn

    এর আগে গত ২৩ মার্চ রহমত উল্লাহর বিরুদ্ধে মামলা করতে সাইবার ট্রাইব্যুনালে গিয়েছিলেন শাকিব। তখন আদালত তাকে মামলা করার জন্য আজ যাওয়ার জন্য বলেন।

    rnrn

    এছাড়া ওই দিন (২৩ মার্চ) চাঁদা দাবি ও হত্যার হুমকির অভিযোগে রহমত উল্লাহর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন শাকিব।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • এবার স্ত্রী-ভাইয়ের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মামলা নওয়াজের

    বলিউড অভিনেতা নওয়াজ উদ্দিন সিদ্দিকির দাম্পত্য কলহ বারবারই সংবাদের শিরোনাম হচ্ছে। একে অপরকে অভিযোগ করতে কেউ যেন ছাড়ছেন না। এ বার স্ত্রী আলিয়া সিদ্দিকি ও ভাই শামাসের কাছে ১০০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি করলেন অভিনেতা। 

    rnrn

    অভিযোগে বলা হয়, স্ত্রী ও ভাইয়ের কারণে তার ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে। মামলায় ভাই শামসের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ আনেন তিনি। বলা হয়, দাখিল করা পিটিশন অনুযায়ী ২০০৮ সালে শামস অভিনেতার ম্যানেজার হিসেবে কাজ করেছেন। সেই সময় যৌথভাবে সম্পত্তিও কিনেছিলেন তারা। কিন্তু, নওয়াজকে বলেছিলেন সম্পত্তির সবটাই ভাই শামসের নামে কেনা। সম্পত্তিগুলোর মধ্যে রয়েছে একটি ফ্ল্যাট এবং বেশ কিছু জমি, বুধানায় একটি জায়গা, শাহপুরের একটি খামারবাড়ি, দুবাইয়ের একটি সম্পত্তি। এ ছাড়াও রয়েছে বিলাসবহুল গাড়ি। সেই তালিকায় একটি রেঞ্জরোভার, বিএমডব্লিউ, ডুকাটিসহ মোট ১৮টি গাড়ি রয়েছে। অভিনেতার দাবি তার ক্রেডিট কার্ড, এটিএম কার্ড, ব্যাঙ্কের পাসওয়ার্ড সবই ছিল শামাসের নখদর্পণে।

    rnrn

    এছাড়া স্ত্রী ও ভাই মিলে নওয়াজের কিছু ভিডিও বানিয়েছিলেন, যা দিয়ে তাকে নিয়মিত ব্ল্যাকমেইলও করা হতো। নওয়াজ সম্পত্তি ফেরত চাইলে সেখানে ২০ কোটি রুপির গড়মিল ধরা পড়ে। ফলে ভাইকে ২০২০ সালে ভাইকে চাকরি থেকে বের করে দেন তিনি।

    rnrn

    নওয়াজ অভিযোগ করে বলেন, আলিয়া ও শামস আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনেছে। ফলে আমার ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে। আমার ছবি মুক্তি আটকে গেছে। এছাড়া ছড়িয়ে দিয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপত্তিকর ভিডিও। নওয়াজ়ের আইনজীবীর তরফে আলিয়া এবং শামসকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতেও বলা হয়েছে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • মামলা করতে আদালতে নায়ক শাকিব খান

    মানহানির মামলা করতে আদালতে ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়ক শাকিব খান। প্রযোজকের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করতে আদালতে উপস্থিত হয়েছেন শাকিব খান।

    বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ১১টা দিকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে উপস্থিত হন শাকিব খান।

    জানা গেছে, তার বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়ায় ‘অপারেশন অগ্নিপথ’-এর শুটিংয়ে শিডিউল ফাঁসানো ও সহকারী প্রযোজককে ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছেন প্রযোজক রহমত উল্লাহ।

    আরও জানা যায়, একাধিকবার চলচ্চিত্র প্রযোজক দাবি করা রহমত উল্লাহর বিরুদ্ধে মামলা করতে থানায় শাকিব খান। তবে থানায় মামলা গ্রহণ না করে শাকিব খানকে আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

    অস্ট্রেলিয়ায় ‘অপারেশন অগ্নিপথ’ সিনেমার শুটিং চলার সময় সহকারী নারী প্রযোজককে ধর্ষণ ও শিডিউল ফাঁসানোর অভিযোগ তোলায় রহমত উল্লাহর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছেন শাকিব খান। তার দাবি, মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে তার সুনাম ক্ষুন্ণ ও চাঁদা দাবি করছেন রহমত উল্লাহ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • পুলিশের কাছে গিয়ে ব্যর্থ, আদালতে মামলা করবেন শাকিব খান

    থানায় গিয়ে মামলা করতে না পেরে আদালতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন চিত্রনায়ক শাকিব খান। মানহানির অভিযোগে রহমত উল্লাহ নামে প্রযোজকের বিরুদ্ধে তিনি মামলা করতে চান।  

    rnrn

    মামলা করতে শনিবার গভীর রাত পর্যন্ত গুলশান থানায় অবস্থান করেন শাকিব। রোববার দুপুরে তিনি যান ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) কার্যালয়ে। রাতে ডিবি কার্যালয় ত্যাগ করেন। আজ সোমবার তিনি আদালতে মামলা করতে পারেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র যুগান্তরকে জানিয়েছে।

    rnrn

    ডিবি প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ যুগান্তরকে বলেন, শাকিব খান একটি ব্যক্তিগত সমস্যায় আছেন। ওই সমস্যা নিয়ে তিনি স্বেচ্ছায় ডিবি কার্যালয়ে আসেন। তিনি আমাদের কাছে পরামর্শ চান। আমরা তাকে কিছু পরামর্শ দিয়েছি।

    rnrn

    শাকিব খানের বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়ায় ‘অপারেশন অগ্নিপথ’ সিনেমার শুটিংয়ে শিডিউল ফাঁসানো ও সহ-নারী প্রযোজককে ধর্ষণের অভিযোগ তোলেন রহমত উল্লাহ নামের প্রযোজক। 

    rnrn

    ওই প্রযোজকের নামে মানহানি মামলা করতে শনিবার রাতে শাকিব গুলশান থানায় গেলেও পুলিশ মামলা নেয়নি। মামলাটি আদালতে করার পরামর্শ দেয় পুলিশ। এ সময় প্রায় দেড় ঘণ্টা থানার ভেতরে পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন শাকিব খান। 

    rnrn

    থানা থেকে বেরিয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমাকে থানা থেকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে আদালতে মামলা করার জন্য। আমার বিরুদ্ধে যিনি অভিযোগ এনেছেন তিনি আসলে প্রযোজক কিনা আপনারা প্রযোজক সমিতিতে গেলেই আসল তথ্য পেয়ে যেতেন। উনি কোনো প্রযোজকই নন। আমার বিরুদ্ধে একটি ভুয়া অভিযোগ এনেছেন।

    rnrn

    শাকিব খান বলেন, অস্ট্রেলিয়ার আইন কি এতই দুর্বল যে আমার বিরুদ্ধে সেখানে মামলা হলে বিচার ছাড়াই আমি বাংলাদেশে চলে আসতে পারব? আপনারা খোঁজ নিয়ে দেখুন, যে মামলা নম্বর উনি উল্লেখ করেছেন সেটি ভুয়া।

    rnrn

    এর আগে বুধবার বিকালে সশরীরে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতিতে হাজির হয়ে শাকিব খানের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন রহমত উল্লাহ। অভিযোগে বলা হয়, ২০১৭ সালে অস্ট্রেলিয়ায় ‘অপারেশন অগ্নিপথ’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় এক নারী সহ-প্রযোজককে ধর্ষণ করেন শাকিব খান। পরে তিনি দেশে পালিয়ে আসেন। 

    rnrn

    এ অভিযোগের পরই বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয় বিনোদনপাড়ায়। বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানের একটি রেস্টুরেন্টে আলোচনায় বসেন শাকিব খান এবং রহমত উল্লাহ। ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রযোজক নেতা খোরশেদ আলম খসরু। তবে ওই বৈঠকে বিষয়টির সুরাহা হয়নি।
    rn 

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রযোজকের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে দ্বারে দ্বারে শাকিব খান

    রহমত উল্লাহ নামে এক কথিত প্রযোজকের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন চিত্রনায়ক শাকিব খান। শনিবার গভীর রাত পর্যন্ত গুলশান থানায় অবস্থান করেন তিনি। রোববার দুপুরে তিনি যান ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) কার্যালয়ে। রাতে ডিবি কার্যালয় ত্যাগ করেন। আজ সোমবার তিনি আদালতে মামলা করতে পারেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র যুগান্তরকে জানিয়েছে।

    rnrn

    ডিবি প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ যুগান্তরকে বলেন, শাকিব খান একটি ব্যক্তিগত সমস্যায় আছেন। ওই সমস্যা নিয়ে তিনি স্বেচ্ছায় ডিবি কার্যালয়ে আসেন। তিনি আমাদের কাছে পরামর্শ চান। আমরা তাকে কিছু পরামর্শ দিয়েছি।

    rnrn

    শাকিব খানের বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়ায় ‘অপারেশন অগ্নিপথ’ সিনেমার শুটিংয়ে শিডিউল ফাঁসানো ও সহ-নারী প্রযোজককে ধর্ষণের অভিযোগ তোলেন রহমত উল্লাহ নামের প্রযোজক। 

    rnrn

    ওই প্রযোজকের নামে মানহানি মামলা করতে শনিবার রাতে শাকিব গুলশান থানায় গেলেও পুলিশ মামলা নেয়নি। মামলাটি আদালতে করার পরামর্শ দেয় পুলিশ। এ সময় প্রায় দেড় ঘণ্টা থানার ভেতরে পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন শাকিব খান। 

    rnrn

    থানা থেকে বেরিয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমাকে থানা থেকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে আদালতে মামলা করার জন্য। আমার বিরুদ্ধে যিনি অভিযোগ এনেছেন তিনি আসলে প্রযোজক কিনা আপনারা প্রযোজক সমিতিতে গেলেই আসল তথ্য পেয়ে যেতেন। উনি কোনো প্রযোজকই নন। আমার বিরুদ্ধে একটি ভুয়া অভিযোগ এনেছেন।

    rnrn

    শাকিব খান বলেন, অস্ট্রেলিয়ার আইন কি এতই দুর্বল যে আমার বিরুদ্ধে সেখানে মামলা হলে বিচার ছাড়াই আমি বাংলাদেশে চলে আসতে পারব? আপনারা খোঁজ নিয়ে দেখুন, যে মামলা নম্বর উনি উল্লেখ করেছেন সেটি ভুয়া।

    rnrn

    এর আগে বুধবার বিকালে সশরীরে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতিতে হাজির হয়ে শাকিব খানের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন রহমত উল্লাহ। অভিযোগে বলা হয়, ২০১৭ সালে অস্ট্রেলিয়ায় ‘অপারেশন অগ্নিপথ’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় এক নারী সহ-প্রযোজককে ধর্ষণ করেন শাকিব খান। পরে তিনি দেশে পালিয়ে আসেন। 

    rnrn

    এ অভিযোগের পরই বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয় বিনোদনপাড়ায়। বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানের একটি রেস্টুরেন্টে আলোচনায় বসেন শাকিব খান এবং রহমত উল্লাহ। ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রযোজক নেতা খোরশেদ আলম খসরু। তবে ওই বৈঠকে বিষয়টির সুরাহা হয়নি।
    rn 

    বিনোদন ডেস্ক

  • মাহি ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা

    ঢাকাই সিনেমার চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি ও তার স্বামী রকিব সরকারের বিরুদ্ধে দুটি মামলা হয়েছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দুটি করেছে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ। 

    শুক্রবার রাতে বাসন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রোকন মিয়া বাদী হয়ে এ মামলা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গাজীপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মোল্যা নজরুল ইসলাম।

    তিনি বলেন, ‘যেহেতু তারা মামলার আসামি, সেহেতু যে কোনো সময় গ্রেফতার হতে পারেন মাহি ও তার স্বামী।’ ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে।

    এ ছাড়া জমিদখলের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে হুকুমের আসামি করে আরও একটি মামলা করেন স্থানীয় বাসিন্দা ইসমাইল হোসেন।

    এর আগে শুক্রবার ভোরে স্বামীর সঙ্গে ওমরাহ পালনরত মাহি সৌদি আরবের মক্কা শহর থেকে ফেসবুক লাইভে রকিবের গাড়ির শোরুম ভাঙচুর ও হামলার অভিযোগ করেন।

    এ সময় তিনি দাবি করে বলেন, ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজের পূর্ব পাশে ‘সনিরাজ কার প্যালেস’ নামে তার স্বামীর একটি গাড়ির শোরুম রয়েছে। সেখানে দুর্বৃত্তরা হামলা করেছে। তারা শোরুমের গেট ভেঙে ভেতরে ঢুকে আসবাব, দরজা-জানালা, টেবিল-চেয়ার ভাঙচুর করেছে। শোরুমের সাইনবোর্ড খুলে ফেলেছে। অফিসকক্ষ তছনছ করে টাকাপয়সা লুট করে নিয়ে গেছে।

    ইসমাইল হোসেন ওরফে লাদেন ও মামুন সরকার নামে দুজনের নেতৃত্বে ওই হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন মাহি। এ সময় ফেসবুকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের বিরুদ্ধে ‘ঘুস’ নেওয়ার অভিযোগ তোলেন মাহি।

    পুলিশ কমিশনার মোল্যা নজরুল ইসলাম বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তিনি (মাহি) মিথ্যা বলে মানুষের সহানুভূতি নিতে চাচ্ছেন। পুলিশের বিরুদ্ধে ঢালাও অভিযোগ করে তিনি পুলিশকে বিতর্কিত করার মিশনে নেমেছেন। অথচ মাহি বা তার স্বামী জমিসংক্রান্ত কোনো বিষয় নিয়ে আমার কাছে আসেননি। 

    শুক্রবার যাদের বিরুদ্ধে তিনি অভিযোগ করেছেন, তাদেরও আমরা চিনি না। পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে।

    কমিশনার আরও বলেন, ‘শুক্রবার ভোরে বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ পাঠানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দুপক্ষই পালিয়ে যায়। তাদের জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ইসমাইল হোসেনসহ তার পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। তারা চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে আহত ইসমাইল বাদী হয়ে ২৮ জনের বিরুদ্ধে বাসন থানায় একটি মামলা করেছেন। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে বলে জানান তিনি।

    মাহির ফেসবুক লাইভের পর সংবাদ সম্মেলন করেন স্থানীয় বাসিন্দা ইসমাইল হোসেন। তিনি সংবাদ সম্মেলনে পাল্টা অভিযোগ তুলে বলেন, রকিব সরকার তার প্রায় সোয়া ১১ শতাংশ জমি দখল করে গাড়ির শোরুম করেছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থেকে শুরু করে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে তিনি এ বিষয়ে অভিযোগ দিয়েছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • তৃতীয় স্বামীর মামলায় ফেঁসে যাচ্ছেন শ্রাবন্তী!

    ভারতীয় বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় মনের মানুষ খুঁজে পেতে জড়িয়েছেন একাধিক বিয়েতে। এর পরও পাননি পছন্দের হৃদয়ের মানুষ। তবে তৃতীয় স্বামী রোশান সিংকে যেন জীবন থেকে সরাতেও পারছেন না শ্রাবন্তী।

    rnrn

    বিয়ের এক বছর ঘোরার পরেই আলাদা হয়ে যান শ্রাবন্তী রোশান। কিন্তু এখনো পর্যন্ত আইনি বিচ্ছেদ হয়নি তাদের। আদালতে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা চলছে দুজনের। যদিও সেই মামলার নিস্পত্তি হয়নি এখনো। এর মধ্যেই স্বামীর করা আরেক মামলায় উল্টো ফেঁসে যেতে পারেন শ্রাবন্তী।

    rnrn

    গণমাধ্যমসূত্র জানায়, সাবেক স্ত্রীর বিরুদ্ধে শিয়ালদহ আদালতে ‘রেস্টিটিউশন অব কনজুগাল রাইটস’এ মামলা  করেছেন রোশান। যদি স্বামী বা স্ত্রী কোনো সঙ্গত কারণ ছাড়াই বাড়ি ছেড়ে বা দাম্পত্য সম্পর্ক ছেড়ে চলে যান তা হলে অপরজন এ মামলা করতে পারেন।

    rnrn

    রোশানের অভিযোগ, শ্রাবন্তী নাকি কোনো সঙ্গত কারণ ছাড়াই তাকে ছেড়ে চলে গেছেন। এ ক্ষেত্রে রোশান যদি মামলায় জয়ী হন তা হলে আদালতের নির্দেশে আবারও সাবেক স্বামীর কাছেই ফিরতে বাধ্য থাকবেন শ্রাবন্তী।

    rnrn

    এর আগে রোশান জানিয়েছিলেন, তাদের পরিবারে বিয়ে ভাঙার চল নেই। তিনি শ্রাবন্তীকেই আবার ফেরত চান।

    rnrn

    যদিও স্বামীর বিরুদ্ধে গিয়ে বিচ্ছেদের মামলা করেন শ্রাবন্তী। সেই সঙ্গে রোশানের থেকে ভরণপোষণ চেয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার খোরপোষের মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ জারি করেছেন আদালত। কারণ শ্রাবন্তীর বিরুদ্ধে অপর একটি মামলা চলছে। 

    rnrn

    ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৪০ ধারায় পারজারি অর্থাৎ হলফনামা দিয়ে আদালতে মিথ্যা সাক্ষী দেওয়ার জন্য অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন রোশান। খোরপোষের মামলায় স্থগিতাদেশ জারি করলেও মিথ্যা সাক্ষীর মামলা জারি থাকবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন আদালত।

    বিনোদন ডেস্ক

  • দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত বনি, যা বললেন কৌশানি

    পশ্চিমবঙ্গে আলোচিত শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় টালিউড অভিনেতা বনি সেনগুপ্ত। এ বিষয় দুদফায় জিজ্ঞাসাবাদ করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)।

    বৃহস্পতিবার বনি সেনগুপ্তকে দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

    এ নিয়ে মুখ খুলেছেন বনির প্রেমিকা কৌশানি মুখার্জি। কারণ এ ঘটনায় নাম জড়িয়য়েছে তারও। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।

    অভিনেত্রীর বিরুদ্ধেও কুন্তলের কাছ থেকে মোটা টাকা নেওয়ার প্রমাণ রয়েছে বলে ইডি সূত্রে খবর প্রকাশ করেছে ওপার বাংলার কয়েকটি গণমাধ্যম।

    বৃহস্পতিবার এক সাক্ষাৎকারে সব অভিযোগ অস্বীকার করেন কৌশানি। তিনি বলেন, কাজের সূত্রে যা প্রাপ্য সেটিই নিয়েছি। কুন্তলের সঙ্গে আমার কোনো ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নেই। কুন্তল একজন ইভেন্ট ম্যানেজার। ওর সৌজন্যে কয়েকটি জায়গায় হাজির হয়েছিলাম। তার যা প্রাপ্য সেটাই আমাকে ও পাঠিয়েছে। এ রকম হাজারটা ইভেন্ট ম্যানেজারের সঙ্গে আমরা কাজ করি। কে কীভাবে টাকা উপার্জন করছেন সেটি তো আমাদের পক্ষে জানা সম্ভব নয়।

    এর পর তিনি জানান, বনি সেনগুপ্তের পেশাদারি যাবতীয় লেনদেন দেখেন তার মা ও বাবা। এ ব্যাপারে আমার কোনো ভূমিকা নেই। বনির টাকার হিসাব ও আর ওর মা-বাবা দিতে পারবেন।

    বনি যে এত দামি গাড়ি কিনেছেন, তাতে তার মনে কোনো প্রশ্ন জাগেনি? কৌশানি বলেন, বনি একজন সফল অভিনেতা। তিনি একটা দামি গাড়ি কিনবেন এতে প্রশ্ন জাগার কী আছে? এটি ওর পেশাদারি ব্যাপার। আমি তার মধ্যে প্রশ্ন তুলতে যাব কেন?

    বিনোদন ডেস্ক