Tag: বিয়ে

  • তৃতীয় বিয়ে করলেন পাকিস্তানের সেই অভিনেত্রী

    তৃতীয়বারের মতো বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হলেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও টেলিভিশন উপস্থাপিকা ফিজা আলী।  পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন ভক্তদের সারপ্রাইজ দিয়ে নিজের তৃতীয় বিয়ের খবর প্রকাশ্যে এনেছেন ‘মেহেদী’খ্যাত এই তারকা।

    জানা যায়, এজাজ খানের সঙ্গে ঘরোয়া এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন তিনি।

    ঈদের প্রথম দিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে স্বামী ও মেয়ের সঙ্গে একাধিক ছবি শেয়ার করেন ফিজা। ছবিগুলোতে দেখা যায়, ফিজার পরনে কালো রঙের সেমি-ফরমাল পোশাক, যার সঙ্গে ছিল বহু রঙের সূচিকর্ম করা বাদামি রঙের একটি অলংকৃত ওড়না।

    অন্যদিকে তার স্বামীও একই রঙের পোশাক বেছে নেন।

    মজার ব্যাপার হলো, তাদের দুজনের হাতেই মেহেদী দিয়ে একে অপরের নাম লেখা ছিল।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ক্যাপশনে ফিজা লেখেন, ‘৪১ বছর বয়সে আল্লাহ আমাকে সেই সুখ ও ভালোবাসা দিয়েছেন যার জন্য আমি অপেক্ষা করছিলাম… আজ আমি আমার জীবনসঙ্গীকে খুঁজে পেয়েছি। আলহামদুলিল্লাহ।’

    এই বিয়ের মাধ্যমে ফিজা তার পরিচয়েও পরিবর্তন এনেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে এখন থেকে তিনি শুধু ‘ফিজা আলী’ নন, বরং নিজেকে ‘মিসেস এজাজ’ হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করছেন।

    তার এই সিদ্ধান্তে ১১ বছর বয়সি মেয়ে ফারালের পূর্ণ সমর্থন ও ভালোবাসা ছিল, যা ফিজার কাছে সবচেয়ে বড় পাওয়া।

    উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে ফাওয়াদ ফারুকের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন ফিজা। ২০১৭ সালে আলাদা হয়ে যান এই দম্পতি। সেই সংসারেই জন্ম নেয় কন্যা ফারাল। প্রথম সংসার ভাঙার পর ২০১৮ সালে ব্যবসায়ী আয়াজ মালিককে বিয়ে করেন তিনি।  কিন্তু তার সেই সংসারও টেকেনি।  এবার নতুন করে এজাজ খানের সঙ্গে ঘর বাঁধলেন ফিজা।

    ক্যারিয়ারের শুরুতে ‘মেহেদী’ নাটকের মাধ্যমে আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা পাওয়া এই অভিনেত্রী তার জীবনের নতুন এই যাত্রায় ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে দোয়া চেয়েছেন। তার ওই পোস্টে এরই মধ্যে শোবিজ অঙ্গনের সহকর্মী ও ভক্তরা অভিনন্দন ও ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিয়ে করলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ‘জওয়ান’ অভিনেত্রী সঞ্জীতা

    বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বলিউড অভিনেত্রী ও গায়িকা সঞ্জীতা ভট্টাচার্য।  ২০২৩ সালে সুপাস্টার শাহরুখ খানের সঙ্গে ‘জওয়ান’ সিনেমায় অভিনয় করে ব্যাপক পরিচিতি পান তিনি। সম্প্রতি ভারতের উদয়পুরের রাজপ্রাসাদে এক জমকালো আয়োজনে সংগীত পরিচালক রাগ শেঠিকে বিয়ে করেন তিনি।

    জানা যায়, সোমবার (২৩ মার্চ) সাত পাকে বাঁধা পড়েন সঞ্জীতা ও রাগ।  মেহেদি, সংগীত, গায়ে হলুদ, বিয়ে সব অনুষ্ঠানেই উপস্থিত ছিলেন শাহরুখ খানের ‘জওয়ান’ সিনেমার অধিকাংশ কলাকুশলী, বলিউড তারকারা, পাত্র-পাত্রীর দুই পক্ষের পরিবারের সদস্য, বন্ধু-বান্ধব ও আত্মীয়স্বজনরা।

    বিয়ের দিন সঞ্জীতা বেছে নিয়েছিলেন সাবেকি বাঙালি সাজ-লাল বেনারসি শাড়ি, অফ-শোল্ডার ব্লাউজ, কপালে চন্দনের কারুকাজ এবং মাথায় শোলার মুকুট। এই লুকে তিনি যেন ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মিশেল উপস্থাপন করেন।  

    অন্যদিকে বর সেজেছিলেন সোনালি রংয়ের শেরওয়ানি, লাল ওড়না ও পাগড়িতে। বর-কনের পোশাকের রংয়ে মিল থাকায় এ সাজ আমন্ত্রিত অতিথিদের বিশেষ নজর কেড়েছিল।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বিয়েতে নিজের বাঙালিয়ানা সাজ প্রসঙ্গে সঞ্জীতা ভট্টাচার্য বলেন, ‘আমার অনেক বন্ধু রয়েছে, যারা বাঙালি। কিন্তু একেবারেই বাংলা বলতে পারে না। আমি আসলে একজন প্রবাসী বাঙালি। আমার বাবা কলকাতার, মা ময়মনসিংহের। তাই আমাদের বাড়িতে বাঙালি-ঘটি মিশ্রণের মধ্যে বাঙালিত্বটাই বেশি প্রাধান্য পায়।’

    এর আগে ২০২৫ সালের ১০ আগস্ট রাগ শেঠির সঙ্গে বাগদান সারেন অভিনেত্রী-গায়িকা সঞ্জীতা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি শেয়ার করে হবু স্বামীর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন তিনি। কাজের সূত্রে পরিচয় থেকে বন্ধুত্ব, এরপর প্রেম-সবকিছুই দ্রুত এগিয়েছে। গত বছরই উদয়পুরে রাগ তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন।

    ‘জওয়ান’ সিনেমায় অভিনয় করে আলোচনায় আসা এই অভিনেত্রী বিদেশে বড় হলেও পরিবারের কাছ থেকেই বাংলা ভাষা শিখেছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে আনুশকা শেঠি!

    কিছুদিন আগেই বিয়ে সেরেছেন ভারতীয় শোবিজের জনপ্রিয় তারকা জুটি বিজয় দেবরকোণ্ডা ও রাশমিকা মান্দানা। এবার নতুন করে গুঞ্জন, জীবনের ৪৪ বসন্ত পেরোনোর পর অবশেষে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হতে যাচ্ছেন দক্ষিণ ভারতের আরেক তারকা অভিনেত্রী আনুশকা শেঠি।

    ছড়িয়ে পড়া এই খবরে ভক্ত-অনুরাগীদের পাশাপাশি চলচ্চিত্র অঙ্গনেও বেশ উন্মাদনার সৃষ্টি হয়েছে।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সিয়াসাত ডটকম সূত্রে জানা যায়, বিয়ের পিঁড়িতে বসার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ‘বাহুবলি’ তারকা আনুশকা শেঠি। এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার কথা ভাবছেন এই অভিনেত্রী। এই ব্যবসায়ী অভিনেত্রীর পরিবারের পরিচিত। এখন দুই পরিবারের মধ্যে বিয়ে নিয়ে আলোচনা চলছে। দুজনের সম্মতিতেই বিয়ে ঠিক হতে পারে।

    যদিও বাহুবলী-তে এই অভিনেত্রীর সঙ্গে প্রভাস-এর অনস্ক্রিন কেমিস্ট্রি দর্শকদের এতটাই মুগ্ধ করেছিল যে, বাস্তবেও তাদের প্রেমের গুঞ্জন বহুদিন ধরেই শোনা যায়। অনেকেই ভেবেছিলেন, হয়তো এই জুটিই বাস্তবে গাঁটছড়া বাঁধবেন। কিন্তু সাম্প্রতিক গুঞ্জন বলছে ভিন্ন কথা।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এর আগেও প্রভাসের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন অস্বীকার করেন আনুশকা। এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেছিলেন, ‘আমি প্রভাসকে ১৫ বছর ধরে চিনি। সে আমার এমন বন্ধু যাকে রাত ৩টার সময়ও ফোন কল করতে পারি।’

    ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, বিয়েটা হতে পারে একেবারেই ঘরোয়া পরিবেশে, শুধু কাছের মানুষদের উপস্থিতিতে। দুই পরিবারের সদস্য ও চলচ্চিত্র জগতের কয়েকজন বন্ধু এতে উপস্থিত থাকবেন। যদিও এখনো নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা হয়নি, তবে দুই পরিবারের মধ্যে আলোচনা বেশ এগিয়েছে বলেই ধারণা ঘনিষ্ঠ মহলের।

    তবে সাম্প্রতিক ওঠা বিয়ের গুঞ্জন নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিছু জানাননি আনুশকা শেঠি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ১০ মাস ধরে তৈরি হয় বিজয় ও রাশমিকার বিয়ের অলঙ্কার

    দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেতা বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানার বিয়ের গহনা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে আলোচনার ঝড় উঠেছে। বর-কনেকে ছাপিয়ে আলোচনার শীর্ষে এখন বিয়ের গহনা তৈরি নিয়ে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় উদয়পুরের রিসোর্ট থেকে বিজয় দেবরকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানার বিয়ের ছবি ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক মাধ্যমে। এ তারকা জুটির প্রেমের সাক্ষী হয়ে থাকল তাদের সাজ ও গহনা। 

    বর যেন সার্বভৌম সম্রাট, কনে যেন জাগ্রত দেবীমূর্তি। অন্তত এমন ভাবনা থেকেই যুগলকে সাজানো হয়েছিল। রাশমিকা-বিজয়ের বিয়ের জন্য যারা গহনা বানিয়েছেন, সেই গহনা সংস্থার প্রতিনিধিরাই সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সে কথা জানিয়েছেন।

    আজকের দিনে যখন বিয়ের সাজ অনেক সময়ে চলতি হাওয়ার পন্থি হয়ে পড়ে, সেখানে রাশমিকা-বিজয়ের আয়োজন মনে করিয়ে দেয়, ফ্যাশনও হতে পারে ঐতিহ্যের ভাষা। দুজনের গহনার পালিশেও অনন্যতা ছিল। ঝলমলে, চকচকে সোনার গহনা পরতে চাননি তারা। পরেছেন ‘অ্যান্টিক’ পালিশের গহনা, অর্থাৎ হালকা কালচে ভাব রাখা হয়েছে পালিশ করার সময়ে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম পরে আসা গহনা, সাজের ঐতিহ্যকে তুলে ধরাই ছিল উদ্দেশ্য।

    এদিকে বিজয়ের গহনা তৈরি হয়েছে এক রাজসিক ভাবনা থেকে। যেন এক সার্বভৌম রাজার প্রতিচ্ছবি। বিয়ের সাজ, বিয়ের অলঙ্কার মানেই আজকাল কেবল কনের সাজের কথা বলা হয়, কনের অলঙ্কারকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু সেখানেই আলাদা হলেন বিজয় দেবেরাকোন্ডা। রাজকীয় গহনায় সেজে উঠে কনের লাইমলাইট কেড়ে নিলেন তিনি। বিজয়ের ব্যক্তিত্বের দৃঢ়তা প্রকাশ পেয়েছে তার বিয়ের সাজে। সাদা ধুতির সঙ্গে একটি মাত্র লাল উত্তরীয় ছিল তার পরনে। আর সব নজর কেড়েছে বাজুবন্ধ, কোমরবন্ধ, কানপাশা, খাড়ু ও মোটা হার। বিজয়ের হাতের গহনায় ছিল হাতি আর ফুলের মোটিফের নকশা। তার কোমরবন্ধে স্পষ্ট ছিল বাঘের নকশা। একই সঙ্গে জ্ঞান, সুন্দর ও সাহসের প্রতীক হয়ে রয়ে গেছে তার সব অলঙ্কার। জালির সূক্ষ্ম নকশা ছিল বিজয়ের গহনাগুলোতে। রাশমিকার মতো তার কপালেও বাঁধা রয়েছে বাসিকম। তারও কানে সোনার দুল। তারও আঙুলে আংটি। হাতে ও পায়ে আলতার মৃদু আভা ও দৃঢ় অলঙ্কারের যুগলবন্দিই বিজয়ের সাজের মুখ্যচরিত্রে রয়েছে। এখানেই বিজয়ের সাজ অনন্য।

    তেলেগু ও কোডাভা রীতি মেনে দুবার বিয়ে হয়েছে রাশমিকা মান্দানা ও বিজয়ের। তেলেগুমতে, বিয়ের ছবিগুলোই এখন সাড়া ফেলেছে চারদিকে। আধুনিক সাজসজ্জার পরিবর্তে কয়েক দশক আগের ‘প্রাইমাল’ রীতি মেনে আসর সাজানো হয়েছিল। একই ভাবে বর-কনেও তাদের সাজে পরম্পরাকেই অগ্রাধিকার দিয়েছেন।

    নির্দিষ্ট ওই গহনা সংস্থা প্রায় ১০ মাস ধরে রাশমিকা-বিজয়ের বিয়ের গহনা নিয়ে কাজ করেছে। পরিকল্পনা, নকশা ও কারিগরি— যুগলের নিজস্ব পছন্দকে গুরুত্ব দিয়ে গহনা বানাতে প্রায় এক বছরের কাছাকাছি সময় লেগেছে। একেবারে কাস্টমাইজড সংগ্রহ। আর তাই তাদের গহনায় বাজারচলতি চাকচিক্য নয়, বরং দক্ষিণ ভারতের মন্দির স্থাপত্য, প্রাচীন ভাস্কর্য আর ঐতিহ্যের গভীর ছাপ স্পষ্ট হয়েছে। 

    সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর বলেছেন, ‘শিল্পী হিসেবে বিজয়-রাশমিকার গুণমুগ্ধ আমরা। কিন্তু বিয়ের গহনা বানানোর জন্য ঘনিষ্ঠভাবে জানতে হতো তাদের। আর সেই অভিজ্ঞতাটা ছিল অপূর্ব।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বিয়েতে রাশমিকা মান্দানা পরেছিলেন ১১ আইটেম রাজকীয় গহনা। তাকে জীবন্ত দেবীরূপে কল্পনা করেই এ গহনাগুলো বানানো হয়েছে। চোকার ও ভারি স্বর্ণহার (যাকে বলে ‘হারম’) পরানো হয়েছিল তার গলায়, সূক্ষ্ম নকশার কানের দুল, দুল থেকে চুল পর্যন্ত কানটানা (‘চম্পাসরালু’), মাথার চুলের অলঙ্কার (‘জাডা বিল্লা’), হাতফুল, কপালে বাঁধা বাসিকম, মাথাপট্টি, নাকের দুল, হাতভরা বালা, বাজুবন্ধ, কোমরবন্ধ, ঘুঙুর— প্রতিটি আভরণে ছিল রাভা কাজের সূক্ষ্মতা ও পুরনো দিনের গাম্ভীর্য। ঝলমলে হীরার বদলে এখানে প্রাধান্য পেয়েছে মাটির গন্ধমাখা সোনার উজ্জ্বলতা। তার সাজে তাই ছিল ঐশ্বর্য, কিন্তু সঙ্গে এক ধরনের গম্ভীর মর্যাদা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিয়ের পরেই বড় চমক দিলেন বিজয়-রাশমিকা

    ধুমধাম করে বিয়ে সারার পর সোমবার (২ মার্চ) তেলেঙ্গানার খাম্মানপেটের পৈতৃক ভিটায় আসেন দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা। গ্রামের বাড়িতে একসঙ্গে সত্যনারায়ণ পূজায় অংশগ্রহণ করেন এ তারকা দম্পতি। তবে এখানেই শেষ নয়, গ্রামে দাঁড়িয়েই এমন কিছু ঘোষণা করলেন, যা শুনে জয়জয়কার পড়ে যায় নবদম্পতির।

    রাশমিকা মান্দানা ও বিজয় দীর্ঘদিন ধরেই ডেটিং করেছেন বলে গুঞ্জন ছিল, কিন্তু ফেব্রুয়ারিতে তাদের বিয়ের ঘোষণা না করা পর্যন্ত কেউ-ই তাদের সম্পর্কের কথা নিশ্চিত করেননি। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি উদয়পুরে ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধব এবং পরিবারের উপস্থিতিতে দক্ষিণ ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী বিবাহ অনুষ্ঠানে এই দম্পতি গাঁটছড়া বাঁধেন।

    বুধবার (৪ মার্চ) হায়দরাবাদে রিসেপশনের আয়োজন করেছেন এ তারকা দম্পতি। এ অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রিত দেশের একাধিক নামিদামি ব্যক্তিত্ব। খুব স্বাভাবিকভাবেই নিরাপত্তার বলয়ে ঢেকে ফেলা হবে অনুষ্ঠান স্থানকে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    পেশাদারত্বের দিক থেকে রাশমিকা ও বিজয়কে আবারও বড়পর্দায় একসঙ্গে দেখা যাবে আসন্ন সিনেমা ‘রানাবালি’-তে। বিয়ের পর এটি তাদের প্রথম ছবি, যেখানে একসঙ্গে অভিনয় করবেন তারা। রাহুল সাংকৃত্যন পরিচালিত এ সিনেমাটি আগামী ১১ সেপ্টেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া গীতা গোবিন্দম (২০১৮) এবং ‘ডিয়ার কমরেড’ (২০১৯) সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করেছেন তারা।

    রাশমিকা মান্দান্নার সঙ্গে বিয়ের পর বিজয় তার দাতব্য ট্রাস্টের মাধ্যমে তেলেঙ্গানার আচাম্পেট বিভাগের ৪৪টি সরকারি স্কুলের নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি প্রকল্প ঘোষণা করেন। এ উদ্যোগের লক্ষ্য হলো— শিক্ষার্থীদের শিক্ষাকে সমর্থন করা এবং আর্থিক বোঝা ছাড়াই একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে সহায়তা করা।

    বিজয় ঘোষণা করার পরপরই রাশমিকা এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন। বিজয়ের এ ঘোষণায় গর্বিত হন অভিনেতার মা। এ ঘোষণার পরেই হাততালিতে ফেটে পরে চারদিক। শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, বিজয় তার গ্রামের মানুষকে প্রতিশ্রুতি দেন যে তিনি এখন থেকে নিয়মিত তার গ্রামে যাবেন।

    বিজয়ের এই আর্থিক সহায়তার ঘোষণার ভিডিও অনলাইনে প্রকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভক্তরা অভিনেতার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে ওঠেন। এক ভক্ত লিখেছেন— আগামী ৩০ বছরের মধ্যে ভিডি যদি মুখ্যমন্ত্রী হন, তবে আমি অবাক হব না। আরেকজন বলেন, সত্যিকার অর্থে নায়ক। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • এসো, একসঙ্গে আমরা একটা আশীর্বাদপুষ্ট জীবন কাটাই: রাশমিকা

    দীর্ঘ জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হলেন দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেতা বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সাতপাকে বাঁধা পড়লেন এ তারকা জুটি। রাজস্থানের ঐতিহাসিক শহর উদয়পুরে পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠ আয়োজনে বিলাসবহুল রিসোর্টে তাদের  বিয়ের সম্পন্ন হয়। রাজকীয় আবহ, কড়া গোপনীয়তা, ঐতিহ্যবাহী আচার আর তারুণ্যের উচ্ছ্বাস—সব মিলিয়ে আয়োজনটি ছিল এককথায় রূপকথার মতো।

    অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবেরাকোন্ডার প্রেমের গুঞ্জন শুরু হয় ‘গীত গোবিন্দম’ সিনেমার সেট থেকে। পরবর্তী সময়ে ‘ডিয়ার কমরেড’-এ তাদের রসায়ন সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের মুগ্ধ করে। যদিও প্রকাশ্যে কখনো সম্পর্কের কথা স্বীকার করেননি এ তারকা জুটি। একসঙ্গে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উপস্থিতি ও ভ্রমণই ইঙ্গিত দিয়েছিল ঘনিষ্ঠতার।

    শেষ মুহূর্তে বিয়ের গোপনীয়তা খোলাসা করেন তারা। বিয়ের কয়েক দিন আগে সামাজিক মাধ্যমে ‘দ্য ওয়েডিং অব বিরোশ’ নাম দিয়ে ঘোষণা দেন এ তারকা জুটি। এরপর থেকেই বিনোদন জগতের সবখানেই শুরু হয় তুমুল আলোচনা।

    বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ভোরের শান্ত আবহে শুরু হয় বিয়ের মূল আনুষ্ঠানিকতা। তেলেগু রীতি অনুযায়ী প্রথমে গণেশপূজা ও পূর্বপুরুষদের স্মরণ করে মঙ্গলাচরণ করা হয়। এরপর অগ্নি সাক্ষী রেখে সম্পন্ন হয় ‘সপ্তপদী’—সাতটি প্রতীকী পদক্ষেপ, যা দাম্পত্য জীবনের সাতটি অঙ্গীকারের প্রতীক। পুরোহিতের মন্ত্র উচ্চারণের মধ্য দিয়ে কনে-বর অগ্নি প্রদক্ষিণ করেন। এরপর মালাবদল, কন্যাদান ও আশীর্বাদের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয় বিয়ে। বিয়ের রীতি অনুযায়ী পরিবার-পরিজনের প্রবীণ সদস্যরা নবদম্পতির কপালে কুমকুম ও হলুদ ছুঁইয়ে আশীর্বাদ জানান। এভাবে শেষ হয় সকালের পর্ব।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এরপর বিকালে শুরু হয় কোডাভা রীতি অনুযায়ী দ্বিতীয় পর্ব। কর্নাটকের কোডাগু অঞ্চলের এই ঐতিহ্যে পোশাক, সংগীত ও আচার-অনুষ্ঠানে থাকে আলাদা বৈশিষ্ট্য। কনের পারিবারিক শিকড়কে সম্মান জানিয়ে এ পর্ব রাখা হয়। দুই ভিন্ন সাংস্কৃতিক ধারার এই বৈবাহিক বন্ধন এনে দেয় অনন্য মাত্রা। একদিকে তেলেগু আচার, অন্যদিকে কোডাভা ঐতিহ্য—দুটোর সমন্বয়েই যেন তৈরি হয় পূর্ণতা। রাজকীয় স্থাপত্য, লেকঘেরা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর সুসজ্জিত মণ্ডপ—সব মিলিয়ে ছিল নান্দনিক পরিবেশ।

    অতিথিদের তালিকা রাখা হয় সীমিত; শুধু দুই পরিবারের সদস্য, ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও ইন্ডাস্ট্রির অল্প কয়েকজন আমন্ত্রিত। এর মধ্যে ব্যক্তিগত মুহূর্তের গোপনীয়তা বজায় রাখতে মুঠোফোন ব্যবহার ও ছবি তোলায় ছিল কঠোর বিধিনিষেধ। আমন্ত্রণপত্রেও সে কথা উল্লেখ ছিল— অনুষ্ঠানটি যেন সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত থাকে।

    বিয়ের আসরে কনে রাশমিকা মান্দানার পরনে ছিল মরচে-কমলারঙা সোনালি পাড়ের শাড়ি, যার সঙ্গে ভারি সোনালি কাজের ব্লাউজ। ঐতিহ্যবাহী সোনার গহনায় সজ্জিত ছিলেন তিনি—বহুস্তর হার, বাহুবন্ধ, মাঙ্গটিকা, কড়া ও বড় ঝুমকা। খোলা ঢেউখেলানো চুলে জুঁই ফুলের মালা তার সাজে এনে দেয় দক্ষিণী ঐতিহ্যের কোমল সৌন্দর্য।  বিয়ের এই বিশেষ পোশাকটি ডিজাইন করেছেন খ্যাতনামা ডিজাইনার অনামিকা খান্না। স্টাইলিংয়ে ছিল সাবেকি ঘরানার ছোঁয়া, যা কনের আভিজাত্যকে আরও উজ্জ্বল করেছে।

    অন্যদিকে বর বিজয় দেবেরাকোন্ডা পরেছিলেন আইভরি রঙের ধুতি–শৈলীর পোশাক, সঙ্গে গাঢ় সিঁদুররঙা অঙ্গবস্ত্র। অঙ্গবস্ত্রে সূক্ষ্ম সূচিকর্মে ফুটে উঠেছিল অরণ্য ও মন্দিরের নকশা—শক্তি ও পবিত্রতার প্রতীক। কানে দুল, সোনার কোমরবন্ধ ও হার তার সাজকে সম্পূর্ণ করে।

    বরমালার সময় আবেগে ভেঙে পড়েন দুজনই। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, একে অপরকে মালা পরানোর সঙ্গে সঙ্গেই চোখে পানি চলে আসে তাদের। বিয়ের আড়ালে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে পারিবারিক রীতি ও দক্ষিণী সংস্কৃতির ঐতিহ্য। অতিথিদের আপ্যায়নে ছিল সম্পূর্ণ দক্ষিণ ভারতীয় ধাঁচ—কলাপাতায় পরিবেশন করা হয় নানা পদ।

    বিয়ের আয়োজনের বেশি গুরুত্ব পেয়েছে পারিবারিক রীতি ও দক্ষিণী সংস্কৃতির ঐতিহ্য। অতিথিদের আপ্যায়নে ছিল সম্পূর্ণ দক্ষিণী ভারতীয় ধাঁচ—কলাপাতায় পরিবেশন করা হয় নানা পদ। ভাত, সাম্বর, রসম, বিভিন্ন সবজিভাজা ও কারি, পায়েস ও ঐতিহ্যবাহী মিষ্টান্ন—সবই সাজানো হয় পরম যত্নে। পরিবেশনের ধরনেও ছিল নিয়ম মেনে বিন্যাস; কলাপাতার নির্দিষ্ট অংশে নির্দিষ্ট পদ রাখা হয়, যা দক্ষিণী সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

    আর সেই সঙ্গে বিয়েতে পানীয় হিসেবে পরিবেশন করা হয় ডাবের পানি, যা সতেজতার পাশাপাশি শুভতার প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত। দক্ষিণী রীতিনীতি অনুযায়ী কনের পরিবার থেকে বরের পরিবারকে উপহার দেওয়া হয় নারিকেল, পানপাতা, ফল, মিষ্টি, হলুদ ও কুমকুম। এসব উপকরণ সমৃদ্ধি, শুভলক্ষণ ও নতুন জীবনের আশীর্বাদের প্রতীক। নারিকেল ধরা হয় পবিত্রতার চিহ্ন, আর হলুদ ও কুমকুম দাম্পত্য জীবনের মঙ্গল কামনার প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে বরের পরিবারের পক্ষ থেকেও ছিল আবেগঘন এক মুহূর্ত।

    বিজয়ের মা পারিবারিক ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে নববধূ রাশমিকা মান্দানার হাতে বংশপরম্পরায় পাওয়া সোনার চুড়ি পরিয়ে দেন। এ আচার শুধু অলংকার প্রদান নয়; এটি নববধূকে দেবেরাকোন্ডা পরিবারের সদস্য হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার প্রতীক। আশীর্বাদের হাত রেখে তাকে স্বাগত জানান শ্বশুরবাড়ির মুরব্বিরা। সে মুহূর্তে উপস্থিত স্বজনদের চোখেমুখে ছিল আনন্দ আর আবেগের মিশেল—একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনায় দুই পরিবারের বন্ধন আরও দৃঢ় হয়ে ওঠে।

    বিয়ের মূল আনুষ্ঠানিকতার আগে একাধিক প্রাক্-বিবাহ আয়োজনে যেন তারুণ্যের উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে উদয়পুরের ভেন্যু। গায়েহলুদের আসরে প্রাধান্য পেয়েছিল হলুদ ও কমলা রঙের ফুল। গাঁদা, রজনীগন্ধা ও ঐতিহ্যবাহী দক্ষিণী ফুল দিয়ে সাজানো হয়েছিল মণ্ডপ। কনে-বরের পরিবারের সদস্যরা হাসিঠাট্টা আর আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে হলুদ পরিয়ে দেন নবদম্পতিকে। পরিবেশ ছিল ঘরোয়া, কিন্তু রঙিন ও প্রাণবন্ত।

    আর এ আয়োজনে বিশেষ চমক হিসেবে রাশমিকা পরিবেশন করেন ‘অঙ্গারোঁ’ গানের নাচ। এটি ছিল বিজয়ের জন্য তার পরিকল্পিত সারপ্রাইজ। পরে নবদম্পতিও একসঙ্গে নাচে যোগ দেন, যা উপস্থিত অতিথিদের জন্য ছিল স্মরণীয় মুহূর্ত।

    বিজয়ের মা পারিবারিক ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে নববধূ রাশমিকার হাতে বংশপরম্পরায় পাওয়া সোনার চুড়ি পরিয়ে দেন। এ আচার শুধু অলংকার প্রদান নয়; এটি নববধূকে দেবরাকোন্ডা পরিবারের সদস্য হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার প্রতীক।

    বিয়ের পর সামাজিক মাধ্যমে শুভেচ্ছাবার্তায় ভরে যায় বিজয়–রাশমিকার টাইমলাইন। ভক্তদের দেওয়া নাম ‘বিরোশ’ এখন আনুষ্ঠানিক দম্পতির পরিচয়। রাজকীয় আয়োজনের আড়ালে ছিল দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব, আস্থা ও ভালোবাসার গল্প। উদয়পুরের আকাশের নিচে, পরিবার-পরিজনের আশীর্বাদে শুরু হলো রাশমিকা ও বিজয়ের নতুন জীবন।

    বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার মাঝেই অভিনেত্রী সামাজিক মাধ্যমে একটি ছবি পোস্ট করেছেন। বিজয়কে উদ্দেশ্য করে রাশমিকা মান্দানা লিখেছেন— ‘আমি তোমার স্ত্রী হতে পেরে উচ্ছ্বসিত। এসো, একসঙ্গে আমরা একটা আশীর্বাদপুষ্ট জীবন কাটাই।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিয়ের পর বিজয়-রাশমিকা দম্পতি কত টাকার মালিক, জানেন কি?

    দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা ও অভিনেতা বিজয় দেবেরাকোন্ডা দীর্ঘ জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হলেন। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজস্থানের ঐতিহাসিক শহর উদয়পুরে পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠ আয়োজনে বিলাসবহুল রিসোর্টে তাদের বিয়ের সম্পন্ন হয়। রাজকীয় আবহ, কড়া গোপনীয়তা, ঐতিহ্যবাহী আচার আর তারুণ্যের উচ্ছ্বাস—সব মিলিয়ে আয়োজনটি ছিল এককথায় রূপকথার মতো।

    বিয়ের কয়েক দিন আগে সামাজিক মাধ্যমে ‘দ্য ওয়েডিং অব বিরোশ’ নাম দিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন এ তারকা জুটি। অবশেষে সাতপাকে বাঁধা পড়লেন তারা। ভক্তদের দেওয়া নাম নিয়ে তারা নিজেদের বিয়ের নামও দিয়েছেন ‘বিরোশ ওয়েডিং’। চলতি বছরের অন্যতম বহুল আলোচিত তারকা জুটির বিয়ে এটি। রুপালি পর্দার প্রেম বাস্তবে গড়িয়েছে দাম্পত্যে।

    এ তারকা জুটির প্রেমের শুরুটা ছিল ‘গীত গোবিন্দম’ সিনেমার সেট থেকে। পরবর্তী সময়ে ‘ডিয়ার কমরেড’-এ তাদের রসায়ন সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের মুগ্ধ করে। যদিও প্রকাশ্যে কখনো সম্পর্কের কথা স্বীকার করেননি তারা। একসঙ্গে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উপস্থিতি ও ভ্রমণই ইঙ্গিত দিয়েছিল তাদের ঘনিষ্ঠতার। তবে এ সম্পর্ক শুধু আবেগের ছিল না, এটি দুই সফল ক্যারিয়ারেরও মিলন। যৌথ সম্পদের হিসাব বলছে—১৩০ কোটির বেশি মূল্যের এক পাওয়ার কাপল তৈরি হতে যাচ্ছে দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে।

    ‘পুষ্পা: দ্য রাইজ’, ‘পুষ্পা: দ্য রুল’, ‘অ্যানিমেল’, ‘সাবা’সহ একাধিক ব্যবসাসফল সিনেমায় অভিনয় তার বাজারমূল্য বাড়িয়েছে। দক্ষিণের পাশাপাশি হিন্দি সিনেমাতেও অবস্থান শক্ত করেছেন রাশমিকা মান্দানা। ৪৮ মিলিয়নের বেশি অনুসারী নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে বিপুল প্রভাবশালী রাশমিকা মান্দানা। দক্ষিণ ভারতে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক প্রাপ্ত অভিনেত্রীদের অন্যতম এ অভিনেত্রী।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বিভিন্ন প্রতিবেদন সূত্রে তার মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৬৬ কোটি রুপি। প্রতিটি সিনেমায় তিনি পারিশ্রমিক নেন প্রায় চার কোটি রুপি। চলচ্চিত্রের বাইরে তার আয় আসে পণ্যের শুভেচ্ছাদূত, বাণিজ্যিক প্রচার ও নিজস্ব সুগন্ধি ব্র্যান্ড থেকে। অভিনেত্রীর নামে ভারতের বিভিন্ন শহরে একাধিক সম্পত্তি রয়েছে। বেঙ্গালুরুতে প্রায় আট কোটি রুপির বাড়ি। হায়দরাবাদ, মুম্বাই ও গোয়ায় সম্পত্তি রয়েছে। এ ছাড়া কর্নাটকে নিজ শহর কুর্গে (কোডাগু) প্রায় আট কোটি রুপির ভিলা রয়েছে। কুর্গের বিরাজপেট এলাকায় সবুজে ঘেরা আধুনিক নকশার একতলা বাড়িটি তার বিশেষ পছন্দের। প্রকৃতির কাছে থাকার জন্যই তিনি জায়গাটি বেছে নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

    গাড়ির সংগ্রহেও রয়েছে বিলাসের ছাপ—রেঞ্জ রোভার স্পোর্ট, অডি কিউ৩, মার্সিডিজ–বেঞ্জ সি-ক্লাস, টয়োটা ইনোভা ও হুন্দাই ক্রেটা। ২০২৪ সালে রাশমিকা ফোর্বস ইন্ডিয়ার ‘৩০ আন্ডার ৩০’ তালিকায় স্থান পান, যা তরুণ প্রভাবশালী তারকা হিসেবে তার অবস্থান আরও সুদৃঢ় করে।

    অন্যদিকে বিজয় দেবেরাকোন্ডার সম্পদের পরিমাণ ৬৬ থেকে ৭০ কোটি রুপির মধ্যে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে সূত্রে জানা গেছে। প্রতিটি সিনেমায় তিনি পারিশ্রমিক নেন ১২ থেকে ১৫ কোটি রুপি। ব্র্যান্ড এনডোর্সমেন্ট থেকেও বড় অঙ্কের আয় হয় তার। সামাজিক মাধ্যমে স্পনসর পোস্টের জন্যই নেন প্রায় ৪০ লাখ রুপি। এ ছাড়া নিজস্ব স্ট্রিটওয়্যার ব্র্যান্ড রয়েছে বিজয়ের। হায়দরাবাদ ব্ল্যাকহকস ভলিবল দলের সহমালিকানাও রয়েছে। অভিনয়ের পাশাপাশি ফ্যাশন, ক্রীড়া ও রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগ করে আয়ের উৎস বহুমুখী করে ধরে রেখেছেন তিনি।

    হায়দরাবাদের জুবিলি হিলসে প্রায় ১৫ কোটি রুপির বিলাসবহুল বাংলো রয়েছে বিজয়ের। গাড়ির তালিকায় আছে—বিএমডব্লিউ ৫ সিরিজ, ফোর্ড মাস্ট্যাং, ভলভো এক্সসি৯০ ও রেঞ্জ রোভার। প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় ৩০ কোটি রুপির একটি প্রাইভেট জেটও রয়েছে তার, যা তার বিলাসী সম্পদের তালিকায় বিশেষ সংযোজন।

    এ মুহূর্তে দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে ১৩০ কোটির পাওয়ার কাপল বিজয় ও রাশমিকা। দুজনের সম্পদ মিলিয়ে মোট মূল্য ১৩০ কোটিরও বেশি। দক্ষিণী সিনেমায় তরুণ প্রজন্মের সবচেয়ে প্রভাবশালী তারকা জুটি হয়ে উঠছেন বিজয়-রাশমিকা। আজ সকালে শুভ মুহূর্তে তেলেগু রীতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়। সন্ধ্যায় কনে অর্থাৎ রাশমিকার পরিবার কোডাভা প্রথা অনুযায়ী বাকি রীতি পালন করে। পরে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাতটার দিকে বিয়ের ছবি প্রকাশ করেন রাশমিকা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • টেইলর সুইফটের বিয়ের তারিখ চূড়ান্ত, যা জানা গেল

    বিশ্বখ্যাত পপ আইকন টেইলর সুইফট এবং এনএফএল (NFL) তারকা ট্রাভিস কেলসির বিয়ের গুঞ্জনে এখন উত্তাল হলিউড। শোনা যাচ্ছে, আগামী ১৩ জুন যুক্তরাষ্ট্রের রোড আইল্যান্ডে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই তারকা জুটি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে যাচ্ছেন।

    মার্কিন ম্যাগাজিন ‘পেজ সিক্স’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৩ তারিখটি টেইলর সুইফটের জন্য অত্যন্ত সৌভাগ্যের সংখ্যা। এমনকি তার জন্মদিনও ১৩ ডিসেম্বরে। পছন্দের এই তারিখে বিয়ে করার জন্য সুইফট ইতোমধ্যে ভেন্যু বুকিংও নিশ্চিত করেছেন।

    মজার ব্যাপার হল, ওই দিনে ভেন্যুটি আগে থেকেই অন্য এক দম্পতির জন্য বুক করা ছিল। তবে সুইফট মোটা অঙ্কের ফি দিয়ে দিনটি নিজের নামে নিশ্চিত করেছেন বলে জানা গেছে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বিয়েটি ব্যক্তিগত এবং আবেগপূর্ণ হলেও এতে তারকার অভাব থাকবে না বলে জানা যায়। আমন্ত্রিত অতিথিদের তালিকায় সুইফটের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও বিনোদন জগতের অনেক তারকাই থাকছেন। চমকপ্রদ তথ্য হল, র্যাপার ফ্লেভার ফ্লেভ নিজেই বিয়ের অনুষ্ঠান পরিচালনার ইচ্ছার কথা প্রকাশ করেছেন। এছাড়া জনপ্রিয় ব্রিটিশ সঞ্চালক গ্রাহাম নর্টনও উপস্থিত থাকতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে।

    হোটেল ভাড়া বৃদ্ধি 

    মার্কিন ওয়েবসাইট ‘এন্টারটেইনমেন্ট টুনাইট’ জানিয়েছে, এই পপ তারকার বিয়ের খবর প্রকাশের পর থেকেই রোড আইল্যান্ডের ওই ভেন্যুর আশপাশের হোটেলগুলোর ভাড়ায় ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। ইন্টারনেটে বিয়ের তারিখ ছড়িয়ে পড়ার পর হোটেলের রুম বুকিংয়ের হার যেমন বেড়েছে, তেমনি দামও বেড়েছে আকাশচুম্বী।

    দুই বছরের প্রেম ও বাগদান 

    টেইলর সুইফট এবং ট্রাভিস কেলসি প্রায় দুই বছর চুটিয়ে প্রেম করার পর গত বছরের ২৬ আগস্ট তাদের বাগদানের ঘোষণা দেন। সেই থেকে ভক্তরা অধীর আগ্রহে এই প্রেমিক যুগলের বিয়ের দিনের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। ১৩ জুন তারিখটি সুইফটের ব্যক্তিগত লাকি চার্ম হওয়ার কারণে বিয়ের জন্য এই দিনটিই বেছে নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    টেইলর সুইফট এ পর্যন্ত রেকর্ড চারবার গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসে ‘অ্যালবাম অব দ্য ইয়ার’ জয় করেছেন। অন্যদিকে ট্রাভিস কেলসি আমেরিকান ফুটবলের অন্যতম জনপ্রিয় তারকা। 

    সূত্র: মিড-ডে

    বিনোদন ডেস্ক

  • অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে বিজয়-রাশমিকা

    দীর্ঘ আট বছর প্রেমের পর চার হাত এক করলেন ভারতীয় সিনেমার আলোচিত দুই তারকা বিজয় দেবরকোণ্ডা ও রাশমিকা মান্দানা। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ভারতের রাজস্থানের উদয়পুরের একটি বিলাসবহুল হোটেলে রাজকীয় আয়োজনে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তারা।

    জানা যায়, এদিন সকাল ও দুপুরে পৃথক দুই রীতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন এই তারকা যুগল।

    ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, উদয়পুর শহর থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত আইটিসি মাম্য-সুভেনিয়ার হোটেলে অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে তাদের এই বিয়ের আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

    নবদম্পতির পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ১০ মিনিটে প্রথমে বিজয়ের পরিবারের প্রথা অনুযায়ী তেলেগু রীতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। এরপর বিকেল ৪টায় রাশমিকার জন্মস্থান কর্ণাটকের কুর্গ বা কোডাভা রীতিতে দ্বিতীয়বারের মতো সাতপাকে বাধা পড়েন দুজন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বিয়ের আগেও ভেন্যুতে একাধিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সংগীতের আসরে এই জুটি অভিনীত জনপ্রিয় সিনেমা ‘গীতা গোবিন্দম’ ও ‘ডিয়ার কমরেড’-এর গানে নাচতে দেখা যায় বিজয়-রাশমিকাকে। এছাড়া ‘পুষ্পা’ সিনেমার ভাইরাল গান ‘পিলিংস’-এর তালে অতিথিরাও নাচে অংশ নেন। এদিন পুরো ভেন্যু সাজানো হয় গোলাপি গোলাপের পাপড়ি ও গাঁদা ফুলের নান্দনিক কারুকার্যে।

    ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বিয়ের ভোজেও ছিল আদ্যোপান্ত দক্ষিণী সংস্কৃতির ছোঁয়া। অতিথিদের কলাপাতায় ঐতিহ্যবাহী খাবার পরিবেশন করা হয়।

    খাবারের তালিকায় ছিল হায়দ্রাবাদি দম বিরিয়ানি, অন্ধ্রপ্রদেশের বিশেষ মুরগির পদ ‘নাটু কোডি পুলুস’, মেডু বড়া এবং কর্ণাটকের বিখ্যাত ‘পান্ডি কারি’। মিষ্টি হিসেবে ছিল মহীশূর পাক। ডাবের পানি দিয়ে অতিথিদের ভেন্যুতে স্বাগত জানানো হয়।

    বিয়ের অনুষ্ঠানে দুই পরিবারের সদস্য সহ শোবিজ থেকে নির্মাতা সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গা, রাহুল রবীন্দ্রন, অভিনেত্রী কল্যাণী প্রিয়দর্শন এবং এশা রেব্বার মতো তারকারা উপস্থিত ছিলেন। তবে বিজয়-রাশমিকার কেউই এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ের কোনো ছবি প্রকাশ করেননি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আজ বিয়ের পিঁড়িতে বিজয়-রাশমিকা, থাকছে অতিথিদের খাবার পরিবেশনে ভিন্নতা

    দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা ও অভিনেতা বিজয় দেবেরাকোন্ডার বিয়ে নিয়ে লুকোচুরি খেলা শেষ। আজ বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সাতপাকে বাঁধা পড়ছেন এ তারকা জুটি। বিলাসবহুল রিসোর্টে বিয়ের আয়োজন করা হয়েছে। সব প্রস্তুতি শেষ, থাকছে বিয়েতে অতিথিদের খাবার পরিবেশনে ভিন্নতা।

    বহুদিনের জল্পনা-গুঞ্জন আর অগণিত ভক্ত-অনুরাগীদের কৌতূহলের অবসান ঘটিয়ে আজই মালাবদল দুই জনপ্রিয় মুখ বিজয় ও রাশমিকার।

    এর আগে সামাজিক মাধ্যমে ‘দ্য ওয়েডিং অব বিরোশ’ নাম দিয়ে ঘোষণা দিয়েছেন এ তারকা জুটি। এরপর থেকেই বলিউড থেকে টালিউড— সবখানেই শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা।

    ‘বিরোশ’ এই নামটি নতুন নয়; বহু বছর ধরেই ভক্তরা এই যুগলকে ভালোবেসে এ নামেই ডাকেন। ২২ ফেব্রুয়ারি সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে দেওয়া পোস্টে বিজয় ও রাশমিকা জানান, তাদের সম্পর্কের যাত্রাপথে ভক্তদের দেওয়া এই নাম বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে। তাই বিয়ের নামও রাখা হয়েছে ‘দ্য ওয়েডিং অব বিরোশ’। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এদিকে ‘বিরোশ’-এর বিয়ের আয়োজন নিয়েও মিলেছে নতুন তথ্য। জমকালো তারকাখচিত অনুষ্ঠানের মধ্যেও দক্ষিণ ভারতের ঐতিহ্যকে প্রাধান্য দিচ্ছেন এ তারকা জুটি। অতিথিদের জন্য রাখা হবে কলাপাতায় পরিবেশিত ভোজ। দক্ষিণ ভারতীয় সংস্কৃতিতে কলাপাতায় খাবার পরিবেশন সমৃদ্ধি ও শুভসূচনার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত। এর পাশাপাশি আপ্যায়নে বিশেষভাবে থাকবে ডাবের পানি, যা পবিত্রতা ও আন্তরিক আতিথেয়তার চিহ্ন।

    আজ বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজস্থানের ঐতিহাসিক শহর উদয়পুরে  ঘনিষ্ঠ পরিসরে অনুষ্ঠিত হবে মূল বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা। উপস্থিত থাকবেন দুই পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা। ঐতিহ্য আর তারকাখ্যাতির মেলবন্ধনে ‘দ্য ওয়েডিং অব বিরোশ’ এখন বিনোদন অঙ্গনের সবচেয়ে আলোচিত আয়োজন। এখন ভক্ত-অনুরাগীদের অপেক্ষা রাজকীয় সেই বিয়ের মুহূর্তগুলোর জন্য।

    বিনোদন ডেস্ক