Tag: বিয়ে

  • পরীকে ঘিরে বিয়ের গুঞ্জন, সেই শেখ সাদীর বাগদান

    সংগীতাঙ্গনের পরিচিতমুখ শেখ সাদীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মধ্যে নানা সময়ে প্রেমের গুঞ্জন ওঠে। বিশেষ করে তাকে জড়িয়ে অভিনেত্রী পরীমনিকে নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে বিস্তর আলোচনা-সমালোচনা হয়। 

    সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত কয়েকটি ভিডিওতে এ সংগীতশিল্পীর সঙ্গে পরীমনির দেখা হওয়ার পর তাদের সম্পর্ক নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। একটি মামলায় আদালতে পরীমনির জামিনদার হওয়ার ঘটনাতেও তাকে আলোচনায় নিয়ে আসে। তবে এবার সব গুঞ্জনের অবসান ঘটিয়ে বিয়ের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতির খবর জানালেন শেখ সাদী।

    যদিও এর মধ্যে সংগীতশিল্পীর বাগদান সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার (১৯ জুন) পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ স্বজনদের উপস্থিতিতে তাদের আংটিবদল সম্পন্ন হয়। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিজেই নিশ্চিত করেছেন এ সংগীতশিল্পী। এখন চলছে বিয়ের প্রস্তুতি।

    গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে শেখ সাদী বলেন, আংটিবদলের সিদ্ধান্তটি ছিল হঠাৎ। তার বাবা-মা যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করেন এবং সম্প্রতি দেশে এসেছিলেন। সেই সময় পারিবারিকভাবে তার বিয়ের বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে একজনকে পছন্দ করা হলে তিনি তাতে সম্মতি দেন। এরপরই দুই পরিবারের উদ্যোগে আংটিবদলের আয়োজন করা হয়। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    জানা গেছে, শেখ সাদীর হবু স্ত্রীর নাম সুরাইয়া আফরোজ। তিনি যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করেন এবং সেখানকার একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন। গত শুক্রবার ঢাকার শাহজাদপুরে কনের বাসভবনে দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে আংটিবদলের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

    উল্লেখ্য, ‘ললনা’ গান দিয়ে পরিচিতি পাওয়া শেখ সাদী সংগীতের পাশাপাশি অভিনয়েও করেছেন। ‘শহরের নতুন অতিথি’ নাটকে তার বিপরীতে অভিনয় করেন সামিরা খান মাহি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বাদশাহর সঙ্গে বিয়েতে সিলমোহর পাঞ্জাবি অভিনেত্রী ইশা রিখির

    পপসংগীতের জনপ্রিয় গায়ক বাদশাহর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে চর্চা যেন থামতেই চাইছে না। সম্প্রতি রহস্যময়ী নারীর ছবি আসার ঠিক আগেই তার বিয়ের গুঞ্জন সামাজিক মাধ্যমে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে। 

    এ সংগীতশিল্পীর একদিকে যখন পাঞ্জাবি অভিনেত্রী ইশা রিখির সঙ্গে তার গোপনে বিয়ে সেরে ফেলার গুঞ্জনে উত্তাল বিনোদন জগত, ঠিক তখনই নিজের সামাজিক মাধ্যমে এক ‘রহস্যময়ী’ নারীর সঙ্গে একাধিক ঘনিষ্ঠ ছবি পোস্ট করে জল্পনা বহুগুণ বাড়িয়ে দিলেন, যা নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে তীব্র কৌতূহল তৈরি হয়েছে। 

    প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের প্রায় ছয় বছর পর গায়ক নাকি পাঞ্জাবি অভিনেত্রী ইশা রিখির সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছেন। জল্পনা আরও জোরালো হয় যখন ইশা রিখির মা পুনম রিখি সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে প্রথাগত বিয়ের রীতিনীতির কিছু ছবি ও ভিডিও শেয়ার করে নেন। বিয়ের পোশাকে বাদশাহ ও ইশাকে ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের উপস্থিতিতে মালাবদল করতে দেখা যায়। ছবিগুলো পোস্ট করে ক্যাপশনে পুনম রিখি লিখেছেন— ‘ঈশ্বর তোমাদের মঙ্গল করুক ইশা-বাদশাহ’। 

    সেদিনের পুনম রিখির পোস্ট করা ছবি এবার সত্যি বলে জানলেন ভক্ত-অনুরাগীরা। এবার তাতে অফিসিয়াল সিলমোহর পাঞ্জাবি অভিনেত্রী ইশা রিখি। অবশেষে নিশ্চিত করলেন তিনি গায়ক বাদশাহর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। 

    কয়েক মাস ধরেই বাদশা ও ইশার সম্পর্ক নিয়ে চলছিল তুমুল জল্পনা-কল্পনা। বুধবার (১০ জুন) সামাজিক মাধ্যমে একটি ‘আস্ক মি এনিথিং’ সেশনে অভিনেত্রী এ তথ্যটি প্রকাশ করেন, যখন ভক্তরা বারবার তার বিয়ে ও বাদশাহর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন তুলতে থাকেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ‘আস্ক মি এনিথিং’ চলাকালে এক ভক্ত ইশাকে প্রশ্ন করেছিলেন— ‘ম্যাম আপনার আর বাদশাহ ভাইয়ের বিয়ে কি হয়ে গেছে? তাহলে আপনারা একে অপরকে ফলো করছেন না কেন?’ জবাবে ইশা বলেন— ‘আমার মনে হয়, আমি এখন আনুষ্ঠানিকভাবে এ প্রশ্নগুলোর বন্যায় ভেসে গেছি।’

    এরপর বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে ইশা বলেন, হ্যাঁ, আমি বিবাহিত। এবার সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞাসা করা হয়েছে যে প্রশ্নে, তাতে আসা যাক— আপনারা একে অপরকে ফলো করেন না কেন? 

    তিনি বলেন, সত্যি বলতে— আমার মনে হয় আমার স্বামীর কাছে এর একটি ব্যাখ্যা প্রাপ্য। পতি দেব (বাদশাহ), দর্শকদের প্রশ্ন আছে। অনুগ্রহ করে আপনার সুবিধামতো যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সেগুলোর উত্তর দিন। 

    আরেকজন ভক্ত জানতে চান, ‘আপনি আপনার স্বামী বাদশাহর সঙ্গে কোনো ছবি পোস্ট করেননি কেন? আপনি তো তার স্ত্রী, একটাও ছবি নেই, কেন?’এবার সবাইকে অবাক করে বাদশার সঙ্গে একটি মিষ্টি ছবি শেয়ার করেন ইশা। যেখানে তাকে বরের কোলে বসে গলা জড়িয়ে ধরে থাকতে দেখা গেছে। র্যাপার নিজেও আলিঙ্গন করেছেন স্ত্রীকে।

    উল্লেখ্য, বেশ কয়েক মাস ধরেই ইশা ও বাদশার বিয়ে নিয়ে নানা গুজব চলছিল, বিশেষ করে চলতি বছরের শুরুতে একটি ঘরোয়া অনুষ্ঠানের ছবি ও ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে। তবে ইশা ও বাদশাহ দুজনেই এতদিন এ বিষয়ে নীরব ছিলেন।

    এ ছাড়া ১৯৯৩ সালের ৯ সেপ্টেম্বর জন্ম ইশা রিখির। তিনি একজন পাঞ্জাবি অভিনেত্রী ও মডেল। ২০১২ সালে ‘জাট অ্যান্ড জুলিয়েট’ সিনেমায় একটি ছোট চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে বিনোদন জগতে পা রাখেন। ‘হ্যাপি গো লাকি’ ও ‘আরদাস’-এর মতো সিনেমায় দেখা গেছে ইশাকে। রাঘব জুয়াল, পুনিত পাঠক এবং ধর্মেশ ইয়েলান্দের ‘নবাবজাদে’ সিনেমাতেও দেখা গিয়েছিল ইশাকে। সিনেমা ছাড়াও তিনি বেশ কয়েকটি পাঞ্জাব মিউজিক ভিডিওতেও কাজ করেছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভাইরাল পোস্টে স্বামীকে নিয়ে যা লিখেছিলেন দীপ্তি চৌধুরী

    দেশের টেলিভিশন অঙ্গনের আলোচিত উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী। চ্যানেল আইয়ের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান টু দ্য পয়েন্ট, স্ট্রেইট কাটসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান উপস্থাপনার মাধ্যমে যিনি দর্শকের কাছে পরিচিত মুখে পরিণত হয়েছেন। 

    গেল শুক্রবার (৫ জুন) বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এই উপস্থাপিকা। রাজধানীর বাংলামোটরের একটি রেস্টুরেন্টে পারিবারিক আয়োজনে তার বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার অন্যতম কেন্দ্রে পরিণত হয়েছেন তিনি। 

    এই নববধূর স্বামী মুশতাক ইবনে আইয়ুব পেশায় একজন শিক্ষক ও গবেষক। যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পর অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন তিনি। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন। 

    তবে এই দম্পতিকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে আগ্রহ দেখা যাচ্ছে, সেখানে আলোচনা-সমালোচনা উভয়ই দিকই পরিলক্ষিত হয়েছে। নেটিজেনদের একাংশ যেমন তাদেরকে জীবনের নতুন অধ্যায়ের জন্য শুভেচ্ছায় ভাসিয়েছেন। তেমনি অন্যদিকে কেউ কেউ দীপ্তির ব্যক্তিগত জীবন, তার ও তার স্বামীর বয়স, পেশাগত পরিচয় এবং তার স্বামীকে ঘিরে নানা ধরনের অযাচিত মন্তব্যেও মুখর হয়েছেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি অনলাইনে ব্যবহারকারীদের একাংশ তাদের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে অহেতূক কৌতূহল ও সমালোচনায় মেতে ওঠেন। তবে এসব কথায় যেন কানই দিচ্ছেন না দীপ্তি। নেতিবাচক কথা নিয়ে এখন পর্যন্ত এই উপস্থাপিকা কোনো প্রতিক্রিয়া তো দেখান-ই নি, বরং জীবনের নতুন অধ্যায়ে স্বামী মুশতাক ইবনে আইয়ুবকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার অনুভূতি প্রকাশ বিশেষভাবে নজর কেড়েছে সবার।  

    স্বামীর সঙ্গে বিয়ের অনুষ্ঠানের একগুচ্ছ ছবি ফেসবুকে শেয়ার করে দীপ্তি লিখেছেন, ‘যাকে না পাওয়া ছিল একমাত্র আফসোস, আল্লাহ তাকে জীবনসঙ্গী হিসেবে উপহার দিয়েছেন। আল্লাহ মহান! তিনি আমার দেখা সবচেয়ে সুন্দর হৃদয়ের মানুষ। তার প্রতি ভালোবাসার সঙ্গে জড়িয়ে আছে গভীর শ্রদ্ধা। চলুন ভদ্রলোক, আমরা আমাদের এই নতুন যাত্রা শুরু করি।’ 

    দীপ্তির এ পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। নিজ টাইমলাইনে শেয়ারের তিন দিন পর এখন পর্যন্ত পোস্টটিতে রিঅ্যাকশন পড়েছে আড়াই লাখের বেশি এবং মন্তব্য করা হয়েছে ২৫ হাজারের বেশি। পোস্টটি শেয়ার হয়েছে দেড় হাজারের কাছাকাছি। 

    এর একদিন পর গায়েহলুদ অনুষ্ঠানেরও বেশ কিছু ছবি প্রকাশ করেন দীপ্তি। অনুষ্ঠানের বিভিন্ন মুহূর্তের একগুচ্ছ ছবি শেয়ার করে পোস্টের ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘একমুঠো হলুদ, এক আকাশ আনন্দ, আর এক জীবনের অপেক্ষা।’ এ পোস্টটির মন্তব্যের ঘরেও শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি তার অনুসারীরা নানা রকম প্রতিক্রিয়া জানান। 

    এদিকে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সেরে আবারও চিরচেনা পেশাগত ব্যস্ততায় যোগ দিয়েছেন আলোচিত এই উপস্থাপিকা। ব্যক্তিগত জীবনের নতুন অধ্যায়ের পাশাপাশি পেশাগত ক্ষেত্রে অনুষ্ঠান রেকর্ডিং ও উপস্থাপনায় ফের মনোনিবেশ করেছেন তিনি। 

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • আইনি বিয়ে সারলেন মধুমিতা

    বিনোদন জগতে ছোটপর্দার হাত ধরেই প্রথম পা রেখেছিলেন মধুমিতা চক্রবর্তী। ২০১১ সালে মহুয়া বাংলা নামে একটি চ্যানেলে ‘সবিনয় নিবেদন’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে তিনি প্রথম টালিপাড়ায় আত্মপ্রকাশ করেন। 

    তবে অভিনেত্রীকে খ্যাতির শীর্ষে পৌঁছে দেয় স্টার জলসার ব্লকবাস্টার মেগা ‘বোঝে না সে বোঝে না’ ধারাবাহিকে অভিনয়ের মাধ্যমে। ২০১৮ সালে ‘কুসুমদোলা’ ধারাবাহিকের পর দীর্ঘদিন বাংলা টেলিভিশন থেকে বিরতি নিয়েছিলেন তিনি। তারপর ছবি ও ওটিটি প্ল্য়াটফর্মে কাজ শুরু করে দেন তিনি। ভোলে বাবা পার করেগা-র হাত ধরে ফিরেছিলেন ছোটপর্দায়। তবে সেই ফেরা সুখকর হয়নি। আপতত টেলিভিশন থেকে দূরে অভিনেত্রী মধুমিতা।

    এদিকে জনপ্রিয় অভিনেত্রী মধুমিতা আবার বিয়ে করলেন! খবরটি শুনে অনেকেই চমকে উঠলেও ঘটনা আদতে এক্কেবারে সত্যি। তবে কোনো নতুন মানুষের সঙ্গে নয়, নিজের স্বামী দেবমাল্য চক্রবর্তীর সঙ্গেই আরও একবার বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন ছোটপর্দায় ‘পাখি’ খ্যাত এ অভিনেত্রী। 

    আসলে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) জীবনের এক নতুন অধ্যায় নথিবদ্ধ করলেন এই তারকা জুটি। ধুমধাম করে সামাজিক বিয়ের চার মাস পর এবার আইনি বিয়ে সারলেন মধুমিতা ও দেবমাল্য।

    চলতি বছরের ২৪ জানুয়ারি চার হাত এক হয়েছিল মধুমিতা ও দেবমাল্য চক্রবর্তীর। সেই সময় পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতে বেশ ধুমধাম করেই সাতপাকে ঘুরেছিলেন তারা। অভিনেত্রীর জীবনের এটি দ্বিতীয় বিয়ে হওয়ায় তা নিয়ে অনুগামীদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। সামাজিক নিয়মে চার মাস সুখে সংসার করার পর এবার নিজেদের সম্পর্ককে আইনি সিলমোহর দিলেন দুজনে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    আইনি বিয়ের এই বিশেষ ও মিষ্টি মুহূর্তের কোলাজ সামাজিক মাধ্যমে ভক্ত-অনুরাগীদের সঙ্গে শেয়ার করে নিয়েছেন অভিনেত্রী। অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে আইনি খাতায় সই করেছেন মধুমিতা, আর পাশে বসে সস্নেহে তা দেখছেন দেবমাল্য। কখনো আবার আদুরে পোষ্যকে নিয়ে পোজ দিতে ব্যস্ত দুজনে। সই-সাবুদের এই সুন্দর ছবিগুলো শেয়ার করে ক্যাপশনে মধুমিতা লিখেছেন—লিগ্যালি ইওরস’ (আইনতও তোমার)।

    বড় কোনো জাঁকজমক ছাড়াই অত্যন্ত ঘরোয়া আবহে সম্পন্ন হয়েছে এ আইনি বিয়ের পর্ব। মধুমিতা-দেবমাল্যের এই নতুন শুরুর আইনি সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তাদের পরিবারের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সদস্যরা। 

    তবে এই বিশেষ দিনে নজর কেড়েছে তাদের আরও এক বিশেষ অতিথি— জুটির আদুরে পোষ্যটি, যে আইনি বিয়ের পুরো সময়টা জুড়েই দম্পতির পাশে হাজির ছিল। সামাজিক মাধ্যমে ছবিগুলো আসতেই নতুন দম্পতিকে ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন টালিপাড়ার সহকর্মী থেকে শুরু করে ভক্ত-অনুরাগীসহ নেটিজেনরা।

    উল্লেখ্য. এর আগে মধুমিতা ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন অভিনেতা সৌরভ চক্রবর্তীকে। কিন্তু টেকেনি দাম্পত্য। ডিভোর্সের পর ছোটবেলার বন্ধু দেবমাল্য়র মধ্য়েই নিজের জীবনসঙ্গী খুঁজে নেন অভিনেত্রী। দেবমাল্য় বিনোদুনিয়ার মানুষ নন, পেশায় আইটি কর্মী। ২০২৪ সালের দুর্গাপূজায় সম্পর্কে সিলমোহর দিয়েছিলেন। দেখতে দেখতে তাদের সম্পর্কের বয়স তিন বছর।

    বিনোদন ডেস্ক

  • তৃতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন আমির খান

    চলতি বছরেই জীবনের এক নতুন ইনিংস শুরু করতে যাচ্ছেন সুপারস্টার আমির খান। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ৫ জুলাই এক ঘরোয়া আয়োজনে তৃতীয়বারের মতো বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন এই বলিউড অভিনেতা। 

    পাত্রী তার প্রেমিকা গৌরী স্প্র্যাট, যার সঙ্গে গত দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে সম্পর্কে রয়েছেন ৬০ বছর বয়সী আমির। 

    সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, আমির ও গৌরী গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে একই ছাদের নিচে আছেন। অবশেষে তারা এই সম্পর্ককে আনুষ্ঠানিক রূপ দিতে যাচ্ছেন। 

    আমির ও গৌরীর প্রেমের শুরুটা ২০২৪ সালের শুরুর দিকে। আমিরের কাজিন নুজহাত খানের মাধ্যমে বেঙ্গালুরুতে তাদের প্রথম দেখা হয়। দীর্ঘদিনের চেনা-জানা থাকলেও ২০২৫ সালে নিজের ৬০তম জন্মদিনে আমির খান আনুষ্ঠানিকভাবে গৌরীকে মিডিয়া ও সবার সামনে নিজের ‘সঙ্গী’ বা পার্টনার হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেন। 

    গৌরী স্প্র্যাট আগে বেঙ্গালুরুর একটি নামী সেলুন চেইনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে বর্তমানে তিনি আমিরের প্রযোজনা সংস্থা ‘আমির খান প্রোডাকশনস’-এ কর্মরত আছেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    গৌরীর একটি পারিবারিক ঐতিহাসিক পরিচয়ও রয়েছে; তিনি ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত কমিউনিস্ট বুদ্ধিজীবী ফিলিপ স্প্র্যাটের নাতনি, যিনি ১৯২০-এর দশকে ভারতে এসেছিলেন এবং পরবর্তীতে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে যুক্ত হয়েছিলেন। গৌরীর আগের সংসারে কুইন নামের ৭ বছরের একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। 

    জানা গেছে, কোনো জাঁকজমকপূর্ণ বা বড় ধরনের পাবলিক অনুষ্ঠান ছাড়াই আমিরের নিজস্ব বাসভবনেই এই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে। চূড়ান্ত অতিথি তালিকা এখনো গোপন রাখা হলেও বলিপাড়ার গুঞ্জন—আমিরের দুই ঘনিষ্ঠ বন্ধু সালমান খান এবং শাহরুখ খান তাদের ব্যস্ত শিডিউল থেকে সময় মেলাতে পারলে এই বিশেষ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেন। 

    প্রসঙ্গত, গৌরীর সঙ্গে সম্পর্ক নিজের জীবনে এক বড় স্বস্তি ও স্থায়িত্ব এনে দিয়েছে বলে অকপটে স্বীকার করেছেন আমির। সম্প্রতি ‘স্ক্রিন’-কে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘গৌরী আর আমি একে অপরের প্রতি ভীষণ সিরিয়াস এবং আমরা অত্যন্ত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ একটি সম্পর্কে আছি। আমরা একে অপরের জীবনসঙ্গী। সত্যি বলতে, মনের দিক থেকে আমি নিজেকে ওর সঙ্গে বিবাহিতই মনে করি। এখন এটাকে কাগজে-কলমে কবে আনুষ্ঠানিক রূপ দেব, তা আমরা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দুজনে মিলে সিদ্ধান্ত নেব।’ 

    এর আগে আমির খান দুবার বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন। মাত্র ২১ বছর বয়সে প্রথম স্ত্রী রিনা দত্তকে বিয়ে করেছিলেন আমির। এই সংসারে তার দুই সন্তান রয়েছে—আইরা খান এবং জুনায়েদ খান। ১৬ বছর সংসারের পর ২০০২ সালে তাদের বিচ্ছেদ হয়। 

    এরপর ২০০৫ সালে নির্মাতা কিরণ রাওকে বিয়ে করেন আমির। সারোগেসির মাধ্যমে এই দম্পতির ঘরে আসে পুত্র আজাদ রাও খান। ২০২১ সালে এই দীর্ঘ ১৬ বছরের দাম্পত্য জীবনেরও অবসান ঘটে। 

    তবে দুই সাবেক স্ত্রীর সঙ্গেই আমিরের বর্তমান সম্পর্ক অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ। সন্তানদের সহ-অভিভাবকত্ব (কো-প্যারেন্টিং) করার পাশাপাশি বিভিন্ন পারিবারিক উৎসব ও অনুষ্ঠানে রিনা ও কিরণ—উভয়কেই আমিরের পাশে হাসিমুখে দেখা যায়। জীবনের এই নতুন অধ্যায়েও দুই পরিবারের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে বলে জানা গেছে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • তিন বিয়ের পেছনে জীবনের ১৭টি বছর নষ্ট করেছি: মীরা

    মালয়ালম অভিনেত্রী মীরা ভাসুদেভান অভিনয়জীবনে কাজ করেছেন একাধিক আলোচিত সিনেমায়। এর মধ্যে রয়েছে ‘উরুভান’, ‘একানথাম’, ‘কুট্টামামা’, ‘থাক্কল’ ইত্যাদি। সম্প্রতি ধন্যা বর্মাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ৪৪ বছর বয়সি অভিনেত্রী জানিয়েছেন, তার জীবনে ঘটে যাওয়া নানা খোলামেলা কথা; জীবনের ১৭টি গুরুত্বপূর্ণ বছর তিনি ‘তিনটি বিয়ের পেছনে নষ্ট’ করেছেন বলে জানিয়েছেন।

    এই তিন বিয়ে জীবনটাই ধ্বংস করে দিয়েছে বলে জানান মীরা ভাসুদেভান। তিনি বলেন, সেই সময়টুকু যদি নিজের ক্যারিয়ার, পরিবার কিংবা ব্যক্তিগত উন্নয়নে ব্যয় করতেন, তাহলে জীবন অন্য রকম হতে পারত।

    মীরা ভাসুদেভান প্রথম বিয়ে করেছিলেন ২০০৫ সালে। মালয়ালাম চিত্রগ্রাহক অশোক কুমারের ছেলে বিশাল আগারওয়ালের সঙ্গে। তবে সেই সম্পর্ক বেশি দিন টেকেনি। ২০১০ সালের জুলাইয়ে তাদের বিচ্ছেদ হয়। এরপর দ্বিতীয় বিয়ে করেন ২০১২ সালে, মালয়ালাম অভিনেতা জন কোক্কেনকে। সেই দম্পতির একটি ছেলেসন্তানও রয়েছে। কিন্তু ২০১৬ সালে তাদের সম্পর্কেরও ইতিঘটে। দুজন দুদিকে।

    এরপর ২০২৪ সালের মে মাসে চিত্রগ্রাহক ভিপিন পুথিয়ানকমের সঙ্গে তৃতীয়বারের মতো বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন মীরা ভাসুদেভান। কিন্তু সেই সম্পর্কও দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ২০২৫ সালের আগস্টে তাদের বিচ্ছেদ হয়। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ২০০৩ সালে ‘রুলস: পেয়ার কা সুপারহিট ফরমুল’ সিনেমায় মিলিন্দ সুমনের বিপরীতে অভিনয়ের মাধ্যমে পরিচিতি পান মীরা ভাসুদেভান। পরে মালয়ালাম সিনেমায় নিজের আলাদা জায়গা তৈরি করে নেন তিনি। বিশেষ করে ‘থানমাথরা’ সিনেমায় মোহনলালের সঙ্গে তার অভিনয় ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছিল।

    নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আক্ষেপের সুরে মীরা ভাসুদেভান বলেন, আমি প্রায়ই আমার ছেলেকে বলি— আমি জীবনের ১৭টি বছর তিনটি বাজে বিয়েতে নষ্ট করেছি। ওই সময়টায় আমি আরও অনেক কিছু অর্জন করতে পারতাম, যদি বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে কাজ করতাম। সিনেমা, ফিটনেস বা নিজের জন্য একটা ভালো সামাজিক পরিমণ্ডল গড়ে তোলার দিকে মন দিতে পারতাম।

    অভিনেত্রী বলেন, আমি জীবনে আরও অনেক কিছু করতে পারতাম, কিন্তু পারিনি। বাবা, মা আর বোনের সঙ্গে অনেক সময় কাটাতে পারতাম। তার বদলে আমি সেই সময় অন্যদের জন্য নষ্ট করেছি। এমন কিছু সম্পর্কের পেছনে সময় দিয়েছি, যেখানে আমাকে কখনোই গুরুত্ব বা সম্মান দেওয়া হয়নি।

    এর আগেও একাধিকবার নিজের ব্যর্থ দাম্পত্য জীবন নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলেছেন মীরা ভাসুদেভান। শুরুতে মুভি ওয়ার্ল্ড মিডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন— আমি আগেই মেনে নিয়েছিলাম যে, এসব ঘটনা আমার জীবনে ঘটবে। তিনি বলেন, আমি ভুল করেছি, আর সেটা লুকানোর কিছু নেই। এখন আমাকে নিজের জীবন নিয়ে সামনে এগোতে হবে। বর্তমানে আমি ক্যারিয়ার নিয়ে খুব ব্যস্ত এবং জীবনে খুব সুখী। এখন আমি জীবনের খুব সুন্দর একটা পর্যায়ে আছি।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • মৌনীর সংসার ভাঙার নেপথ্যে দিশা পাটানি, শুধুই কি রটনা?

    বলিউড অভিনেত্রী মৌনী রায় প্রেম করে সাত পাকে বাঁধা পড়েছিলেন ব্যবসায়ী সুরজ নাম্বিয়ার সঙ্গে। ২০২২ সালে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। সেই বিয়ে নিয়ে ভক্ত-অনুরাগীদের আগ্রহও ছিল তুঙ্গে। বিয়ের পর প্রায়শই তাদের ছুটি কাটানোর নানা মুহূর্ত সামাজিক মাধ্যমে উঠে আসত।

    কিন্তু চার বছরের এ দাম্পত্য ভেঙে গেছে এক নিমিষেই। হঠাৎ করেই রঙ বদলে গেছে সম্পর্কের সমীকরণ। 

    এর আগে বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সামাজিক মাধ্যমে আচমকাই নিজের বিবাহবিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছেন মৌনী রায় ও সুরজ। তাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে যেন বিভ্রান্তিকর বা ভিত্তিহীন খবর না ছড়ানো হয়। বিচ্ছেদের কঠিন সময় কাটিয়ে নিজেদের নতুনভাবে গুছিয়ে নিতে কিছুটা ব্যক্তিগত পরিসর চেয়েছেন তারা।

    সামাজিক মাধ্যমে সেই পোস্টে মৌনী ও সুরজ তাদের বিবৃতিতে লিখেছেন— আমরা অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, সংবাদমাধ্যমের একাংশ আমাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অনর্থক চর্চা করছে। আমরা জানাতে চাই— আমরা আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং বিষয়টি ব্যক্তিগতভাবে ও সৌহার্দপূর্ণভাবে মিটিয়ে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সময় নিচ্ছি।

    এই কঠিন সময়ে আমাদের নিয়ে কোনো ভুল তথ্য না ছড়ানোর জন্য এবং তাদের ব্যক্তিগত পরিসরকে সম্মান জানানোর জন্য অনুরাগী ও সংবাদমাধ্যমের কাছেও আবেদন সংবেদনশীলতা বজায় রাখার আবেদন জানিয়েছেন সাবেক এ তারকা দম্পতি। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অভিনেত্রী মৌনী রায় ও সুরজ নাম্বিয়ার মাঝে গত কয়েক দিন ধরেই বলিপাড়ায় কানাঘুষা চলছিল— স্বামী সুরজ নাম্বিয়ারের সঙ্গে নাকি আর একসঙ্গে থাকছেন না মৌনী।  সামাজিক মাধ্যমে একে অপরকে ‘আনফলো’ করা থেকে শুরু করে পুরোনো ছবিও সরিয়ে ফেলা— সব মিলিয়ে জল্পনা ক্রমশই জোরদার হচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত সেই গুঞ্জনেই কার্যত সিলমোহর দেন মৌনী নিজে। 

    তবে বিচ্ছেদের খবর সামনে আসতেই নতুন করে চর্চায় উঠে এসেছে অভিনেত্রীর ঘনিষ্ঠ বন্ধু আরেক অভিনেত্রী দিশা পাটানির নাম। ইন্ডাস্ট্রিতে বহুদিন ধরেই মৌনী ও দিশার বন্ধুত্ব নিয়ে আলোচনা চলে আসছে। পার্টি, অনুষ্ঠান কিংবা বিদেশ সফর— প্রায় সর্বত্রই একসঙ্গে দেখা যায় তাদের। মৌনীর বিয়ের সময়ও কনেপক্ষে ছিলেন দিশা। শুধু তাই নয়, সুরজ-মৌনীর একাধিক ব্যক্তিগত মুহূর্তেও তাকে দেখা গেছে।

    সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে নজরে আসে মৌনী থেকে সুরজকে সরিয়ে দেওয়ার পর দিশাকেও নাকি আনফলো করেছেন। আর তা নিয়েই শুরু হয় নতুন জল্পনা। অনেকে প্রশ্ন তোলা শুরু করেছেন, দিশা কেন হঠাৎ সুরজকে আনফলো করলেন? কেউ কেউ আবার আরও একধাপ এগিয়ে অভিনেত্রীর দাম্পত্য ভাঙনের জন্যও দিশাকেই দায়ী করতে শুরু করেছেন।

    এমনকি নেটিজেনদের একাংশের দাবি, মৌনী ও দিশার সম্পর্ক নাকি শুধুই বন্ধুত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তাদের অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতাই নাকি মৌনীর বিবাহিত জীবনে প্রভাব ফেলেছে। যদিও এসব দাবির কোনো বাস্তব প্রমাণ সামনে আসেনি। এর মধ্যেই আবার কিছু দিন আগে পাঞ্জাবি গায়ক তালিন্দরের সঙ্গে দিশার সম্পর্কের গুঞ্জনও ছড়িয়েছিল। তবু ট্রলিং থেকে রেহাই পাননি অভিনেত্রী। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ২০ বছর বয়সে ১৮ বছরের বড় মুসলিম শিল্পীকে বিয়ে করেন বলিউড অভিনেত্রী

    ‘ইয়ে মেরি লাইফ হ্যায়’ এবং ‘ম্যায় প্রেম কি দিওয়ানি হুঁ’ খ্যাত জনপ্রিয় অভিনেত্রী তান্নাজ ইরানি সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের অতীত জীবন, প্রথম বিয়ে এবং বিচ্ছেদের যন্ত্রণাদায়ক অভিজ্ঞতা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন।  

    দীর্ঘ সময় পর তিনি জানিয়েছেন, সেই সময়ের অপরিণত সিদ্ধান্ত কীভাবে তার এবং তার বড় মেয়ের জীবনের ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছিল।

    ‘হটারফ্লাই’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তান্নাজ জানান, আশির দশকের শক্তিশালী নারীদের সান্নিধ্যে বেড়ে ওঠায় তিনি বরাবরই আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। মাত্র ২০ বছর বয়সে তিনি থিয়েটার শিল্পী ফরিদ করিমকে বিয়ে করেন, যিনি বয়সে তার চেয়ে ১৮ বছরের বড় ছিলেন। 

    তান্নাজ বলেন, ‘আমার পরিবার জানত আমি যা মন চাইবে তা-ই করব। তিনি (ফরিদ) একজন গোছানো মানুষ এবং চমৎকার অভিনেতা ছিলেন। আমাদের একটি কন্যা সন্তানও হয়।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    কিন্তু সেই সংসার ভাঙার কারণ হিসেবে তান্নাজ নিজের তৎকালীন মানসিক অপরিণত অবস্থাকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, ‘২০ বছর বয়সে একজন নারী হিসেবে আমি কেবল বিকশিত হচ্ছিলাম। তিনি খুব ভালো মানুষ ছিলেন এবং আমাকে নিজের মতো চলার স্বাধীনতা দিয়েছিলেন। কিন্তু আমি তখন অন্য কিছু খুঁজছিলাম—বাইরে যাওয়া, পার্টি করা বা হইহুল্লোড় করতে চাইতাম; অন্যদিকে তিনি ছিলেন অনেক বেশি পরিপক্ক।’ 

    বিচ্ছেদের ফলে তার শিশুকন্যার মানসিক অবস্থা যে কতটা বিপর্যস্ত হয়েছিল, তা তান্নাজ উপলব্ধি করেছেন অনেক পরে। আবেগাপ্লুত কণ্ঠে এই অভিনেত্রী বলেন, ‘একজন মায়ের কাছে তার সন্তান সবচেয়ে নিরাপদ বোধ করে। আমি আমার মেয়ের সেই নিরাপত্তার জায়গাটা ভেঙে দিয়েছিলাম। আজ মনে হয়, আমি যদি জানতাম এই বিচ্ছেদ অন্যদের কতটা গভীরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে, তবে আমি হয়তো অন্যভাবে বিষয়টি সামলাতাম। 

    বিচ্ছেদের পর তার মেয়ে অনেকটা গুটিয়ে গিয়েছিল এবং কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছিল বলে জানান তান্নাজ। 

    অভিনেত্রী জানান, দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষমা চাওয়া এবং মেয়েকে পর্যাপ্ত সময় দেওয়ার মাধ্যমে তিনি পুনরায় তাদের মধ্যকার দূরত্ব কমিয়ে আনেন। এক্ষেত্রে অন্য মায়েদের জন্য তার পরামর্শ, ঘর ভাঙার পর সন্তানদের স্বাভাবিক হতে সময় দেওয়া উচিত। 

    উল্লেখ্য, পরবর্তীতে ২০০৭ সালে তান্নাজ ইরানি অভিনেতা বখতিয়ার ইরানিকে বিয়ে করেন। বর্তমানে এই দম্পতির জেউস ও জারা নামে দুই সন্তান রয়েছে। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অসংখ্য টিভি শো এবং সিনেমায় অভিনয় করা তান্নাজ বর্তমানে তার ব্যক্তিগত এবং পেশাগত জীবনের ভারসাম্য বজায় রেখে চলছেন। 

    সূত্র: ইন্ডিয়া টিভি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্যারিসে রূপকথার বিয়ে সারলেন পাকিস্তানি তারকা নিমরা খান

    পাকিস্তানি অভিনেত্রী নিমরা খান তার দ্বিতীয় বিয়ের খবর নিশ্চিত করেছেন। প্যারিসে ধারণ করা তার বিয়ের একগুচ্ছ ‘ড্রিমলুক’ ছবি শেয়ার করেছেন তিনি, যা দেখতে একদম সিনেমার দৃশ্যের মতো মনে হচ্ছে।

    নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে এ অন্তরঙ্গ অনুষ্ঠানের কিছু মুহূর্ত শেয়ার করেছেন অভিনেত্রী। ছবিগুলোতে ফুটে উঠেছে চমৎকার সব প্রেক্ষাপট এবং একটি স্নিগ্ধ ও নান্দনিক আবহ।

    বিয়ের বিশেষ এ দিনটিতে নিমরা বেছে নিয়েছিলেন একদমই ভিন্নধর্মী একটি লুক। তার পরনে ছিল গোলাপি রঙের (রোজ পিঙ্ক) স্লিভলেস ড্রেস। এর সঙ্গে মাথায় ছিল ব্রিটিশ স্টাইলের টুপি (ফ্যাসিনেটর), যা তার নববধূর সাজে যোগ করেছিল ধ্রুপদী আভিজাত্যের ছোঁয়া।

    ভিজ্যুয়ালগুলো অনলাইনে দ্রুত নজর কাড়লেও নিমরা তার স্বামীর ব্যাপারে গোপনীয়তা বজায় রেখেছেন। ছবিতে স্বামীর মুখ যেমন আড়ালে রেখেছেন, তেমনি তার পরিচয়ও প্রকাশ করেননি তিনি।

    ছবির পাশাপাশি জীবনের নতুন এ পথচলা নিয়ে একটি হৃদয়স্পর্শী বার্তা লিখেছেন নিমরা। তিনি লেখেন, ‘আল্লাহর নামে আমি আমার জীবনের একটি নতুন অধ্যায় শুরু করেছি। দয়া করে আমাদের আপনাদের দোয়ায় রাখবেন। সবসময় পাশে থাকার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ। আল্লাহর রহমতে আমি অত্যন্ত দয়ালু একজন স্বামী এবং একটি ভালোবাসাময় পরিবার পেয়েছি। আমি শিখেছি যে, আল্লাহ যদি আপনাকে পরীক্ষার সম্মুখীন করেন, তবে তিনি শেষে স্বস্তি ও মঙ্গলও দান করেন। তাই কখনো হাল ছাড়বেন না, আশা হারাবেন না। আল্লাহ যেন প্রতিটি মেয়ে এবং প্রতিটি কন্যার সুন্দর ভাগ্য দান করেন। আমিন’।

    তার এ বার্তায় কৃতজ্ঞতা ও বিশ্বাসের প্রতিফলন ঘটেছে। জীবনের কঠিন সময় কাটিয়ে জয়ী হওয়ার এবং সুখ খুঁজে পাওয়ার গল্প ফুটে উঠেছে তার কথায়। বিশেষ করে নারীদের জন্য তার এ বার্তা ছিল আশা ও অনুপ্রেরণার।

    এর আগে ২০২০ সালের এপ্রিলে করোনা লকডাউনের সময় যুক্তরাজ্য প্রবাসী রাজা আজমকে বিয়ে করেছিলেন নিমরা খান। তবে সেই দাম্পত্য জীবন সুখের হয়নি। পরবর্তীতে স্বামীর বিরুদ্ধে পারিবারিক নির্যাতনের অভিযোগ এনে বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন এই অভিনেত্রী।

    নিমরার দ্বিতীয় বিয়ের এ ঘোষণায় ভক্তদের পক্ষ থেকে শুভকামনার জোয়ার বয়ে যাচ্ছে। ভক্তরা তার এ নতুন সূচনার প্রশংসা করছেন এবং একইসঙ্গে ব্যক্তিগত জীবন আড়ালে রাখার তার সিদ্ধান্তকেও সম্মান জানাচ্ছেন।

    অনলাইন ডেস্ক

  • আনুশকার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আবারও উত্তাল সোশ্যাল মিডিয়া

    দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী আনুশকা শেঠিকে নিয়ে নতুন করে গুঞ্জন শুরু হয়েছে চলচ্চিত্র পাড়ায়। ৪৪ বছর বয়সী এই অভিনেত্রীর বিয়ে নিয়ে ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে কৌতূহলের শেষ নেই। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অসংখ্য হিট সিনেমা উপহার দেওয়া আনুশকার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আবারও উত্তাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। 

    অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরিবারের চাপের মুখে এবার বিয়ের সিদ্ধান্তে সম্মতি দিয়েছেন আনুশকা। 

    গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, চলতি বছরের শেষ নাগাদ এ ‘বাহুবলী’ অভিনেত্রী বিয়ের পিঁড়িতে বসতে পারেন। পাত্র হিসেবে এক ব্যবসায়ীর নাম শোনা যাচ্ছে, যিনি আনুশকার পরিবারের ঘনিষ্ঠ আত্মীয়। 

    উভয় পরিবার ইতোমধ্যে বিয়ের প্রাথমিক আলোচনাও সেরে ফেলেছে এবং খুব শিগগিরই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

    উল্লেখ্য, এর আগে বহুবার আনুশকার বিয়ের গুঞ্জন ভারতীয় গণমাধ্যমে এসেছে। কখনো কোনো চিকিৎসক, আবার কখনো কোনো সহ-অভিনেতার সঙ্গে তার সম্পর্কের কথা রটেছে। তবে এবারের খবরটি আগের তুলনায় অনেক বেশি জোরালো বলে মনে করছেন অনেকে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ২০১৫ সালে এসএস রাজামৌলির ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘বাহুবলী: দ্য বিগিনিং’-এ ‘দেবসেনা’ চরিত্রে অভিনয় করে প্যান-ইন্ডিয়া তারকা হিসেবে খ্যাতি পান আনুশকা। তার অসাধারণ অভিনয় এবং সৌন্দর্য সেসময় বিশ্বজুড়ে দর্শকদের মুগ্ধ করে। 

    সর্বশেষ এই অভিনেত্রীকে ২০২৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত তেলেগু অ্যাকশন থ্রিলার ‘ঘাঁটি’-তে ‘শীলভথ’ চরিত্রে দেখা গেছে, যেখানে তার সঙ্গে ছিলেন বিক্রম প্রভু ও জগপতি বাবু। 

    তেলেগু ইন্ডাস্ট্রির ‘সুপার’ সিনেমার মাধ্যমে বড়পর্দায় অভিষেক হয় আনুশকার। এরপর তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। তবে সাম্প্রতিককালে তিনি সিনেমার কাজ কমিয়ে দিয়েছেন। এই নিয়ে সংশ্লিষ্টদের ধারণা, আনুশকা বর্তমানে পেশাগত জীবনের চেয়ে ব্যক্তিগত জীবন এবং পরিবারের ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। 

    যদিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ খবরটি ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়েছে, তবুও আনুশকা শেঠি বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি। 

    সূত্র: এমএসএন 

    বিনোদন ডেস্ক