Tag: বলিউড

  • আইসোলেশনে শাবানা আজমি

    বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী শাবানা আজমি হঠাৎ করেই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। অসুস্থতার কারণে চিকিৎসকের পরামর্শে বর্তমানে আইসোলেশনে রয়েছেন এ অভিনেত্রী। সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত হয়েছেন তিনি। সে কারণে আগে থেকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া দেশটিতে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনে প্রতিবাদ কর্মসূচিতেও অংশ নিতে পারেননি তিনি।  

    একটি ছাত্র সংগঠনের আয়োজনে প্রতিবাদসভায় তার উপস্থিত থাকার কথা ছিল। সেখানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন শাবানা আজমি। তবে হঠাৎ সোয়াইন ফ্লু ধরা পড়ায় চিকিৎসক তাকে বাড়ির বাইরে যেতে নিষেধ করেছেন। সংক্রমণ যাতে অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে না পড়ে, সে জন্যই তাকে আইসোলেশনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে শাবানা আজমি বলেন, অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে না পারায় তিনি হতাশ। শারীরিকভাবে উপস্থিত থাকতে না পারলেও শিক্ষার্থীদের প্রতি তার সমর্থন সবসময় থাকবে বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে দ্রুত সুস্থতার জন্য সবার কাছে প্রার্থনা কামনা করেছেন অভিনেত্রী।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    শাবানার অসুস্থতার খবর সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ্যে আসার পর তার ভক্ত-অনুরাগী ও শুভানুধ্যায়ীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন।

    সোয়াইন ফ্লু একটি ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ। এ রোগে সাধারণত জ্বর, সর্দি, কাশি, গলাব্যথা, শরীর ব্যথা, মাথাব্যথা ও ক্লান্তির মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। গুরুতর ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্টও হতে পারে। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে আক্রান্ত ব্যক্তিকে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী আইসোলেশনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়।

    উল্লেখ্য, অভিনেত্রী শাবানা আজমি দীর্ঘদিন ধরে অভিনয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে নিজের মতপ্রকাশ করে আসছেন। ছাত্র আন্দোলন, মানবাধিকার ও নারী অধিকারসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাকে সরব হতে দেখা গেছে। এবার অসুস্থতার কারণে ছাত্রদের ওই কর্মসূচিতে অংশ নিতে না পারায় আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন তিনি। এর আগে গত ২০ জুলাই ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচিতে হাজারো নাগরিকের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন শাবানা আজমি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে কারণে কারিশমার সঙ্গে সিনেমা করা বন্ধ করেছিলেন গোবিন্দ

    একটা সময় বলিউডের জনপ্রিয় জুটি বলতেই গোবিন্দা ও কারিশমা কাপুর। তারা একের পর এক হিট সিনেমা দর্শকদের উপহার দেওয়ার পরও হঠাৎ কেন তারা একসঙ্গে কাজ করা বন্ধ করে দিলেন? এবার সে বিষয় মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী শাগুফতা আলি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি কারিশমা কাপুরের কাজের ধরন এবং গোবিন্দার সঙ্গে তার জুটি ভাঙার নেপথ্যে কারণ জানালেন।

    শাগুফতা বলেন, কারিশমা অত্যন্ত পরিশ্রমী একজন অভিনেত্রী। তবে তার অতিরিক্ত উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও সেটে দেখানো হাবভাব কিংবা অহংকার সবার নজর কাড়ত। তিনি বলেন, একজন সহ-অভিনেতার সঙ্গে সেটে দৃশ্য ফুটিয়ে তোলার সময় পারস্পরিক বোঝাপড়া বা ‘গিভ অ্যান্ড টেক পলিসি’ থাকা ভীষণ জরুরি। 

    তবে কারিশমা কাপুরের ক্ষেত্রে তা ভিন্ন রূপ দেখা যায়। অনেক সময় শুটিংয়ের ফাঁকে বা ডায়ালগ বলার সময় অন্যকে সহযোগিতা না করে নিজের মতো করে কাজ সেরে চলে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যেত, যা শেষ পর্যন্ত সহশিল্পীর অভিনয়ে প্রভাব ফেলে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    নব্বইয়ের দশকে ‘কুলি নম্বর ১’, ‘রাজা বাবু’, ‘হসিনা মান জায়েগি’-র মতো একাধিক ব্লকবাস্টার সিনেমা উপহার দেওয়া এ জুটি কেন হঠাৎ আলাদা হয়ে গেল, সে প্রসঙ্গে শগুফতা মনে করেন— সময়ের সঙ্গে সঙ্গে হয়তো কাজের প্রতি আগ্রহ কিংবা পারস্পরিক রসায়নে ভাটা পড়েছিল। অথবা হতে পারে দর্শকদেরও দীর্ঘদিন একই জুটিকে বারবার দেখতে একঘেয়ে লাগতে পারে। 

    প্রসঙ্গত অভিনেতা ডেভিড ধাওয়ানের ১৯৯৭ সালের হিট সিনেমা ‘হিরো নম্বর ১’-এ গোবিন্দা ও কারিশমার সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করেছিলেন শাগুফতা আলিও। বর্তমানে এ বর্ষীয়ান অভিনেত্রীর মন্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়ে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ইমরান হাশমির সঙ্গে কাজ করতে চান তাসনুভা তিশা, কিন্তু কেন?

    বলিউডের ‘সিরিয়াল কিসার’খ্যাত অভিনেতা ইমরান হাশমি। তার ক্যারিয়ারের শুরুতে রোমান্টিক ও সাহসী চরিত্রে অভিনয়ের সুবাদে গণমাধ্যম ও দর্শকের কাছে বিশেষভাবে পরিচিত তিনি। এ পরিচিতি কিংবা ইমেজ তিনি তার কর্মজীবনের প্রাথমিক পর্যায়ে বেশ ভালোভাবে কাজে লাগিয়েছিলেন। তবে পরবর্তী সময়ে তিনি থ্রিলার, অ্যাকশন ও নেতিবাচক চরিত্রসহ নানা বৈচিত্র্যময় অভিনয়ের মাধ্যমে নিজেকে একজন পরিণত ও বহুমুখী অভিনেতা হিসেবে প্রমাণ করেছেন।

    একটি পুরো প্রজন্মই মেতে ছিল তার দুর্দান্ত অভিনয়ে। তাই এ তারকার দারুণ ভক্ত বাংলাদেশের নাটকের জনপ্রিয় মুখ অভিনেত্রী তাসনুভা তিশা। মনে মনে ইচ্ছা পোষণ করেন রুপালি পর্দায় তার নায়িকা হওয়ার।

    সম্প্রতি একটি সেলিব্রেটি শোয়ে অতিথি হয়ে এসেছিলেন তাসনুভা তিশা। সেই অনুষ্ঠানে ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিজীবনের নানা অজানা গল্প অকপটে শেয়ার করে নেন তিনি। বলিউডের কোনো নায়কের বিপরীতে কাজ করার স্বপ্ন দেখেন কিনা— এমন প্রশ্নের উত্তরে অভিনেত্রী কোনো দ্বিধা ছাড়াই বলেন, ‘ইমরান হাশমির সঙ্গে কাজ করতে চাই। অভিনয়ে যে আবেগ ও প্যাশন উনি আনেন, তা সত্যি দারুণ।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিনি বলেন, পর্দায় রোমান্স এত সুন্দরভাবে অনেকেই ফুটিয়ে তুলতে পারেন না। তাকে খুব সাবলীল দেখায় এবং মনে হয় সবকিছু যেন বাস্তবেই ঘটছে। 

    তাসনুভা তিশা বলেন, ছোটবেলায় তার ইচ্ছা ছিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার। তবে তার সেই স্বপ্নের কথা শুনে বাবা প্রায়ই রসিকতা করতেন—‘আর্মির ভারি বন্দুক তো তুমি উঁচুই করতে পারবে না!’ অবশ্য সেই আমি ছিলাম খুব ছিপছিপে হালকা ওজনের। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • দেড় কোটি টাকার কর বাকি রাজেশ খান্নার, সালমান এগিয়ে এলে যা ঘটে

    বলিউড সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেতা রাজেশ খান্না ও বলি ভাইজানখ্যাত অভিনেতা সালমান খানের মধ্যে এক চমৎকার ও ঐতিহাসিক ঘটনা রয়েছে, যা সম্প্রতি তাদের মধ্যকার সম্পর্কের একটি অজানা দিক প্রকাশ করেছে।

    ষাটের দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে অভিনয় শুরু করেছিলেন রাজেশ খান্না। বলিপাড়ার তারকার খ্যাতি পাওয়া প্রথম অভিনেতা বলা হয় তাকে। কিন্তু রাজেশ খান্নার জনপ্রিয়তার স্থায়িত্ব বেশি দিনের ছিল না। জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকাকালে মুম্বাইয়ের কার্টার রোডের একটি পরিত্যক্ত বাংলো সেই সময় ৬৫ হাজার টাকায় কিনে নেন এ অভিনেতা। কিন্তু সেই বাংলোর দেড় কোটি টাকার কর বাকি পড়ে। এমন খবরে সাহায্যের হাত বাড়ালেন ভাইজানখ্যাত অভিনেতা সালমান খান। আর তাতে চটে যান রাজেশ খান্না।

    কার্টার রোডের সেই বাড়িটি ছিল পঞ্চাশের দশকের জনপ্রিয় অভিনেতা ভরত ভূষণের। তারপর সেটি কেনেন রাজেন্দ্র কুমার। সেই সময় বাড়িটির নাম ছিল ‘ডিম্পল’। রাজেন্দ্রর মেয়ের নামে ছিল বাড়িটি। অবশেষে সত্তরের দশকে সেই বাড়িটি কিনে নেন রাজেশ খান্না। রাজেন্দ্রর শর্ত ছিল— বাড়ির নামটা বদলে ফেলতে হবে। রাজেন্দ্রই বলে যান এ বাড়ি রাজেশের ভাগ্যবদলে দেবে। তা শুনেই রাজেশ বাড়ির নাম রাখেন ‘আশীর্বাদ’। 

    সেই সময়ে সাধারণ মানুষের কাছে বাংলোটি অন্যতম আকর্ষণে পরিণত হয়েছিল। ‘আশীর্বাদ’-এর বাইরে সবসময় ভক্ত-অনুরাগীদের ভিড় লেগে থাকত। রাজেশকে ঘিরে নারী ভক্ত-অনুরাগীদের উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মতো। সত্তর থেকে আশির দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ উপার্জনকারী বলি অভিনেতাদের তালিকায় শীর্ষে ছিলেন রাজেশ খান্না। সেই সময় বলিউডে উত্থান ঘটে অমিতাভ বচ্চনের। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বলিউড সিনেমা সহজ-সরলমনা নায়ক নয়, ঝুঁকতে থাকে ‘অ্যাংরি ইয়ংম্যান’ অমিতাভের দিকে। সেই সময় বক্স অফিসে ব্যর্থ হতে শুরু করে রাজেশ খান্নার সিনেমা। আর তাতে দেনায় জর্জরিত হয়ে পড়েন অভিনেতা। তার পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, তার সঙ্গে কোনো পরিচালকই কাজ করতে রাজি হচ্ছিলেন না। 

    স্ত্রী-সন্তানদের ছেড়ে ফাঁকা বাংলোয় থাকতে ভালো লাগত না রাজেশ খান্নার। লিঙ্কিং রোডের অফিসেই বেশি সময় কাটাতে শুরু করেন অভিনেতা। তখনই ওই বাড়িটি কেনার প্রস্তাব পাঠান সালমান খান। মাধ্যম হিসাবে যান চিত্রনাট্যকার রুমি জাফরি।

    রুমি জাফরি গিয়ে রাজেশকে জানান, ওই বাড়ির সেই সময়ের বাজারমূল্য দিয়ে কিনতে চান সালমান খান। এমনকি রাজেশের সব ঋণ শোধ করে দেওয়ারও প্রস্তাব দেন তিনি। সেই সঙ্গে অভিনেতার প্রযোজনা সংস্থার হয়ে বিনামূল্যে একটি সিনেমায় কাজ করারও প্রস্তাব দেন। এমন প্রস্তাব শুনে রেগে যান রাজেশ খান্না। সালমানের এহেন প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করে দেন অভিনেতা।

    শুধু তাই নয়, অভিনেতা রেগেও যান সালমানের ওপর। আমৃত্যু নিজের বাংলোতেই ছিলেন রাজেশ খান্না। কর বাকি ছিল কোটি কোটি টাকা। রাজেশের মৃত্যুর পর ২০১৪ সালে বাংলোটি ৯০ কোটি টাকায় এক শিল্পপতির কাছে বিক্রি হয়ে যায়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর কেন কান ধরে উঠবস করলেন সোনাক্ষী?

    দায় নিয়ে পদত্যাগ করেছেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। প্রশ্ন ফাঁসসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে তার পদত্যাগ চেয়ে আন্দোলন করছিল দেশটির শিক্ষার্থীরা। ওই আন্দোলনে সোনাক্ষী সিনহা পূর্ণ সমর্থন দিয়েছিলেন।

    ধর্মেন্দ্রর পদত্যাগের পর সোনাক্ষী আরেকটি ভিডিও পোস্ট করেন। সেখানে দেখা যায় তিনি কান ধরে উঠবস করছেন। শুধু তাই নয়, ক্যামেরার সেগুলো রেকর্ডও হয়ে আছে। যা সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন ভাইরাল।

    সোনাক্ষী সিনহা ক্যামেরার সামনে এসে বলেন, ‘আমি তো জেন জি নিয়ে অনেক হালকা মনে করতাম, ভেবেছিলাম এগুলো কি। কিছুই হবে না এদের থেকে। আর বলব না। স্যালুট।’

    সোনাক্ষী সিনহা বলেন, ‘আমি জেন জি হতে চাই। আপনারা দারুণ কাজ করেছেন!’ এ কথার পর সোনাক্ষী পিছিয়ে গিয়ে তার টুপি খুলে মাটিতে ফেলে দেন। তিনি ভিডিওতে জিম শর্টস, ওভার সাইজ টি-শার্ট এবং টুপি পরে ছিলেন।

    সোনম ওয়াংচুক এবং ছাত্র আন্দোলনের সমর্থন করেছিলেন সোনাক্ষী। অবিচ্ছিন্নভাবে ছাত্র আন্দোলনের সমর্থন করে ছিলেন। সোনাক্ষীর এই ভিডিওতে অনেক নেটিজেনের প্রতিক্রিয়া এসেছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগে যা বলছেন বলিউড তারকারা

    ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। শনিবার (২৫ জুলাই) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন। বহুল আলোচিত ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি কাম এন্ট্রান্স টেস্ট (নিট) পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ, শিক্ষা ব্যবস্থায় অনিয়ম এবং জবাবদিহির দাবিতে চলমান ছাত্র আন্দোলনের মুখে তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন।

    শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বলিউডের একাধিক তারকা। প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, সোনাক্ষী সিনহা, বিজয় ভার্মা, মালাইকা অরোরা, প্রাজক্তা কোলিসহ অনেকেই নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন।

    পদত্যাগের খবর প্রকাশ্যে আসার পর অভিনেত্রী সোনাক্ষী সিনহা ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে সংশ্লিষ্ট সংবাদটি শেয়ার করে করতালির ইমোজি ব্যবহার করেন।

    পরে আন্দোলনকারী সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের প্রতিক্রিয়ার একটি ভিডিও শেয়ার করে লেখেন, ‘ভাই, কী করে ফেললে!’

    অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়াও ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগসংক্রান্ত একটি সংবাদ শেয়ার করেন। যদিও তিনি কোনো মন্তব্য লেখেননি, কয়েকটি ইমোজির মাধ্যমে নিজের প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেন।

    এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল একটি পোস্টের মন্তব্যে অভিনেত্রী ও কনটেন্ট নির্মাতা প্রাজক্তা কোলি লেখেন, ‘বিগ, বিগ, বিগ উইন!’ একইভাবে মালাইকা অরোরা, ডায়ানা পেন্টি, শিবানি আখতার এবং তিসকা চোপড়াও এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন।

    কৌতুক অভিনেতা বীর দাস ইনস্টাগ্রামে একটি সংক্ষিপ্ত বার্তায় লেখেন, ‘বন্ধুরা’।

    এর সঙ্গে তিনি জোড় করা হাত, ভারতের জাতীয় পতাকা ও লাল হৃদয়ের ইমোজি ব্যবহার করেন। পোস্টের ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘তোমরা সেই বইয়ের একটি ছোট বাক্যের একটি শব্দ ফিরিয়ে এনেছ, যেটা আমরা স্কুলে পড়েছিলাম কিন্তু ভুলে গিয়েছিলাম। সামনে যা-ই ঘটুক, আজ তোমরাই জিতেছ। এবার উদযাপন করো।’

    অন্যদিকে অভিনেতা বিজয় ভার্মা নিজের ইনস্টাগ্রামে ধর্মেন্দ্র প্রধানের একটি ছবি পোস্ট করে ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’ সিনেমার জনপ্রিয় গান চান্না মেরেয়া থেকে একটি লাইন উদ্ধৃত করেন। তিনি লেখেন, ‘আচ্ছা চলতা হুঁ… দোয়ায়োঁ মে ইয়াদ রখনা।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • সত্যিই কি শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন শাহরুখ?

    ভারতের নিট (এনইইটি) পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে দিল্লির যন্তর-মন্তরে টানা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। এই আন্দোলনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের পাশাপাশি বলিউডের কয়েকজন তারকাও প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শাহরুখ খানের নামেও একটি পোস্ট ভাইরাল হয়েছে। তবে সেটির সত্যতা নিয়ে তৈরি হয়েছে প্রশ্ন।

    সম্প্রতি এক্স (সাবেক টুইটার) প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়া একটি স্ক্রিনশটে দাবি করা হয়, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে শাহরুখ খান একটি আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন। 

    সেখানে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন শুধু একটি পরীক্ষার বিরুদ্ধে নয়; বরং স্বচ্ছ, ন্যায্য ও জবাবদিহিমূলক শিক্ষাব্যবস্থার দাবিতে। একই সঙ্গে আন্দোলনকারীদের শান্তিপূর্ণভাবে নিজেদের অধিকার আদায়ের লড়াই চালিয়ে যাওয়ার আহ্বানও জানানো হয়।

    ভাইরাল সেই পোস্টে আরও দাবি করা হয়, দেশের কর্তৃপক্ষের উচিত শিক্ষার্থীদের দাবিকে গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় সংস্কার আনা। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের প্রতি মানসিক ও নৈতিক সমর্থনের কথাও উল্লেখ করা হয়।

    তবে বিষয়টি যাচাই করে দেখা গেছে, শাহরুখ খানের ভেরিফায়েড এক্স একাউন্টে এমন কোনো পোস্ট নেই। অর্থাৎ, তার নামে ছড়িয়ে পড়া স্ক্রিনশটটি ভুয়া। জানা গেছে, এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী শাহরুখের নামে ওই পোস্টটি তৈরি করে শেয়ার করেন। পরে সেটিই দ্রুত ভাইরাল হয়ে পড়ে।  

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ঘটনাটি সামনে আসার পর শাহরুখের ভক্তরা ভুয়া পোস্ট ছড়িয়ে বিভ্রান্তি তৈরির অভিযোগ তুলেছেন। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন ভুয়া তথ্য প্রচারের সমালোচনা করেছেন এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

    উল্লেখ্য, নিট প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ ঘিরে চলমান শিক্ষার্থী আন্দোলনে বলিউডের কয়েকজন তারকা প্রকাশ্যে প্রতিক্রিয়া জানালেও শাহরুখ খান এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। ফলে তার নামে ছড়িয়ে পড়া পোস্টটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলেই নিশ্চিত হওয়া গেছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ক্যাটরিনাকে ‘মেরুদণ্ডহীন’ বলে কটাক্ষ, অভিনেত্রীর ফ্যানপেজ বন্ধ

    জুলাই মাসের গোড়া থেকেই নিট কেলেঙ্কারিসহ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে অনশন শুরু করেছিলেন শিক্ষার্থীরা। যাদের নেতৃত্ব দেন শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক। দিল্লির যন্তর-মন্তরে টানা ২৫ দিন ধরে চলা সেই বিক্ষোভ আরও নাটকীয় মোড় নেয় গত সোমবার (২০ জুলাই) ‘সংসদ চলো’ অভিযান কেন্দ্র করে। 

    বিক্ষোভকারী ‘আরশোলা’দের রুখতে লাঠিচার্জের পাশাপাশি কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান চালায় পুলিশ বাহিনী। এমতাবস্থায় শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে সরব হয়েছেন দেশের বিনোদন জগতের তারকাদের একাংশ। অভিনেত্রী শাবানা আজমি থেকে শুরু করে জিনাত আমান, অপর্ণা সেন, অনুরাগ কাশ্যপ, অরিজিৎ সিং থেকে বলিউডের বর্তমান প্রজন্মের একাংশও সম্মতি জানিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। 

    কিন্তু সংশ্লিষ্ট আন্দোলন নিয়ে দেশের অন্দরে ঝড় বয়ে গেলেও ‘টুঁ’ শব্দটি করেননি অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ। সেই পরিপ্রেক্ষিতেই অভিনেত্রীর ভক্তমহলের একাংশ ক্ষুব্ধ! তাদের মতে, ‘প্রিয় তারকার থেকে আমাদের কাছে দেশভক্তি আগে।’ যার রোষ গিয়ে পড়েছে ক্যাটরিনা কাইফের ফ্যানপেজেও। শিক্ষার্থীদের হয়ে মুখ না খোলায় ভক্তরা নিজেরাই ক্যাটরিনার ওই ফ্যানপেজ বন্ধ করে দিয়েছেন।

    দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শিক্ষাব্যবস্থা সুনিশ্চিত করতে দিল্লির রাজপথে যখন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বিনিদ্র রজনী কাটাচ্ছেন, ঠিক তখনই শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে বসে সেলিব্রেটিরা ‘তামাশা’ দেখছেন?— এমন প্রশ্নের মুখে ক্যাটরিনা কাইফসহ সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির অভিনেতা-অভিনেত্রীদের একাংশ। ককরোচ জনতা পার্টির সমর্থনে মুখ না খোলায় বিগত কয়েক দিনে একাধিক তারকাকে কটাক্ষ, সমালোচনার শিকার হতে হয়েছে। এবার নিজের অনুরাগীমহলের রোষানলে ক্যাটরিনা কাইফ। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অনেক দিন ধরেই সামাজিক মাধ্যমে ‘ক্যাথলিক_ফ্যানস’ নামে একটি পেজ রয়েছে, যেখানে এযাবৎকাল চোখে পড়ত ক্যাটরিনা কাইফের গতিবিধির সব খবরাখবর। কিন্তু ‘ককরোচ’ বিক্ষোভের আগুনে সেই ফ্যানপেজই বর্তমানে ‘লাটে উঠেছে’! ওই ফ্যানপেজের স্রষ্টা খোদ এক বিবৃতি জারি করে জানিয়েছেন, শৈশব থেকেই আমি আপনার ভক্ত, কিন্তু আমরা, যেসব ভারতীয় শিক্ষার্থী আপনাকে মন থেকে ভালোবাসি, তাদের হয়ে আপনি একটা কথাও বলতে পারলেন না। সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলার মতো সাহস বা মেরুদণ্ড আপনার নেই। আপনার কঠিন সময়ে আমরা আপনার পাশে ছিলাম, কিন্তু আজ যখন আপনার সমর্থনের প্রয়োজন, আপনি আমাদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করলেন। আমি আপনাকে আনফলো করার পাশাপাশি এ ফ্যানপেজটিও বন্ধ করে দিচ্ছি। আপনি এর যোগ্য নন। 

    সেই পোস্টের মন্তব্য বাক্সেই আরেক সমালোচনার শিকার হতে হয়েছে ক্যাটরিনাকে। এক নেটিজেন মন্তব্য করে বলেন, ভারতে বাস, ভারতেই কাজ, তবু ভারতীয়দের হয়ে কথা বলার সাহস নেই…।’ কেউ বা বললেন, ‘পেজের অ্যাডমিনের প্রতি শ্রদ্ধা।’ কেউ বা প্রশ্ন ছুড়লেন, ‘আপনিও তো মা, নিজের সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করছেন না?’ এহেন নানা কটূক্তিবাণে ছেয়ে গেছে নেটভুবন। কর্মসূত্রে মুম্বাই নিবাসী হলেও অভিনেত্রী জন্মেছিলেন ব্রিটিশ অধ্যুষিত হংকংয়ে। ‘সে জন্যই কি ভারতীয়দের প্রতি টান নেই? সেসব মানুষকে নিয়ে কোনো উচ্চবাচ্য নেই, যারা আপনাকে সেলিব্রেটি বানালেন?’—এমন প্রশ্নের মুখে ক্যাটরিনা কাইফ। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • শেষ বার্তায় ‘আন্দোলনকারীদের যা বললেন সালমান খান

    শিক্ষার্থীদের সমর্থনে কথা বলেছিলেন বলিউডের ভাইজানখ্যাত অভিনেতা সালমান খান। বুধবার (২২ জুলাই) রাতে সবাইকে চমকে দিয়ে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেছিলেন তিনি। শিক্ষার্থীদের সমর্থনে অন্য কথা বলেছিলেন ভাইজান।  বৃহস্পতিবারের পোস্টে প্রতিবাদী শিক্ষার্থীদের বাড়ি ফেরার আবেদন জানিয়েছেন সালমান খান। 

    সামাজিক মাধ্যমে অভিনেতা লিখেছেন, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও নিরাপত্তাই এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তাই তাদের আর উদ্বিগ্ন হওয়ার বা বাবা-মাকে উদ্বেগে রাখার দরকার নেই। প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে টুইট করেছেন। আমার বিশ্বাস, প্রশ্নফাঁসের জন্য যারা দায়ী, তাদের বিরুদ্ধে তিনি কঠোর ব্যবস্থা নেবেন। তিনি বলেন, তাই শিক্ষার্থীদের বলছি— বাড়ি ফিরে যাও, বাবা-মায়ের কাছে ফিরে যাও।

    শুধু এখানেই শেষ নয়; সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকের প্রতিও অনশন তুলে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন সালমান খান। ভাইজান লিখেছেন—সোনম, যথেষ্ট হয়েছে। আর অনশন বাড়িও না। ভবিষ্যতে যদি আবার প্রয়োজন পড়ে, সে লড়াইয়ের জন্য শক্তি সঞ্চয় করে রাখো। যদিও আমার মনে হয়, আর সে প্রয়োজন হবে না। কিছু খেয়ে নাও। চাইলে বাড়ি থেকে তোমার জন্য খাবার পাঠিয়ে দেব।

    সালমানের এ পোস্টে কিছুটা অবাক তার ভক্ত-অনুরাগীরা। বলি তারকার কাছে প্রায়ই আসে লরেন্স বিষ্ণোইয়ের থেকে প্রাণনাশের হুমকি। তার পরিবারকেও হুমকি দেওয়া হয়। তাই অনেকেই মনে করেছিলেন, ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন নিয়ে তিনি মুখ খুলবেন না। কিন্তু বুধবার সবাইকে অবাক করে দিয়ে আন্দোলনের পক্ষে মুখ খোলেন সালমান খান। তিনিই প্রথম ‘খান’, যিনি মুখ খুলেছিলেন এ বিষয়ে। তাই অনেকেই প্রশংসা করেছিলেন।

    এর আগে পোস্টে সালমান খান লিখেছিলেন—এটি খুবই শান্তিপূর্ণ একটি আন্দোলন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হিংসাত্মক মোড় নেওয়ায় খুব খারাপ লাগছে। আহত ছাত্রছাত্রী এবং তাদের পরিবারের জন্য আমার সত্যিই খুব কষ্ট হচ্ছে। প্রশ্নপত্র ফাঁস অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। তবে দেশের শিক্ষার্থীরা যে আরও ভালো শিক্ষাব্যবস্থার দাবিতে একজোট হয়েছেন এবং তাদের অভিভাবকরাও পাশে দাঁড়িয়েছেন, তা দেখে ভালো লাগছে।

    তিনি আরও বলেন, ওরা যে অবস্থান নিয়েছেন, তার প্রশংসা করি। পড়াশোনার প্রতি ওদের নিষ্ঠা, আন্তরিকতা এবং নিজের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার ইচ্ছা ও শিক্ষিত ভারত গড়ার স্বপ্ন সত্যিই প্রশংসনীয়। 

    সালমান খানের সেই পোস্ট থেকে মনে হয়েছিল— তিনি এ আন্দোলনের পক্ষে। লিখেছিলেন, এ প্রতিবাদই সঠিক পথ। আর ছাত্রছাত্রীরা শান্তিপূর্ণভাবেই সেই পথ বেছে নিয়েছেন। এ সাহস ও দৃঢ়তা সত্যিই অনুপ্রেরণা দেয়। শিক্ষার প্রতি এ প্রজন্মের আগ্রহ এবং লক্ষ্যই একদিন ভারতকে গর্বিত করবে। কিন্তু তার পরের দিনই অন্য সুরে পোস্ট করলেন। সালমানের অনুরাগীদের অনুমান— কোনো রকম চাপে পড়েই এমন পোস্ট করেছেন ভাইজান।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘জনা নায়াগান’-এর প্রথম শোয়ে তৃষা, সাধারণ সাজেই কাড়লেন নজর

    তামিল অভিনেতা থেকে রাজনীতিক হওয়া এবং বর্তমানে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের বহুল প্রতীক্ষিত চলচ্চিত্র ‘জনা নায়াগান’ মুক্তি পেয়েছে ২৩ জুলাই। সেন্সর বোর্ড (সিবিএফসি) জটিলতা ও আদালতের কার্যক্রমের কারণে একাধিকবার পিছিয়ে যাওয়ার পর অবশেষে ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে আসে।

    ছবির প্রথম দিনের প্রথম প্রদর্শনী দেখতে চেন্নাইয়ের রোহিণী থিয়েটারে হাজির হন জনপ্রিয় অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণান। তাকে ঘিরে ভক্তদের ব্যাপক আগ্রহ দেখা যায়। তবে অতিরিক্ত নজর এড়াতে এদিন তিনি বেছে নেন একেবারে সাধারণ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় পোশাক।

    তৃষার পরনে ছিল নীল রঙের স্ট্রেট-লেগ ডেনিম জিন্স ও সাদা রঙের একটি সাধারণ টি-শার্ট। খোলা চুলে মাঝখানে সিঁথি করে তিনি নিজের লুক সম্পূর্ণ করেন। সঙ্গে ছিল ছোট স্টাড কানের দুল, নীল পেনডেন্টের নেকলেস এবং কালো গোলাকার সানগ্লাস। সিনেমা শেষে থিয়েটার থেকে বের হওয়ার সময় ভক্তদের ভিড়ে তাকে ঘিরে হুড়োহুড়ি দেখা যায়। পরে তিনি গাড়িতে করে সেখান থেকে চলে যান।

    এর আগে চলতি বছরের ১০ মে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিজয়ের শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন তৃষা। সে সময় তার পরনে ছিল নীল রঙের ঐতিহ্যবাহী কাঞ্জিভরম সিল্ক শাড়ি ও সোনালি ব্লাউজ। সাদা ফুলে সাজানো খোঁপা, হীরার নেকলেস, লাল পাথরখচিত দুল এবং হালকা মেকআপে তার সাজ সামাজিক মাধ্যমে প্রশংসা কুড়িয়েছিল।

    এরও আগে ৪ মে, নিজের ৪৩তম জন্মদিনে অন্ধ্র প্রদেশের তিরুপতির ভেঙ্কটেশ্বর মন্দিরে পূজা দিতে যান তৃষা। সে সময় তিনি সাধারণ হ্যান্ডলুম পোশাকে উপস্থিত হয়েও ভক্তদের নজর কাড়েন।

    নির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন বিজয়ের বাসভবনে উপস্থিত হওয়া, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তার শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া এবং এবার ‘জন নায়াগান’-এর প্রথম প্রদর্শনীতে উপস্থিতি—সব মিলিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে তৃষা কৃষ্ণনকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

    সূত্র: এনডিটিভি

    বিনোদন ডেস্ক