Tag: পাকিস্তান

  • আবেগঘন বার্তায় যে সুখবর দিলেন ইকরা কনওয়াল

    পাকিস্তানের জনপ্রিয় ইউটিউবার ও সিস্টারোলজি খ্যাত ইকরা কনওয়াল মা হয়েছেন। তিনি ও তার স্বামী আরীব পারভেজ তাদের প্রথম সন্তানের আগমনের সুখবর জানালেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

    দম্পতি ইনস্টাগ্রামে কন্যাশিশুকে কোলে নেওয়া একটি ছবি শেয়ার করে আবেগঘন বার্তায় লিখেছেন— ‘এটাই আমাদের দোয়ার সবচেয়ে সুন্দর উত্তর। প্রথমবার যখন মেয়েকে কোলে নিলাম, সে অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব।’

    ইকরা আরও জানান, আরীব সবসময় চেয়েছিলেন তাদের প্রথম সন্তান মেয়ে হোক। ‘আল্লাহ আমাদের সেই প্রার্থনা কবুল করেছেন, আলহামদুলিল্লাহ,’ কৃতজ্ঞতার সঙ্গে উল্লেখ করেন তিনি। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ইনস্টাগ্রামে পোস্টটি মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায়। হাজারো ভক্ত, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সহকর্মী কনটেন্ট ক্রিয়েটর অভিনন্দন বার্তায় ভরিয়ে দেন কমেন্ট বক্স।

    ভক্তরা এই ছোট্ট ‘রাজকন্যার’ আগমনকে সিস্টারোলজি পরিবারের জন্য আনন্দঘন মুহূর্ত হিসেবে বর্ণনা করছেন। বহুজন বলেছেন, এ সুখবর শুধু ইকরা-আরীব নয়, তাদের অসংখ্য দর্শক-অনুরাগীর জীবনেও আনন্দ নিয়ে এসেছে।

    অনলাইন ডেস্ক

  • জটিল সমস্যায় ভুগছেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেত্রী

    পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেত্রী আলিজেহ শাহ প্রচণ্ড মানসিক চাপে ভুগছেন। সম্প্রতি নিজের মনের আঘাত ও মানসিক সমস্যার কথা জানিয়ে সবাইকে বিস্মিত করেছেন অভিনেত্রী। জানিয়েছেন, দীর্ঘ সময় টানা শুটিং এবং শোবিজের বিষাক্ত পরিবেশ তার মন ভেঙে দিয়েছে এবং তিনি বর্তমানে পোস্ট-ট্রমেটিক স্ট্রেস ডিজঅর্ডার (PTSD) মোকাবিলা করছেন।

    ইনস্টাগ্রামে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে আলিজেহ জানিয়েছেন, ১২ ঘণ্টার দীর্ঘ শুটিং এবং সেটে যে অসহনীয় আচরণ সহ্য করতে হয়েছে, তাতে তার নিজের ওপর থেকে বিশ্বাস উঠে গিয়েছিল।

    ‘মানুষ মনে করে আমি নতুন কাজের জন্য এসব কথা বলছি, কিন্তু এই ভুল ধারণা আমার অনেক ব্যথা দেয়। আমি PTSD-র সঙ্গে লড়ছি’,যোগ করেন অভিনেত্রী। পাশাপাশি তিনি বলেন, এসব অভিজ্ঞতা তার আত্মঘৃণার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    শোবিজের বিষাক্ত সংস্কৃতির কড়া সমালোচনা করেন আলিজেহ। তিনি বলেন, শোবিজের জগৎ অত্যন্ত হীনমন্যতা ও অবমাননায় ভরা, সেখানে আমাকে প্রায়ই ‘কিছুই নয়’ মনে করা হতো। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, কোনো সহানুভূতির কারণে বা দয়া করে তাকে কোনো কাজ দেওয়া হোক, সেটি তিনি চান না; তিনি শুধু শান্তিতে থাকতে চান, কারণ এসব স্মৃতি তাকে এখনো মানসিক কষ্ট দিচ্ছে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    পূর্বের বিবাদ এবং আইনি মামলা

    ২০১৯ সালে আলিজেহ শাহ একবার বিতর্কের মুখে পড়েন, যেখানে সহশিল্পী মিনসা মালিকের সঙ্গে শুটিং সেটে তাদের ঝগড়ার খবর প্রচার হয়েছিল। আলিজেহ অভিযোগ করেন মিনসা তাঁকে থাপ্পড় মেরেছিলেন, যার জবাবে তিনি স্যান্ডেল দিয়ে পাল্টা আঘাত করেন। এছাড়া মিনসা তার বিরুদ্ধে মানহানি ও মৃত্যু হুমকির অভিযোগ করেন, যার প্রেক্ষিতে আলিজেহ একটি মানহানির মামলা দায়ের করেন।

    PTSD কী?

    পোস্ট-ট্রমেটিক স্ট্রেস ডিজঅর্ডার বা PTSD হলো একটি মানসিক সমস্যা যা প্রচণ্ড মানসিক চাপ বা ট্রমাটিক ঘটনার পর বিকাশ লাভ করে। এর লক্ষণ হতে পারে ফ্ল্যাশব্যাক, অতিরিক্ত উদ্বেগ, অবসাদ এবং মানসিক কষ্ট।

    আলিজেহের প্রকাশ্যে এই বিষয়টি শেয়ার করার মাধ্যমে পাকিস্তানের বিনোদন জগতে মানসিক স্বাস্থ্য ও কাজের চাপ নিয়ে আলোচনা নতুন মাত্রা পেলো, যেখানে এখনও এসব বিষয় নিয়ে তেমন কথা বলা হয় না। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিয়ে নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দিলেন পাকিস্তানি অভিনেত্রী

    পাকিস্তানি অভিনেত্রী মায়া আলি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, বিয়ের ক্ষেত্রে তিনি কোনো সামাজিক চাপের কাছে নতি স্বীকার করবেন না।

    সম্প্রতি এক পডকাস্টে মন মায়াল খ্যাত এই তারকা খোলামেলা মতামত ব্যক্ত করে বলেন, বিয়ে করা এমন একটি সিদ্ধান্ত, যা তিনি নিজের শর্তে নিতে চান।

    তিনি বলেন, ‘কেন এখনো বিয়ে করিনি— শুধু কেউ এই প্রশ্ন করছে বলে বিয়ে করা উচিত নয়।’ মায়ার মতে, সমাজ নারীদের প্রায়ই চাপ দেয় এই বলে যে, বয়স বাড়ছে বা অমুক ব্যক্তি নাকি তাকে সুখে রাখবে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    কিন্তু মায়ার কাছে বিয়ে তার চেয়েও বড় বিষয়। তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘এটা দুই পরিবার ও দুই ব্যক্তির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। আসল বিষয় হলো— তাদের মধ্যে বোঝাপড়া ও যোগসূত্র থাকা।’

    তিনি আরও যোগ করেন, ‘যেদিন আমি কারও সঙ্গে সেই যোগসূত্র অনুভব করব, সেদিন অবশ্যই বিয়ে করব। কিন্তু কারো কথায় নয়।’

    ধর্মীয় বিশ্বাসও এ বিষয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রভাবিত করে। মায়ার ভাষায়, ‘আমরা যদি সব সময় বলি, সবকিছুই আল্লাহর ইচ্ছায় হয়, তাহলে কেন আমরা বিশ্বাস করি না যে, বিয়েটাও তারই সিদ্ধান্ত? এটা তখনই ঘটবে, যখন হওয়ার সময় হবে।’

    তার এই মন্তব্যগুলো প্রমাণ করে, সামাজিক প্রত্যাশার চেয়ে তিনি বেশি গুরুত্ব দেন সামঞ্জস্যতা ও সঠিক সময়কে। মায়া আলি এখন নিজের মন ও নিয়তিকে নিয়েই ভবিষ্যতের সিদ্ধান্তে এগোতে চান।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আদনান সামিকে পাকিস্তানে ‘দেশদ্রোহী’ তকমা, যা বললেন ছেলে আজান

    উপমহাদেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আদনান সামিকে ঘিরে পাকিস্তানে বহু বিতর্ক রয়েছে। বিশেষ করে পাকিস্তান ছেড়ে ভারতের নাগরিকত্ব গ্রহণ করার কারণে দেশটিতে তাকে ‘বিশ্বাসঘাতক’, ‘দেশদ্রোহী’ হিসেবেও দেখা হয়। সম্প্রতি এক সাক্ষাতকারে আদনান সামির ছেলে আজান সামি তার বাবাকে কীভাবে দেখেন- সেই বিষয়ে খোলামেলা কথা বলেছন। 

    পাকিস্তানের গায়ক থেকে নায়ক হয়ে উঠা আজান জানান, বাবাকে অস্বীকার করতে বললেও তিনি তা কখনোই করবেন না। 

    সাম্প্রতিক সময়ে মুক্তির অপেক্ষায় থাকা তার নতুন ড্রামা সিরিজ ‘ম্যায় মান্টো নাহি হুঁ’ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আজান বাবাকে ঘিরে বিতর্ক, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও শিল্পীজীবনের নানা দিক তুলে ধরেন।

    আজান বলেন, ছেলে হিসেবে তিনি আদনান সামিকে বোঝেন, তবে পাকিস্তানি হিসেবে অনেক বিষয়ে তাদের মতভেদ রয়েছে। বাবার ভারতীয় নাগরিকত্ব নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, শিল্পীদের হৃদয় ভীষণ নাজুক হয়, রাজনৈতিক কিছু কষ্ট তার বাবাকে এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে।  ‘আমি বিষয়টা বুঝি, কিন্তু বাবার হয়ে সাফাই গাইতে আসিনি’, যোগ করেন তিনি।

    অভিনেতা জানান, তাকে অনেকবার প্রকাশ্যে বাবাকে অস্বীকার করতে বলা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তার স্পষ্ট জবাব—‘আমার বাবা আমার বাবা-ই থাকবেন। আমি তাকে গভীরভাবে ভালোবাসি এবং শ্রদ্ধা করি।’

    এই অভিজ্ঞতা থেকে পাওয়া শিক্ষার কথা জানাতে গিয়ে আজান বলেন, পৃথিবীতে ঘৃণা এখনও অনেক বেশি।  তিনি বলেন, ‘যখনই আমি ইনস্টাগ্রামে ভালো কোনো ছবি পোস্ট করি, কিছু মন্তব্য আসে—‘দেশদ্রোহীর ছেলে’। তখন সেই ঘৃণার ছোট্ট অংশ আমাকেও সহ্য করতে হয়।’ আজান স্পষ্ট করে জানান, তিনি দেশপ্রেমিক পরিবার থেকে এসেছেন এবং পাকিস্তানকে ভালোবাসেন। ‘আমাকে কি সারাজীবন দেশপ্রেম প্রমাণ করে যেতে হবে?’ প্রশ্ন রাখেন তিনি।

    আজান মানুষের প্রতি আহ্বান জানান—‘বাবার পাপের দায় ছেলেকে দেবেন না।’ তবে এ অভিনেতা স্পষ্ট করেন, তিনি তার বাবা আদনান সামির কাজকে পাপ মনে করেন না।

    নিজের ক্যারিয়ার প্রসঙ্গে আজান জানান, ছোটবেলায় তিনি ভীষণ আত্মবিশ্বাসহীন ছিলেন এবং মনে করতেন, পাওয়া ভালোবাসা কেবল বাবা-মায়ের খ্যাতির কারণে। সেই অনিশ্চয়তা থেকেই তিনি অভিনয় ও সঙ্গীতের জগতে প্রবল আগ্রহী হয়ে ওঠেন।

    মা জেবা বখতিয়ার প্রসঙ্গে আজান বলেন, ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে তিনি সবসময় মায়ের পরামর্শ নেন। এমনকি প্রতিটি নাটক মুক্তির পরও মায়ের বিশ্লেষণ শোনেন।

    ‘ম্যায় মান্টো নাহি হুঁ’-তে কাজের অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে আজান বলেন, শোবিজের সেরাদের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন তিনি। সহশিল্পী হুমায়ুন সাঈদকে তিনি একজন অভিনেতা ও মানুষ হিসেবে আদর্শ মনে করেন। তবে সায়মা নূরের সঙ্গে অভিনয়ের সময় খানিকটা অস্বস্তি কাজ করে বলে স্বীকার করেন আজান। কারণ, ছোটবেলায় মায়ের সঙ্গে নাটকের সেটে গিয়ে সায়মাকে প্রথম দেখেছিলেন তিনি। তাই দৃশ্যের প্রয়োজনে তাকে অভদ্র হতে হলে আগে থেকেই ক্ষমা চেয়ে নেন।

    প্রসঙ্গত, আদনান সামি ও পাকিস্তানি অভিনেত্রী জেবা বখতিয়ার ১৯৯৩ সালে বিয়ে করেন। তবে বিয়ের তিন বছর পরেই তাদের বিচ্ছেদ হয়। বর্তমানে আজান সামি তার মাকে নিয়ে পাকিস্তানেই বাস করেন।  

    অপরদিকে আদনান সামি পর্যটক ভিসায় ২০০১ সালে ভারতে যাওয়ার পর আর পাকিস্তানে ফেরেননি। ঐ বছরই তিনি দুবাইয়ের এক আরব নারী সাবাহ গালাদারিকে বিয়ে করেন। কিন্তু দেড় বছর পরেই তাদের ডিভোর্স হয়। পরবর্তীতে ২০০৮ সালে সাবাহ মুম্বাইয়ে ফেরত আসেন এবং সামিকে আবার বিয়ে করেন। তবে এক বছরের মাথায় তাদের ফের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। 

    এরপর ২০১০ সালে সামি ভারতের সেনাবাহিনীর এক জেনারেলের মেয়ে রয়াকে বিয়ে করেন। এই দম্পতির একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। 

    ২০১৫ সালে আদনান সামি ভারতে নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করলে ভারত সরকার তা অনুমোদন করে। 

    আদনান সামি হিন্দি, উর্দু, ইংরেজি, তেলেগু, তামিল, কন্নড় এবং মালায়লাম ভাষায় বহু গান গেয়েছেন। তার ঝুলিতে আছে বলিউডের বহু জনপ্রিয় প্লেব্যাক গান। টাইম অব ইন্ডিয়া তাকে ‘সংগীতের সুলতান’ অভিহিত করেছে। ভারতীয় সংগীতে অবদানের জন্য ২০২০ সালে তাকে ‘পদ্মশ্রী’ পুরস্কার প্রদান করে ভারত সরকার। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আইমান-মুনিবের ঘরে এসেছে কন্যা সন্তান

    পাকিস্তানের বিনোদনজগতের তারকা দম্পতি আইমান খান ও মুনিব বাটের ঘর আলো করে এসেছে কন্যা সন্তান। ছোট্ট শিশুর নাম রাখা হয়েছে নাইমাল মুনিব। খুশির খবরটি নিজের ইন্সটাগ্রামে ভক্ত-সমর্থকদের জানিয়েছেন মুনিব।

    আইমান-মুনিবের বড় দুই কন্যা আমাল ও মিরালের ভালোবাসার কথা জানিয়ে মুনিব লিখেছেন, ‘যখন তুমি আসলে, বিশ্বে জাদু নেমে আসল। তোর ছোট্ট হাত, মিস্টি হাসি এবং আরও যা কিছু সব আমাদের জন্য চিরস্থায়ী এক সম্পদ।’

    পোস্টে মুনিব আরও লিখেছেন, তোমার বড় বোনেদের পক্ষ থেকে আমরা কথা দিচ্ছি তোমার আগামী দিনগুলো ভালোবাসা, হাসি এবং আন্তরিকতায় ভরিয়ে দেব। তুমি আমাদের পরিবার সম্পূর্ণ করেছো এবং হৃদয় ভরে দিয়েছে। স্বাগতম ছোট বোন। তোমার প্রতি ভালোবাসা বাক্যে প্রকাশ সম্ভব নয়।

    একই বার্তা আইমানের বোন মিনাল খানও তার ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করেছেন। ভাগ্নিদের শুভকামনা জানিয়েছে মিনাল লিখেছেন, হৃদয় পূর্ণ হলো। আমাদের ভালোবাসা ও দোয়ায় স্বাগতম নাইমাল মুনিব।

    পাকিস্তানের বিনোদন জগতের পরিচিত মুখ আইমান ও মুনিব। দুজনেই দর্শকপ্রিয় অনেক ড্রামা সিরিয়ালে একসঙ্গে ও আলাদাভাবে অভিনয় করেছেন। একটি টেলিফিল্ম শুটিং থেকে দুজনের পরিচয়। ২০১৮ সালের ২১ নভেম্বর করাচিতে তাদের বিয়ে হয়। দম্পতির প্রথম সন্তান আমাল আসে ২০১৯ সালে, ২০২৩ সালে মিরালের জন্ম হয়। এবার তাদের ঘরে আরও এক কন্যা সন্তান।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বলিউডে ফের পাকিস্তানি গান নকলের অভিযোগ, নেট মাধ্যমে তোলপাড়

    সম্প্রতি বলিউডের একটি নতুন গান ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে তীব্র বিতর্ক ছড়িয়ে পড়েছে। কারণ, ‘ডেঞ্জার’ নামের গানটি শোনার পর অনেকেই দাবি করছেন, এটি পাকিস্তানি ড্রামা মান্নাত মুরাদ-এর জনপ্রিয় গান ‘লাল স্যুট’-এর সুর ও আবহের সঙ্গে আশ্চর্যজনকভাবে মিলে গেছে।

    মূল গান: লাল স্যুট

    • গানটি জিও এন্টারটেইনমেন্টের রোমান্টিক ড্রামা মান্নাত মুরাদ-এ ব্যবহার করা হয়।
    • অভিনয়ে ছিলেন ইকরা আজিজ ও তালহা চাহৌর।
    • ঝরঝরে বিট ও উচ্ছ্বাসময় আবহের কারণে গানটি দ্রুত দর্শকের হৃদয় জয় করে নেয় এবং নাটকের অন্যতম আকর্ষণে পরিণত হয়।

    বলিউডের নতুন গান: ডেঞ্জার

    • প্রকাশিত হয়েছে ২১ আগস্ট, বলিউডের আসন্ন সিনেমা ‘পরম সুন্দরী’র অংশ হিসেবে।
    • মুভিটির প্রধান চরিত্রে আছেন সিদ্ধার্থ মালহোত্রা ও জাহ্নবি কাপুর।
    • গানটির তাল-লয়ের সঙ্গে লাল স্যুট-এর বিটের মিল তো আছেই, এর সঙ্গে ‘লাল পোশাক’-এর উল্লেখ শ্রোতাদের দৃষ্টি কাড়ে।

    সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া

    দুটি গানের ভিডিও পাশাপাশি শেয়ার করে অনেকে প্রশ্ন তুলছেন—এটা কতটা ‘inspired’ আর কতটা সরাসরি নকল?

    এক্স (টুইটার) ও ইনস্টাগ্রামের ব্যবহারকারীরা ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করছেন।

    অনেকেই বলছেন, বলিউড আবারও পাকিস্তানের সৃজনশীলতা থেকে অতিরিক্ত ধার নিয়েছে।

    বলিউডের বিরুদ্ধে নকলের অভিযোগ নতুন নয়, এমন অভিযোগ আগেও উঠেছে। যেমন- ২০২২ সালে মুক্তি পাওয়া যুগযুগ জিও-র ‘দ্য পুঞ্জাব্বান সং’ সরাসরি নেওয়া হয়েছিল আব্রার উল হক-এর ক্লাসিক ‘নাচ পুঞ্জাবান’ থেকে। গায়ক নিজেই প্রকাশ্যে বলিউডের সমালোচনা করেছিলেন।

    পাকিস্তানি সঙ্গীতের বৈশ্বিক স্বীকৃতি

    অন্যদিক পাকিস্তানি গানের সৃজনশীলতা শুধু সমালোচনাতেই নয়, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও পাচ্ছে।

    পাকিস্তান কোক স্টুডিওকে অনেকেই অনন্য বলছেন। ভারতীয় শিল্পী শিল্পা রাও পর্যন্ত একে পাকিস্তানের প্রধান সঙ্গীতধারা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

    পাশাপাশি অসংখ্য ড্রামা OST (অরিজিনাল সাউন্ডট্র্যাক) ঘরে ঘরে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

    মোদ্দাকথা হলো- ডেঞ্জার গানকে ঘিরে বিতর্ক হয়তো দ্রুত স্তিমিত হবে, কিন্তু এটি আবারও প্রমাণ করে যে—পাকিস্তানি সঙ্গীত আজও দক্ষিণ এশিয়ার শ্রোতাদের জন্য মৌলিক অনুপ্রেরণার উৎস। আর বলিউড এখন আর তেমন দীর্ঘস্থায়ী হিট গান তৈরি করতে পারছে না, যেভাবে করত ২০০০ থেকে ২০২০-এর দশকে। সূত্র: জিও নিউজ

    বিনোদন ডেস্ক

  • মুক্তিযুদ্ধের নাম কি তবে ‘৭১ ডিল’ হয়ে গেল: শাওন

    অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনকে পর্দায় সেভাবে দেখা না গেলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সব সময়ই সরব। বিভিন্ন ইস্যুে নিয়ে প্রায় কথা বলতে দেখা যায় তাকে। এবার পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এনসিপির নেতৃবৃন্দের বৈঠক নিয়ে কথা বললেন শাওন।

    এনসিপি নেতাদের বক্তব্যের একটি ভিডিও শেয়ার করে শাওন বললেন, মুক্তিযুদ্ধের নাম কি তবে ‘৭১ ডিল’ হয়ে গেল! 

    ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘এই ‘ঘিলু’ মহোদয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়ে গেলেন কবে? ফরেন পলিসি নিয়ে পাকিস্তানের ফরেন মিনিস্ট্রির সঙ্গে মিটিং করছেন! উনার ভাষ‍্যমতে গত ১৫/২০ বচ্ছরে অনেক চেষ্টা করেও পাকিস্তান তাদের ভালো ভালো জিনিস আমাদের শেখাতে পারে নাই! যাক ভালোই হলো, ‘বিল্ডিং রিলেশনশিপ’-এর পর এখন বাংলাদেশ সব শিখে নিবে।

    এর পর শাওন লেখেন, ‘৪৪ সেকেন্ড পার করে দেখলাম ‘৭১ ডিলের একটা ইস‍্যু’ও নাকি আছে যেটা ওনাদের মতে দ্রুত সলভ (!) করা উচিত। মুক্তিযুদ্ধের নাম কি তবে ‘৭১ ডিল’ হয়ে গেল!

    শাওনের পোস্টে এ প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে দেখা গেছে অনুরাগীদের। অনেকেই শাওনের সঙ্গে একমত পোষণ করছেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    কেউ মন্তব্য করে প্রশ্ন তুলেছেন, ‘কেন পাকিস্তান? আর আপনাদের এই দায়িত্ব কে দিয়েছে?’ কারো মন্তব্য, ‘পাকিস্তান চাই না। পাকিস্তানের কিছু ডিল চাই না।’ কেউ বলেছেন, ‘ওনাদের কাছ থেকে কি শিখব। বুঝলাম না কিছুই।’

    উল্লেখ্য, ঢাকায় সফররত পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ ইসহাক দারের সঙ্গে বৈঠক করেছে বাংলাদেশের জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। শনিবার (২৩ আগস্ট) বিকালে ঢাকার পাকিস্তান হাইকমিশনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে এনসিপির নেতৃবৃন্দরা বলেন, পাকিস্তানের দূতাবাস থেকে এনসিপির ৭ সদস্যের প্রতিনিধি দলকে বৈঠকের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। বৈঠকে তারা বাংলাদেশের জনগণের ভাবনা তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। দুই দেশের মধ্যে যে শত্রুভাবাপন্ন সম্পর্ক ছিল, সেখান থেকে উন্নতির সুযোগ রয়েছে এবং এই উন্নতির জন্য একাত্তরের ইস্যু অবশ্যই সমাধান করা উচিত।

    সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী ‘৭১ ডিল’ শব্দটি উচ্চারণ করেন। যা ঘিরে এই পোস্ট দিলেন শাওন।

    যুগান্তর ডেস্ক

  • বাবা হারালেন আতিফ আসলাম

    পাকিস্তান ও উপহমাদেশের জনপ্রিয় গায়ক আতিফ আসলামের বাবা পিতা মোহাম্মদ আসলাম মারা গেছেন। দীর্ঘদিন অসুস্থত থাকার পর ৭৭ বছর বয়সে পরকালে পারি জমালেন তিনি। বাবার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে আতিফের পরিবারে, আর এই দুঃসংবাদ নাড়া দিয়েছে ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের হৃদয়েও।

    পাকিস্তান অবজার্ভারের প্রতিবেদনে জানা গেছে, খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে ভক্ত, সহশিল্পী ও শোবিজ তারকারা আতিফকে সমবেদনা জানাচ্ছেন। গায়কের বাবার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে লাহোরের ভ্যালেন্সিয়া টাউনে। 

    দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম জনপ্রিয় শিল্পী আতিফ আসলাম ২০০০-এর দশকের শুরুতে ‘জলপারি’ অ্যালবামের মাধ্যমে সংগীতজগতে অভিষেক করেন। এরপর বলিউড, কোক স্টুডিওসহ বিভিন্ন মঞ্চে তার গান বিপুল জনপ্রিয়তা পায়। উর্দুসহ একাধিক ভাষায় গান গাওয়া এই শিল্পী দেশ-বিদেশে অসংখ্য কনসার্টে পারফর্ম করেছেন। বাংলাদেশেও তিনি একাধিকবার মঞ্চে গান পরিবেশন করেছেন।

    অনলাইন ডেস্ক

  • আসিমের কনসার্টে হানিয়া, ফের আলোচনায় পাকিস্তানের এ জুটি

    পাকিস্তানি অভিনেত্রী হানিয়া আমির ও গায়ক আসিম আজহারকে নিয়ে আবারও গুঞ্জন শুরু হয়েছে। সম্প্রতি করাচিতে আসিমের এক কনসার্টে হানিয়ার উপস্থিতি তাদের পুরোনো সম্পর্ক নিয়ে  আবারও আলোচনা উসকে দিয়েছে।

    করাচিতে আয়োজিত এই কনসার্টে সামনের সারিতে বসে হানিয়াকে বন্ধু ইয়াশমা গিলের সঙ্গে অনুষ্ঠান উপভোগ করতে দেখা যায়। 

    কনসার্টে আসিম যখন তার জনপ্রিয় গান ‘তারাস্তি হ্যায় নিগাহেন’ গাইছিলেন, তখন ক্যামেরার লেন্স ঘুরে যায় হানিয়ার দিকে। ভিডিওতে দেখা যায়, গানটি শোনার সময় হানিয়াকে বেশ আবেগপ্রবণ ও মুগ্ধ দেখাচ্ছে। এরপর থেকেই নেটিজেনরা সেই ভিডিও শেয়ার করে নানা মন্তব্য করছেন। 

    সেই মুহূর্তের ভিডিও ভাইরাল হতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে জোর আলোচনা।

    কনসার্টে হানিয়ার উপস্থিতি দেখে ভক্তদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ উচ্ছ্বসিত হয়ে লিখেছেন, “এত বছর পর একসঙ্গে! আমার ‘হাসিম’ হার্ট আবার লাইভ!” কেউ আবার মনে করছেন, তারা কেবল পেশাদার বন্ধু হিসেবেই একে অপরের প্রতি সমর্থন দেখাচ্ছেন।

    ২০১৮ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত হানিয়া ও আসিমের প্রেম নিয়ে সরগরম ছিল পাকিস্তানি মিডিয়া। অনেকেই তাদের ‘আদর্শ জুটি’ বলে আখ্যা দিয়েছিলেন। তবে ২০২০ সালে হানিয়া জানান, তারা শুধুই ভালো বন্ধু। 

    এরপর আসিম মডেল মেরুব আলীর সঙ্গে বাগদান সম্পন্ন করেন এবং আগামী মাসে তাদের বিয়ে হওয়ার কথা রয়েছে।

    হানিয়ার কনসার্টে আসার পর থেকে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, তাহলে কি তাদের সম্পর্ক এখনো বন্ধুত্বের চেয়েও বেশি কিছু? 

    অবশ্য এখনও পর্যন্ত হানিয়া বা আসিম কেউই এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেননি। তবে হানিয়া তার ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে কনসার্টের ছবি ও ইমোজি শেয়ার করে সেই জল্পনাকে আরও উসকে দিয়েছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে পাকিস্তানি অভিনেত্রী

    পাকিস্তানি টেলিভিশন অভিনেত্রী ও মডেল সাবা কামারকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সোমবার (৪ আগস্ট) বুকে ব্যথা অনুভব করার পরই হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি।

    তবে হাসপাতাল সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, বর্তমানে সাবা কামার স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছেন এবং পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

    এদিন পাকিস্তানের সিনিয়র হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মুমতাজ শাহসহ একদল চিকিৎসক তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পন্ন করেন। অবস্থার উন্নতি হলে তাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

    সাবা কামার পাকিস্তানের অন্যতম প্রশংসিত অভিনেত্রী। তিনি তার বহুমাত্রিক অভিনয় দক্ষতা ও শক্তিশালী পর্দা উপস্থিতির জন্য পরিচিত।

    ৪১ বছর বয়সি এই অভিনেত্রী ২০০৫ সালে টেলিভিশন নাটক ‘ম্যায় আওরত হুঁ’ দিয়ে অভিনয় জীবন শুরু করেন এবং দ্রুতই জনপ্রিয়তা লাভ করেন। তার উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে রয়েছে ‘দাস্তান’, ‘মাআত’, ‘পানি জাইসা পেয়ার’ এবং ‘বাগি’। বিশেষ করে ‘বাগি’-তে কান্দিল বালোচ চরিত্রে তার অভিনয় সমাজের ভণ্ডামি ও নারীদের সংগ্রামের বাস্তবতা ফুটিয়ে তোলে এবং ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    টেলিভিশনের পাশাপাশি চলচ্চিত্রেও সাবা কামার শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছেন। ২০১৭ সালে তিনি বলিউডে ইরফান খানের বিপরীতে ‘হিন্দি মিডিয়াম’ সিনেমার মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করেন। সমাজ-ব্যঙ্গাত্মক এই ছবিটি বক্স অফিসে সাফল্যের পাশাপাশি সমালোচকদেরও প্রশংসা কুড়ায়। এতে তার অভিনয় ভারত ও পাকিস্তান—উভয় দেশেই ব্যাপক প্রশংসিত হয়।

    পাকিস্তানি চলচ্চিত্রেও তার উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি রয়েছে, যার মধ্যে ‘লাহোর সে আগে’ ও ‘কমলি’ উল্লেখযোগ্য। বিশেষ করে ‘কমলি’ সিনেমায় অভিনয় তাকে তার প্রজন্মের সেরা অভিনেত্রীদের কাতারে তুলে আনে।

    অভিনয়ের বাইরেও সাবা কামার একজন সফল মডেল ও উপস্থাপক। তিনি সামাজিক ইস্যু, নারীর অধিকার এবং মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে নিয়মিত কথা বলেন এবং সচেতনতা তৈরিতে নিজের অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখেন।

    বিনোদন ডেস্ক