Tag: পাকিস্তান

  • যে কারণে ৬ মাস ধরে উর্দু শেখেন ব্রিটিশ গায়িকা

    হেডিংলিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট শুরুর আগে পাকিস্তানের জাতীয় সঙ্গীতের এক ব্যতিক্রমী পরিবেশনা দেখা গেছে। ইংলিশ গায়িকা লরা রাইট উর্দু ভাষায় পাকিস্তানের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার এই পরিবেশনা নিয়ে নানা আলোচনা হলেও, গায়িকা নিজে জানিয়েছেন পাকিস্তানের জাতীয় সঙ্গীতের সঠিক উচ্চারণ আয়ত্ত করতে কতটা পরিশ্রম করতে হয়েছে তাকে। 

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে লরা রাইট জানান, পাকিস্তানের জাতীয় ভাষা উর্দু শিখতে তিনি টানা ছয় মাস সময় দিয়েছেন। এর আগে ২০২৫ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের টেস্ট সিরিজ চলাকালীন ভারতীয় জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন’-ও বাংলায় গেয়েছিলেন তিনি।

    বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইভেন্টে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করে পরিচিতি পাওয়া লরা রাইট উর্দু ও বাংলা ভাষা শেখার পেছনে নিজের প্রস্তুতির কথা তুলে ধরেন।

    ‘দ্য অ্যাথলেটিক’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাইট বলেন, যেকোনো দেশের জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার সুযোগ পাওয়াটা অত্যন্ত সম্মানের এবং আমি এটাকে কখনোই হালকাভাবে নেই না। তবে ভারত ও পাকিস্তানের জাতীয় সঙ্গীত গাওয়াটা সত্যিই বড় চ্যালেঞ্জ। যখন আমাকে এগুলোর জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয়, ‘হ্যাঁ’ বলার আগে আমি ভালো করে ভেবে দেখি, কারণ আমি নিশ্চিত হতে চাই যে, উচ্চারণগুলো সঠিকভাবে করতে পারব কিনা।

    পাকিস্তানের জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার সুযোগ প্রসঙ্গে এই গায়িকা আরও বলেন, আমার নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন ছিল যে, এটি শেখার জন্য আমার হাতে পর্যাপ্ত সময় আছে কিনা। আর আমি গত ছয় মাস ধরে উর্দু ভাষা নিয়ে কাজ করছি। এটি এমন নয় যে, কেউ এসে আমাকে বলল, ‘তুমি কি এসে জেরুজালেম গানটি গাইতে পারবে?’ এটি তার চেয়েও অনেক বড় কিছু। তবে এটি আমার জন্য এক বিশাল সৌভাগ্যের বিষয় এবং আমি শুধু আশা করি যেন এর সঠিক মর্যাদা রাখতে পারি।

    ভারতের জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার আগের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে রাইট জানান, সে সময় তিনি বেশ নার্ভাস ছিলেন।

    তিনি আরও বলেন, প্রথমবার ভারতের জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার সময় আমি সম্ভবত জীবনের সবচেয়ে বেশি নার্ভাস ছিলাম। আপনি যখন ক্লাসিক্যাল মিউজিক নিয়ে পড়াশোনা করবেন, তখন ইতালীয় বা জার্মান ভাষার একটা প্রাথমিক ধারণা আপনাকে দেওয়া হবে। কিন্তু যখন জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করতে যাবেন, তখন আপনাকে সম্পূর্ণ ভিন্ন ভিন্ন সব ভাষার মুখোমুখি হতে হবে।

    নিজের প্রস্তুতির বিস্তারিত জানিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, আমি দীর্ঘ সময় ধরে ভারতের জাতীয় সঙ্গীত শুনেছি এবং উচ্চারণ, লয় ও শব্দের অর্থ বোঝার জন্য দুই-তিনজন ব্যক্তির সঙ্গে সময় কাটিয়েছি, যেন তাদের কথা বলা শুনে শিখতে পারি। এটি এই পেশার এমন একটি দিক, যা সাধারণ মানুষ দেখতে পায় না।

    অনলাইন ডেস্ক

  • মিস ইউনিভার্স পাকিস্তান মুকুট জিতলেন মিসবাহ আরশাদ

    ফিলিপাইনে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে ‘মিস ইউনিভার্স পাকিস্তান ২০২৬’র বিজয়ী হয়েছেন মিসবাহ আরশাদ। এর মাধ্যমে চতুর্থ পাকিস্তানি নারী হিসেবে তিনি আসন্ন আন্তর্জাতিক মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় নিজ দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছেন। 

    অনুষ্ঠানে মিস ইউনিভার্স পাকিস্তান ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিক জশ ইউগেন নতুন বিজয়ী মিসবাহ আরশাদকে অফিশিয়াল স্যাশ পরিয়ে দেন এবং তার পূর্বসূরি রোমা রিয়াজ মাথায় বিজয়ীর মুকুট তুলে দেন। 

    মনোনয়ন পর্বের চূড়ান্ত প্রশ্নোত্তর পর্বে দুর্দান্ত উত্তর দিয়ে বিচারকদের মন জয় করে নেন মনোবিজ্ঞানের শিক্ষার্থী মিসবাহ। বিচারক মণ্ডলীর সদস্য, ফিলিপিনো সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা বেইলি মে তাকে প্রশ্ন করেন—যদি তার ১০ বছর ও ৮০ বছর বয়সি দুই রূপ একই কক্ষে মুখোমুখি হয়, তবে কার প্রশ্নটি বেশি কঠিন হবে? 

    উত্তরে মিসবাহ জানান, তার ১০ বছর বয়সি রূপটিই সবচেয়ে কঠিন প্রশ্ন করবে, কারণ সে জানতে চাইবে বড় হয়ে তার জীবন কেমন কেটেছে। 

    তিনি বলেন, ‘আমি আমার শৈশবের রূপকে বলব যে জীবনে বহুবার আমি ব্যর্থ হয়েছি, কিন্তু প্রতিবারই নতুন করে ঘুরে দাঁড়িয়েছি। এটি জীবনের এক সুন্দর চক্র, যা শুধু মেনে নেওয়াই নয়, বরং উপভোগ করা উচিত। কারণ আগুন যত উত্তপ্ত হয়, সোনা তত খাঁটি হয়।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    আন্তর্জাতিক সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় মিসবাহর অংশগ্রহণ এবারই প্রথম নয়। ইতোপূর্বে তিনি জাপানে ‘মিস ইন্টারন্যাশনাল ২০২৩’ এবং পোল্যান্ডে ‘মিস সুপ্রান্যাশনাল ২০২৪’-এ পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। 

    নিজের এই দীর্ঘ পথচলা নিয়ে তিনি বলেন, ‘ব্যর্থতা দিয়ে জয়ী বা বিজয়ী নির্ধারণ করা যায় না। আসল বিষয় হলো আশা বজায় রাখা এবং প্রতিটি পদক্ষেপে নিজেকে আরও উন্নত করা। মুকুট জয় বড় বিষয় হলেও, এই পথচলায় শেখা শিক্ষা এবং মানুষের সঙ্গে তৈরি হওয়া সম্পর্কই আমার জন্য আসল পুরস্কার।’ 

    পুয়ের্তো রিকোয় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ৭৫তম মিস ইউনিভার্স মূল আসরে অংশ নিতে যাবেন মিসবাহ। 

    উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে যাত্রা শুরু করে মিস ইউনিভার্স পাকিস্তান ফ্র্যাঞ্চাইজি। সে বছর দেশটির প্রথম প্রতিনিধি হিসেবে ইতিহাস গড়ে এল সালভাদরে ‘টপ ২০’-এ জায়গা করে নিয়েছিলেন এরিকা রবিন। এর পরের বছরগুলোতে যথাক্রমে নূর জারমিনা (২০২৪, মেক্সিকো) এবং রোমা রিয়াজ (২০২৫) পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করেন। পরবর্তীতে রোমা রিয়াজ ফ্র্যাঞ্চাইজিটির জাতীয় পরিচালকের দায়িত্ব নেন এবং নতুন প্রতিযোগীদের প্রশিক্ষণ দিতে শুরু করেন। 

    সূত্র: সামা টিভি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • মাহিরা-ফাহাদকে জাতীয় পুরস্কার দিতে নারাজ পাকিস্তান সরকার

    পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের সংস্কৃতি ও পর্যটনমন্ত্রী সৈয়দ জুলফিকার আলী শাহ দাবি করেছেন যে, পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় দুই অভিনয়শিল্পী মাহিরা খান এবং ফাহাদ মুস্তফাকে সম্মানজনক জাতীয় বেসামরিক পুরস্কার ‘সিতারা-ই-ইমতিয়াজ’-এর জন্য মনোনীত করা হলেও তা প্রত্যাখ্যান করেছে ফেডারেল (কেন্দ্রীয়) সরকার। 

    করাচিতে আয়োজিত আট দিনব্যাপী ‘ওয়েস-ধারী সিন্ধি থিয়েটার ফেস্টিভাল ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। 

    জুলফিকার শাহ জানান, সিন্ধু সংস্কৃতি বিভাগ থেকে দুই দফায় মাহিরা খান এবং ফাহাদ মুস্তফার নাম সিতারা-ই-ইমতিয়াজের জন্য সুপারিশ করে পাঠানো হয়েছিল। 

    তিনি উল্লেখ করেন, প্রখ্যাত ব্যক্তিত্বদের সমন্বয়ে গঠিত একটি কমিটির সুপারিশক্রমেই এই মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কোনো সুস্পষ্ট বা ব্যাখ্যাসহ কারণ দর্শানো ছাড়াই কেন্দ্রীয় সরকার প্রস্তাবটি বাতিল করে দেয়। 

    এ ঘটনায় তিনি প্রশ্ন তোলেন, বিনোদন শিল্পে অসামান্য অবদান রাখা সত্ত্বেও কেন সিন্ধুর দুই গুণী তারকাকে জাতীয় পর্যায়ে মূল্যায়ন করা হলো না। 

    পাকিস্তানের সিন্ধু অঞ্চলের শিল্পীদের সার্বিক অবদানের কথা তুলে ধরে সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, এই প্রদেশের শিল্পীরা কেবল পাকিস্তানেই নয়, ভারত এবং উপসাগরীয় দেশগুলোতেও নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা ও সুনাম তৈরি করেছেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিনি জোর দিয়ে বলেন, প্রদেশের শিল্পীরা সীমানা পেরিয়ে দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন, অথচ তাদের একটি বড় অংশই কেন্দ্র থেকে কাঙ্ক্ষিত স্বীকৃতি পাননি। আন্তর্জাতিক মঞ্চে পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্বকারী হিসেবে তিনি বিশেষভাবে মাহিরা খান ও ফাহাদ মুস্তফার অবদানের কথা উল্লেখ করেন। 

    পাকিস্তানের সাংস্কৃতিক খাত ও শিল্পীদের মূল্যায়নে কেন্দ্রীয় সরকারকে আরও গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান সিন্ধুর সংস্কৃতি ও পর্যটনমন্ত্রী জুলফিকার আলী শাহ। তিনি বলেন, সিন্ধুর খ্যাতিমান শিল্পীরা পুরো পাকিস্তানের জন্য সম্মান বয়ে এনেছেন, তাই জাতীয় পর্যায়ে তাদের যথাযথ স্বীকৃতি পাওয়া প্রাপ্য। 

    ‘আমি কেন্দ্রকে আহ্বান জানাব যেন তারা শিল্পীদের এবং দেশের সাংস্কৃতিক খাতকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে,’ বলেন তিনি। 

    সিতারা-ই-ইমতিয়াজের মতো মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার না পাওয়ার ঘটনাটি পাকিস্তানের সাংস্কৃতিক ও বিনোদন অঙ্গনে শিল্পীদের প্রতি কেন্দ্রীয় সমর্থনের ঘাটতিকেই ফুটিয়ে তোলে বলে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন। 

    সূত্র: সামা টিভি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • পাকিস্তানি টিকটকার আয়েশাকে গুলি করে হত্যা, নেপথ্যে যা জানা গেল

    পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে ২৬ বছর বয়সি এক টিকটকারকে গুলি করে হত্যা করেছে একদল অজ্ঞাত পরিচয় হামলাকারী। শামসু বিবি (যিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘আয়েশা গিলামনা’ নামে পরিচিত) আর্থিক সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে খুন হয়েছেন বলে জানা গেছে। খবর দ্য প্রিন্টের। 

    পুলিশ অপরাধীদের গ্রেফতার করতে ব্যর্থ হওয়ায় নিহতের ভাই নিয়ামাতুল্লাহ জানান, তারা ন্যায়বিচারের জন্য পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মারিয়াম নওয়াজ শরিফের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। 

    এই হত্যাকাণ্ড পাকিস্তানে নারীদের ওপর চলমান সহিংসতার বিষয়টি আবারও জোর আলোচনায় নিয়ে এসেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই হত্যাকাণ্ডের একটি ভিডিও ফুটেজ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, একটি মোটরসাইকেলে আসা দুই ব্যক্তি বাজারে একটি গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছিল। পরে তারা আয়েশার গাড়ির কাছাকাছি এসে ভেতরে একাধিক গুলি চালায় এবং স্থান ত্যাগ করে। 

    মৃত্যুর পর আয়েশার টিকটক অ্যাকাউন্টটি নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে, যেখানে তার ফলোয়ার সংখ্যা ছিল ১৩ লাখেরও বেশি। রাওয়ালপিন্ডি-ইসলামাবাদ অঞ্চলে টিকটক কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও তরুণীদের লক্ষ্য করে হামলা ও হত্যাকাণ্ডের ধারাবাহিক ঘটনায় এটি নতুন সংযোজন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    আয়েশার এই নির্মম হত্যাকাণ্ড নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। স্বতন্ত্র পাকিস্তানি সাংবাদিক আম্মারা আহমেদ সংবাদ পরিবেশনায় দেখা যাওয়া অসংবেদনশীলতা এবং নারীবিদ্বেষী দৃষ্টিভঙ্গির কড়া সমালোচনা করেছেন। 

    একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পেজ তার জানাজায় মানুষের কম উপস্থিতি নিয়ে ব্যঙ্গ করে লেখে, ‘১৩ লাখ ফলোয়ার থাকার পরও তার জানাজায় খুব অল্প মানুষ উপস্থিত ছিল, যা সোশ্যাল মিডিয়ার আসল চেহারা তুলে ধরে।’ 

    এই প্রসঙ্গে আম্মারা আহমেদ মন্তব্য করেন, ‘পাকিস্তানি নারীরা মৃত্যুর পরও ন্যুনতম সম্মান পান না। শামসু বিবি ট্যাক্সিলায় নিহত একজন তরুণ ইনফ্লুয়েন্সার ছিলেন। আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি পেজের শিরোনাম হলো এটি! ছবিগুলো তার আসল জানাজার কিনা তা স্পষ্ট নয়, তবে যিনি বা যারা এটি পোস্ট করেছেন তাদের জন্য লজ্জা।’ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • তীব্র সমালোচনার মুখে রাহাত ফতেহ আলী খান, নেপথ্যে যে কারণ

    কিংবদন্তি পাকিস্তানি কাওয়ালি শিল্পী নুসরাত ফতেহ আলী খানের প্রয়াণ দিবসে তার মাজারে কাওয়ালি পরিবেশন করে সামাজিক মাধ্যমে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন দেশটির আরেক খ্যাতনামা গায়ক রাহাত ফতেহ আলী খান। 

    সম্প্রতি নুসরাত ফতেহ আলী খানের প্রায় তিন দশক আগের প্রয়াণ দিবস উপলক্ষ্যে তার কবরে শ্রদ্ধা জানাতে যান রাহাত ফতেহ আলী খান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন তার ছেলে শাহজামান আলী খান। সেখানে বিপুলসংখ্যক অনুরাগীর উপস্থিতিতে পিতা-পুত্র মিলে একটি কালাম (সুফি গান) পরিবেশন করেন। 

    সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এ ঘটনার ভিডিওতে দেখা যায়, গান পরিবেশনের সময় উপস্থিত দর্শকরা আকাশে কাগজের টাকা উড়িয়ে দিচ্ছেন। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পরপরই শুরু হয় তীব্র বিতর্ক। 

    কবরের সামনে গান গাওয়া এবং টাকা ওড়ানোর ধরন নিয়ে নেটিজেনদের বড় একটি অংশ অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। ভিডিওর কমেন্ট বক্সে এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘কবরের কোনো সম্মান রাখা হয়নি।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অন্য একজন কটাক্ষ করে মন্তব্য করেন, ‘মনে হচ্ছে তিনি আবার মদ্যপ অবস্থায় আছেন।’ আবার অনেককেই ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’ লিখে এই আচরণের তীব্র নিন্দা জানাতে দেখা গেছে। 

    শ্রদ্ধা জানানোর এ পদ্ধতি আদৌ সমীচীন কিনা, তা নিয়ে ভক্তদের মধ্যে এখন জোর বিতর্ক চলছে। 

    উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালের আগস্টে মাত্র ৪৮ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বিশ্বখ্যাত কাওয়াল নুসরাত ফতেহ আলী খান। তার সংগীতজীবনের শুরু থেকেই চাচা নুসরাতের সঙ্গে পরিবেশনায় অংশ নিতেন রাহাত। চাচার মৃত্যুর পর তিনি এককভাবে নিজেকে পাকিস্তানের অন্যতম প্রধান কাওয়ালি শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন এবং পরিবারের এই সুরের ধারা বহন করে চলছেন। 

    তবে শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের উদ্দেশ্যে গানটি গাওয়া হলেও স্থান ও পরিবেশনার ধরন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা থামছেই না। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘তেরা মেরা রিশতা ২.০’ নিয়ে ফিরলেন মুস্তফা জাহিদ

    প্রায় দুই দশক পর ইমরান হাশমির ২০০৭ সালের আলোচিত সিনেমা ‘আওয়ারাপান’-এর জনপ্রিয় গান ‘তেরা মেরা রিশতা’ নতুন করে শ্রোতাদের সামনে নিয়ে এলেন পাকিস্তানি রক ব্যান্ড রক্সেন-এর প্রধান গায়ক মুস্তফা জাহিদ। 

    গত ১৪ আগস্ট গানটির নতুন সংস্করণ প্রকাশ করেন তিনি। গানটিতে মূল সুরের প্রাণবন্ত আমেজ ঠিক রেখে লিরিক্সে কিছুটা পরিমার্জন আনা হয়েছে। 

    মিউজিক ভিডিওতে জাহিদকে একটি উন্মুক্ত স্থানে রাতের বেলা গানটি পরিবেশন করতে দেখা যায়, যার পটভূমিতে দৃশ্যমান ছিল শহরের চোখধাঁধানো স্কাইলাইন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ভারতীয় সিনেমায় পাকিস্তানি শিল্পীদের কাজের ওপর চলমান নিষেধাজ্ঞার কারণে ‘আওয়ারাপান ২’ সিনেমার অফিশিয়াল সাউন্ডট্র্যাকে অংশ নিতে পারেননি মুস্তফা জাহিদ। মূল অ্যালবাম থেকে বাদ পড়লেও এই ফ্র্যাঞ্চাইজি থেকে গানটিকে হারিয়ে যেতে দেননি তিনি। ভক্তদের কথা ভেবেই ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম রিলস এবং বিভিন্ন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে স্বাধীনভাবে নিজের এই একক সংস্করণটি মুক্তি দেন তিনি। 

    অন্যদিকে, ইমরান হাশমি ও দিশা পাটানি অভিনীত ‘আওয়ারাপান ২’ সিনেমাটি নিজস্ব অফিশিয়াল সাউন্ডট্র্যাক নিয়েই মুক্তি পেয়েছে। তবে প্রযোজনা সংস্থার অ্যালবাম থেকে বাদ পড়লেও, নিজস্ব কণ্ঠে গানটি নিয়ে এসে দুই দেশের শ্রোতাদের ফ্র্যাঞ্চাইজিটির সেই পুরানো আবেগে আবারও ভাসিয়েছেন মুস্তফা জাহিদ। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • নেট দুনিয়ায় দুরেফিশানকে ঘিরে সমালোচনার ঝড়

    পাকিস্তানি অভিনেত্রী দুরেফিশান সেলিমকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলা সমালোচনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। সম্প্রতি প্রচারিত ধারাবাহিক ‘দার-ই-নিজাত’-এ তার ইংরেজি সংলাপ বলার ধরন নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হলে বিষয়টি ব্যক্তিগত আক্রমণের পর্যায়ে পৌঁছে যায়। এ পরিস্থিতিতে সহশিল্পীর পক্ষে প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী সানাম সাইদ।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে সানাম সাইদ বলেন, কোনো শিল্পীর উচ্চারণ বা উপস্থাপনা নিয়ে এভাবে উপহাস করা অযৌক্তিক ও অস্বস্তিকর। বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে দুরেফিশানকে যেভাবে লক্ষ্যবস্তু বানানো হচ্ছে, তা নির্মমতা এবং অসংবেদনশীলতার পরিচয় বহন করে।

    ‘দার-ই-নিজাত’ নাটকে দুরেফিশান অভিনীত ‘জারিয়াব’ চরিত্রটি একটি সম্ভ্রান্ত পরিবারের মেয়ে, যে যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছে। চরিত্রের প্রয়োজনেই তাকে উর্দু ও ইংরেজির মিশ্রণে কথা বলতে দেখা যায়।

    তবে দর্শকদের একটি বড় অংশের মতে, বিতর্কের মূল কারণ অভিনেত্রীর উচ্চারণ নয়; বরং নাটকের চিত্রনাট্য ও সংলাপের দুর্বলতা। একজন দর্শক মন্তব্য করেন, একটি চরিত্রকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে শক্তিশালী সংলাপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চিত্রনাট্য দুর্বল হলে কোনো অভিনেতার পক্ষেই চরিত্রটিকে পূর্ণতা দেওয়া কঠিন।  

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    আরেক দর্শকের ভাষ্য, চিত্রনাট্যের ত্রুটি তুলে ধরা ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়; বরং এটি গঠনমূলক সমালোচনার অংশ হিসেবে দেখা উচিত।

    অভিনয়শিল্পীদের কাজের মূল্যায়ন ও সমালোচনা স্বাভাবিক হলেও, তা ব্যক্তিগত আক্রমণে রূপ নেওয়া কতটা গ্রহণযোগ্য—সানাম সাইদের এই প্রশ্ন এখন পাকিস্তানের বিনোদন অঙ্গনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

    উল্লেখ্য, ‘ইশক মুর্শেদ’ নাটকে বিলাল আব্বাস খানের বিপরীতে অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন দুরেফিশান সেলিম। সম্প্রতি তাকে ‘কাফিল’ ধারাবাহিকে ‘জেব’ চরিত্রেও দেখা গেছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘পাকিস্তানি বর চাই’, কঙ্গনার পুরনো ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তোলপাড়

    কঙ্গনা রানাওয়াত তার বক্তব্যের জন্য ফের শিরোনামে উঠেছেন। সম্প্রতি তিনি নিজেকে একজন কট্টর হিন্দু হিসেবে বর্ণনা করে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। একই সঙ্গে, সোনাক্ষী সিনহার নাম উল্লেখ না করে তাকে লক্ষ্য করে বলেন, বলিউডের কিছু অভিনেত্রী প্রথমে ধর্ম ও রাজনীতি নিয়ে একেবারে নিরপেক্ষ থাকলেও পরে একজন মুসলিমকে বিয়ে করার পর হঠাৎ করে বামপন্থী হয়ে যান। 

    কঙ্গনার এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার সঙ্গে সঙ্গেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা তার একটি পুরনো সাক্ষাৎকার সামনে নিয়ে আসেন, যেখানে তিনি পাকিস্তানি বর চাওয়ার কথা বলেছিলেন।

    ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া ওই পুরোনো ভিডিওতে কঙ্গনাকে মজা করে একজন সাংবাদিকের কাছে নিজের জন্য একজন পাকিস্তানি বর খুঁজে দিতে বলতে দেখা যায়। ভিডিওর শুরুতেই সাংবাদিক কঙ্গনাকে বলেন, ‘এটাই তাহলে ঠিক হলো তো! আমি পাকিস্তান থেকে আপনার জন্য পাত্র খুঁজছি। কেমন ছেলে খুঁজব?’   

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    জবাবে হেসে কঙ্গনা বলেন, ‘আমি তো বলেই দিয়েছি, বয়স ৩০ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে হলেই হবে। আর সে যদি আমাকে চিনতেও না পারে, তাতেও কোনো সমস্যা নেই। আমি আমার সঙ্গীর সঙ্গে খুব সাধারণ জীবন কাটাতে চাই। আমি খুব ভালো চিকেন রান্না করতে পারি। চিকেন কোরমা, চিকেন মাখনিসহ নানা ধরনের পদ বানাতে পারি। ভারতীয় ও মুঘলাই—দুই ধরনের রান্নাই করতে জানি।’

    কঙ্গনার এই ভিডিও ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। একজন লিখেছেন, ‘কঙ্গনা আসলে ভুলে গেছেন যেতাঁর পুরোনো সাক্ষাৎকার সব সময় ইন্টারনেটে থেকে যাবে। আজ যে ব্যক্তি অন্যের আন্তঃধর্মীয় বিয়ের দিকে আঙুল তুলছেন, তিনি একসময় একজন পাকিস্তানি মুসলিমকে বিয়ে করার স্বপ্ন দেখছিলেন।’

    আরেকজন লিখেছেন, ‘যে নারী সবাইকে উদারপন্থী ও বামপন্থী শ্রেণিতে ভাগ করে দিয়েছেন, তিনি নাকি বিয়ের জন্য একজন মুসলিম পাকিস্তানি পুরুষকে খুঁজছিলেন!’

    সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস 

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে কারণে বাংলাদেশি যুবককে বিয়ে করেন পাকিস্তানি ভ্লগার

    ভালোবাসার টানে দুই দেশের সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশি যুবককে বিয়ে করেছেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় ভ্লগার রুবিনা মারুফ। বিয়ের খবরটি আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছিলেন তিনি। এবার জানালেন, কেন বাংলাদেশিকেই জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিয়েছেন।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় করা এক পোস্টে রুবিনা লেখেন, হ্যাঁ, আমি একজন বাংলাদেশি পুরুষকে বিয়ে করেছি। প্রথমবার বাংলাদেশে যাওয়ার সময় মা আমাকে প্রতিশ্রুতি দিতে বলেছিলেন, সেখানে যেন আমি মারা না যাই বা বিয়ে না করি। কিন্তু আল্লাহর পরিকল্পনা সব সময়ই আমাদের পরিকল্পনার চেয়ে বড়। তিনি জানতেন, আমি বাংলাদেশকে কতটা ভালোবাসি এবং নিজের শিকড়ের সঙ্গে কতটা গভীরভাবে যুক্ত অনুভব করি। 

    তিনি আরও জানান, তার স্বামী রকিবুল হাসান বাংলাদেশের রংপুরের বাসিন্দা এবং বর্তমানে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে কর্মরত। তাদের লাহোরে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। 

    বাংলাদেশের সংস্কৃতির প্রতি নিজের ভালোবাসার কথাও তুলে ধরে রুবিনা লেখেন, বিয়ের দিন শাড়ি পরেছিলাম বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে বরণ করে নেওয়ার জন্য। একই সঙ্গে পাকিস্তান ও বাংলাদেশকে আরও কাছাকাছি আনার সৌন্দর্য উদ্‌যাপন করতেই এই পোশাক বেছে নিয়েছি। 

    তিনি আরও জানান, তার মা এই বিয়ে নিয়ে খুবই খুশি ও সন্তুষ্ট। বাবা আবেগাপ্লুত হলেও আনন্দিত। খুব শিগগিরই বাবা-মাকে বাংলাদেশে নিয়ে আসার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

    উল্লেখ্য, রুবিনা মারুফের পরিবারের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক বহু পুরোনো। তার বাবা ১৯৬৮ সালে যশোর থেকে পাকিস্তানের পাঞ্জাবে চলে যান এবং সেখানেই স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। সেই পারিবারিক শিকড়ের টান এবং বাংলাদেশের প্রতি নিজের ভালোবাসার কথাই নতুন পোস্টে তুলে ধরেছেন পাকিস্তানি এই ভ্লগার।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এ এক অন্যরকম ভালোবাসা, বাংলাদেশিকে বিয়ে পাকিস্তানি ব্লগারের

    সীমান্তের বিভেদ ভুলে এক বাংলাদেশি যুবকের সঙ্গে জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় নারী ব্লগার রুবিনা মারুফ। এই সুন্দর পরিণয়ের নেপথ্যে লুকিয়ে আছে এক ঐতিহাসিক ও পারিবারিক টান। রুবিনা মারুফ পাকিস্তানি ব্লগার হিসেবে পরিচিতি পেলেও জন্মসূত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে তার সম্পর্ক বেশ গভীর। 

    ১৯৬৮ সালে রুবিনার বাবা যশোর ছেড়ে পাকিস্তানের পাঞ্জাবে পাড়ি জমান। সেখানেই পরে স্থায়ী হয়ে সংসার শুরু করেন। অনেক বছর পর বাবার সেই স্মৃতিবিজড়িত প্রিয় মাতৃভূমির এক যুবকের সঙ্গেই বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন এ তরুণী ব্লগার। 

    ভালোবাসা যে ভৌগোলিক সীমানারেখা কিংবা কাঁটাতারের বেড়া মানে না, সেই সত্যকে আবারও মনে করিয়ে দিলেন এ তরুণী। সম্প্রতি জমকালো আয়োজনে তাদের শুভ পরিণয় সম্পন্ন হয়েছে। বিয়ের পর সামাজিক মাধ্যমে বর-কনের একাধিক ছবি পোস্ট করে ভক্ত-অনুরাগীদের সেই আনন্দের খবরটি নিজেই নিশ্চিত করেছেন রুবিনা মারুফ।

    সামাজিক মাধ্যমে নিজের জীবনের সবচেয়ে সেরা মুহূর্তের অনুভূতি প্রকাশ করে একটি পোস্ট দিয়েছেন রুবিনা মারুফ। সেই পোস্টে তিনি লিখেছেন— ‘নিকাহর দিনে বাবা-মায়ের মুখে গর্ব ও আনন্দের হাসি দেখতে পাওয়াটাই আমার জন্য সব থেকে বড় আশ্বাস ছিল।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    রুবিনা মারুফ বলেন, ‘সীমান্তের গণ্ডি পেরিয়ে যাওয়া এ ভালোবাসা, নতুন সূচনা এবং একজন বাংলাদেশি জীবনসঙ্গী পাওয়ার জন্য আলহামদুলিল্লাহ। আমার হৃদয় আজ পরিপূর্ণ, আমার বাবা-মা অত্যন্ত আনন্দিত এবং জীবনের বাকি দিনগুলোর জন্য আমি ভীষণ রোমাঞ্চিত।’

    এক আবেগঘন অনুভূতি প্রকাশ করে এ ব্লগার আরও বলেন, ‘একজন বাংলাদেশিকে বিয়ে করলাম। পুরো প্রক্রিয়াটির ওপর ভরসা রাখা সবসময় সহজ ছিল না। তবে আমার জীবনের পথ যেদিকে যাওয়ার কথা ছিল, তা মেনে নেওয়া আমাকে এমন এক আনন্দ দিয়েছে, যা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।’

    বিনোদন ডেস্ক