Tag: পাকিস্তান

  • গায়িকার বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে জিতে যা বললেন আলী জাফর

    দীর্ঘ প্রায় আট বছর ধরে চলা মানহানি মামলায় অবশেষে গায়িকা মিশা শাফির বিরুদ্ধে আইনি বিজয় লাভ করেছেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা আলী জাফর। গত ৩১ মার্চ আদালত তার পক্ষে রায় দেওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এই তারকা।

    মামলায় লাহোরের একটি আদালত গায়িকা মিশা শাফিকে ৫০ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, মিশা শাফি একাধিক শুনানিতে উপস্থিত হননি এবং তার অভিযোগের সপক্ষে শক্তিশালী কোনো প্রমাণ উপস্থাপনে ব্যর্থ হয়েছেন।

    অন্যদিকে আলী জাফর তার সমস্ত সাক্ষী ও প্রমাণ আদালতের সামনে তুলে ধরেন, যার ভিত্তিতে আদালত এ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

    রায়ের দুদিন পর নীরবতা ভেঙে আলী জাফর ইনস্টাগ্রামে এক আবেগঘন বার্তায় জানান, তিনি এই রায়কে অন্য কাউকে পরাজিত করার আনন্দ হিসেবে দেখছেন না।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    আলী জাফর বলেন, ‘আমি এ রায়কে কোনো বড় বিজয় হিসেবে উদযাপন করতে চাই না বরং অত্যন্ত বিনয় ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে গ্রহণ করছি। আমার কাছে আসল সন্তুষ্টি হলো ন্যায়বিচার পাওয়া, কাউকে হারানো নয়।’তিনি আরও জানান, যারা কঠিন সময়ে তার পাশে ছিলেন এবং সত্যের প্রতি অবিচল ছিলেন, তাদের প্রতি তিনি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ।

    প্রসঙ্গত, এ ঘটনার সূত্রপাত হয় ২০১৮ সালে, যখন ‘মি টু’ আন্দোলন বিশ্বব্যাপী ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। সেই সময়টায় মিশা শাফি আলী জাফরের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ আনেন। এর পরপরই আলী জাফরও তার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন।

    পাকিস্তানের শোবিজ জগতের ইতিহাসে এটি অন্যতম আলোচিত ও দীর্ঘস্থায়ী আইনি লড়াই হিসেবে পরিচিতি পায়।  

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভারতীয় গান নিষিদ্ধের দাবি জনপ্রিয় পাকিস্তানি গায়কের

    ভারতে পাকিস্তানি শিল্পী এবং কনটেন্টের ওপর চলমান নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে এবার পাকিস্তানেও ভারতীয় গান নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব দিয়েছেন জনপ্রিয় পাকিস্তানি গায়ক সাহির আলি বাগগা। সম্প্রতি বিবিসি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তার এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

    সাক্ষাৎকারে বাগগা তার এই দাবির পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করে বলেন, দুই দেশের মধ্যে কোনো বিরোধ সৃষ্টি হলেই ভারত সবার আগে পাকিস্তানি শিল্পী ও কনটেন্টের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এই গায়কের মতে, ভারত যেহেতু বারবার পাকিস্তানি শিল্পীদের নিষিদ্ধ করে, তাই পাকিস্তানেরও উচিত একই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া।

    তিনি বিশেষ করে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের বৈষম্যের কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, ভারতে পাকিস্তানি স্পটিফাই ব্লক করে রাখা হয়েছে, অথচ পাকিস্তানে ভারতীয় স্পটিফাই কোনো বাধা ছাড়াই সচল রয়েছে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সাহির আলি বাগগা জোর দিয়ে আরও বলেন, পাকিস্তান ঐতিহাসিকভাবে কখনো আগে কোনো কিছু নিষিদ্ধ করেনি। ‘আমরা কখনোই ভারতীয় কনটেন্ট নিষিদ্ধ করিনি; এই ধরণের উদ্যোগ সবসময় ভারতের পক্ষ থেকেই নেওয়া হয়,’ যোগ করেন তিনি।

    সাহির আলি বাগগার সাক্ষাৎকারের ভিডিওটি অনলাইনে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। অনেক নেটিজেন বাগগার এই অবস্থানকে সমর্থন জানিয়ে দেশপ্রেমের পরিচয় হিসেবে দেখছেন। 

    সূত্র: জিও নিউজ

    বিনোদন ডেস্ক

  • পাকিস্তানে পারিশ্রমিক বৈষম্য নিয়ে সরব মাহিরা খান

    পাকিস্তানের চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রিতে দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত সমস্যা—সুসংগঠিত বেতন কাঠামোর অভাব।

    সম্প্রতি অভিনেতা ওয়াসি চৌধুরীর ঈদুল ফিতরের একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে এই বিষয়টি নিয়ে পুনরায় মুখ খুলেছেন দেশটির তারকা অভিনেত্রী মাহিরা খান। তার সঙ্গে সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা ফাহাদ মুস্তাফাও।

    অনুষ্ঠানে মাহিরা খান ইন্ডাস্ট্রিতে শিল্পী ও কলাকুশলীদের মধ্যকার আর্থিক অসমতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এই অভিনেত্রী মনে করেন, শোবিজে নতুন শিল্পীরা যেখানে ইন্ডাস্ট্রিতে স্রেফ টিকে থাকার জন্য লড়ছেন, সেখানে সিনিয়র শিল্পীরা তুলনামূলক সহজে কাজ ও অর্থ উপার্জন করতে পারছেন।

    মাহিরা জানান, বিশ্বজুড়ে শিল্পীদের জন্য রয়্যালটি (কাজের লভ্যাংশ) দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি বলছি না আমাদের হুবহু হলিউডকে অনুসরণ করতে হবে, কিন্তু এমন একটি ব্যবস্থা থাকা উচিত যা নিশ্চিত করবে যে, কোনো শিল্পী যেন না খেয়ে না থাকে।’

    অনেক প্রবীণ শিল্পী শেষ জীবনে গৃহহীন বা দেউলিয়া হয়ে পড়েন উল্লেখ করে মাহিরার ভাষ্য, ‘এর প্রধান কারণ হলো পর্যাপ্ত সঞ্চয় করতে না পারা এবং নিয়মিত আয়ের অভাব।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    মাহিরা অভিযোগ করেন, একটি নাটক বা শো-এর মাধ্যমে টিভি চ্যানেল বা ব্রডকাস্টাররা বিভিন্ন উৎস থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আয় করে, যার খুব সামান্য অংশই পৌঁছায় শিল্পীদের কাছে। ‘চ্যানেলগুলো যখন এত টাকা আয় করছে, যার অনেক উৎস সম্পর্কে হয়তো আমরা জানিও না, তখনও আমাদের মতো শিল্পীদের টিকে থাকতে হিমশিম খেতে হয়,’ তিনি মন্তব্য করেন।

    এছাড়া জুনিয়র শিল্পী, পার্শ্বচরিত্রের অভিনেতা, টেকনিশিয়ান এবং ক্রু সদস্যরা সবচেয়ে বেশি সুবিধাবঞ্চিত থাকেন বলে উল্লেখ করেন মাহিরা।

    এদিকে পাকিস্তানে ‘অ্যাক্টরস কালেক্টিভ ট্রাস্ট’ বা ‘পাকিস্তান ব্রডকাস্টার্স অ্যাসোসিয়েশন’-এর মতো সংগঠন থাকলেও তারা এই সংকট সমাধানে কার্যকর ভূমিকা নিতে পারছে না বলে মনে করা হয়।

    এক্ষেত্রে অভিনেত্রী নাঈলা জাফরির অসুস্থতার বিষয়টি সবচেয়ে বড় উদাহরণ। প্রখ্যাত এই পাকিস্তানি অভিনেত্রীকে ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করার সময় তার চিকিৎসার খরচ মেটাতে হিমশিম খেতে হয়েছিল, যা তখন ইন্ডাস্ট্রির আর্থিক নিরাপত্তাহীনতাকে সামনে এনেছিল। মাহিরা সেই প্রসঙ্গটিও মনে করিয়ে দেন।

    মাহিরা খান এটাও স্বীকার করেন যে, একজন সুপারস্টার হিসেবে তিনি অনেক সুযোগ-সুবিধা পান। তবে তিনি চান ইন্ডাস্ট্রির ছোট-বড় প্রতিটি মানুষ যেন তাদের কাজের সঠিক স্বীকৃতি এবং আর্থিক সুরক্ষা পান।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিনেতা আলী জাফরের মানহানি, গায়িকাকে ৫০ লাখ রুপি জরিমানা

    পাকিস্তানি গায়িকা মিশা শাফির বিরুদ্ধে গায়ক ও অভিনেতা আলী জাফরের দায়ের করা মানহানি মামলায় মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেছে লাহোরের একটি সেশন আদালত। রায়ে মিশা শাফিকে ক্ষতিপূরণ বাবদ আলী জাফরকে ৫০ লাখ (৫ মিলিয়ন) পাকিস্তানি রুপি প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন অতিরিক্ত সেশন জজ আসিফ হায়াত।

    ২০১৮ সালের এপ্রিলে মিশা শাফি তৎকালীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্ল্যাটফর্ম টুইটারে (বর্তমান এক্স) আলী জাফরের বিরুদ্ধে একাধিকবার যৌন হয়রানির অভিযোগ আনেন। আলী জাফর শুরু থেকেই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিলেন। পরবর্তীতে ২০১৮ সালেই মিশা শাফির বিরুদ্ধে মানহানি অধ্যাদেশ ২০০২-এর অধীনে ১ বিলিয়ন রুপির মানহানি মামলা করেন আলী জাফর। তার দাবি ছিল, মিথ্যা অভিযোগের মাধ্যমে মিশা তার দীর্ঘদিনের অর্জিত সম্মান ক্ষুণ্ন করেছেন।

    দীর্ঘ আট বছর ধরে চলা এ মামলায় মোট ২৮৪টি শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং ৯ জন বিচারক পরিবর্তিত হয়েছেন। মামলার বিচার চলাকালীন ২০ জন সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    রায়ে আদালত কেবল জরিমানাই করেনি বরং মিশা শাফিকে আলী জাফরের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি সংক্রান্ত কোনো পোস্ট বা টুইট করা থেকেও বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে। এর আগে লাহোর হাইকোর্ট গত জানুয়ারিতে এ মামলাটি ৩০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করার জন্য ট্রায়াল কোর্টকে নির্দেশ দিয়েছিলেন।

    উভয় পক্ষের প্রতিক্রিয়া

    রায়ের পর আলী জাফরের আইনজীবী উমর তারিক গিল জানান, পূর্ণাঙ্গ রায়টি প্রকাশিত হলে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে। অন্যদিকে মিশা শাফির আইনজীবী সাকিব জিলানি গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘আমরা আদালতের রায়ের সার্টিফায়েড কপিটি পর্যালোচনা করছি। সেশন আদালতের এ রায়কে আমরা উচ্চ আদালতে চ্যালেঞ্জ করব।’

    লাহোর হাইকোর্ট এর আগে একটি অন্তর্বর্তীকালীন আদেশে মিশা শাফিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সব প্ল্যাটফর্মে আলী জাফরের বিরুদ্ধে বক্তব্য প্রদান থেকে বিরত থাকার যে নির্দেশ দিয়েছিল, সেশন আদালত আজকের রায়ে সেই অবস্থানই বজায় রাখল।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘যুদ্ধে পাকিস্তানের সঙ্গে লড়াই করতে অক্ষম বলেই ভারত সিনেমার আশ্রয় নিয়েছে’

    চলতি বছরের ১৮ মার্চ মুক্তি পাওয়া ‘ধুরন্ধর ২’ বর্তমানে সিনেমাপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। গত বছরের ৫ ডিসেম্বর মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম কিস্তির সাফল্যের ধারাবাহিকতায় পরিচালক আদিত্য ধরের দ্বিতীয় কিস্তিটিও বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে। 

    তবে সিনেমার দুর্দান্ত প্লট বা ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোরের পাশাপাশি বর্তমানে সবচেয়ে বেশি চর্চিত হচ্ছে রাকেশ বেদী অভিনীত ‘জামীল জামালী’ চরিত্রটি।

    পাকিস্তানি রাজনীতিবিদ নাবিল গাবোলের দাবি, সিনেমায় জামীল জামালী চরিত্রটি মূলত তাকে কেন্দ্র করেই তৈরি করা হয়েছে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ২০০৭ সালে তিনি লিয়ারির এমএনএ ছিলেন বলেই তাকে এভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তবে জামীল জামালী চরিত্রটিকে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর কর্মকর্তা হিসেবে দেখানোয় তিনি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

    নাবিল গাবোল বলেন, ‘ভারত যুদ্ধের ময়দানে পাকিস্তানের সঙ্গে লড়াই করতে অক্ষম বলেই সিনেমার আশ্রয় নিয়েছে। তারা লিয়ারিকে আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত করেছে ঠিকই, কিন্তু একজন কমেডিয়ানকে (রাকেশ বেদী) দিয়ে আমার চরিত্রটি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    জামীল জামালী চরিত্রে অভিনয় করা রাকেশ বেদী অবশ্য সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির কথা স্বীকার করেননি। তার মতে, তিনি সামগ্রিকভাবে পাকিস্তানি রাজনীতিকদের একটি সাধারণ রূপ ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছেন।

    এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ট্রলিংয়ের শিকার হওয়া পাকিস্তানি রাজনৈতিক নাবিল গাবোল এর এক কড়া জবাব দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, ভারতের এই সিনেমার পাল্টা জবাব দিতে তিনি নিজেই একটি সিনেমা বানাবেন। ছবিটির নাম ‘ধুরন্ধর ৩’ না দিয়ে তিনি এর নাম দিতে চান ‘লিয়ারি কা গব্বর’।

    পুরনো বিতর্ক 

    এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরে যখন ‘ধুরন্ধর’-এর প্রথম কিস্তি মুক্তি পায়, তখনও নাবিল গাবোল অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। সে সময় পাকিস্তানি নেটিজেনরা সিনেমাটিকে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার দায়ে অভিযুক্ত করলেও নাবিল জানিয়েছিলেন যে, আন্তর্জাতিক আদালতে যাওয়ার মতো পর্যাপ্ত অর্থ তার কাছে নেই। তবে তিনি বরাবরই দাবি করে আসছেন, তার ‘দাবাং’ বা প্রভাবশালী ইমেজকে সিনেমায় সঠিকভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়নি।

    আদিত্য ধরের এই পলিটিক্যাল থ্রিলারটি নিয়ে দুই দেশের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখন উত্তপ্ত বিতর্ক চলছে। 

    সূত্র: বলিউড শাদিস অবলম্বনে

    বিনোদন ডেস্ক

  • শেষ হলো হানিয়া-আব্বাসের আলোচিত সিরিজ ‘মেরি জিন্দেগি হ্যায় তু’

    পাকিস্তানের বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় তারকা জুটি হানিয়া আমির ও বিলাল আব্বাস খানের বহুল আলোচিত সিরিজ ‘মেরি জিন্দেগি হ্যায় তু’-এর যাত্রা শেষ হলো। ২০২৫ সালের শেষ দিকে শুরু হওয়া এ নাটক দীর্ঘ চার মাসের সফল প্রচারের পর গত ২২ মার্চ মুক্তি পায় এর শেষ পর্ব। ৩৪ পর্বের এ মেগা হিট সিরিজটি বিদায়বেলায় দর্শকহৃদয়ে বড় এক শূন্যতা রেখে গেছে।

    জনপ্রিয় অভিনেত্রী হানিয়া আমির এ নাটকটিতে ‘ডা. আয়রা’ চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মন জয় করে নেন। এ নাটকে হানিয়ার বিপরীতে ‘কামইয়ার’ চরিত্রে অভিনয় করে সাড়া ফেলেন বিলাল আব্বাস খান।

    কাজ শেষ করার পর নিজের সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে একটি আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন হানিয়া আমির। শুটিং সেটের পর্দার পেছনের কিছু অদেখা মুহূর্ত শেয়ার করে অভিনেত্রী লিখেছেন—‘সফর কঠিন ছিল, কিন্তু গন্তব্য প্রিয়। বিদায়, প্রিয়রা।’

    সামাজিক মাধ্যমে তার এমন বিদায়ী বার্তায় ভক্ত-অনুরাগীরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। মন্তব্য ঘরে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি তারা, জানিয়েছেন ভালোবাসার কথা।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    রাদান শাহের দুর্দান্ত চিত্রনাট্য ও মুসাদ্দিক মালেকের সুনিপুণ পরিচালনায় নাটকটি শুধু পাকিস্তানেই নয়, আন্তর্জাতিকভাবেও ব্যাপক সমাদৃত হয়েছে। হানিয়া আমির ও বিলাল আব্বাস ছাড়াও এ সিরিজে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেন আলি রেহমান খান, আলী খান, জাভেরিয়া আব্বাসি, ওয়ার্দা আজিজ প্রমুখ। বর্তমানে নাটকের সবকটি পর্ব ইউটিউব প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।

    নাটকটির সফলতায় বড় ভূমিকা রেখেছে এর টাইটেল ট্র্যাক বা ওএসটি। অসীম আজহার ও সাবরি সিস্টার্সের কণ্ঠে গাওয়া গানটি মাসজুড়েই ছিল মিউজিক চার্টের শীর্ষে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • তৃতীয় বিয়ে করলেন পাকিস্তানের সেই অভিনেত্রী

    তৃতীয়বারের মতো বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হলেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও টেলিভিশন উপস্থাপিকা ফিজা আলী।  পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন ভক্তদের সারপ্রাইজ দিয়ে নিজের তৃতীয় বিয়ের খবর প্রকাশ্যে এনেছেন ‘মেহেদী’খ্যাত এই তারকা।

    জানা যায়, এজাজ খানের সঙ্গে ঘরোয়া এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন তিনি।

    ঈদের প্রথম দিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে স্বামী ও মেয়ের সঙ্গে একাধিক ছবি শেয়ার করেন ফিজা। ছবিগুলোতে দেখা যায়, ফিজার পরনে কালো রঙের সেমি-ফরমাল পোশাক, যার সঙ্গে ছিল বহু রঙের সূচিকর্ম করা বাদামি রঙের একটি অলংকৃত ওড়না।

    অন্যদিকে তার স্বামীও একই রঙের পোশাক বেছে নেন।

    মজার ব্যাপার হলো, তাদের দুজনের হাতেই মেহেদী দিয়ে একে অপরের নাম লেখা ছিল।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ক্যাপশনে ফিজা লেখেন, ‘৪১ বছর বয়সে আল্লাহ আমাকে সেই সুখ ও ভালোবাসা দিয়েছেন যার জন্য আমি অপেক্ষা করছিলাম… আজ আমি আমার জীবনসঙ্গীকে খুঁজে পেয়েছি। আলহামদুলিল্লাহ।’

    এই বিয়ের মাধ্যমে ফিজা তার পরিচয়েও পরিবর্তন এনেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে এখন থেকে তিনি শুধু ‘ফিজা আলী’ নন, বরং নিজেকে ‘মিসেস এজাজ’ হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করছেন।

    তার এই সিদ্ধান্তে ১১ বছর বয়সি মেয়ে ফারালের পূর্ণ সমর্থন ও ভালোবাসা ছিল, যা ফিজার কাছে সবচেয়ে বড় পাওয়া।

    উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে ফাওয়াদ ফারুকের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন ফিজা। ২০১৭ সালে আলাদা হয়ে যান এই দম্পতি। সেই সংসারেই জন্ম নেয় কন্যা ফারাল। প্রথম সংসার ভাঙার পর ২০১৮ সালে ব্যবসায়ী আয়াজ মালিককে বিয়ে করেন তিনি।  কিন্তু তার সেই সংসারও টেকেনি।  এবার নতুন করে এজাজ খানের সঙ্গে ঘর বাঁধলেন ফিজা।

    ক্যারিয়ারের শুরুতে ‘মেহেদী’ নাটকের মাধ্যমে আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা পাওয়া এই অভিনেত্রী তার জীবনের নতুন এই যাত্রায় ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে দোয়া চেয়েছেন। তার ওই পোস্টে এরই মধ্যে শোবিজ অঙ্গনের সহকর্মী ও ভক্তরা অভিনন্দন ও ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নিজের ক্রাশের নাম প্রকাশ করলেন অভিনেত্রী মাহিরা

    পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মাহিরা খান সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে অংশ নিয়ে তার ব্যক্তিগত জীবন ও ক্যারিয়ার নিয়ে বেশ কিছু মজাদার তথ্য শেয়ার করেছেন। অনুষ্ঠানে দর্শকদের সঙ্গে প্রশ্ন-উত্তর পর্বে শাহরুখ খানের ‘রইস’ সিনেমার এই নায়িকাকে বেশ খোলামেলা মেজাজে দেখা যায়।

    অনুষ্ঠানে একজন দর্শক মাহিরাকে প্রশ্ন করেন, ‘পুরো পাকিস্তান যখন আপনার ওপর ক্রাশ, তখন আপনার ক্রাশ কে?’ উত্তরে মাহিরা হেসেই জানান, বর্তমানে তার স্বামীই (সেলিম করিম) তার ক্রাশ।

    এছাড়া দুই ঈদ নিয়ে নিজের পছন্দের কথা জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, কুরবানি ঈদের চেয়ে ঈদুল ফিতরই তার বেশি প্রিয়।

    মাহিরা কেবল হাসি-ঠাট্টায় সীমাবদ্ধ থাকেননি, বরং বিনোদন জগতের গভীর এক সমস্যা নিয়েও মুখ খুলেছেন। তিনি শিল্পীদের পারিশ্রমিক ও আর্থিক নিরাপত্তা নিয়ে জোর দিয়ে বলেন, অনেক দেশের মতো পাকিস্তানেও শিল্পীদের কাজের বিনিময়ে সঠিক পারিশ্রমিক ও রয়্যালটি দেওয়া উচিত।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সঙ্গে জুনিয়র ও টেকনিশিয়ানদের দুর্দশার চিত্রও উঠে আসে পাকিস্তানি অভিনেত্রীর কথায়। মাহিরা জানান, শীর্ষস্থানীয় শিল্পীরা কোনোভাবে টিকে থাকলেও জুনিয়র শিল্পী ও টেকনিশিয়ানরা প্রায়ই চরম আর্থিক সংকটের মুখে পড়েন।  এক্ষেত্রে তিনি হলিউডের অনুকরণ করার কথা বলেননি, তবে অন্তত এমন একটি ব্যবস্থা চান যাতে কোনো শিল্পীকে ক্ষুধার্ত না থাকতে হয়।

    উল্লেখ্য, বর্তমানে মাহিরা খান ও তার সহ-অভিনয়শিল্পী ফাহাদ মুস্তফা তাদের নতুন চলচ্চিত্র ‘আগ লাগে বস্তি মে’-র প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ক্যারিয়ারের সেরা চরিত্রে মাহিরা খান, দিলেন বড় চমক

    পাকিস্তানি অভিনেত্রী মাহিরা খান সম্প্রতি তার নতুন প্রজেক্ট নিয়ে ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে ‘টেন্ডার মার্সিস’ শিরোনামের একটি পোস্টে তিনি তার বর্তমান কাজটিকে ‘জীবনে একবারই পাওয়া যায় এমন চরিত্র’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

    ইনস্টাগ্রাম পোস্টে মাহিরা তার শুটিং সেটের বেশ কিছু ঘরোয়া ও আবেগঘন মুহূর্ত শেয়ার করেছেন। একটি ছবিতে দেখা যায়, স্ক্রিপ্টের ওপর একটি গোলাপ রাখা। যদিও প্রজেক্টের নাম তিনি প্রকাশ করেননি, তবে স্ক্রিপ্টের পাতায় ‘বিলকিস’ এবং ‘নাজির’ নাম দুটি দেখা গেছে।

    ধারণা করা হচ্ছে, মাহিরা এই নাটকে বা সিনেমায় ‘বিলকিস’ চরিত্রে অভিনয় করছেন।

    শুটিং সেটের যান্ত্রিকতার বাইরে মাহিরার জীবন কেমন কাটে, তারও এক ঝলক দেখা গেছে এই পোস্টে। ঘাসের ওপর শুয়ে থাকা, একা ডায়েরি লেখা কিংবা বাড়ি থেকে পাঠানো দেশি খাবারের প্রতি তার ভালোবাসা—সবই উঠে এসেছে মাহিরার পোস্ট করা ছবিতে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ছবিগুলোতে ভক্তদের পাঠানো ফুল এবং মাহিরার নিজস্ব ক্লথিং ব্র্যান্ড ‘এমবিওয়াই মাহিরা’-এর পোশাকে তাকে বেশ স্নিগ্ধ দেখাচ্ছিল।

    এমনকি নিজের বয়স নিয়েও বেশ সাবলীলভাব প্রকাশ করতে দেখা গেছে অভিনেত্রীকে। ওই পোস্টের একটি ক্লোজ-আপ ছবিতে নিজের মুখের বলিরেখা বা বয়সের ছাপ নিয়ে মাহিরা লেখেন, ‘এই রেখাগুলো অনেক বছরের জীবন যাপনের সাক্ষী। আমি কৃতজ্ঞ।’

    সেই সঙ্গে নিজেকে মনে করিয়ে দিয়েছেন প্রচুর পানি পান করার কথা। পোস্টটি তিনি শেষ করেছেন পবিত্র কুরআনের একটি আয়াত দিয়ে— ‘অতঃপর তোমরা তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অনুগ্রহকে অস্বীকার করবে?’

    মাহিরার এই রহস্যময় প্রজেক্টের কাজ ছাড়াও খুব শিগগিরই তাকে বড় পর্দায় দেখা যাবে। আসন্ন ঈদুল ফিতরে মুক্তি পেতে যাচ্ছে অভিনেত্রীর নতুন সিনেমা ‘আগ লাগে বস্তি মে’। এই সিনেমায় মাহিরার বিপরীতে থাকছেন ফাহাদ মুস্তফা। কমেডি ও টানটান উত্তেজনায় ঠাসা এ ছবিতে আরও অভিনয় করেছেন জাভেদ শেখ এবং কমেডিয়ান তাবিশ হাশমি।

    ফাহাদ মুস্তফার জনপ্রিয় সিনেমা ‘না মালুম আফরাদ’ বা ‘অ্যাক্টর ইন ল’-এর মতো এটিও দর্শকদের ভরপুর বিনোদন দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • হানিয়াকে নিয়ে মিথ্যাচার, ফেঁসে গেলেন আদনান ফয়সাল

    পাকিস্তানি অভিনেতা ও ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রিয়েটর মেরাজ হক সম্প্রতি পডকাস্ট হোস্ট আদনান ফয়সালের বিরুদ্ধে ‘ভণ্ডামির’ অভিযোগ তুলেছেন। জনপ্রিয় অভিনেত্রী হানিয়া আমিরকে নিয়ে আদনান ফয়সালের করা এক মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে এই বিতর্কের সূত্রপাত হয়।

    বিতর্কটি শুরু হয় যখন ‘এফএইচএম পাকিস্তান’-এর মালিক আদনান ফয়সাল দাবি করেন, তার পডকাস্টে আসার জন্য হানিয়া আমির ২০ লক্ষ (২ মিলিয়ন) রুপি দাবি করেছিলেন।

    সম্প্রতি ফয়সাল কোরাইশির সঞ্চালিত একটি অনুষ্ঠানে পুনরায় তিনি এই দাবি করেন। আদনান ফয়সাল জানান, তিনি প্রায় ৭০০টিরও বেশি সাক্ষাৎকার নিয়েছেন এবং কাউকে কখনো টাকা দেননি। তার ভাষ্যমতে, ফয়সাল কোরাইশির মতো তারকাকে যেখানে তিনি পারিশ্রমিক দেননি, সেখানে হানিয়া আমিরকে টাকা দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।

    আদনান ফয়সালের এই মন্তব্যের পরই সরব হন মেরাজ হক। তিনি অভিযোগ করেন, আদনানের টিম উল্টো মেরাজকে তাদের পডকাস্টে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছিল, তবে শর্ত ছিল মেরাজকেই ২ লক্ষ ৮৫ হাজার রুপি দিতে হবে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    একে ‘প্রমোশনাল এক্সপোজার’ বা প্রচারণার সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। মেরাজ এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে জানান, তিনি কোথাও ইন্টারভিউ দেওয়ার জন্য টাকা দেন না। মেরাজের এই অভিযোগের পর আরও অনেক কনটেন্ট ক্রিয়েটর আদনান ফয়সালকে নিয়ে মুখ খুলতে শুরু করেছেন।

    ট্রাভেল ইনফ্লুয়েন্সার জেনিথ ইরফানও একই ধরনের প্রস্তাব পাওয়ার কথা জানিয়ে বিষয়টিকে ‘সন্দেহজনক’ বলে অভিহিত করেন। সামাজিক মাধ্যমে তালহা ভাইবস নামে একজন অভিযোগ করেন, পডকাস্টে আসার জন্য তার কাছে ৩ লক্ষ রুপি চাওয়া হয়েছিল। অভিনেত্রী আইমান খান এই বিতর্কিত পোস্টে হাসির ইমোজি দিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন, যা নেটিজেনদের মাঝে আলোচনার খোরাক জুগিয়েছে।

    ঘটনাটি পাকিস্তানের ডিজিটাল মাধ্যমে পারিশ্রমিক ও স্বচ্ছতা নিয়ে বড় ধরনের বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। নেটিজেনদের মতে, একদিকে বড় তারকাদের ‘চাহিদা’ নিয়ে সমালোচনা করা এবং অন্যদিকে ছোট ক্রিয়েটরদের কাছ থেকে টাকা চেয়ে সাক্ষাৎকার নেওয়া চরম দ্বিমুখী আচরণ।

    বিনোদন ডেস্ক