Tag: পাকিস্তান

  • হজ শেষে পাকিস্তানি অভিনেত্রীর আবেগঘন বার্তা

    পবিত্র হজ পালন শেষে একটি আবেগঘন বার্তা শেয়ার করেছেন পাকিস্তানি অভিনেত্রী দুরেফিশান সেলিম। এই পবিত্র সফর তার মধ্যে গভীর আধ্যাত্মিকতা, ধৈর্য, কৃতজ্ঞতা ও অবিচল বিশ্বাসের জন্ম দিয়েছে বলে জানান তিনি।

    ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট দিয়ে ‘ইশক মুর্শেদ’ খ্যাত এই তারকা বলেন, এই পবিত্র সফর তাকে আধ্যাত্মিকভাবে সমৃদ্ধ করেছে এবং ‘সব ধরনের জাগতিক আবেগ থেকে মুক্ত হতে’ সাহায্য করেছে।

    বাবা-মায়ের সঙ্গে হজ পালন করতে পারায় গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন দুরেফিশান। তিনি জানান, হজের প্রথম দিন ‘রমি’ (শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ) করার সময় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন, তবে বাবা-মায়ের উপস্থিতি তাকে শক্তি জুগিয়েছিল।

    এই সফরকে ‘সবর, শুকর ও তাওয়াক্কুলের গল্প’ হিসেবে বর্ণনা করে এই অভিনেত্রী বলেন, এটি কেবল তার ভেতরেই গভীর পরিবর্তন আনেনি বরং অন্যান্য নারী হাজিদের সঙ্গে সুন্দর বন্ধুত্ব গড়ে তোলার সুযোগও করে দিয়েছে।

    সহযাত্রীদের সঙ্গে কাটানো মুহূর্ত ও ভক্তির কথা স্মরণ করে তিনি লেখেন, ‘আমরা একসঙ্গে নামাজ পড়েছি, কেঁদেছি, হেসেছি এবং ক্যাম্পের সব ধরনের খাবার খেয়েছি’। তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা তাকওয়ার (আল্লাহভীতি) অসাধারণ সব গল্প শুনেছি এবং কথার চেয়ে কাজের মাধ্যমে ধর্মকে আরও গভীরভাবে জেনেছি’।

    এই পুণ্যময় সফরে অর্জিত অসংখ্য নিয়ামতের কথা উল্লেখ করে তিনি লেখেন, ‘জানি না আমি নিজের সঙ্গে কী নিয়ে যাচ্ছি, কারণ প্রাপ্তি এত বেশি যে তা এই মুহূর্তে ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। তবে আমি এটা জানি যে, পেছনে কী ফেলে যাচ্ছি—এতদিন ধরে বয়ে বেড়ানো সব জাগতিক চিন্তা ও আবেগের গুরুভার’।

    ‘সব ধরনের আবেগ থেকে মুক্ত হওয়া এবং আল্লাহর দরবারে নিজেকে সঁপে দেওয়া—এটাই হজ আমাকে শিখিয়েছে। সম্ভবত এই একটি কথাই আমি নিজেকে বারবার মনে করিয়ে দেব। আমার শরীরজুড়ে তীব্র ব্যথা, কিন্তু আমার মন আগের চেয়ে অনেক বেশি শান্ত ও পরিপূর্ণ’।

    বার্তার শেষে দুরেফিশান বিশ্বের সব মুসলিমকে শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানান। সেই সঙ্গে মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন, তিনি যেন সবাইকে এই পবিত্র হজব্রত পালনের তৌফিক দান করেন।

    অনলাইন ডেস্ক

  • পাকিস্তানে ক্ষমতাসীন দলের নেতার বিরুদ্ধে অভিনেত্রীকে হয়রানির অভিযোগ

    জনপ্রিয় পাকিস্তানি অভিনেত্রী ও মডেল মোমিনা ইকবালের দায়ের করা অনলাইন হয়রানি, সাইবার বুলিং এবং জীবননাশের হুমকির অভিযোগে পাঞ্জাবের প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য (এমপিএ) সাকিব চাডারের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে দেশটির ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনসিসিআইএ)। 

    অভিযুক্ত সাকিব চাডার ক্ষমতাসীন দল পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজের (পিএমএল-এন) একজন আইনপ্রণেতা। এই মামলায় অভিযুক্তের স্ত্রী সামিরা খানকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    পাঞ্জাব এনসিসিআইএ-এর পরিচালক মুহাম্মদ আলী ওয়াসিম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, মামলার তদন্ত সম্পূর্ণ আইনি প্রক্রিয়া মেনে এবং কোনো রাজনৈতিক চাপ ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছে। আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে শুরুতে অভিযুক্তের নাম প্রকাশ না করা হলেও, সম্প্রতি উভয় পক্ষের আইনজীবীদের প্রকাশ্য বক্তব্য এবং শুনানির পর বিস্তারিত তথ্য সামনে এসেছে। 

    ঘটনার সূত্রপাত ঘটে বুধবার (২০ মে), যখন অভিনেত্রী মোমিনা ইকবাল তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে একটি দীর্ঘ বিবৃতি প্রকাশ করেন। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘ সময় ধরে একজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তাকে অনলাইনে হয়রানি ও হুমকি দিয়ে আসছেন। 

    ইতোপূর্বে এফআইএ এবং এনসিসিআইএ-তে অভিযোগ করেও কোনো ফল না মেলায়, তিনি নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজের কাছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরাসরি ন্যায়বিচার এবং নিরপেক্ষ তদন্তের আবেদন জানান। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অভিনেত্রীর এই আকুল আবেদন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে মুখ্যমন্ত্রী কার্যালয় এবং পিএমএল-এন নেতৃত্ব বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেয়। এর পরপরই এনসিসিআইএ-এর পাঞ্জাব প্রধান মুহাম্মদ আলী ওয়াসিম মোমিনা ইকবাল এবং অভিযুক্ত এমপিএ উভয়কেই লাহোর কার্যালয়ে হাজির হওয়ার জন্য আনুষ্ঠানিক সমন জারি করেন। 

    বৃহস্পতিবার (২১ মে) উভয় পক্ষ নিজ নিজ আইনজীবীসহ তদন্তকারী সংস্থার সামনে উপস্থিত হন। মোমিনা ইকবালের আইনজীবীর পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকে জানানো হয়, ২০২২ সাল থেকে ওই আইনপ্রণেতার সঙ্গে অভিনেত্রীর একটি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল এবং এক পর্যায়ে তিনি মোমিনাকে বিয়ের প্রস্তাবও দেন। তবে পরবর্তীতে উক্ত এমপিএ বিবাহিত জানার পর মোমিনা সেই সম্পর্ক থেকে সরে আসেন। 

    অভিযোগ অনুযায়ী, সম্প্রতি মোমিনা ইকবালের অন্যত্র বাগদান সম্পন্ন হওয়ার পর এবং বিয়ের প্রস্তুতি শুরু হলে হয়রানির মাত্রা চরম আকার ধারণ করে। এমপিএ সাকিব চাডার অভিনেত্রীর হবু স্বামীকে হুমকি দিতে শুরু করেন এবং তার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলাও দায়ের করান বলে অভিনেত্রীর আইনি দল দাবি করেছে। 

    মোমিনা ইকবালের আইনজীবীরা সাইবার বুলিং এবং হুমকির যাবতীয় ডিজিটাল প্রমাণাদি (স্ক্রিনশট এবং কল রেকর্ড) তদন্তকারী সংস্থার কাছে হস্তান্তর করেছেন। এনসিসিআইএ জানিয়েছে, মামলাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 

    অন্যদিকে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সুষ্ঠু তদন্তের আশ্বাস দেওয়ায় মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী মোমিনা ইকবাল। 

    সূত্র: ২৪নিউজ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘থ্রি ইডিয়টস’ দেখাতে যুক্তরাষ্ট্রে গোটা সিনেমা হল ভাড়া নিলেন পাকিস্তানি তরুণ!

    বলিউডের ইতিহাসের অন্যতম জনপ্রিয় ও কালজয়ী সিনেমা ‘থ্রি ইডিয়টস’-এর কোনো ভৌগোলিক বা রাজনৈতিক সীমানা নেই, তা আবারও প্রমাণিত হলো। সুদূর আমেরিকার সান ফ্রান্সিসকোতে এই সিনেমাটি প্রদর্শনের জন্য আস্ত একটি সিনেমা হল ভাড়া নিয়েছেন ফারজা মাজিদ নামের এক পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত প্রযুক্তি খাতের উদ্যোক্তা। 

    আগামী ২৪ মে সেখানকার একটি ২৫০ আসনের থিয়েটারে ছবিটির বিশেষ স্ক্রিনিংয়ের আয়োজন করেছেন তিনি। 

    সান ফ্রান্সিসকো ভিত্তিক তরুণ উদ্যোক্তা ফারজা মাজিদ তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্ল্যাটফর্ম এক্স (সাবেক টুইটার)-এ এই খবরটি শেয়ার করার পর তা মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। যারা জীবনে নতুন কোনো অনুপ্রেরণা খুঁজছেন কিংবা স্রেফ একটু প্রাণখুলে হাসতে চান, তাদের এই প্রদর্শনীতে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ফারজা।

    এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমি সান ফ্রান্সিসকোর একটি ২৫০ আসনের থিয়েটার ভাড়া করেছি পৃথিবীর অন্যতম সেরা সিনেমা ‘থ্রি ইডিয়টস’ দেখানোর জন্য। এটি ভারতে তিন বন্ধুর জীবনের লক্ষ্য খুঁজে পাওয়ার গল্প নিয়ে তৈরি একটি চমৎকার সিনেমা। যারা বর্তমানে নিজেদের ক্যারিয়ার বা জীবন নিয়ে একঘেয়েমি কিংবা হতাশায় ভুগছেন, তাদের অনুপ্রাণিত করতে এই সিনেমাটি দারুণ ভূমিকা রাখবে।’ 

    ফারজা মাজিদ জানান, আগামী ২৪ মে সান ফ্রান্সিসকোর বিখ্যাত ‘মেরিনা থিয়েটার’-এ এই বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। যারা হিন্দিভাষী দর্শক নন তাদের সুবিধার্থে সিনেমাটিতে ইংরেজি সাবটাইটেল থাকবে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    জনপ্রতি একটি করে টিকিট দেওয়া হচ্ছে, যার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে মাত্র ১০ ডলার। যারা এখনো সিনেমাটি দেখেননি, তাদের উদ্দেশ্যে ফারজার পরামর্শ—‘যদি আগে কখনো না দেখে থাকেন, তবে আমি এটি দেখার জন্য জোরালো সুপারিশ করছি।’ 

    ফারজার এমন উদ্যোগের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসার পর তা বিপুল সাড়া ফেলেছে। শুধু ভারতীয় বা পাকিস্তানিরাই নন, প্রচুর বিদেশি নাগরিকও পোস্টটিতে মন্তব্য করে সিনেমাটির প্রতি তাদের ভালোবাসা প্রকাশ করছেন। 

    অনেকেই মন্তব্য করেছেন যে, ‘থ্রি ইডিয়টস’ তাদের জীবনের অন্যতম প্রিয় সিনেমা। এর গল্প, হাস্যরস এবং আবেগের মেলবন্ধন যে কাউকে ছুঁয়ে যায়। 

    ২০০৯ সালে রাজকুমার হিরানি পরিচালিত এবং আমির খান, আর মাধবন ও শারমান জোশি অভিনীত ‘থ্রি ইডিয়টস’ সিনেমাটি বিশ্বব্যাপী তুমুল জনপ্রিয়তা পায়। ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া তিন ছাত্রের ওপর প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনার চাপ, বন্ধুত্ব এবং জীবনের আসল উদ্দেশ্য খুঁজে পাওয়ার গল্প নিয়ে নির্মিত এই সিনেমাটি মুক্তির প্রায় দেড় দশক পরও বিশ্বজুড়ে দর্শকদের একইভাবে অনুপ্রাণিত করে চলেছে। 

    সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে 

    বিনোদন ডেস্ক

  • হলিউড-বলিউডকে টক্কর দেবে ‘সাইকো’!

    আসন্ন ঈদুল আজহায় মুক্তি পেতে যাওয়া নিজের নতুন সিনেমা ‘সাইকো’কে আন্তর্জাতিক মানের এক সৃষ্টি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন এর প্রযোজক ও প্রধান অভিনেত্রী মীরা। সিনেমাটি বলিউড এবং হলিউডের যেকোনো সিনেমার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে সক্ষম বলে দাবি করেছেন তিনি। 

    পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ‘দ্য নিউজ’ শনিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

    বিশ্বজুড়ে তুমুল জনপ্রিয়তা পাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করে মীরা বলেন, তিনি নিশ্চিত যে সিনেমাটি ৫০০ কোটি রুপির বেশি ব্যবসা করবে এবং জনপ্রিয়তার নতুন রেকর্ড গড়বে।

    মীরা আরও জানান, যদি এই সিনেমার সিক্যুয়েল ‘সাইকো ২’ নির্মাণ করা হয়, তবে এর শুটিং হবে করাচিতে। নিজের চরিত্রটি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, অভিনয়ের সময় তিনি চরিত্রের মধ্যে এতটাই ডুবে গিয়েছিলেন যে নিজেকে বিশ্বের ‘সবচেয়ে বড় সাইকো’ মনে হতে শুরু করেছিল। চরিত্রটিকে অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি তার মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও প্রভাব ফেলেছিল।

    সিনেমার প্রচারণার অংশ হিসেবে করাচিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন এবং জিও টিভির সঙ্গে আলাপকালে মীরা এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রবীণ অভিনেতা মুস্তফা কোরেশীও উপস্থিত ছিলেন। থ্রিলার, সাসপেন্স, অ্যাকশন ও অ্যাডভেঞ্চার ঘরানার এই সিনেমার মিডিয়া পার্টনার হিসেবে রয়েছে ‘জিও ফিল্মস’।

    মীরা আরও বলেন, পাকিস্তানে মানসম্মত সিনেমা তুলনামূলক কম নির্মিত হলেও ‘সাইকো’ দেশটির চলচ্চিত্র শিল্পকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। তিনি সব সময় ভালো কাজ করার চেষ্টা করেন এবং নতুনদের শেখার সুযোগ করে দেন বলেও জানান।

    সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন শান শহীদ। তার পরিচালনায় কাজ করাকে একটি অনন্য অভিজ্ঞতা হিসেবে উল্লেখ করেন মীরা।

    চরিত্রটির জন্য জানপ্রাণ দিয়ে খেটেছেন জানিয়ে এই অভিনেত্রী বলেন, চরিত্রের তীব্রতার কারণে তিনি মানসিক চাপ ও বিষণ্নতায়ও ভুগেছেন। অভিনয় কোনো সহজ পেশা নয়, এর জন্য পূর্ণ নিষ্ঠা ও আবেগের প্রয়োজন। মীরার ভাষায়, ‘সাইকো’ কেবল একটি সিনেমা নয়; এটি পাকিস্তানের গৌরব, মর্যাদা ও পরিচয়ের প্রতীক। গুণগত মানের দিক থেকে এটি ভারতীয় ও হলিউড চলচ্চিত্রের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করার ক্ষমতা রাখে এবং এটি পাকিস্তানি দর্শকদের গর্বিত করবে বলে তিনি মনে করেন।

    অনুষ্ঠানে প্রবীণ অভিনেতা মুস্তফা কোরেশী বলেন, ভারতে যদি ফুলন দেবীকে নিয়ে সিনেমা তৈরি হতে পারে, তবে ‘পাকি’কে নিয়েও সিনেমা বানানো সম্ভব। পাকির গ্রেফতারির বিষয়টিকে যেভাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা গণমাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে, তা অনুচিত ছিল মন্তব্য করে তিনি বলেন, অনেক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু রয়েছে যা এভাবে মনোযোগ পায় না।

    তিনি আরও অভিযোগ করেন, পাঞ্জাবের প্রযোজকরা প্রায়শই রাজনৈতিক কারণে চলচ্চিত্র প্রকল্পের জন্য তহবিল পেয়ে থাকেন। সংবাদ সম্মেলনে চলচ্চিত্র শিল্পে অসামান্য অবদানের জন্য এই প্রবীণ অভিনেতাকে বিশেষ সম্মাননা জানানো হয়।

    অনলাইন ডেস্ক

  • কান উৎসবে অভিষেক হচ্ছে পাকিস্তানি অভিনেত্রী সানামের

    বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ চলচ্চিত্র উৎসব কান চলচ্চিত্র উৎসব ২০২৬-এ অভিষেক হতে যাচ্ছে পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সানাম সাঈদ-এর। তবে তিনি শুধু একজন তারকা অতিথি হিসেবেই নয়, দক্ষিণ এশিয়ার শিল্প ও সংস্কৃতির প্রতিনিধি হিসেবেও এই আয়োজনে অংশ নেবেন।

    কানের ৭৯তম আসর আগামী ১২ থেকে ২৩ মে ফ্রান্সের কান শহরের ‘পালে দে ফেস্টিভ্যাল এ দে কংগ্রেসে’ অনুষ্ঠিত হবে।

    আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সানাম সাঈদকে ‘সাউথ এশিয়ান উইমেন এক্সেলেন্স ইন সিনেমা অ্যান্ড গ্লোবাল আর্ট’ উদ্যোগের প্রথম সম্মাননাপ্রাপ্তদের একজন হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে। ইউএস স্টুডিওসের এই উদ্যোগের লক্ষ্য সিনেমা ও সৃজনশীল শিল্পে নারীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া।

    কান সফরে গিয়ে পাকিস্তানের কিংবদন্তি অভিনেত্রী শামিম আরা-কে শ্রদ্ধা জানাবেন সানাম। এ বিষয়ে নিজের ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘শামিম আরার জীবন ছিল না সাধারণ উত্থান-পতনের গল্প। বরং তিনি ছিলেন সাফল্য, আধিপত্য, নতুনভাবে আত্মপ্রকাশ ও উত্তরাধিকারের এক বিরল উদাহরণ।’

    তিনি আরও বলেন, ‘পুরুষশাসিত চলচ্চিত্র জগতে বেগম শামিম আরা নীরবে সবচেয়ে বড় বাধাগুলো ভেঙেছেন এবং ক্যামেরার পেছনে নারীদের জন্য নতুন পথ খুলে দিয়েছেন। তার প্রভাব উচ্চকণ্ঠ ছিল না, কিন্তু ছিল ভিত্তি গড়ে দেওয়ার মতো শক্তিশালী।’

    এই সম্মানকে সানাম সাঈদ এবং পাকিস্তানের শোবিজ অঙ্গনের জন্য একটি বড় অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে।    

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সানামের এই অর্জনে অভিনন্দন জানিয়েছেন পাকিস্তানের আরেক জনপ্রিয় অভিনেত্রী মাহিরা খান। তিনি বলেন, ‘তোমাকে নিয়ে আমি খুবই গর্বিত ও আনন্দিত।’

    এ ছাড়া অভিনেত্রী মায়া আলী শামিম আরাকে শ্রদ্ধা জানানোর সিদ্ধান্তকে প্রশংসা করেছেন। আর কিনজা হাশমি লিখেছেন, ‘তোমাকে নিয়ে গর্বিত, সানাম সাঈদ।’

    এ ছাড়া জারা নূর আব্বাস, ঘানা আলী, নাদিয়া হুসেইন, হারিম ফারুকসহ আরও অনেক তারকা সানামকে অভিনন্দন জানিয়েছেন তার আসন্ন কান যাত্রার জন্য।

    সূত্র- সামা টিভি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • শুটিংয়ে হেনস্তার শিকার পাকিস্তানি অভিনেত্রী, যে দাবি তুললেন

    পাকিস্তানের ছোটপর্দার পরিচিত মুখ অভিনেত্রী হিনা আলতাফ। সম্প্রতি একটি নাটকের সেটে হয়রানি ও হেনস্তামূলক আচরণের শিকার হওয়ার কথা প্রকাশ করেছেন এই অভিনেত্রী। একই সঙ্গে বিনোদন জগতে কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে সরব হয়েছেন তিনি। 

    তার এই সাহসী স্বীকারোক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে, যেখানে নেটিজেনরা শোবিজ অঙ্গনে নারীদের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবি তুলছেন।

    ভিজে (ভিডিও জকি) হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করে পরবর্তীতে অভিনয়ে আসা হিনা আলতাফ নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে এই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেন। 

    তিনি জানান, সম্প্রতি একটি নাটকের শুটিং চলাকালীন সেটের এক ব্যক্তি তার সঙ্গে এমন আচরণ করেন যা তাকে চরম নিরাপত্তাহীন ও অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে ফেলে দেয়। ঘটনাটি ঘটার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি এর গুরুত্ব ও ভয়াবহতা টের পেয়েছিলেন বলে উল্লেখ করেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    হিনা আলতাফ জানান, এই ঘটনার পর তিনি চুপ করে বসে থাকেননি। বরং তাৎক্ষণিকভাবে নিজেকে অভিযুক্ত ব্যক্তি থেকে দূরে সরিয়ে নেন। কেবল তাই নয়, হিনা বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রযোজনা সংস্থাকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করেন, যেন ঘটনার সুষ্ঠু বিচার হয়। বিনোদন জগতের মতো একটি জায়গায় চুপ না থেকে তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ ও পদক্ষেপ নেওয়ার এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই সাহসিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন। 

    হিনা আলতাফের এই সাহসী পদক্ষেপের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সহকর্মীরা তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ। নেটিজেনদের অনেকেই বলছেন, বিনোদন জগতের মতো জায়গায় নারীদের কাজের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

    অনেকে আবার হয়রানির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। হিনার এই প্রতিবাদের সূত্র ধরে অনেক নারী কর্মী নিজেদের কর্মক্ষেত্রে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন অপ্রীতিকর অভিজ্ঞতাও শেয়ার করছেন। 

    সূত্র: সামা টিভি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘ভালোবাসার জন্য ক্যারিয়ার বিসর্জন নয়’

    ব্যক্তিগত জীবনের চেয়ে পেশাদার জীবন এবং লক্ষ্যকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন পাকিস্তানি অভিনেত্রী দানানির মুবিন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই উদীয়মান তারকা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ভালোবাসার জন্য তিনি কখনোই নিজের ক্যারিয়ারের সঙ্গে আপস করবেন না। 

    সাক্ষাৎকারে দানানির জানান, এই মুহূর্তে তার মূল লক্ষ্য নিজের কাজ এবং ব্যক্তিগত উন্নয়নের ওপর। তিনি জীবনকে ইতিবাচকভাবে উপভোগ করছেন এবং পেশাদার যাত্রায় পূর্ণ মনোযোগ দিচ্ছেন। সম্পর্কের পেছনে ‘পাগল হওয়ার’ মতো সময় বা মানসিকতা এখন তার নেই। 

    দানানির বলেন, ‘ভালোবাসা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু এটি আমার অগ্রাধিকার নয়।’ 

    তিনি আরও যোগ করেন যে, ভালোবাসা জীবনের একটি অংশ হলেও এটি কখনোই তার ক্যারিয়ার বা জীবনের বড় লক্ষ্যগুলোর উপরে স্থান পাবে না। তার এই বক্তব্য বর্তমান প্রজন্মের বিনোদন কর্মীদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান স্বনির্ভরতা ও পেশাদারিত্বের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    নাটকে সহ-অভিনেতাদের সঙ্গে তার রসায়ন নিয়ে দর্শকদের অতিরিক্ত মাতামাতি নিয়েও কথা বলেন দানানির। তিনি জানান, ভক্তরা যখন গল্পের ভেতরে ডুবে থাকেন, সেটি আনন্দের; কিন্তু অনেক সময় এই প্রতিক্রিয়াগুলো মাত্রা ছাড়িয়ে যায়।

    দানানির জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মন্তব্য এবং আলোচনা অনেক সময় তার ব্যক্তিগত জীবনে প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে তার বাবা-মা এসব দেখে বেশ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। এই ধরনের মানসিক চাপ মাঝে মধ্যে তাকে পারিবারিক পরিসরেও অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মুখে ফেলে দেয়।

    সব প্রতিকূলতা ছাপিয়ে দানানির মুবিন এখন তার অভিনয় ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতা বজায় রাখতেই বেশি আগ্রহী। সস্তা জনপ্রিয়তার পেছনে না ছুটে বরং মানসম্মত কাজের মাধ্যমেই তিনি নিজের অবস্থান শক্ত করতে চান। 

    সূত্র: সামা টিভি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেত্রীর বিয়ের খবর ফাঁস, পাত্র কে?

    অবশেষে ভক্তদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে নিজের বিয়ের ছবি ও বরের পরিচয় প্রকাশ করলেন জনপ্রিয় পাকিস্তানি অভিনেত্রী নিমরা খান। এতদিন বিয়ের কথা জানালেও স্বামীর পরিচয় গোপন রেখেছিলেন তিনি, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছিল।

    সম্প্রতি নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে একগুচ্ছ বিয়ের ছবি পোস্ট করে নিমরা তার দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেন। আগে শেয়ার করা ছবিগুলোতে বরের মুখ ঢাকা থাকলেও, এবারের ছবিতে তাকে স্পষ্টভাবে দেখা গেছে।

    অভিনেত্রী জানান, তার বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে লন্ডনে। শেয়ার করা ছবিগুলোর মধ্যে বেশ কিছু ছবি প্যারিসের আইফেল টাওয়ারের সামনে তোলা, যা ভক্তদের নজর কেড়েছে। জীবনের এই নতুন অধ্যায়কে ‘আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ নেয়ামত’ হিসেবে অভিহিত করে নিমরা সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ছবিগুলো প্রকাশ্যে আসার পরপরই নিমরার সহকর্মী এবং ভক্তরা তাকে অভিনন্দন জানাতে শুরু করেন। বরের পরিচয় সামনে আসায় গত কয়েকদিন ধরে চলা সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটল। ভক্তরা তাদের প্রিয় অভিনেত্রীর এই নতুন সূচনায় শুভকামনা জানিয়েছেন।

    উল্লেখ্য, এর আগে ২০২০ সালে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী রাজা আজমকে বিয়ে করেছিলেন নিমরা। তবে সেই সংসার টেকেনি। পরবর্তীতে পারিবারিক নির্যাতনের অভিযোগ এনে বিচ্ছেদ ঘটে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্যারিসে রূপকথার বিয়ে সারলেন পাকিস্তানি তারকা নিমরা খান

    পাকিস্তানি অভিনেত্রী নিমরা খান তার দ্বিতীয় বিয়ের খবর নিশ্চিত করেছেন। প্যারিসে ধারণ করা তার বিয়ের একগুচ্ছ ‘ড্রিমলুক’ ছবি শেয়ার করেছেন তিনি, যা দেখতে একদম সিনেমার দৃশ্যের মতো মনে হচ্ছে।

    নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে এ অন্তরঙ্গ অনুষ্ঠানের কিছু মুহূর্ত শেয়ার করেছেন অভিনেত্রী। ছবিগুলোতে ফুটে উঠেছে চমৎকার সব প্রেক্ষাপট এবং একটি স্নিগ্ধ ও নান্দনিক আবহ।

    বিয়ের বিশেষ এ দিনটিতে নিমরা বেছে নিয়েছিলেন একদমই ভিন্নধর্মী একটি লুক। তার পরনে ছিল গোলাপি রঙের (রোজ পিঙ্ক) স্লিভলেস ড্রেস। এর সঙ্গে মাথায় ছিল ব্রিটিশ স্টাইলের টুপি (ফ্যাসিনেটর), যা তার নববধূর সাজে যোগ করেছিল ধ্রুপদী আভিজাত্যের ছোঁয়া।

    ভিজ্যুয়ালগুলো অনলাইনে দ্রুত নজর কাড়লেও নিমরা তার স্বামীর ব্যাপারে গোপনীয়তা বজায় রেখেছেন। ছবিতে স্বামীর মুখ যেমন আড়ালে রেখেছেন, তেমনি তার পরিচয়ও প্রকাশ করেননি তিনি।

    ছবির পাশাপাশি জীবনের নতুন এ পথচলা নিয়ে একটি হৃদয়স্পর্শী বার্তা লিখেছেন নিমরা। তিনি লেখেন, ‘আল্লাহর নামে আমি আমার জীবনের একটি নতুন অধ্যায় শুরু করেছি। দয়া করে আমাদের আপনাদের দোয়ায় রাখবেন। সবসময় পাশে থাকার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ। আল্লাহর রহমতে আমি অত্যন্ত দয়ালু একজন স্বামী এবং একটি ভালোবাসাময় পরিবার পেয়েছি। আমি শিখেছি যে, আল্লাহ যদি আপনাকে পরীক্ষার সম্মুখীন করেন, তবে তিনি শেষে স্বস্তি ও মঙ্গলও দান করেন। তাই কখনো হাল ছাড়বেন না, আশা হারাবেন না। আল্লাহ যেন প্রতিটি মেয়ে এবং প্রতিটি কন্যার সুন্দর ভাগ্য দান করেন। আমিন’।

    তার এ বার্তায় কৃতজ্ঞতা ও বিশ্বাসের প্রতিফলন ঘটেছে। জীবনের কঠিন সময় কাটিয়ে জয়ী হওয়ার এবং সুখ খুঁজে পাওয়ার গল্প ফুটে উঠেছে তার কথায়। বিশেষ করে নারীদের জন্য তার এ বার্তা ছিল আশা ও অনুপ্রেরণার।

    এর আগে ২০২০ সালের এপ্রিলে করোনা লকডাউনের সময় যুক্তরাজ্য প্রবাসী রাজা আজমকে বিয়ে করেছিলেন নিমরা খান। তবে সেই দাম্পত্য জীবন সুখের হয়নি। পরবর্তীতে স্বামীর বিরুদ্ধে পারিবারিক নির্যাতনের অভিযোগ এনে বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন এই অভিনেত্রী।

    নিমরার দ্বিতীয় বিয়ের এ ঘোষণায় ভক্তদের পক্ষ থেকে শুভকামনার জোয়ার বয়ে যাচ্ছে। ভক্তরা তার এ নতুন সূচনার প্রশংসা করছেন এবং একইসঙ্গে ব্যক্তিগত জীবন আড়ালে রাখার তার সিদ্ধান্তকেও সম্মান জানাচ্ছেন।

    অনলাইন ডেস্ক

  • পাকিস্তানে হচ্ছে বিশ্বমানের ‘পাঞ্জাব ফিল্ম সিটি’, থাকবে যত সুবিধা

    পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে প্রথমবারের মতো তৈরি হতে যাচ্ছে ৫০ একর জায়গাজুড়ে এক বিশাল ‘ফিল্ম সিটি’। স্থানীয় প্রতিভা বিকাশ এবং পাকিস্তানকে বৈশ্বিক সৃজনশীলতার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে লাহোরে এ প্রকল্প হাতে নিয়েছে পাঞ্জাব সরকার।

    পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) এ ঘোষণা দেন। তিনি জানান, এটি পাঞ্জাবের ইতিহাসে এ ধরনের প্রথম কোনো প্রকল্প। প্রায় দুই বছর আগে এ ফিল্ম সিটির পরিকল্পনা করা হয়েছিল। পাকিস্তানের চলচ্চিত্র নির্মাতা, প্রযোজক এবং অভিনয়শিল্পীদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পর এ ‘ইন্ড-টু-ইন্ড’ কনটেন্ট ক্রিয়েশন পাইপলাইন বা স্বয়ংসম্পূর্ণ ফিল্ম সিটির নকশা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

    বিশ্বমানের স্টুডিও ও অবকাঠামো

    মুখ্যমন্ত্রী জানান, এ প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত থাকবে- বিশ্বমানের স্টুডিও ও সাউন্ড স্টেজ; যেখানে আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা থাকবে। থাকবে অ্যাডভান্সড ল্যাব। ভিএফএক্স (VFX) এবং পোস্ট-প্রোডাকশনের জন্য উন্নত গবেষণাগার।

    শুটিংয়ের সুবিধার্থে একটি কৃত্রিম লেকসহ বিভিন্ন লোকেশন সেট থাকবে।আন্তর্জাতিক মানের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের জন্য বিশেষ কনভেনশন হলও থাকবে। 

    এ ছাড়া এখানে একটি ইন্টিগ্রেটেড মিডিয়া ট্রেড হাব, চলচ্চিত্র ও সংগীত শিক্ষার স্কুল এবং জরুরি নিরাপত্তা অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে। বিনোদনের জন্য থাকবে একটি আলাদা ডিস্ট্রিক্ট, যা দেশের সৃজনশীল শিল্পকে নতুন গতি দেবে।

    লক্ষ্য ও দূরদর্শী পরিকল্পনা

    এক্স-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে মরিয়ম নওয়াজ বলেন, ‘এ উদ্যোগ আমাদের স্থানীয় প্রতিভাদের ক্ষমতায়ন করবে, হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে এবং পাকিস্তানকে বিশ্বদরবারে সৃজনশীলতার অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে’।

    তিনি আরও যোগ করেন, এ ফিল্ম সিটি হবে তরুণ প্রজন্মের জন্য একটি বিশেষ উপহার। এটি এমন এক জায়গা হবে, যেখানে তাদের স্বপ্ন ডানা মেলবে এবং পাকিস্তানের প্রকৃত ও প্রাণবন্ত রূপটি বিশ্বের কাছে ফুটে উঠবে।

    পাঞ্জাবকে প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির অন্যতম বৈশ্বিক গন্তব্য হিসেবে রূপান্তর করাই তার লক্ষ্য উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এ ফিল্ম সিটি সেই লক্ষ্য অর্জনে এক বড় পদক্ষেপ।

    অনলাইন ডেস্ক