Tag: পাকিস্তান

  • জান্নাত মির্জার বাগদানের গুঞ্জন, কে সেই রহস্য পুরুষ?

    ফের বাগদানের গুঞ্জন উঠেছে পাকিস্তানের জনপ্রিয় টিকটক তারকা জান্নাত মির্জার। সম্প্রতি সামাজিকমাধ্যমে দেওয়া তার এক পোস্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক জল্পনার জন্ম দিয়েছে। যা নিয়ে এ তারকার বাগদানের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে তার ভক্তদের মাঝে।

    পাকিস্তানি এই তারকা মূলত অভিনয় এবং ফ্যাশন সেন্সের পাশাপাশি গানের কলিতে ঠোঁট মেলানোর দক্ষতার জন্য পরিচিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার একটি বিশাল সংখ্যক ভক্ত-অনুসারী রয়েছে।

    এর আগে সহকর্মী টিকটকার উমর বাটের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান জান্নাত মির্জা। একসঙ্গে ভিডিও তৈরি করার সময় দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এমনকি তারা বিয়েরও সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু এ সম্পর্ক বেশিদিন ধরে রাখতে পারেননি তারা। 

    ২০২৩ সালেই তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। উমর বাট পরে তাদের বিচ্ছেদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন এবং ভক্ত-সমর্থকদের তাদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের বিষয়ে সম্মান দেখাতে অনুরোধ করেন।  

    তবে সম্প্রতি জান্নাত মির্জার ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা একটি ছবি ও ভিডিও নিয়ে নতুন করে বাগদানের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। শেয়ার করা ওই ছবিতে জান্নাতের হাতে একটি সুন্দর আংটি দেখা যায়। 
    এছাড়া ভিডিওতে দেখা যায়, জান্নাত বেগুনি রঙের পোশাক পরা। তার সঙ্গে রয়েছে এক রহস্যময় ব্যক্তি। তবে পুরো ভিডিওজুড়ে তার মুখ লুকিয়ে রাখা হয়েছে। এছাড়াও ওই ভিডিওতে বেগুনি এবং কালো রঙের হার্ট (ভালোবাসা) ইমোজিও রয়েছে। এ ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর তার বাগদানের গুঞ্জন আরও চাউর হয়েছে।

    ভক্তরা তার ওই ভিডিও এবং রিং ফটোতে কৌতূহল আর উত্তেজনার সঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। ভক্তরা তার বাগদান এবং রহস্য পুরুষের পরিচয় জানতে তার কাছ থেকে একটি আনুষ্ঠানিক ঘোষণার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘যারা হজের ছবি নিয়ে সমালোচনা করেছেন আল্লাহ যেন তাদের হেদায়েত দেন’

    হজে গিয়ে সেলফি ও ভ্লগ করে সমালোচিত হয়েছেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নিদা ইয়াসির ও তার স্বামী ইয়াসির নওয়াজ। এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে সমালোচনাকারীদের হেদায়াত কামনা করেছেন তারা। 

    হজের সময় নিদা ইয়াসির ও ইয়াসির নওয়াজকে ইনস্টাগ্রামে বেশ সক্রিয় দেখা গেছে।  দুজনে বেশ কয়েকটি ভিডিও এবং ছবি শেয়ার করেছেন এবং ইউটিউবে নিয়মিত ভ্লগও পোস্ট করেছেন।

    ভিডিওগুলো প্রকাশের পর নেটিজেনরা এই দম্পতির সমালোচনা করেছেন, যার প্রতিক্রিয়ায় নিদা এবং ইয়াসির একটি ভ্লগে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

    ওই ভ্লগে নিদা ইয়াসির তার স্বামীর প্রশ্নের জবাবে হেদায়েত প্রার্থনা করে বলেন, আমি দোয়া করি আল্লাহ যেন ট্রলকারীদের হেদায়েত দেন। তারা যেন আমাদের ছবি থেকে কিছু শিখতে পারে এবং তাদের প্রয়োজনীয় কাজ ছেড়ে দিয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করে।

    অন্যদিকে ইয়াসির নওয়াজ বলেন, আমাদের সম্পর্কে যে যাই বলুক না কেন, আমরা পরোয়া করি না। আমরা যে ইবাদত করেছি তা আমরা এবং খোদা জানেন।  আমরা যে ভালো কাজ করেছি তা আমাদের এবং আল্লাহর মধ্যকার বিষয়।

    ইয়াসির হজের একটি ভিডিও দেখিয়ে বলেন, সেখানে যারা ছিলেন তারা সবাই তাদের স্মৃতি হিসেবে ছবি ও ভিডিও বানাচ্ছিলেন, শুধু আমরা এটি তৈরি করিনি।

    তিনি আরও বলেন, আমরা হজের সময় ট্রলবাজদের জন্যও দোয়া করেছি।

    জিও নিউজ উর্দূ  

     

     

    যুগান্তর ডেস্ক

  • ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ দেখতে এসে রেগে আগুন আনুশকা!

    চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গেল রোববার নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নেমেছিল ভারত ও পাকিস্তান।  দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর ম্যাচ দেখার অপেক্ষায় প্রহর ছিল ক্রিকেট বিশ্ব।  প্যাভিলিয়নে কিংবা টিভি পর্দার সামনে খেলা উপভোগ করেছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। 

    rnrn

    আর ভারত-পাকিস্তানের হাইভোল্টেজ এই ম্যাচ দেখতে নিউইয়র্কের নাসাউ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে হাজির হয়েছিলেন বলিউড অভিনেত্রী আনুশকা শর্মা। তবে স্টেডিয়ামে এসেই মেজাজ হারান এই তারকা। 

    rnrn

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে তেমনই এক ভিডিও।  এতে দেখা গেছে, কোনো এক ব্যক্তির উপর নিজের রাগ ঝারছেন আনুশকা। তবে কী বলছিলেন বিরাটপত্নী সেটা বোঝা যায়নি। 

    rnrn

    অভিনেত্রীর সেই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই মন্তব্য করতে ভুল করেননি নেটিজেনরা।  মন্তব্যের ঘরে একজন লিখেছেন, ‘আবার কি আবর্জনা তুলতে বলছে নাকি?’ অন্য একজন লিখেছেন, ‘বউদি খুব রেগে গেছে।’ আবার অনেকের মন্তব্য, তাকে সুলতান সিনেমার ‘আরফা’ চরিত্রের মতো দেখতে লাগছে।’
    rnকয়েক বছর আগে, গাড়ি থেকে রাস্তায় ময়লা ফেলার জন্য আনুশকা এক ব্যক্তিকে তিরস্কার করেন এবং ভবিষতে এই কাজ যেন আর না করেন সেই ব্যাপারেও বোঝান। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ১০ হাজার দর্শকের সামনে বিব্রতকর অবস্থায় মাহিরা খান

    পাকিস্তানের অভিনেত্রী মাহিরা খান সম্প্রতি দেশটির এক সাহিত্যসভায় যোগ দিয়েছিলেন। সেখানেই তাকে অশোভনীয় একটি ঘটনার সম্মুখীন হতে হয়। ফলশ্রুতিতে রাগে ফেটে পড়েন অভিনেত্রী। দর্শকাসনে বসে থাকা কিছু লোক তাকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন জিনিসপত্র ছুঁড়তে থাকেন। বিরক্ত হয়ে মঞ্চ থেকেই প্রতিবাদ জানান এই অভিনেত্রী।

    rnrn

    আনন্দবাজার অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি পাকিস্তানে একটি সাহিত্য সভায় যোগ দিতে যান মাহিরা খান। সেখানেই মঞ্চে বসেছিলেন অভিনেত্রী। তখন দর্শকাসন থেকে তার দিকে ছোঁড়া হয়ে বেশ কিছু জিনিস। তৎক্ষণাৎ প্রতিবাদ করেন অভিনেত্রী। বিরক্ত হয়ে মাহিরা বলেন, ‘এটা কিন্তু গ্রহণযোগ্য নয়।’ এ ঘটনায় রীতিমতো ভয় পেয়ে যান মাহিরা। তবে একটি সিদ্ধান্তও নিয়েছেন এর প্রেক্ষিতে।

    rnrn

    এ দিনের অনুষ্ঠানের ভিডিও শেয়ার করে হতাশার সঙ্গে লেখেন, ‘মঞ্চে অনুষ্ঠান চলাকালীন কোনও কিছুই ছোঁড়া ঠিক নয়। কাগজে মোড়ানো ফুল হলেও তা মঞ্চে ছোঁড়া যায় না। পুরো ঘটনাটা খুব ভুল একটা নজির স্থাপন করেছে, এটা কখনও মেনে নেওয়া যায় না।’

    rnrn

    অভিনেত্রী আরও লেখেন, ‘এ ঘটনায় আমি সত্যিই খুব ভয় পেয়ে যাই। না, শুধু নিজের জন্য নয়, অন্যদের কথা ভেবেও। আমার মতো এ পরিস্থিতিতে অন্য কাউকেও তো পড়তে হতে পারে!’ তবে এ ঘটনার পরও মঞ্চ ছেড়ে বেরিয়ে যাননি তিনি। ভালোবাসায় বিশ্বাসী মাহিরা- হয়তো তাই। সেদিন অনুষ্ঠানে প্রায় ১০ হাজার দর্শক হাজির ছিলেন।

    rnrn

    মাহিরা এ দিনের ঘটনার পর ঠিক করেছেন, এ রকম আরও অনুষ্ঠান তিনি করবেন। কারণ হিসেবে মাহিরা বলেন, ‘পাকিস্তানের অনেক শহরে এ ধরনের অনুষ্ঠানের প্রয়োজন রয়েছে। কারণ আপনি যত বেশি সব কিছু নিয়ে আলোচনা করবেন, ততই আপনি সচেতন এবং শিক্ষিত হবেন। ততই আমাদের একে অপরের প্রতি ভালোবাসা ও বোঝাপড়া আরও বাড়বে। কারণ এখনো ঐক্যবদ্ধতার অভাব রয়েছে। এ ধরনের অংশগ্রহণের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে ঐক্য গড়ে উঠবে।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • পাকিস্তান থেকে অনেক ভালোবাসা পেয়েছি: সঞ্জয় লীলা বনসালি

    সঞ্জয় লীলা বনসালি নির্মিত প্রথম ওয়েব সিরিজ ‘হীরামান্ডি: দ্য ডায়মন্ড বাজার’ সাড়া ফেলেছে। স্বাধীনতা-পূর্ব পাঞ্জাবের একটি সেট তৈরি করে সিরিজটির শুটিং হয়েছে। সেই স্থানটি এখন পাকিস্তানের অংশ।

    rnrn

    অবিভক্ত ভারতের প্রেক্ষাপটের নির্মিত এ সিরিজ নিয়ে সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিওয়্যার-এ সাক্ষাতকার দিয়েছে সঞ্জয় লীলা বানসালি।

    rnrn

    তিনি জানান, পাকিস্তান থেকে প্রচুর ভালোবাসা পেয়েছেন তিনি। সেখানকার দর্শকরা হীরামান্ডি নিয়ে সত্যিই আগ্রহী।

    rnrn

    বানসালি বলেন, আমি পাকিস্তান থেকে এত ভালবাসা পেয়েছি, তারা সবাই সিরিজটির জন্য অপেক্ষা করছে, কখন গল্পটি বলা হবে সেজন্য অপেক্ষা করছে। এটি এমন একটি বিষয় যা বলতে গেলে আমাদেরকে একত্রিত করে। সমস্ত ভারত যখন এক ছিল, যখন আমরা অবিভক্ত ছিলাম তখনটার গল্প। হীরামান্ডির এই চরিত্রগুলো যতটা তাদের (পাকিস্তানি) ততটা আমাদেরও (ভারতীয়)।

    rnrn

    আমি এখনো অনুভব করি যে আমরা সবাই এক, আমি এখনো অনুভব করি যে আমরা সবাই অনেকভাবে সংযুক্ত। কিছু লোক যারা সমস্যা তৈরি করতে চায় তাদেরকে বাদ দিলে, দুপক্ষের মানুষেরই দুপক্ষের মানুষের জন্য প্রচুর ভালোবাসা রয়েছে।

    rnrn

    সমালোচনার বিষয়ে এ নির্মাতা আরও বলেন, এই চরিত্রগুলোর মধ্যে এমন কিছু জিনিস আছে যা আমার কাজের সঙ্গে মানুষকে সংযুক্ত করে। সেজন্য তারা আমার কাজ নিয়ে কথা বলে। অনেকে পছন্দ করবে, অনেকে পছন্দ করবে না। এটাই দর্শক ও চলচ্চিত্র নির্মাতার মধ্যে দেওয়া-নেওয়ার একটি অংশ। যখন দর্শক আমার প্রশংসা করে তখন সেটায় আমার আপত্তি নেই। একইসঙ্গে যখন দর্শক আমার কাজের সঙ্গে সংযুক্ত হতে পারে না তখন সমালোচনা করে। এটায়ও আমার আপত্তি নেই।

    rnrn

    ১৯৪০ এর দশকের ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামের পটভূমিতে তৈরি ‘হীরামান্ডি: দ্য ডায়মন্ড বাজার’। সিরিজটিতে দেখানো হয়েছে লাহোরের এক যৌনপল্লির গল্প। চরিত্রগুলোতে তখনকার সময়ের প্রেম, বিশ্বাসঘাতকতা, উত্তরাধিকার ও রাজনীতির মতো বিষয়গুলো উঠে এসেছে। 

    rnrn

    এতে অভিনয় করেছেন মনীষা কৈরালা, সোনাক্ষী সিনহা, রিচা চাড্ডা, অদিতি রাও হায়দারি এবং ফারদিন খানসহ অনেকে।
    rn 

    বিনোদন ডেস্ক

  • পাকিস্তানি অভিনেত্রীর কাছে যে কারণে ক্ষমা চাইলেন ভারতীয় তারকা

    মুম্বাইয়ে সন্ত্রাসী হামলার পর থেকেই ভারত-পাকিস্তানের সম্পর্কে অবনতি ঘটে। প্রতিবেশী দুই দেশের রাজনৈতিক এই বৈরিতার প্রভাব পড়ে ক্রীড়াঙ্গন, বিনোদনসহ অনেক কিছুতে। 

    rnrn

    যে কারণে বেশ কয়েক বছর ধরে ভারতে পাকিস্তানি শিল্পীদের অবাধ যাতায়াত বন্ধ। অনুষ্ঠান কিংবা সিনেমায় কাজ করা নিয়ে বিধিনিষেধ রয়েছে।

    rnrn

    তিন বছর আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতে একটি অনুষ্ঠানে পাকিস্তানি শিল্পীদের হয়ে আওয়াজ তোলেন অরিজিৎ; কিন্তু এবার এক পাকিস্তানি অভিনেত্রীর কাছেই ক্ষমা চাইতে হলো তাকে।

    rnrn

    দুবাইতে নিজের কনসার্ট করতে গিয়েছেন অরিজিৎ। সেখানে গায়কের গান শুনতে আসেন পাকিস্তানি অভিনেত্রী মাহিরা খান। ভারতে শাহরুখ খানের বিপরীতে ‘রইস’ ছবিতে কাজ করেছেন তিনি। সেই ছবিতে অরিজিতের কণ্ঠে একটি গানও রয়েছে, ‘জালিমা’, যা খুবই জনপ্রিয় হয়।

    rnrn

    অরিজিতের মঞ্চের পাশেই ভিআইপি আসনে বসে ছিলেন অভিনেত্রী। প্রথমবার দেখে তাকে চিনতে পারেননি অরিজিৎ। পরে বুঝতে পেরে দর্শকের সঙ্গে মাহিরার পরিচয় করিয়ে দেন অরিজিৎই। প্রথম দেখায় চিনতে না পারার জন্য ক্ষমাও চেয়ে নেন।

    rnrn

    গাইতে গাইতে হঠাৎ থেমে গিয়ে অরিজিৎ বলেন, ‘আপনারা হয়তো শুনে চমকে যাবেন। আচ্ছা আমি একটু অন্যভাবেই বিষয়টি উপস্থাপন করছি। ওখানে কি কোনো ক্যামেরা আছে? অনেকক্ষণ ধরে ওকে চেনার চেষ্টা করছিলাম। তারপর মনে পড়ল, আরে ওর জন্য তো আমি ‘জালিমা’ গানটা গেয়েছিলাম।’

    rnrn

    কালো পোশাকে বসে ছিলেন মাহিরা। গায়কের কথা শুনে তার চোখে মুখে হাসি। শেষে অরিজিৎ বলেন, ‘আমার সামনে বসে রয়েছেন মাহিরা খান। 'জালিমা' গানটা গাওয়ার সময় মাহিরা নিজেও গাইছিলেন এবং ওখানে দাঁড়িয়েছিলেন। কিন্তু আমি চিনতে পারিনি। আমি অত্যন্ত দুঃখিত ম্যাম।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘পাকিস্তানি শিল্পীদের প্রতিভা আছে, বলিউডে তাদের সুযোগ দেওয়া উচিত’

    ভারতের জম্মু এবং কাশ্মীর রাজ্যের উরি এলাকায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর একটি সেনা ঘাটিতে ২০১৬ সালে হামলা হয়। সেই হামলায় ভারতের ১৯ জন সৈনিকের মৃত্যু হয়।

    rnrn

    তারপর থেকে ভারতের চলচ্চিত্রে পাকিস্তানি শিল্পীদের বয়কট করা হয়। প্রায় আট বছর পরে সেই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন ভারতীয় অভিনেত্রী মুমতাজ। 

    rnrn

    ভারতের বর্ষীয়ান এই অভিনেত্রী সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘পাকিস্তানি শিল্পীদের ভারতে এসে কাজ করতে দেওয়া উচিত। তাদের প্রতিভা আছে। আমি এটা বলছি না, মুম্বাইয়ে প্রতিভার অভাব আছে। কিন্তু, ওদেরও বলিউডে কাজ করার সুযোগ দেওয়া উচিত।’

    rnrn

    অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘ওরা আমাদের থেকে একেবারেই আলাদা নন। যেখানেই আমি গিয়েছি, মানুষ আমাকে আর আমার বোনকে ভালবাসা আর উপহারে দিয়েছে। ওরা আমার সব ছবি ও গান সম্পর্কে অবহিত।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • অবশেষে অনুমতি পাওয়ার পর পাকিস্তান গেলেন শবনম

    বাংলাদেশ ও পাকিস্তান দুই দেশেই জনপ্রিয়তা রয়েছে অভিনেত্রী শবনমের। ছয় দশকের বর্ণাঢ্য চলচ্চিত্র জীবন তার। বাংলাদেশের সিনেমায় অভিনয় করলেও দীর্ঘ সময় কাজ করেছেন পাকিস্তানের সিনেমায়। পাকিস্তানের সিনেমায় তার অবদানের জন্য সেখানে ‘মহানায়িকা’ বলা হয় শবনমকে। 

    rnrn

    এখনও পাকিস্তানের মিডিয়া ও সাধারণ দর্শক মনে রেখেছেন তাকে। তাইতো সে দেশের ‘সিতারা-ই-ইমতিয়াজ’  এ সর্বোচ্চ পদকটি পেতে যাচ্ছেন শবনম। আগামী ২৩ মার্চ এ সম্মাননা তুলে দেওয়া হবে। কিন্তু বাংলাদেশ সরকার দেশটিতে যাওয়ার অনুমতি দিচ্ছিল না তাকে। তবে সব বাধা শেষে বাংলাদেশ সরকারের অনুমতি সাপেক্ষে বুধবার দেশ ছাড়েন তিনি। 

    rnrn

    পাকিস্তানের ১৩৫ জনকে দেওয়া হচ্ছে নিশান ই ইমতিয়াজ, হিলাল ই পাকিস্তান, হিলাল ই সুজাত, হিলাল ই ইমতিয়াজ, হিলাল ই কায়েদ ই আজম, সিতারা ই পাকিস্তান, সিতারা ই সুজাত, সিতারা ই ইমতিয়াজ পুরস্কার। এ ছাড়াও প্রেসিডেন্ট পদকের কয়েকটি ক্যাটাগরিতে দেওয়া হচ্ছে পুরস্কার। এ ছাড়াও প্রেসিডেন্ট পদকের কয়েকটি ক্যাটাগরিতে দেওয়া হচ্ছে পুরস্কার। মোট ৫০৭ জনকে বিভিন্ন ক্যাটাগরির পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান সরকার।

    rnrn

    তবে ‘সিতারা-ই-ইমতিয়াজ’ পুরস্কার পাচ্ছেন মোট ৬০ জন। তাদের মধ্যে আবার মাত্র সাতজন রয়েছেন শোবিজ অঙ্গনের। এই সাতজনের একজন শবনম। পদক গ্রহণের জন্য পাকিস্তান যেতে বাংলাদেশ সরকারের অনুমতির প্রয়োজন ছিল। সরকারপ্রধান ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি লাভের পর বুধবার সকাল ১০টার বিমানে পাকিস্তানের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছেন শবনম।

    rnrn

    এ ব্যাপারে শবনম বলেন, ক্যারিয়ারে লম্বা সময় পাকিস্তানে কাজ করেছি। যে কারণে ওরা সর্বোচ্চ পদক দিচ্ছে। আমি গর্বিত। আর পদক গ্রহণে অনুমতি দিচ্ছেন বর্তমান সরকার প্রধান শেখ হাসিনা। আমি তার প্রতি কৃতজ্ঞ। আমি শুনেছি তিনি এই পদক পাওয়ার খবরে খুশিও হয়েছেন। আমি বিশ্বাস করি এই পদক দু’দেশের সিনেমা শিল্পের উন্নয়নে যোগসূত্র তৈরি করবে। আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ ও মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টদের। তাদের আন্তরিক সহযোগিতা না পেলে জীবনসায়েহ্নে এসে এই পদক গ্রহণে যেতে পারতাম না। একই সঙ্গে পাকিস্তান সরকারকেও ধন্যবাদ।

    rnrn

     এরআগে শবনম পাকিস্তানে কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ সর্বোচ্চ ১৩ বার নিগার, তিনটি জাতীয়, পিটিভি এবং লাক্স লাইফটাইম অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন। এছাড়াও ২০১৭ সালে লাহোর সাহিত্য উৎসবে প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করার বিরল গৌরব অর্জন করেন শবনম।

    rnrn

    উল্লেখ্য, চলচ্চিত্রে শবনমের আবির্ভাব নির্মাতা এহতেশামের হাত ধরে। শুরুতেই চান্দা, তালাশ, হারানো দিন, নাচের পুতুল সিনেমা দিয়ে অবিভক্ত পাকিস্তানে তুমুল দর্শকপ্রিয়তা পান। পরবর্তী সময়ে নিজেকে আরও মেলে ধরতে পাড়ি জমান তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানে। সেখানে মাথা উঁচু করে নিজেকে মেলে ধরেন। পরবর্তী সময়ে জন্মভূমিতে ফিরে সর্বশেষ ‘আম্মাজান’ সিনেমা দিয়ে ক্যারিয়ারে ইতি টানেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • পাকিস্তানের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য পরিচালকের

    পাকিস্তানের শিল্প ও অভিনয় জগতের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন দেশটির জনপ্রিয় অভিনেতা-পরিচালক ইয়াসির হুসাইন। 

    rnrn

    তিনি বলেছেন, ‘আমাদের ইন্ডাস্ট্রি ভালো ইন্ডাস্ট্রি নয়, তাই আমি চাই না আমার ছেলে অভিনয়ে আসুক।’

    rnrn

    সম্প্রতি ইয়াসির হুসাইনের একটি সাক্ষাত্কার ক্লিপ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে, যেখানে তাকে পাকিস্তানি টেলিভিশন শিল্পের প্রতি বিরক্ত প্রকাশ করতে দেখা গেছে।

    rnrn

    সঞ্চালকের এক প্রশ্নের উত্তরে ইয়াসির হুসাইন বলেন, আমাদের ইন্ডাস্ট্রি ভালো ইন্ডাস্ট্রি নয়, আমি চাই না আমার ছেলে এই ইন্ডাস্ট্রিতে আসুক। সে এলে আমি তাকে কোনো কিছু থেকে আটকাবো না, কিন্তু আমি চাই না সে অভিনেতা হোক।   

    rnrn

    ইয়াসির হুসাইন তার অবস্থান ব্যাখ্যা করে উপস্থাপককে প্রশ্ন করেন, আপনি বলুন আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে কী কাজ হচ্ছে? এগুলো কি কাজ? একজন অভিনেতার কাজ কী? একজন অভিনেতার কাজ হলো ভালো অভিনয় করা, শোবিজের জগতে নিজের প্রতিভা প্রমাণ করা, কিন্তু আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে আপনাকে প্রতিনিয়ত বাজে কাজের প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে।

    rnrn

    ভারতে পাকিস্তানি নাটকের জনপ্রিয়তা নিয়েও কথা বলেন ইয়াসির হুসাইন। 

    rnrn

    তিনি বলেন, আমাদের নাটক সারা বিশ্বে দেখা যাচ্ছে না।  ভারতে যেখানে নিম্নমানের নাটক চলে, তাদের নিজস্ব ভালো নাটক নেই, সেখানে তারা আমাদের নাটক দেখছে।
    rn 

    যুগান্তর ডেস্ক

  • ওয়ার্নারের বিদায়ী টেস্টে পাকিস্তানকে ধবল ধোলাইয়ের লজ্জা দিল অজিরা

    সিডনিতে ক্যারিয়ারের শেষ টেস্ট ম্যাচটি খেলে ফেলেছেন ডেভিড ওয়ার্নার। নিজেকে রঙিন করতে না পরলেও জয় পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া। অন্যদিকে টানা তিন ম্যাচ হেরে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে আবারও হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবেছে পাকিস্তান।

    সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্টে বৃহস্পতিবার পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে শান মাসুদের দল হেরেছিল যথাক্রমে ৩৬০ ও ৭৯ রানের ব্যবধানে।

    ৭ উইকেটে ৬৮ রানে তৃতীয় দিনের খেলা শেষ করেছিল পাকিস্তান। ক্রিজে ছিলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও আমের জামাল। তবে প্রথম ইনিংসের মতো তাদের দ্বিতীয় ইনিংসে দলের হাল ধরতে দেননি লায়ন-কামিন্সরা। চতুর্থ দিনের দলের খাতায় ৪২ রান যোগ করতেই লায়নের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন রিজওয়ান। ৫৭ বলে ২৮ রানে থামে তার ইনিংস।

    রিজওয়ানের বিদায়ের দুই বল পরই কামিন্সের বলে ট্রাভিস হেডকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন জামাল। ৪৭ বলে ১৮ রানে থামেন তিনি। এর পর হাসান আলীকে (৫) লায়ন বোল্ড করলে ১১৫ রানে থামে পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংস। প্রথম ইনিংসে রিজওয়ানের ৮৮ ও জামালের ৮২ রানের কল্যাণে ৩১৩ রান তুলেছিল তারা।

    অন্যদিকে প্রথম ইনিংসে ২৯৯ রান করা অজিদের সামনে লক্ষ্য ছিল ১৩০ রানের। সহজ লক্ষ্যে মাঠে নেমে সাজিদ খানের বলে শুরুতেই এলবিডব্লিউর ফাঁদে উইকেট হারান উসমান খাজা। ৬ বল মোকাবিলা করে কোনো রান না তুলে সাজঘরে ফেরেন তিনি। তবে দ্বিতীয় উইকেটে সহজ জয় নিশ্চিত করেন ডেভিড ওয়ার্নার ও মার্নাস লাবুশেন। দুজনই তুলে নেন ফিফটি। দলের জয় নিশ্চিত করেই মাঠ ছাড়তে পারতেন ক্যারিয়ারের শেষ টেস্ট খেলতে নামা ওয়ার্নার।

    অস্ট্রেলিয়া জয় থেকে ১১ রান দূরে থাকতে সাজিদের বলে আউট হন ওয়ার্নার। তাতে ৭৫ বলে ৫৭ রানে থামে তার শেষ টেস্টের ইনিংস। মাঠ ছাড়ার সময় সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডের (এসসিজি) দর্শকরা উঠে দাঁড়িয়ে করতালি দিয়ে বিদায় জানান ইতিহাসের অন্যতম সেরা ওপেনারকে। ওয়ার্নারও দুই হাত উঁচিয়ে বিদায়ী শুভেচ্ছার জবাব দিতে দেখা যায়।

    স্পোর্টস ডেস্ক