Tag: পাকিস্তান

  • ভারতীয়দের হৃদয়ের মণিকোঠায় যেসব পাকিস্তানি অভিনয় ও সঙ্গীত শিল্পী

    পাকিস্তানি সেলিব্রেটিরা কেবল পাকিস্তানেই নয়, বরং ভারতেও সমানতালে জনপ্রিয়। কয়েক দশক ধরে বহু পাকিস্তানি তারকা ভারতে বিশাল ভক্তগোষ্ঠী তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। এসব পাকিস্তানি তারকা তাদের কণ্ঠ ও অভিনয় দিয়ে ভারতের দর্শকদের হৃদয়ে নিজেদের শক্ত স্থান করে নিয়েছেন এবং দিন দিন সেই জনপ্রিয়তা আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    চলুন, জেনে নেওয়া যাক সেই সব পাকিস্তানি তারকাদের সম্পর্কে-

    আতিফ আসলাম

    পাকিস্তানের অন্যতম জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী আতিফ আসলাম।  ২০০৫ সালে ‘জেহর’ সিনেমার গান ‘ও লামহে’-তে কণ্ঠ দেওয়া মাধ্যমে তার বলিউডে অভিষেক হয়। এরপর তিনি বলিউডের বহু জনপ্রিয় গানে কণ্ঠ দিয়েছে। শুধু প্লেব্যাক সঙ্গীতেই নয়, ভারতের বিভিন্ন জায়গায় বছরে পর বছর সরাসরি পারফর্ম করে তিনি ভারতীয়দের মন জয় করেছেন।  

    সফল ক্যারিয়ারের পাশাপাশি আতিফ আসলাম সম্প্রতি ‘বর্ডারলেস ওয়ার্ল্ড’ নামে একটি প্রকল্প চালু করেছেন, যা শিল্পের সীমাবদ্ধতা ভেঙে উদীয়মান সঙ্গীত প্রতিভাদের জন্য একটি বিশ্বমঞ্চ প্রদান করবে।

    আলি জাফর

    পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেতা এবং সঙ্গীতশিল্পী আলী জাফর ভারতেও দারুণ জনপ্রিয়। তিনি শুধু বলিউডের বিভিন্ন সিনেমায় অভিনয়ই করেননি, বলিউডের বহু সিনেমায় সাউন্ডট্র্যাকে কণ্ঠ দিয়েও সুনাম অর্জন করেছেন।

    রাহাত ফতেহ আলি খান

    পাকিস্তানের একজন বিখ্যাত সুফি কাওয়ালী শিল্পী। তিনি শুধু পাকিস্তান বা ভারতেরই নয়, গোটা উপমহাদেশের সঙ্গীত জগতের একজন উজ্জ্বল নক্ষত্র।  রাহাত ফতেহ আলি খান ভারতীয় চলচ্চিত্রে সুফি সঙ্গীতের একটি নতুন মাত্রা দিয়েছেন। তার যাদুকরী কণ্ঠ তাকে ভারতীয় চলচ্চিত্র শিল্পে সবচেয়ে সফল পাকিস্তানি শিল্পীদের একজন করে তুলেছে। তিনি ভারতীয় দর্শকদের ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করতে সমর্থ হয়েছেন।

    হানিয়া আমির

    হানিয়া আমীর একজন তরুণ অভিনেত্রী, যিনি খুব দ্রুত পাকিস্তান এবং ভারত উভয় দেশেই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। ‘কাভি মে কাভি তুম’ সিরিয়ালের সাফল্যের পর তিনি আরও আলোচিত হন।  ভারতে হানিয়ার জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকায় তাকে ভারতীয় সেলিব্রেটিদের সঙ্গে প্রকাশ্যে দেখা যাচ্ছে।  ইতোমধ্যে বাদশাহ ও দিলজিৎ দোসাঞ্জের সঙ্গে তিনি কাজ করেছেন। এমনকি তার বলিউডে অভিষেক নিয়ে গুঞ্জনও চলছে।

    ফাওয়াদ খান

    ভারতীয় দর্শকদের কাছে অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা ফাওয়াদ খান। ‘জিন্দাগি গুলজার হ্যায়’ সিরিয়ালের মাধ্যমে তিনি ভারতীয় দর্শকদের কাছে পরিচিতি পেয়েছিলেন। পরবর্তীতে তিনি বলিউডের ‘কাপুর অ্যান্ড সন্স’ এবং ‘এ দিল হ্যায় মুশকিল’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন। রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং নিষেধাজ্ঞার পরও ফাওয়াদের জনপ্রিয়তা ভারতীয় দর্শকদের মধ্যে অব্যাহত রয়েছে। 

    সম্প্রতি খবর প্রকাশিত হয়েছে, একটি ওটিটি প্রজেক্টের মাধ্যমে এ অভিনেতা ভারতীয় দর্শকদের মাঝে ফিরতে চলেছেন। 

    মাহিরা খান

    পাকিস্তানের আরেক প্রিয় তারকা মাহিরা খান। ‘রইস’ সিনেমায় শাহরুখ খানের বিপরীতে অভিনয়ে মাধ্যমে তার বলিউডে অভিষেক হয়। তার সৌন্দর্য ও সিনেমাটিতে তার অভিনয় দক্ষতা ভারতীয় দর্শকদের কাছে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। যদিও তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা ছিল, তবুও মাহিরা ভারতের মধ্যে জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছেন এবং তিনি ভারতীয় সেলিব্রেটিদের সঙ্গে শক্তিশালী সম্পর্ক বজায় রেখেছেন।

    ওয়াহাজ আলি

    ‘তেরে বিন’ সিরিয়ালে মুরতাসিম খানের চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন ওয়াহাজ আলি। যা শুধু পাকিস্তানে নয়, ভারতেও ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। এখন তিনি ভারতের ঘরে ঘরে পরিচিত এবং তার ভারতীয় ভক্তরা অনলাইনে নিয়মিত তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ। 

    ইয়োমনা জাইদি

    ইয়োমনা জাইদিও ‘তেরে বিন’ সিরিয়ালে অভিনয় করে ভারতীয় দর্শকদের মধ্যে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। সিরিয়ালে ‘মীরাব’ চরিত্র তার অভিনয় শুধু পাকিস্তান নয়, ভারতীয় দর্শকদের মাঝেও ব্যাপক দাগ কাটে। অভিনেত্রীর ভারতীয় ভক্তরা তাকে বলিউডে দেখার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছেন। 

    মাওরা হোসেন

    ‘সানাম তেরি কসম’ সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে মাওরা হোসেনের বলিউডে অভিষেক হয়। সিনেমাটিতে তার অভিনয় ভারতীয় দর্শকদের মাঝে ব্যাপক প্রশংসিত হয়। তার ভক্তরা আশা করছেন সিনেমাটির সিক্যুয়েলের জন্য এবং এতে তারা আবারও মাওরাকেই দেখতে চান।  

    খালিদ হাসান

  • পাকিস্তান-ভারতের ২০ জনকে ওমরায় পাঠালেন রাখি সাওয়ান্ত

    ১০ পাকিস্তানি ও ১০ ভারতীয়কে ওমরাহ পালনের জন্য সৌদি আরবে পাঠিয়েছেন আলোচিত বলিউড অভিনেত্রী ও রিয়ালিটি শো স্টার রাখি সাওয়ান্ত। 

    বুধবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) দুবাই থেকে ওমরাহ যাত্রীদের সড়কপথে সৌদি আরব হয়ে পাঠানোর একটি ভিডিওও ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন রাখি সাওয়ান্ত।

    ওমরাহ যাত্রীদের নিয়ে বেশ কয়েকটি ভিডিও শেয়ার করেছেন অভিনেত্রী। দুবাইয়ে বসবাসকারী এসব পাকিস্তানি ও ভারতীয়দের ওমরাহ পালনের জন্য পাঠিয়েছেন বলে জানান তিনি।  

    ভিডিওতে রাখি সাওয়ান্তকে বলতে শোনা যায়, এসব ওমরাহযাত্রীদের সব খরচ তিনি বহন করেছেন।ভিডিওতে তাকে যাত্রীদের খাবার ও ইহরাম দিতে দেখা যায়।   

    ওমরাহ যাত্রীদের বিদায় জানানো সময় রাখি সাওয়ান্ত বলেন, তিনি পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে সুসম্পর্ক এবং বন্ধুত্বের প্রচারের জন্য উভয় দেশের লোকদের ওমরাহয় পাঠাচ্ছেন।

    ভিডিওতে আরও দেখা যায়, ওমরাহযাত্রীরা রাখি সাওয়ান্তকে দোয়া দিচ্ছেন এবং তারা অভিনেত্রীর কাছ থেকে ইহরাম এবং খাবার নিয়ে গাড়িতে উঠছেন। 

    আলোচিত বলিউড অভিনেত্রী জানান, তার ইসলামিক নাম রাখি ফাতিমা। এবারই প্রথম তিনি ওমরাহ পালনের জন্য যাত্রীদের পাঠিয়েছেন।তার বিশ্বাস, আল্লাহ তাদের আমল কবুল করবেন এবং তাদের জন্য সব সহজ করে দেবেন।

    ভিডিওতে এক পাকিস্তানি নাগরিককে বলতে শোনা যায়, তার ওমরাহর খরচ কে বহন করে তা তিনি জানেন না।তবে যে এটির ব্যবস্থা করেছে আল্লাহ তাদের পুরস্কৃত করুন।

    ভারতীয় মডেল, অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী রাখি সাওয়ান্ত মুসলিম হন ২০২২ সালে। তার প্রথম স্বামী নন-রেসিডেন্ট ইন্ডিয়ান রিতেশের সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর আদিল খান দুররানিকে বিয়ে করতে ধর্মান্তরিত হন। পরে তার নাম হয় ফাতিমা দুররানি।

    যুগান্তর ডেস্ক

  • বলিউডে অভিষেকের অপেক্ষায় পাকিস্তানি সুন্দরী

    পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেত্রী হানিয়া আমির। সম্প্রতি বলিউডে কাজ করার বিষয়ে নিজের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি। জানিয়েছেন, যদি ভালো মানের কোনো প্রস্তাব আসে, তাহলে অবশ্যই তিনি তা বিবেচনা করবেন।

    সম্প্রতি এক প্রশ্নোত্তর পর্বে এক ভক্তের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

    ওই সময় ভক্তটি তাকে জিজ্ঞাসা করেন, তিনি কি ভারতের সিনেমায় কাজ করবেন? উত্তরে হানিয়া বলেন, ‘যদি প্রকল্পটি উচ্চমানের হয়, তবে আমি অবশ্যই এটি বিবেচনা করব’।

    হানিয়া আমির স্বভাবতই তার মনোমুগ্ধকর উপস্থিতি ও শক্তিশালী অভিনয়ের জন্য পাকিস্তানের বিনোদন জগতে সুপরিচিত। 

    লাস্যময়ী পাকিস্তানি তারকার এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সিনেমা জগতে পারস্পরিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা চলছে। যা বরাবরই আলোচিত এবং সংবেদনশীল বিষয়।

    এদিকে বলিউডের আলোচিত অভিনেত্রী রাখি সাওয়ান্ত সম্প্রতি বলেছেন, তিনি বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের বিপরীতে হানিয়া আমিরকে দেখতে চান। তবে তার এই চাওয়াটা কোনোদিন বাস্তবে রূপ নেবে কিনা, তা সময়ই বলে দেবে।

    জানা গেছে, অভিনেত্রী হানিয়া আমির অনেক আগে থেকেই বলিউডের ভক্ত। বিশেষ করে তিনি বলিউড বাদশা শাহরুখ খানকে অত্যন্ত পছন্দ করেন। তার সঙ্গে অভিনয়েও খুব আগ্রহী তিনি।

    এর আগে পাকিস্তানি অভনেত্রী হিসেবে মাহিরা খানই শাহরুখের সঙ্গে অভিনয় করার সুযোগ পেয়েছেন। 

    এদিকে একটি পুরোনো সাক্ষাৎকারে হানিয়া তার শৈশবের কথা স্মরণ করে বলেছিলেন, তিনি ‘একজন প্রাণবন্ত, বুদ্ধিমান এবং রসিক’ ঘরানার একটা মেয়ে। যার ছিল চুল রং করার অদ্ভুত শখ। এমনকি একবার তিনি নিজের চুল নিজেই রং করার চেষ্টা করেছিলেন।

    অভিনয়ের দিক থেকে হানিয়া আমির সম্প্রতি পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় ড্রামা সিরিজ ‘কাভি ম্যায় কাভি তুম’-এ প্রধান চরিত্রে অভিনয় করে সাড়া ফেলেছেন। এতে তার বিপরীতে ছিলেন সুপারস্টার ফাহাদ মুস্তাফা। সিরিজটি দেশ-বিদেশে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।

    যদিও বলিউডে অভিষেকের ব্যাপারে হানিয়ার সিদ্ধান্ত এখনো নিশ্চিত নয়। তবে তার ভক্ত-সমর্থকরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন কবে তাকে বলিউডের রূপালী পর্দায় দেখা যাবে! সূত্র: এক্সপ্রেস ট্রিবিউন

    বিনোদন ডেস্ক

  • ললিউডে চলছে বিয়ের মৌসুম, পরেরবার কার পালা?

    শীতকাল ও বিয়ে- পাকিস্তানে যেন একটি অপরটির পরিপূরক।  কেননা, করাচির মতো শহরগুলোতে গ্রীষ্মকালে অত্যাধিক গরমের কারণে বিয়ের অনুষ্ঠান প্রায় অসম্ভব হয়ে ওঠে। পাকিস্তানে ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসকে বিয়ের উপযুক্ত সময় ধরা হয়।  এর আগে-পাছেও কিছু কিছু বিয়ের অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। 

    অন্যান্য পাকিস্তানিদের মতো এই সময়টাতে ললিউডের বিনোদন জগতেও যেন বিয়ের ধুম পড়ে যায়।  তবে বিয়ের সিজন শেষ হলেই যেন পাকিস্তানি বিনোদন জগৎ আবার নতুন করে শুরু হয়। তখন বছরজুড়ে তারকাদের বিয়ে সংক্রান্ত গুজব, ঘোষণা, ছবি ও ভিডিওতে ভরপুর থাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো।  

    বিয়ের অনুষ্ঠান ও নতুন বিয়ের গুঞ্জনে পাকিস্তানি বিনোদন জগৎ যেন আবারও জমে উঠেছে।  প্রিয় তারকাদের এমন সংবাদে নেটপাড়াতেও দারুণ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন তাদের ভক্ত-অনুরাগীরা। 

    আনমল বালোচ কি ললিউডের পরবর্তী কনে হতে চলেছেন?

    আনমল বালোচ তার অসাধারণ অভিনয়ের জন্য পাকিস্তানি বিনোদন জগতে ইতোমধ্যে শক্ত জায়গা দখল করে নিয়েছেন।  বিশেষ করে ‘ইক্তিদার’ নাটকে তার অভিনয় ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।

    নিজের লাবণ্য, সৌন্দর্য এবং পেশাদারিত্বের জন্য দীর্ঘদিন ধরে ভক্তদের ভালোবাসা পেয়ে আসছেন আনমল।

    সম্প্রতি অভিনেত্রীর বিয়ে নিয়ে গুঞ্জন ছড়ানোর পর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে ঝড় চলছে।

    পাকিস্তানের গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বিয়ে করতে চলেছেন আনমল। তার হবু স্বামীর নাম ওমর বেগ। পাকিস্তানের প্রখ্যাত এক মন্ত্রীর ছেলে ওমর পেশায় একজন বিত্তশালী ব্যবসায়ী। 

    যদিও আনমল এখনও তার ব্যক্তিগত জীবন গোপন রেখেছেন, তবে তার বিয়ের খবর ভক্তদের মধ্যে দারুন উচ্ছ্বাস সৃষ্টি করেছে।

    মনে করা হচ্ছে, একটি চমকপ্রদ আনুষ্ঠানের মাধ্যমে অভিনেত্রী তার বিয়ের ঘোষণা দেবেন, যেমনটি মাওরা হোকান এবং আমির গিলানি করেছিলেন!

    ললিউডের ‘মোস্ট এলিজেবল ব্যাচেলর’ও কি বিয়ে করছেন?

    ‘পারিজাদ’ চরিত্রে অভিনয় করে পাকিস্তানি সিনেমাপ্রেমীদের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেতা আহমেদ আলী আকবর।  দীর্ঘদিন ধরে অসাধারণ অভিনয় ও বিনম্র ব্যক্তিত্বের মাধ্যমে তিনি দর্শকদের মনে এ জায়গা অর্জন করেছেন। তাকে পাকিস্তানি বিনোদন জগতে মোস্ট এলিজেবল ব্যাচেলরদের মধ্যে অন্যতম ভাবা হয়। অবশেষে এই অভিনেতাও নতুন জীবন শুরু করতে চলেছেন। 

    যদিও আহমেদ তার ব্যক্তিগত জীবন অনেকটাই গোপন রেখেছেন, তবে গুঞ্জন ছড়িয়েছে যে, তিনি ফেব্রুয়ারিতেই বিয়ে করবেন।

    অভিনেতার সামাজিক যোগযোগমাধ্যম ঘাঁটাঘাটি ইতোমধ্যে তার ভক্ত-অনুরাগীরা আকবরের পাত্রী কে হতে পারেন তারও সন্ধান পেয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে তার পাত্রীর পেশায় একজন আইনজীবী এবং ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রিয়েটর, নাম মাহাম বাতুল। 

    যদিও আহমেদ বা মাহাম কেউই এই গুঞ্জনের বিষয়ে এখনও মুখ খুলেননি।  তবুও ভক্তরা ফেব্রুয়ারিতেই তাদের বিয়ে দেখার জন্য অপেক্ষা করছেন। তবে চলতি মাসে তারা বিয়ের জন্য সময় বের করতে পারবেন কিনা তা নিয়ে সন্দেহ আছে। 

    মাওরা হোকান এবং আমির গিলানি: স্বপ্নের বিয়ে

    কোনো রকম আগাম ঘোষণা না দিয়ে হঠাৎ বিয়ে করে ভক্তদের চমকে দিয়েছেন মাওরা হোকান এবং আমির গিলানি। 

    ‘সাবাত’ এবং ‘নীম’-এর মতো জনপ্রিয় নাটকে তাদের দারুণ রসায়ন ভক্তদের মনে দাগ কাটে।  এরপর ভক্তরা তাদের বিয়ের গুজব নিয়েও দারুণ উচ্ছ্বসিত ছিল।

    সম্প্রতি লাহোর দুর্গে তাদের বিয়ের একটি ফুটোশুট সামনে আসতেই ভক্তরা চমকে যায়।  সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের অভিনন্দন জানান পাকিস্তানি বিনোদন জগতের বহু তারকারাও।  

    ২০২০ সালে প্রথম পরিচয় হয় মাওরা হোকান ও আমির গিলানির দেখা করেছিলেন। এরপর তাদের সম্পর্ক এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের মজাদার বিনোদন ভক্তদের হৃদয় জিতে নেয়।

    তাদের বিয়ে ভক্তদের জন্য এক আনন্দের মুহূর্ত। কেননা তারা এই পর্দা জুটির বাস্তব জীবনেও সুখী পরিণতির জন্য প্রত্যাশা করছিলেন। 

    কুবরা খান ও গহর রশিদ: দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের পর বিয়ের ঘণ্টা

    অবশেষে দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময়ের বন্ধুত্বকে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে বাঁধলেন কুবরা খান ও গোহার রশিদ।  

    তাদের বন্ধুত্ব ভক্তদের প্রশংসা অর্জন করেছে। বিশেষ করে ‘জন্নত সে আগে’ নাটকে তাদের অবিশ্বাস্য রসায়ন অফ-স্ক্রীনেও তাদের সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন সৃষ্টি করে। 

    সম্প্রতি ইনস্টগ্রামে একটি রহস্যে ঘেরা ভিডিও শেয়ার করে তারা তাদের বিয়ের বার্তা ভক্তদের জানান।   

    এর কয়েকদিন পরেই তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে।  ইতোমধ্যে কুবরার বান্ধুবী মোমাল শেখের বাড়িতে তাদের ঢোলকি নাইট অনুষ্ঠিত হয়েছে। গোহার রশিদ সেসব মুহূর্তের কয়েকটি ছবি ইনস্টগ্রামে শেয়ার করে তার উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি সেই রাতটিকে বিশেষ করার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। 

    জানা গেছে, তাদের বিয়ের মূল অনুষ্ঠান সৌদি আরবে হবে। তাই ভক্তরা কুবরা এবং গোহরের প্রেমের গল্পের পরবর্তী অধ্যায়ের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।

    খালিদ হাসান

  • বিয়ে করছেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় দুই তারকা

    পাকিস্তানের শোবিজ ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় জুটি মাওরা হোসেন ও আমির গিলানির বিয়ের খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘুরছে।

    ২০২০ সালে সম্প্রচারিত নাটক সাবাতের মাধ্যমে ব্যাপক দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছিলেন অভিনেত্রী মাওরা হোসেন ও অভিনেতা আমির গিলানি। ২০২৩ সালে এ জুটির অভিনীত নাটক নিমও বেশ প্রশংসা কুঁড়িয়েছে।   

    শুধু টিভি পর্দায় নয়, পর্দার বাইরেও ঘন ঘন বিভিন্ন অনুষ্ঠানে একসঙ্গে দেখা যায় এই জুটিকে। বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন নিয়ে পড়াশোনার সুবাধে  দু’জনই সহপাঠী।

    মাওরা হোসেন ও আমির গিলানির ভক্তরা দীর্ঘদিন ধরে এই জুটিকে সত্যিকারের দম্পতি হিসাবে পর্দার বাইরেও দেখতে চেয়েছিলেন।তবে এখন মনে হচ্ছে ভক্তদের এই ইচ্ছা হয়তো শিগগিরই পূরণ হবে।

    পাকিস্তানের জনপ্রিয় শোবিজ সংবাদকর্মী ইরফান নিশ্চিত করেছেন, চলতি মাসের ফেব্রুয়ারিতে বিয়ে করবেন মাওরা ও আমির।

    ইনস্টাগ্রাম পোস্টে তিনি আরও দাবি করেছেন, লাহোর ও ইসলামাবাদে এই দম্পতির বিয়ের অনুষ্ঠান শুরু হয়ে গেছে।তবে এ বিষয়ে এই দুই শিল্পীর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক কিছু জানানো হয়নি।

    এর আগে এক সাক্ষাৎকারে মাওরা হোসেন বলেছিলেন, আমির গিলানি একজন ভালো মানুষ। আমরা দুজনেই ঘনিষ্ঠ বন্ধু। যদি দুই বন্ধু একে অপরকে বিয়ে করতে চায় তবে সেটিও করতে পারে।

    জিও নিউজ উর্দু

    বিনোদন ডেস্ক

  • কুবরা-গহরের বিয়েতে পাক তারকাদের মিলনমেলা

    গুঞ্জন থেকে প্রেম, প্রেমে থেকে বিয়ের ঘোষণা। অবশেষে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ আসলো পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী কুবরা খান এবং গহর রশিদের জীবনে। বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন তারা। বর্ণালী এ আয়োজনে উপস্থিত হন পাকিস্তানি বিনোদন জগতের বহু নামিদামি তারকা।  

    সম্প্রতি এই তারকা যুগল সবচেয়ে আলোচিত সেলিব্রিটিদের তালিকায় উঠে এসেছেন। এর শুরুটা হয় যখন ২০২৪ সালের শেষের দিকে তাদের আসন্ন বিয়ে নিয়ে গুজব ছড়িয়ে পড়ে। এরপর তারা তাদের দীর্ঘদিনের জল্পনা-কল্পনার সম্পর্কের সত্যতা নিশ্চিত করেন।

    গত মাসের শেষের দিকে কুবরা ও গহর একটি কৌতুকপূর্ণ ও হৃদয়গ্রাহী ভিডিও বার্তায় তাদের বিয়ের খবরটি ঘোষণা করেছিলেন। আর এখন তাদের বিয়ের উদযাপন শুরু হল।  অনলাইন জগতে জনপ্রিয় এই যুগল তাদের ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের নিয়ে সোমবার কুবরার বান্ধুবী মোমালের বাসায় উদযাপনে মেতে উঠেন। 

    ‘রাজ-এ-উলফাত’ খ্যাত অভিনেতা গহর তার অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে বিয়ের অনুষ্ঠানের কিছু ছবি শেয়ার করেছেন।

    অভিনেতা ছবির ক্যাপশনে লিখেছেন, মাশাআল্লাহ… বিশাল ভালোবাসা এবং আলিঙ্গন। 

    পোস্টে তিনি মোমাল ও নাদের নওয়াজের প্রতি তাদের বিয়ের অনুষ্ঠানের ‘উষ্ণ শুরু’র জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

    শেয়ার করা ছবিগুলোতে কুবরা ও গহরকে সাদামাটা ঐতিহ্যবাহী পোশাকে দেখা গেছে। 

    ‘সাঙ্গ-এ-মাহ’ এর অভিনেত্রী কুবরা একটি হালকা সাদা রঙের লম্বা পোশাক পরেছিলেন, যা সূক্ষ্ম বহু রঙের অ্যাম্ব্রয়ডারির মাধ্যমে সজ্জিত ছিল, সঙ্গে ম্যাচিং দোপাট্টা ও প্লাজু এবং গহর শালসহ সবুজ পাঞ্জাবি ও পায়জামা পড়েছিলেন। 

    অনুষ্ঠানে মোমাল ছাড়াও তার ভাই শেহজাদ শেখ ও তার স্ত্রী, অভিনেতা ও প্রযোজক আব্দুল্লাহ কাদওয়ানি এবং অভিনেতা আলী রেহমান খানও উপস্থিত ছিলেন।

    এই পোস্টটি সামনে আসতেই ভক্তরা ও অন্যান্য অভিনয়শিল্পীরা শুভকামনা জানিয়ে এই নবদম্পতিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

    উল্লেখ্য, অভিনেতা গহর তার সহকর্মী ও বন্ধু উষনা শাহের শো’তে বলেছিলেন, তিনি আর সিঙ্গেল নন। এরপর থেকেই কুবরাকে ঘিরে অভিনেতার সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জনের সূচনা হয়।

    কুবরা এবং গহর তাদের শেয়ার করা ছবি এবং উষ্ণ বন্ধুত্বের মাধ্যমে সম্পর্কটি সবসময়ই স্পষ্ট করেছিলেন; যা তাদের ভক্তরা অনেকদিন ধরেই লক্ষ্য করে প্রশংসা করেছেন।

    এই তারকা যুগল একাধিক প্রকল্পে একসঙ্গে কাজ করেছেন, তবে ‘জান্নাত সে আগায়’ নাটকে একসঙ্গে দম্পতি হিসেবে অভিনয় করেছিলেন।

    যদিও কিছু মানুষ তাদের সম্পর্ক নিয়ে নানা গুজব ছড়িয়েছিলেন, অনেকেই তাদের ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বকে চিরস্থায়ী বন্ধনে পরিণত হতে দেখতে চেয়েছিলেন।

    অনলাইন ডেস্ক

  • ‘শুধু পাকিস্তানিরাই সানগ্লাস পরে বিমানে ভ্রমণ করে’

    পাকিস্তানের সিনিয়র শিল্পীরা প্রোডাকশন হাউস বা ইভেন্ট আয়োজকদের কাছ থেকে একটি বার্গারেরও জন্য অর্থ নেন বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও টিভি উপস্থাপক জুগ্গান কাজিম।  

    সম্প্রতি একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে ভ্রমণের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি পাকিস্তানি অভিনেতাদের মনোভাব সম্পর্কে খোলামেলা কথা বলেছেন তিনি।

    ভ্রমণ বিষয়ে নিজের কথা বলতে গিয়ে জুগ্গান বলেন, ভ্রমণের আগে আমি খুব যত্ম করে সব গোছাই এবং পাঁচ দিন আগেই প্রস্তুতি শেষ করি।

    তিনি আরও বলেন, আমি কখনোই অতিরিক্ত লাগেজ নিয়ে ভ্রমণ করি না, তাই অতিরিক্ত লাগেজ চার্জও দিতে হয় না।  

    পাকিস্তানি সেলিব্রিটিদের উপহাস করে জুগ্গান বলেন, শুধু পাকিস্তানিরাই সানগ্লাস পরে বিমানে ভ্রমণ করেন। আর কাউকে এমন দেখা যায় না।  

    কাজ করতে বিদেশে যাওয়ার একটি ঘটনা উল্লেখ করে তিনি জানান, একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বিদেশে গিয়েছিলেন।যেখানে ইন্ডাস্ট্রির একজন প্রবীণ শিল্পীও তার সঙ্গে ছিলেন। শিল্পী মাত্র ৬ ডলার দিয়ে একটি বার্গার কিনে সেটির ভাউচার ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের কাছে জমা দেন।

    শিল্পীর আচরণ সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে জুগ্গান আরও বলেন, তিনি ইভেন্ট কোম্পানিকে বলেছিলেন যে  আমি এই বার্গার খেয়েছিলাম এবং এখন আমি এর টাকা চাই, পরে এটি নিয়ে ঝগড়াও হয়েছিল।  

    ডন উর্দু

    বিনোদন ডেস্ক

  • হানিয়া আমিরের সৌন্দর্যের রহস্য জানা গেল

    ব্যক্তিত্ব এবং আকর্ষণীয় চেহারার কারণে হানিয়া আমিরকে পাকিস্তান শোবিজ ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম সুন্দরী অভিনেত্রী হিসাবে বিবেচনা করা হয়। দেশটির বিনোদন জগতে তিনি অন্যতম সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত অভিনেত্রীও। 

    আকর্ষণীয় চেহারা এবং বিশেষত ডিম্পলের (গালে টোল পড়া) কারণে সারা বিশ্বে তরুণ দর্শকের হৃয় জয় করেছেন হানিয়া আমির।  

    সম্প্রতি পাকিস্তানের একটি টেলিভিশন শোতে অংশ নিয়ে দেশটির প্রখ্যাত চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. আরিজ খালিদ নায়িকাদের চেহারা ও সৌন্দর্য নিয়ে কথা বলেছেন। 

    তার মতে, পাকিস্তানি অভিনেত্রীরা সৌন্দর্য বাড়াতে মুখে প্লাস্টিক সার্জারি করে থাকেন।   

    এই শোতে অভিনেত্রী হানিয়া আমিরের প্লাস্টিক সার্জারি নিয়েও কথা বলেন ড. আরিজ খালিদ।

    তিনি জানান, হানিয়া আমিরের গালে যে টোল পড়েছে তা প্লাস্টিক সার্জারির কারণে। পাশাপাশি তার নাক, ঠোঁট ও থুতনিতে অপারেশন করা হয়েছে।

    ডা. আরিজ খালিদ আরও জানান, হানিয়া আমিরের মুখ ও ভ্রুতেও পরিবর্তন করা হয়েছে।তবে হানিয়া আমিরের গায়ের রং স্বাভাবিকভাবেই ফর্সা এবং তিনি খুব সুন্দরী অভিনেত্রী।

    ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম ভিডিও শেয়ার করার পর তার সৌন্দর্য এবং আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের জন্য হানিয়া আলোচনায় আসেন। পরে অভিনয় শুরু করেন তিনি। 

    সিনেমা এবং বেশ কিছু জনপ্রিয় ড্রামা সিরিজে অভিনয় করেছেন। বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী তার অনুরাগী রয়েছে। তিনি তার কাজের মাধ্যমে ভক্তদের কাছে নন্দিত শিল্পী হয়ে বেঁচে থাকতে চান।

    জিও নিউজ উর্দু

    বিনোদন ডেস্ক

  • সুখবর দিলেন পাকিস্তানি অভিনেত্রী সাবোর আলি ও মরিয়ম নাফিস

    পাকিস্তানের ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা আলী আনসারি এবং অভিনেত্রী সাবোর আলী তাদের ঘরে নতুন অতিথি আগমনের বার্তা দিয়েছেন। 

    শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) অভিনেত্রী সাবোর আলি তার ইনস্টাগ্রামে বেবি শাওয়ারের একটি ভিডিও শেয়ার করে ভক্ত-অনুরাগীদের এ বার্তা জানান। 

    ভিডিওতে সাবোর-আনসারি দম্পতিকে ফুলের মালা পরা অবস্থায় বেশ খোশ মেজাজে দেখা গেছে।

    যদিও সাবোর আলী এবং আলী আনসারি এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেননি। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় এ নিয়ে অনেক জল্পনা চলছে।

    এদিকে একই দিনে পাকিস্তানের আরেক জনপ্রিয় অভিনেত্রী মরিয়ম নাফিসও তার বেবি শাওয়ারের অনুষ্ঠানের ছবি শেয়ার করেছেন। তিনি পৃথিবীতে তার সন্তানের আগমনের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন বলেও জানিয়েছেন।

    অনলাইন ডেস্ক

  • দেশে পাকিস্তানি শিল্পীদের কদর বাড়ছে

    বাংলাদেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর বেশ কিছুদিন ওপেন এয়ার কনসার্ট আয়োজন ছিল সীমিত। সময়ের পরিক্রমায় সেটা এখন বেড়েছে। তবে শীত মৌসুমে কনসার্টের সংখ্যা কিছুটা বেশি। কারণ শুকনো আবহাওয়ার কারণে এ সময় মুক্ত জায়গায় কনসার্ট করা সহজ। তাই আয়োজক ও শিল্পীরাও এ সময়টাকে ওপেনএয়ার কনসার্টের জন্য বেছে নেন। এসব কনসার্ট অনুষ্ঠিত হচ্ছে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায়। এতে অংশ নিচ্ছেন দেশের শিল্পীদের পাশাপাশি বিদেশি শিল্পীরা। তবে লক্ষণীয় ব্যাপার হচ্ছে, এসব কনসার্টে বেড়েছে পাকিস্তানি শিল্পীদের কদর।

    ক্ষমতাচ্যুত হাসিনা সরকারের শাসনামলে ভারতীয় সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের ষোলোকলা পূর্ণ হয়েছিল। কনসার্ট থেকে শুরু করে সিনেমা, সব জায়গায়ই ভারতীয় শিল্পীদের ছিল রমরমা বাজার। তবে শেখ হাসিনা গত বছরের ৫ আগস্ট পালিয়ে যাওয়ার পর দেশের চিত্র পুরোটাই পালটে গেছে। সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও বদলে গেছে অনেক কিছু। জুলাই বিপ্লবের পর দেশে বেশ কয়েকটি বড় কনসার্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে দেশি-বিদেশি শিল্পীরা অংশ নিয়েছেন। তবে চোখে লেগেছে পাকিস্তানি সংগীতশিল্পীদের অংশগ্রহণ। এরই মধ্যে পাকিস্তানের একাধিক শিল্পী ও ব্যান্ড বাংলাদেশে কনসার্টে গান গেয়েছেন। মাত্র কয়েকমাসের ব্যবধানে এসব কনসার্টে পাকিস্তানি শিল্পীদের কদর একটু বেশিই ছিল বলে মনে করছেন সংগীতসংশ্লিষ্টরা।

    গেল বছরের আলোচিত কনসার্ট ছিল ‘লিজেন্ডস অব দ্য ডেকেড’। দেশের পট পরিবর্তনের পর এটিই ছিল প্রথম বড় কোনো আয়োজন। তবে আয়োজনটি নিয়ে নাটকীয়তাও ছিল। কনসার্টটি ২৭ সেপ্টেম্বর পূর্বাচল ৩০০ ফিট এক্সপ্রেসওয়ের পাশে ঢাকা এরিনায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কনসার্ট শুরুর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে সেটা স্থগিত করা হয়। জরুরি সংবাদ সম্মেলন করে ওইদিন রাতেই জানানো হয় কনসার্টটি ২৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। যমুনা ফিউচার পার্কের নর্থ কোর্টে পরদিন কনসার্টটি হয়। সেখানের মূল আকর্ষণ ছিল পাকিস্তানের জনপ্রিয় ব্যান্ড ‘জল’। শিল্পী গওহর মুমতাযের গানে সেদিন মুগ্ধ হয়েছিল আগত শ্রোতারা। এর আগে ২০১০ সালে ঢাকায় প্রথম গান করেছিল ব্যান্ডটি। ১৪ বছর পর আবারও দ্বিতীয়বার গান শোনাল ঢাকার শ্রোতাদের।

    এদিকে গেল বছর ঢাকার শ্রোতাদের গান শোনাতে দুইবার আসে পাকিস্তানের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আতিফ আসলাম। গত বছরের এপ্রিলে ‘লেটস ভাইভ’ নামে এক আয়োজনে গান করেন তিনি। এটি রাজধানীর বসুন্ধরার ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ২৯ নভেম্বর আবারও রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে ‘ম্যাজিক্যাল নাইট ২.০’ শিরোনামের কনসার্টে অংশ নেন এ শিল্পী। এর আগে ২০১৩ সালে প্রথমবার ঢাকায় এসেছিলেন আতিফ। সেসময় বিপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পারফর্ম করেন। এরপর ২০১৬ সালে ‘রিদম ফর অল উইথ আতিফ আসলাম নাইট লাইভ ইন ঢাকা’-এ দ্বিতীয়বার অংশ নেন। সব মিলিয়ে বাংলাদেশে মোট চারবার সফর করে গান শোনান এ শিল্পী। আতিফের সঙ্গে ‘ম্যাজিক্যাল নাইট ২.০’ শিরোনামের কনসার্টে ২৯ নভেম্বর অংশ নেন পাকিস্তানের আরেক শিল্পী আব্দুল হান্নান। তরুণ এ শিল্পীর এটিই ছিল প্রথম ঢাকা সফর। দর্শক-শ্রোতাদের তার জনপ্রিয় কয়েকটি গান শুনিয়ে মুগ্ধ করেন তিনি। এটিই ছিল এ শিল্পীর ক্যারিয়ারে সর্বোচ্চ দর্শক নিয়ে করা কোনো লাইভ শো। কনসার্টে এ শিল্পী তার মুগ্ধতা ও ভালোবাসার কথা জানান।

    গেল বছরের ২১ ডিসেম্বর রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে গান পরিবেশন করেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত সংগীতজ্ঞ রাহাত ফতেহ আলী খান। ‘ইকোস অব রেভল্যুশন’ শিরোনামে একটি চ্যারিটি কনসার্টে গান করেন তিনি। এরপর বিপিএল উদ্বোধনী আয়োজনেও গান পরিবেশন করেন এ শিল্পী। সর্বশেষ ঢাকা মাতিয়ে যায় পাকিস্তানের আরেক ব্যান্ড ‘কাভিশ’। ২৪ জানুয়ারি রাজধানীর সেনাপ্রাঙ্গণে ‘ঢাকা ড্রিমস : কাভিশ লাইভ ইন কনসার্ট’ শিরোনামের আয়োজনে গান শোনান তারা। দুই দিন পারফর্ম করার কথা থাকলেও পরে একদিন গান শুনিয়ে ফিরতে হয় দলটিকে। এটিই ছিল এ দলের প্রথম ঢাকা সফর। এদিকে আরও এক পাকিস্তানি শিল্পী মুস্তাফা জাহিদ প্রথমবার বাংলাদেশে গান শোনাতে আসছেন বলে জানা গেছে। মেলোডি অ্যান্ড মাইন্ড কমোনিকেশনের আয়োজনে ‘মেলোডি আনলিশড’ শিরোনামের এক কনসার্টে গাইবেন তিনি। এটি ৭ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে।

    বিনোদন ডেস্ক