Tag: পাকিস্তান

  • হানিয়া-সজল কারোর সঙ্গেই আমার বন্ধুত্ব নেই: মাহিরা খান

    ফিলিস্তিনের গাজায় মানবিক সহায়তার উদ্দেশ্যে আয়োজিত এক দাতব্য তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যুক্তরাজ্যে গেছেন পাকিস্তানি চলচ্চিত্র ও নাট্যজগতের শীর্ষ তারকা মাহিরা খান। ‘লাক্স ইভেন্টস ইউকে’র উদ্যোগে লন্ডনে আয়োজিত এই বিশেষ অনুষ্ঠানে তিনি ব্রিটিশ-পাকিস্তানি কমিউনিটির ভক্তদের সঙ্গে বিশেষ মতবিনিময় ও শুভেচ্ছা বিনিময়ে অংশ নেন। 

    অনুষ্ঠান চলাকালীন এক প্রশ্নের জবাবে মাহিরা খানের কাছে জানতে চাওয়া হয়— সজল আলি, হানিয়া আমির ও ইকরা আজিজের মধ্যে কার সঙ্গে তিনি পরবর্তীতে কাজ করতে চান? 

    প্রশ্নের উত্তরে মাহিরা অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানান, এই তিন সহশিল্পীর সঙ্গেই তার সুন্দর সম্পর্ক রয়েছে, তবে তারা কেউই তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু নন। 

    মাহিরা বলেন, ‘তাদের সবার সঙ্গেই আমার সুসম্পর্ক রয়েছে, কিন্তু তাদের কারোর সঙ্গেই আমার গভীর বন্ধুত্ব নেই।’ ব্যস্ত সূচির কারণে নিয়মিত দেখা-সাক্ষাৎ বা আড্ডা দেওয়া সম্ভব হয় না বলেই তাদের মধ্যে দূরত্ব থাকে বলে উল্লেখ করেন তিনি। 

    শিল্পীদের মধ্যে কোনো ধরণের প্রতিদ্বন্দ্বিতা বা তিক্ততা রয়েছে কিনা— এমন সম্ভাবনাও নাকচ করে দেন মাহিরা। 

    কথোপকথনের একপর্যায়ে অভিনেত্রী সজল আলির ভূয়সী প্রশংসা করেন মাহিরা। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ভবিষ্যতে তিনি ও সজল যদি কোনো সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করেন, তবে তা পাকিস্তানি চলচ্চিত্রের ইতিহাসের সর্বোচ্চ আয়কারী সিনেমা হতে পারে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সোশ্যাল মিডিয়ায় মাহিরায় এমন স্পষ্টবাদী বক্তব্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ভক্তরা তার এই সততার প্রশংসা করেন। অনেকেই ভবিষ্যতে পর্দায় সজল ও মাহিরার রসায়ন দেখার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। 

    মাহিরা খানকে সর্বশেষ ‘লাভ গুরু’, ‘নিলুফার’ এবং ‘আগ লাগে বস্তি মে’ চলচ্চিত্রে দেখা গেছে। এ ছাড়া ‘রাজিয়া’, ‘হাম কাহাঁ কে সাচে থে’, ‘এক হ্যায় নিগার’, ‘সদকে তুমহারে’, ‘বিন রায়’ ও ‘কায়েদ-ই-আজম জিন্দাবাদ’-এর মতো জনপ্রিয় ড্রামা ও চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।

    খুব শিগগিরই তাকে ওয়াহাজ আলির বিপরীতে নতুন ধারাবাহিক ‘মিট্টি দে বাওয়ে’-তে দেখতে পাবেন দর্শকরা। 

    সূত্র: সিয়াসাত ডেইলি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • অপহরণ মামলা থেকে পাকিস্তানি অভিনেতা নির্দোষ প্রমাণিত

    করাচির একটি সন্ত্রাসবিরোধী আদালতে বিচারাধীন চাঞ্চল্যকর অপহরণ ও ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরির মামলা থেকে পাকিস্তানি অভিনেতা মুনিব বাটকে সম্পূর্ণ নির্দোষ ঘোষণা করেছেন তদন্তকারীরা।

    মামলার সর্বশেষ শুনানিতে মুনিব বাটসহ অন্য আসামিরা সশরীরে আদালতে হাজির হলে পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত আদালতের কার্যক্রম মুলতবি ঘোষণা করা হয়।

    এর আগের শুনানিতে পুলিশের বিশেষ শাখা ‘অ্যান্টি-ভায়োলেন্ট ক্রাইম সেল’ এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দিয়েছিল।

    তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুনিব বাটের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি এবং তাকে নির্দোষ উল্লেখ করা হয়েছে।

    আদালত জানিয়েছেন, মামলাটির আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশের এই প্রতিবেদন এবং অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিবেচনা করা হবে।

    উল্লেখ্য, এই অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা গালিব এখনো পলাতক রয়েছেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    আইন প্রয়োগকারী সংস্থা আসামিদের বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ এনেছে যে, তারা অভিযোগকারীকে অপহরণ করে তার কাছ থেকে আনুমানিক ২৪ লাখ ৯৪ হাজার (২.৪৯৪ মিলিয়ন) মূল্যমানের ক্রিপ্টোকারেন্সি হাতিয়ে নেন। তবে এই বিশাল অঙ্কের হিসাবটি ঠিক কোন দেশের মুদ্রায় (কারেন্সি) করা হয়েছে, তা প্রতিবেদনে নির্দিষ্ট করে উল্লেখ করা হয়নি। 

    মামলার শুরুতে মুনিব বাটের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল যে, তিনি এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত মূল সন্দেহভাজনদের জন্য পাকিস্তানের মারিতে থাকার গোপন ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। তবে বিস্তারিত তদন্তের পর তদন্ত কর্মকর্তারা এই অপরাধে তার সম্পৃক্ততার কোনো জোরালো বা পর্যাপ্ত প্রমাণ পাননি। ফলে চূড়ান্ত চালানে তাকে নির্দোষ হিসেবে খালাস দেওয়া হয়।

    বর্তমানে মুনিব বাট, মহসিন রাজপার এবং আব্দুল রেহমান চান্দিও এই মামলায় আদালত থেকে জামিনে রয়েছেন।

    প্রসিকিউশনের দেওয়া তথ্যমতে, গত ২৩ এপ্রিল করাচির ব্যস্ততম শাহরাহ-ই-ফয়সাল এলাকা থেকে এক নাগরিককে অপহরণ করে আসামিরা। তাকে জিম্মি করে রাখার সময়েই জোরপূর্বক তার ক্রিপ্টোকারেন্সি এবং অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র লুটে নেওয়া হয়।

    মামলার নথি অনুযায়ী, ডাকাতি ও লুটপাট শেষে অপহরণকারীরা ভুক্তভোগীকে করাচির কোরাঙ্গি ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। সন্ত্রাসবিরোধী আদালত পুনরায় শুনানি শুরু করলে এই মামলার পরবর্তী আইনি কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

    সূত্র: সামা টিভি

    বিনোদন ডেস্ক

  • মাতৃত্বের অভিজ্ঞতা শেয়ার করলেন পাকিস্তানি অভিনেত্রী

    দ্বিতীয় সন্তানের জন্মের পর ছেলে সন্তানের আশা করেছিলেন কিনা—এমন একটি প্রশ্নের খোলামেলা জবাব দিয়েছেন জনপ্রিয় পাকিস্তানি অভিনেত্রী সারা খান। 

    তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, তিনি এবং তার স্বামী, প্রখ্যাত গায়ক ফালাক শাবির—উভয়েই কেবল একটি সুস্থ ও স্বাভাবিক সন্তান চেয়েছিলেন।

    সম্প্রতি নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ভক্তদের সঙ্গে এক প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন সারা। সেখানে এক অনুরাগী জানতে চান, দ্বিতীয়বার মা হওয়ার সময় তিনি কোনো ছেলে সন্তান আশা করেছিলেন কিনা।

    জবাবে সারা খান অত্যন্ত সহজভাবে বলেন, ‘আমরা শুধু একটি সন্তান চেয়েছিলাম (লিঙ্গ আমাদের কাছে মুখ্য ছিল না)।’ 

    বর্তমানে আলিয়ানা এবং রানিয়া নামের দুই কন্যাসন্তানের জননী সারা। প্রশ্নোত্তর সেশনে মাতৃত্ব কীভাবে তার জীবনকে বদলে দিয়েছে, সেই অনুভূতিও ব্যক্ত করেন তিনি। 

    বিয়ের আগের এবং সন্তান হওয়ার পূর্বের জীবনের কোন জিনিসটি তিনি সবচেয়ে বেশি মিস করেন—এমন প্রশ্নের জবাবে সারা জানান, দুই সন্তানের মা হওয়ার পর একমাত্র ‘একটানা গভীর ঘুম’ ছাড়া তিনি আর কিছুই মিস করেন না। 

    চলতি ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে এক ভক্তের প্রশ্নের জবাবে তিনি বেশ রসিকতা করে বলেন, ‘আজকাল আমি শুধু একটাই খেলা দেখছি, আর তা হলো আমার দুই মেয়ে।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    মাতৃত্বের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে এই অভিনেত্রী তার কন্যাদের জীবনের সেরা উপহার হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘আমার জীবন এখন আরও সুন্দর হয়ে উঠেছে। আগের চেয়ে ব্যস্ততা অনেক বেড়েছে ঠিকই, কিন্তু এটাই আমার জীবনের সেরা সময়। আমি আমার মেয়েদের ভীষণ ভালোবাসি। তারা আমার ওপর আল্লাহর দেওয়া সেরা নেয়ামত।’ 

    মা হিসেবে নিজের সবচেয়ে বড় লক্ষ্যের কথা জানিয়ে সারা বলেন, তিনি তার সন্তানদের দয়ালু ও সহানুভূতিশীল মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে চান। একই সঙ্গে তিনি সকল বিবাহিত নারীর জন্য সুস্থ সন্তানের দোয়া করেন।

    উল্লেখ্য, সম্প্রতি অভিনেতা দানিশ তৈমুরের সাথে ‘শের’ নাটকে অনবদ্য অভিনয়ের জন্য ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছেন সারা খান। শিগগিরই পাকিস্তানের একটি টিভি চ্যানেলের একটি নতুন নাটকে জনপ্রিয় অভিনেতা ফিরোজ খানের বিপরীতে তাকে দেখা যাবে। 

    সূত্র: সামা টিভি

    বিনোদন ডেস্ক

  • হানিয়া আমিরের পোশাক নিয়ে নেটপাড়ায় তীব্র বিতর্ক, উরফি জাভেদের সঙ্গে তুলনা

    পাকিস্তানের লাহোরের ডলমেন মলে বিশ্বখ্যাত লাক্সারি ফ্যাশন ব্র্যান্ড ‘ইভস সেন্ট লরেন্ট’-এর আউটলেট উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছেন দেশটির জনপ্রিয় অভিনেত্রী হানিয়া আমির। 

    ইভেন্টে তার লুক ও ফ্যাশন চয়েস প্রশংসিত হলেও, পোশাকের ধরন নিয়ে নেটিজেনদের একাংশের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন এই অভিনেত্রী।

    কী পোশাক পরেছিলেন হানিয়া?

    হাই-প্রোফাইল এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের বেশ কিছু ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওগুলোতে হানিয়াকে ভক্তদের উদ্দেশ্যে হাত নাড়তে, ছবি তুলতে এবং আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে সময় কাটাতে দেখা যায়। 

    অনুষ্ঠানে হানিয়া সম্পূর্ণ কালো রঙের একটি ‘ইভস সেন্ট লরেন্ট’ অনসাম্বল (পোশাক) পরিধান করেছিলেন, যার মধ্যে ছিল একটি সিল্কের রাফেল্ড ম্যাক্সি স্কার্ট এবং সঙ্গে কালো স্টকিংস। এই ওয়েস্টার্ন লুকের সঙ্গে তিনি নুড মেকআপ এবং একটি স্লিক ওয়েট-হেয়ার (ভেজা চুলের) স্টাইল বেছে নিয়েছিলেন। 

    হানিয়ার এই খোলামেলা ওয়েস্টার্ন পোশাকের ভিডিও সামনে আসতেই নেটদুনিয়া স্পষ্ট দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। একদল ভক্ত হানিয়ার পাশে দাঁড়িয়ে তার ফ্যাশন চয়েসকে সমর্থন করেছেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    একজন ভক্ত সমালোচকদের উদ্দেশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করে লেখেন, ‘আপনাদের সমস্যাটা কী? এটা সম্পূর্ণ তার (হানিয়া) নিজের পছন্দ। তাকে তার মতো থাকতে দিন। আপনারা সবসময় মানুষকে তার চেহারা বা পোশাক দিয়ে বিচার করতে প্রস্তুত থাকেন।’ 

    অন্যদিকে, সমালোচকদের মতে এ ধরনের ফ্যাশন পাকিস্তানের নিজস্ব সংস্কৃতি, সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। অনেকে হানিয়াকে ভারতীয় ইন্টারনেট সেনসেশন উরফি জাভেদ ও রাখি সাওয়ান্তের সঙ্গে তুলনা করতেও ছাড়েননি। 

    পাকিস্তানের জনপ্রিয় অনলাইন শপিং সাইটের নাম টেনে একজন মন্তব্য করেন, ‘যখন আপনি দারাজ থেকে উরফি জাভেদের অর্ডার দেবেন!’ আবার কেউ কেউ লিখেছেন, ‘আমাদের মেয়েদের জন্য এটি একটি খারাপ উদাহরণ।’ 

    এছাড়া অনেকে অভিনেত্রী আলিজাহ শাহর প্রসঙ্গ টেনে বলেন, আলিজাহ এই ধরনের পোশাক পরলে হয়তো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এর চেয়েও অনেক বেশি ট্রোলের শিকার হতেন। 

    এদিকে, পোশাক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্ক ও ট্রোল চললেও এই বিষয়ে এখনো পর্যন্ত কোনো মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া জানাননি হানিয়া আমির। সাধারণত যেকোনো বিতর্কিত বিষয় এড়িয়ে চলতেই পছন্দ করেন এই অভিনেত্রী। 

    সূত্র: সামা টিভি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • মুহূর্তেই বাঁধতে পারেন গান, লন্ডনের মঞ্চ মাতাচ্ছেন পাকিস্তানি র‍্যাপার

    পাঞ্জাবি ও উর্দু ভাষার উদ্যমী র‍্যাপ গান এবং কবিতার মাধ্যমে ভক্তদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের মধ্য দিয়ে লন্ডনে নিজের উপস্থিতি জানান দিচ্ছেন পাকিস্তানি ফ্রিস্টাইল র‍্যাপার গনি টাইগার।

    প্রায় এক বছর আগে পাকিস্তান থেকে লন্ডনে যাওয়ার পর, নিজের ফ্রিস্টাইল র‍্যাপের মাধ্যমে দারুণ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন টাইগার। তার গানে প্রায়ই সমসাময়িক সামাজিক ও রাজনৈতিক বিষয়গুলো উঠে আসে।

    সম্প্রতি পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে গাওয়া তার একটি র‍্যাপ গান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। গানটির আকর্ষণীয় কথা এবং দেশাত্মবোধক থিমের কারণে এটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।

    টাইগারের আসল নাম হামজা গনি। লন্ডনের বিভিন্ন ভেন্যুতে র‍্যাপ তারকা বোহেমিয়া, আবরার-উল-হক এবং বিলাল সাঈদের কনসার্টের উদ্বোধনী পর্বে পারফর্ম করে ভক্তদের বিপুল করতালিতে সিক্ত হয়েছেন তিনি।

    এ ছাড়া তিনি বিভিন্ন ঘরোয়া অনুষ্ঠান, রাস্তার মোড় এবং ট্রাফালগার স্কয়ার ও পিকাডিলি সার্কাসসহ লন্ডনের বেশ কয়েকটি বিখ্যাত স্থানে পারফর্ম করেছেন।

    সংগীতজগতের অনেকেই টাইগারকে একজন প্রতিভাবান শিল্পী হিসেবে মনে করেন।

    তিনি মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে একটি নতুন র‍্যাপ গান তৈরি করে তা গাইতে পারেন; গানটির কথা, ছন্দ এবং গায়কী প্রায় তাৎক্ষণিকভাবেই তৈরি করে ফেলেন তিনি। তাৎক্ষণিক র‍্যাপ কবিতা তৈরির এই ক্ষমতার কারণে বোহেমিয়া, আবরার-উল-হক এবং জিশান রোখরি তাকে একজন ‘ভীষণ প্রতিভাবান’ শিল্পী হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

    ২০২০ সালে পাঞ্জাবের পসরুর এলাকায় তার বাবাকে হত্যা করা হয় এবং তার ভাইকে গুলি করা হয়। সে সময় বিচার চেয়ে একটি আবেগঘন ভিডিও পোস্ট করেছিলেন টাইগার, যা অনলাইনে ব্যাপক মনোযোগ আকর্ষণ করেছিল।

    টাইগারের দাবি, তার বাবার হত্যাকাণ্ডে জড়িত কয়েকজনকে এখনো গ্রেপ্তার করা যায়নি। তিনি তার এই ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডিকে পরবর্তী সময়ে প্রিয়জন হারানো, আশা ও টিকে থাকার আবেগঘন গানে রূপ দিয়েছেন।

    এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘বাবার হত্যাকাণ্ড আমার জীবনের সবচেয়ে অন্ধকার অধ্যায় ছিল। তাঁকে যখন হত্যা করা হয়, আমি তখন বেশ ছোট। আমি হতাশা থেকে আশার আলো খুঁজে নিয়েছি এবং ইতিবাচকতা ও আশা নিয়ে বেঁচে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি পরিবারের দেখাশোনা করতে কঠোর পরিশ্রম করেছি এবং নিশ্চিত করেছি যেন আমি আমার চারপাশের অভাবী মানুষদের শিক্ষিত করতে পারি।’

    পাকিস্তানে আন্ডারগ্রাউন্ড র‍্যাপ সার্কিট, লাইভ ইভেন্ট এবং অনলাইন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তিনি নিজের পরিচিতি তৈরি করেছিলেন।

    বর্তমানে তিনি তার তীক্ষ্ণ গায়কী, রাস্তা থেকে অনুপ্রাণিত গানের কথা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শক্তিশালী অনুসারী ঘাঁটির জন্য পরিচিত। নিজেকে পাকিস্তানের অন্যতম উদীয়মান ফ্রিস্টাইল র‍্যাপ শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তিনি।

    তিনি বলেন, ‘আমি আমার বাস্তব জীবনের গল্প থেকে শিখেছি কীভাবে দৈনন্দিন আবেগ, সংগ্রাম এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে শক্তিশালী র‍্যাপ পারফরম্যান্সে রূপ দেওয়া যায়। লন্ডনে আসার পর থেকে আমি বৃহত্তর ব্রিটিশ-এশীয় শ্রোতাদের কাছে পৌঁছাতে পারছি। যুক্তরাজ্যে দক্ষিণ এশীয় র‍্যাপের প্রভাব বাড়ছে, যেখানে শিল্পীরা পাঞ্জাবি, উর্দু এবং ইংরেজি শব্দের সংমিশ্রণে এমন সংগীত তৈরি করছেন যা সরাসরি প্রবাসী সম্প্রদায়ের কথা বলে। এটি আমার খুব ভালো লাগে।’

    টাইগার বলেন, ফ্রিস্টাইল র‍্যাপ ধারার শিল্পীরা তাঁদের অপরিশোধিত ও নিখাদ স্টাইলের মাধ্যমেই শ্রোতাদের আকর্ষণ করেন।

    তিনি আরও বলেন, ‘র‍্যাপ শিল্পীরা সাধারণত ইন্ডাস্ট্রির খুব পরিমার্জিত কোনো শিল্পী নন। বরং তাদের সংগীতে বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা, অনলাইনে নিজেদের তুলে ধরার সংগ্রাম এবং তৃণমূল পর্যায়ের জনপ্রিয়তার ছোঁয়া থাকে। এটি ঐতিহ্যবাহী, নরম এবং কাব্যিক সংগীতের চেয়ে একেবারেই আলাদা। এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অভিজ্ঞতার বিষয়। নতুন প্রজন্মের বড় একটি অংশ সংগীতের এই ধারার সঙ্গে একাত্মতা অনুভব করে।’

    টাইগার জানান, ফ্রিস্টাইল র‍্যাপের মাধ্যমে স্বীকৃতি পাওয়াটা সহজ নয়।

    তিনি বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে খ্যাতি অর্জনের জন্য গতানুগতিক পথ খুঁজিনি। আমি নিজের মঞ্চ নিজে তৈরি করা, নিজের শ্রোতা খুঁজে নেওয়া এবং আমার সুরকে সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ায় বিশ্বাস করি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এ ক্ষেত্রে আমাকে অনেক সাহায্য করেছে।’

    টাইগারের জন্য, লন্ডন এখন তার ফ্রিস্টাইল প্রতিভা প্রদর্শনের, বৃহত্তর শ্রোতাদের কাছে পৌঁছানোর এবং ব্রিটিশ-পাকিস্তানি সম্প্রদায়ের ভক্তদের সঙ্গে তার সংযোগ আরও দৃঢ় করার একটি নতুন প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠেছে।

    অনলাইন ডেস্ক

  • কনটেন্ট ক্রিয়েটরের সঙ্গে দুরেফিশানের প্রেমের গুঞ্জন

    পাকিস্তানের ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী দুরেফিশান সেলিমের ২০২০ সালে ‘দিল রুবা’ নাটকের মাধ্যমে অভিষেক ঘটে। এরপর ‘ক্যায়সি তেরি খুদগার্জি’, ‘ইশক মুর্শিদ’ ও ‘সানওয়াল ইয়ার পিয়া’র মতো জনপ্রিয় নাটকে অভিনয় করে দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নেন তিনি। কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পেয়েছেন মর্যাদাপূর্ণ ‘হাম অ্যাওয়ার্ডস’-এর মনোনয়নও। এবার সেই অভিনেত্রীর বিয়ে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মধ্যে  সমালোচনার ঝড় ওঠে।

    যদিও তারকাদের প্রেম, বিচ্ছেদ আর বিয়ের গুঞ্জন নতুন কোনো ঘটনা নয়। পাক অভিনেত্রী দুরেফিশান সেলিমের ক্ষেত্রেও বিশেষ কিছু নয়। তবে এ মুহূর্তে নেটদুনিয়ায় হইচই ফেলে দিয়েছেন অভিনেত্রী। যা রটেছে, তা রীতিমতো বিনোদনপ্রেমীদের মনে ঝড় তুলেছেন তিনি। হালের তুমুল জনপ্রিয় অভিনেত্রী নাকি চুটিয়ে প্রেম করছেন এক বিতর্কিত ইউটিউবারের সঙ্গে। শুধু প্রেমই নয়, জল নাকি গড়িয়েছে বিয়ে পর্যন্ত। সামাজিক মাধ্যমে ভেসে বেড়ানো বেশ কিছু ভাইরাল পোস্টে এমনটাই দাবি নেটিজেনদের।

    এর আগে সহ-অভিনেতা বিলাল আব্বাস খানের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে মেতে ছিলেন ভক্ত-অনুরাগীরা। ‘ইশক মুর্শিদ’ জুটির সেই রসায়নের চর্চা থিতু হতে না হতেই এবার যুক্ত হলো সম্পূর্ণ নতুন এক নাম। 

    সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের জোর দাবি— পাকিস্তানের অন্যতম শীর্ষ ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও টিকটকার রজব ভাটের সঙ্গে ‘গোপন সম্পর্কে’ জড়িয়েছেন অভিনেত্রী। এমনকি তারা নাকি খুব শিগগির বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন। ইনস্টাগ্রামের কিছু ভাইরাল পোস্টের সূত্র ধরে এ খবর হু হু করে ছড়িয়ে পড়লেও ভক্ত-অনুরাগীদের একটি বড় অংশ একে শুধু ‘ভিত্তিহীন গুজব’ বলেই উড়িয়ে দিয়েছেন।  

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তবে এ গুঞ্জনের মাঝেই জলঘোলা করেছেন দুরেফিশানের ব্যক্তিগত মেকআপ আর্টিস্ট যশওয়া আনজুমের একটি মন্তব্য। এ মেকআপ আর্টিস্ট বলেন, এগুলো দেখার এবং শোনার আগে আমি কেন অন্ধ ও বধির হয়ে গেলাম না? আমি এটা সহ্য করতে পারছি না। এটি আমার শোনা সবচেয়ে বাজে খবর। আর এ মানুষকে বিয়ে করা? একেবারেই না। কোটি বছরেও নয়।

    মেকআপ আর্টিস্টের এমন মন্তব্যের পর সামাজিক মাধ্যমে, নেটিজেনদের বড় একটি অংশের ধারণা— এ বিয়ের গুঞ্জন শুধু সামাজিক মাধ্যমে সস্তা প্রোপাগান্ডা ছাড়া আর কিছুই নয়। অবশ্য এ পুরো নাটকীয় বিষয়টি নিয়ে এখন পর্যন্ত দুরেফিশান সেলিম বা রজব ভাট কেউ-ই প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ইউটিউবারের সঙ্গে অভিনেত্রী দুরে ফিশানের বিয়ের গুঞ্জন

    পাকিস্তানি ইউটিউবার রজব বাট এবং জনপ্রিয় অভিনেত্রী দুরে ফিশান সেলিমের প্রেম ও সম্ভাব্য বাগদানের গুঞ্জন এখন দেশটির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে টক অব দ্য টাউন। 

    বেশ কিছুদিন ধরেই বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে তাদের সম্পর্কের বিষয়ে নানা রকম পোস্ট এবং স্ক্রিনশট শেয়ার করে জল্পনা-কল্পনা ছড়াচ্ছেন অভিনেত্রীর ভক্তরা। তবে এ দাবির সপক্ষে এখনো কোনো জোরালো বা নির্ভরযোগ্য প্রমাণ মেলেনি। 

    ভাইরাল হওয়া এই গুঞ্জন নিয়ে এখন পর্যন্ত রজব বাট বা দুরে ফিশান কেউই প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি। সম্পর্কের বিষয়টি নিশ্চিত করা তো দূরের কথা, বাগদান বা বিয়ের পরিকল্পনা নিয়ে কোনো পক্ষ থেকেই কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হয়নি। ফলে পুরো বিষয়টিই এখন পর্যন্ত কেবলই গুঞ্জন হিসেবে রয়ে গেছে। 

    দুরে ফিশান সেলিম বর্তমান পাকিস্তানের অন্যতম শীর্ষ ও জনপ্রিয় টেলিভিশন অভিনেত্রী। ২০২০ সালে হাম টিভির ‘দিল রুবা’ নাটকের মাধ্যমে ক্যারিয়ার শুরু করেই নজর কাড়েন তিনি এবং একই বছর ‘ভারাস’ নাটকে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন। এরপর ২০২২ সালে ব্লকবাস্টার ড্রামা সিরিজ ‘ক্যায়সি তেরি খুদগার্জি’ তার ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সাফল্যের সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ২০২৩ সালে ‘ইশ্ক মুর্শেদ’ এবং ২০২৫ সালে ‘সানওয়াল ইয়ার পিয়া’ এর মতো জনপ্রিয় নাটকে অভিনয় করে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করেছেন তিনি। অভিনয়ের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ‘হাম অ্যাওয়ার্ডস’-এ মনোনীতও হয়েছেন। 

    অন্যদিকে, রজব বাট পাকিস্তানের শীর্ষ ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রিয়েটর এবং সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের একজন। তার ইউটিউব চ্যানেল ‘রজব’স ফ্যামিলি’-র সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা ইতোমধ্যে ৯ মিলিয়ন (নব্বই লাখ) ছাড়িয়েছে। 

    মূলত ফ্যামিলি ব্লগ, লাইফস্টাইল এবং পারিবারিক বিনোদনমূলক ভিডিওর জন্য তিনি দর্শক মহলে দারুণ জনপ্রিয়। কনটেন্ট ক্রিয়েশনের পাশাপাশি রজব একজন সফল ব্যবসায়ী হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করেছেন, যার নিজস্ব একটি লাক্সারি পারফিউম ব্র্যান্ড রয়েছে। 

    সূত্র: পাকিস্তান কানেক্ট 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিশ্বকাপ জিততে পর্তুগালের ‘অলৌকিক কিছু’ প্রয়োজন: দানিশ তৈমুর

    চলমান ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর নেতৃত্বাধীন পর্তুগাল জাতীয় ফুটবল দলের ট্রফি জিততে হলে অলৌকিক কিছুর প্রয়োজন—এমনটাই মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেতা ও মডেল দানিশ তৈমুর। 

    জনপ্রিয় নাটক ‘ক্যায়সি তেরি খুদগারজি’ খ্যাত এই অভিনেতা সম্প্রতি পর্তুগালের জার্সি পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে বিশ্বকাপ নিয়ে নিজের এই অভিমত প্রকাশ করেন। 

    দানিশ তৈমুরের মতে, বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের খেলা শেষে পাঁচটি দলকে বাকিদের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ও গোছানো মনে হয়েছে। শিরোপাদৌড়ে ফ্রান্স, ইংল্যান্ড, ব্রাজিল, স্পেন ও মরক্কোকে এগিয়ে রেখেছেন এই অভিনেতা। 

    এই দলগুলোর খেলার শৈলী, রক্ষণভাগের দৃঢ়তা, প্রেসিং, পজিশনিং, দ্রুত আক্রমণ, বল রিকভারি এবং ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণের ভূয়সী প্রশংসা করেন দানিশ। 

    তিনি বলেন, এই দলগুলো প্রকৃত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মতো যোগ্যতা দেখিয়েছে এবং টুর্নামেন্টে এই ধারাবাহিকতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পারলে এদের মধ্য থেকেই কোনো একটি দল বিশ্বকাপ ট্রফি ঘরে তুলবে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    পাশাপাশি পর্তুগালের শিরোপা জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে দানিশ তৈমুর যোগ করেন, ‘মন থেকে আমি পর্তুগালের সাফল্য কামনা করি, কিন্তু মাঠে এখন পর্যন্ত তাদের পারফরম্যান্স কোনো চ্যাম্পিয়ন দলের মতো নয়।’ তিনি স্পষ্ট জানান যে, পর্তুগালকে যদি এই টুর্নামেন্ট জিততে হয়, তবে অসাধারণ কিছু বা অলৌকিক কোনো ঘটনার প্রয়োজন হবে।

    সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, ফুটবল ভক্তরা হয়তো এই বিশ্বকাপের মাধ্যমেই ফুটবল বিশ্বের বেশ কয়েকজন জীবন্ত কিংবদন্তির শেষ বিশ্বকাপ দেখছেন। এই তালিকায় ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, লিওনেল মেসি, লুকা মদ্রিচ, ম্যানুয়েল নয়্যার এবং নেইমারের মতো তারকাদের নাম উল্লেখ করেন তিনি। 

    সূত্র: সামা টিভি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • নারীর পোশাকে নয়, নিজেদের কাজে মনোযোগী হোন

    জনসমক্ষে ছোট পোশাক পরা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন প্রণয়নের জন্য পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মারিয়াম নওয়াজের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন পাকিস্তানি গায়ক ফালাক শাবির। তার এ মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজের নেত্রী হিনা পারভেজ বাট। 

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে হিনা পারভেজ বলেন, ফালাক শাবিরের মতো মানুষরা কেন সবসময় নারীর পোশাক নিয়ে এত মগ্ন থাকেন, তা তিনি বুঝতে পারেন না। 

    উদাহরণ টেনে বলেন, ইস্তাম্বুলের মতো শহরে নারীরা কী পরিধান করছেন তা নিয়ে কেউ কোনো মন্তব্য করে না। অথচ পাকিস্তানে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসে নারীদের পোশাক নিয়ে মন্তব্য করা শুরু করে দেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    হিনা পারভেজ বাট স্পষ্ট ভাষায় জানান, এ ধরনের সংকীর্ণ মানসিকতাই পাকিস্তানের অগ্রগতি এবং উন্নয়নের পথে অন্যতম বড় বাধা। 

    তিনি দেশের মানুষকে অন্যের ব্যক্তিগত বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করে নিজেদের কাজে মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন, মানুষ যদি অন্যের ব্যক্তিগত পছন্দে বাধা দেওয়া বন্ধ করে, তবে সমাজ সামগ্রিকভাবে অনেক বেশি উপকৃত হবে। 

    সূত্র: সামা টিভি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • জনপ্রিয় পাকিস্তানি জুটির বিয়ের ঘোষণার অপেক্ষায় ভক্তরা

    পাকিস্তানি বিনোদন জগতের জনপ্রিয় দুই তারকা সাজাল আলি এবং হামজা সোহেলের বিয়ে ও সম্পর্কের গুঞ্জন আবারও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঝড় তুলেছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে এই জুটির বিয়ের পিঁড়িতে বসার খবর চাউর হলেও, হঠাৎ করেই তাদের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার এবং বিয়ে বাতিলের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। 

    তবে সব জল্পনা-কল্পনাকে উড়িয়ে দিয়ে তাদের ঘনিষ্ঠ এক সূত্র জানিয়েছে, দুই তারকার সম্পর্ক এখনো বেশ মজবুত রয়েছে। 

    সম্প্রতি দেশটির বিনোদন জগতের বিশ্বস্ত অভ্যন্তরীণ ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ইজাজ ওয়ারিস তাদের ব্রেকআপের খবরটি সম্পূর্ণ নাকচ করে দিয়েছেন। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সাজাল এবং হামজার সম্পর্ক দারুণভাবে এগিয়ে চলেছে এবং তাদের বিয়ের পরিকল্পনা একদম সঠিক ট্র্যাকেই রয়েছে। 

    তিনি আরও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, খুব শিগগিরই হয়তো এই তারকা জুটির পক্ষ থেকে বিয়ের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ‘জার্দ পাতো কা বুন’ এবং ‘দিল ওয়ালী গলি মে’ নাটকে একসঙ্গে কাজ করার পর থেকেই সাজাল ও হামজা দর্শকদের ব্যাপক ভালোবাসায় সিক্ত হন। পর্দায় তাদের চমৎকার রসায়নই বাস্তব জীবনে তাদের প্রেমের গুঞ্জনকে প্রতিনিয়ত উস্কে দিয়েছে। 

    অবশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাজারো গুঞ্জন ভেসে বেড়ালেও, দুই তারকার কেউই এখন পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি এবং নিজেদের পেশাদারিত্ব বজায় রেখেছেন। 

    আপাতত ভক্তদের জন্য স্বস্তির খবর এটাই যে, বহুল চর্চিত এই বিয়েটি সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা এখনো প্রবল। তবে চূড়ান্ত খবরের জন্য অনুরাগীরা এখন শুধুই তাদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন। 

    সূত্র: সিয়াসাত ডেইলি 

    বিনোদন ডেস্ক