Tag: অমিতাভ বচ্চন

  • অমিতাভের জীবনে প্রথম প্রেম জয়া নয়, ছিল অন্য নারী

    ১৯৭১ সালের ‘গুড্ডি’ সিনেমার সেটে প্রথম পরিচয়, পরে প্রেম এবং শেষে সাতপাকে বাঁধা পড়েন বলিউড শাহেনশাহ অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন ও অভিনেত্রী জয়া বচ্চন। এর মধ্যে তাদের দাম্পত্য জীবন ৫০ বছর পেরিয়ে গেছে। তবে অমিতাভের জীবনে জয়াই প্রথম প্রেম ছিল না। ঘটনা মোড় নেয় প্রথম সিনেমা ‘সাত হিন্দুস্তানি’ শুটিংয়ের পর। এ সিনেমাটি ১৯৬৯ সালে মুক্তি পায়। অমিতাভ বচ্চন অভিনেত্রী জয়াকে বিয়ে করেন ১৯৭৩ সালে। মাঝখানে অভিনেতার জীবনে আসে এক অপরূপ মায়া। 

    সম্প্রতি একটি ইউটিউব চ্যানেল মেরি সখীকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তারকাদের জীবনীকার হানিফ জাভেরি জানিয়েছেন, মুম্বাইয়ে পা রাখার আগেই কলকাতায় কর্মজীবন শুরু করেন অমিতাভ। সেখানে অভিনেতার জীবনে এসেছিলেন এক তরুণী— তার নাম মায়া। কিন্তু ‘সাত হিন্দুস্তানি’ সিনেমা মুক্তির আগেই তাদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিনি বলেন, তখন অমিতাভ বচ্চন কলকাতায় কাজ করতেন। মাসে আয় হতো ২৫০-৩০০ রুপি। সেই সময় ব্রিটিশ এয়ারওয়েজে কর্মরত ছিলেন মায়া। অমিতাভ তাকে ভীষণ ভালোবাসতেন, আর মায়াও তাকে ভালোবাসতেন।

    হানিফ জাভেরি বলেন, পরে সিনেমায় চান্স পাওয়ার আসায় মুম্বাই গিয়ে তিনি প্রথমে উঠেছিলেন জুহুর এক বাংলোয়। এটি ছিল মা তেজি বচ্চনের এক বন্ধুর বাড়ি। সেখানে মায়া প্রায়ই যেতেন। কিন্তু একই বাড়িতে মায়ের সেই বন্ধু থাকায় সম্পর্ক ফাঁস হয়ে যাবে ভেবে অমিতাভ ভয় পেতে শুরু করেন। এবং পরে তিনি ওই বাড়ি ছেড়ে দেন।

    এ জীবনীকার বলেন, মুম্বাইতে গিয়ে এ সময় অমিতাভ কাজ করছিলেন তার প্রথম সিনেমা ‘সাত হিন্দুস্তানি’-তে, যেখানে সহশিল্পী ছিলেন কৌতুক অভিনেতা মাহম্মুদের ভাই আনোয়ার আলি। নিজের দুশ্চিন্তার কথা আনোয়ারকে জানালে, তিনি বিষয়টি বুঝে অমিতাভকে থাকার জায়গা দেন। এটি ছিল মাহম্মুদের দেওয়া একটি অ্যাপার্টমেন্ট, যেখানে কিছু দিন ছিলেন অমিতাভ।

    হানিফ জাভেরি বলেন, মায়া ও অমিতাভ কিছু দিন সেখানে একসঙ্গে ছিলেন। এমনকি বিয়েও হতে পারত। কিন্তু তখন অমিতাভের ক্যারিয়ার স্থিতিশীল ছিল না। তিনি খুব লাজুক মানুষ ছিলেন, আর মায়া ছিলেন খানিকটা ধূর্ত। কে পাশে বসে আছেন, তা তোয়াক্কা না করেই তিনি অমিতাভের সঙ্গে কথা বলতেন, মাঝে মধ্যে বকাঝকাও করতেন। আনোয়ার আলি ও অমিতাভের বন্ধুরা বিষয়টি ভালোভাবে নিতেন না, আর অমিতাভও এতে অস্বস্তি বোধ করতেন।

    হানিফ জাভেরি আরও বলেন, গোয়ার শুটিংয়ে থাকাবস্থায় আনোয়ার অমিতাভকে বলেন মায়ার সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে দিতে। তার মনে হয়েছিল, মায়া বচ্চন পরিবারের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারবে না। আর সিনেমায় এগোতে চাইলে সমস্যা বাড়তে পারে। অমিতাভও মনে করলেন কিছু একটা ঠিক নেই। শেষ পর্যন্ত তিনি ধীরে ধীরে দূরে সরে যান এবং বিচ্ছেদ হয়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঐশ্বরিয়া কখনই চিৎকার করে না: অভিষেক

    ২০০৩ সালে ‘কুছ না কহো’ সিনেমায় বন্ধুত্ব, আর তারপরে ২০০৫-০৬ সালে ‘উমরাও জান’-এর শুটিং চলাকালীন প্রেমে পড়েন বলিউড অভিনেতা অভিষেক বচ্চন ও সাবেক বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাই। ‘গুরুর’ সিনেমার প্রিমিয়ারের পর নিউইয়র্কেই অভিষেক বিয়ের প্রস্তাব দেন অভিনেত্রীকে। ২০০৭ সালের ২০ এপ্রিল বচ্চনবাড়িতে বসে বিয়ের আসর, সেখানেই সাত পাকে বাধা পড়েন এ তারকা যুগল। এ দম্পতির ঘর আলো করে আসে কন্যা আরাধ্যা, যার বয়স এখন ১২।

    গত বছর ধরেই চলছে এ তারকা দম্পতির বিচ্ছেদ নিয়ে জল্পনা। অভিষেক ও ঐশ্বরিয়া রাইকে ঘিরে যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না সমালোচনা ঝড়। অভিষেক বলেন, এসব গুজবের কোনো ভিত্তি নেই, তবু তাদের সম্পর্ক নিয়ে কৌতূহল পিছু ছাড়েনি। 

    এর আগে পুরোনো এক সাক্ষাৎকারে স্ত্রীর প্রশংসায় অভিষেক বলেছিলেন, ঐশ্বরিয়া ভালোবাসায় ভরা একজন মানুষ। ও কখনই চিৎকার করে না। ওকে রেগে যেতে দেখার জন্য আপনাকে সত্যিই খুব খারাপ কিছু করতে হবে। ঐশ্বরিয়া ‘গ্ল্যামারাস’ ইমেজ নিয়েও প্রশ্ন করা হলে অভিনেতা বলেন, শুধু চাকচিক্যের জন্য সিনেমা বাছে না ঐশ্বরিয়া। বরং সে সব সময় চরিত্রনির্ভর সিনেমা করতে চায়। 

    তিনি বলেন, ঐশ্বরিয়া একজন অভিনেত্রী। ওর ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল ‘ইরুভার’-এর মতো একেবারেই ডি-গ্ল্যাম সিনেমা দিয়ে, যেটি পরিচালনা করেছিলেন মণি রত্নম। বেশিরভাগ সিনেমাতেই ও চরিত্র অনুযায়ী চ্যালেঞ্জ নিয়েছে, কখনো শুধু গ্ল্যামারের পেছনে ছোটেনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • জয়ার সিনেমার ট্রেলার শেয়ার করে যা বললেন অমিতাভ

    জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসানের মুক্তি প্রতীক্ষিত সিনেমা ভারতীয় বাংলা সিনেমা ‘ডিয়ার মা’ নিয়ে বেশ আলোচনা হচ্ছে। আর এ সিনেমা নিয়ে বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা অমিতাভ বচ্চনের সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট দেখে উচ্ছ্বসিত জয়ার ভক্ত-অনুরাগীরা।

    নির্মাতা অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরীর ‘ডিয়ার মা’-এ অভিনেত্রীকে দেখা যাবে মায়ের চরিত্রে। আগামী ১৮ জুলাই সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে। এ উপলক্ষ্যে গত বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) সন্ধ্যায় ‘ডিয়ার মা’ সিনেমাটির ট্রেলার প্রকাশ করেছে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। এটি মুক্তির পর সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের কাছ থেকে প্রশংসা লাভ করেছে।

    ‘ডিয়ার মা’ সিনেমার গল্পে উঠে এসেছে একজন মা ও মেয়ের সম্পর্কের টানাপোড়েন। এ সিনেমার শুরুতেই দেখা যায়, মেয়ে দাবা খেলছে, আর মা সেটি দেখছেন। টানাপোড়েনের দ্বন্দ্ব শুরু হলেও এর ভালোবাসায় সমাপ্তি আছে। 

    এর আগে অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী নির্মিত হিন্দি সিনেমা ‘কড়ক সিং’-এ জয়া আহসান অভিনয় করেছিলেন। সেটি ওটিটি প্ল্যাটফর্ম জিফাইভে মুক্তি পায়। সেই সিনেমার মাঝে বিরতির পর বাংলা সিনেমা পরিচালনায় ফিরলেন নির্মাতা। এ দুই মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন জয়া ও চন্দন রায় সান্যাল। এতে আরও আছেন শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়, ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায়, মালয়ালম অভিনেত্রী পদ্মপ্রিয়া জনকীরামন প্রমুখ।

    এদিকে জয়া আহসানের ‘ডিয়ার মা’ সিনেমার ট্রেলার মুক্তির পর আলোচনা এখন আরও একধাপ এগিয়েছে। কারণ বলিউডের বিগ বি খ্যাত অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন ‘ডিয়ার মা’ সিনেমাটির ট্রেলার সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করে নিয়েছেন। সেই সঙ্গে নির্মাতাসহ সিনেমাসংশ্লিষ্ট সবাইকে শুভকামনা জানিয়েছেন। প্রশংসায় ভাসিয়েছেন এ বর্ষীয়ান অভিনেতা।

    শুক্রবার (৪ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জয়ার নতুন সিনেমার ট্রেলার নিজের ফেসবুকে শেয়ার করে অমিতাভ বচ্চন লিখেছেন— ‘টনিদা (অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী), আমার শুভকামনা সব সময়।’ অমিতাভের এ পোস্টটের কমেন্টে সবাই বাংলাদেশের অভিনেত্রী জয়া আহসানকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন।

    উল্লেখ্য, গত ঈদুল আজহায় জয়া আহসানকে ‘তাণ্ডব’ ও ‘উৎসব’ সিনেমায় দেখা গেছে। সেই সিনেমাটি দুটি বেশ আলোচনায় এসেছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ৫০ বছর পূর্তিতে বাদ পড়া দৃশ্য নিয়ে ফের মুক্তি পাচ্ছে ‘শোলে’

    বলিউড সিনেমার ইতিহাসে চিরন্তন এক নাম ‘শোলে’। ১৯৭৫ সালে মুক্তি পাওয়া রমেশ সিপ্পির এই কালজয়ী সিনেমা শুধু এক দশক নয়, পেরিয়ে এসেছে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম। ‘জয়-বীরু’, ‘ঠাকুর’, ‘গব্বর’ কিংবা ‘সুন্নি’র মত চরিত্র ও সংলাপ আজও মানুষের মুখে মুখে ফেরে।

    চলতি বছর সিনেমাটির মুক্তির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ইতালির বোলোনিয়া শহরে ‘ইল সিনেমা রিট্রোভাতা’ উৎসবে ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হচ্ছে ‘শোলে’র নতুন ‘আনকাট’ সংস্করণ। এই সংস্করণে থাকবে সেই আসল সমাপ্তি, যা এক সময় সেন্সর বোর্ডের আপত্তিতে বাদ দেওয়া হয়েছিল।

    সেন্সরে কাটা সেই দৃশ্য ফিরল

    মূল সংস্করণে ছিল ডাকাত গব্বর সিংয়ের মৃত্যুদৃশ্য—ঠাকুর তার কাঁটা লাগানো জুতা দিয়ে পিষে হত্যা করেন গব্বরকে। কিন্তু সেন্সর বোর্ড এই দৃশ্য ‘অত্যন্ত নিষ্ঠুর’ এবং ‘আইন হাতে তুলে নেওয়ার দৃষ্টান্ত’ বলে তা বাদ দিতে বলে। তখনকার জরুরি অবস্থার সময় সেন্সর বোর্ড ছিল বেশ কঠোর। বাধ্য হয়ে পরিচালক সিপ্পি সমাপ্তি দৃশ্য নতুন করে ধারণ করেন, যেখানে গব্বরকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

    শোলে’র মূল ৭০ মিমি প্রিন্ট ও নেগেটিভ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সিনেমাটির পূর্ণ সংস্করণ ফিরিয়ে আনতে তিন বছর লেগেছে। রমেশ সিপ্পির ছেলে শেহজাদ সিপ্পি ফিল্ম হেরিটেজ ফাউন্ডেশনের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানান, মুম্বাইয়ের একটি গুদামে পুরনো কৌটায় কিছু ক্যামেরা ও সাউন্ড নেগেটিভ পাওয়া গেছে। সেগুলোর সঙ্গে যুক্তরাজ্য ও ইতালি থেকে উদ্ধার করা রিল জুড়ে তৈরি করা হয় পূর্ণ সংস্করণ। পুনরুদ্ধারে সহায়তা করেছে লা ইমাজিনে রিট্রোভাতা, বিশ্বের অন্যতম সেরা ফিল্ম রিস্টোরেশন কেন্দ্র।

    প্রথম সপ্তাহে ‘শোলে’র প্রতিক্রিয়া ভালো ছিল না। দর্শকেরা চুপচাপ বসে থাকতেন, সমালোচকেরাও বলেছিলেন সিনেমাটি ব্যর্থ। ইন্ডিয়া টুডে ম্যাগাজিন একে বলেছিল ‘নিভে যাওয়া কয়লা’, আর ফিল্মফেয়ার–এ লেখা হয়েছিল এটি ‘ভারতীয় সংস্কৃতিতে একটি ব্যর্থ ওয়েস্টার্ন রূপান্তর।’

    তবে তৃতীয় সপ্তাহ থেকে শুরু হয় ঘুরে দাঁড়ানো। দর্শকেরা সংলাপ মুখস্থ বলতে থাকেন, দ্বিতীয়বার সিনেমা দেখতে আসেন। এক মাস পর যখন একটি সংলাপ রেকর্ড প্রকাশিত হয়, তখন থেকেই চরিত্রগুলো হয়ে ওঠে আইকনিক। গব্বর সিং হয়ে ওঠেন ভয়ংকর জনপ্রিয়।

    ‘শোলে’ টানা পাঁচ বছর মুম্বাইয়ের মিনার্ভা হলে চলেছে—তিন বছর পূর্ণ দৈর্ঘ্যে, দুই বছর ম্যাটিনি শোতে। প্রায় ১৮ কোটি টিকিট বিক্রি হয়েছিল, এমনকি ২৪০তম সপ্তাহেও শো ছিল হাউসফুল। ২০১৫ সালে এটি মুক্তি পায় পাকিস্তানেও।

    সিনেমার প্রভাব ও জনপ্রিয়তা

    ‘শোলে’ কেবল একটি সিনেমা নয়—এটি হয়ে উঠেছে ভারতীয় সংস্কৃতির প্রতীক। এর সংলাপ বিয়ের মঞ্চে, রাজনীতির বক্তৃতায় এমনকি বিজ্ঞাপনেও ব্যবহৃত হয়েছে। সেলিম-জাভেদ জুটির লেখা চিত্রনাট্য ও সংলাপ, পশ্চিমা ও জাপানি সিনেমা থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে একদম ভারতীয় মাটির গল্প হয়ে উঠেছে ‘শোলে’।

    চলচ্চিত্র বিশ্লেষক ও সমালোচকরা একে বলেন ‘ভারতীয় সিনেমার মিলেনিয়াম ফিল্ম।’ বিবিসি ইন্ডিয়ার এক জরিপে এটিকে ‘ফিল্ম অব দ্য মিলেনিয়াম’ ঘোষণা করা হয়, আর ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউটের এক ভোটে এটি হয় সর্বকালের সেরা ভারতীয় সিনেমা।

    ধর্মেন্দ্র বলেন, ‘শোলে হচ্ছে বিশ্বের অষ্টম আশ্চর্য।’

    অমিতাভ বচ্চনের কথায়, ‘এই সিনেমার শুটিং আমার জীবনের স্মরণীয় ঘটনা। তখন বুঝিনি এটি একদিন এমন কিংবদন্তি হবে।’

    ৫০ বছর পর এই সিনেমার আবেদন এখনো এতটাই অটুট কেন—এই প্রশ্নের উত্তরে অমিতাভ বলেন, ‘শোলে-তে দর্শক ন্যায়ের বিজয় দেখেছেন মাত্র তিন ঘণ্টায়। সেটা এমন কিছু, যা আমরা বাস্তবে হয়তো আজীবনেও দেখতে পাব না।’

    সত্যিই, ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে ‘শোলে’ শুধু এক সিনেমা নয়—এটি একটি অধ্যায়। পঞ্চাশ বছর পর সেই অধ্যায় ফিরে এল আরও পরিপূর্ণ রূপে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘কালীধর লাপাতা’ দিয়ে কি ঘুরবে অভিষেকের ভাগ্য?

    বাবা অমিতাভ বচ্চনকে বলা হয় বলিউডের ‘বিগ বি’। কিন্তু ছেলে অভিষেক বচ্চন যেন বাবার ছিটেফোঁটাও পাননি। বাবার মতো গর্জে ওঠা সমুদ্র হওয়া তো দূরের কথা, খালের শান্ত স্রোতও হতে পারেননি। অবশ্য চেষ্টা যে করেননি তা কিন্তু নয়। 

    এককভাবে অভিষেক বলিউডে সাফল্য পাননি এটা ঠিক, মাল্টিকাস্টিং সিনেমগুলোতে তার উপস্থিতি কিছুটা হলেও নজর কেড়েছে। তবে সেটা অন্যদের কল্যাণে। এ যেমন, ‘ধুম’ সিনেমায় অভিষেকের উপস্থিতি থাকলেও সেখানে শুরু থেকে মূল নায়ক তথা অভিনেতা ছিলেন অন্য কেউ। কখনো জন আব্রাহাম, কখনো হৃত্বিক রোশান। তাদের সঙ্গ নিয়েই পার পেয়েছেন অভিষেক। 

    তাই বলা যায়, একক সাফল্যের ক্ষেত্রে অমিতাভ পুত্রের পথচলা শূন্য। বাবা অবশ্য সেভাবে ছেলের জন্য লোকের দ্বারে ঘোরেননি। ক্যারিয়ার গড়ার কাজটি ছেলের হাতেই ছেড়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু দেখলেন, শূন্য হাতেই ছেলে ঘরে ফিরেছে। তাই এবার আর চুপ থাকতে পারেননি। ছেলে অভিষেকের জন্য প্রার্থনা করেছেন অমিতাভ। দিচ্ছেন মিডিয়ায় বক্তব্য। শিগ্গির অভিষেকের নতুন একটি সিনেমা মুক্তি পাবে। আর সেটা নিয়ে মন্তব্য করেছেন অমিতাভ। 

    বলেছেন ‘ক্যারিয়ারের যেন দ্বিতীয় ইনিংস শুরু হয়েছে অভিষেকের। সিনেমার নাম ‘কালীধর লাপাতা’। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে এ সিনেমা অফিসিয়াল ট্রেলার। ৪ জুলাই এটি জি ফাইভ ওটিটি প্লাটফর্মে মুক্তি পাবে। সিনেমাটি মূলত তামিল ‘কেডি’র অফিসিয়াল রিমেক। 

    কিছুদিন আগে এক সাক্ষাৎকারে অভিষেক বলেছিলেন, ‘অভিনেতা হিসাবে আমরা প্রায়ই এমন গল্প আশা করি যা শুধু আমাদের নয়, দর্শকদেরও নাড়িয়ে দেবে। এ সিনেমাটি একেবারেই তেমন। এমন একটি সিনেমায় অভিনয় করা আমার কাছে স্বপ্নের মতো।’

    এ সিনেমার পর অভিষেকের মুক্তির অপেক্ষায় থাকা আরও একটি সিনেমায়ও একটি ভিন্ন চরিত্রে হাজির হচ্ছেন বলে অমিতাভ জানান। অর্থাৎ ছেলের হয়ে প্রচারণায় নেমেছেন বাবা। পরপর সিনেমায় এ রকম ভিন্ন চরিত্র বেছে নেওয়ার জন্য অভিষেকের প্রশংসায় পঞ্চমুখ অমিতাভ বচ্চন। 

    এক্স হ্যান্ডেলে এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘আমি প্রার্থনা করি অভিষেক, তোমার বিভিন্ন চরিত্র এবং সিনেমা বেছে নেওয়ার ক্ষমতা, আরও সফল হওয়ার ক্ষমতা, খুবই বিরল গুণ। ভালোবাসা ও আশীর্বাদ রইল।’

    যদিও বাবার এমন প্রশংসা নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে তৈরি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। কেউ কেউ বলেছেন, অমিতাভ যদি ক্যারিয়ারের শুরু থেকে অভিষেকের জন্য এভাবে প্রচারণায় নামতেন তাহলে সে হয়তো কিছু একটা হতে পারত।’ আবারও কেউ বলেছেন, ‘যতই চেষ্টা করুক, অভিষেক আর ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন না।’ 

    এদিকে ‘কালীধর লাপাতা’ সিনেমায় অভিষেক কালীধর নামের এক মধ্যবয়সি ব্যক্তির চরিত্রে অভিনয় করেছেন, যিনি মাঝেমধ্যেই স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলেন। একদিন তিনি নিজের ভাইবোনের নিষ্ঠুর পরিকল্পনার কথা শুনতে পান এবং আত্মরক্ষার্থে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। এরপর এক ৮ বছর বয়সি শিশুর সঙ্গে তার দেখা হয়, যে কালীধরকে আবারও বাঁচতে শেখায়। সিনেমাটি কমার্শিয়াল ঘরানার না হলেও এটি অভিষেককে নিয়ে দর্শকদের ভাবাবে বলেই অমিতাভের অভিমত।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিষেক-কারিশমার বিয়ে ভাঙার কারণ জানালেন অমিতাভ

    ২০০২ সালের ১১ অক্টোবর, বলিউড মেগাস্টার অমিতাভ বচ্চনের ৬০তম জন্মদিনে ছেলের বাগদানের ঘোষণা দিয়েছিলেন জয়া বচ্চন। সেদিনই আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা হয়, অভিষেক বচ্চন ও কারিশমা কাপুরের বাগদান সম্পন্ন হয়েছে। দুই বলিউড রাজপরিবার—বচ্চন ও কাপুরের এই সম্পর্ক নিয়ে তখন জোর চর্চা শুরু হয়। তবে মাত্র কয়েক মাস পর ২০০৩ সালের জানুয়ারিতে ভেঙে যায় সেই বাগদান।

    বছর দুয়েক পরে, ২০০৫ সালে করণ জোহরের সঞ্চালনায় প্রচারিত জনপ্রিয় শো ‘কফি উইথ করণ’-এর প্রথম মৌসুমে ছেলে অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে উপস্থিত হয়ে প্রথমবারের মতো এই প্রসঙ্গে মুখ খুলেছিলেন অমিতাভ। 

    করণের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছিলেন, ‘ওটা ছিল খুব সংবেদনশীল একটি সময়। সম্পর্ক গড়ে উঠছিল, আবার ভেঙেও যাচ্ছিল। এটা যেকোনো তরুণ এবং তার পরিবারের জন্য কষ্টদায়ক। আমরা কখনোই চাই না, এমন কিছু কারও সঙ্গে ঘটুক। কিন্তু যখন পরিবেশ অনুকূল থাকে না, তখন আলাদা হয়ে যাওয়াই ভালো। আমাদের ক্ষেত্রেও ঠিক সেটাই ঘটেছিল।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    নিজের বক্তব্যে জীবনের কঠিন অভিজ্ঞতাকে ইতিবাচকভাবে দেখার পরামর্শও দেন অমিতাভ। বলেন, ‘এই ধরনের ঘটনা একজন মানুষকে আরও পরিপক্ব করে তোলে, তাকে শক্তিশালীভাবে পৃথিবীর মুখোমুখি হওয়ার শিক্ষা দেয়। পেশাগত জীবনেও এটি একধরনের শিক্ষণীয় অভিজ্ঞতা।’

    সবশেষে পরিবারের মূল্যবোধের কথা জানিয়ে অমিতাভ বলেন, ‘আমার বাবা আমায় শেখাতেন—মন মতো কিছু হলে ভালো, আর না হলে আরও ভালো। কারণ তখন তা ঈশ্বরের ইচ্ছায় হয়। আর ঈশ্বর কখনওই কারও মঙ্গল ছাড়া কিছু চান না। আমরা পরিবারের সবাই এই শিক্ষাকেই অনুসরণ করি।’

    উল্লেখ্য, কারিশমা কাপুর পরবর্তীতে শিল্পপতি সঞ্জয় কাপুরকে বিয়ে করেন এবং ২০১৬ সালে তাদের বিচ্ছেদ হয়। অন্যদিকে, অভিষেক বচ্চন ২০০৭ সালে বিয়ে করেন অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাইকে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শাহরুখ, সালমান না অমিতাভ! কার প্রাইভেট জেট সবচেয়ে দামি ও বিলাসবহুল

    বলিউডের অধিকাংশ সুপারস্টারেরই প্রাইভেট জেট রয়েছে। শাহরুখ খান থেকে সালমান খান, অমিতাভ বচ্চন থেকে শুরু করে সাইফ আলি খান। ফ্যামিলি ট্রিপ কিংবা শুটের কাজে ট্রাভেল করার জন্যে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তারা প্রাইভেট জেটই ব্যবহার করে থাকেন। 

    তবে এসব তারকার প্রাইভেট জেটের মূল্য জানতে প্রায়ই আগ্রহ দেখা যায় ভক্তদের মন। অনেকে আবার জানতে চান কার জেট সবচেয়ে বেশি দাবি। চলুন আজকে জানবো কোন স্টারের কাছে কত কোটি টাকার প্রাইভেট জেট রয়েছে? 

    শাহরুখ খান: বলিউড বাদশাও নিজের প্রাইভেট জেটেই অধিকাংশ জায়গায় যাতায়াত করে থাকেন। তার জেটটির মডেল- Gulfstream G550। এতে মোটের ওপর ১৯ জন যাত্রী সফর করতে পারেন। দাম ৫২৬ কোটি টাকা। 

    অমিতাভ বচ্চন: বচ্চন পরিবারের প্রাইভেট জেটের ছবি একাধিকবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতে দেখা গেছে। এই জেটটির মডেল– Bombardier Challenger 300। এতে মোট ১০ জন যাত্রী সফর করতে পারেন। দাম ২৬০ কোটি টাকা। 

    সালমান খান: সালমান খানেরও প্রাইভেট জেট রয়েছে। তিনি তাতেই ট্রাভেল করতে বেশি পছন্দ করেন। ছবির প্রচার হোক কিংবা শুটিং, সালমান প্রধানত প্রাইভেট জেটেই যাতায়াত করে থাকেন। দাম ৫২৬ কোটি টাকা। মডেল– Bombardier Challenger 300। এই জেট প্লেন তার বিলাসবহুল কেবিনের জন্যে পরিচিত।  

    অক্ষয় কুমার: বলিউড খিলাড়িও রয়েছে ব্যক্তিগত জেট প্লেন। যার মডেল– Hawker 800। যদিও তা শাহরুখ কিংবা অমিতাভের জেট প্লেনের থেকে বেশ ছোট। এতে মোটের ওপর ৮ জন যাত্রী সফর করতে পারেন। দাম ১৭১ কোটি টাকা। 

    সাইফ আলি খান: পাতৌদি পরিবারের প্রাইভেট জেট রয়েছে। মডেল Gulfstream G550। দাম ৫২৬ কোটি টাকা। মোট ১৯ জন যাত্রী এতে করে সফর করতে পারবেন। এতে রয়েছে বাড়তি বেশ কিছু পরিসেবা। 

    হৃত্বিক রোশন: বলিউডের ফাইটার স্টার হৃত্বিক রোশনেরও ব্যক্তিগত জেট রয়েছে। মডেল– Gulfstream G550। যার দাম ৫২৬ কোটি টাকা। যদিও তিনি এই প্রাইভেট জেট প্লেনটি ব্যবহার করে থাকেন তার ব্যক্তিগত ক্ষেত্রে। পরিবারের সঙ্গে কোথাও যাওয়া কিংবা ছেলেদের দিয়ে ছুটি কাটাতে গেলে হৃত্বিক তা ব্যবহার করে থাকেন। 

    অজয় দেবগণ: বরাবরই অজয় দেবগণ বিলাসবহুল জীবনযাত্রাই পছন্দ করেন। অজয় দেবগণ বলিউডের প্রথম স্টার যিনি প্রাইভেট জেট কিনেছিলেন। সিক্স স্টার এই জেটের দাম ৮৪ কোটি কাটা। 

    মাধুরী দীক্ষিত: মাধুরী দীক্ষিতের একটি প্রাইভেট জেট প্লেন রয়েছে। পরিবারের সঙ্গে তিনি এই প্লেনেই যাতায়াত করে থাকেন। মাঝে মধ্যেই পারিবারিক ছুটি কাটানোর নানা মুহূর্ত তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে থাকেন। ঘুরতে যেতে বেশ পছন্দ করেন মাধুরী ও তার স্বামী ডা. নেনে। তখন তারা এই প্রাইভেট জেটই ব্যবহার করেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে সিনেমায় কোনো পারিশ্রমিক নেননি অমিতাভ বচ্চন

    বলিউডের শাহেনশাহ বর্ষীয়ান অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অসংখ্য সুপারহিট সিনেমা উপহার দিয়ে চলেছেন। প্রতিটি সিনেমার সঙ্গেই জড়িয়ে আছে কোনো না কোনো স্মৃতি। অভিনেতা তার ক্যারিয়ারে ৩৬ বছরের ছোট অভিনেত্রী রানী মুখার্জির সঙ্গে অভিনয় করে আলোচনায় আসেন।

    আমরা এমনই একটি ছবি সম্পর্কে বলতে যাচ্ছি, যার জন্য বিগ বি কোনো পারিশ্রমিকই নেননি। শুধু এখানেই শেষ নয়, এই ছবির তুর্কি ভাষায় রিমেকও হয়েছিল। তিনি এই ছবিতে ৩৬ বছরের ছোট অভিনেত্রীকে চুম্বন করেছিলেন। 

    বর্ষীয়ান পরিচালক সঞ্জয় লীলা বানসালির ‘ব্ল্যাক’ সিনেমায় অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে রানী মুখার্জি ছিলেন মুখ্য ভূমিকায়। সেই সিনেমায় উভয়েই অন্ধ ব্যক্তির ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। রানী ও বিগ বির চুমুর খবর অনুযায়ী, রানি প্রথমে ছবিতে অভিনয় করতে নিশ্চিত ছিলেন না। তিনি মনে করেছিলেন যে তিনি এ ভূমিকার সঙ্গে ন্যায়বিচার করতে পারবেন না। তবে পরে সিনেমার চুম্বন দৃশ্য বেশ আলোচিত হয়েছিল। এটি ছিল তাদের স্ক্রিনে প্রথম চুম্বন।

    ২০০৫ সালে টাইম (ইউরোপ)-এর ১০টি সেরা সিনেমার তালিকায় এটি পঞ্চম স্থান লাভ করে। এ ছাড়া আইএমডিবির রিপোর্ট অনুযায়ী, এ সিনেমাটি মোট ৫৭টি পুরস্কার জিতেছিল, যা এর ব্যতিক্রমী মান প্রমাণ করে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে কারণে পারিশ্রমিক ছাড়াই ‌‘ব্ল্যাক’ সিনেমায় অভিনয় করেন অমিতাভ

    বলিউডের শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অসংখ্য সুপার হিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন। প্রতিটি সিনেমার সঙ্গেই জড়িয়ে আছে কোনো না কোনো স্মৃতি। এমনই একটি সিনেমা ২০০৫ সালের আলোচিত হয়েছিল। বর্ষীয়ান পরিচালক সঞ্জয় লীলা বানসালির সিনেমা ‘ব্ল্যাক’-এ অভিনয় করেছিলেন বিগ বি। তবে কোনো পারিশ্রমিক ছাড়াই। কিন্তু কেন?

    বলি শাহেনশাহ অমিতাভ নিজেই জানিয়েছিলেন, তিনি সঞ্জয় লীলা বানসালির কাজের প্রতি এতটাই প্রভাবিত হয়েছিলেন যে, কেবল এ সিনেমার অংশ হতে চেয়েছিলেন। তার কাছে সেটিই গুরুত্বপূর্ণ ছিল, তাই তিনি কোনো পারিশ্রমিক গ্রহণ করেননি।

    সেই সময় ‘ব্ল্যাক’ সিনেমাটি শুধু বাণিজ্যিকভাবে সফলই ছিল না, সমালোচকদের কাছেও ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছিল। ২০০৫ সালে টাইম (ইউরোপ)-এর ১০টি সেরা সিনেমার তালিকায় এটি পঞ্চম স্থান লাভ করে। এ ছাড়া আইএমডিবির রিপোর্ট অনুযায়ী, এ সিনেমাটি মোট ৫৭টি পুরস্কার জিতেছিল, যা এর ব্যতিক্রমী মান প্রমাণ করে।

    এ সিনেমার জন্য বিগবি কোনো পারিশ্রমিকই নেননি, এমনকি এটি তুর্কি ভাষায় রিমেকও হয়েছিল। ভারতীয় গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মাত্র ২২ কোটি টাকা বাজেটে নির্মিত ‘ব্ল্যাক’ সিনেমাটি বক্স অফিসে ৬৬ কোটি টাকা আয় করেছিল, যা সেই সময়ে একটি বিশাল সাফল্য ছিল। কিন্তু অনেকেই জানেন না যে, এই সিনেমার জন্য অমিতাভ বচ্চন একটি টাকাও পারিশ্রমিক নেননি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঐশ্বরিয়ার গান যাতে ছবিতে না রাখা হয়, সেই চেষ্টা করেছিলেন অমিতাভ

    ঘটনা ২০০৫ সালের। সিনেমা ‘বান্টি অউর বাবলি’ বক্স অফিসে সাড়া ফেলেছিল। এ সিনেমায় বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা অভিষেক বচ্চন ও রানী মুখার্জির রসায়ন সেই সময়ে অন্যতম চর্চার বিষয় ছিল। পর্দার বাইরেও তাদের রসায়ন ঘিরে নানা জল্পনা পাখা মেলেছিল। আবার সেই সিনেমাতেই অতিথি শিল্পী ছিলেন সাবেক বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাই। 

    ‘বান্টি অউর বাবলি’ সিনেমার গান ‘কাজরা রে’ বাবা ও ছেলের সঙ্গে ঐশ্বরিয়ার নাচ আজও চর্চায় উঠে আসে। চলচ্চিত্রপ্রেমীদের মতে, ওই গানটিই ঐশ্বরিয়া ও অভিষেকের জীবনে মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু সিনেমাতে এ গানটি নিয়ে খুব একটা খুশি ছিলেন না বলিউড শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন। অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়ার এই গান যাতে সিনেমাতে না রাখা হয়, সেই চেষ্টাও করেছিলেন বিগবি। 

    সে কথাই দীর্ঘদিন পর সিনেমার পরিচালক শাদ আলি জানিয়েছেন। এই গান শুনে পছন্দ হয়নি সিনেমার প্রযোজক যশ রাজেরও। তারা মনে করেছিলেন— সিনেমাতে এই গানটিই সবচেয়ে কম জনপ্রিয় হবে। শাদ আলি বলেন, অমিতজি বলেছিলেন— এই গানটির শুটিং করারই দরকার নেই। কিন্তু অতিকষ্টে প্রযোজনা সংস্থা ও অমিতাভকে রাজি করিয়েছিলেন তিনি। তার বিশ্বাস ছিল— এই গানটি বিপুল জনপ্রিয় হবে।

    যেমন ভাবা, তেমন কাজ। গানটি আলিশা চিনয়কে দিয়ে গাইয়েছিলেন শাদ। গানের প্রদর্শনে যাতে কোনো ঘাটতি না থাকে, সেই বিষয়েও সতর্ক ছিলেন পরিচালক। তাই লাস্যময়ী ঐশ্বরিয়ার দুই পাশে অমিতাভ ও অভিষেককেই রেখেছিলেন তিনি।

    তখনো অভিষেক ও ঐশ্বরিয়ার প্রেম শুরু হয়নি। তাই অমিতাভ তখনো হবু শ্বশুর নন। স্রেফ সহকর্মী হিসেবেই তখন তারা কাজ করেছিলেন। পরে যে সম্পর্ক সম্পূর্ণ অন্যদিকে মোড় নেবে, তা তারাও কল্পনা করেননি বলে জানান শাদ আলি।

    বিনোদন ডেস্ক