Tag: অমিতাভ বচ্চন

  • কেন কখনো অভিনয় করলেন না অমিতাভ-কন্যা শ্বেতা?

    বচ্চন পরিবারের সকলেই প্রায় ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত। বাবা, মা থেকে ভাই ও ভ্রাতৃবধূ সকলেই অভিনয় জগতের। তবে অনেকের মনেই প্রশ্ন, কেন অমিতাভ কন্যা শ্বেতা কোনো দিন অভিনয়ে এলেন না? পরিবারের পক্ষ থেকে কি বাধা ছিল তার অভিনয়ে? একবার জয়া বচ্চনকে এই বিষয়ে নানা প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছিল।

    অনেক ভক্তই জয়াকে জিজ্ঞেস করেন ‘ম্যাম, আপনারা কেন মেয়ে অভিনেত্রী হোক চাইলেন না? ও নিজেও কি কখনো চায়নি? এত সুন্দর দেখতে, বেশ লম্বা। আপনাদের মতো দু’জন এত প্রতিষ্ঠিত বাবা-মা রয়েছেন। তারপরেও কেন এমন সিদ্ধান্ত?’ 

    জবাবে জয়া বচ্চন বলেন, ‘আসলে ও কখনো কোনো উৎসাহ দেখায়নি। ও একেবারে ওর বাবার মতো। আমরাও খুব খুশি হতাম এবং সাপোর্ট করতাম, যদি ও অভিনয় করতে চাইতে।’

    বাবা-মায়ের পথ কেন অনুসরণ করলেন না শ্বেতা, যেমনটা তার ভাই করেছেন? শ্বেতা কি সবসময়ই নিজেকে এই জগৎ থেকে অনেকটা দূরে রাখতেই চেয়েছিলেন। যদিও একবার শ্বেতা নিজেই জানিয়েছিলেন, তিনি অভিনয়ের চেষ্টা করেছিলেন। তবে ভাগ্য একেবারে অন্যরকম পরিকল্পনা করে রেখেছিল তার জন্য।

    শ্বেতার কথায়, ‘স্কুলে পড়াকালীন আমি অডিশন দিয়েছিলাম অনেক। আমার চেহারায় সবচেয়ে পজিটিভ দিক হলো উচ্চতা। সেদিন সকলের সঙ্গে জমিয়ে অভিনয়ের মাঝে হঠাৎ একজনের পায়ে টান লেগে আমার স্কার্ট ছিঁড়ে যায় কিছুটা অংশ। আমি খানিক ঘাবড়ে গিয়ে কেঁদে ফেলি। টিচার বলেছিলেন, কোনো ব্যাপার না। সবাই যখন ঘুরবে তখন তুমি দাঁড়িয়ে থেকো। ঘুরতে হবে না। তবে আমায় দেখে সকলের মনে হয়েছিল আমি স্টেপ ভুলে গিয়েছি। তারপর থেকে শপথ নিয়েছিলাম আর কখনো মঞ্চে উঠব না।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঘুসি মেরে অমিতাভকে কোমায় পাঠিয়েছিলেন যে অভিনেতা

    ঘটনা ১৯৮২ সালের। বলিউডের জনপ্রিয় সিনেমা ‘কুলি’র শুটিং চলছে বেঙ্গালুরুতে। শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চনের বিপক্ষে ভিলেন চরিত্রে যে অভিনয় করছেন, তার বয়স খুব কম; ২১ বছরের মতো হবে। ততদিনে সেই অভিনেতা ১০/১২টি সিনেমার কাজ জোগাড় করে ফেলেছেন। বেশ ভালোই নামডাক হয়েছে। সে কারণে পরিচালক এ সিনেমায় তাকে অমিতাভের বিপরীতে খলচরিত্রেই বেছে নিলেন। আর বিগ বির জন্য সেটাই হলো কাল। 

     ‘কুলি’ সিনেমার শুটিংয়ে চরিত্রের প্রয়োজনে পাঞ্জাবি পরিবারের বলবান পুনিত ইসা মারলেন এক ঘুসি। তার ভার সামলাতে না পেরে পড়ে অজ্ঞান হয়ে গেলেন অমিতাভ বচ্চন। 

    বেঙ্গালুরুরে ‘কুলি’ সিনেমার শুটিং চলাকালীন এ দুর্ঘটনার খবর মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে বলিপাড়ায়। সেই দুর্ঘটনার পর তিনি নবজন্ম পেয়েছিলেন বলে এর আগে অনেক সাক্ষাৎকারে জানান অমিতাভ। বলেন, ‘কুলি’ সিনেমার সেই দুর্ঘটনার পর তিনি নবজন্ম পেয়েছেন। 

    জখম অমিতাভকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তার অস্ত্রোপচার করতে হয়। আর সেই সময় চিকিৎসকরা মিনিট কয়েকের জন্য মনে করেছিলেন— মৃত্যু হয়েছে অভিনেতার। কোমার মতো অবস্থা থেকে অবশ্য সে বার ফিরে এসেছিলেন বিগ বি।

    এদিকে সর্বাধিক পরিচিতি পায় খলনায়ক হিসাবে পুনিত ইসা। বিনাযুদ্ধে তিনি ছাড়তে রাজি নন সূচ্যগ্র মেদিনী। এমন বাহুবলী অভিনেতার অভিনয় জীবনের শুরুতেই ঘটল মারাত্মক সেই ঘটনা। যেমন তেমন নয়, খোদ শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চনকে মেরে প্রায় মৃত্যুর মুখে ফেলে দিয়েছিলেন তিনি। বরাত জোরে প্রাণ ফিরে পান বিগ বি। কিন্তু শেষে একের পর এক কাজ হারাতে শুরু করেন অভিনেতা পুনিত ইসা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ফের দীপিকার সঙ্গে বড় পর্দায় অমিতাভ!

    বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন একটি পোস্ট শেয়ার করে ঘোষণা করেছেন যে তার ২০১৫ সালের নির্মিত সিনেমা ‘পিকু’ আবার প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলেছে। 

    শনিবার ইনস্টাগ্রামে দীপিকা বলিউড বিগ-বি অমিতাভ বচ্চন এবং ওই সিনেমাটির কয়েকটি দৃশ্যের একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন।

    ভিডিওটি শেয়ার করে দীপিকা লেখেন, ‘এমন একটা ছবি যা সব সময় আমার মনে থেকে যাবে। ‘পিকু’ ১০ বছর পূর্ণ করল। চলতি বছরের ৯ মে ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে ফের মুক্তি পেতে চলেছে! ইরফান, আমরা তোমাকে মিস করছি! মাঝে মাঝে তোমার কথা ভাবি’।

    পোস্টটি দেখে দীপিকার অনুরাগীরা নানা মন্তব্য করেন। একজন অনুরাগী বলেছেন, ‘অভিনেত্রী নিজেই একজন মাস্টারপিস, তাহলে কি তার সিনেমাগুলো মাস্টারপিস হবে না?’ 

    একজন মন্তব্য করেছেন, ‘আমার দেখা সেরা সিনেমাগুলোর মধ্যে একটি! অসাধারণ।’ আর একজন লেখেন, ‘এটি দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি!’ এক নেটিজেন লেখেন, ‘আমার সর্বকালের প্রিয় সিনেমা। আমার কম্ফোটেবল সিনেমা।’

    তাছাড়াও অমিতাভ বচ্চনকেও একটি ভিডিওতে ‘পিকু’-এর রি-রিলিজ নিয়ে বলতে শোনা গিয়েছে। তিনি বলেন, ‘নমস্কার। পিকুকে মনে আছে? পিকু, ভাস্করদা একটা রোড ট্রিপে গিয়েছিল। মনে নেই? এটা দেখুন। এটা একটা অসাধারণ রোড ট্রিপ ছিল। এটা ছিল অপ্রত্যাশিত এবং অবিস্মরণীয়’

    তিনি আরও বলেন, ‘আবেগ, হাসি এবং উত্তেজনাও ছিল। পিকু আপনার নিকটতম প্রেক্ষাগৃহে আবার মুক্তি পেতে চলেছে। দেখবেন, তাই না?’

    ২০১৫ সালে ‘পিকু’ মুক্তি পায়। ছবিটি পরিচালনা করেছিলেন সুজিত সরকার। ‘পিকু’ প্রযোজনার দায়িত্বে ছিলেন এনপি সিং, রনি লাহিড়ী এবং স্নেহা রজনী। ছবিটিতে অমিতাভ, দীপিকা এবং প্রয়াত ইরফান খানকে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেতে দেখা গিয়েছিল। সিনেমাটিতে তারা ছাড়াও ছিলেন মৌসুমী চট্টোপাধ্যায়, যিশু সেনগুপ্ত এবং রঘুবীর যাদব।

    সম্প্রতি, সুজিত সরকার ‘পিকু’ ছবির শ্যুটিংয়ের সময় সেটের নানা ছবি শেয়ার করেছিলেন। ইনস্টাগ্রামে, সুজিত একটি ছবি শেয়ার করেন যেখানে খুব উত্তেজিত হয়ে তাকে দীপিকার সঙ্গে আলোচনা করতে দেখা যায়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিষেকের সঙ্গে বিয়ের পর ঐশ্বরিয়াকে নিয়ে অমিতাভের মন্তব্য ভাইরাল

    অমিতাভ বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন আজকাল আর সেভাবে একে অপরকে নিয়ে প্রকাশ্যে কিংবা সামাজিক মাধ্যমে কোনো কথা বলেন না। তবে তাদের একে অপরের সঙ্গে ছোট ছোট উপস্থিতি ও স্নেহের বিরল মুহুর্তই তাদের বন্ধনকে আরও স্পষ্ট করে দেয়। 

    গত ডিসেম্বরে মুম্বাইয়ে মেয়ে আরাধ্যার স্কুলের বার্ষিক অনুষ্ঠানে শ্বশুর অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে হাজির ছিলেন ঐশ্বরিয়াও। অনুরাগীদের চোখ এড়ায়নি যে সেই অনুষ্ঠানে রাই সুন্দরী তার শ্বশুরের হাত ধরে তাকে স্বাচ্ছন্দ্যে হাঁটতে সাহায্য করছিলেন।

    তবে শুধু পুত্রবধূ হিসাবে নয় ঐশ্বরিয়া তারও বহু আগে থেকে অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে এক ছবিতে অভিনয়ও করেছেন। তারা দুজনেই ‘মহব্বত’ ছবিতে স্ক্রিন শেয়ার করেছিলেন, যেখানে অমিতাভ তার বাবার চরিত্রে অভিনয় করেন। ছবির সেই চরিত্রে অমিতাভ বাইরে থেকে একজন কঠোর নিয়মানুবর্তি এবং একই সঙ্গে নিয়ম মেনে তিনি মেয়েকে মানুষ করেছিলেন।

    অভিষেকের সঙ্গে বিয়ের পর এক সাক্ষাৎকারে অমিতাভ বলেছিলেন, ঐশ্বরিয়া কত সহজে তাদের পরিবারের অংশ হয়ে উঠেছেন। ২০১৯ সালে একটি অনুষ্ঠানে কথা বলতে গিয়ে বিগ বি বলেছিলেন, ‘আমাদের জন্য আলাদা করে কিছুই বদলাইনি, মনে হচ্ছিল এক মেয়ে চলে গেছে এবং আরেকজন এসেছে।’

    অমিতাভ সবসময়ই নিজের মেয়ে শ্বেতা বচ্চন নন্দার প্রতি তার ভালোবাসার কথা প্রকাশ করেছেন। সোশ্যাল মিডিয়াতেও তিনি শ্বেতার সঙ্গে ছবি শেয়ার করেন। তবে তিনি ঐশ্বরিয়ার প্রতিও ঠিক ততটাই স্নেহশীল, প্রায়শই জন্মদিন বা উৎসবে তার পারিবারিক ছবিতে সে বিষয়গুলোও ফুটে ওঠে।

    ২০২০ সালে, পুরো বচ্চন পরিবার- অমিতাভ, অভিষেক, ঐশ্বরিয়া এবং আরাধ্য কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়েছিলেন। ঐশ্বরিয়া ও আরাধ্যকে হাসপাতাল থেকে ছাড়ার পর আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন অমিতাভ। সেই সময় তিনি হিন্দিতে একটি টুইট করে লিখেছিলেন, ‘আপনি ছোট বিটিয়া অর বহু রানি কো হাসপাতল সে মুক্তি মিলনে পার মে রোক না পায়া আপনে আঁসু। প্রভু তেরি কৃপা আপার, অপ্রাম্পার। অর্থাৎ- আমার ছোট মেয়ে এবং পুত্রবধূকে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেতে দেখে, আমি আমার কান্না থামাতে পারিনি)।

    এরপর ২০২৪ সালে ছড়িয়ে পড়ে বচ্চন পরিবারে ফাটলের গুঞ্জন। এমনকি অভিষেক-ঐশ্বরিয়ার ডিভোর্সের খবরও ছড়িয়ে পড়ে। যদিও বচ্চন বাড়ির কেউই এই গুজবের বিষয়ে কখনো কথা বলেননি এবং মর্যাদাপূর্ণ নীরবতা বজায় রেখেছিলেন। তবে ঐশ্বরিয়া, অমিতাভ এবং অভিষেক যখন ফের একসঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় যেতে শুরু করেন, তখন এই গুঞ্জন থেমে যায়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অমিতাভকে পালিয়ে বিয়ের প্রস্তাব কঙ্কনার!

    যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে বসবাস টালিউড অভিনেত্রী তথা চিত্রপরিচালক কঙ্কনা চক্রবর্তীর। বাংলাটা অবাঙালিদের মতো। বরং ইংরেজি উচ্চারণে খাঁটি সাহেবিয়ানা। ৫ ফুট সাড়ে ৯ ইঞ্চি লম্বা, ঘাড় ছাঁটা চুল, ছিপছিপে মেয়েটির ভাত, মাছ ও মিষ্টিতে প্রবল আপত্তি। কিন্তু মা বিরিয়ানি রেঁধে দিলে সাপটে খান। এখনো সুযোগ পেলে চুরমুরে ডুব দেন। লেকটাউনের মেয়ে। পড়াশোনা কলকাতার একাধিক প্রথম সারির ইংরেজি মাধ্যমের স্কুল-কলেজে। সেই সময় বিষয় ছিল সাংবাদিকতা।

    কিন্তু বিষয় হিসাবে কেন বেছে নিলেন সাংবাদিকতা? অমিতাভ বচ্চনের সাক্ষাৎকার নেবেন বলে? পরে অবশ্য নিউইয়র্ক ফিল্ম অ্যাকাডেমি থেকে অভিনয়ে স্নাতকোত্তর করেছেন। 

    তার মেয়ের নামে নাম হলেও দূর-দূরান্তে অপর্ণা সেনের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই কঙ্কনার। উল্টো ‘পরমা’ পরিচালকের ‘দ্য রেপিস্ট’ সিনেমায় অভিনয়ের সুযোগ তার কান ঘেঁষে বেরিয়ে গেছে। তাই নিয়ে তার খুব আফসোস।

    এই কঙ্কনা এখন অভিনয়ের পাশাপাশি ছোট ছোট সিনেমাও তৈরি করছেন। যেমন— সদ্য বানিয়ে উঠলেন ‘রি রাউটিং’। সেই সিনেমার ট্রেলার প্রথম প্রকাশ করেছেন অমিতাভ বচ্চন। তার স্বপ্নের পুরুষ। সিনেমার গল্প ও চিত্রনাট্য কঙ্কনার। তার সঙ্গে সিনেমাতে অভিনয় করেছেন বরুণ চন্দ, প্রদীপ ভট্টাচার্য। 

    দুই মানুষের একটি নিশিযাপনের গল্প। যারা পরস্পরের সমস্যার সমাধানে ব্যস্ত। কঙ্কনার এ সিনেমাটি আসলে ‘সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার’। তাই এর থেকে বেশি বলা নিষেধ। এই যার জীবনীপঞ্জি তিনি রবিবারের পড়ন্ত বিকালে ফোনে চুটিয়ে আড্ডা দিলেন একটি গণমাধ্যমের সঙ্গে।

    ডাবিং চলছিল পরিচালক-অভিনেতার। তাই ফোন বাজার সঙ্গে সঙ্গে ধরতে পারেননি। তার জন্য বার চারেক দুঃখপ্রকাশ করতেই প্রথম প্রশ্ন— কঙ্কনা কি মেমসাহেব? চলনে, বলনে ও চেহারায় তো বটেই। ভাবনা ও আচরণেও কি তথাকথিত বাঙালিয়ানা বিবর্জিত? নইলে ফোন না ধরতে পারার জন্য এত দুঃখপ্রকাশ কেন? নিটোল গলায় মিষ্টি হেসে জবাব দিলেন পরিচালক— হলিউডে কাজ করি। ওখানে প্রত্যেকে ভীষণ সময়ানুবর্তী। ফলে যে কোনো কাজ ১০ মিনিট আগে করার চেষ্টা করি; ১০ মিনিট পরে নয়। ওই জন্যই…। 

    তিনি আরও বললেন, তাই বলে কলকাতার উপরে টান নেই, এমন বদনাম নিন্দুকেও দেবে না। জানেন দক্ষিণ কলকাতার সাদার্ন অ্যাভিনিউ আমার খুব প্রিয়। ওখানে এখনো রাস্তার দুই পাশে গাছ। এই বসন্তে পথের দুই পাশে কৃষ্ণচূড়া, রাধাচূড়া, শিমূল ফুল ঝরে। সঙ্গে মিষ্টি হাওয়া… শহরটার প্রেমে পড়ার জন্য যথেষ্ট, হাসতে হাসতে এসব বললেন কঙ্কনা চক্রবর্তী। ব্যক্তিজীবনে তিনি বার তিনেক প্রেম ইতোমধ্যে করে ফেলেছেন। আরও প্রেমে পড়ার স্বপ্ন দেখেন।

    অমিতাভ আপনার সিনেমার ট্রেলার শেয়ার করে নিচ্ছেন। বলতেই পাল্টা উচ্ছ্বাস ভেসে এলো—আমার সব কাজ স্যারকে পাঠাই। ওর যেটা ভালো লাগে সেটি নিজে থেকেই শেয়ার করে নেন। বলতে হয় না! 

    কঙ্কনার অমিতাভ-প্রীতি দশম শ্রেণি থেকে। তখন তিনি ষোড়শী। ঠাকুমা ‘দো আনজানে’ দেখছিলেন। হঠাৎ তার চোখ পড়ে ৬ ফুট ৪ ইঞ্চির পুরুষালি অভিনেতার দিকে। সেই শুরু। একটানা তিন বার ‘দো আনজানে’ দেখার পর তিনি পাকাপাকি প্রেমে পড়েছিলেন। পাগল ‘বিগ বি’র জন্য। প্রতি মাসে একটি করে চিঠি। পরের মাসে তার প্রত্যুত্তর আসত! রীতিমতো প্রশ্রয় দিতেন আমায়। স্যার প্রশ্রয় না দিলে সংবাদিকতা নিয়ে না পড়ে অর্থনীতির ছাত্রী হতাম। জানতেই পারতাম না আমিও পরিচালনা ও অভিনয় পারি। ভক্তদের পাগলামিতে অমিতাভ বচ্চন ভীষণ প্রশ্রয় দেন। এটাই হওয়া উচিত, বক্তব্য অমিতাভের বাঙালি অনুরাগিণীর। 

    এ কারণেই নাকি প্রতি রবিবার বলিউড ‘শাহেনশাহ’ দর্শন দেন অনুরাগীদের। যদিও তিনি বলেন, তার ঈশ্বর দর্শন হচ্ছে।

    ধীরে সেই পাগলামি বয়সের সঙ্গে স্তিমিত। কঙ্কনার কাছে অমিতাভ তার পথপ্রদর্শক। এমন অনেক কথা আছে, যা তিনি বাড়িতে বলতে পারেন না অবলীলায় বর্ষীয়ান অভিনেতাকে বলেন। তার প্রথম তথ্যচিত্রতে অমিতাভ সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন।

    যিনি সারাক্ষণ অমিতাভময় পর্দায় তিনি কেন তার সহ-অভিনেতা নন? কিংবা পরিচালক?

    এমন প্রশ্ন শুনে দীর্ঘশ্বাস নিয়ে কঙ্কনা বললেন, এই ইচ্ছাটাই পূরণ হওয়া বাকি। ওর সঙ্গে অভিনয়, ওকে পরিচালনা। পরক্ষণেই উচ্ছ্বসিত হয়ে তিনি বলেন, তবে বাংলায় অমিতাভ স্যারের কিছু গুণ খুঁজে পেয়েছি সব্যসাচী চক্রবর্তীর মধ্যে। ওকে নিয়ে দুটি সিনেমা করেছি। আর বরুণ স্যারের মধ্যে। ফের থেমে নিজেকে গুছিয়ে বলেন, অমিতাভ স্যারকে যতটা ভালোবাসি, শ্রদ্ধা করি; ততটাই বরুণ স্যারকেও। ‘রি রাউটিং’  করতে গিয়ে খুব কাছ থেকে ওকে দেখলাম। আচরণে-ব্যবহারে দুজনের মধ্যে অনেক মিল। আফসোস, বিনোদন দুনিয়া সেভাবে ওকে আবিষ্কারও করতে পারল না। ব্যবহারও করতে পারল না। পরিচালনার পাশাপাশি হলিউড ছাড়াও বাংলা, বলিউড, অহমিয়া সিনেমাতে কাজ করেছেন কঙ্কনা। তার শেষ হিন্দি কাজ ‘এভরিবডি লাভস শোরাব হন্ডা’। পরিচালনায় রজত কাপুর। অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়ের পরিচালনায় ‘প্রেম ট্রেম’ ছাড়াও ‘শব্দ জব্দ’, ‘রহস্য রোমাঞ্চ’ সিনেমাতে অভিনয় করেছেন। খুব ইচ্ছা— গৌতম ঘোষ, অপর্ণা সেন, সৃজিত মুখোপাধ্যায়, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, প্রতীম ডি গুপ্তের পরিচালনায় কাজ করবেন। যদিও আমি মোটেই নায়িকাসুলভ দেখতে নই। ওই ছক একমাত্র ভেঙেছিলেন স্মিতা পাটিল। এখনো ইন্ডাস্ট্রি নায়িকার মধ্যে তথাকথিত সৌন্দর্য খোঁজে। আমার তাই ভালো অভিনেত্রী হওয়ার ইচ্ছা। পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, অনির্বাণ ভট্টাচার্য, টোটা রায়চৌধুরীর সঙ্গে পর্দা শেয়ার করতে পারলে খুব ভালো লাগবে। সাফ জানালেন বাংলায় এদের বাইরে আর কোনো অভিনেতা তার মনে দাগ কাটতে পারেনি!

    পেশাজীবনে অভিনয় তার প্রেম। পরিচালনা নেশা। কখনো অমিতাভের সঙ্গে রেখার প্রেমের কথা শুনে ‘ব্যক্তি’ কঙ্কনার হিংসা হয়েছে? তিনি বলেন, একেবারেই না। জবাব দিলেন একটুও না ভেবে। তারপরই গোপন কথা ফাঁস—তখন আমি একটু বড়। অমিতাভ আমার চোখে সেরা পুরুষ। বাবাকে ওর মতো করে দাড়ি রাখতে বাধ্য করেছি। তখন একবার টুইট করেছিলাম, ঘর বাঁধব। চলুন পালাই! অমিতাভ কি খুব রেগে গিয়েছিলেন? একেবারেই না। বরং কঙ্কনাকে পাল্টা লিখেছিলেন, তোমার সব ইচ্ছা পূরণ হোক। কেবল টুইটে লেখা ইচ্ছা ছাড়া। ওটা আর সম্ভব নয়। সেদিন কঙ্কনার জন্মদিন ছিল।

    যাকে প্রতিমুহূর্তে ভেবে অনুপ্রাণিত পরিচালক-অভিনেত্রী, সেই অভিনেতা নাকি অবসর নিতে চলেছেন? কঙ্গনা বলেন, না। এই প্রশ্ন কঙ্কনা অমিতাভকে করার প্রয়োজন বোধ করেননি। তার দাবি, স্যার কাজ ছাড়া থাকতে পারেন না। অভিনয় ছেড়ে দিলে তার সময় কাটবে কী করে? এ-ও জানিয়েছেন অভিনয়ের পাশাপাশি ‘পা’ লেখালেখি করেন, গানে সুর দেন। অভিনয় ছেড়ে দিলেও তিনি কোনো দিন চুপচাপ বসে থাকবেন না।

    অমিতাভের এই মন্ত্রে দীক্ষিত কঙ্কনা নিজেও। তাই আপাতত ব্যস্ত তার সিনেমা মুক্তি নিয়ে। সম্ভবত সিনেমাটি আগামী মাসে নন্দনে মুক্তি পেতে পারে। ইতোমধ্যে তার ঝুলিতে আছে ‘উইমেন প্রেড অ্যান্ড প্রাইড আপ অন’, ‘রিটেন বাই’, ‘মিরর ইমেজ’-এর মতো ছবি। এবার একটা বড় ছবি পরিচালনা করতে হবে। বাংলাতেই করব হয়তো। অমিতাভ থাকবেন? শুনেই দমকা হাসি। জানালেন ক্রমশ প্রকাশ্য। তার পরেই আবদার জুড়লেন—এখনো নিজে শাড়ি পরতে পারি না! কিন্তু পরতে খুব ভালোবাসি। ছবিমুক্তির দিন ইচ্ছা শাড়ি পরার। এর মধ্যে শিখে উঠতে পারব? কোনো টিপস থাকলে দিন না।

    উল্লেখ্য, চিত্রপরিচালক কঙ্কনা চক্রবর্তীর একাধিক স্বল্পদৈর্ঘ্যের সিনেমা ইতিপূর্বে দেশ-বিদেশের চলচ্চিত্র উৎসবে সমাদৃত হয়েছে। তার এবারের সিনেমা ‘রি রাউটিং’ একটি সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার। ২০২০ সালে অভিনেত্রী এ সিনেমার গল্পটি লেখেন। সেই সময় কলকাতাকে ছবির প্রেক্ষাপট হিসাবে চিত্রনাট্য লেখা হয়। কিন্তু পরে সিনেমার গল্পকে তিনি অসমের প্রেক্ষাপটে সাজান। 

    দুই চূড়ান্ত আত্মকেন্দ্রিক ব্যক্তি অবিনাশ ও কুহুকে নিয়ে এ সিনেমার কাহিনি আবর্তিত। এক রাতের একটি ঘটনার জেরে এই দুই ব্যক্তির সাক্ষাৎ কোন দিকে মোড় নেয়, তাই দেখা যাবে ‘রি রাউটিং’ সিনেমায়। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • মেয়ে শ্বেতা ও জামাইকে নিয়ে যা বললেন অমিতাভ

    রাজ কাপুর তার দাদামশাই। অমিতাভ বচ্চন সম্পর্কে শ্বশুরমশাই। কিন্তু কোনো দিন তার অভিনেতা হওয়ার ইচ্ছা হয়নি। বরং লাইট-সাউন্ড-ক্যামেরার দুনিয়া থেকে দূরে তিনি নিজের পরিচয় তৈরি করেছেন বাণিজ্যমহলে। নিখিল নন্দ আজ দেশের প্রথম সারির ব্যবসায়ীদের মধ্যে অন্যতম। তার সঙ্গে ১৯৯৭ সালে বিয়ে হয় বলিউড শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চনের কন্যা শ্বেতা বচ্চনের। এর আগে থেকে দেখে শুনে নয়, বরং মেয়ে-জামাইয়ের চটজলদি বিয়েতে যা বলেছিলেন বিগ বি?

    পোশাকশিল্পী আবু জানি ও সন্দীপ খোলসার মাধ্যমেই নিখিলের সঙ্গে পরিচয় হয় শ্বেতা বচ্চনের। পেনসিলভানিয়া ইউনিভার্সিটির হোয়ার্টন স্কুল থেকে তিনি বিজনেস ম্যানেজমেন্ট নিয়ে পড়াশোনা করেন। দেশে ফিরতেই শ্বেতার সঙ্গে আলাপ। মাত্র ১০ দিনের আলাপেই শ্বেতা সিদ্ধান্ত নেন নিখিলকেই বিয়ে করবেন। 

    বচ্চন পরিবারের অন্দরের রীতি-নীতি কড়া। বিয়ের আগে দেখা-সাক্ষাৎ করার সুযোগটুকুও পাননি শ্বেতা। তিনি বলেন, আমাদের দেখা হলো বিয়ের ১০ দিন আগে। তার পর আমাদের বাড়িতে প্রস্তাব গেল। আমি পাঁচ মিনিট ভেবেই হ্যাঁ করে দিই। বিয়ের আগে প্রেমের সময় পাইনি।

    মেয়ে জামাইয়ের এমন সিদ্ধান্তে খুশি অমিতাভও। তিনি বেশ কয়েক বছর আগে এক সাক্ষাৎকারে জানান, বিয়ের পর নাকি বদলে যান শ্বেতা। অমিতাভ বচ্চনের মেয়ের পরিচয় থেকে ভালো স্ত্রী হয়ে ওঠেন। অমিতাভের কথায়— শ্বেতাকে নিয়ে নিখিল খুশি, আমরাও সবাই খুশি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমার ছেলে আমার উত্তরাধিকারী নয়: অমিতাভ বচ্চন

    বচ্চন পরিবারে সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে মানুষের আগ্রহের শেষ নেই। জানা গেছে, ছোটবেলা থেকেই ছেলেমেয়েদের নাকি কড়া শাসনে বড় করেছেন অভিনেত্রী জয়া বচ্চন। যদিও বাবা অমিতাভ বচ্চন নাকি ছেলেমেয়েদের সঙ্গে অনেক সহজভাবে মেলামেশা করেন। আর মেয়ে শ্বেতা যে বাবার চোখের মণি, বড় আদরের, তা বিভিন্ন সময় ব্যক্ত করেছেন তারকা। এমনিতেই বচ্চন পরিবারের অন্দরে পুত্রবধূ ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ও মেয়ে শ্বেতা বচ্চনের সমীকরণ নিয়ে নানা মত রয়েছে। এবার ছেলে অভিষেক বচ্চনকে উত্তরাধিকার মানতে নারাজ বিগ বি অমিতাভ বচ্চন। কিন্তু কেন?

    সামাজিক মাধ্যম টুইটারে বেশ সক্রিয় বলিউড শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন। নিজের এক্স হ্যান্ডলে (সাবেক টুইটার) অভিনেতা হিন্দিতে লিখেছিলেন— আমার ছেলে, ছেলে হওয়া সত্ত্বেও আমার উত্তরসূরি হবে না। যে আমার উত্তরসূরি হবে, সে আমার পুত্র হবে। আমার বাবা এ কথাই বলতেন। আর অভিষেক সেই কথা পূরণ করছে। অভিনেতার এহেন পোস্ট দেখে জল্পনা শুরু অনুরাগীদের মধ্যে। সবাই প্রায় অবাক! হঠাৎ এমন হেঁয়ালিপূর্ণ পোস্ট করলেন কেন অমিতাভ বচ্চন? 

    এক নেটিজেন লিখেছেন— আপনি কি দয়া করে এটি ব্যাখ্যা করতে পারেন? অন্য আরেক নেটিজেন লিখেছেন— আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, অভিষেকের যদি ‘বচ্চন’ ট্যাগ না থাকত, তা হলে সে তারচেয়ে অনেক বেশি সফল হতো। যদিও অনুরাগীদের কৌতূহল নিরসন করেননি অমিতাভ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কুনজর থেকে অমিতাভকে বাঁচাতে যা করেন মা

    বলিউড অভিনেত্রী জয়া বচ্চন ও অমিতাভ বচ্চনের বিয়ে বারবার চর্চায় উঠে এসেছে। বিয়ের দিন যাতে অমিতাভের ওপর ‘খারাপ নজর’-এর ছায়া না পড়ে, সেদিকে বিশেষ নজর দিয়েছিলেন তার মা! অমিতাভের বাবা হরিবংশ রাই বচ্চন তার আত্মজীবনীতে ছেলের বিয়ের খুঁটিনাটি নিয়ে আলোচনা করেছেন। জয়ার পরিবার বিয়েতে গোপনীয়তা বজায় রেখেছিল। নিজেদের বাড়ির বদলে এক পারিবারিক বন্ধুর বাড়িতে বিয়ের আয়োজন করা হয়েছিল।

    অমিতাভকে বিয়ের দিন কেমন দেখতে লাগছিল, সেই কথাও লিখেছেন তার বাবা। হরিবংশ রাই বলেন, অমিতাভকে সেদিন দেখতে দারুণ লাগছিল। এতই সুন্দর লাগছিল যে, ওর মা ভগবান হনুমানের কাছে প্রার্থনা করছিলেন, যাতে ছেলের ওপর কুনজর না পড়ে।

    জয়াকে নিয়ে তিনি লিখেছিলেন— জয়াকে সেদিন কনের রূপে দেখলাম। সেই প্রথম জয়ার মুখে এক অদ্ভুত লজ্জা দেখতে পেয়েছিলাম। সেদিনই বুঝতে পারলাম, সৌন্দর্যের এই দিকটাও কী সুন্দর! অভিনেত্রী হিসেবে লজ্জার অভিব্যক্তি ফুটিয়ে তুলতে সক্ষম ছিল তো বটেই। কিন্তু সেদিন ওর মুখে যেটা দেখেছিলাম, সেটা খুবই নিখাদ ও বাস্তবিক।

    ১৯৭৩ সালের ৩ জুন বিয়ে করেছিলেন অমিতাভ ও জয়া। যদিও তাদের বিয়ে করার কথা ছিল অক্টোবর মাসে। কিন্তু একত্রে লন্ডন বেড়াতে যাবেন বলে বিয়ের তারিখ এগিয়ে নিয়ে এসেছিলেন যুগল। বেড়াতে যাওয়ার মাত্র সাত দিন আগে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তারা। একসঙ্গে ৫০ বছরের বেশি কাটিয়ে ফেলেছেন অমিতাভ-জয়া।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অমিতাভের নায়িকার মৃত্যু নিয়ে রহস্যের ধূম্রজাল

    মাত্র ২১ বছর বয়সে চলে যান বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চনের ‘সূর্যবংশম’ ছবির নায়িকা সৌন্দর্য। তার প্রতিভার সৌন্দর্যে মুগ্ধ ছিল তামাম দেশ। এত অল্প বয়সে ‘সূর্যবংশম’ সিনেমায় বিগ বির নায়িকার ভূমিকায় অভিনয় করে সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন দক্ষিণী অভিনেত্রী সৌন্দর্য। তিনি বিমান দুর্ঘটনায় নয়, তাকে হত্যা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। 

    ২১ বছর আগে তিনি যখন চলে যান, শোকে বাকরুদ্ধ হয়েছিল বলিউড ও দক্ষিণী বিনোদন দুনিয়া। সেই সময়ের খবর অনুযায়ী, এক বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় তার। ভাইকে সঙ্গে নিয়ে অভিনেত্রী তেলেগু দেশম পার্টির একটি রাজনৈতিক প্রচার অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন। আরও মর্মান্তিক বিষয়, সৌন্দর্য সেই সময় অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। অর্থাৎ একটি দুর্ঘটনা দুটি প্রাণ কেড়ে নিয়েছিল। জনৈক এডুরুগাটলা চিট্টিমাল্লু স্থানীয় থানায় অভিনেতা মোহন বাবুর বিরুদ্ধে অভিনেত্রী সৌন্দর্যকে খুন করার অভিযোগ দায়ের করেছেন।

    ২১ বছর পর প্রয়াত অভিনেত্রী সৌন্দর্য নতুন করে শিরোনামে এলেন। অন্ধ্রপ্রদেশের খাম্মাম জেলার জনৈক এডুরুগাটলা চিট্টিমাল্লু স্থানীয় থানায় চিত্রতারকা মোহন বাবুর বিরুদ্ধে সৌন্দর্যকে খুন করার অভিযোগ দায়ের করেছেন। তার অভিযোগ— মোহন বাবুর সঙ্গে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ বেঁধেছিল প্রয়াত অভিনেত্রী সৌন্দর্য ও তার ভাইয়ের। অভিনেতা শামশাবাদের জলপল্লী গ্রামে সৌন্দর্য ও তার ভাইয়ের ছয় একরের একটি জমি কিনতে চেয়েছিলেন, যা বিক্রি করতে রাজি ছিলেন না প্রয়াত অভিনেত্রী। তার পরেই এই বিবাদ। পরে জানা যায়, অভিনেত্রীর মৃত্যুর পর ওই জমিটি অবৈধভাবে দখল করেন ‘শকুন্তলম’ অভিনেতা।

    অভিযোগকারী শুধুই অভিযোগ জানিয়ে থেমে যাননি। তিনি খাম্মাম এসিপি ও খাম্মাম জেলা কর্মকর্তার কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন, সরকার যেন জমিটি অধিগ্রহণ করে জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যবহার করে। পাশাপাশি মোহন বাবুর নামে থানায় অভিযোগ জানানোর ফলে তার প্রাণ বিপণ্ণ হতে পারে বলেও মনে করেন তিনি। সেই জন্য প্রশাসনের কাছে বাড়তি নিরাপত্তাও চেয়েছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিষেকের অভিব্যক্তি সম্পর্কে যা বললেন অমিতাভ

    বলিউড অভিনেতা অভিষেক বচ্চনের পাশে বরাবরই দাঁড়িয়েছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন। ছেলের অভিনয়জীবনের একেবারে শুরু থেকে তার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। বিষয়টি স্বাভাবিক হলেও খুব ভালো মনে মেনে নিতে পারেননি অমিতাভ বচ্চনও। 

    কিন্তু অভিষেকের মন ছুটেছে অভিনেত্রী নোরা ফাতেহির দিকে। স্ত্রীর বিচ্ছেদ ভুলে ধীরে ধীরে নোরার দিকে মন দিচ্ছেন অভিনেতা। কারণ নাকি তার একমাত্র কন্যা। অভিষেকের এ বিষয়ে যা বললেন শাহেনশাহ।

    যদিও এটা বাস্তব নয়। রেমো ডিসুজা পরিচালিত ‘বি হ্যাপি’ সিনেমায় আগামী দিনে ফের এমনই এক একাকী বাবার চরিত্রে দেখা যাবে অভিষেককে। কিন্তু এর মধ্যেই তার বাবা অমিতাভ বচ্চন সামাজিক মাধ্যমে করে বসলেন অদ্ভুত এক মন্তব্য। সদ্য মুক্তি পেয়েছে ‘বি হ্যাপি’-র প্রথম ঝলক। সেখানে নানাভাবে এক একাকী পিতারূপে অভিষেককে দেখে অনুরাগীরা প্রশংসা করেছেন তার। 

    এক্স হ্যান্ডলে অভিষেককে উল্লেখ করে এক নেটিজেন লিখেছেন— অভিষেক অকারণ ‘নেপোটিজম’-এর নেতিবাচকতায় আক্রান্ত। অথচ ওর অভিনয়জীবনে ভালো সিনেমার সংখ্যা অনেক বেশি। এই বক্তব্যকে সমর্থন করে অমিতাভ লিখেছেন—আমারও ঠিক একই কথা মনে হয়… সেটি শুধু আমি ওর বাবা বলে নয়।

    অভিষেকের পাশে বরাবরই দাঁড়িয়েছেন বিগ বি অমিতাভ বচ্চন। গত বছরের একেবারে শেষ প্রান্তে মুক্তি পেয়েছিল অভিষেক অভিনীত সিনেমা ‘আই ওয়ান্ট টু টক’। কিন্তু তেমনভাবে প্রচারই করা হয়নি সুজিত সরকারের সিনেমাটির। সমালোচক মহলে যথেষ্ট প্রশংসা পায় অভিষেকের অভিনয়। সেখানে এক ক্যানসার আক্রান্ত একাকী বাবার চরিত্রে দেখা গিয়েছিল তাকে। এবারও সেই একাকী বাবা এবং তার ছোট্ট মেয়ে। তবে রেমো মানেই গল্পের পরতে পরতে নাচ। তাই অভিষেকের বিপরীতে লাস্যময়ী নোরা। এমন একটি সিনেমার প্রথম ঝলক স্বাভাবিকভাবেই আকর্ষণ করেছে দর্শকদের মনে।

    স্বয়ং শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন এক্স হ্যান্ডলে ‘বি হ্যাপি’-র ঝলক শেয়ার করে লিখেছেন— অভিষেক, তুমি অসাধারণ…, যেভাবে প্রতিটা সিনেমার চরিত্রকে ভিন্নভাবে গ্রহণ করো, তা শিল্পের পর্যায়ে পৌঁছায়, অনন্য… ভাইয়ু তোমাকে ভালোবাসি।

    সম্প্রতি একটি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন অভিষেক বচ্চন। সাদা পোশাকে তাকে দেখাচ্ছিল উজ্জ্বল। ফটোসাংবাদিকদের সামনে স্মিতহাস্যে দাঁড়িয়েছেন তিনি, হাত জোড় করে সম্ভাষণ জানিয়েছেন। সেই ভিডিও শেয়ার করেও এক নেটিজেন অভিষেকের প্রশংসা করেছেন। সেখানেও অমিতাভ লিখেছেন— ‘অসাধারণ অভিষেক… মনোমুগ্ধকর… তোমার হাঁটা, তোমার সৌষ্ঠব এবং ভঙ্গি… কোনো আদিখ্যেতা নেই, যেন একেবারে সাধারণ… অকারণ উত্তেজনা প্রদর্শন এবং দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা নেই…।’ এখানেও অমিতাভ ছেলের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করে লাল হৃদয়ের ইমোজি ব্যবহার করেছেন।

    বিনোদন ডেস্ক