Tag: অমিতাভ বচ্চন

  • অমিতাভের বাবা-মায়ের প্রেমের গল্পের সেই বিখ্যাত গান, জানেন কে লিখেছিলেন?

    বলিউড শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চনের বাবা হরিবংশ রাই বচ্চন ও মা তেজি বচ্চনের প্রেমের গল্প খুব কম লোকেই জানেন। কিন্তু বলিউডে এ গীতিকার ছিলেন দুজনের খুব কাছের বন্ধু। তাদের প্রেমের গল্পের ওপরেই একটি গান লিখেছিলেন, যা আজও বিখ্যাত হয়ে আছে।

    ১৯৬৬ সালে সুনীল দত্ত ও সাধনা অভিনীত সিনেমা ‘মেরা সায়া’ মুক্তি পেয়েছিল। সেই সিনেমার অসাধারণ গল্পের সঙ্গে গানগুলোও ছিল খুব জনপ্রিয়। সেই সিনেমার একটি গান অমিতাভ বচ্চনের বাবা হরিবংশ রাই বচ্চন ও তার মা তেজি বচ্চনের প্রেমের গল্পের ওপর ভিত্তি করে নির্মাণ করা হয়েছিল, যা আজও শোনা যায়। গানটি হলো ‘ঝুমকা গিরা রে’।

    খুব কম লোকেই জানেন যে, এ গানটির গীতিকার রাজা মেহেদি আলি খান, তেজি ও হরিবংশ রাই বচ্চনের খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। তাদের প্রেমের দিনগুলোতে এই কানের দুলসংক্রান্ত গল্প বলেন তেজি বচ্চন, যা গীতিকার গেঁথে রেখে দেন গানের লিপিতে। পরে এই কানের দুল নিয়েই গানটির জন্ম দেন রাজা মেহেদি।

    অমিতাভ বচ্চন ও তার পরিবার সবসময় তাদের জীবন ব্যক্তিগত রেখেছেন। তাই অনেকেই জানেন না যে, অমিতাভ বচ্চনের বাবা হরিবংশ রাই বচ্চনেরও একটি প্রেমের গল্প ছিল। তিনি দুবার বিয়ে করেছিলেন। প্রথম স্ত্রী শ্যামা বচ্চনের মৃত্যুর পর তিনি তেজি সুরির প্রেমে পড়েন। কিন্তু তাদের প্রেম এবং প্রথম সাক্ষাতের গল্পটি বিশেষ ছিল।

    এ ঘটনাটি সেই সময়ের, যখন ভারত ও পাকিস্তান ভাগ হয়নি। সেই সময়ে গীতিকার প্রায়শই পাকিস্তানে নিজের বাড়ি থেকে বরেলিতে কাজের সূত্রে আসতেন। সেই সময় এই শহর ছিল সেই জায়গা, যেখানে লাহোরের সর্দার খাজান সিংয়ের মেয়ে তেজি সুরি এবং হরিবংশের প্রেমের শুরু হয়েছিল। 

    হরিবংশ রাই তার অধ্যাপক বন্ধু জ্যোতি প্রকাশকে দেখা করার জন্য তার বরেলির বাড়িতে পৌঁছেছিলেন। সেই সময়ে তেজি সুরিও সেখানে অতিথি হিসেবে ছিলেন এবং তার বাগদান বিদেশে থাকা এক বড়লোকের সঙ্গে হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তেজি সেই বিয়ে করতে চাননি। তাই যখন হরিবংশ রাই ও তেজি সুরি প্রথম দেখা করেন, তখন দুজনেরই মন ভেঙে গিয়েছিল। এরপর তাদের আবার দেখা হয় একটি পার্টিতে। পার্টির শেষে এক বন্ধু হরিবংশকে একটি কবিতা শোনাতে বলেন। অনেক বারণ করার পর তিনি এমন একটি কবিতা শোনান, যার পরে তেজি নিজের চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি। একই অবস্থা হয়েছিল হরিবংশ রাই বচ্চনেরও।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    জানা গেছে, কবিতা শোনার পর যখন দুজনেই কাঁদছিলেন, তখন সেখানে উপস্থিত সব বন্ধু সেই ঘর থেকে বেরিয়ে যান। এই সময়ে দুজনে তাদের কষ্ট একে অপরের সঙ্গে শেয়ার করে নেন। এ সময়েই তাদের প্রেমের গল্প শুরু। কিন্তু তারপর দুজনেই নিজেদের বাড়ি ফিরে যান।

    এরপর গীতিকার রাজা মেহেদি আলি খান একটি অনুষ্ঠানে তেজি সুরির সঙ্গে দেখা করেন। এ সাক্ষাতের সময় রাজা তাকে বিয়ে নিয়ে প্রশ্ন করেন, তিনি এবং হরিবংশ রাই বচ্চন কবে বিয়ে করবেন। এমন প্রশ্নের উত্তরে তেজি বলেন, আমার কানের দুল তো বরেলির বাজারে পড়ে গেছে।

    তেজি বচ্চনের বলা সেই কথা রাজা মেহেদির অনেক বছর মনে ছিল। এবং তিনি এ কথাটির ওপর গান লেখেন— ‘ঝুমকা গিরা রে বরেলি কে বাজার মে’। পরে ১৯৪১ সালে বিয়ে করেন অমিতাভের বাবা-মা। পূর্ণতা পায় তাদের প্রেম।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এখনই কাজ ছাড়তে অনিচ্ছুক অমিতাভ বচ্চন

    বয়সটা আশি পেরিয়ে গেলেও রূপালি পর্দার ব্যস্ততা থেকে অবসর নিতে এখনই আগ্রহী নন বলিউডের শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন। সম্প্রতি নিজের ব্লগে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করে তিনি প্রতিদিন কাজের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, কোনোদিন কাজ না করলে তিনি মানসিকভাবে অস্থির বোধ করেন।

    ব্লগের সর্বশেষ পোস্টে অমিতাভ বচ্চন লিখেছেন, মাঝে মাঝে কোনো কারণ ছাড়াই অলসভাবে দিন কেটে যায়। তবে প্রতিদিন কাজ না করলে তার জন্য দিনটি অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে। দীর্ঘদিনের অভ্যাস অনুযায়ী যখন নির্দিষ্ট সময়সূচি মেনে কাজ করা হয় না, তখন পুরো দিনটি যেন এক রহস্যে পরিণত হয়।

    তিনি আরও জানান, কাজ না থাকলে মনের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়, যা শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এই সময়ের শূন্যতা তার অপ্রয়োজনীয় মনে হয়।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সম্প্রতি অমিতাভ বচ্চন শেষ করেছেন জনপ্রিয় গেম শো ‘কন বনেগা ক্রোড়পতি’ এর ১৭তম সিজন। সিজনের শেষ পর্বে দর্শকদের উদ্দেশ্যে আবেগপ্রবণ বার্তা দিয়ে জানান, জীবনের এক-তৃতীয়াংশের বেশি সময় তিনি এই শোর মাধ্যমে কাটিয়েছেন। দীর্ঘ যাত্রা শেষ হওয়ার কারণে তিনি কিছুটা আবেগতাড়িত ছিলেন।

    অমিতাভ বচ্চনকে সর্বশেষ দেখা গেছে ব্লকবাস্টার সিনেমা কল্কি ২৮৯৮ এডি-তে। নাগ অশ্বিন পরিচালিত এই সায়েন্স ফিকশন চলচ্চিত্রে তিনি অশ্বত্থামার চরিত্রে অভিনয় করে দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। বিশ্বব্যাপী এক হাজার কোটি রুপির বেশি আয় করা এই সিনেমার সিক্যুয়েলের শুটিং নিয়েও তিনি এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘অমিতাভকে ভালোবাসলেও কখনোই তার ঘর ভাঙতে চাইনি’

    বলিউডের ‘এভারগ্রিন’ সুন্দরী হিসেবে পরিচিত অভিনেত্রী রেখা।  আসল নাম ভানুরেখা গণেশন হলেও সিনেমা তাকে রেখা নামেই খ্যাতির চূড়ায় পৌঁছে দিয়েছে।  যদিও ৭১ বছর বয়সি এই তারকা অভিনয় জীবনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও সমানভাবে চর্চিত।

    বিশেষ করে বিয়ে, স্বামীর মৃত্যু এবং অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে তার প্রেম এখনো ইন্ডাস্ট্রির অনেকের কাছেই রেখাকে রহস্যময় নারীতে পরিণত করেছে।

    সম্প্রতি সিমি গারেওয়াল-এর জনপ্রিয় টকশোতে নিজের জীবনের পরতে পরতে জড়িয়ে থাকা উপেক্ষা আর একাকীত্বের কথা সামনে এনেছেন এই অভিনেত্রী। সেই আলাপচারিতায় জীবনের বেশ কিছু বিস্ফোরক সত্য উন্মোচন করেন তিনি।

    ১৯৫৪ সালের ১০ অক্টোবর এক মাদ্রাজ পরিবারে জন্ম হয় রেখার। তার বাবা তামিল সুপারস্টার জেমিনি গণেশন এবং মা তেলেগু অভিনেত্রী পুষ্পবল্লী।  উল্লেখ্য, রেখার বাবা জেমিনি গণেশন তার মা পুষ্পাবল্লীকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে করেননি এবং রেখাকে জনসমক্ষে নিজের সন্তানের স্বীকৃতি দেননি।  তাই বাবার স্নেহের বদলে একরাশ গ্লানি নিয়েই শৈশব থেকে তার পথ চলা শুরু হয়।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সিনেমার রুপালি পর্দায় পা রাখার পর অনেক অভিনেতার সঙ্গেই রেখার নাম জড়িয়েছিল। কিন্তু তার জীবনের সবচেয়ে আলোচিত অধ্যায়টি শুরু হয় আশির দশকে অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে। ‘দো আনজানে’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে জুটি বাধার পর একের পর এক সুপারহিট ছবি উপহার দিতে শুরু করেন রেখা-অমিতাভ।  কিন্তু ১৯৮১ সালে ‘সিলসিলা’র পর তাদের পথ চিরতরে আলাদা হয়ে যায়।

    ১৯৯০ সালে ব্যবসায়ী মুকেশ আগরওয়ালকে বিয়ে করেন রেখা। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে বিয়ের কয়েক মাসের মধ্যেই মুকেশ আত্মহত্যা করেন। তারপর থেকে একাকিত্বই হয়ে ওঠে রেখার নিত্যসঙ্গী। সম্প্রতি সিমি গারেওয়ালের শো-তে নিজের অন্ধকার দিনগুলো নিয়ে অভাবনীয় সততার পরিচয় দিয়েছেন রেখা।

    টাইমস নাও-এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, যখন এই অভিনেত্রীকে তার মাদকের অভ্যাস নিয়ে প্রশ্ন করা হয়, রেখার সরাসরি জবাব ছিল, ‘অবশ্যই আমি প্রচুর মদ্যপান করেছি। এমনকি ড্রাগসও নিয়েছি। আমি অত্যন্ত কলুষিত হয়ে পড়েছিলাম এবং লালসার নরকে ডুবে ছিলাম। কিন্তু কেউ কি কোনোদিন আমায় জিজ্ঞেস করেছে, আমি কেন এসব করছি? জীবন থেকে আমি কী পেয়েছি আর কী পাইনি?’

    অমিতাভের প্রেমে পড়া নিয়ে সিমি গারেওয়ালের প্রশ্নের জবাবে সংযত কিন্তু স্পষ্ট ভাষায় অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি তাকে (অমিতাভ) মন থেকে চেয়েছিলাম। কিন্তু আমি কখনোই কারোর ঘর ভেঙে সুখী হতে পারব না। তাই আমি নিজের অধিকার কখনো দাবি করিনি, শুধু দূর থেকে তার মঙ্গল কামনা করেছি।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • রেখা-জয়া নয়, কলকাতার যে সুন্দরীর প্রেমে হাবুডুবু খান অমিতাভ

    একটা সময় বলিপাড়ায় শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন, অভিনেত্রী রেখা ও জয়াকে নিয়ে চর্চার কোনো অন্ত ছিল না। আপনি জানেন কি, বিগবির প্রথম প্রেম রেখা কিংবা জয়া ছিল না? ছিল একজন বাঙালি তরুণী। কলকাতায় চাকরি করার সময়, যার সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন অমিতাভ বচ্চন। 

    সম্প্রতি মেরি সোহেলি নামে একটি পডকাস্টে বিখ্যাত লেখক ও চলচ্চিত্র ইতিহাসবিদ হানিফ জাভেরি অমিতাভ বচ্চনের প্রথম বান্ধবীর কথা উল্লেখ করেন। সেই তরুণীর নাম ছিল মায়া।

    এই বাঙালি তরুণী মায়া ব্রিটিশ এয়ারওয়েজে কর্মরত ছিলেন। কলকাতায় চাকরিসূত্রে থাকাকালীন অমিতাভ প্রেম পড়েন তরুণীর। একে-অপরের প্রেমে পাগল ছিলেন তারা।

    জানা গেছে, অমিতাভ যখন তার সিনেমার ক্যারিয়ার গড়তে মুম্বাই চলে আসেন, ঠিক সেই সময় তিনি তার নিজের কাকার সঙ্গে থাকতেন। আর এ সময় নাকি মায়াও মাঝেমধ্যেই নিজের মনের মানুষের সঙ্গে দেখা করতে আসতেন মায়ানগরীতে। আর তাতে বেশ ভয় পেয়েছিলেন অমিতাভ বচ্চন। কারণ তিনি অনুভব করছিলেন যে, তার কাকা মায়ার আগমন পছন্দ করছেন না।

    অমিতাভের মনে ভয় ছিল, মা তেজি বচ্চন মায়ার কথা জানতে পারলেও সমস্যা হতে পারে। প্রকাশ্যে নাকি অমিতাভের সঙ্গে ছিনালি করতেন মায়া, যা অস্বস্তিতে ফেলত অভিনেতাকে। এরপরই অভিনেতা শরণাপন্ন হন মেহমুদের ভাই আনোয়ার আলীর। নিজের উদ্বেগের কথা প্রকাশও করেন তিনি। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    আনোয়ারই নাকি অমিতাভকে পরামর্শ দিয়েছিলেন যে, ‘তুমি মায়ার সঙ্গে তোমার গোটা জীবন কাটাতে পারবে না। বচ্চন পরিবারে তার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া কঠিন হবে এবং তুমি যত এগোবে, ততই আরও সমস্যা তৈরি হবে। এরপরই সেই সম্পর্ক ভেঙে দেন অমিতাভ বচ্চন।

    ১৯৭০ সালে পুনে ফিল্ম ইনস্টিটিউটে জয়া ভাদুড়ির সঙ্গে প্রথম দেখা অমিতাভ বচ্চনের। সেই সময় জয়া তারকাখ্যাতি পেয়েছেন, বলিউড ক্যারিয়ারও বেশ দাঁড়িয়ে গেছে। তবে তাতে আটকায়নি প্রেম।

    অমিতাভ আর জয়ার বিয়ে ছিল— চট মঙ্গনি, পট বিহা। এর কারণও বেশ মজার। অমিতাভ ও জয়া তাদের ‘জাঞ্জির’ সিনেমার সাফল্য উদযাপন করতে বন্ধুদের সঙ্গে লন্ডনে যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বিগবির বাবা হরিবংশ রাই বচ্চন দুজনকে বিয়ের আগে একসঙ্গে ছাড়তে সম্মত ছিলেন না। তাই যেদিন বিয়ে করেন, সেদিনের রাতের ফ্লাইটেই লন্ডনে যান। ১৯৭৩ সালের ৩ জুন বিয়ে করেছিলেন অমিতাভ ও জয়া বচ্চন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শাহরুখ-অমিতাভকে নিয়ে কেন কাজ করতে চান, জানালেন পরিচালক

    বলি বাদশাহ শাহরুখ খান কিংবা শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন—বলিউড সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির বড় দুটি নাম— দুই দিকপাল। অনেকের কাছেই তাদের সঙ্গে কাজ করা একপ্রকার স্বপ্নের মতো। বিশেষ করে নতুন পরিচালক ও প্রযোজকদের কাছে তো বটেই। কিন্তু সেই পথে হাঁটতে রাজি নন পরিচালক সুদীপ শর্মা। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, ইন্ডাস্ট্রির বড় তারকাদের সঙ্গে কাজ করার প্রতি তার কখনো আগ্রহ জন্মায়নি। কিন্তু কেন? নেপথ্যে রয়েছে কোন কারণ?

    আনুশকা শর্মা প্রযোজিত ‘এনএইচ ১০’ সিনেমার চিত্রনাট্যকার ছিলেন পরিচালক সুদীপ শর্মা । তার পরে বেশ কিছু জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ লিখেছেন এবং পরিচালনাও করেছেন তিনি। সুদীপ বলেন, বড় তারকার সঙ্গে কাজ করা মানে এক অন্য ধরনের দায়িত্ব। যে দায়িত্ব নিতে তিনি খুব একটা ইচ্ছুক নন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এ পরিচালক বলেন, শাহরুখ কিংবা অমিতাভের সঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা আমার কখনো হয়নি। কারণ আমি সব সময়ই নিজের গল্প বলতে চেয়েছি। বড় তারকার সঙ্গে কাজ করতে গেলে অনেক ধরনের দায়িত্ব কাঁধে চলে আসে। সে ক্ষেত্রে ভাবতে হয় তারকাদের অনুরাগীদের কেমন লাগবে। নামি অভিনেতা হলে তাদের ভাবমূর্তি নিয়েও সচেতন থাকতে হয়, যা আমার পক্ষে খুবই কঠিন। কখনো তো এভাবে ভাবিইনি।

    তিনি বলেন, তাই কোনো দিনই বড় ও নামি তারকার সঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা বা প্রবণতা তৈরি হয়নি। কখনো তার লেখা গল্প বা চরিত্র অনুযায়ী যদি মনে হয় বলিউডের প্রথম সারির তারকাকেই দরকার, সে ক্ষেত্রে কথাবার্তা এগোতে তার কোনো সমস্যা নেই বলে জানান সুদীপ শর্মা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অমিতাভ-ঐশ্বর্যের সঙ্গে যে তুলনায় বিব্রত অভিষেক!

    বলিউড অভিনেতা অভিষেক বচ্চনের আজ জন্মদিন। দেখতে দেখতে ৫০ বছরে পৌঁছে গেলেন অমিতাভপুত্র। অন্যদিকে অভিনয়জীবনেরও ২৫ বছর হয়ে গেছে তার। কিন্তু আজও বাবা অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে তুলনা হতে হয় তাকে। এখনো নিন্দুকদের কথা শুনতে হয় অভিষেক বচ্চনকে।  ২০০০ সালে ‘রিফিউজি’ সিনেমা দিয়ে অভিনয়ের পথচলা শুরু। এরপর থেকে নানা চড়াই-উতরাইয়ের মধ্য দিয়ে কেটে গেছে তার সফর। 

    অভিষেকের প্রথম পরিচয়— তিনি বলিউড শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চনের ছেলে। বর্ষীয়ান অভিনেত্রী জয়া বচ্চনের ছেলে। শুধু বাবা নয়, স্ত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের সঙ্গেও তুলনা করা হয় তাকে। এ প্রসঙ্গে একবার অভিষেক বলেছিলেন, এই সফর কখনই সহজ নয়। তবে এখন আমার অভ্যাস হয়ে গেছে। 

    তিনি বলেন, বাবার সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে মানে, সবচেয়ে সেরার সঙ্গেই আমাকে তুলনা করা হচ্ছে। আর সবচেয়ে সেরার সঙ্গে তুলনার অর্থ— আমি নিশ্চয়ই এই যোগ্য নামগুলোর মধ্যে জায়গা তৈরি করে নিতে পেরেছি। আমি বিষয়টিকে এভাবেই দেখি।

    আর ভক্ত-অনুরাগীদের মতে, অভিনয়দক্ষতা বুঝতে হলে অভিষেকের এ ছবিগুলো দেখতেই হবে। নির্দিষ্ট কয়েকটি সিনেমায় অভিষেকের অভিনয় বহুল প্রশংসিত হয়েছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক—

    ১. ‘যুবা’ সিনেমা

    ২০০৪ সালে  ‘যুবা’ সিনেমা মুক্তি পায়। এ সিনেমায় লল্লন সিংয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন অভিষেক বচ্চন। এ সিনেমা অভিষেকের সফরের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল বলে মনে করা হয়। কলকাতার বস্তির বাসিন্দা লল্লন সিংহ স্বভাবে হিংস্র ও ঠোঁটকাটা। নিজেকে এ চরিত্রের জন্য ভেঙেচুরে দিয়েছিলেন অভিষেক। বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন রানি মুখার্জি। দুজনের রসায়নও সাড়া ফেলে দিয়েছিল।

    ২. ‘গুরু’ সিনেমা

    ২০০৭ সালে গুরু সিনেমা মুক্তি পায়। এ সিনেমায় অভিষেকের চরিত্রের নাম গুরুকান্ত দেসাই ওরফে গুরু। শিল্পপতি ধীরুভাই আম্বানির জীবন নিয়ে এ সিনেমা তৈরি বলে শোনা যায়। চরিত্রটি উচাকাঙ্ক্ষী এবং তার ক্ষুরধার বুদ্ধি। এ চরিত্রেও একেবারে অন্যভাবে নিজেকে তুলে ধরেছিলেন অভিষেক। অভিনয়ের জন্য প্রশংসিত হন বিভিন্ন মহলে। বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ৩. ‘দসবি’ সিনেমা

    ২০২২ সালে দসবি সিনেমা মুক্তি পায়। এ সিনেমায় গঙ্গারাম চৌধুরী নামের এ চরিত্রে অভিষেকের অভিনয় দেখার মতো বলে দাবি ভক্ত-অনুরাগীদের। জাট রাজনীতিবিদ গঙ্গারাম শিক্ষাক্ষেত্রের দুর্নীতিতে অভিযুক্ত হন এবং বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রাখা হয় তাকে। এ চরিত্রের জন্য চেহারাতেও বদল এনেছিলেন অভিষেক। সেই চরিত্রের সঙ্গে হরিয়ানার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ওমপ্রকাশ চৌটালার মিল রয়েছে বলে শোনা যায়।

    ৪. ‘আই ওয়ান্ট টু টক’ সিনেমা

    ২০২৪ সালে আই ওয়ান্ট টু টক সিনেমা মুক্তি পায়। এ সিনেমায় অভিষেকের জীবনে খুব গুরুত্বপূর্ণ। ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের জল্পনা ছড়িয়ে পড়েছিল। সেই সময়ে মুক্তি পায় এ সিনেমাটি। অর্জুন সেন নামে এক ‘সিঙ্গেল ফাদার’-এর চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তিনি। চরিত্রের জন্য ওজনও বাড়িয়েছিলেন বেশ কিছুটা।

    ৫. ‘কালীধর লাপতা’ সিনেমা

    ২০২৫ সালে কালীধর লাপতা সিনেমা মুক্তি পায়। এ সিনেমায় মধ্যবয়সি ব্যক্তি কালীধরের চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিষেক বচ্চন। পরিবারের বড় ছেলে সে। দুই ভাইয়ের দেখভাল করতেই জীবন কেটেছে তার। প্রয়োজনে নিজের স্বপ্নও ত্যাগ করেছেন। অবশেষে স্মৃতিভ্রম হয় তার। তখন সেই ভাইয়েরাই কালীধরকে বোঝা হিসাবে দেখতে শুরু করে।  সিনেমাটি সমালোচকমহলে প্রশংসিত হয়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মধ্যরাতে অমিতাভ বচ্চনের রহস্যময় পোস্ট

    বলিউডের কিংবদন্তী অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন মধ্যরাতে করা এক রহস্যময় পোস্টে জীবন, সংগ্রাম ও নীরবতার শক্তি নিয়ে নিজের ভাবনা তুলে ধরেছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যমে নিয়মিত সক্রিয় এই তারকা ব্যক্তিগত অনুভূতি ও দর্শনভিত্তিক লেখা শেয়ার করে থাকেন।

    সাম্প্রতিক পোস্টে অমিতাভ তার প্রয়াত বাবা, প্রখ্যাত কবি হরিবংশ রাই বচ্চনের কথা স্মরণ করেন। বাবার সঙ্গে কথোপকথনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি লেখেন, জীবন মূলত সংগ্রামে ভরা। তার ভাষায়, “আমার বাবা বলতেন, জীবন হলো সংগ্রামে পরিপূর্ণ। জীবন থাকলে সংগ্রামও থাকবেই।” তিনি উল্লেখ করেন, তার বাবাও দীর্ঘ সময় ধরে নানা প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে পথ চলেছেন।

    পোস্টে এলাহাবাদের কবি ফিরাক গোরখপুরীর কথাও উল্লেখ করেন অমিতাভ। জানান, ফিরাক ছিলেন তার বাবার ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তার কবিতায় সামাজিক কাঠামো ও সাম্প্রদায়িকতার ঊর্ধ্বে মানবিক চেতনার প্রকাশ ছিল, যা হরিবংশ রাই বচ্চনের ভাবনার সঙ্গে মিল খুঁজে পায়।

    মঙ্গলবার ভোর প্রায় ৪টার দিকে করা ওই পোস্টে রাতের নীরবতা নিয়েও নিজের অনুভূতি জানান এই অভিনেতা। তিনি লেখেন, রাতের শান্ত পরিবেশে চিন্তার শক্তি আরও গভীরভাবে কাজ করে। দিনের ব্যস্ততার তুলনায় নীরবতার প্রভাব বেশি, যা প্রশান্তির সতেজ অনুভূতি এনে দেয় — তবে সামাজিক মাধ্যমের বিভ্রান্তিতে না জড়ালে।

    একই সঙ্গে পৃথিবী ও মানুষের ভূমিকা নিয়েও মন্তব্য করেন অমিতাভ। তার মতে, “আমরা এক অসাধারণ পৃথিবীতে বাস করি, যেখানে ৮.২ বিলিয়ন মানুষের বিকল্প পেশা যেন সাংবাদিকতা, যোগাযোগ স্থাপন, মতামত তৈরি ও তথ্য আদান-প্রদান।”

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে ৮ সিনেমা দিয়ে বলিউডের ‘অ্যাংরি ইয়ং ম্যান’ উপাধি পান অমিতাভ বচ্চন

    ১৯৭০-এর দশকের আগে ভারতীয় সিনেমার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন রোমান্টিক নায়করা। হালকা প্রেম, গান আর নৈতিকভাবে নিখুঁত নায়ক—এই ফর্মুলাই চলছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দর্শকদের চাহিদা বদলাতে শুরু করে। সমাজে বাড়তে থাকা বৈষম্য, দুর্নীতি ও হতাশার প্রতিফলন বড় পর্দায় দেখার আগ্রহ ছিল সাধারণ মানুষের। তাদের এমন এক নায়কের জন্য আকাঙ্খা ছিল, যিনি অন্যায় মেনে নেবেন না—বরং রুখে দাঁড়াবেন। 

    এই শূন্যস্থানেই আবির্ভাব ঘটে বলিউডের শাহেনশাহ খ্যাত অমিতাভ বচ্চনের। লম্বা দেহ, গভীর কণ্ঠস্বর ও তীক্ষ্ণ উপস্থিতি তাকে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ ও প্রতিবাদের প্রতীক করে তোলে। তিনি পর্দায় এমন এক নায়ককে তুলে ধরেন, যিনি নিখুঁত নন—বরং ত্রুটিপূর্ণ, ক্ষুব্ধ কিন্তু বাস্তবতার সঙ্গে ভীষণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।  এভাবেই ইন্ডাস্ট্রিতে জন্ম নেয় ‘অ্যাংরি ইয়ং ম্যান’। 

    দশ বছরেরও বেশি সময় ধরে অমিতাভ বচ্চন একজন সংগ্রামী অভিনেতা থেকে বলিউডের সর্ববৃহৎ সুপারস্টারে পরিণত হন। তার অভিনীত চরিত্রগুলো আজও জনপ্রিয় কারণ ন্যায়বিচার, পরিবার আর আত্মসম্মানের জন্য লড়াই—কখনোই পুরোনো হয় না। 

    ১. জঞ্জির (১৯৭৩): 

    ‘জঞ্জির’ ছবিতে অমিতাভ বচ্চন অভিনয় করেন ইন্সপেক্টর বিজয় খান্নার চরিত্রে। ছোটবেলায় বাবা-মায়ের হত্যার সাক্ষী হওয়ার পর, অপরাধীদের ধরাই হয়ে ওঠে তার জীবনের একমাত্র লক্ষ্য। 

    দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যবস্থার মুখোমুখি হয়ে বিজয় বুঝতে পারে, শুধুমাত্র আইন মেনে চললেই ন্যায়বিচার পাওয়া যায় না। তার এই অন্তর্দ্বন্দ্ব ও ক্ষোভই বলিউডকে দেয় এক নতুন ধরনের নায়ক—যিনি নিজের যন্ত্রণাকে শক্তিতে রূপান্তর করেন। 

    ২. দিওয়ার (১৯৭৫): 

    ‘দিওয়ার’ এক শক্তিশালী ক্রাইম ঘরানার ছবি, যেখানে দুই ভাইয়ের বিপরীত জীবনদর্শন তুলে ধরা হয়েছে।  অমিতাভ বচ্চন এখানে বিজয় ভার্মা চরিত্রে অভিনয় করেন। বিজয় এমন একজন মানুষ, যিনি দারিদ্র্যের চাপে পড়ে আন্ডারওয়ার্ল্ডে প্রবেশ করেন। 

    একদিকে তার ভাই একজন সৎ পুলিশ অফিসার, অন্যদিকে বিজয় হয়ে ওঠে শক্তিশালী চোরাকারবারী। সমাজের অবহেলা, শ্রেণিবৈষম্য আর ভাঙতে থাকা পারিবারিক বন্ধন—সব মিলিয়ে বিজয় এমন এক চরিত্র, যিনি নিজেকে সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন মনে করেন এবং নিজের নিয়মে বাঁচতে চান। 

    ৩. শোলে (১৯৭৫): 

    অ্যাকশনে ভরা ‘শোলে’-তে অমিতাভ বচ্চন জয় চরিত্রে হাজির হন—নির্লিপ্ত, সংযত ও দৃঢ়চেতা। আবেগপ্রবণ বীরুর (ধর্মেন্দ্র) বিপরীতে জয় কথা কম বলেন, কাজ বেশি করেন। 

    শুষ্ক রসবোধ আর গভীর আনুগত্যে ভরা এই চরিত্রটি ‘অ্যাংরি ইয়ং ম্যান’-এর ভাবমূর্তিকে আরও শক্ত করে তোলে—যিনি কঠোর, কিন্তু বন্ধুর জন্য সবকিছু করতে প্রস্তুত। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ৪. খুন পাসিনা (১৯৭৭): 

    অমিতাভ বচ্চন ও বিনোদ খান্নার যুগল উপস্থিতিতে ‘খুন পাসিনা’ দর্শকদের দেয় দুই ধরনের রাগী নায়ক। শৈশবে বিচ্ছিন্ন দুই বন্ধুর পুনর্মিলন এবং শেষে কাদের খান অভিনীত জালিম সিংয়ের বিরুদ্ধে একজোট হওয়া—ছবিটিকে করে তোলে উত্তেজনাপূর্ণ।  হারানোর পর খুঁজে পাওয়ার গল্পে বন্ধুত্ব, ক্ষোভ ও ন্যায়বোধ একসঙ্গে মিশে যায়। 

    ৫. ত্রিশুল (১৯৭৮) 

    ‘ত্রিশুল’-এ বচ্চন বিজয় চরিত্রে অভিনয় করেন, যিনি তার মাকে ত্যাগ করা বাবার সাম্রাজ্য ধ্বংস করতে শহরে আসেন। এখানে অ্যাকশনের চেয়ে বেশি গুরুত্ব পায় বিজয়ের বুদ্ধি ও কৌশল। 

    এই ছবিতে অ্যাংরি ইয়ং ম্যান শুধুই রাগী নন—তিনি উচ্চাকাঙ্ক্ষী, তীক্ষ্ণ এবং সিস্টেমের নিয়ম ব্যবহার করেই প্রতিশোধ নেন। 

    ৬. কালা পাত্থার (১৯৭৯): 

    কয়লা খনিকে কেন্দ্র করে তৈরি ‘কালা পাত্থার’-এ অভিনেতার চরিত্রের নাম বিজয় পাল সিং। তিনি একজন সাবেক নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন, যিনি অপরাধবোধ থেকে পালিয়ে কঠিন জীবন বেছে নেন। 

    শ্রমিকদের শোষণ ও এক লোভী খনি মালিকের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের মাধ্যমে ছবিটি শ্রমিক শ্রেণীর সংগ্রামকে তুলে ধরে। বিজয়ের আত্মত্যাগ ও সাহস তাকে মানবিক নায়কে রূপ দেয়। 

    ৭. লাওয়ারিস: (১৯৮১): 

    ‘লাওয়ারিস’ ছবির গল্প হীরা নামের এক অনাথ যুবককে ঘিরে, যিনি সমাজ ও জন্মদাতা পিতার দ্বারা প্রত্যাখ্যানের শিকার। অমিতাভ বচ্চন অভিনীত এই চরিত্রটি এমন এক সমাজে নিজের মর্যাদা ও পরিচয় প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করে, যেখানে জন্ম ও বংশকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়। ধনী ও ক্ষমতাবানদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে তার প্রতিবাদ প্রমাণ করে- মানুষের মূল্য জন্মে নয়, তার কর্ম ও মানবিকতায় নির্ধারিত হয়। 

    ৮. শক্তি (১৯৮২): 

    ‘শক্তি’ ছবিতে বাবা-ছেলের সম্পর্কের টানাপোড়েনই ছিল গল্পের মূল উপজীব্য।  অমিতাভ এতে বিজয় চরিত্রে এমন এক ছেলে, যে মনে করে তার বাবা—একজন কঠোর পুলিশ অফিসার, যিনি আইনকে সন্তানের চেয়েও বেশি ভালোবাসেন।

    এই অবহেলাবোধই তাকে অপরাধের দিকে ঠেলে দেয়। সিনেমাটি দেখায় আবেগ ও বোঝাপড়ার অভাব কীভাবে একজন মানুষকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যেতে পারে। 

    সোর্স: ফিল্মফেয়ার ডটকম 

    বিনোদন ডেস্ক

  • শুটিং স্পটে পুত্রবধূর দুর্ঘটনার কথা স্মরণ করে যা বললেন অমিতাভ

    অমিতাভ বচ্চনের গোটা পরিবারই যেন এক তারার মেলা। তার ছেলে অভিষেক বচ্চনের স্ত্রী সাবেক বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বরিয়া রায়।  তবে পুত্রবধূ হওয়ার আগে থেকেই এ অভিনেত্রী ছিলেন ‘বিগ বি’র সহশিল্পী। বেশকিছু হিট সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করেছেন তারা। দুজনের একসঙ্গে কাজ করা একটি শুটিংয়ে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনার স্মৃতি এবার নতুন করে সামনে এসেছে। 

    ২০০৩ সালে ‘খাকি’ ছবির শুটিং করতে গিয়ে গুরুতর চোট পান ঐশ্বরিয়া। তখনও এ বলিউড সুন্দরী অমিতাভের পুত্রবধূ হননি। এরপরও সহ-অভিনেত্রীর সঙ্গে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনায় বেশ বিচলিত হয়ে পড়েন খ্যাতিমান এই অভিনেতা। এমনকি ঐশ্বরিয়ার মায়ের অনুমতি স্বাপেক্ষে তাকে অনীল আম্বানির ব্যক্তিগত বিমানে করে মুম্বাই নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন অমিতাভ। 

    খাকি সিনেমায় আরও অভিনয় করেন অক্ষয় কুমার ও তুষার কাপুর। নাসিকে ছবির শুটিং চলছিল। একটি দৃশ্যে চলন্ত জিপে থাকার কথা ছিল ঐশ্বরিয়ার। কিন্তু জিপে থাকাকালীন এক সময় ভারসাম্য হারিয়ে অভিনেত্রী সেখান থেকে ছিটকে পড়ে যান। যদিও তৎক্ষণাৎ গাড়ি থামাতে ঝাঁপিয়ে পড়েন অক্ষয় কুমার।  এরপরও অভিনেত্রীর শেষ রক্ষা হয়নি। কারণ ততক্ষণে গাড়ি থেকে পড়ে গিয়ে বেশকিছু জায়গায় চোট পান ঐশ্বরিয়া।  এরপরই তাকে শুটিং স্পট থেকে মুম্বাইয়ে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন অমিতাভ বচ্চন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সেই ঘটনার কথা স্মরণ করে এর আগে ‘বিগ বি’ বলেছিলেন, ‘আমরা নাসিকে শুটিং করছিলাম। দুর্ঘটনা ঘটনার পরে দিল্লি থেকে অনুমতি নিয়ে একটা সেনা ছাউনিতে সেই বিমানের অবতরণ করা হয়। যেখান থেকে ৪৫ মিনিট দূরেই ছিল হাসপাতাল। সেই বিমানের সবগুলো সিটও খুলে ফেলা হয় যেন ঐশ্বরিয়া শুয়ে থাকতে পারে।’ 

    ওই ঘটনার রেশ এমনভাবে অমিতাভের স্মৃতিতে ছিল যে, আরেকটি সাক্ষাৎকারে অভিনেতা বলেছিলেন, ‘ওই ঘটনা দেখার পর টানা দুই দিন দুচোখের পাতা এক করতে পারিনি। সব সময় ওটাই চোখের সামনে ভাসত। ওর পিঠ ক্যাকটাসের কাঁটায় আটকে গিয়েছিল। সে এক ভয়ঙ্কর দৃশ্য। গোটা শরীরে অসংখ্য গুরুতর চোট পেয়েছিল।’ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ছয় দশকে বহু কাজ, তবু কীসের আক্ষেপ অমিতাভ বচ্চনের?

    বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন আশির কোঠা ছাড়িয়েছেন অনেক দিন হলো। তবে বয়সের ভারে কাবু হওয়ার মানুষ নন তিনি। এখনো নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন শাহেনশাহ। ছয় দশক আগে বড়পর্দা দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন তিনি। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও অনেক মাধ্যমে তিনি সমানতালে কাজ করেছেন। 

    তার টেলিভিশন শো কেবিসির জনপ্রিয়তা প্রশ্নাতীত। তবে নানা মাধ্যমে কাজ করার জন্য নিজেকে যেভাবে তিনি পরিবর্তন করেছেন, সেটি করতে গিয়ে ক্লান্ত এবং শ্রান্ত হয়েছেন  বিগবি। তবে নতুন নতুন মাধ্যমের সঙ্গে নিজেকে কীভাবে মানিয়ে নিয়েছেন, এবার সেটাই বললেন এ কিংবদন্তি বর্ষীয়ান অভিনেতা। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

     অমিতাভ বচ্চন বলেন, তিনি আসলে এই বদলে যাওয়ার সংস্কৃতির সঙ্গে একাত্ম হতে চেয়েছিলেন। তবে এই কাজটি যে বেশ কঠিন, সেটাই মনে হয়েছে তার। নিজের ব্লগেও তিনি সে কথাই লিখেছেন। তবে তার আক্ষেপও রয়েছে। এ শাহেনশাহ বলেন, যদি এটা আগে থেকেই শিখতে পারতাম, তাহলে ভালো হতো।

    বিনোদন ডেস্ক