Tag: অভিযোগ

  • অভিনেত্রী মনিরা মিঠুর ছেলেকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ

    ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মনিরা মিঠু। সম্প্রতি অভিনেত্রী জানিয়েছেন, রাজধানীতে সড়কে দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারধরের শিকার হয়েছেন তার বড় ছেলে উপন্যাস। এ ঘটনায় থানায় তার অভিযোগ জানানোর কথা রয়েছে।

    ঘটনা প্রসঙ্গে বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে মনিরা মিঠু অভিযোগ করেন, একটি প্রাইভেটকার তার গাড়ির পেছনে উচ্চগতিতে ধাক্কা দেয়। এতে তার গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর গাড়ি থেকে নেমে দুই ব্যক্তি তার বড় ছেলে উপন্যাসকে রাস্তায় বেধড়ক মারধর করে পালিয়ে যায়।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    পোস্টে অভিনেত্রী হামলাকারীদের গাড়ির নম্বরও উল্লেখ করেন। তিনি লেখেন, হামলাকারীদের গাড়ির নম্বর ঢাকা-মেট্রো-ঘ-১৬-০৯০৫। ঘটনাস্থলে ছেলেকে মারধরের দৃশ্য ধারণ করা হয়েছে বলেও দাবি করেন মিঠু।

    পরে নিজের ফেসবুকে দেওয়া আরেকটি পোস্টে এক ব্যক্তির ছবি প্রকাশ করেন মনিরা মিঠু। পোস্টের ক্যাপশনে লেখেন, ‘এই লোক গাড়ির মালিক এবং আমার সন্তানকে রক্তাক্ত করার সময় ছিল।’ আরও জানা গেছে, ঘটনার বিচার চেয়ে অভিনেত্রী রাজধানীর তুরাগ থানায় যাচ্ছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভাই ফয়সালের গুরুতর অভিযোগের জবাবে মুখ খুললেন আমির

    ২০০০ সালে মুক্তি পাওয়া ‘মেলা’ সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করেছিলেন বলিউড সুপারস্টার আমির খান ও তার ভাই ফয়সাল খান। এরপর ধীরে ধীরে ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেন ‘মি. পারফেকশনিস্ট’খ্যাত এ অভিনেতা। তবে ফয়সাল যেন হলেন উল্টো পথের পথিক। বলিউড থেকে রীতিমতো হারিয়েই গেলেন তিনি। সম্প্রতি কিছুদিন হল আবারও নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছেন ফয়সাল। 

    গত কিছুদিন ধরে একাধিক সাক্ষাৎকারে এই অভিনেতা তার ভাই আমির খানের বিরুদ্ধে বেশকিছু গুরুতর অভিযোগ এনেছেন। তার দাবি, আমির তাকে মাদক দিয়ে অবশ করে রাখার চেষ্টা করতেন। লাঠি-দড়ি নিয়ে তার উপর চড়াও হতেন বলে‌ও অভিযোগ করেন ফয়সাল।  পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর ছিল যে, তার নাকি প্রাণনাশের আশঙ্কাও হয়েছিল। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    দীর্ঘদিন সিনেমার বাইরে থাকা ফয়সাল পুরোনো দিনের ক্ষত ভুলতে পারছেন না জানিয়ে বলেন, ‘আমি একদিন বাড়িতে একা ছিলাম। আমার বাড়িতে ৪০ জন লোক নিয়ে আমার উপর চড়াও হয় সে। আমাকে বলে, ‘তুমি পাগল’। আমাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে এসেছিল। আমি বললাম, টানাহেঁচড়া করতে হবে না, আমি এমনিই যাচ্ছি। সেখানে গিয়ে ভাবলাম, হয়তো কিছু পরীক্ষা করে ছেড়ে দেওয়া হবে। কিন্তু না, কিসব ওষুধ দিল। জোর করে আমাকে কিসব খাইয়ে দিল। এরপর আমি ২০ ঘণ্টা ঘুমিয়ে ছিলাম। আমি মরেও যেতে পারতাম। আমার ফোন কেড়ে নিয়ে আমাকে ঘরে আটকে রাখা হয়।’ 

    ভাইয়ের এতসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে এবার মুখ খুললেন আমির খান।  ফয়সালের কথার জবাবে অভিনেতা বলেন, ‘বাইরের লোকের সঙ্গে লড়াই করা যায়, কিন্তু পরিবারের মানুষের সঙ্গে এটা সম্ভব নয়।’ 

    পাশাপাশি আমির জানান মেলা ছবির ব্যর্থতার দুঃখ এখনো ভুলতে পারেননি ফয়সাল।  তাই তিনি চান, ফয়সাল আবারও অভিনয়ে আসুক।  প্রয়োজনে তিনি নিজে ফয়সালের সঙ্গে সিনেমায় কাজ করতে ইচ্ছুক বলেও জানান। আমিরের ভাষায়, ‘যদি কেউ ওকে একা নিতে না চান, সেক্ষেত্রে আমি ওর সঙ্গে কাজ করতে রাজি আছি।’ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ববির বিরুদ্ধে ৩০ লাখ টাকা ক্ষতির অভিযোগ পরিচালকের

    ঢালিউড অভিনেত্রী ইয়ামিন হক ববির বিরুদ্ধে ৩০ লাখ টাকা ক্ষতির অভিযোগ করেছেন এক পরিচালক। এ অভিযোগ অস্বীকার করে ববি বলেছেন, ‘এসব মিথ্যা কথা। এ রকম কোনো কিছুই আমি জানি না।’ অন্যদিকে চার লাখ টাকা সাইনিং মানি নিয়েও পরে মহরতে আসেননি বলে জানিয়েছেন নির্মাতা জয় সরকার।

    গতকাল মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ববির একটি ভিডিও শেয়ার করে জয় সরকার লিখেছেন—এই ববি আমার এক প্রযোজকের কাছ থেকে চার লাখ টাকা সাইনিং মানি নিয়ে পরে আর সিনেমাটি করেনি। প্রোডিউসারের প্রায় ৩০ লাখ টাকা লস এবং আমরা টেকনিশিয়ানরা আমাদের পারিশ্রমিক থেকে বঞ্চিত হয়েছিলাম একমাত্র ববির কারণে। 

    অনেক স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা করেছিল ফাতেমা কথাচিত্র নামে এক নতুন প্রযোজনা সংস্থা। তাদের প্রথম ছবি ‘আমার হৃদয়ের কথা’য় নায়িকা হিসেবে নিয়েছিল ঢালিউড অভিনেত্রী ববিকে। আব্দুল মজিদ নামের ওই প্রযোজক এখন প্রবাসে আছেন। নির্মাতা জয় সরকার দেশে বসে সেই ছবির জন্য আক্ষেপ করছেন। তিনি জানালেন, ১১ জানুয়ারি বিকালে ছিল ছবির মহরত। প্রধান অতিথি তৎকালীন সমাজকল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ, বিশেষ অতিথি এফবিসিসিআইয়ের অন্যতম পরিচালক হেলেনা জাহাঙ্গীর উপস্থিত ছিলেন। সেদিন ববি মহরতে উপস্থিত হননি।

    ‘আমার হৃদয়ের কথা’ সিনেমায় যুক্ত হওয়ার সময় ৪ লাখ টাকা নিয়েছিলেন ববি। ছবিটি তিনি আর করেননি। এতে প্রযোজকের ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৩০ লাখ টাকা। ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে ছবির মহরতেও হাজির হননি অভিনেত্রী। সম্প্রতি সেই আক্ষেপের কথা জানালেন ছবির পরিচালক জয় সরকার।

    এতদিন পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব কেন জানাচ্ছেন? শিল্পী সমিতি, পরিচালক সমিতি কিংবা প্রযোজক সমিতিতে অভিযোগ করেছেন কিনা— জানতে চাইলে জয় সরকার বলেন, ‘মৌখিকভাবে পরিচালক সমিতিতে জানিয়েছি। তৎকালীন শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খানকেও বিষয়টি জানিয়েছিলাম।’ তিনি বলেন, ‘এই সিনেমা করোনার আগের। এফডিসিতে মহরতের মাধ্যমে শুরু হওয়ার কথা ছিল। ববি মহরতের দিন আসেননি। আমরা সবাই মিলে মহরত অনুষ্ঠান করেছিলাম।’ তার দাবি— এ ঘটনায় প্রযোজক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তিনি হয়তো এ নির্মাতাকে দিয়ে আর কখনই সিনেমা করাবেন না। 

    এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলে ববি বলেন, ‘এসব মিথ্যা। এ রকম কোনো কিছুই আমি জানি না।’

    উল্লেখ্য, ববি অভিনীত সর্বশেষ ছবি ‘ময়ূরাক্ষী’ মুক্তি পায় গত ঈদুল আজহায়। নানা কারণে দর্শক টানতে ব্যর্থ হয় ছবিটি। মুক্তির পর দ্রুত হল হারাতে হয় ছবিটিকে। ‘ময়ূরাক্ষী’র ব্যর্থতা ঘিরে নির্মাতার সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়ান নায়িকা ববি। নায়িকার অভিযোগের পাশাপাশি সিনেমাসংশ্লিষ্টদেরও নানা অভিযোগ ছিল পরিচালকের বিরুদ্ধে। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে পরিচালক রাশিদ পলাশের সঙ্গে হাতাহাতি হয় নায়িকা ববির। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘কোলে বসতে বলায়’ যৌন হেনস্তার অভিযোগ, দাবি পরিচালকের 

    ভারতীয় বাংলা সিনেমার পরিচালক অরিন্দম শীলের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে। ইস্টার্ন ইন্ডিয়া ডিরেক্টর বোর্ড থেকে তার সদস্যপদ স্থগিত করা হয়েছে। পরিচালক  জানিয়েছেন, তাকে না জানিয়ে সদস্য পদ স্থগিত করা হয়েছে।

    rnrn

    অভিনেত্রী তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে জানিয়ে ছিলেন, কাজ দেওয়ার কথা বলে অভিনেত্রীদের শ্লীলতাহানি করতেন সেই পরিচালক। 

    rnrn

    অরিন্দম শীল মহিলা কমিশনের কাছে, ক্ষমা চেয়ে একটি চিঠি লিখেছিলেন। সেখানে তিনি স্পষ্ট করে উল্লেখ করেছেন, কোন অভিনেত্রী যদি তার আচরণে কষ্ট পেয়ে থাকেন তাহলে তিনি আন্তরিকভাবে দুঃখিত। 

    rnrn

    তিনি বললেন, ‘সেদিন একটি ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের শুটিং ছিল। কোনরকম বেড সিন বা লিপলক না থাকলেও, সেটি এক কথায় ঘনিষ্ঠ দৃশ্য। যেখানে দেখা যাবে অভিনেতা চেয়ারে বসে এবং তার কোলের উপরে অভিনেত্রী। কিভাবে শুটিং করা হবে সেটা বোঝাতেই অভিনেত্রীর সঙ্গে রিহার্সাল করতে শুরু করি। আমি অভিনেত্রীকে বলি আমার কোলের উপর বসতে। আমি বারবার জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে ওর কোন অসুবিধা আছে কিনা? আমি ওকে বারবার প্রশ্ন করেছিলাম, কোনও অসুবিধা নেই তো তোর? সব ঠিক আছে তো?’

    rnrn

    পরিচালক বলেন, ‘কোনভাবে সেই অভিনেত্রীর গালে আমার মুখ লেগে যায়। যদিও সেটা অনিচ্ছাকৃত। পুরোটাই অ্যাক্সিডেন্ট।’

    rnrn

    অভিনেত্রী অভিযোগ করে বলেন, বিতর্কিত সেই ঘটনার দিন ফ্লোরে অনেকেই উপস্থিত ছিলেন, তারা জানেন আসলে কি ঘটেছিল।

    rnrn

    গতকাল রাতে ইস্টার্ন ইন্ডিয়া ডিরেক্টর বোর্ড থেকে অরিন্দম শীলের সদস্যপদ স্থগিত হওয়ার পর, অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় লিখেছিলেন, পাপের ঘড়া উল্টোয়। ভেবেছিলাম এই জীবনে দেখতে পারব না। কিন্তু কুড়ি বছর পরে হলেও ভগবান যে এইটুকু কথা রেখেছেন তাই অনেক।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিনেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ, বরখাস্ত হলেন পরিচালক অরিন্দম

    আরজি করের ঘটনা নিয়ে ভারতের কলকাতায় আন্দোলন চলছেই। এর মাঝেই ফাঁস হলো নতুন খবর। এবার সামনে এলো টলিউডের জনপ্রিয় পরিচালক অরিন্দম শীলের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ। এবার ডিরেক্টর্স গিল্ড থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে তাকে। ইতোমধ্যেই তাকে নোটিস পাঠিয়েছে ডিরেক্টর্স গিল্ড।

    পরিচালক সংগঠনের চিঠিতে বলা হয়েছে, আপনার বিরুদ্ধে করা কিছু অভিযোগের কারণে আমাদের কাছে প্রাথমিক প্রমাণ রয়েছে, যা গভীর উদ্বেগের বিষয় এবং সমগ্র সংস্থার জন্য ক্ষতিকর। তাই ডিরেক্টর্স গিল্ড আপনাকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সদস্যপদ থেকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একইসঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে যতদিন পর্যন্ত না এই অভিযোগগুলো প্রমাণ হবে, ততদিনের জন্য তার সদস্য পদ বাতিল থাকবে।

    এই প্রসঙ্গে অরিন্দম শীল বলেন, আমাকে বলা হয়েছে শট বোঝাতে গিয়ে আমি মিসহ্যান্ডেল করেছি। ফ্লোরে সকলে ছিল। সাহেব চট্টোপাধ্যায়ও ছিল। স্টিল ফটোগ্রাফার থেকে শুরু করে আরও অনেকে। মহিলা কমিশনের কাছে সবটা জানিয়েছি। গিল্ড আমার কাছে কিচ্ছু জানতে চায়নি।

    পরিচালক সুদেষ্ণা রায়ের কথায়, তিনি নিশ্চয়ই ক্ষমা চেয়েছেন। কিন্তু, যার সঙ্গে ঘটেছে সে কী ক্ষমা করেছেন? নো মিনস নো। সে যখন না বলেছে তখন তো সেটা শোনা উচিত ছিল। মহিলা কমিশন থেকে আমরা বেশকিছু তথ্যও পেয়েছি। মেয়েটি বিষয়টি দেখেছেন। মেয়েটি যদি ক্ষমা করে দেয়, তাহলে নিশ্চয়ই ভেবে দেখব। একটা মেয়ে যখন কোনো অভিযোগ আনে তখন তার ভিতরে কী চলতে থাকে ভাবতে হবে। মেয়েটির থেকে কী অনুমতি নিয়েছিলেন? পরিচালক বলে যা ইচ্ছে সেটাই করতে পারি না। আমিও অনেক বছর পরিচালনা করছি।

    তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

    বিনোদন ডেস্ক

  • পরিচালকের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ আরেক অভিনেত্রীর

    আরজি করকাণ্ডে চিকিৎসক ধর্ষণ ও হত্যার বিচারের দাবিতে কলকাতাসহ ভারতজুড়ে আন্দোলন চলছে। দেশটির বিভিন্ন রাজ্যে এ নিয়ে প্রতিবাদ করছেন সব শ্রেণিপেশার মানুষ। এ ছাড়া বিনোদন জগতের বলিউড, দক্ষিণী ও টালিউড ইন্ডাস্ট্রির অভিনেতা-অভিনেত্রীরা আছে রাজপথে। উত্তপ্ত এ পরিস্থিতির মধ্যেই আবার দক্ষিণী ভারতে আলোচনায় উঠে এসেছে হেমা কমিটির প্রতিবেদন। 

    rnrn

    সেখানে পুরুষ প্রযোজক, পরিচালক ও অভিনেতা মালায়ালাম সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি নিয়ন্ত্রণ করেন। হেমা কমিটির রিপোর্ট সামনে আসার পর থেকে শুরু উত্তাল যৌন হেনস্তা নিয়ে সেই সিনেজগত। আর সেই তালিকায় যুক্ত হলো আরও একটি গোপনসত্য। এবার পরিচালকের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন অভিনেত্রী সৌম্যা।

    rnrn

    অবশ্য অভিযুক্ত পরিচালকের নাম এ অভিনেত্রী উল্লেখ করেননি। তবে জানিয়েছেন— এমন ভয়ংকর যন্ত্রণা কাটিয়ে উঠতে তার ৩০ বছর সময় লেগেছে।
    rnসৌম্যা বলেন, মেয়ে সম্বোধন করে ডেকে নিয়ে তাকে দিনের পর দিন এক পরিচালক ধর্ষণ করেছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এমনটিই জানিয়েছেন তিনি।

    rnrn

    সৌম্যা বলেন, কোনো একদিনের ঘটনা এটি। সেদিন বাড়িতে তার স্ত্রী ছিল না। তাকে মেয়ে বলে ডাকতেন সেই পরিচালক। কিন্তু মেয়ে বলে ডাকলেও তৈরি করেছিলেন নিজের যৌনদাসী হিসেবে। আর সেই কথা এখন মনে পড়তেই গা শিউরে উঠে তার।

    rnrn

    তিনি বলেন, আমাকে বলল— আমি নাকি তার মেয়ে। এরপর চুমু খেল আমায়। তখনো আমি স্থির হয়ে বসেছিলাম। তবে বিষয়টি বন্ধুদের জানাতে চেয়েছিলাম। কিন্তু কিছুই বলতে পারিনি। খুবই লজ্জা লাগছিল আমার। মনে হচ্ছিল যেন খুব খারাপ আমি— নিজেই ভুল করেছি। তিনি তো ভালো মানুষ। হয়তো আমারই কোনো ভুল ছিল।

    rnrn

    এরপরও প্রতিদিন তার কাছে যেতাম বলে জানান এ অভিনেত্রী। সৌম্যা বলেন, তিনি আমার শিক্ষকও ছিলেন। আমাকে নাচ শেখাতেন। আর এই অজুহাতেই আমার শরীর নিয়ে তার নোংরামি করা প্রতিদিনের অভ্যাস হয়ে গিয়েছিল। তিনি বলেন, একপর্যায় আমাকে তিনি জোর করতে থাকেন। হ্যাঁ, আমাকে ধর্ষণ করেন। এভাবে এক বছর ধর্ষণ করেন আমায়। তখন মাত্রই কলেজে পড়ি আমি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শাকিব-সিয়ামের বিরুদ্ধে আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ!

    ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানের ‘তুফান’ সিনেমা গেল ঈদেই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়। ছবি মুক্তির আগেই প্রকাশ্যে আসে তুফানের একটি পোস্টার। যেখানে এলোমেলো চুলে সিগারেট হাতে দেখা যায় শাকিব খানকে। ভক্তমহলেও নায়কের এমন বিধ্বংসী লুক বেশ প্রশংসিত হয়। 

    rnrn

    এরপর মুক্তির অপেক্ষায় থাকা নায়ক সিয়াম আহমেদের ‘জংলি’ সিনেমার পোস্টার প্রকাশ পায়। যেখানেও এই নায়ককে সিগারেট হাতে দেখা যায়। 
    rnপরপর দুটি সিনেমার পোস্টারে শাকিব ও সিয়ামের এমন ধূমপান উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করছে ধূমপানবিরোধী একটি সংস্থা। তারা মনে করছে এসব তামাক কোম্পানির পৃষ্ঠপোষকতায় করা হচ্ছে।

    rnrn

    সম্প্রতি স্টপ টোব্যাকো বাংলাদেশ নামের সংস্থাটি শাকিব খান ও সিয়ামের ধুমপানের পোস্টার প্রকাশ করে লিখেছে, বাংলাদেশের আইনে চলচ্চিত্রে ধূমপানের দৃশ্য প্রদর্শনে বিধিনিষেধ থাকলেও, তামাক কোম্পানির পৃষ্ঠপোষকতায় অযাচিতভাবে ধূমপানের দৃশ্য ও নায়কের হাতে সিগারেট প্রদর্শন এবং কিশোর-তরুণদের ধূমপানসহ নেশার দিকে ধাবিত করতে অনলাইন মাধ্যমে সেগুলোর ব্যাপক প্রচার করা হচ্ছে।
    rnসিয়াম ও শাকিবের মতো তারকারা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বিপথগামী করছে বলে মনে করে সংস্থাটি। 

    rnrn

    তাদের ভাষ্য, ‘আইন লঙ্ঘনে জড়িতরা সমাজ ও রাষ্ট্রের শত্রু। যারা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বিপথগামী করছে, তাদের বর্জন করুন। একই সঙ্গে আইন লঙ্ঘন করে নির্মিত এসব সিনেমা নিষিদ্ধ এবং আইনভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি তুলুন।’

    rnrn

    দর্শকের কাছে সিনেমাকে আকর্ষণীয় করতে বড় ভূমিকা রাখে পোস্টার। তবে সিনেমার এসব পোস্টার তৈরিতে মেনে চলতে হয় কিছু বিধিনিষেধ। অথচ সেসব নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে নির্মাতা-প্রযোজকরা দেদার ব্যবহার করছেন ধূমপানের দৃশ্য। 

    rnrn

    সাম্প্রতিক সময়ের বেশিরভাগ সিনেমার ক্ষেত্রেই এমনটা দেখা গেছে। ওটিটি প্ল্যাটফর্মের কনটেন্টে পরতে পরতে ধূমপানের দৃশ্য। ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও সিগারেটের ব্যাপক প্রচারণা চলছে বলে মনে করে স্টপ টোব্যাকো বাংলাদেশ। 

    rnrn

    তাদের ভাষ্য, তরুণদের কাছে ‘ওটিটি’ অনেক জনপ্রিয়। ধূর্ত তামাক কোম্পানিগুলো ওটিটির মাধ্যমে কিশোর-তরুণদের ধূমপানে উসকানি দিচ্ছে। কিছু নির্মাতা-শিল্পী নিজ স্বার্থ সিদ্ধির জন্য সুকৌশলে ধূমপানের দৃশ্য দেখিয়ে যাচ্ছে। দেশের অগ্রযাত্রা থামাতে তরুণদের নেশাগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ধূর্ত তামাক কোম্পানি ও তাদের দোসরদের রুখতে হবে।

    rnrn

    সবাইকে প্রতিবাদ জানানোর আহ্বান জানিয়ে সংস্থাটি বলছে, ‘প্রাণঘাতী তামাকের নেশা থেকে আমাদের সন্তান, ভাই-বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের বাঁচাতে ওটিটির কনটেন্টে ধূমপান ও মাদক সেবনের দৃশ্যায়ন বন্ধ করুন। নাটক, সিনেমা, ওয়েব সিরিজে ধূমপানের দৃশ্য বন্ধে সমস্বরে জোরালো আওয়াজ তুলুন।’

    rnrn

    ২০০৫ সালের ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইনে স্পষ্টভাবে বলা আছে, বাংলাদেশে প্রস্তুতকৃত বা লভ্য ও প্রচারিত, বিদেশে প্রস্তুতকৃত কোনো সিনেমা, নাটক বা প্রামাণ্য চিত্রে তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহারের দৃশ্য টেলিভিশন, রেডিও, ইন্টারনেট, মঞ্চ অনুষ্ঠান বা অন্য কোনো গণমাধ্যমে প্রচার, প্রদর্শন বা বর্ণনা করবেন না বা করাবেন না। 

    rnrn

    তবে শর্ত থাকে যে, কোনো সিনেমার কাহিনির প্রয়োজনে অত্যাবশ্যক হলে তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহারের দৃশ্য রয়েছে এমন কোনো সিনেমা প্রদর্শনকালে তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহারের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে লিখিত সতর্কবাণী, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, পর্দায় প্রদর্শন-পূর্বক তা প্রদর্শন করা যাবে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • নিপীড়িনের অভিযোগ ন্যান্সির

    আওয়ামী সরকারের আমলে বৈষম্যের শিকার হয়েছিলেন অনেক সংগীতশিল্পী। কালো তালিকায় ফেলে কোনঠাসা করে রাখা হয়েছিল অনেককে। স্বৈরাচার সরকার পতনের পরই প্রকাশ্যে আসছে তাদের সকল অপকর্ম। রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে ১০ বছরের বেশি সময় ধরে ব্ল্যাকমেইল ও নিপীড়নের শিকার হয়েছেন সংগীতশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি। তাকেও রাখা হয়েছিলো কালো তালিকায়। দেয়া হয়নি গান গাওয়ার সুযোগ। সম্প্রতি এমন অভিযোগ করেছেন তিনি। এক পর্যায়ে দেশ ত্যাগ করার মতো সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এ শিল্পী। 

    rnrn

    ন্যান্সি বলেন, ‘আমি বিএনপির কোনো পদে নেই। এমনকি কোনো পদের প্রত্যাশা প্রার্থীও নই। আমার আম্মা নেত্রকোনা জেলার জাসাসের সহসভানেত্রী ছিলেন। ব্যক্তিগতভাবে আমি বিএনপির কোনো পদে না থাকলেও একই মতাদর্শের কারণে ব্ল্যাকলিস্টেড ছিলাম। কোনো বিষয়ে আলোচনা করলেই বলা হতো স্বাধীনতার বিপক্ষ শক্তি। নেত্রকোনায় আমার বাড়িতে ভাঙচুর করা হয়েছে। আমার ভাইকেও হুমকি দেওয়া হয়েছিল। আমার মনে হয়, যদি নিশ্বাসটুকু কেড়ে নেওয়া যেত, তাহলে সেটাও তারা (আওয়ামী লীগ) কেড়ে নিত। এতটা নিপীড়ন গেছে যে 

    rnrn

    একপর্যায়ে সিদ্ধান্ত  নেই এই দেশে আর থাকব না। গত বছর অক্টোবরে প্রথমবার যুক্তরাষ্ট্র গিয়েছিলাম। সে সময় ভার্জিনিয়ায় এক অ্যাটর্নির সঙ্গে দেখা করে আলোচনা করি, শিল্পী হিসেবে সেখানে কীভাবে থাকতে পারি। এরপর আমি সেখানে স্থায়ী হওয়ার জন্য আবেদন করি। দেশে ফেরার পরেও সেই প্রক্রিয়াগুলো সম্পন্ন করতে থাকি। তবে একপর্যায়ে মনে হলো, কেউ আমাকে আমার দেশ থেকে তাড়িয়ে দিচ্ছে। আমি তো স্বেচ্ছায় যাচ্ছি না। তখন সিদ্ধান্ত নেই, বাঁচি-মরি এখানেই থাকব। আমার যাই হোক, শেষ পর্যন্ত দেখব।’ 

    rnrn

    এই সময়ে ক্যারিয়ারের অনেক ক্ষতি হয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপির মতাদর্শের কারণে একের পর এক শো বাতিল হয়েছে আমার। শো-গুলো কনফার্ম করার পরেও আমাকে বাদ দেওয়া হতো। অনেক সময় শো করতে রওনা দিয়ে মাঝরাস্তা থেকে ফেরত আসতে হয়েছে। সিনেমার গান থেকেও বাদ দেওয়া হয়েছে। আমাকে নিয়ে গান করলে জাতীয় পুরস্কারের জন্য জমা দেওয়া যাবে না, তাই আমাকে দিয়ে গান গাওয়ানো হতো না। সহকর্মীরাও অনেক সময় আমার সঙ্গে নোংরা রাজনীতি করেছে। আমাকে বাদ দেওয়ার জন্য অন্যদের চাপ প্রয়োগ করত।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগ, যা বললেন কারিনা

    বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুরের বিরুদ্ধে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত আনার অভিযোগ উঠেছে। অভিনেত্রীর লেখা বই ‘কারিনা কাপুর খান’স প্রেগন্যান্সি বাইবেল’ থেকে এ অভিযোগের সূত্রপাত। কারিনার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ আনেন আইনজীবী ক্রিস্টোফার অ্যান্টনি। অবশেষে সেই বিষয়ে মুখ খুললেন এ অভিনেত্রী।

    এর আগে গত মে মাসে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টে ক্রিস্টোফার অ্যান্টনি কারিনার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। তার অভিযোগ ছিল— ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করেছেন অভিনেত্রী কারিনা কাপুর। তার লেখা বই ‘কারিনা কাপুর খান’স প্রেগন্যান্সি বাইবেল’-এর ওপরেও নিষেধাজ্ঞা দাবি করেন তিনি। এ বইয়ের নামও খ্রিস্ট ধর্মের ভাবাবেগে আঘাত করছে বলে অভিযোগ।

    কারিনা তার আইনজীবী দিব্যা কৃষ্ণা বিল্লাইয়া ও নিখিল ভাটের মাধ্যমে জানিয়েছেন, ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার কোনো উদ্দেশ্য ছিল না তার। মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টে এ মামলার পরবর্তী শুনানি হবে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর। ‘কারিনা কাপুর খান’স প্রেগন্যান্সি বাইবেল’ প্রকাশের পর কারিনা জানিয়েছিলেন— এ বই তার কাছে তৃতীয় সন্তানের মতো।

    উল্লেখ্য, আইনজীবী তথা সমাজকর্মী ক্রিস্টোফার অ্যান্টনি দাবি করেছিলেন— কারিনার বইয়ে ‘বাইবেল’ শব্দটির ব্যবহার খ্রিস্টধর্মাবলম্বীদের ভাবাবেগে আঘাত করেছে। তিনি অভিযোগ করেন, খ্রিস্টধর্মাবলম্বীদের জন্য বাইবেল সবচেয়ে পবিত্র বই। কারিনার অন্তঃসত্ত্বা অবস্থার সঙ্গে এর তুলনা টানা মোটেই ঠিক হয়নি।

    কারিনা নিজের বই সম্পর্কে জানিয়েছিলেন, সন্তান ধারণের অভিজ্ঞতা এবং তা নিয়ে এ বই লেখার সফর তার কাছে একটি বিশেষ সফর হয়ে থাকবে। তিনি বলেন, এই সময়টা ভালো-খারাপ মিলিয়ে কাটে। কোনো দিন আমি কাজে যাওয়ার জন্য ব্যস্ত হয়ে উঠতাম। আবার কোনো দিন বিছানা থেকে উঠতেও আমার কষ্ট হতো। এই সময়ে শারীরিক ও মানসিকভাবে যে অভিজ্ঞতা হয়েছে, তা নিয়েই লেখা এ বই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নিপীড়নের অভিযোগ শ্রীলেখার, কোন পদক্ষেপ নিলেন পরিচালক

    অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র এর আগে মালায়ালাম পরিচালকের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ করেছিলেন। যৌন হেনস্তার এ অভিযোগ আনতেই সেই রাজ্যের সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী সাজি চেরিয়ানের সঙ্গে বৈঠক করেন পরিচালক রঞ্জিত। 

    আনন্দবাজার অনলাইন সূত্রে জানা গেছে, শ্রীলেখা মিত্রের অনুমতি ছাড়া তার শরীর স্পর্শ করেছিলেন মালায়ালাম পরিচালক ও কেরালা রাজ্য চলচ্চিত্র অ্যাকাডেমির প্রধান রঞ্জিত। গত শনিবার এমনই এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে আনেন এ অভিনেত্রী। তার জেরে এবার ‘কেরালা চলচ্চিত্র অ্যাকাডেমি’র প্রধানের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন এ পরিচালক।

    পরিচালক রঞ্জিতের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ উঠতেই সেই রাজ্যের সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী সাজি চেরিয়ানের সঙ্গে বৈঠক করেন রঞ্জিত। সেখানে পরিচালক তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ভিত্তিতে পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

    এর আগে ২০০৯ সালের ‘পালেরি মনিক্যম: ওরু পাথিরাকোলাপাথাকাথিনতে কথা’-এর অডিশনের সময়ে তাকে যৌন হেনস্তা করেছিলেন পরিচালক রঞ্জিত। শ্রীলেখা বলেন, আমি এক সিনেমাটোগ্রাফারের সঙ্গে ফোনে কথা বলছিলাম। রঞ্জিত হঠাৎই আমাকে ডেকে নিয়ে যান ওর শোবারঘরের দিকে নিয়ে যান, ছবির গল্প বলার জন্য। আমি ভাবলাম, ভিড় এড়ানোর জন্য তিনি ডেকেছেন। ঘরটি বেশ অন্ধকার ছিল। আমি ঘরের বারান্দায় দাঁড়িয়ে ফোনে কথা বলছিলাম। হঠাৎ আমার হাতের চুড়িগুলো নিয়ে খেলতে লাগলেন পরিচালক। আমরা নারীরা পুরুষের স্পর্শের অর্থ বুঝি। আমার অস্বস্তি হচ্ছিল। কারণ আমার তার সঙ্গে তেমন কোনো বন্ধুত্বও ছিল না। কিন্তু আমি নিশ্চিত হতে পারছিলাম না। তার পর তিনি আমার ঘাড়ে ও চুলে হাত দিতে শুরু করেন। সঙ্গে সঙ্গে আমি সেই ঘর থেকে বেরিয়ে যাই।

    শ্রীলেখার এ অভিযোগকে অবশ্য অসত্য বলেই দাবি করেন রঞ্জিত। তিনি বলেন, ছবিতে অভিনয়ের সুযোগ না পেয়েই যৌন হেনস্তার অভিযোগ করছেন শ্রীলেখা। 
    তবে অভিনেত্রীর এ অভিযোগের ২৪ ঘণ্টা পেরোনোর আগেই পদত্যাগ করেছেন রঞ্জিত। শুধু তিনি নন, ওই একই দিনে ‘কেরালা চলচ্চিত্র অ্যাকাডেমি’র সহসম্পাদক অভিনেতা সিদ্দিকও ইস্তফা দিয়েছেন বলে জানা গেছে। সিদ্দিকের বিরুদ্ধেও যৌন হেনস্তার অভিযোগ আনেন অভিনেত্রী রেবতী সম্পত।

    বিনোদন ডেস্ক