Tag: অভিযোগ

  • ফেঁসে যাচ্ছেন জ্যাকুলিন, মিলেছে প্রমাণ

    অর্থপাচার মামলায় জ্যাকুলিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের নির্দেশ আদালতের 

    ভারতের কুখ্যাত প্রতারক সুকেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে জড়িত ২০০ কোটি রুপির অর্থপাচার ও চাঁদাবাজি মামলায় বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন দিল্লির একটি আদালত। 

    মামলার প্রাথমিক তথ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত পর্যবেক্ষণ করেছেন যে, অপরাধের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ লেনদেন ও তা আড়াল করার ক্ষেত্রে জ্যাকুলিনের জড়িত থাকার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। 

    শনিবার (৩০ মে) দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্টের অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রশান্ত শর্মা প্রিভেনশন অব মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট-এর অধীনে সুকেশ চন্দ্রশেখর, জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ এবং এই মামলার অন্যান্য আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক চার্জ গঠনের নির্দেশ দেন। 

    আদালত স্পষ্ট জানিয়েছেন, জ্যাকুলিনের এই অপরাধের সঙ্গে যুক্ত থাকার বিষয়ে জোরালো সন্দেহ তৈরি করার মতো পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ নথিপত্রে রয়েছে। আদালত আরও উল্লেখ করেন, সুকেশের অপরাধমূলক অতীত সম্পর্কে জানা সত্ত্বেও জ্যাকলিন তার কাছ থেকে মূল্যবান উপহার এবং আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করা অব্যাহত রেখেছিলেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ অপরাধলব্ধ অর্থের ব্যবহার গোপন করতে সুকেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে ‘যোগসাজশ’ করেছিলেন। 

    বিচারক উল্লেখ করেন, মধ্যস্থতাকারী এবং বিভিন্ন মাধ্যমের দ্বারা সুকেশের অপরাধের ইতিহাস সম্পর্কে সচেতন করার পরেও জ্যাকুলিন তার থেকে আনুমানিক ৫.৭১ কোটি রুপি মূল্যের বিলাসবহুল উপহার গ্রহণ করেছিলেন। 

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এই অপরাধের অর্থ জ্যাকুলিনের পরিবারের সদস্যদের বিদেশি ব্যাংক অ্যাকাউন্টেও পাঠানো হয়েছিল। এর মধ্যে রয়েছে অভিনেত্রীর বোনের অ্যাকাউন্টে পাঠানো প্রায় ১ লাখ ৭২ হাজার মার্কিন ডলার এবং তার ভাইয়ের অ্যাকাউন্টে পাঠানো প্রায় ২৬ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার। 

    পাশাপাশি আদালত এমন কিছু প্রমাণের কথা উল্লেখ করেছেন যা ইঙ্গিত করে যে, জ্যাকুলিন বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদন এবং মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে সুকেশের অপরাধের ব্যাকগ্রাউন্ড সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত ছিলেন। তা সত্ত্বেও তিনি নিজের বাবা-মায়ের জন্য গাড়িসহ একাধিক বিলাসবহুল উপহার এবং আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করেছিলেন। 

    আদালতের মতে, এই আচরণ অপরাধের মাধ্যমে উপার্জিত অর্থ আড়াল করার প্রচেষ্টাকেই নির্দেশ করে। 

    সূত্র: ডিএনএ ইন্ডিয়া 

    বিনোদন ডেস্ক

  • কেটি পেরির বিরুদ্ধে অসদাচরণের নতুন অভিযোগ

    বিশ্বখ্যাত মার্কিন পপ তারকা কেটি পেরি আবারও গুরুতর বিতর্কের মুখে পড়েছেন। তার বিখ্যাত মিউজিক ভিডিও ‘টিনএজ ড্রিম’-এর সহ-অভিনেতা জোশ ক্লোস পেরির বিরুদ্ধে যৌন অসদাচরণের অভিযোগ এনেছেন।ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়ে একে একটি ‘নীরব ট্রমা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন জোশ ক্লোস। 

    অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ায় অভিনেত্রী রুবি রোজের করা অন্য একটি অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশি তদন্ত এখনো অব্যাহত রয়েছে।

    শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) ‘পেজ সিক্স’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ৪৫ বছর বয়সি জোশ ক্লোস অভিযোগ করেন, ২০১২ সালে একটি পার্টিতে কেটি পেরি সবার সামনে তার প্যান্ট ও অন্তর্বাস টেনে নামিয়ে দিয়েছিলেন। 

    ক্লোস জানান, ২০১০ সালে ‘টিনএজ ড্রিম’ ভিডিওতে তারা একসঙ্গে কাজ করার দুই বছর পর পেরির এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুর জন্মদিনের পার্টিতে এই ঘটনা ঘটে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ক্লোস বলেন, ‘আমি যখন এক বন্ধুর সঙ্গে তাকে অভিবাদন জানাতে গেলাম, তিনি কোনো সতর্কতা ছাড়াই হঠাৎ আমার প্যান্ট টেনে নামিয়ে দিলেন। আমি হতভম্ব হয়ে চিৎকার করে উঠি, কিন্তু তিনি শুধু হাসছিলেন।’

    ২০১৯ সালে প্রথমবারের মতো ইনস্টাগ্রামে এই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছিলেন ক্লোস। তবে তখন তাকে উপহাস ও অবজ্ঞার শিকার হতে হয়েছিল। অনেকে তাকে বলেছিলেন যে, পেরির মতো তারকার কাছে এমন আচরণ পাওয়া তার জন্য ‘ভাগ্যের ব্যাপার’।

    এই বিষয়ে ক্লোস বলেন, ‘যাকে আমার কৃতজ্ঞতা জানানো উচিত ছিল, তিনি তার ঘনিষ্ঠদের সামনে আমাকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে অপমানিত ও লাঞ্ছিত করেছেন। আমি কেন এর জন্য কৃতজ্ঞ থাকব? জনসমক্ষে সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো মানুষ যখন আপনাকে বিশ্বাস করতে চায় না।’

    কেটি পেরির প্রতিক্রিয়া 

    ২০২০ সালে ‘দ্য গার্ডিয়ান’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পেরি সরাসরি ক্লোসের অভিযোগের জবাব দেননি। তবে তিনি বলেছিলেন, ‘আমরা এমন এক পৃথিবীতে বাস করি যেখানে যে কেউ যা খুশি বলতে পারে। আমি আমার সম্পর্কে বলা সব কথার প্রতিক্রিয়া দেখাই না, কারণ সত্য-মিথ্যা প্রমাণ করতে গেলে আমার পুরো জীবন সেসবের পেছনেই ব্যয় করতে হবে।’

    এদিকে ক্লোসের এই অভিযোগ এমন এক সময়ে এল যখন অস্ট্রেলীয় অভিনেত্রী রুবি রোজের করা যৌন হেনস্থার অভিযোগে কেটি পেরি ইতোমধ্যেই চাপের মুখে আছেন। 

    চলতি মাসের ১১ এপ্রিল রুবি রোজ অভিযোগ করেন, ২০১০ সালে মেলবোর্নের একটি নাইটক্লাবে পেরি তাকে যৌন হেনস্থা করেছিলেন। 

    ভিক্টোরিয়া পুলিশ নিশ্চিত করেছে যে, মেলবোর্নের ‘সেক্সুয়াল অফেন্সেস অ্যান্ড চাইল্ড অ্যাবিউজ ইনভেস্টিগেশন টিম’ ২০১০ সালের সেই পুরনো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। যদিও পেরির মুখপাত্র এই অভিযোগকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’ এবং ‘বিপজ্জনক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন মিথ্যাচার’ বলে অভিহিত করেছেন। 

    সূত্র: জিও নিউজ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাহুলের মৃত্যুতে থানায় টালিউড তারকাদের অভিযোগ দায়ের

    জনপ্রিয় টালিউড অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের আকস্মিক মৃত্যুতে শোকাছন্ন ওপার বাংলার শোবিজ অঙ্গন। নন্দিত এই অভিনেতার মৃত্যুকে ঘিরে ক্ষোভে উত্তাল টালিগঞ্জের তারকারা। শোক ও ক্ষোভ জানানোর পাশাপাশি অভিনেতার আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনায় এবার বিচার চেয়ে সরব হয়েছেন অভিনয়শিল্পীরা।

    রাহুলের মৃত্যুর পেছনে অবহেলার অভিযোগ তুলে চিত্রনাট্যকার লীনা গাঙ্গুলীর প্রযোজনা সংস্থা ‘ম্যাজিক মোমেন্টস’-কে অভিযুক্ত করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে ‘আর্টিস্ট ফোরাম’।

    ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটার দিকে থানায় হাজির হন প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জি, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত ও চিরঞ্জিত চক্রবর্তী সহ জ্যেষ্ঠ শিল্পীরা। এ সময় রাহুলের স্ত্রী অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকারও তাদের সঙ্গে ছিলেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    উল্লেখ্য, রোববার (২৯ মার্চ) ওডিশার তালসারি সমুদ্রসৈকতে ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের শুটিং করতে গিয়ে সমুদ্রে ডুবে যান রাহুল। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় ঘটনার বিভিন্ন দিক সামনে এলেও স্পষ্ট কোনো চিত্র পাওয়া যায়নি। অভিযোগ ওঠে, প্রযোজনা সংস্থাটি পুলিশের অনুমতি ছাড়াই সেখানে শুটিং করছিল, যা অভিনেতার নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলে দেয়।

    এ প্রসঙ্গে অভিনেতা প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জি বলেন, রাহুলের মৃত্যু আমাদের সবার জন্য বড় ধাক্কা। আমরাও সত্যটা জানতে চাই। আইনগত সব দিক খতিয়ে দেখতে আমাদের কিছুটা সময় লেগেছে। রাহুলের ছেলে সহজ যেন বড় হয়ে জানতে পারে তার বাবার সঙ্গে আসলে কী ঘটেছিল।

    এ ঘটনায় আর্টিস্ট ফোরামের সভাপতি শান্তিলাল মুখার্জি জানান, যথাযথ উত্তর না পাওয়ায় তারা আইনি পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবার তিশার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিলেন সামিয়া অথৈ

    অভিনেত্রী তানজিন তিশার বিরুদ্ধে সম্প্রতি মারধরের অভিযোগ করেন তার সহশিল্পী সামিয়া অথৈ। তিনি দাবি করেন, মানিকগঞ্জে ‘পুতুলের বিয়ে’ নামের একটি নাটকের শুটিং চলাকালে তাকে চড় মেরেছেন তিশা। এই অভিনেত্রীর ভাষ্য, তিশা তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আঘাত ও অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেছেন।

    এবার বিষয়টি নিয়ে ছোটপর্দার শিল্পীদের সংগঠন ‘অভিনয়শিল্পী সংঘ বাংলাদেশ’-এ তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ দিলেন অভিনেত্রী সামিয়া অথৈ। জানা যায়, বুধবার (৪ মার্চ) সন্ধ্যায় সংগঠনটিতে লিখিত অভিযোগ জমা দেন তিনি।

    এ প্রসঙ্গে অথৈ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘গতকাল শিল্পীদের সংগঠন অভিনয়শিল্পী সংঘ বাংলাদেশে আমি লিখিত অভিযোগ গিয়েছে। বিষয়টি এখন তারাই দেখবে। আমার সঙ্গে যে ঘটনা ঘটেছি আমি তার বিচার চেয়েছি।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বিষয়টি নিয়ে অভিনয়শিল্পী সংঘ বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু গণমাধ্যমকে জানান, এই সপ্তাহে কার্যনির্বাহী পরিষদের বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হবে। দুই পক্ষের বক্তব্য শুনে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    এর আগে মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সামিয়া অথৈ ফেসবুক লাইভে অভিযোগ করেন, ‘পুতুলের বিয়ে’ নামের একটি নাটকের শুটিং চলাকালে তিশা তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আঘাত ও অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেছেন।

    পরে এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিশা জানান, এটি কোনো ব্যক্তিগত আক্রমণ ছিল না; যা হয়েছে তা সম্পূর্ণ চরিত্রের প্রয়োজনে এবং গল্পের চাহিদা অনুযায়ী। অথৈর এমন অভিযোগকে ‘ভুল বোঝাবুঝি’ এবং ‘অপেশাদার আচরণ’ বলেও দাবি করেন তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ব্যক্তিগত চ্যাটের ৪৪টি স্ক্রিনশট প্রকাশ করে যা বললেন তিথি

    অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী আফরা ইবনাথ খান ইকরার আত্মহত্যার ঘটনায় যে কয়টি নাম নিয়ে বিতর্ক উঠেছে তার মধ্যে অন্যতম ইফফাত আরা তিথি। এই ঘটনার পর ইকরার পরিবার ও বান্ধবীরাও দাবি করেন, আলভীর সঙ্গে অভিনেত্রী তিথির সম্পর্কের জেরেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন ইকরা।

    নেপাল থেকে দেশে ফিরে অভিনেতার সঙ্গে তার ‘সম্পর্ক’ প্রসঙ্গে তিথি নিজেও মুখ খুলেছিলেন। এবার ইকরার মৃত্যুকে ঘিরে চলমান বিতর্কে নিজের নাম জড়ানোর বিষয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট দিলেন এ অভিনেত্রী।  ওই পোস্টে তিনি দাবি করেছেন, আলভীর সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে যেসব অভিযোগ উঠেছে, সেগুলো ‘ভুল ব্যাখ্যা’ ও ‘অপপ্রচার’।

    বুধবার (৪ মার্চ) বিকালে নিজের ফেসবুক আইডিতে দীর্ঘ এক পোস্টে ইকরার সঙ্গে ব্যক্তিগত চ্যাটের ৪০টিরও বেশি স্ক্রিনশট প্রকাশ করেন তিথি। সেগুলো প্রকাশ করে তিনি লেখেন, ‘ভেবেছিলাম, এগুলো জনসমক্ষে প্রকাশ করব না। প্রশাসনের প্রয়োজন হলে সেখানে দেব, সবার সম্মান রক্ষার্থে। কিন্তু আমাকে যেভাবে উত্ত্যক্ত করা হচ্ছে, আর চুপ থাকা গেল না। ইতোমধ্যে কিছু জায়গায় আমি অডিও বক্তব্য দিয়েছি। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    নিজেরা খুব সাধু সাজতেছেন, আপনারা কি সেটার আমলনামাও আছে।’

    তিথি দাবি করেন, আলভীর সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছে তা ভিত্তিহীন। পোস্টে ‘ইকরার সঙ্গে তার স্বাভাবিক যোগাযোগ ছিল’ দাবি করে তিথি জানান, ইকরার সঙ্গে তার নিয়মিত ও স্বাভাবিক কথাবার্তা হতো। পারিবারিক অশান্তি, ব্যক্তিগত হতাশা ও ডিপ্রেশনের বিষয়েও ইকরা বিভিন্ন সময় তার সঙ্গে কথা বলেছেন।

    স্ক্রিনশটগুলো প্রকাশ করে তিথি বলেন, ‘‘কারো সংসার ভাঙার ইচ্ছা আমার ছিল না। ও কয়েকবারই আমাকে বলেছে, সে আমেরিকা চলে যাবে। তখন আমি বরাবরই বলেছি, ‘চাইলেও যেতে পারবে না, তুমি আলভীকে ভালোবাসো, তুমি তার কুইন।’ তাহলে আত্মহত্যার জন্য আমি কিভাবে উসকানি দেব? যাই বলেন, এটা বলতে পারেন না যে আমি ওকে নিজের জীবন নেওয়ার জন্য উস্কে দিয়েছি। সে তার নিজের জীবন নিজে নিয়েছে, সন্তানটার কথা একটাবার মা হয়ে ভাবলে আজকে এই জীবনটা থাকত।”

    অভিনেত্রীর পোস্টে ইকরার পরিবারের প্রসঙ্গও উঠে আসে। তার দাবি, ইকরা নিজেই পরিবারের সঙ্গে দূরত্ব ও মানসিক কষ্টের কথা লিখেছিলেন। এ বিষয়ে তিথি লেখেন, ‘একটা মেয়ে যত যা–ই হোক নিজের বাবা–মাকে নিয়ে তো মিথ্যা বলবে না। আমি ওনাদের দোষ দিচ্ছি না। কিন্তু ইকরার মনে ওর পরিবার নিয়েও কষ্ট ছিল।

    ওর ফিল হতো যে ওর পরিবার ওকে নিজের হালে ছেড়ে দিয়েছে। স্পষ্ট লিখেছে যে ২০১৮ সালে একবার ও আলাদা হয়ে গিয়েছিল এবং ওর বাবাকে বলেছিল যে ওকে বিদেশে পাঠিয়ে দিতে কিন্তু ওনারা সাপোর্ট করে নাই। সেই থেকে ওর মনে একটা ক্ষোভ তাদের নিয়ে, যা থেকে এরপর আর কোনো দিন সে মুখ ফুটে কিছু বলে নাই।’

    পোস্টে তিথি আরও লেখেন- যদি তার কিছু হয়ে যায়, তাহলে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো যেন বিষয়টি তদন্ত করে।

    দীর্ঘ পোস্টের শেষাংশে ইকরার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে তিথি লেখেন, ‘আল্লাহ ওকে ভালো রাখুক। শান্তিতে রাখুক। ওর এই চিরনিদ্রা শান্তির হোক। আর দূর থেকেই রিযিককে এত দোয়া করুক, যাতে রিযিকের জীবনটা সুন্দর হয়।’

    উল্লেখ্য, সম্প্রতি নাটকের শুটিংয়ের জন্য আলভী ও তিথি নেপালে যান। ২৭ ফেব্রুয়ারি ছিল তিথির জন্মদিন। বিনোদন অঙ্গনে গুঞ্জন ছড়ায়—তিথির জন্মদিন উদযাপনের উদ্দেশ্যেই নেপালে শুটিংয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আলভী। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইকরা মারা যান। এর পর থেকেই আলভী ও তিথির সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা আরও তীব্র হয়। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • সহশিল্পীকে মারধরের অভিযোগ প্রসঙ্গে মুখ খুললেন তিশা

    অভিনেত্রী তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলেছেন তার সহশিল্পী সামিয়া অথৈ। এই অভিনেত্রীর দাবি, তিশা তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আঘাত ও অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেছেন। এবার এ নিয়ে মুখ খুলেছেন তিশা।

    তিনি জানান, এটি কোনো ব্যক্তিগত আক্রমণ ছিল না; যা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ চরিত্রের প্রয়োজনে এবং গল্পের চাহিদা অনুযায়ী। অথৈর এমন অভিযোগকে ‘ভুল বোঝাবুঝি’ এবং ‘অপেশাদার আচরণ’ বলেও দাবি করেন তিনি।

    তানজিন তিশা জানান, মূলত চরিত্রের প্রয়োজনে এবং স্ক্রিপ্টের খাতিরেই তাকে আক্রমণাত্মক হতে হয়েছিল। অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি পুরোপুরি আমার চরিত্রটি ফুটিয়ে তুলছিলাম। আমি এমন একটি চরিত্র করছি যেখানে আমি একজন স্পেশাল চাইল্ড বা অটিস্টিক।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    চরিত্রের প্রয়োজনে তাকে মানুষকে মারতে হতে পারে, কামড় দিতে হতে পারে এমনকি পানিতে চুবিয়েও ধরতে হতে পারে। আপনারা ১৫ থেকে ২০ দিন পরই কাজটি দেখতে পারবেন এবং তখন বুঝতে পারবেন কোন চরিত্রের জন্য কী করা হয়েছে।’

    তিশা আরও বলেন, ‘সে এমনভাবে লাইভ করেছে যেন আমি তাকে পারসোনালি অ্যাটাক করেছি। এখানে পারসোনালি অ্যাটাকের কিছুই নেই, তার বুঝতে ভুল হয়েছে। আমি যতটুকু করেছি, আমার চরিত্রের প্রয়োজনে করেছি।

    যতটুকু স্ক্রিপ্টে আছে, ততটুকুই করেছি। আমি চরিত্রের বাইরে কিছুই করিনি। এটা তার দুর্বলতা যে প্রফেশনাল সমস্যাটাকে ব্যক্তিগত সমস্যা হিসেবে নিয়েছে।’

    এই অভিনেত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, ‘আমাকে নিয়ে যা যা বলা হয়েছে তা পুরোপুরি একটি ব্যক্তিগত আক্রমণ ছাড়া আর কিছুই নয়।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • তানজিন তিশা কেন আমাকে মারল? বিচার চাই: সামিয়া

    ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশার বিরুদ্ধে তার এক সহশিল্পীকে মারধরের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।  সম্প্রতি মানিকগঞ্জে একটি ঈদ নাটকের শুটিংয়ে তিশার কাছে মারধরের শিকার হন বলে মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এক ফেসবুক লাইভে অভিনেত্রী সামিয়া অথৈ অভিযোগ করেন।

    তার দাবি, একটি চড়ের দৃশ্যকে কেন্দ্র করে শুটিং চলাকালে এ ঘটনা ঘটে।

    লাইভের ক্যাপশনে সামিয়া লেখেন, শুটিং সেটে তানজিন তিশা কেন আমাকে মারলো? এর সঠিক বিচার চাই। সম্মান সবার প্রাপ্য।

    পরিচালক রাফাত মজুমদার রিংকুর নতুন নাটকের শুটিং সেটে সামিয়া অথৈকে সজোরে চড় ও খামচি দিয়ে রক্তাক্ত করার এই অমানবিক ঘটনাটি ঘটে মানিকগঞ্জে।  নাটকটিতে তিশা, অথৈ ছাড়াও আরও অভিনয় করছেন শহিদুজ্জামান সেলিম, মোমেনা এবং মীর রাব্বী।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    মূল অঘটনটি ঘটে গত ২ মার্চ অথৈয়ের প্রথম দৃশ্যের শুটিংয়ের সময়। দৃশ্য ধারণ চলাকালে তানজিন তিশা স্ক্রিপ্টের বাইরে গিয়ে সবার সামনে ইচ্ছাকৃতভাবে অথৈকে সজোরে খামচি দিয়ে হাত ছুলে রক্তাক্ত করে ফেলেন বলে অভিযোগ।

    চরম অপমানজনক ও যন্ত্রণাদায়ক হলেও অথৈ সে সময় বিষয়টি মুখ বুজে সহ্য করে নেন। তখন মনিটরে বসে পুরো দৃশ্যটি দেখছিলেন অভিনেতা শহিদুজ্জামান সেলিম এবং পরিচালক রিংকু। অপ্রত্যাশিত এই দৃশ্য দেখে সেলিম অবাক হয়ে অথৈয়ের কাছে জানতে চান তিশা কেন এমন আচরণ করলেন।

    ফেসবুক লাইভে এসে অথৈ বলেন, ‘একটি দৃশ্যে সহশিল্পী তানজিন তিশাকে আমার চড় মারার দৃশ্য ছিল। গল্পে তিশার চরিত্রটি পাগলের। পরিচালক আমাকে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন কিভাবে চড় মারতে হবে। আমি একদমই আলতোভাবে তাকে চড় মারি। কিন্তু ঘটনার পরেই তিশা আপুর মতো সিনিয়র শিল্পী আমাকে পাল্টা চড় মারেন। শুধু তা-ই নয়, শুটিংয়ে সবার সামনে একের পর এক মারেন।’

    এ সময় ফেসবুক লাইভে বার বার কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায় অথৈকে। তিনি আরও বলেন, ‘গতকালও একটি দৃশ্যের শুটিং করতে গিয়ে হাতে আঘাত দিয়েছেন। আমি কিছু বলিনি। আজ আবার এমন ঘটনা কোনোভাবেই মানতে পারছি না।

    তিনি সিনের মধ্যেই আমাকে মেরেছেন, মেরে গাল ফুলিয়ে দিয়েছেন। আমার চোখ ফুলে গেছে। আমার জীবনে শুটিংয়ে এমন অভিজ্ঞতা কখনো হয়নি। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।’

    এই ঘটনায় নাটকের নির্মাতা রাফাত মজুমদার রিংকুর ভাষ্য- তিশা ইচ্ছা করে কিছুই করেননি, চরিত্রের প্রয়োজনেই তিনি এমনটা করেছেন।

    পরিচালক বলেন, ‘নাটকের একটি দৃশ্যে চড় ছিল। চরিত্রের প্রয়োজনে দৃশ্যটি রাখা হয়। দুজন দুজনকে আস্তে করে চড় দিতে গিয়েই হয়তো কেউ বলেছে জোরে লেগেছে। দুজন দুজনকে চড় দিতে গিয়েই ভুল-বোঝাবুঝি হয়েছে। এটা এমন কিছু নয়। এ নিয়েই সামিয়া অথৈ মন খারাপ করে শুটিং ছেড়ে চলে গেছেন। অন্যরা সবাই আছেন।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • সহশিল্পীকে মেরে রক্তাক্ত করার অভিযোগ তিশার বিরুদ্ধে

    সহশিল্পীকে মারধরের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশার বিরুদ্ধে। জানা গেছে, নির্মাতা রাফাত মজুমদার রিংকুর নতুন নাটকের শুটিং সেটে এ ঘটনা ঘটে।

    অভিযোগ উঠেছে, মানিকগঞ্জে এই নির্মাতার নতুন নাটকের শুটিং চলাকালে অভিনেত্রী সামিয়া অথৈকে সজোরে চড় ও খামচি দিয়ে রক্তাক্ত করার এই অমানবিক ঘটনাটি ঘটে।  মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিকালে এক ফেসবুক লাইভে এসে সামিয়া অথৈ এমনটা জানিয়েছেন।

    এই নাটকটিতে তানজিন তিশা, সামিয়া অথৈ ছাড়াও আরও অভিনয় করছেন শহিদুজ্জামান সেলিম, মোমেনা এবং মীর রাব্বী।

    জানা যায়, ঘটনার সূত্রপাত একটি উপহার দেওয়াকে কেন্দ্র করে। তিশার নতুন সিনেমার খবরে আনন্দিত হয়ে ঢাকা থেকে একটি উপহার নিয়ে গিয়েছিলেন সামিয়া অথৈ। কিন্তু তিশা চরম অসৌজন্যমূলক আচরণ করে সেই উপহার নিতে অস্বীকৃতি জানান। এতে অথৈ বিব্রত হয়ে চুপ হয়ে যান।

    কিন্তু মূল ঘটনা ঘটে গত ২ মার্চ, অথৈয়ের প্রথম দৃশ্যের শুটিংয়ের সময়। অভিযোগ অনুযায়ী, দৃশ্য ধারণ চলাকালে তানজিন তিশা স্ক্রিপ্টের বাইরে গিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে অথৈকে খামচি দেন, এতে তার হাত ছুলে রক্ত বের হয়। ঘটনাটি সবার সামনেই ঘটে। 

    অথৈ দাবি করেছেন, অপমানজনক ও যন্ত্রণাদায়ক পরিস্থিতি সত্ত্বেও তিনি তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিবাদ করেননি।

    শুটিং মনিটরে বসে পুরো দৃশ্যটি দেখছিলেন শহিদুজ্জামান সেলিম ও পরিচালক রিংকু। অপ্রত্যাশিত ঘটনায় সেলিম বিস্ময় প্রকাশ করে অথৈয়ের কাছে জানতে চান, আগে থেকে তাদের মধ্যে কোনো বিরোধ ছিল কিনা। তখনই অথৈ প্রবীণ এই অভিনেতার কাছে তিশার অতীত একটি হুমকির কথা ফাঁস করেন।

    অথৈ জানান, এর আগে অভিনেতা মুশফিক আর ফারহানের সঙ্গে কাজ করার সময় তানজিন তিশা তাকে ফোন করে হুমকি দিয়েছিলেন। শুধু তাকেই নয়, অভিনেত্রী কেয়া পায়েলসহ আরও অনেককেই ফোন করে ফারহানের সঙ্গে কাজ করতে নিষেধ করেন তিশা।

    সে সময় তিশার কাছে এর কারণ জানতে চাইলে তিনি দাবি করেন, ফারহান তার ‘জামাই’। ঘটনার পর অথৈ বিষয়টি ফারহানকে জানান এবং পরে তার সঙ্গে আর কাজ করেননি।

    পুরোনো সেই ক্ষোভ থেকেই দৃশ্য ধারণের সুযোগ নিয়ে তিশা এই শারীরিক নির্যাতন চালিয়েছেন বলে অভিযোগ সামিয়া অথৈয়ের।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৩ সালের নভেম্বরে ‘তিশার আত্মহত্যার চেষ্টা’ শিরোনামে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়েছিল। ওই সময় গুঞ্জন উঠে, অভিনেতা মুশফিক আর ফারহানের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জটিলতা থেকে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন অভিনেত্রী। সেই সময়টায় ঘুমের ওষুধ খেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল তাকে। যদিও পরে এ কথা অস্বীকার করেন তিনি।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তানজিন তিশার এক সহকর্মী তখন জানিয়েছিলেন, ছোটপর্দার আরেক জনপ্রিয় অভিনেতা মুশফিক আর ফারহানের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে তিশার। কিছু বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে মতের অমিল হয়। এতেই শুরু হয় ঝামেলা। এ কারণেই তিশা ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিজয়-সংগীতার বিচ্ছেদের নেপথ্যে দক্ষিণী অভিনেত্রীর নাম

    দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির মেগাস্টার থালাপতি বিজয় ও সংগীতা স্বর্ণালিঙ্গমের দীর্ঘ ২৬ বছরের সম্পর্কে ছন্দপতন ঘটেছে অনেক আগেই। যদিও তা প্রকাশ্যে এসেছে  শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি)। ইতোমধ্যে আদালতে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করেছেন বিজয়ের স্ত্রী সংগীতা। স্বামীর বিরুদ্ধে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ এনেছেন তিনি। সেই অভিযোগেই উঠে এসেছে এক অভিনেত্রীর সঙ্গে বিজয়ের পরকীয়ার মতো বিষয়। কিন্তু কে সেই অভিনেত্রী? 

    বর্তমানে এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মধ্যে। আর এসবের মাঝেই নেটিজেনরা নেটপাড়া ঘেঁটে বের করেছেন দক্ষিণী বিনোদন দুনিয়ার জনপ্রিয় অভিনেত্রীর সঙ্গে বিভিন্ন ছবি। আর তা কেউ নন অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণান।

    জানা গেছে, অভিনেত্রী তৃষার সঙ্গেই নাকি সম্পর্কে জড়িয়েছেন বিজয়। ২০২১ সাল থেকে সেই সম্পর্ক চলছে। একসময়ের দক্ষিণী বড়পর্দার হিট জুটি তৃষা-বিজয়। ২০০৪ সালে ‘ঘিল্লি’ সিনেমায় প্রথম জুটি বাঁধেন তারা। এরপর ‘তিরুপাচ্চি’, ‘আথি’ সহ বেশ কিছু সিনেমায় অভিনয় করেন। ২০০৮ সালে তাদের শেষ দেখা গিয়েছিল জুটি হিসেবে পর্দায়। তারপর দীর্ঘ বেশ অনেক বছর তাদের একসঙ্গে পর্দায় দেখা মেলেনি।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ২০২৩ সালে আবার ‘লিও’ সিনেমার মাধ্যমে পর্দায় ফেরে পছন্দের সেই জুটি। তবে ‘ঘিল্লি’ সিনেমার সময় থেকেই তাদের নিয়ে প্রেমের গুঞ্জন দানা বেঁধেছিল। যদিও তাতে পানি ঢালেন বিজয় ও তৃষা। তবে তা যে এমন ব্যুমেরাং হয়ে ফিরে আসবে কে তা জানত? 

    নেটপাড়ায় ইতোমধ্যে তৃষা ও বিজয়ের একসঙ্গে সময় কাটানোর নানা ভিডিও ভাইরাল। ‘কোয়ালিটি টাইম’ কাটাতেই দেখা গেছে সেই সিনেমার শুটিংয়ের ‘বিহাইন্ড দ্য সিন’ ভিডিওতে। এখানেই শেষ নয়, ঘনিষ্ঠ বন্ধুর বিয়েতে একসঙ্গে গোয়ায় সময় কাটিয়েছেন তারা। আর সেখান থেকেই নেটপাড়া প্রশ্ন তুলেছে— তাহলে কি তৃষাই এ বিচ্ছেদের মূল কারণ? 

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রযোজক বন্ধুর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ, মুখ খুললেন হানিয়া

    পাকিস্তানি প্রযোজক উমর মুখতারের বিরুদ্ধে ওঠা যৌন হয়রানির অভিযোগ এবং তা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে চলা সমালোচনার মুখে অবশেষে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করলেন অভিনেত্রী হানিয়া আমির। অভিযুক্ত প্রযোজকের সঙ্গে বন্ধুত্বের কারণে গত কয়েকদিন ধরেই নেটিজেনদের তোপের মুখে ছিলেন তিনি।

    সম্প্রতি মডেল ও ইনফ্লুয়েন্সার মাহনুর রহিম প্রযোজক উমর মুখতারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনেন। ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা এক ভিডিওতে মাহনুর দাবি করেন, উমর তাকে সামাজিক মাধ্যমে গভীর রাতে (ভোর ৩টা) আপত্তিকর এবং অস্বস্তিকর বার্তা পাঠাতেন।

    একই ভিডিওতে মাহনুর হানিয়া আমিরেরও সমালোচনা করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, হানিয়া পাকিস্তান ও জাতিসংঘের (UN) জাতীয় শুভেচ্ছা দূত হওয়া সত্ত্বেও কীভাবে এমন আচরণের অভিযুক্ত ব্যক্তির সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    প্রশ্নের মুখে পড়ে এবার এ বিষয়ে স্পষ্ট জবাব দিলেন এই পাকিস্তানি অভিনেত্রী। গত ২০ ফেব্রুয়ারি ইনস্টাগ্রাম স্টোরির মাধ্যমে হানিয়া এই বিতর্কের জবাব দেন। তিনি লেখেন, ‘সম্প্রতি এমন একটি পরিস্থিতিতে আমার নাম জড়ানো হয়েছে, যে বিষয়ে আমার কোনো জ্ঞান বা সম্পৃক্ততা ছিল না। আমি বিষয়টি স্পষ্টভাবে পরিষ্কার করতে চাই।’

    হানিয়া জোর দিয়ে বলেন, নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করে এমন যেকোনো ধরনের হয়রানি বা শোষণের বিরুদ্ধে তার অবস্থান সব সময় আপসহীন। পাশাপাশি তিনি এই বিষয়গুলোকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিচার করারও আহ্বান জানান।

    এছাড়া সাহস করে নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা বলার জন্য মাহনুর রহিমসহ অন্য নারীদের প্রশংসা করেন হানিয়া। অভিনেত্রী জানান, বর্তমানে উদ্ভূত পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে তিনি অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।  তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমার সঙ্গে কারও পূর্বের মেলামেশাকে যেন কখনোই সেই ব্যক্তির ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ডের সমর্থন হিসেবে গণ্য না করা হয়।’

    নিজের দায়বদ্ধতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে হানিয়া আমির বলেন, প্রতিটি শিল্প ও সমাজে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং জবাবদিহিতা বজায় রাখা আমার অঙ্গীকার। একজন নারী হিসেবে ক্ষতিকর আচরণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো এবং যারা প্রতিবাদ করছেন তাদের সমর্থন দেওয়া আমাদের সবার সম্মিলিত দায়িত্ব। 

    বিনোদন ডেস্ক