Tag: অভিনেত্রী

  • শাড়ি নিয়ে প্রতারণা মামলায় জামিন পেলেন তানজিন তিশা

    অনলাইন ফ্যাশন পেজ থেকে শাড়ি নেওয়ার পর মূল্য পরিশোধ ও প্রচারের প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করার অভিযোগে করা প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের মামলায় জামিন পেয়েছেন ছোটপর্দার দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। 

    বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে আত্মসমর্পণ করলে জামিন পান তিনি। এদিন সকাল ১১টা ২৫ মিনিটে আদালতে মামলাটির শুনানি শুরু হয়। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন। 

    এর আগে গত ১২ জুলাই তাকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন আদালত। 

    এর আগে, ২০২৫ সালের ৫ নভেম্বর ‘অ্যাপোনিয়া ফ্যাশন’ প্রতিষ্ঠানের এক্সিকিউটিভ মো. আমিনুল ইসলাম ঢাকার আদালতে তিশার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। 

    মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, অনলাইন ফ্যাশন পেজ ‘অ্যাপোনিয়া’ থেকে প্রায় ২৮ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের একটি শাড়ি সংগ্রহ করেন তানজিন তিশা। শাড়িটির প্রচারণা চালানো এবং মূল্য পরিশোধের আশ্বাস দেওয়া হলেও পরে তিনি যোগাযোগ বন্ধ করে দেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়। এরই প্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে মামলা করা হয়। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তবে অভিযোগ ওঠার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে এই অভিনেত্রী দাবি করেছিলেন, শাড়িটি তাকে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছিল। তাই এর মূল্য পরিশোধের কোনো প্রশ্ন ছিল না। 

    এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার পর ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি) তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত। পরে ডিবির দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে তানজিন তিশার বিরুদ্ধে সমন জারি করেন আদালত এবং তাকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। 

    সমনের নির্দেশ অনুযায়ী বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন অভিনেত্রী তিশা। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ডিভোর্সের মামলা তুলে নিলেন বিজয়ের স্ত্রী, রহস্যময় বার্তা তৃষার

    দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির সুপারস্টার তথা রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয়ের স্ত্রী সংগীতা সোরনালিঙ্গম এর মধ্যেই বিবাহবিচ্ছেদের মামলা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এর চার দিন পরেই সামাজিক মাধ্যমে পরপর দুটি রহস্যময় পোস্ট করলেন অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণন। আর তাতেই নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে বিজয়-সংগীতার দাম্পত্যজীবন নিয়ে। 

    সদ্য সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে একটি পোস্ট দিয়েছেন অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণান। সেই পোস্টে একটি ইমোজি দিয়ে অভিনেত্রী লিখেছেন— এই বয়সে এত নাটক করা সত্যিই লজ্জাজনক। তারচেয়ে বরং টাকা রোজগার কর এবং শান্তিতে থাকো। 

    তবে কার উদ্দেশে কিংবা কোন পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে অভিনেত্রী এ বার্তা দিয়েছেন, তা স্পষ্ট করেননি তিনি। কিন্তু সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের অনুমান— সংগীতার বিবাহবিচ্ছেদ প্রত্যাহারের জেরেই এ পোস্ট দিয়েছেন তৃষা কৃষ্ণান।

    এরপর আরও একটি স্টোরি শেয়ার করে নেন অভিনেত্রী। সেখানে তিনি লিখেছেন— একদিন যে জীবনের প্রার্থনা করেছিলে, সেই জীবনে ডুবে থাকার সৌভাগ্য আর কী হতে পারে। তৃষার এ দুই পোস্টের কোনোটিতেই বিজয় কিংবা সংগীতার নাম উল্লেখ করা হয়নি।

    তবে সংগীতার বিবাহবিচ্ছেদের মামলা প্রত্যাহারের পর এ পোস্টগুলো প্রকাশ্যে আসায় সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা-কল্পনা। দীর্ঘদিন ধরেই বিজয়ের সঙ্গে তৃষার সম্পর্ক নিয়ে নানা গুঞ্জন ছড়িয়েছে। যদিও বিজয় কিংবা তৃষা— কেউ-ই প্রকাশ্যে সেই জল্পনা নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।

    উল্লেখ্য, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করেছিলেন থালাপতি বিজয়ের স্ত্রী  সংগীতা সোরনালিঙ্গম। বিয়ে হয় ১৯৯৯ সালে। তাদের দুই সন্তান রয়েছে— জেসন সঞ্জয় ও দিব্যা শাশা। 

    এর মধ্যেই তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসেছেন থালাপতি বিজয়। সম্প্রতি বিবাহবিচ্ছেদের মামলা প্রত্যাহার করেন সংগীতা। আদালতের নির্দেশানুযায়ী, ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে হাজির হয়ে সংগীতা জানান যে, তিনি আর মামলাটি চালিয়ে যেতে চান না। এর পাশাপাশি মামলা প্রত্যাহারের আবেদনও জমা দেন তিনি।

    বিজয়ের আইনজীবী সেই আবেদনের বিরোধিতা করেননি। এরপর আদালত সংগীতাকে মামলা প্রত্যাহারের অনুমতি দেন। তবে ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে নতুন করে মামলা করার সুযোগও রাখা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে অবশ্য সংগীতার মামলা প্রত্যাহারের কারণ ব্যাখ্যা করা হয়নি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সোহানা সাবার স্বামী কে এই ফয়সাল

    ফের বিয়ে করেছেন অভিনেত্রী সোহানা সাবা। সাড়ে পাঁচ বছর প্রেম করার পর দেড় বছর আগে বিয়ে করেন এই অভিনেত্রী। দীর্ঘদিন ধরেই একমাত্র সন্তানকে ঘিরে তার জীবন কাটছিল। এখন তার জীবনে নতুন একজন মানুষ এসেছেন, নাম ফয়সাল। পেশায় তিনি একজন ব্যবসায়ী। 

    নাটক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা মুরাদ পারভেজের সঙ্গে প্রায় ১০ বছরের সংসার ছিল সোহানা সাবার। ২০১৫ সালে সেই দাম্পত্য জীবনের ইতি ঘটে। বিচ্ছেদের পর একমাত্র সন্তানকে নিয়েই ছিল তার জীবন। 

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের দাম্পত্য জীবন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সোহানা সাবা বলেন, ‘আমার স্বামী, আমরা ভালো আছি। সাড়ে পাঁচ বছরের সম্পর্ক। বিয়ে অনেক আগে হয়েছে। দিন-তারিখ বলতে চাই না। আমার ছেলে অনেক খুশি।’

    অভিনেত্রীর এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে তার ব্যক্তিগত জীবনের নতুন অধ্যায়ের বিষয়টি সামনে আসে। তবে স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক কিংবা বিয়ের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করতে আগ্রহী নন তিনি। বরং নতুন সংসারে ভালো থাকার কথাই জানিয়েছেন সাবা।

    বর্তমানে স্বামী ও সন্তানকে নিয়ে ভালো আছেন বলেই জানিয়েছেন সোহানা সাবা। বিশেষ করে তার ছেলে নতুন এই সম্পর্ককে ইতিবাচকভাবেই নিয়েছে। সাবার ভাষায়, তার ছেলে এ নিয়ে অনেক খুশি।

    টেলিভিশন নাটকের মাধ্যমে পরিচিতি পাওয়া সোহানা সাবা পরবর্তীসময়ে বড় পর্দায় নিজের অবস্থান তৈরি করেন। চলচ্চিত্রের মিষ্টি মেয়েখ্যাত অভিনেত্রী ও নির্মাতা কবরীর পরিচালনায় ‘আয়না’ সিনেমার শুটিংয়ের মধ্য দিয়ে বড় পর্দায় তার যাত্রা শুরু। 

    শুধু বাংলাদেশের চলচ্চিত্রেই সীমাবদ্ধ থাকেননি সাবা। ভারতের চলচ্চিত্রেও কাজ করেন তিনি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমরা অনেক দিন বাঁচব, তাই মৃত্যুটাকে সহজে মেনে নিতে পারি না: নওশাবা

    বিনোদন জগতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কাজী নওশাবা আহমেদ। তিনি অনবদ্য অভিনয়দক্ষতা দিয়ে দর্শকদের মনে আলাদা জায়গা করে নিয়েছেন। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে তার অভিনীত স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা ‘পেইন্ট অন ড্রাই লিফ’। একটি গণমাধ্যমে সিনেমা প্রসঙ্গ ছাড়াও নানা বিষয়ে কথা বলেছেন অভিনেত্রী।

     ‘পেইন্ট অন ড্রাই লিফ’ সিনেমার ট্রেলার দেখেই আঁচ করা যায়, একটু ভিন্ন আঙ্গিকের কাজ?—এমন প্রশ্নের উত্তরে কাজী নওশাবা আহমেদ বলেন, নির্মাতা ফুয়াদুজ্জামান ফুয়াদ এবং তার স্ত্রীর সঙ্গে করোনা মহামারির সময় থেকেই সিনেমাটি নিয়ে আমাদের কথা শুরু হয়। দীর্ঘ সময় ধরে কাজটা ভীষণ যত্ন নিয়ে করা হয়েছে। 

    তিনি বলেন, আমরা সাধারণ মানুষরা ভেবে নিই, অনেক বছর বেঁচে থাকব। আর সে কারণে প্রকৃতিকে অবলীলায় ধ্বংস করে ফেলছি। কিন্তু মানুষের এই জীবন যে চিরস্থায়ী নয় এবং যতদিন আমরা বেঁচে থাকি ততদিন নিজেদের ভালোবাসতেও ভুলে যাই। 

    অভিনেত্রী বলেন, এমনকি পাশের মানুষটার সঙ্গেও দূরত্ব তৈরি হয়। প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের যে অমূল্য সম্পর্ক, সেটাকেও আমরা মূল্যায়ন করি না। এই মূল্যায়নের জায়গা থেকে একজন মানুষ ও শিল্পী হিসেবে আমার জীবনের যে অন্তর্নিবিষ্ট যাত্রা, তাতে এ সিনেমা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলে জানান নওশাবা আহমেদ। 

    তিনি বলেন, খুব কাকতালীয় বা অলৌকিকভাবেই আমার জীবনের ও প্রকৃতিকে দেখার যে উপলব্ধি, ঠিক সেই সময় এ সিনেমার গল্পটা আসে। কিছু প্রিয় কবিতা মানুষ যেমন বারবার পড়ে এবং প্রতিবার নতুন করে আবিষ্কার করে, এই সিনেমাটিও আমার জীবনে বারবার যাপন করতে ইচ্ছা করে। আবার যখন জীবনে নতুন কোনো উপলব্ধি আসবে, তখন এ চরিত্রটা আবার নতুন করে করতে ইচ্ছা করবে।

    আপনার সহশিল্পী ইমতিয়াজ বর্ষণের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে নওশাবা  বলেন, বর্ষণ আমার খুবই পছন্দের একজন মানুষ ও ভালো শিল্পী। আমার প্রথম সিনেমা ‘আলগা নোঙর’ থেকেই সে সহশিল্পী ছিল। যদিও সেই সিনেমাটি মুক্তি পায়নি। তবে সে মানুষ হিসাবে খুব ভালো। এমনকি শিল্পী হিসেবেও ভীষণ সহযোগিতাপূর্ণ। 

    তিনি বলেন, এ সিনেমাটি খুব অল্প সময়ে আমরা শুটিং করেছি। কিন্তু আমাদের জার্নি ও প্রস্তুতি ছিল দীর্ঘদিনের। এ রকম অসাধারণ টিম না পেলে এত কম সময়ে এমন কাজ করা সম্ভব হতো না।

    অভিনেত্রী বলেন, মানুষ মরণশীল, কিন্তু প্রতি সেকেন্ডে আমরা ভুলে যাই। আমাদের মধ্যে একটি ভুল ধারণা থাকে— আমরা অনেক দিন বাঁচব; তাই মৃত্যুটাকে সহজে মেনে নিতে পারি না। কিন্তু জন্মেছি যখন, মৃত্যু অবধারিত— এটাই চিরন্তন সত্য।

    এ সিনেমাটিতে একটি সংলাপ শোনা যায়— ‘অমর হবার কোনো জাদুকরী পথ নেই’। সেই সংলাপ নিয়ে আপনার ভাবনা কী? উত্তরে নওশাবা বলেন, আমরা কেন যেন এক ধাঁধার মধ্যে পুরো জীবন পার করে দিই। মনে করি আজ ঝগড়া করলাম, কাল ভালোবাসব বা আজ গাছ কেটে ফেলে দু-বছর পর আবার লাগাব। কিন্তু আমি যে কাল পর্যন্ত বেঁচে থাকব, সেই সুযোগটা পাব কিনা তার নিশ্চয়তা কই? তাই অমর হতে হলে আসলে ভালোবাসা, অনুভূতি এবং প্রকৃতিকে রক্ষার মাধ্যমেই অমর হতে হয়— শারীরিক অবস্থান দিয়ে নয়।

     ‘পেইন্ট অন ড্রাই লিফ’ সিনেমার গল্পটা গভীর মনস্তাত্ত্বিক মনে হচ্ছে। আপনার দৃষ্টিতে কেমন?— এমন প্রশ্নের উত্তরে নওশাবা বলেন,  এ সিনেমাটি মূলত একটি মানুষের জন্ম, মৃত্যু, প্রেম এবং প্রকৃতির সঙ্গে সম্পর্কের সূক্ষ্ম অনুভূতির কথা বলে। এখানে কোনো বিষয় সরাসরি বলে দেওয়া হয়নি। 

    তিনি বলেন, একটি ভালো কবিতা যেমন চারজন মানুষ পড়লে চার রকম অনুভূতি তৈরি হয়, এ সিনেমাটিও দর্শক তার নিজের মতো করে অনুধাবন করতে পারবেন। সিনেমাটি খুব বড় দৈর্ঘ্যের নয়, কিন্তু এর মনস্তাত্ত্বিক গভীরতা অনেক। এটি এমন এক কাজ, যা একজন শিল্পীকে বারবার নতুন করে করার তাগিদ দেয় বলে জানান এ অভিনেত্রী।

    শুটিংয়ের গল্প শুনতে চাইলে নওশাবা বলেন, এত গুছিয়ে আর যত্ন নিয়ে কাজটা বানানো হয়েছে, আমরা কাজ শুরু করার আগেই জানতাম কী করতে যাচ্ছি এবং কতটুকু করতে যাচ্ছি। শুটিংয়ের সময় প্রচুর ঠাণ্ডা ছিল। কিছু দৃশ্য দেখলে দর্শক বুঝতেই পারবেন, সেখানে আমরা কোনো কৃত্রিম কুয়াশা ব্যবহার করিনি। রাত কিংবা কনকনে শীতের ভোর সাড়ে ৪টায় ঘন কুয়াশার মধ্যেই আমরা শুটিং করতে যেতাম। দৃশ্যগুলো দেখলে হয়তো কারও মনে হতে পারে, এআই দিয়ে করা কিংবা ফগ মেশিন ব্যবহার করা হয়েছে। কিন্তু সত্যি বলতে— আমরা ওই তীব্র শীতের বাস্তব পরিবেশেই কাজ করেছি। এটি একটি অন্যরকম গভীর অনুভূতির কথা বলে, যা দর্শক দেখলেই বুঝতে পারবেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বেশিরভাগ পুরুষের চেয়ে হীরা মেয়েদের মন বেশি বোঝে: নুসরাত ফারিয়া

    ঢালিউড অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়াকে জুলাই গণ-আন্দোলনের পর রুপালি পর্দায় খুব একটা দেখা যায়নি। তবে অভিনয়ে নিয়মিত না থাকলেও সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনসহ ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে বরাবরই সরব উপস্থিতি রয়েছে তার। 

    সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে মাঝে একগুচ্ছ ছবি পোস্ট করেছেন নুসরাত ফারিয়া। সেখানে তার গ্ল্যামারাস লুক দেখে যে মুগ্ধ হয়েছেন ভক্ত-অনুরাগীরা, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। 

    সেখানে নুসরাত ফারিয়াকে দেখা গেছে, কাঁধখোলা কালো গাউন, নজরকাড়া নেকলেস আর খানিকটা স্নিগ্ধ বোল্ড লুকে। টিউব কাটের বডি ফিটেড কালো মেরমেড গাউনে ফুটে উঠেছে অভিনেত্রীর শার্প লুক। সাজসজ্জায় বেছে নিয়েছেন ডায়মন্ড ও পান্নার মিশেলে তৈরি নেকলেস, মানানসই দুল ও ব্রেসলেট। এ ছবিগুলোতে নুসরাত ফারিয়ার অভিব্যক্তিতে ফুটে ওঠে আভিজাত্য আর আত্মবিশ্বাসের ছাপ। সেসব ছবিতে দেখা গেছে, কখনো জানালার পাশে দাঁড়িয়ে, আবার কখনো বিলাসবহুল সোফায় হেলান দিয়ে ক্যামেরায় পোজ দিচ্ছেন অভিনেত্রী।

    তিনি বলেন, শুধু ছবিই নয়, ভক্তদের নজর কেড়েছে ছবির পোস্টে দেওয়া  ক্যাপশনটি। সেই ক্যাপশনে নুসরাত ফারিয়া লিখেছেন— বেশিরভাগ পুরুষের চেয়ে হীরাই মেয়েদের মন বেশি বোঝে। 

    ছবিগুলো পোস্ট করার পরপরই মন্তব্যের ঘরে নেটিজেনসহ ভক্ত- অনুরাগীদের মন ভরে যায়। অনেকেই বোল্ড লুকের প্রশংসা করেছেন অভিনেত্রীর রূপের প্রশংসা করে এক নেটিজেন  লিখেছেন— ‘একদম কুইন লুক!’ আরেক নেটিজেন মন্তব্য করেছেন— ‘সত্যিই দারুণ লাগছে ফারিয়া আপু!’ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • পঞ্চাশ পেরোনোর পরও বিয়ে না করার কারণ জানালেন আমিশা

    বিয়ে নিয়ে আপাতত কোনো পরিকল্পনাই নেই বলে জানিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী আমিশা প্যাটেল। যদিও এ কথা তিনি আগেও বলেছেন। একাই বেশ সুখে আছেন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী। 

    সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে ভক্ত-অনুরাগীদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বে নিজের ব্যক্তিগতজীবন নিয়ে খোলাখুলি কথা বলেন আমিশা প্যাটেল। যদিও এর আগে অভিনেত্রীর নাম একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে জড়ালেও চলচ্চিত্র পরিচালক বিক্রম ভাটের সঙ্গে তার সম্পর্কই সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছিল।

     কবে বিয়ে করছেন? এক অনুরাগীর এমন প্রশ্নের উত্তর একেবারে সোজাসাপটা দিলেন আমিশা প্যাটেল। তিনি লিখেছেন— কখনো না। একা থাকতে দারুণ লাগছে। আমার জীবনে পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু মিলিয়ে প্রায় ১০০ মানুষ আছেন, যাদের ভালোবাসা পাই। সেখানে একজন পুরুষ এসে সব সমীকরণ বদলে দিক, সেটি চাই না।

    যদিও এখন বিয়ে নিয়ে এ অবস্থা, কিন্তু অতীতে প্রেমের জন্য কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল তাকে। আবার ক্যারিয়ারের স্বার্থে ছাড়তেও হয়েছে সম্পর্ক। 

    এক সাক্ষাৎকারে আমিশা প্যাটেল জানিয়েছিলেন, অভিনয়ে আসার আগে এক শিল্পপতি পরিবারের যুবকের সঙ্গে তার গভীর সম্পর্ক ছিল। সামাজিক অবস্থান, পারিবারিক পরিবেশ, শিক্ষাগত যোগ্যতা— সব দিক থেকেই সেই সম্পর্ক ছিল আদর্শ। কিন্তু সিনেমায় অভিনয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর তার সঙ্গী চাননি, তিনি জনসমক্ষে পরিচিত মুখ হয়ে উঠুন। শেষ পর্যন্ত প্রেমের চেয়ে অভিনয়কেই বেছে নিয়েছিলেন অভিনেত্রী।

    আমিশা প্যাটেল বলেন, যিনি সত্যিই ভালোবাসবেন, তিনি কখনো সঙ্গীর পেশাগত সাফল্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবেন না। জীবনে প্রেমের জন্য যেমন অনেক কিছু হারিয়েছেন, ঠিক তেমনই ক্যারিয়ারের জন্যও অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতাই তাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে।

    তবে বিয়ের দরজা এখনো পুরোপুরি বন্ধ করে দেননি ‘কহো না পেয়ার হ্যায়’ সিনেমার এ অভিনেত্রী। আমিশা প্যাটেল বলেন, যোগ্য মানুষ পেলে এখনো বিয়ে করতে আপত্তি নেই। এখনো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠিত পরিবারের কাছ থেকে বিয়ের প্রস্তাব আসে বলেও জানিয়েছেন তিনি। এমনকি নিজের চেয়ে অনেক কম বয়সিরাও ডেটে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। বয়স নয়, মানসিক পরিণতিই তার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বয়সে বড় হলেও অনেকের বুদ্ধির পরিণতি অত্যন্ত হতাশাজনক বলে জানিয়েছেন আমিশা প্যাটেল।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণে বাঁচলেন মৌ

    টিভি পর্দার জনপ্রিয় উপস্থাপিকা ও অভিনেত্রী মৌসুমী মৌ সম্প্রতি ভয়াবহ এক সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি নিজেই খবরটি জানান। 

    এই উপস্থাপিকা বলেন, গতকাল শো শেষে বাসায় ফেরার পথে  তাকে বহনকারী গাড়িটিতে একটি দ্রতগামী পিকআপ সজোরে ধাক্কা দিলে মাথা, বুক, হাত ও পায়ে আঘাত পান। তবে বর্তমানে শঙ্কামুক্ত রয়েছেন বলে জানান তিনি। 

    ফেসবুক পোস্টে দুর্ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন মৌসুমী মৌ লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ! অনেক বড় বিপদ থেকে গতকাল (৫ আগস্ট) বেঁচে গেছি। শো শেষ করে বাসায় ফেরার পথে একটি পিকআপ আমাদের গাড়িতে ধাক্কা দেয়। এরপর আমি গাড়ির বাম পাশ থেকে ডান দিকে ছিটকে পড়ি। এতে মাথা, বুকে, পা ও হাতে ব্যথা পাই। কিন্তু বড় ধরণের কোনো কিছু আমার হয়নি।’ 

    তার লেখায় দুর্ঘটনার ভয়াবহতা ফুটে ওঠে। তিনি আরও বলেন, ‘আমার গাড়ির ঠিক পেছনে মোটরসাইকেলে ছিল আমার মেকআপ আর্টিস্ট মুমিন। কয়েক সেকেন্ডের হেরফের হলে দুর্ঘটনাটি আরও ভয়াবহ হতে পারত। আর যদি পিকআপটি গাড়ির দরজার দিকে আঘাত করত, তাহলে হয়তো আমি আর বেঁচে থাকতাম না।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    পিকআপ চালকের আচরণ নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন মৌসুমী মৌ। তার ভাষায়, ‘ড্রাইভারটা চরম বেয়াদব। ওর পিকআপের ব্রেক ঠিক নেই। তার আচরণে মনে হচ্ছিল কিছু খেয়ে সে গাড়ি চালাচ্ছে। পরে ওর মালিক এসে জানালেন ওর গাড়ি চালানোর কথা ছিল না।’ 

    পোস্টের শেষাংশে এই অভিনেত্রী লেখেন, ‘যাইহোক কোনটা সঠিক কোনটা বেঠিক জানি না। বেঁচে আছি, ভালো আছি, এটাই সবচেয়ে বড় কথা।’ 

    অবশ্য দুর্ঘটনাটি কোথায় ঘটেছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • দীর্ঘদিনের তিক্ততা ভুলে কারিনার দ্বারস্থ বানসালি, নেপথ্যে যে কারণ

    প্রায় আড়াই দশক পর মনোমালিন্য ভাঙছে বলিউডের বর্ষীয়ান পরিচালক-প্রযোজক-অভিনেতা সঞ্জয় লীলা বানসালি ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খানের। বলিপাড়ায় জোর গুঞ্জন— অতীতের তিক্ততা ভুলে নতুন সিনেমার জন্য কারিনা কাপুরের দ্বারস্থ হয়েছেন পরিচালক। নিজের প্রযোজনায় একটি নতুন সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে তাকেই চাইছেন নির্মাতা।

    এর আগে ২০০০ সালের শুরুর দিকে বানসালি যখন ‘দেবদাস’ সিনেমার জন্য অভিনেত্রী খুঁজছিলেন, ঠিক সেই সময় কারিনা কাপুর খানেরও লুক টেস্ট হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পার্বতীর চরিত্রে নেওয়া হয় সাবেক বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনকে। 

    সেই সময়ে নানা প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, এ ঘটনায় নিজেকে প্রতারিত মনে করেছিলেন কারিনা কাপুর। আর কোনো দিন বানসালির সঙ্গে কাজ করবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। সেই থেকে আর কোনো সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করতে দেখা যায়নি পরিচালক-অভিনেত্রী জুটিকে। তবে নতুন জল্পনা সত্যি হলে সেটাই হবে বলিউডের অন্যতম বড় প্রত্যাবর্তন।

    পরে বানসালি ‘গোলিও কি রাসলীলা রামলীলা’ সিনেমাতেও নাকি কারিনা কাপুরকে নায়িকা হিসেবে চেয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই সিনেমাতেও তাদের একসঙ্গে কাজ করা হয়নি। পেশাগত ব্যস্ততার কারণেই নাকি কারিনা কাপুর সিনেমাটি ছেড়ে দেন। কারিনার এ সিদ্ধান্তে বানসালি বিস্মিত হয়েছিলেন বলে শোনা যায়।

    সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়া খবর অনুযায়ী, বানসালি যে সিনেমার কথা ভেবেছেন, সেখানে কেন্দ্রীয় চরিত্রে দেখা যাবে অভিনেতা ধানুশকে। আর নায়িকার চরিত্রে কারিনা কাপুর খানকে নিতে আগ্রহী পরিচালক। যদিও এখনো কিছুই চূড়ান্ত হয়নি। তবে শোনা যাচ্ছে, সিনেমাটি নিয়ে আগ্রহ দেখিয়েছেন অভিনেত্রী।

    বানসালির প্রযোজনায় সিনেমাটি পরিচালনা করবেন তামিল পরিচালক পিএস মিত্রন। এর আগে ‘ইরুম্বু থিরাই’, ‘হিরো’ ও ‘সর্দার’ সিনেমার পরিচালনা করেছেন তিনি। বর্তমানে চিত্রনাট্যের কাজ চলছে। নভেম্বরে প্রাক-প্রযোজনার কাজ শুরু হওয়ার কথা। সব কিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে সিনেমার শুটিং শুরু হতে পারে বলে জানা গেছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • জাফর ইকবালের সঙ্গে প্রেম নিয়ে যে তথ্য দিলেন ববিতা

    ঢাকাই সিনেমার একসময়ের জনপ্রিয় জুটি জাফর ইকবাল-ববিতা। রুপালি পর্দার এই যুগল ক্যারিয়ারে একসঙ্গে প্রায় ৪০টি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। দুজনের প্রেম নিয়ে বিনোদনপাড়ায়ও গুঞ্জনের শেষ ছিল না। দীর্ঘদিন পর এবার বিষয়টি নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন কিংবদন্তি এই চিত্রনায়িকা। 

    প্রয়াত চিত্রনায়ক জাফর ইকবালের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল, তবে কখনোই বিয়ে বা ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো প্রতিশ্রুতি ছিল না বলে জানান তিনি। 

    ববিতার ভাষায়, ‘তাকে আমি ভালোবাসতাম, সে-ও আমাকে ভালোবাসত।’ 

    অভিনেত্রী বলেন, ‘একেবারে অল্প বয়সে আমি আর ইকবাল একসঙ্গে ছবিতে অভিনয় করি। একটানা অনেক ছবিতে অভিনয় করেছি। সেই সময় আমার বয়স ছিল ১৫ কি ১৬ বছর। ওই বয়সে কিশোর-কিশোরী মন, যা দেখি সবই ভালো লাগে—এ রকম অবস্থা। জাফর ইকবাল ছিল মোস্ট হ্যান্ডসাম বয়। খুব ভালো গান গাইত। এককথায় সুপার স্মার্ট যাকে বলে সেটাই ছিল সে। একই সঙ্গে খুব ভদ্রও। ওই সময় একসঙ্গে কাজ করতে ভালো লাগত। দর্শকেরাও আমাদের খুব পছন্দ করতে শুরু করল। পত্রপত্রিকাও আমাদের নিয়ে লেখালেখি করতে মজা পেত। আমরাও এসব বেশ এনজয় করতাম। একটা সময় সহকর্মী থেকে বন্ধুত্ব, বন্ধুত্ব থেকে প্রেম-ভালোবাসায় সম্পর্ক গড়ায়।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    জাফর ইকবালকে তিনি তার সময়ের সবচেয়ে স্মার্ট, সুদর্শন ও ভদ্র অভিনেতা হিসেবে উল্লেখ করেন। শুধু অভিনয় নয়, গান ও গিটার বাজানোর প্রতিও জাফর ইকবালের আগ্রহ অভিনেত্রীকে মুগ্ধ করেছিল বলে জানান তিনি। 

    ববিতা জানান, শুটিংয়ের ফাকে অন্যরা আড্ডা দিলেও ববিতা-ইকবাল প্রায়ই গান গাইতেন। জাফর ইকবাল তাকে গিটার বাজিয়ে ইংরেজি গানও শিখিয়েছিলেন। দর্শকেরাও তাদের জুটিকে দারুণভাবে গ্রহণ করেছিলেন। 

    কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাদের সম্পর্কে ভুল–বোঝাবুঝি তৈরি হয়। এরপর দুজনই আলাদা আলাদা সহশিল্পীর সঙ্গে সিনেমার কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। 

    ববিতা স্পষ্ট করে বলেন, তাদের সম্পর্ক শেষ হয়ে যায়নি, কিন্তু প্রেমের সেই অধ্যায় স্বাভাবিকভাবেই ফিকে হয়ে যায়। তিনি বলেন, ‘প্রেম হলেই তো বিয়ে করতে হয় না।’ 

    আলাউদ্দিন আলীর সুর ও সংগীতে এবং মনিরুজ্জামান মনিরের লেখা ‘সুখে থাকো ও আমার নন্দিনী, হয়ে কারও ঘরণী’ এমন কথার একটি গান গেয়েছিলেন জাফর ইকবাল। কারো কারো মতে, ববিতার সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার কারণে তাকে উদ্দেশ্য করেই গানটি গেয়েছিলেন এই নায়ক। তবে এই প্রচলিত ধারণাটি পরবর্তীতে ববিতা নিজেই নাকচ করে দেন। তার দাবি, বিষয়টি নিয়ে তিনি প্রশ্ন করলে জাফর ইকবাল নিজেই জানিয়েছিলেন, গানের স্রষ্টাদের পরিকল্পনার কারণেই তিনি গানটি গেয়েছিলেন এবং সবার এমন ধারণা তৈরি হয়েছিল। 

    জীবনের শেষ দিকে জাফর ইকবালের সঙ্গে আবারও এক ছবির শুটিংয়ে দেখা হয়েছিল বলে জানান ববিতা। তখন অভিনেতাকে অসুস্থ ও অগোছালো মনে হয়েছিল তার। পরে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে জাফর ইকবালের মৃত্যুর খবর পান। অসুস্থ জাফর ইকবালকে দেখতে হাসপাতালে যেতে না পারলেও তার মৃত্যুর পর এফডিসিতে শেষবারের মতো সহশিল্পীকে দেখতে গিয়েছিলেন এই অভিনেত্রী।  

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘স্পাইডার-ম্যান’ খ্যাত অভিনেত্রী মেরি এগিদা রিভেরা মারা গেছেন

    মার্ভেলের ইতিহাস সৃষ্টি করা সিনেমা ‘স্পাইডার-ম্যান: নো ওয়ে হোম’-এ জ্যাকব ব্যাটালনের (নেড) নানি চরিত্রে অভিনয় করে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পাওয়া প্রবীণ অভিনেত্রী মেরি এগিদা রিভেরা মারা গেছেন। হঠাৎ তার এই প্রয়াণে মার্ভেল অনুরাগী এবং চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। 

    অভিনেত্রীর শোকসংবাদ এবং স্বজনদের বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম টিএমজেড সোমবার (৩ আগস্ট) জানায়, মেরি রিভেরা গত ১৫ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ের হনুলুলুতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। 

    পরিবারের এক সদস্য জানান, তিনি স্ট্রোক করেছিলেন। ‘স্পাইডার-ম্যান: নো ওয়ে হোম’ সিনেমায় তার সংক্ষিপ্ত কিন্তু স্মরণীয় ভূমিকাটি নিয়ে মেরি অত্যন্ত গর্বিত ছিলেন বলেও জানান সেই স্বজন। 

    সিনেমায় মেরি রিভেরার উপস্থিতি সংক্ষিপ্ত হলেও তা প্রেক্ষাগৃহে দর্শকদের দারুণ হাসির খোরাক জুগিয়েছিল। 

    চলচ্চিত্রে যখন অল্টারনেট ইউনিভার্স থেকে আসা অ্যান্ড্রু গারফিল্ডের স্পাইডার-ম্যানের সঙ্গে নেড ও এমজে (জেনডায়া)-এর এক উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্ত তৈরি হয়, ঠিক তখনই ঘরে প্রবেশ করেন মেরি। হালকা পরিবেশে তিনি নেডের মাধ্যমে অ্যান্ড্রু গারফিল্ডের স্পাইডার-ম্যানকে ছাদের কোণ থেকে মাকড়সার জাল পরিষ্কার করার নির্দেশ দেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    দৃশ্যটিতে অ্যান্ড্রু গারফিল্ড, টোবি ম্যাগুইয়ার, টম হল্যান্ড, জেনডায়া ও জ্যাকব ব্যাটালনের মতো বড় তারকাদের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করে মেরি দর্শক হৃদয়ে জায়গা করে নেন। 

    মেরি রিভেরার প্রয়াণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক বার্তা পাঠাচ্ছেন বিশ্বজুড়ে থাকা স্পাইডার-ম্যান ভক্তরা। 

    উল্লেখ্য, মেরি এগিদা রিভেরা ১৯৪৩ সালের ২ জুন ফিলিপাইনের ইলোইলোতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি পেশাগত জীবনে একজন অবসরপ্রাপ্ত মিশনারি ছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি স্বামী আলেজান্দ্রো রিভেরা, চার সন্তান, ১১ জন নাতি-নাতনি এবং চারজন পুতি-পুতিনি রেখে গেছেন। 

    বিনোদন ডেস্ক