Tag: অভিনেতা

  • জাফর ইকবালের সঙ্গে প্রেম নিয়ে যে তথ্য দিলেন ববিতা

    ঢাকাই সিনেমার একসময়ের জনপ্রিয় জুটি জাফর ইকবাল-ববিতা। রুপালি পর্দার এই যুগল ক্যারিয়ারে একসঙ্গে প্রায় ৪০টি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। দুজনের প্রেম নিয়ে বিনোদনপাড়ায়ও গুঞ্জনের শেষ ছিল না। দীর্ঘদিন পর এবার বিষয়টি নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন কিংবদন্তি এই চিত্রনায়িকা। 

    প্রয়াত চিত্রনায়ক জাফর ইকবালের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল, তবে কখনোই বিয়ে বা ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো প্রতিশ্রুতি ছিল না বলে জানান তিনি। 

    ববিতার ভাষায়, ‘তাকে আমি ভালোবাসতাম, সে-ও আমাকে ভালোবাসত।’ 

    অভিনেত্রী বলেন, ‘একেবারে অল্প বয়সে আমি আর ইকবাল একসঙ্গে ছবিতে অভিনয় করি। একটানা অনেক ছবিতে অভিনয় করেছি। সেই সময় আমার বয়স ছিল ১৫ কি ১৬ বছর। ওই বয়সে কিশোর-কিশোরী মন, যা দেখি সবই ভালো লাগে—এ রকম অবস্থা। জাফর ইকবাল ছিল মোস্ট হ্যান্ডসাম বয়। খুব ভালো গান গাইত। এককথায় সুপার স্মার্ট যাকে বলে সেটাই ছিল সে। একই সঙ্গে খুব ভদ্রও। ওই সময় একসঙ্গে কাজ করতে ভালো লাগত। দর্শকেরাও আমাদের খুব পছন্দ করতে শুরু করল। পত্রপত্রিকাও আমাদের নিয়ে লেখালেখি করতে মজা পেত। আমরাও এসব বেশ এনজয় করতাম। একটা সময় সহকর্মী থেকে বন্ধুত্ব, বন্ধুত্ব থেকে প্রেম-ভালোবাসায় সম্পর্ক গড়ায়।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    জাফর ইকবালকে তিনি তার সময়ের সবচেয়ে স্মার্ট, সুদর্শন ও ভদ্র অভিনেতা হিসেবে উল্লেখ করেন। শুধু অভিনয় নয়, গান ও গিটার বাজানোর প্রতিও জাফর ইকবালের আগ্রহ অভিনেত্রীকে মুগ্ধ করেছিল বলে জানান তিনি। 

    ববিতা জানান, শুটিংয়ের ফাকে অন্যরা আড্ডা দিলেও ববিতা-ইকবাল প্রায়ই গান গাইতেন। জাফর ইকবাল তাকে গিটার বাজিয়ে ইংরেজি গানও শিখিয়েছিলেন। দর্শকেরাও তাদের জুটিকে দারুণভাবে গ্রহণ করেছিলেন। 

    কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাদের সম্পর্কে ভুল–বোঝাবুঝি তৈরি হয়। এরপর দুজনই আলাদা আলাদা সহশিল্পীর সঙ্গে সিনেমার কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। 

    ববিতা স্পষ্ট করে বলেন, তাদের সম্পর্ক শেষ হয়ে যায়নি, কিন্তু প্রেমের সেই অধ্যায় স্বাভাবিকভাবেই ফিকে হয়ে যায়। তিনি বলেন, ‘প্রেম হলেই তো বিয়ে করতে হয় না।’ 

    আলাউদ্দিন আলীর সুর ও সংগীতে এবং মনিরুজ্জামান মনিরের লেখা ‘সুখে থাকো ও আমার নন্দিনী, হয়ে কারও ঘরণী’ এমন কথার একটি গান গেয়েছিলেন জাফর ইকবাল। কারো কারো মতে, ববিতার সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার কারণে তাকে উদ্দেশ্য করেই গানটি গেয়েছিলেন এই নায়ক। তবে এই প্রচলিত ধারণাটি পরবর্তীতে ববিতা নিজেই নাকচ করে দেন। তার দাবি, বিষয়টি নিয়ে তিনি প্রশ্ন করলে জাফর ইকবাল নিজেই জানিয়েছিলেন, গানের স্রষ্টাদের পরিকল্পনার কারণেই তিনি গানটি গেয়েছিলেন এবং সবার এমন ধারণা তৈরি হয়েছিল। 

    জীবনের শেষ দিকে জাফর ইকবালের সঙ্গে আবারও এক ছবির শুটিংয়ে দেখা হয়েছিল বলে জানান ববিতা। তখন অভিনেতাকে অসুস্থ ও অগোছালো মনে হয়েছিল তার। পরে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে জাফর ইকবালের মৃত্যুর খবর পান। অসুস্থ জাফর ইকবালকে দেখতে হাসপাতালে যেতে না পারলেও তার মৃত্যুর পর এফডিসিতে শেষবারের মতো সহশিল্পীকে দেখতে গিয়েছিলেন এই অভিনেত্রী।  

    বিনোদন ডেস্ক

  • ১৫ মাস পর দেশে ফিরছেন ইলিয়াস কাঞ্চন

    লন্ডনে চিকিৎসা নিয়েছেন নন্দিত অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন। দীর্ঘ ১৫ মাস পর অবশেষে দেশে ফিরছেন। বাংলাদেশ সময় আজ সকালে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে রওনা দিয়েছেন অভিনেতা। সঙ্গে রয়েছেন তার জামাতা আরিফুল ইসলাম কলিন্স।

    এছাড়া কাঞ্চনের সংস্থা ‘নিরাপদ সড়ক চাই’-এ দীর্ঘদিন ধরে ভাইস প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করছেন লিটন এরশাদ। তিনিও অভিনেতার দেশে ফেরার খবরটি নিশ্চিত করেছেন।

    তবে এই ফেরা বেশিদিনের জন্য নয়। লিটন জানিয়েছেন, ১৪ আগস্টের আগেই তাকে আবার লন্ডনে ফিরতে হবে। কেননা ১৫ আগস্ট সেখানে তাকে পুনরায় পরীক্ষা-নীরিক্ষা করা হবে।

    ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত কাঞ্চন। জানা গেছে, এরই মধ্যে তাকে ৬০টি কেমোথেরাপি দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিনের চিকিৎসায় অভিনেতার চেহারায়ও কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। বিমানবন্দর থেকে তোলা একটি ছবিতে দেখা গেছে, সাদা চুল-দাড়িতে কাঞ্চন বসে আছেন চেয়ারে। তার সফরসঙ্গীরা রয়েছেন পেছনে দাঁড়িয়ে।

    লিটন এরশাদ জানান, এতদিনের চিকিৎসায় আশানুরূপ উন্নতি হয়নি অভিনেতার। তিনি বলেন, ‘আমাদের কনফিডেন্স লেভেলটা কমে এসেছে। তার পরিবার লন্ডনের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা দিয়েছে। অথচ আশানুরূপ কিছু হয়নি। কাঞ্চন ভাইও দেশে ফেরার জন্য ব্যাকুল হয়ে গেছেন। তাই পরিবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, কয়েক দিনের জন্য তাকে দেশে আনবে।’

    উল্লেখ্য, গত বছরের এপ্রিলে লন্ডনে গিয়েছেন ইলিয়াস কাঞ্চন। এরপর আগস্টে তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার হয়। জটিলতা ও ঝুঁকির কারণে সে সময় টিউমারের বড় একটি অংশ অপসারণ করা সম্ভব হয়নি। এরপর থেকে নিয়মিত চলছিল কেমো থেরাপি।

    প্রসঙ্গত, বাংলা সিনেমার অন্যতম সফল অভিনেতাদের একজন ইলিয়াস কাঞ্চন। রেকর্ড সৃষ্টিকারী সিনেমা ‘বেদের মেয়ে জোছনা’সহ তার ঝুলিতে রয়েছে অনেক ব্যবসাসফল ও নন্দিত সিনেমা। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের পাশাপাশি তিনি পেয়েছেন রাষ্ট্রীয় সম্মাননা একুশে পদকও।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভয়াবহ দাবানলে সস্ত্রীক ফ্রান্স ছাড়লেন জর্জ ক্লুনি

    ফ্রান্সে স্মরণকালের অন্যতম ভয়াবহ দাবানলের জেরে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় শহর ব্রিগনোলস-এর কাছে অবস্থিত নিজেদের বিলাসবহুল বাড়ি ছেড়ে নিরাপদ স্থানে সরে গিয়েছেন হলিউড তারকা জর্জ ক্লুনি ও তার মানবাধিকার আইনজীবী স্ত্রী আমাল ক্লুনি। 

    বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। 

    গত এক সপ্তাহ ধরে সাম্প্রতিক ইতিহাসের সবচেয়ে বিধ্বংসী বনভূমির দাবানলের সঙ্গে লড়াই করছে ফ্রান্স। দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া সবচেয়ে বড় দাবানলটিতে ইতোমধ্যেই প্রায় ৪২,০০০ হেক্টর (১,০৩,০০০ একর) বনভূমি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে—যা যুক্তরাষ্ট্রের ডেট্রয়েট শহরের মোট আয়তনের চেয়েও বড়। 

    ব্রিগনোলসের কাছে জর্জ ক্লুনি ও আমাল ক্লুনি দম্পতির ‘ডোমেইন দ্যু ক্যানাদেল’ নামক একটি সুবিশাল সম্পত্তি রয়েছে, যার খুব কাছেই গত বুধবার (২৯ জুলাই) সন্ধ্যায় হঠাৎ আগুন ছড়িয়ে পড়ে। 

    পিপল সাময়িকীতে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ব্রিগনোলসের মেয়রের কাছে লেখা এক চিঠিতে ক্লুনি দম্পতি জানান, ‘এই সংকটময় মুহূর্তে আমাদের সুন্দর বাড়িটি রক্ষা পাবে কিনা, সে বিষয়ে এই মুহূর্তে আমাদের কোনো ধারণা নেই।’ 

    প্রতিবেশীদের নিরাপত্তা কামনা করে চিঠিতে তারা আরও লেখেন, ‘আমাল এবং আমি এ বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে—আমাদের গ্রামের যাই ঘটুক না কেন, আমরা এই সম্প্রদায়ের অংশ হিসেবেই থাকব এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পুরোপুরি পাশে থাকব।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    স্থানীয় কর্তৃপক্ষ চিঠিটির সত্যতা নিশ্চিত করেছে। ব্রিগনোলসের মেয়র জানিয়েছেন, তারকা দম্পতিকে সরাসরি সরিয়ে নেওয়ার প্রাতিষ্ঠানিক বাধ্যবাধকতা ছিল না; তবে আগাম সতর্কতা হিসেবে তারা স্বেচ্ছায় সম্পত্তি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

    ১৭০ হেক্টর (৪২০ একর) আয়তনের ওপর নির্মিত জর্জ ক্লুনির এই বিশাল সম্পত্তিতে একটি ১৮ শতকের ঐতিহাসিক ম্যানর হাউস, একটি লেক, সুইমিং পুল এবং বিস্তীর্ণ আঙুরের বাগান রয়েছে। 

    ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ব্রিগনোলসের এই সাম্প্রতিক দাবানলে ইতোমধ্যেই ১৩০ হেক্টর (৩২১ একর) এলাকা পুড়ে ছাই হয়ে গেছে এবং বাধ্য হয়ে ৬০০ জনেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে বৃহস্পতিবারের মধ্যে অধিকাংশ অধিবাসী নিজ নিজ ঘরে ফিরতে পেরেছেন। 

    বৃহস্পতিবার পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে ২৭০ জন দমকলকর্মী মোতায়েন ছিলেন এবং চার্টার্ড ওয়াটার-বোম্বিং হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হচ্ছিল। উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করতে গিয়ে চারজন দমকলকর্মী আহত হয়েছেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমির খানকে দেওয়া প্রাণনাশের হুমকি ঘিরে নতুন মোড়

    বলিউড তারকা আমির খানকে দেওয়া সাম্প্রতিক ফোনকলে হুমকি এবং অডিও বার্তার উৎস অনুসন্ধান করে জানা গেছে, এগুলোর পেছনে ব্যবহৃত আইপি অ্যাড্রেসগুলো সুইডেন ও কানাডার। 

    পুলিশ জানিয়েছে, কারাবন্দি গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের নাম ব্যবহার করে দেওয়া এসব হুমকি মূলত ‘ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রোটোকল’ (ভিওআইপি) কলের মাধ্যমে করা হয়েছে। বিস্তারিত তথ্য উদ্ধারের জন্য সংশ্লিষ্ট দেশের প্ল্যাটফর্ম ও কর্তৃপক্ষের কাছে ইতোমধ্যেই চিঠি পাঠিয়েছে পুলিশ। 

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সাংবাদিকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়া ওই অডিও বার্তাটিতে এক ব্যক্তি নিজেকে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সদস্য ‘আরজু বিষ্ণোই’ হিসেবে দাবি করেন। অডিওতে হিন্দু নারীদের বিয়ের প্রসঙ্গ তুলে আমির খানের বিরুদ্ধে ‘লাভ জিহাদ’ প্রচারের অভিযোগ আনা হয়। 

    উল্লেখ্য, ৬১ বছর বয়সি এই অভিনেতা গত ৫ জুলাই তার তৃতীয় বিয়ে করেন। তার বর্তমান স্ত্রীর নাম গৌরী স্প্র্যাট। 

    বার্তায় এই ধরনের ঘটনা আর সহ্য করা হবে না সতর্ক করে দিয়ে বলা হয়, ‘শিগগিরই তার শ্বাস স্তব্ধ করে দেওয়া হবে।’ সেই সঙ্গে দাবি করা হয়, বিষ্ণোই গ্যাং এমন এক হামলা চালাবে যেন আমির খান ও তার সহযোগীরা পরবর্তীতে এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার আগে ‘শতবার চিন্তা করতে বাধ্য হন’। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এই ঘটনায় একজন জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অডিও ক্লিপটি ভারতে ছড়িয়ে পড়া এবং সাংবাদিকদের কাছে পৌঁছানোর আগে সম্ভবত এনক্রিপ্টেড মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম ‘সিগন্যাল’-এর মাধ্যমে পাঠানো হয়েছিল।

    হুমকির বিষয়ে অভিনেতা আমির খানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ বা মামলা দায়ের করা হয়নি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে হিন্দি চলচ্চিত্র শিল্পের একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তির ওপর লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের অব্যাহত হুমকির বিষয়টি বিবেচনায় রেখে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে প্রশাসন। 

    মুম্বাইয়ের বান্দ্রার পালি হিলে অবস্থিত আমির খানের বাসভবনের বাইরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। হুমকি পাওয়ার সময় অভিনেতা দেশের বাইরে অবস্থান করলেও সম্প্রতি তিনি ভারতে ফিরেছেন। 

    সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বাবার মৃত্যু নিশ্চিত করতে সাহায্য করেছিলাম: রাম কাপুর

    ভারতীয় অভিনেতা রাম কাপুর। বলিউডের বেশ কিছু জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করা এই অভিনেতা সম্প্রতি তার জীবনের অবিশ্বাস্য এক এক হৃদয়বিদারক তথ্য ঘটনা শেয়ার করেছেন। 

    রিয়্যালিটি শো ‘লক আপ’-এর সিজন ২-এর সাম্প্রতিক পর্বে তিনি স্বীকার করেন যে, তিনি তার বাবার শেষ ইচ্ছা পূরণ করতে এবং তার মৃত্যুর পরিকল্পনায় সাহায্য করেছিলেন। 

    রাম কাপুর জানান, তার বাবার বয়স যখন ৭৩ বছর, তখন তার অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসার দ্বিতীয়বার ফিরে আসে। এর আগে ৬৩ বছর বয়সে প্রথম ক্যানসার শনাক্ত হওয়ার পর তিনি ১৮ বার কেমোথেরাপি নিয়েছিলেন। তবে করোনাকালে রোগটি পুনরায় ফিরে এলে তার বাবা আর চিকিৎসার মধ্য দিয়ে যেতে চাননি। 

    সেই কঠিন অভিজ্ঞতার স্মৃতিচারণ করে অভিনেতা বলেন, ‘আমি আমার বাবাকে তার মৃত্যুর পরিকল্পনা করতে সাহায্য করেছিলাম। কোভিডের সময়ে তার ক্যানসার আবার ফিরে আসে। তিনি গৌতমিকে (রাম কাপুরের স্ত্রী) ফোন করে বলেন যে আমার সঙ্গে কথা বলতে চান। ফোনে আমাদের বিস্তারিত কথা হয়। মূলত, তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে এই রোগের বিরুদ্ধে আর লড়াই করতে চান না।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিনি আরও যোগ করেন, ‘বাবা চলে যেতে চেয়েছিলেন, কিন্তু একা যেতে ভয় পাচ্ছিলেন। তিনি বিষয়টি কাউকেও জানাতে চাননি, তবে চেয়েছিলেন আমি যেন তার পাশে থাকি। তিনি সরাসরি আমাকে প্রশ্ন করেছিলেন—‘তুমি কি আমাকে মরতে সাহায্য করতে পারবে?’ তিনি আমাকে বুঝিয়েছিলেন যে আমি সাহায্য না করলে তিনি একাই এটি করবেন; ফলে আমার কাছে আর কোনো বিকল্প ছিল না।’ 

    বাবার কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রেখেছিলেন রাম কাপুর। জীবনের শেষ মুহূর্তে তিনি তার বাবার পাশেই ছিলেন। সেই মুহূর্তগুলোর কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘যখন তাকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছিল, আমি তার সঙ্গেই ছিলাম। কেউ জানত না যে সেখানে আসলে কোনো চিকিৎসা হচ্ছিল না। তিনি শুধু চেয়েছিলেন আমি যেন তার হাত ধরে রাখি এবং তাকে শান্তিতে চলে যেতে সাহায্য করি। 

    তিনি একা থাকতে ভয় পেতেন, কিন্তু মৃত্যুকে ভয় পাননি। তিনি চেয়েছিলেন তার শেষকৃত্যে যেন কেউ না কাঁদে।’

    এই ঘটনা তার পরিবারে গভীর প্রভাব ফেলেছে জানিয়ে রাম কাপুর বলেন, ‘আমার মা এবং বোন এখনো আমার সঙ্গে কথা বলেন না। প্রায় ৫ বছরেরও বেশি সময় পার হয়ে গেছে। তবে আমি মনে করি, একজন সন্তান তার বাবা-মায়ের জন্য যা করতে পারে, এটি তার মধ্যে অন্যতম সেরা কাজ। কারণ সবাই রাজার মতো বাঁচে, কিন্তু আমার বাবা রাজার মতো মৃত্যুবরণ করেছেন।’ 

    এই মর্মস্পর্শী ঘটনার মাধ্যমে নিজের ভেতরে লুকিয়ে থাকা শক্তির কথা উল্লেখ করে তার কথা শেষ করেন অভিনেতা। তিনি জানান, মৃত্যুকে অত কাছ থেকে দেখার পরই তিনি জীবনের প্রকৃত অর্থ উপলব্ধি করতে পেরেছেন এবং এখন তিনি আর মৃত্যুকে ভয় পান না।

    উল্লেখ্য, ‘লক আপ’ সিজন ২ বর্তমানে নেটফ্লিক্সে সম্প্রচারিত হচ্ছে। 

    সূত্র: এনডিটিভি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • অস্ত্রোপচারের পর এখন কেমন আছেন রাম চরণ?

    দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রের তারকা অভিনেতা রাম চরণ সম্প্রতি এক শুটিং চলাকালীন হাতে গুরুতর আঘাত পেয়েছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটুরের গঙ্গা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। স্ত্রীর সঙ্গে হাসপাতালে পৌঁছানোর পর তার হাতে একটি জটিল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। 

    ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি নিজের আসন্ন স্পোর্টস-অ্যাকশনধর্মী সিনেমা ‘পেদ্দি’র একটি কুস্তি দৃশ্য শুটিং করার সময় রাম চরণের ডান হাতের কব্জিতে আঘাত লাগে। পরবর্তীতে ডাক্তারি পরীক্ষায় তার কব্জিতে ‘গ্রেড ৩ কার্টিলেজ টিয়ার’ (তরুণাস্থির আঘাত) এবং হাড়ের ক্ষতি ধরা পড়ে। দ্রুত সুস্থতার জন্য চিকিৎসকরা তাকে অনতিবিলম্বে অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দেন। 

    কোয়েম্বাটুরের বিখ্যাত গঙ্গা হাসপাতালে ল্যাপারোস্কোপিক পদ্ধতিতে তার হাতের এই জটিল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। খ্যাতনামা অর্থোপেডিক সার্জন ড. এস. রাজাশেকরণ, আন্তর্জাতিক হাত ও কব্জি বিশেষজ্ঞ ড. আলেহান্দ্রো বাদিয়া (মিয়ামি, আমেরিকা) এবং ড. প্রবীণ ভরদ্বাজ যৌথভাবে এই অস্ত্রোপচার পরিচালনা করেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অভিনেতার পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে অস্ত্রোপচার অত্যন্ত সফল হয়েছে।

    বর্তমান শারীরিক অবস্থা ও সুস্থতা 

    অস্ত্রোপচারের পর রাম চরণ বর্তমানে বিপদমুক্ত এবং দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছেন। তার চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শুটিং সেটে পুরোদমে ফেরার আগে তাকে নির্দিষ্ট কিছু দিন ফিজিওথেরাপি ও পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। কোয়েম্বাটুরে চিকিৎসা চলাকালীন তার পাশে স্ত্রী উপাসনা কামিনেনির পাশাপাশি বাবা চিরঞ্জীবী ও মা সুরেনখাও উপস্থিত ছিলেন। 

    রাম চরণকে সর্বশেষ বুচি বাবু সানা পরিচালিত ‘পেদ্দি’ চলচ্চিত্রে দেখা গেছে, যেখানে তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন জাহ্নবী কাপুর। সুস্থ হওয়ার পর তিনি সুকুমার পরিচালিত তার পরবর্তী বড় বাজেটের ছবি ‘আরসি১৭’র কাজ শুরু করবেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ইমরান হাশমির সঙ্গে কাজ করতে চান তাসনুভা তিশা, কিন্তু কেন?

    বলিউডের ‘সিরিয়াল কিসার’খ্যাত অভিনেতা ইমরান হাশমি। তার ক্যারিয়ারের শুরুতে রোমান্টিক ও সাহসী চরিত্রে অভিনয়ের সুবাদে গণমাধ্যম ও দর্শকের কাছে বিশেষভাবে পরিচিত তিনি। এ পরিচিতি কিংবা ইমেজ তিনি তার কর্মজীবনের প্রাথমিক পর্যায়ে বেশ ভালোভাবে কাজে লাগিয়েছিলেন। তবে পরবর্তী সময়ে তিনি থ্রিলার, অ্যাকশন ও নেতিবাচক চরিত্রসহ নানা বৈচিত্র্যময় অভিনয়ের মাধ্যমে নিজেকে একজন পরিণত ও বহুমুখী অভিনেতা হিসেবে প্রমাণ করেছেন।

    একটি পুরো প্রজন্মই মেতে ছিল তার দুর্দান্ত অভিনয়ে। তাই এ তারকার দারুণ ভক্ত বাংলাদেশের নাটকের জনপ্রিয় মুখ অভিনেত্রী তাসনুভা তিশা। মনে মনে ইচ্ছা পোষণ করেন রুপালি পর্দায় তার নায়িকা হওয়ার।

    সম্প্রতি একটি সেলিব্রেটি শোয়ে অতিথি হয়ে এসেছিলেন তাসনুভা তিশা। সেই অনুষ্ঠানে ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিজীবনের নানা অজানা গল্প অকপটে শেয়ার করে নেন তিনি। বলিউডের কোনো নায়কের বিপরীতে কাজ করার স্বপ্ন দেখেন কিনা— এমন প্রশ্নের উত্তরে অভিনেত্রী কোনো দ্বিধা ছাড়াই বলেন, ‘ইমরান হাশমির সঙ্গে কাজ করতে চাই। অভিনয়ে যে আবেগ ও প্যাশন উনি আনেন, তা সত্যি দারুণ।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিনি বলেন, পর্দায় রোমান্স এত সুন্দরভাবে অনেকেই ফুটিয়ে তুলতে পারেন না। তাকে খুব সাবলীল দেখায় এবং মনে হয় সবকিছু যেন বাস্তবেই ঘটছে। 

    তাসনুভা তিশা বলেন, ছোটবেলায় তার ইচ্ছা ছিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার। তবে তার সেই স্বপ্নের কথা শুনে বাবা প্রায়ই রসিকতা করতেন—‘আর্মির ভারি বন্দুক তো তুমি উঁচুই করতে পারবে না!’ অবশ্য সেই আমি ছিলাম খুব ছিপছিপে হালকা ওজনের। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • দেড় কোটি টাকার কর বাকি রাজেশ খান্নার, সালমান এগিয়ে এলে যা ঘটে

    বলিউড সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেতা রাজেশ খান্না ও বলি ভাইজানখ্যাত অভিনেতা সালমান খানের মধ্যে এক চমৎকার ও ঐতিহাসিক ঘটনা রয়েছে, যা সম্প্রতি তাদের মধ্যকার সম্পর্কের একটি অজানা দিক প্রকাশ করেছে।

    ষাটের দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে অভিনয় শুরু করেছিলেন রাজেশ খান্না। বলিপাড়ার তারকার খ্যাতি পাওয়া প্রথম অভিনেতা বলা হয় তাকে। কিন্তু রাজেশ খান্নার জনপ্রিয়তার স্থায়িত্ব বেশি দিনের ছিল না। জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকাকালে মুম্বাইয়ের কার্টার রোডের একটি পরিত্যক্ত বাংলো সেই সময় ৬৫ হাজার টাকায় কিনে নেন এ অভিনেতা। কিন্তু সেই বাংলোর দেড় কোটি টাকার কর বাকি পড়ে। এমন খবরে সাহায্যের হাত বাড়ালেন ভাইজানখ্যাত অভিনেতা সালমান খান। আর তাতে চটে যান রাজেশ খান্না।

    কার্টার রোডের সেই বাড়িটি ছিল পঞ্চাশের দশকের জনপ্রিয় অভিনেতা ভরত ভূষণের। তারপর সেটি কেনেন রাজেন্দ্র কুমার। সেই সময় বাড়িটির নাম ছিল ‘ডিম্পল’। রাজেন্দ্রর মেয়ের নামে ছিল বাড়িটি। অবশেষে সত্তরের দশকে সেই বাড়িটি কিনে নেন রাজেশ খান্না। রাজেন্দ্রর শর্ত ছিল— বাড়ির নামটা বদলে ফেলতে হবে। রাজেন্দ্রই বলে যান এ বাড়ি রাজেশের ভাগ্যবদলে দেবে। তা শুনেই রাজেশ বাড়ির নাম রাখেন ‘আশীর্বাদ’। 

    সেই সময়ে সাধারণ মানুষের কাছে বাংলোটি অন্যতম আকর্ষণে পরিণত হয়েছিল। ‘আশীর্বাদ’-এর বাইরে সবসময় ভক্ত-অনুরাগীদের ভিড় লেগে থাকত। রাজেশকে ঘিরে নারী ভক্ত-অনুরাগীদের উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মতো। সত্তর থেকে আশির দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ উপার্জনকারী বলি অভিনেতাদের তালিকায় শীর্ষে ছিলেন রাজেশ খান্না। সেই সময় বলিউডে উত্থান ঘটে অমিতাভ বচ্চনের। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বলিউড সিনেমা সহজ-সরলমনা নায়ক নয়, ঝুঁকতে থাকে ‘অ্যাংরি ইয়ংম্যান’ অমিতাভের দিকে। সেই সময় বক্স অফিসে ব্যর্থ হতে শুরু করে রাজেশ খান্নার সিনেমা। আর তাতে দেনায় জর্জরিত হয়ে পড়েন অভিনেতা। তার পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, তার সঙ্গে কোনো পরিচালকই কাজ করতে রাজি হচ্ছিলেন না। 

    স্ত্রী-সন্তানদের ছেড়ে ফাঁকা বাংলোয় থাকতে ভালো লাগত না রাজেশ খান্নার। লিঙ্কিং রোডের অফিসেই বেশি সময় কাটাতে শুরু করেন অভিনেতা। তখনই ওই বাড়িটি কেনার প্রস্তাব পাঠান সালমান খান। মাধ্যম হিসাবে যান চিত্রনাট্যকার রুমি জাফরি।

    রুমি জাফরি গিয়ে রাজেশকে জানান, ওই বাড়ির সেই সময়ের বাজারমূল্য দিয়ে কিনতে চান সালমান খান। এমনকি রাজেশের সব ঋণ শোধ করে দেওয়ারও প্রস্তাব দেন তিনি। সেই সঙ্গে অভিনেতার প্রযোজনা সংস্থার হয়ে বিনামূল্যে একটি সিনেমায় কাজ করারও প্রস্তাব দেন। এমন প্রস্তাব শুনে রেগে যান রাজেশ খান্না। সালমানের এহেন প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করে দেন অভিনেতা।

    শুধু তাই নয়, অভিনেতা রেগেও যান সালমানের ওপর। আমৃত্যু নিজের বাংলোতেই ছিলেন রাজেশ খান্না। কর বাকি ছিল কোটি কোটি টাকা। রাজেশের মৃত্যুর পর ২০১৪ সালে বাংলোটি ৯০ কোটি টাকায় এক শিল্পপতির কাছে বিক্রি হয়ে যায়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • দেশবরেণ্য নাট্যজন মামুনুর রশীদের মা আর নেই

    দেশের বর্ষীয়ান অভিনেতা, নাট্যকার ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদের মা রোকেয়া খানম মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৬ বছর। 

    বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামুনুর রশীদের ছোট ভাই ডা. রশিদ আমিন। 

    তিনি জানান, বেশ কিছুদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন রোকেয়া খানম। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। 

    পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রোকেয়া খানম দীর্ঘদিন ধরে নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) তিনি ‘হার্ট অ্যাটাক’ করেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে ঢাকায় মামুনুর রশীদের মায়ের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর মরদেহ নিজ জেলা টাঙ্গাইলে নিয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। 

    উল্লেখ্য, মামুনুর রশীদ বাংলাদেশের নাট্যাঙ্গনের অন্যতম পথিকৃৎ ব্যক্তিত্ব। তিনি দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে মঞ্চনাটক, টেলিভিশন নাটক এবং সাংস্কৃতিক আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছেন। 

    স্পোর্টস ডেস্ক

  • দেবের ‘দাদাগিরি’তে অহনা দত্তের স্বপ্নপূরণ

    বিনোদন জগতের ছোটপর্দার একাধিক অভিনেত্রী বড়পর্দায় অভিনয় করার সুযোগ পেয়েছেন। তবে তার থেকেও বড় কথা— টালিউড অভিনেতা দেবের বিপরীতে অভিনয় করার সুযোগ পেয়েছেন অনেক অভিনেত্রী। এবার সেই সুযোগ পেলেন অভিনেত্রী অহনা দত্ত। দেবের সঙ্গে একমঞ্চে নাচ করার সুযোগ পেলেন তিনি। একটা স্বপ্নপূরণ হলো অভিনেত্রীর। সম্প্রতি জি বাংলার পর্দায় শুরু হয়েছে ‘দাদাগিরি’, সেখানেই মনের মানুষের সঙ্গে নাচ করে স্বপ্নপূরণের কথা জানালেন অহনা দত্ত।

    নতুন বাংলার ‘দাদাগিরি’ নতুন দাদা দীপক অধিকারী দেব। নতুন ‘দাদা’ হিসেবে চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন দেব। যদিও নিজেকে ‘দাদা’ বলতে নারাজ তিনি। বরং তার মুখে ঘুরেফিরে আসছে সৌরভেরই নাম। তিনি বারবারই বলছেন, সবার দাদা একজনই— তিনি সৌরভ গাঙ্গুলি। 

    তবে এবার কলকাতার দাদা সৌরভ গাঙ্গুলি নন; এবারের দাদা হলেন দেব। প্রথমে অনেকেই মনে করেছিলেন সৌরভের পরিবর্তে দেবকে কতটা দর্শকরা মেনে নিতে পারবেন তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। কিন্তু পরবর্তীকালে দেখা গেল নিজের স্বভাব-সিদ্ধ ভঙ্গিতে সবার মন জয় করতে পেরেছেন এ পাগলুখ্যাত অভিনেতা। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    নতুন দাদাগিরির শুরুর দিনেই উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলি। এ ছাড়া দেবকে সঙ্গ দিতে আসেন কোয়েল মল্লিকও। তবে এবার মঞ্চে দেবের সঙ্গে নাচ করতে দেখা যায় অহনা দত্তকে। দেবের সঙ্গে এভাবে স্ক্রিন শেয়ার করার বহুদিনের স্বপ্ন ছিল অভিনেত্রীর, অবশেষে সেই স্বপ্ন হয়েছে পূরণ।

    সম্প্রতি জি বাংলা সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে, সেখানে দেখা যাচ্ছে— দাদাগিরির মঞ্চে প্রতিযোগী হয়ে এসেছেন অহনা দত্ত। সেই প্রতিযোগিতা চলাকালে দেব ও শুভশ্রী অভিনীত ‘রোমিও’ সিনেমার জনপ্রিয় গান ‘ঘুম ঘুম এই চোখে’, গানের তালে তালে নাচ করতে দেখা যায় অহনাকে। তবে শুধু অহনা একা নন, এ পর্বে উপস্থিত ছিলেন আরও অনেক অভিনেত্রী। অহনা দত্তের এই বিশেষ মুহূর্তের ভিডিও শেয়ার করেছেন তার স্বামী দীপঙ্কর। 

    উল্লেখ্য, ছোট্ট কন্যাসন্তানকে সামলে ধারাবাহিকে অভিনয় করছেন অহনা দত্ত। এ মুহূর্তে তিনি অভিনয় করছেন ‘তারে ধরি ধরি মনে করি’ ধারাবাহিকে। সেই ধারাবাহিকেও অহনাকে নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে। 

    বিনোদন ডেস্ক