Tag: অভিনেতা

  • যে কারণে আত্মহত্যার কথা ভেবেছিলেন ব্র্যাড পিট

    ২০১৬ সালে অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলির সঙ্গে বিচ্ছেদের পর জীবনের অত্যন্ত কঠিন ও বেদনাদায়ক এক পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন হলিউড তারকা ব্র্যাড পিট। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ৬২ বছর বয়সি এই অভিনেতা প্রকাশ করেছেন, সেই সময়ে তিনি প্রচণ্ড মানসিক কষ্টে ভুগছিলেন এবং তার মনে আত্মহত্যার চিন্তাও এসেছিল। 

    আমেরিকান সাময়িকী এসকোয়ার-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ব্র্যাড পিট অকপটে জানান, জীবনের ওই নির্দিষ্ট একটি সময় ছাড়া তিনি কখনো এতটা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েননি। 

    অভিনেতা বলেন, ‘আমি একটি ছোট সময় ছাড়া কখনো আত্মহত্যাপ্রবণ ছিলাম না। কিন্তু ওই নির্দিষ্ট সময়টিতে আমার মনে হয়েছিল, আমি আর পারছি না—সামনে এগোনোর কোনো পথ খুঁজে পাচ্ছিলাম না।’ 

    মানসিক কষ্টের তীব্রতা বর্ণনা করতে গিয়ে পিট ব্যাখ্যা করেন, তার নিজের ক্ষতি করার কোনো উদ্দেশ্য না থাকলেও, যিনি প্রচণ্ড মানসিক যন্ত্রণায় ভোগেন, তিনি কেন মৃত্যুকে একধরনের ‘মুক্তি’ হিসেবে দেখেন—তা তিনি উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    পিট বলেন, ‘তখন কষ্টটা এতটাই দমবন্ধ করা ছিল যে, আমি হয়তো সে অনুযায়ী কাজ করতাম না; কিন্তু মনের ভেতর মাথার ভেতরে গুলির সেই হিমশীতল অনুভূতিটা পাচ্ছিলাম, আর মনে হচ্ছিল এটাই যেন মুক্তি।’ 

    তিনি জানান, এসব চিন্তা মূলত মানসিক যন্ত্রণা থেকে রেহাই পাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা থেকেই সৃষ্টি হয়েছিল, নিজের ক্ষতি করার ইচ্ছা থেকে নয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তার বেঁচে থাকার আত্মরক্ষামূলক অনুভূতিই জয়ী হয়। ব্র্যাড পিটের ভাষায়, ‘আমি তখন ভাবলাম, ‘ওহ, আচ্ছা, এবার আমি বুঝতে পারছি।’ আমি আত্মহত্যাকে বুঝতে পেরেছিলাম এই অর্থে যে—এটা কেবলই কষ্ট থেকে মুক্তির এক ব্যাকুল প্রচেষ্টা।’ 

    সাক্ষাৎকারে যখন জানতে চাওয়া হয়, এই কঠিন সময়টার পেছনে সন্তান সম্পর্কিত কোনো বিষয় জড়িয়ে ছিল কিনা, তখন পিট সংক্ষিপ্ত উত্তর দিয়ে বলেন, ‘পারিবারিক বিষয়।’ 

    তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত আর কথা বলতে রাজি হননি এবং যোগ করেন, ‘পারিবারিক বিষয়। আমরা এটার এখানেই ইতি টানতে পারি।’ 

    উল্লেখ্য, ‘মি. অ্যান্ড মিসেস স্মিথ’ সিনেমার সেটে ব্র্যাড পিট ও অ্যাঞ্জেলিনা জোলির পরিচয় হয়। পরবর্তীতে তারা বিয়েও করেন। তাদের ছয়টি সন্তান রয়েছে। কিন্তু ২০১৬ সালে জোলি বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করলে এবং সন্তানদের একক জিম্মাদারি দাবি করলে এই জুটির সম্পর্কের ইতি ঘটে। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর ২০১৯ সালে আদালতের রায়ে তারা আইনগতভাবে সিঙ্গেল মর্যাদা পান এবং ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে তাদের বিচ্ছেদ চূড়ান্ত নিষ্পত্তিতে পৌঁছায়। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে কারণে মায়ের মৃত্যুর পর আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন গোবিন্দ

    বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা গোবিন্দ তার জীবনের অন্যতম কঠিন ও অন্ধকার অধ্যায়ের স্মৃতিচারণ করেছেন। প্রখ্যাত শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী ও অভিনেত্রী মা নির্মলা দেবীর মৃত্যুর পর তিনি এতটাই ভেঙে পড়েছিলেন যে, মায়ের সঙ্গে আবার দেখা পাওয়ার আশায় নর্মদা নদীর জলে নেমে জীবন শেষ করার পথ বেছে নিতে চেয়েছিলেন এই অভিনেতা। 

    ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ১৯৯৬ সালের সেই দুঃসহ শোকের দিনগুলোর কথা শেয়ার করেন গোবিন্দ। তিনি বলেন, ‘আমি চরম কষ্টের মধ্যে ছিলাম। সেই সময় মনে হয়েছিল আমার জীবনের সবকিছু এখানেই শেষ।’ 

    উল্লেখ্য, গোবিন্দর মা নির্মলা দেবী ১৯৯৬ সালের ১৫ জুন ৬৯ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। 

    মায়ের প্রয়াণের পর নিজেকে সামলাতে না পেরে গোবিন্দ নর্মদা নদীর তীরে চলে যান। তিনি বলেন, ‘আমি ভেবেছিলাম নদীর গভীরে আরও কিছুটা এগিয়ে গেলে হয়তো মায়ের সঙ্গে আমার আবার দেখা হবে। তাই আমি পানির মধ্যে হাঁটতে শুরু করি।’ 

    উক্ত ঘটনাটি আত্মহত্যার চেষ্টা ছিল কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে গোবিন্দ বলেন, ‘একপ্রকার তাই। মায়ের প্রতি আমার ভীষণ টান ও গভীর ভালোবাসা ছিল। বিশ্ব হয়তো একে ‘আত্মহত্যা’র মতো শব্দ দিয়ে ব্যাখ্যা করবে, কিন্তু আমরা বিষয়টিকে এভাবে দেখি না। জীবন কখনো শেষ হয়ে যায় না, তা কেবল নতুন রূপ ধারণ করে।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    পানিতে নেমে যাওয়ার পর নদীর তীরে উপস্থিত রাম কুণ্ডল নামের এক সাধু তাকে দেখতে পান এবং ডাক দেন। গোবিন্দ স্মরণ করে বলেন, ‘তিনি আমাকে ডেকে আমার দিকে এগিয়ে এলেন। আমি পানি থেকে উঠে আসার পর তিনি জিজ্ঞেস করলেন, ‘কী হয়েছে গোবিন্দ?’ তার সেই প্রশ্নটি আমার চেতনা ফিরিয়ে আনে।’ 

    সেই মুহূর্তটি অভিনেতাকে নিজের ভুল উপলব্ধি করতে সাহায্য করে। তিনি বলেন, ‘আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে আমি ভুল কিছু করছিলাম। সেই দিন আমি বড় একটি শিক্ষা পেয়েছিলাম—আমাকে আমার সন্তানদের জন্য বেঁচে থাকতে হবে।’ এই দুঃসহ মানসিক অবস্থা থেকে পুরোপুরি বের হয়ে আসতে অভিনেতার প্রায় ১০ থেকে ১৫ দিন সময় লেগেছিল।

    মায়ের মৃত্যু গোবিন্দার ক্যারিয়ার ও জীবন দর্শনে এক গভীর প্রভাব ফেলেছিল। চলচ্চিত্র ও তারকাখ্যাতি নিয়ে তিনি বলেন, ‘সিনেমা আমার কাছে খেলনার মতো। ঈশ্বরকে সাক্ষী রেখে বলছি, এতে কেউ ক্ষুব্ধ হলে ক্ষমা করবেন… তবে আমি বিশ্বাস করি অভিনয়, খ্যাতি, হিরোইজম—এসবই ওপরওয়ালার দান। আমরা কেবল ঈশ্বরের দেওয়া ভূমিকায় অভিনয় করে যাচ্ছি।’ 

    নিজের জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন সম্পর্কে এই তারকা বলেন, ‘আমার কাছে প্রকৃত সাফল্য বলতে কোনো বড় সুপারস্টার হওয়া নয়, বরং আমার মায়ের স্বপ্নগুলো পূরণ করতে পারাটাই ছিল আসল অর্জন। ২১ বছর বয়সে পৌঁছালে তার ছেলে গোবিন্দ কী কী অর্জন করবে—মা যেসব স্বপ্ন দেখতেন, তা পূরণ করা ও পরিবারের সেবা করাই ছিল আমার জীবনের আসল ‘হিরোইজম’।’ 

    বর্তমানে গোবিন্দা তার নতুন চলচ্চিত্র ‘রূপা’র প্রচারণার কাজে ব্যস্ত রয়েছেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরলেন মিঠুন

    অবশেষে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরলেন ভারতের বর্ষীয়ান অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। হাতের জটিল অস্ত্রোপচারের পর শনিবার (৮ আগস্ট) হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়ে চিকিৎসক ও নার্সদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বিশেষ বার্তা দেন তিনি। 

    হাসপাতাল থেকে বের হওয়ার সময় মিঠুন বলেন, ‘তিন দিন চোখের নিমেষে কেটে গেল। বুঝতেই পারিনি। সব চিকিৎসককে আমার কৃতজ্ঞতা জানাই। বিশেষজ্ঞদের পুরো টিম, যারা আমাকে সুস্থ করে তুললেন, তাদের অনেক ধন্যবাদ।’ 

    হাসপাতালে থাকাকালীন নার্সদের কাছ থেকেও বেশ যত্ন পেয়েছেন উল্লেখ করে অভিনেতা বলেন, ‘নার্সদের কাছ থেকেও খুব যত্ন পেয়েছি। তার জন্যই আমি এত তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরতে পারছি। অস্ত্রোপচারের দিনেই লক্ষ করলাম, আমার আঙুল দিয়ে কিছু ধরার মতো অবস্থা ফিরে পাচ্ছি। আমাকে এত সুন্দর সেবা করার জন্য মন থেকে সবাইকেই ধন্যবাদ জানাই।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    গত বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ডান হাতে অস্ত্রোপচার করা হয় মিঠুনের। হাসপাতাল সূত্রে তখনই জানানো হয়েছিল, অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। পরদিন শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে হাসপাতালে মিঠুনকে দেখতে যান পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। 

    এদিকে, শুক্রবার রাতেই মিঠুনকে দেখতে অভিনেতা দেবও হাসপাতালে যান। চিকিৎসারত অবস্থায় অভিনেতার সঙ্গে দেখা করে তার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন এই টালিউড তারকা। 

    উল্লেখ্য, এর আগে একই হাতের কনুইয়েও অস্ত্রোপচার হয়েছিল অভিনেতার। এবারের অস্ত্রোপচারের পর তাকে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছিল। শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় শনিবার হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়ে বাড়ি ফিরেছেন তিনি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘চতুর্থ বিয়েটা কবে করছেন?’, আমিরকে নেটিজেনের প্রশ্ন

    অমিতাভ বচ্চন সঞ্চালিত জনপ্রিয় কুইজ শো ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’ (কেবিসি)-র ১৮তম আসরে বিশেষ অতিথি হিসেবে হাজির হতে যাচ্ছেন তিন বলিউড তারকা আমির খান, সানি দেওল এবং প্রীতি জিন্তা। আগামী ১৪ আগস্ট মুক্তি পেতে যাওয়া তাদের নতুন সিনেমা ‘বাটোয়ারা ১৯৪৭’-এর প্রচারের অংশ হিসেবেই সঞ্চালক অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে এই পর্বে দেখা যাবে তাদের। তবে এই প্রচারের পাশাপাশি নতুন করে আলোচনা ও ট্রোলের মুখে পড়েছেন কিছু দিন আগেই তৃতীয় বিয়ে করা আমির খান। 

    কেবিসি ১৮-এর নতুন একটি প্রমোতে আমির খানকে শোর এই মৌসুমের মূল থিম ‘সোচনা পড়েগা’ নিয়ে অমিতাভ বচ্চনকে প্রশ্ন করতে দেখা যায়। আমির জিজ্ঞাসা করেন, ‘আপনি প্রমোতে বললেন ‘সোচনা পড়েগা’, কিন্তু কী ভাবতে হবে?’ জবাবে অমিতাভ বচ্চন তার চেনা মেজাজে জানান, এই মৌসুমে বিষয়গুলো অত সহজ হবে না, প্রতিযোগীদের প্রতিটি পদে ভেবেচিন্তে এগোতে হবে। কথাটিতে সায় দিয়ে আমিরও মন্তব্য করেন, ‘আসলেই ভাবতে হবে স্যার… সত্যিই ভাবতে হবে।’ 

    প্রমোটি প্রকাশ্যে আসার পর দর্শক ও ভক্তদের একটি অংশ ভিডিওর মন্তব্যের ঘরে আমিরের ব্যক্তিগত জীবন টেনে ট্রোল করা শুরু করেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    গত মাসেই তৃতীয়বার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া এই অভিনেতাকে নিয়ে বেশ কিছু খোঁচা দেওয়া মন্তব্য দেখা যায়। কেউ রসিকতা করে লেখেন, ‘তাকে জিজ্ঞেস করুন চতুর্থ বিয়েটা কবে করছেন?’, আবার কেউ মন্তব্য করেন, ‘তিনি কি এখানে নিজের বিয়ের গল্প করতে এসেছেন?’ আবার অনেকেই শোর থিম ‘সোচনা পড়েগা’-র সঙ্গে মিলিয়ে মজা করে লিখেছেন, তৃতীয় বিয়ের পর আমিরকে হয়তো আবার বিয়ের ব্যাপারে ভাবতেই হবে! 

    উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ৫ জুলাই মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় নিজের বাসভবনে একটি ছিমছাম আয়োজনের মাধ্যমে গৌরী স্প্র্যাটের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন আমির খান। স্পেশাল ম্যারেজ অ্যাক্টের আওতায় তাদের আইনি বিয়ে সম্পন্ন হয়, যেখানে কেবল নিকটাত্মীয় ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা উপস্থিত ছিলেন। এটি আমিরের তৃতীয় বিয়ে।  

    বিনোদন ডেস্ক

  • ছেড়েছেন অভিনয়, করেছেন হজ– হাসান মাসুদের বদলে যাওয়া জীবন

    বাংলা নাটক ও চলচ্চিত্রের একসময়ের দর্শকপ্রিয় অভিনেতা, পরিচালক ও লেখক হাসান মাসুদ। এখন মাঝেমধ্যে বিজ্ঞাপনে দেখা গেলেও অভিনয়ে তাকে দেখা যায় না বললেই চলে। ক্যারিয়ারে অসংখ্য স্মরণীয় কাজ উপহার দেওয়া এই অভিনেতা কেন নিজেকে অভিনয় থেকে গুটিয়ে নিয়েছেন? সম্প্রতি নিজেই বিষয়টি খোলাসা করেছেন।  

    সম্প্রতি গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের বর্তমান জীবনযাপন ও অভিনয় থেকে দূরে থাকার কারণ নিয়ে কথা বলেছেন মাসুদ। কেন অভিনয় থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন এবং বর্তমানে কী করছেন- সম্প্রতি গণমাধ্যমের মুখোমুখি কথাগুলো জানিয়েছেন তিনি। 

    এক সাক্ষাৎকারে হাসান মাসুদ বলেন, ‘আমি নিজেকে আসলে একটু গুটিয়ে নিয়েছি। আমি এখন আর অভিনয় করি না। একটা পরিবর্তন এসেছে আমার জীবনে। সেই কারণেই এখন শুধুমাত্র বিজ্ঞাপনের কাজ পেলে করি, না হলে করি না। একটু ভাববাদী হয়ে গিয়েছি। মানে ধার্মিক হয়ে গিয়েছি।’ 

    তিনি নিজের সাম্প্রতিক ধর্মীয় জীবনের প্রসঙ্গ টেনে আরও বলেন, ‘আমি এবার হজ করেছি। যে কারণে ৪১ দিন ছিলাম ওখানে-মক্কা-মদিনায়। তবে আসলে আমার পরিবর্তনটা এসেছে আরও আগে থেকে। এখন পুরোপুরিই আমি পরিবর্তিত, সেটা বলতে পারেন।’ 

    পাশাপাশি বই পড়ার অভ্যাসেও বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে বলে জানান একসময়ের জনপ্রিয় এ অভিনেতা। একটা সময় প্রচুর বই পড়লেও এখন আর বই পড়েন না তিনি। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    কেন এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সে প্রসঙ্গে হাসান মাসুদ বলেন, ‘আসলে বই পড়ার অধ্যায়টা আমার অনেক আগে শেষ হয়ে গেছে। আমি এত বেশি পড়েছি, এত বেশি পড়েছি যে শেষের দিকে আমি যন্ত্রের মতো হয়ে গিয়েছিলাম। আমার ভেতরে কোনো ভাবাবেগ কাজ করত না। আমার সামনে যদি একটা ট্রাকে চাপা পড়ে একজন মারা যেত, তখন আমি ভাবতাম-লোকটার ভুলেই তো লোকটা মারা গেছে। এরকম যন্ত্রের মতো হয়ে গিয়েছিলাম। কোনো সেন্টিমেন্ট আমার ভেতরে কাজ করত না।’ 

    পরবর্তীতে নিজের সংগ্রহে থাকা প্রায় ১২০০ বই বিক্রি করে দেন জানিয়ে হাসান মাসুদ বলেন, ‘এরপর আমি প্রায় ১২০০ বই নীলক্ষেতে বিক্রি করে দিয়েছি, একেবারে পানির দামে। এরপর থেকে আমি আর বই পড়ি না।’ 

    উল্লেখ্য, ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে ক্যাডেট হিসেবে যোগ দেন হাসান মাসুদ। সাত বছর পর ১৯৯২ সালে ক্যাপ্টেন পদে অবসর নেন তিনি। এরপর সাংবাদিকতায় যুক্ত হন। ‘দ্য নিউ নেশন’-এ কাজ করার পর ১৯৯৫ সালে ‘দ্য ডেইলি স্টার’-এ ক্রীড়া প্রতিবেদক হিসেবে যোগ দেন। ২০০৪ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত বিবিসি বাংলার সংবাদদাতা হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি।

    মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘ব্যাচেলর’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে ২০০৩ সালে অভিনয়ে অভিষেক হয় হাসান মাসুদের। সিনেমাটির ‘আজকে না হয় ভালোবাসো’ গানেও কণ্ঠ দেন তিনি। ২০০৬ সালের ভালোবাসা দিবসে প্রকাশিত হয় তার প্রথম গানের অ্যালবাম ‘হৃদয়ঘটিত’। 

    এ ছাড়াও ‘মেড ইন বাংলাদেশ’সহ বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র ও অসংখ্য নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি। ‘হাউসফুল’, ‘ট্যাক্সি ড্রাইভার’, ‘এফডিসি’, ‘বউ’, ‘খুনসুটি’, ‘গ্র্যাজুয়েট’, ‘রঙের দুনিয়া’, ‘আমাদের সংসার’, ‘গণি সাহেবের শেষ কিছুদিন’ ও ‘বাতাসের ঘর’সহ বেশ কিছু নাটকে তার অভিনয় তুমুল দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • তারা দুজন আমার লাইফের পার্ট: শাকিব খান

    ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা শাকিব খানকে নিয়ে ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে আলোচনার শেষ নেই। বিশেষ করে তার ব্যক্তিগত জীবন সবসময় কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দুতে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের অতীতে থাকা এক ‘অপূর্ণ প্রেম’-এর গল্প শোনান তিনি। জানালেন অতীতে ব্যক্তিগত জীবনে অনেক কিছুই ঘটেছে, যা নাকি ছিল তার সম্পূর্ণ ‘ভুল’।  

    সেই সাক্ষাৎকারে দুই যুগের দীর্ঘ ক্যারিয়ারের নানা অভিজ্ঞতা ও ব্যক্তিজীবনের টানাপোড়েন এবং চলচ্চিত্র শিল্প নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন শাকিব খান। অতীতের ভুলগুলো নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করলেও সেই ভুলগুলো আদতে কি, তা অবশ্য স্পষ্ট করেননি এ ঢালিউড কিং খান।

    ব্যক্তিজীবনে কোনো ভুল করেছেন কিনা?—এমন প্রশ্নের উত্তরে জীবনে অনেক ভুল করেছেন জানিয়ে শাকিব খান বলেন, অনেক ভুল করেছি। অনেক সময় মনে হয়, এমন ভুল না করলেও পারতাম। অনেক কথা আমি বলার আগেই মানুষ জেনে যায়। আমার বলা পর্যন্ত আর অপেক্ষা করতে হয় না। যতটুকু বলার বলছি, অনেক সময় পেছন ফিরে তাকালে আফসোস লাগে বলে জানান এ অভিনেতা।

    তিনি বলেন, সেই ভুলগুলো না হলে ব্যাপারটা এখন হয়তো আরও স্মুথ হতে পারত। আসলে ভুল আমাদের প্রত্যেক মানুষেরই হয়।

    শাকিব খান বলেন, নিভৃতে যখন নিজের সঙ্গে বসি, তখন সেই হিসাব-নিকাশগুলো আমাকে পীড়া দেয়। কিন্তু কি আর করব, অনেক কিছু চাইলেও তো চেঞ্জ করা সম্ভব না, হাতে নেই আমাদের। তিনি বলেন, যখন জেনে যাই এটা ভুল, তখন জেনেশুনে সেটা আর করা যায় না, আর সম্ভাবনা নেই।

    শাকিব খানের দুই স্ত্রী অপু বিশ্বাস ও শবনম বুবলীকে নিয়েও প্রশ্ন করেন সঞ্চালক। উত্তরে কিং খান বলেন, তারা দুজন আমার লাইফের পার্ট। তবে আমি কিছু বলতে চাই না তাদের নিয়ে। আমি বিষয়গুলো নিজের মধ্যেই রাখি। তাদের সতর্ক করা হয় কিনা—এমন প্রশ্নের উত্তরে শাকিব খান বলেন, তাদের সঙ্গে দেখা হলে মাঝে মাঝে বলি।

    কিং খান বলেন, আজকাল কোনো ঘটনা ঘটার আগেই তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। অনেক সময় আজব সব ঘটনার সঙ্গে তার নাম জড়িয়ে দেওয়া হয়, যার সঙ্গে বাস্তবে তার কোনো সম্পর্কই নেই। এসব অতিরঞ্জিত প্রচারের কারণেই তিনি এখন অনেকটা অন্তর্মুখী হয়ে গেছেন বলেও জানান শাকিব খান।

    উল্লেখ্য, ‘সোলজার’ সিনেমা নিয়ে শাকিব খান। আগামী অক্টোবরে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে পারে সিনেমাটি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বাবার মারধর সইতে না পেরে ৫০০ রুপি পকেটে ঘর ছাড়েন রবি কিষাণ, এরপর যা হলো…

    পর্দার হাসিখুশি চেহারা আর দুর্দান্ত অভিনয় দিয়ে যিনি কোটি মানুষের হৃদয় জয় করেছেন, সেই ভোজপুরি ও বলিউড তারকা তথা সংসদ সদস্য রবি কিষাণের শৈশব ছিল চরম মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনে ভরা। সম্প্রতি ভারতের জনপ্রিয় পডকাস্টার রাজ শামানির সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা তার শৈশবের নানা অজানা ও মর্মান্তিক অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন।

    বাবার হাতে নিত্যদিনের নির্যাতন 

    রবি কিষাণের বাবা ছিলেন একজন পুরোহিত। বাবার কঠোর অনুশাসনের মধ্যে বেড়ে ওঠা রবি ছোটবেলা থেকেই বাবার ভালোবাসা পাওয়ার জন্য ব্যাকুল ছিলেন। রবি জানান, ছোটবেলায় ঈশ্বরে বাবার অন্ধ ভক্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলায় এবং রামলীলায় দেবী সীতার চরিত্রে অভিনয় করার কারণে তার বাবা তাকে প্রায় প্রতিদিনই মারধর করতেন। 

    তবে সেই নির্মমতাকেও অন্যভাবে দেখতেন এই অভিনেতা। তিনি বলেন, ‘আমার বাবা কখনো মুখে তার অনুভূতি প্রকাশ করতে পারতেন না। আমরা কখনো পরস্পরকে জড়িয়ে ধরিনি। তাই তিনি যখন আমাকে মারতেন, আমি ভাবতাম এটাই হয়তো আমার সঙ্গে যোগাযোগের বা ভালোবাসা প্রকাশের তার নিজস্ব উপায়।’ 

    ৫০০ টাকা নিয়ে বাড়ি ত্যাগ 

    বাবার ইচ্ছা ছিল রবি চাষাবাদ করুক, দুধ বিক্রি করুক কিংবা কোনো সরকারি চাকরি করুক; কিন্তু অভিনয় বা নাচ তিনি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারতেন না। একদিন নির্যাতনের মাত্রা সব সীমা ছাড়িয়ে যায়। 

    রবি স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘একদিন বাবা আমাকে এমনভাবে মারধর করেন যে মনে হচ্ছিল চামড়া উঠে যাবে। সেদিন আমার মা আমাকে বাঁচান। তিনি আমাকে ৫০০ টাকা হাতে দিয়ে বলেন, ‘তুমি এখনই চলে যাও, নইলে ও আজ তোমাকে মেরেই ফেলবে।’ মায়ের সেই ৫০০ টাকা সম্বল করে রবি কিষাণ ঘর ছাড়েন এবং তারকা হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে মুম্বাই পাড়ি জমান। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    দীর্ঘ সংগ্রাম ও শেষ বয়সে বাবার ক্ষমা প্রার্থনা

    মুম্বাইয়ে শুরুর দিনগুলো ভীষণ কষ্টে কেটেছে রবির। ঠিকমতো খাবার বা ভালো পোশাক ছিল না। কিন্তু নিজের স্বপ্নের ওপর তার অটুট বিশ্বাস ছিল। ৩৩ বছরের দীর্ঘ সংগ্রামের পর তিনি একের পর এক সফলতা পেতে শুরু করেন এবং একজন প্রতিষ্ঠিত তারকা হয়ে ওঠেন।

    সফলতা পাওয়ার পর রবি তার বাবাকে সব ধরনের আরাম-আয়েশ ও বিলাসী জীবন এনে দেন। একদিন তার বাবা কেঁদে ফেলেন এবং ছেলের কাছে হাত জোড় করে ক্ষমা চেয়ে বলেন, ‘আমাকে ক্ষমা করে দাও, আমি তোমাকে চিনতে ভুল করেছিলাম।’ রবি কিষাণ বাবাকে ক্ষমা করে দিয়ে বলেন, ‘আপনিই আমার ঈশ্বর, আপনার শেখানো কঠোর অনুশাসনই আমাকে আজকের এই অবস্থানে নিয়ে এসেছে।’ 

    শৈশবের গভীর ট্রমা ও ক্ষত সত্ত্বেও, জীবনের শেষ দিনগুলোতে বাবার সঙ্গে একটি মধুর সম্পর্ক তৈরি করতে পেরেছিলেন এই জনপ্রিয় তারকা। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • নিলামে উঠছে বলিউড অভিনেতা রাজপাল যাদবের বাড়ি

    ১৬ কোটি ৬১ লাখ রুপিরও বেশি খেলাপি ঋণের দায় শোধ করতে না পারায় আইনি ও আর্থিক বিপাকে পড়েছেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা রাজপাল যাদব। পাওনা টাকা আদায়ের অংশ হিসেবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যেই তার একাধিক সম্পত্তি নিলামে তোলার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

    সেন্ট্রাল ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার মুম্বাই শাখা অভিনেতার জন্মস্থান উত্তরপ্রদেশের শাহজাহানপুর জেলার দুটি সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে নিলামের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। এর মধ্যে শাহজাহানপুর শহরের একটি বাড়ি এবং কুন্দ্রা গ্রামের পৈতৃক বসতভিটাসহ কৃষিজমি রয়েছে। 

    ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, এই দুই সম্পত্তির সম্মিলিত আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩.১৯ কোটি রুপি। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর অনলাইন ই-নিলামের মাধ্যমে সম্পত্তিগুলো বিক্রি করার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। 

    এই বিশাল অংকের ঋণের সূত্রপাত ঘটে ২০১২ সালে, যখন রাজপাল যাদব তার পরিচালিত প্রথম সিনেমা ‘আতা পাতা লাপাতা’ প্রযোজনা করেন। ছবির অর্থসংস্থানের জন্য তিনি সেন্ট্রাল ব্যাংক থেকে ঋণ নেন। কিন্তু বক্স অফিসে ছবিটি চরমভাবে ব্যর্থ হওয়ার পর ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হন তিনি। ফলশ্রুতিতে ব্যাংক সংশ্লিষ্ট মর্টগেজ করা সম্পত্তিগুলোর দখল নেয় এবং অর্থ উদ্ধারে আইনগত পদক্ষেপ শুরু করে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ঋণ নেওয়ার সময় গ্যারান্টার হিসেবে রাজপাল যাদবের স্ত্রী রাধা যাদব এবং মা গোদাবরী যাদবের নামে থাকা সম্পত্তিও জামানত বা মর্টগেজ রাখা হয়েছিল। ফলে ব্যাংকের এই বাজেয়াপ্তকরণের প্রভাব পড়েছে পুরো পরিবারের ওপর। 

    কেবল শাহজাহানপুরেই নয়, মুম্বাইতে থাকা অভিনেতার অন্যান্য বেশ কয়েকটি সম্পত্তির বিরুদ্ধেও অর্থ উদ্ধারের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে।

    আর রাজপাল যাদবের এই আর্থিক সমস্যা শুরু হয় ২০১০ সালে, যখন তিনি ‘আতা পাতা লাপাতা’ নির্মাণের জন্য দিল্লির ‘মুরলি প্রজেক্টস’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ৫ কোটি টাকা ঋণ নেন। টাকা ফেরত দিতে না পারায় জমে থাকা সুদের সঙ্গে একাধিক চেক বাউন্সের মামলা ঠুকে দেয় প্রতিষ্ঠানটি, যা নিয়ে বছরের পর বছর ধরে ‘নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্ট’-এর অধীনে আইনি লড়াই চলছে।

    সর্বশেষ চলতি বছরের জুলাইয়ে দিল্লি হাইকোর্ট সাতটি চেক বাউন্স মামলায় রাজপাল যাদবের সাজা বহাল রাখেন। তবে পূর্বে জমা দেওয়া অর্থ সমন্বয় করে তার কারাদণ্ডের মেয়াদ কমিয়ে তিন মাস করেন এবং বাকি ক্ষতিপূরণ পরিশোধের নির্দেশ দেন আদালত। 

    সূত্র: সামা টিভি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রতারণার মামলায় সালমান ও তার বোনকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ

    ‘বিয়িং হিউম্যান’ জুয়েলারি ব্র্যান্ডের একটি শোরুম নিয়ে কোটি টাকার প্রতারণার মামলায় বলিউড অভিনেতা সালমান খান, তার বোন আলভিরা খান অগ্নিহোত্রী এবং ‘স্টাইল অ্যান্ড কনটেন্ট জুয়েলারি প্রাইভেট লিমিটেড’-এর পরিচালকদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছে ভারতের চণ্ডীগড়ের একটি জেলা আদালত। খবর ইন্ডিয়া টুডের। 

    আগামী ৫ অক্টোবর সব আসামিকে আদালতে সশরীরে হাজির হয়ে অভিযোগের লিখিত জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চণ্ডীগড়ের ব্যবসায়ী অরুণ গুপ্তার দায়ের করা এক মামলার ভিত্তিতে আদালত এই সমন জারি করেন। 

    অভিযোগে বলা হয়েছে, মনিমাঝরায় ‘বিয়িং হিউম্যান’ জুয়েলারির একটি শোরুম খোলার বিনিময়ে তাকে মোটা অঙ্কের লাভের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে কোনো ব্যবসায়িক সহায়তা না পাওয়ায় তিনি কয়েক কোটি রুপির আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন। 

    অরুণ গুপ্তার দাবি, ‘বিয়িং হিউম্যান’ জুয়েলারির বিপণনকারী সংস্থা ‘স্টাইল অ্যান্ড কনটেন্ট জুয়েলারি প্রাইভেট লিমিটেড’-এর সঙ্গে চুক্তি করার পর তিনি প্রায় ৩ কোটি রুপি বিনিয়োগ করেন। এর মধ্যে কেবল শোরুম তৈরিতেই খরচ হয়েছিল প্রায় ১ কোটি। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    শোরুম চালু হওয়ার পর চুক্তি অনুযায়ী কোনো ব্যবসায়িক সাহায্য মেলেনি বলে অভিযোগ করেছেন ওই ব্যবসায়ী। এমনকি ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে গয়না সরবরাহের দায়িত্বে থাকা মূল কেন্দ্রটি বন্ধ থাকায় শোরুমের ইনভেন্টরি ও ব্যবসা পুরোপুরি বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। 

    প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগে আকৃষ্ট করতে সালমান খানের উপস্থিতি ও ব্র্যান্ড প্রচারের বিষয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে তাকে বিনিয়োগে প্রলুব্ধ করা হয়েছিল বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। 

    এদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করে সংশ্লিষ্ট সংস্থাটি জানিয়েছে, ২০১৮ সালে চণ্ডীগড়ের ব্যবসায়ীর সঙ্গে চুক্তিতে সালমান খানের কোনো প্রত্যক্ষ ভূমিকা ছিল না। 

    তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালে ‘সালমান খান ফাউন্ডেশন’ জুয়েলারি ব্যবসার জন্য ‘স্টাইল অ্যান্ড কনটেন্ট জুয়েলারি প্রাইভেট লিমিটেড’-কে তাদের ব্র্যান্ড লাইসেন্স দেয়। সংস্থাটি একটি স্বতন্ত্র লাইসেন্স চুক্তির অধীনে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল, তাই গয়না ব্যবসার বিপণন, পরিচালনা ও বিক্রয়ের যাবতীয় দায়ভার সম্পূর্ণভাবে ওই প্রতিষ্ঠানের ওপরই বর্তায়। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভারত আমাদের মা, আর পাকিস্তান মাসি: সানি দেওল

    নিজের আসন্ন সিনেমা ‘বাটোয়ারা ১৯৪৭’ মুক্তির প্রাক্কালে প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান নিয়ে কোনো ধরনের নেতিবাচক মন্তব্য করতে রাজি নন বলে জানিয়েছেন বলিউড অভিনেতা সানি দেওল। 

    ভারতের পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশটি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ‘সিং সাব দ্য গ্রেট’ খ্যাত এই অভিনেতা বলেন, ভারত ও পাকিস্তানের একটি যৌথ ইতিহাস রয়েছে এবং সে কারণেই তিনি কোনো নেতিবাচক কথা বলতে চান না। 

    পারিবারিক সম্পর্কের প্রসঙ্গ টেনে সানি দেওল তার বাবা বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর একটি কথা স্মরণ করে বলেন, ‘ভারত আমাদের মায়ের মতো, আর পাকিস্তান হলো আমাদের মাসি।’

    একসময়ের অবিভক্ত ভূখণ্ডের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি আরও বলেন, দুই দেশ একসময় একই ছিল এবং এখনো নানাভাবে তাদের সম্পর্ক যুক্ত। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সানির ভাষায়, ‘আমরা আবেগ নিয়ে কথা বলি না, কারণ একসময় পুরো দেশটি একই ছিল। আমার বাবা যেমনটি বলতেন— একটি আমাদের মা, আর অন্যটি মাসি। কোনো না কোনোভাবে আমরা সবাই একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত।’ 

    চলচ্চিত্র ও বিনোদনকে রাজনীতির বাইরে রাখার আহ্বান জানিয়ে এই অভিনেতা বলেন, ‘আমরা অভিনেতা ও গল্পকার। আমরা গল্প নির্বাচন করি এবং সিনেমা নির্মাণ করি। বিষয়টিকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়া আমাদের উদ্দেশ্য নয়, আর আমরা তা করতেও চাই না। সেই কারণেই এসব বিষয় নিয়ে আমি কোনো কথা বলতে চাই না।’ 

    বিনোদন ডেস্ক