যেসব বিষয়ে অন্যের পরামর্শ এড়িয়ে নিজের কথা শোনেন রাশমিকা

Written by

in

দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা ও অভিনেতা বিজয় দেবেরাকোন্ডার রাজকীয় বিয়েতে নানা লোকের পরামর্শ এড়িয়ে অভিনেত্রী নিজের সহজাত প্রবৃত্তি বা মনের ভাবনার কথা শুনেছিলেন। সামাজিক মাধ্যমে অন্য তারকাদের বিয়ের ট্রেন্ডের স্রোতে গা না ভাসিয়ে তারা দুজনেই চেয়েছিলেন বিয়েটি যেন তাদের আসল ব্যক্তিত্বকে প্রতিফলিত করে।

রাশমিকা ও বিজয়ের বিবাহ অনুষ্ঠান-ব্যবস্থাপক (ওয়েডিং প্ল্যানার) প্রিয়া মগান্তির সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে এমন কথাই জানান। তিনি বলেন, বিয়ের সাজের ক্ষেত্রে রাশমিকা মান্দানা মূলত নিজের মনের কথাই শুনেছেন।

রাশমিকা ও বিজয়ের বিয়ের সাজ এবং আড়ম্বর মুগ্ধ করেছিল তাদের ভক্ত-অনুরাগীদের। ২৬ ফেব্রুয়ারি উদয়পুরে পরিবার ও বন্ধুদের উপস্থিতিতে বিয়ে করেন এ তারকা জুটি। বিয়ের পর থেকেই তাদের বিয়ের নানা খুঁটিনাটি নিয়ে ভক্তদের মধ্যে বেশ আলোচনা হয়। বিশেষ করে তাদের পোশাক, গহনা এবং রীতিনীতি নিয়ে অনেকেরই আগ্রহ ছিল।

বিয়ের সাজসজ্জার নেপথ্যে ছিল রাশমিকা মান্দানারই বড় অবদান। এ প্রসঙ্গে তাদের ওয়েডিং প্ল্যানার প্রিয়া মগান্তি বলেন, রাশমিকা নাকি নিজের মঙ্গলসূত্র নিজেই ডিজাইন করেছিলেন। তিনি বলেন, এর থেকে রাশমিকার নিজস্ব পছন্দ এবং আলাদা রুচির পরিচয় পাওয়া যায়।

প্রিয়া মগান্তি বলেন, রাশমিকা ও বিজয় শুরু থেকেই নাকি ঠিক করেছিলেন যে, তাদের বিয়ে যেন অন্য তারকাদের মতো একই স্রোত গা না ভাসায়। কোনো রকম ট্রেন্ডের স্রোতে গা ভাসাতে চাননি তারা। পোশাক থেকে গযহনা— সব কিছুতেই তারা নিজেদের পছন্দকে গুরুত্ব দিয়েছেন। সামাজিক মাধ্যমে কী জনপ্রিয় সেটা নয়, বরং যেটা তাদের ভালো লাগে, সেটাই বেছে নিয়েছেন তারা।

সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে রাশমিকার বিয়ের শাড়ি নিয়েও গুঞ্জন ওঠে। সাধারণত তারকা কনেদের লাল, আইভরি বা প্যাস্টেল রঙের শাড়ি পরতে দেখা যায়। কিন্তু রাশমিকা কমলা রঙের শাড়ি পরতে চেয়েছিলেন। প্রিয়া বলেন, অনেক পোশাকশিল্পীই তাকে অন্য রঙ পরার পরামর্শ দিয়েছিলেন। কারণ কমলা রঙকে কনের জন্য খুব একটা প্রচলিত মনে করা হয় না। তখন প্রিয়াও রাশমিকাকে নিজের মনের কথাই শুনতে বলেছিলেন। তিনি বলেন, তুমি যদি কমলা রঙ পরতে চাও, তাহলে সেটাই পরো। অন্য কেউ বলছে বলে লাল বা সাদা পরার দরকার নেই।

বিনোদন ডেস্ক

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *