‘প্রথম মৌসুমীকে ছাড়া ঈদ করেছি’

Written by

in

একসময়ের জনপ্রিয় তারকা ওমর সানী। অনেক দিন পর এই ঈদে ‘ডেড বডি’ নামে একটি ছবি মুক্তির কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত মুক্তি পায়নি। এই সিনেমাসহ চলচ্চিত্র জগতের নানা প্রসঙ্গ নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলেছেন ওমর সানী।  

rnrn

‘ডেড বডি’ ছবিটি ঈদের তালিকা থেকে ছিটকে গেল কেন এমন এক প্রশ্নের জবাবে ওমর সানী বলেন,আমাদের হলসংখ্যা এমনিতেই কম। এতগুলো ছবির ভিড়ে মাত্র ৮-১০টি হলে ছবিটি মুক্তি দিয়ে লাভ নেই। এটি এমন একটি ছবি হয়েছে, ৮০-৯০টি হলে মুক্তি পাওয়া উচিত। ‘রাজকুমার’ বেশি হল পাবে, এটি স্বাভাবিক। রানিং বড় তারকা শাকিবের ছবি এটি। এতে কোনো দ্বিধাদ্বন্দ্ব নেই। শাকিবের এমন সময় আমাদেরও ছিল। আমার, মান্না সাহেব, রুবেল ভাইয়ের ঈদের ছবির রমরমা ব্যবসা ছিল। এখন আমাদের সেই অবস্থা নেই। শাকিব খানেরও এখনকার অবস্থা একসময় থাকবে না। দেখা যাবে, শাকিবের ছবি পাঁচটি হলও পাবে না। এটাই বাস্তবতা। এসব নিয়ে চিন্তা করার কারণ নেই। তারপরও আমার ছবিটি না আসার পেছনে প্রযোজক, পরিচালক ভালো বলতে পারবেন।

rnrn

কিন্তু শোনা যাচ্ছে, ‘ডেড বডি’ নাকি কোনো হলই পায়নি। সত্যি নাকি? আরেক প্রশ্নের জবাবের ঢালিউডের এই অভিনেতা বলেন, এসব ভুল কথা, ফালতু কথা, এসব মিথ্যা কথা। একশ্রেণির মানুষ এসব রটাচ্ছেন এবং এসব কারা করছেন বা কাদের ইন্ধনে করা হচ্ছে, আমাদের জানা আছে, নলেজে আছে। এসব রটিয়ে কোনো লাভ হবে না, ফায়দা হবে না।

rnrn

ছবিটি মুক্তি বাতিলে খারাপ লাগছে না? প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কেন খারাপ লাগবে? এসব নিয়ে আমি মোটেই চিন্তিত নয়। কারণ, গত ৩২ বছরে বহুবার ঈদ উৎসবে আমার ছবি মুক্তি পেয়েছে। আমার ছবিও হল কাঁপিয়েছে। ফাটিয়ে ব্যবসা করেছে সেসব ছবি। সুতরাং এসব নিয়ে এখন আর ভাবি না। বলতে পারেন, চলচ্চিত্র নিয়েই এখন আর সেভাবে ভাবি না।

rnrn

শুনলাম, পরিবারের সদস্যদের ছাড়াই এবার একা একা ঈদ করলেন? জবাবে ওমর সানী বলেন, ছেলে ফারদিন দুবাই, বউমা কানাডায়। মৌসুমী ও মেয়ে ফাইজা যুক্তরাষ্ট্রে। সবাই প্রয়োজনেই দেশের বাইরে আছে। বাধ্য হয়েই এখানে আমাকে একা ঈদ করতে হচ্ছে। প্রায় ২৯ বছর পর এই প্রথম মৌসুমীকে ছাড়া ঈদ করছি। তবে তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে সারা পৃথিবীই হাতের মুঠোয়। এমনিতে প্রায় প্রতিদিনই ভিডিও কলে সবার সঙ্গে কথা হয়, ঈদের দিনও কথা হয়।

বিনোদন ডেস্ক

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *