একফ্রেমে জায়েদ খান ও জোহরান মামদানি, যা বললেন অভিনেতা

Written by

in

ঢালিউড অভিনেতা জায়েদ খান ২০০৮ সালে ‘ভালোবাসা ভালোবাসা’ সিনেমার মাধ্যমে রুপালিপর্দায় অভিষেক ঘটে। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তবে বর্তমানে অভিনেতা সাত সমুদ্দর তেরো নদীর ওপারে মার্কিনমুলুকে অবস্থান করছেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর পাড়ি জমান আমেরিকায়। এরপর সেখানেই একটি গণমাধ্যমে অনুষ্ঠান সঞ্চালন করে আসছেন তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যমেও রয়েছে তার সরব উপস্থিতি। শুক্রবার (২২ মে) নিউইয়র্ক মে জোহরান মামদানির সঙ্গে কয়েকটি ছবি পোস্ট করে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মধ্যে আলোচনায় আসেন এ অভিনেতা। 

নিউইয়র্কের বর্তমান মেয়র জোহরান মামদানির সঙ্গে কয়েকটি ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেন জায়েদ খান। ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি করেছেন তিনি। সেই পোস্টে দেখা যায়, জায়েদ খানের  কাঁধে হাত রেখে দাঁড়িয়ে আছেন নিউইয়র্ক মেয়র জোহরান মামদানি। পোস্টটি শেয়ার করে জায়েদ লিখেছেন— আসলে কি হচ্ছে এটা? মেয়র জোহরান মামদানি আমার কাঁধে হাত রাখছে? চমৎকার!

পোস্টার প্রকাশের পর সামাজিক মাধ্যমে যে রহস্য তৈরি হয়েছিল, তার উত্তর এখন স্পষ্ট— এটি কোনো আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ বা সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল না; বরং জানা গেল কেন নিউইয়র্ক মেয়র জোহরান মামদানির সঙ্গে একফ্রেমে জায়েদ খান। 

জায়েদ খানের এ পোস্টটি দ্রুতই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়ে। এরপর একই পোস্টার ফেসবুকে পোস্ট করে সাংবাদিক খালেদ মুহিউদ্দিনও লিখেছেন— সবাই জানেন, কে বড় তারকা…। এবার দেখার পালা— কে বড় অভিনেতা…। 

সেই পোস্ট ঘিরে শুরু হয় নানা জল্পনা-কল্পনা। অনেকেই জানতে চেয়েছেন, আদৌ কি কোনো কাজের সূত্রে একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে দুজনকে, নাকি এটি কেবল প্রচারের অংশ?

আরও পড়ুন
আরও পড়ুন

এ প্রসঙ্গে একটি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে সেই রহস্যের জট খুলেছেন জায়েদ খান।  শুক্রবার মধ্যরাতে তিনি বলেন, নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি তার সঙ্গে একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমায় অভিনয় করেছেন। এ স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমাটির নাম ‘ইমিগ্র্যান্ট ডায়েরিজ এপিসোড-২’।

জায়েদ খান বলেন, জন কবির ও সাদ আল আমীন পরিচালিত এ প্রজেক্টটি মূলত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জীবন ও অভিজ্ঞতা নিয়ে নির্মিত। এ সিরিজের প্রথম পর্ব গত মার্চে মুক্তি পায়। দ্বিতীয় পর্ব মুক্তি পাবে আগামী বুধবার (২৭ মে) বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় ‘ঠিকানা বাংলাদেশ’-এর ইউটিউব চ্যানেলে।

নিউইয়র্ক মেয়র প্রসঙ্গে জায়েদ খান বলেন, বিশ্বজুড়ে পরিচিত একজন জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী মেয়র হওয়া সত্ত্বেও জোহরান মামদানি শুটিং সেটে ছিলেন অত্যন্ত আন্তরিক। অভিনয়ের সময় তিনি বারবার পরিচালকের নির্দেশনা অনুসরণ করার চেষ্টা করেছেন। কাজটি করতে গিয়ে মনে হয়েছে, তিনি পুরো বিষয়টি উপভোগ করেছেন বলে জানান এ অভিনেতা।

তিনি বলেন, জোহরান মামদানি সরাসরি আমার সঙ্গে এই শর্টফিল্মে অভিনয় করেছেন। তার সঙ্গে কাজ করতে পারা শুধু আমার ব্যক্তিগত গর্ব নয়, আমি মনে করি—  এটি বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকারও গর্ব।

জায়েদ খান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ‘ঠিকানা’র রুহিন হোসেন ও তার সহধর্মিণী আনুভা শাহীন হোসেন প্রথমে নিউইয়র্ক মেয়র মামদানির কাছে ই-মেইল করেন। সেই সঙ্গে জায়েদ খানের পরিচয় ও প্রজেক্টের বিস্তারিত তথ্যও পাঠানো হয়। কিছু দিন অপেক্ষার পর মেয়রের কার্যালয় থেকে সময় দেওয়া হলে নির্ধারিত দিনেই শুটিং করা হয় ‘ইমিগ্র্যান্ট ডায়েরিজ এপিসোড-২’।

বিনোদন ডেস্ক

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *