Blog

  • ইমরান-পড়শীর যে গান ছাড়াল ১০০ মিলিয়ন

    ৯ বছর আগে, ২০১৭ সালে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ইমরান মাহমুদুল ও সাবরিনা পড়শীর দ্বৈত কণ্ঠে একটি গান গেয়েছিলেন। সে সময় শ্রোতারা খুব একটা ইউটিউব কেন্দ্রিক না হলেও আজ অনেকদিন পর এসে সেই গান স্পর্শ করল এক দারুণ মাইলফলক। ইউটিউবে ১০০ মিলিয়ন ভিউ অর্থাৎ ১০ কোটি বার দেখা হয়েছে গানটি। 

    গানটির নাম ‘জনম জনম’। ইমরান-পড়শী জুটির প্রথম ডুয়েট এটি। সময়ের ব্যবধানে তারা জুটি বেঁধে বহু গান করলেও পুরোনো এই গানটি এখনও শুনছেন শ্রোতারা।

    শুক্রবার দুপুরে গানটির এমন অর্জন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট দেন গায়ক ইমরান মাহমুদুল। উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে লেখেন, ‘আমার মিউজিক ক্যারিয়ারে পড়শীর সঙ্গে এটাই ছিল প্রথম কোনো ডুয়েট গান। দেখতে দেখতে গানটি ১০ কোটিরও বেশি ভিউ পার করেছে।’

    ইমরান লেখেন, ‘যদিও গানটি ইউটিউবের যুগের গান নয়, তারপরও সময় ও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে আজও গানটি শ্রোতাদের ভালোবাসা পাচ্ছে এটাই সত্যিই আনন্দের।’  

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    গানটি লিখেছেন জনপ্রিয় গীতিকার রবিউল ইসলাম জীবন। সহশিল্পীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ইমরান আরও লেখেন, রবিউল ইসলাম জীবনের কথায়, আমার সুর ও সংগীতে ‘জনম জনম’ গানটি ছিল পড়শীর তৃতীয় একক অ্যালবামের গান। সেই অ্যালবামের সবচেয়ে জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে এটিও ছিল অন্যতম। গানটির সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও ভালোবাসা। ‘জনম জনম’ এভাবেই বেঁচে থাকুক শ্রোতাদের ভালোবাসায়।

    ২০১৭ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি জি-সিরিজের ইউটিউব চ্যানেলে অফিসিয়াল ভিডিও আকারে প্রকাশ করা হয় গানটি। ভিডিওটি পরিচালনা করেছিলেন রম্য খান। অডিও ক্যাসেট ও সিডির যুগ পেরিয়ে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেও গানটি একইভাবে সফল, তা বলাই বাহুল্য।

    এদিকে, ইমরানের পোস্টের কমেন্ট সেকশনে শুভেচ্ছা এবং পুরানো স্মৃতি প্রকাশ করছেন ভক্ত-অনুরাগীরা। গানটির গীতিকার রবিউল ইসলাম জীবন নিজেও ইমরানকে ভালোবাসার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। মন্তব্য ঘরে এক ভক্ত লিখেছেন, ‘নোকিয়া ফোনে শুনতাম গানটা, এখনো সেই আগের মতো ইউটিউবে শুনি সেম ফিল পাই।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • সবচেয়ে হৃদয়বিদারক কাজ হলো মাতৃত্ব: স্মৃতি ইরানি

    সংসার, সন্তান পালন আর হাইপ্রোফাইল ক্যারিয়ার— দুইয়ের মধ্যে সমতা বজায় রেখে এগিয়ে চলা যে কোনো নারীর জন্যই একটি বিরাট চ্যালেঞ্জ বলে জানিয়েছেন বিজেপি নেত্রী ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী স্মৃতি ইরানি। সম্প্রতি মুম্বাইয়ে আয়োজিত ‘মম পাওয়ার কনফারেন্স ২০২৬’ সম্মেলনে যোগ দিয়ে মাতৃত্বের সেই অম্লমধুর ও কঠিন বাস্তবতার কথা তুলে ধরেন তিনি।

    তিন সন্তানের জননী অভিনেত্রী বলেন, একজন মায়ের জীবন মানে নিঃস্বার্থ ভালোবাসা আর ত্যাগ। কীভাবে দিন-রাত পরিশ্রম করে মায়েরা সন্তানদের বড় করে। অথচ সেই সন্তান বড় হয়ে স্বাধীন হওয়ার পর মায়ের ওপর নির্ভরতা হারিয়ে ফেলে।

    কর্মজীবী মায়েদের লড়াই নিয়ে কথা বলতে গিয়ে স্মৃতি ইরানি বলেন, ক্যারিয়ার ও মাতৃত্ব সামলাতে গিয়ে জীবনের একটি বড় সময় কখন যে কেটে যায়, মায়েরা তা মনেই রাখতে পারেন না। তিনি বলেন, এখানে কি কোনো কর্মজীবী মা আছেন? এসব দায়িত্ব সামলানোর কোনো স্পষ্ট স্মৃতি কি আপনাদের মনে আছে? যদি বিন্দুমাত্র মনে থাকে, তা হলো চ্যালেঞ্জ। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অভিনেত্রী বলেন, সন্তানকে বড় করতে গিয়ে প্রতিদিন, প্রতিমুহূর্তে কত রকম চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে। বাইরে উদয়াস্ত পরিশ্রম করে বাড়ি ফিরে সন্তানকে খাওয়ানো, হোমওয়ার্ক করানো, একই সঙ্গে সংসারের কাজ, রান্না, আবার পরের দিনের জন্য অফিসের প্রেজেন্টেশন— কত রাত যে তারা না ঘুমিয়ে কাটিয়েছেন, তার ইয়ত্তা নেই।

    এ বিজেপি নেত্রী বলেন, মায়েরা নিজেদের সর্বস্ব উজাড় করে দেন সন্তানকে আত্মনির্ভরশীল করে তোলার জন্য। কিন্তু সন্তান যখন স্বাধীন হয়ে যায়, তখনই মায়ের জীবনের আসল ট্র্যাজেডি শুরু হয়। সন্তানকে স্বাবলম্বী করার জন্য মায়েরা জীবনের অর্ধেক সময় ব্যয় করেন। আর যখন তাদের বয়স ৫০-৫৫ বছর হয়, ঠিক তখনই সন্তানরা যার যার নিজস্ব জীবনে ব্যস্ত হয়ে পড়ে।

    স্মৃতি ইরানি বলেন, সবচেয়ে হৃদয়বিদারক কাজ হলো মাতৃত্ব। এটি এমন একটি কাজ, যা তখনই সফলভাবে সম্পন্ন হয় বলে ধরা হয়, যখন সন্তানের আর তার মায়ের কোনো প্রয়োজন থাকে না। আর এটিই একজন মায়ের জন্য সবচেয়ে হৃদয়বিদারক বিষয়। আপনি জীবনের অর্ধেক সময় ব্যয় করলেন যাতে পরবর্তী অর্ধেকে আপনাকে ভুলে যাওয়া হয়। এই ত্যাগের কি কোনো অর্থনৈতিক মূল্য হিসাব করা সম্ভব?

    বিনোদন ডেস্ক

  • হাসপাতালে শ্বেতা তিওয়ারী, কী হয়েছে?

    বলিউড অভিনেত্রী শ্বেতা তিওয়ারী গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে বারবার আলোচনায় উঠে এসেছেন। কখনো সাবেক স্বামী রাজা চৌধুরীর মন্তব্য, আবার কখনো নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলোচনায় শিরোনামে আসেন তিনি। এরই মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি শ্বেতা তিওয়ারী।

     ‘কসৌটি জিন্দেগি কি’খ্যাত অভিনেত্রী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে শারীরিক অবস্থা গুরুতর বলেই তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি। এ খবর প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক মাধ্যমে অভিনেত্রীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন তার ভক্ত-অনুরাগীরা। অনেকেই তাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে দ্রুত সুস্থ হয়ে ফেরার প্রার্থনা করেছেন।

    বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) থেকে প্রাইম ভিডিওতে শুরু হয়েছে ‘দ্য ট্রেইটর্স’-এর দ্বিতীয় সিজন। করণ জোহরের সঞ্চালনায় এ রিয়্যালিটি শোর ২১ প্রতিযোগীর মধ্যে রয়েছেন তিনি। অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার আগেই তার উপস্থিতি নিয়ে তৈরি হয়েছিল সংশয়। অনুষ্ঠানে শ্বেতা আদৌ যোগ দিতে পারবেন কিনা, তা নিয়েই উদ্বেগে ছিলেন তার ভক্ত-অনুরাগীরা।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অনুষ্ঠানের একটি প্রচার ভিডিওতে ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও কথা বলতে দেখা গেছে শ্বেতা তিওয়ারীকে। অভিনেত্রী সেখানে জানিয়েছেন— তিনি নাকি অনায়াসেই স্বামীর প্রতারণা ধরে ফেলেছিলেন। তার এ মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয় অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে।

    শ্বেতার এমন মন্তব্যের কয়েক দিন আগেই তার সাবেক স্বামী রাজা চৌধুরীর একটি সাক্ষাৎকার ছড়িয়ে পড়েছিল। সেখানে অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ করেন রাজা। তার দাবি, তাদের দাম্পত্যে থাকাকালে শ্বেতার একাধিক সম্পর্ক ছিল। এমনকি অভিনেতা সিজান খানের সঙ্গে শ্বেতা সম্পর্কে ছিলেন বলেও অভিযোগ করেন রাজা। এত বছর ধরে তিনি বিষয়গুলো নিয়ে নীরব ছিলেন। অথচ এই সময়ের মধ্যে তাকেই বারবার নানা অভিযোগের মুখে পড়তে হয়েছে।

    একদিকে সাবেক স্বামীর বিস্ফোরক মন্তব্য, অন্যদিকে নতুন রিয়্যালিটি শো ঘিরে আগ্রহ— সব মিলিয়ে শ্বেতা তিওয়ারীকে নিয়ে আলোচনা এখন তুঙ্গে। তার মধ্যেই অভিনেত্রীর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার খবর তার ভক্ত-অনুরাগীদের বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • দেবের থেকে পিছিয়ে জিৎ!

    ভারতের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে বড়পর্দায় মুক্তি পেতে চলেছে টালিউড মেগাস্টার জিতের বায়োপিক ধর্মী সিনেমা ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’। তবে এ সিনেমা মুক্তির ঠিক আগমুহূর্তে টালিউডের চিরপরিচিত দেব-জিৎ রেষারেষি উসকে সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড় সৃষ্টি করলেন প্রযোজক রানা সরকার।

    অভিনেতা জিতের নতুন সিনেমার অগ্রিম বুকিংয়ের গতিকে খোঁচা দিতেই এক বছর আগের দেব ও শুভশ্রী অভিনীত ‘ধূমকেতু’ সিনেমার হাউসফুল অগ্রিম বুকিংয়ের স্ক্রিনশট শেয়ার করে বিতর্ক তৈরি করলেন এ প্রযোজক।

    সামাজিক মাধ্যমে ‘ধূমকেতু’ সিনেমার টিকিটের চাহিদা তুলে ধরে জিতের ভক্ত-অনুরাগীদের উসকে দিয়ে রানা সরকার লিখেছেন, ‘টজিদ্দার ফ্যানদের একটু উৎসাহ দেওয়ার জন্য এ পোস্ট…। এক বছর আগে ১৪ আগস্ট (সিনেমা) রিলিজের দুদিন আগে ১২ আগস্ট এটি ছিল ধূমকেতুর আগাম বুকিং দুটি সিনেমা প্লেক্সে, কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাতের আগাম বুকিং খুলে গেছে, তাড়াতাড়ি করুন জিৎ ভক্তরা, প্রমাণ করুণ জিৎ সেরা।’

    এই পোস্টের মাধ্যমে প্রযোজক স্পষ্ট বোঝাতে চান যে, মুক্তির মুখে জিতের নতুন সিনেমার টিকিট বিক্রির গতি দেবের পুরোনো রেকর্ড ভাঙা ‘ধূমকেতু’-র অগ্রিম বুকিংয়ের তুলনায় পিছিয়ে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    রানার এ উসকানিমূলক তুলনার কড়া সমালোচনা করেন জিতের ক্ষুব্ধ ভক্তরা। এভাবে এক তারকার সিনেমার সঙ্গে অন্য তারকার তুলনা টেনে খাটো করাকে  ‘পরপীড়ক বিকৃত মানসিকতা’ বলে তোপ দাগেন জিতের এক অনুরাগী। তিনি কমেন্ট বক্সে সরাসরি প্রশ্ন তোলেন— আপনি কি এসব করে খুব মজা পান? এ রকম স্য়াডিস্ট মেন্টালিটি কেন?

    তবে ট্রল বা ভক্তদের ক্ষোভের মুখেও পিছু হটেননি রানা সরকার। সেই কটাক্ষের উত্তর দিতে গিয়ে জিতের ভক্তদের উদ্দেমৈ আরও একটি বিস্ফোরক মন্তব্য ছুড়ে দেন তিনি। প্রতিবাদকারী অনুরাগী ও জিতের ফ্যান ক্লাবের উদ্দেশে প্রযোজক পাল্টা লেখেন— কী, চ্যালেঞ্জ একসেপ্ট করবে না?’ দেব বনাম জিৎ— এই দ্বৈরথ বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে বরাবরের। স্বাধীনতা দিবসেও মুখোমুখি লড়াইয়ে নামবার জল্পনা তৈরি হয়েছিল দুই তারকার। তবে গত মাসেই নিজের আসন্ন সিনেমা ‘বাইক অ্য়াম্বুলেন্স দাদা’র মুক্তি অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছিয়ে দেন দেব। 

    যদিও জিৎ জানিয়েছেন— এ ব্যাপারে তার সঙ্গে দেবের কোনো কথা হয়নি। পুরোটাই নাকি দেব ও নন্দী মুভিজের সিদ্ধান্ত। অন্যদিকে দেবের সঙ্গে ব্যক্তিগত স্তরে তার কোনো মনোমালিন্য নেই বলেও জানান জিৎ।

    রানা সরকারের এই উত্তর যেন চলতি বক্স অফিস লড়াইয়ে নতুন আগুনে ঘি ঢেলে দিল। প্রযোজক বুঝিয়ে দিতে চেয়েছেন— একে সস্তা তুলনা না ভেবে সুস্থ প্রতিযোগিতার চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করুক অনুরাগী মহল। সব মিলিয়ে স্বাধীনতা দিবসের বক্স অফিস যুদ্ধের আগে দেব-জিতের এই ভার্চুয়াল রেষারেষি এখন তুঙ্গে!

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রতারণার অভিযোগে সেলেনা গোমেজের বিরুদ্ধে মামলা

    নিজেরই মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা ও প্রচারের প্রতিশ্রুতি পূরণ না করে চুক্তি লঙ্ঘনের মাধ্যমে প্রতারণা করার অভিযোগে মার্কিন গায়িকা ও অভিনেত্রী সেলেনা গোমেজের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন একদল বিনিয়োগকারী। 

    ডেলওয়্যার ফেডারেল আদালতে দায়ের করা এই মামলায় বিনিয়োগকারীরা অভিযোগ করেছেন, সেলেনা গোমেজ এবং তার প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নেতৃত্ব তাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। 

    মামলার নথি অনুসারে, মানসিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে ২০২১ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘ওয়ান্ডারমাইন্ড গ্লোবাল’ নামক স্টার্টআপটিতে তারা প্রায় ১২ লাখ মার্কিন ডলার (১.২ মিলিয়ন ডলার) বিনিয়োগ করেছিলেন।

    বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ৫০ কোটিও বেশি (৫০০ মিলিয়ন) অনুসারী থাকা সত্ত্বেও, মার্কেটিং প্রধান হিসেবে প্রতিষ্ঠানটিকে এগিয়ে নেওয়ার যে প্রতিশ্রুতি সেলেনা দিয়েছিলেন, তা তিনি পালন করেননি। এমনকি চুক্তিতে সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি থাকা সত্ত্বেও সেলেনা ও তার দল একটি মোবাইল অ্যাপ পর্যন্ত তৈরি করতে ব্যর্থ হন। 

    মামলায় বলা হয়েছে, ‘সেলেনা গোমেজ কাজ করার অঙ্গীকার করে চুক্তিতে স্বাক্ষর করার ভান করেছিলেন এবং পরবর্তীতে তা সম্পূর্ণ উপেক্ষা করেছিলেন।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বিনিয়োগকারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘এখানে লাভজনক তো দূরের কথা, কোনো বাস্তবমুখী বা নীতিগত উদ্যোগই ছিল না।’ এমনকি কোম্পানিটি তার কর্মচারীদের বেতন এবং বিক্রেতাদের পাওনা সময়মতো পরিশোধের মতো প্রাথমিক বাধ্যবাধকতাগুলোও পূরণ করতে পারেনি। 

    বিনিয়োগকারীরা আরও জানান, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে একটি অনলাইন সংবাদে অভ্যন্তরীণ এসব বিশৃঙ্খলার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত তারা এই স্টার্টআপের নাজুক পরিস্থিতি সম্পর্কে কিছু জানতেনও না। 

    ক্ষতিগ্রস্ত এই বিনিয়োগকারীরা আদালতের কাছে এখন তাদের আসল বিনিয়োগের অর্থ এবং আইনি খরচের সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন। তবে এ বিষয়ে সেলেনা গোমেজের কোনো প্রতিনিধির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • সেই রাত ছিল ভয়ঙ্কর অন্ধকার, মনে হচ্ছিল আমি মারা যাব: মনীষা

    বলিউড অভিনেত্রী মনীষা কৈরালা ২০১২ সালে চতুর্থ পর্যায়ের ডিম্বাশয়ের ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছিলেন। চিকিৎসার জন্য নিউইয়র্কে গিয়ে অস্ত্রোপচার করিয়েছিলেন তিনি। চলেছিল কেমোথেরাপিও। ২০১৩ সালের এপ্রিলে কেমোথেরাপি সম্পূর্ণ করেন অভিনেত্রী। পরে তাকে ক্যানসারমুক্ত ঘোষণা করা হয়। তবে অভিনেত্রী একসময় ভাবতে শুরু করেছিলেন, তিনি আর বাঁচবেন না। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই কঠিন সময়ের স্মৃতিচারণ করে এমন কথাই বললেন অভিনেত্রী মনীষা কৈরালা। 

    তিনি বলেন, নেপালের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জানতে পেরেছিলেন, তার ক্যানসার হয়েছে। আর সেই রাতটাই হয়ে উঠেছিল তার জীবনের অন্যতম অন্ধকার রাত। 

    মনীষা কৈরালা বলেন, সেই রাতটা ছিল আমার কাছে সবচেয়ে নিঃসঙ্গ এবং দীর্ঘ রাত। মনে হচ্ছিল, একটা অন্ধকার জায়গায় চলে গেছি। মনে হয়েছিল, আমি মারা যাব। গুরুতর অসুস্থতার সময়ে একজন রোগী কতটা একাকিত্ব অনুভব করতে পারেন, সেই অভিজ্ঞতাও তার রয়েছে বলে জানান এ অভিনেত্রী। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ক্যানসার পর্ব তাকে বহু শিক্ষা দিয়েছে। তার উপলব্ধি হয়েছে, ভিড়ের মধ্যেও মানুষ কখনো  কখনো একা হয়ে পড়েন। বলিউডের পার্টিতে থেকেও অনেক সময়ে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারেননি বলে জানান মনীষা কৈরালা।

    ক্যানসারকে জীবনের দ্বিতীয় সুযোগ হিসাবে দেখেন অভিনেত্রী। তাই যা তার মূল্যবোধের সঙ্গে মেলে না— এমন সব অপ্রয়োজনীয় বিষয় সরিয়ে দিয়েছেন জীবন থেকে। এখন পরিবারের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তার। ছোট এবং অর্থপূর্ণ বন্ধুমহলই তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তিনি।

    আগে নিজের স্বাস্থ্যের প্রতি একেবারেই যত্নশীল ছিলেন না জানিয়ে মনীষা কৈরালা বলেন,  দ্বিতীয় সুযোগ পাওয়ার পর স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। এর পাশাপাশি প্রকৃতি ও প্রিয় মানুষের সান্নিধ্য, জীবন উপভোগের স্বাদ পেতে শুরু করেছেন তিনি। বেঁচে থাকার জন্য কৃতজ্ঞ থাকাকেই এখন জীবনের মূল মন্ত্র করতে চান বলে জানান এ অভিনেত্রী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বাথরুম থেকে জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো টিভি তারকার মৃতদেহ উদ্ধার

    জনপ্রিয় এমটিভি রিয়েলিটি শো ‘দ্য চ্যালেঞ্জ’-এর বিজয়ী ও পরিচিত মুখ টাইলার ডাকওয়ার্থ ৪৪ বছর বয়সে আকস্মিকভাবে মৃত্যুবরণ করেছেন। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক বার্তায় তার মা জনি এই দুঃসংবাদটি জানান। 

    ‘পিপল’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল ১১টা ৪৫ মিনিটে টাইলারের নিচের তলার প্রতিবেশীরা তাদের ছাদ থেকে পানি পড়ার অভিযোগ করলে যুক্তরাষ্ট্রের গ্র্যান্ড ফর্ক্স পুলিশ ডিপার্টমেন্ট তার বাড়িতে পৌঁছায়। পুলিশ সেখানে গিয়ে তার অ্যাপার্টমেন্টের বাথরুমের ভেতর থেকে টাইলার ডাকওয়ার্থকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। 

    প্রাথমিকভাবে কোনো ধরনের সন্দেহজনক বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের আলামত পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ অনুসন্ধানে ময়নাতদন্ত এবং টক্সিকোলজি রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে। 

    টাইলারের মা ফেসবুকে লেখেন, ‘আমার ছেলে টাইলার মারা গেছে। তার মৃত্যুর কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।’ তবে সদ্য প্রয়াত টাইলারের বাবার সঙ্গে কথা বলে শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতা ঠিক করার পর বিস্তারিত জানানো হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    টাইলারের আকস্মিক প্রয়াণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। অনেকেই তার প্রাণবন্ত ব্যক্তিত্ব স্মরণ করে এবং পরিবারকে সান্ত্বনা জানিয়ে বার্তা দিয়েছেন। 

    কে ছিলেন টাইলার ডাকওয়ার্থ?

    টাইলার ডাকওয়ার্থ একজন মার্কিন রিয়েলিটি টিভি ব্যক্তিত্ব। তিনি প্রথম জনপ্রিয়তা অর্জন করেন এমটিভির ‘দ্য রিয়েল ওয়ার্ল্ড: কি ওয়েস্ট’ শোয়ের মাধ্যমে। 

    পরবর্তীতে তিনি ‘দ্য চ্যালেঞ্জ’ ফ্র্যাঞ্চাইজির বহু সিজনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন—যার মধ্যে দ্য ডুয়েল, দ্য গন্টলেট ৩, কাটথ্রোট, রাইভালস, অল স্টারস ২ এবং অল স্টারস ৩ অন্যতম। প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব ও দারুণ পারফরম্যান্সের জন্য তিনি শোর ভক্তদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিলেন এবং ‘দ্য চ্যালেঞ্জ’-এর শিরোপাও জয় করেছিলেন। 

    সূত্র: সামা টিভি

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঐশ্বরিয়ার ইমেজ ধসিয়ে দিতে চেয়েছিলেন কে?

    সাবেক বিশ্বসুন্দরী ও বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের সৌন্দর্য ও মাধুর্যে মুগ্ধ অসংখ্য ভক্ত-অনুরাগী। একটা সময় বলিউডে বহিরাগত ছিলেন তিনি। তবে সেখান থেকে জায়গা করে নিয়েছিলেন ইন্ডাস্ট্রিতে।

    কিন্তু তার ভাবমূর্তি ধ্বংস করতে চেয়েছিলেন এক পরিচালক। কে তিনি? সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সে কথাই জানালেন পরিচালক সুভাষ ঘাই।

    সুভাষ ঘাই পরিচালিত ‘তাল’ সিনেমা ২৭ বছর পূর্ণ করল। সেই সিনেমা নিয়ে কথা বলেছেন পরিচালক। বিশেষ করে ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনকে মানসীর চরিত্রে নেওয়ার আগে যে ঝুঁকি নিয়েছিলেন তিনি, তা নিয়েই কথা বলেছেন সুভাষ ঘাই।

    ‘তাল’ সিনেমায় মানসী এমন এক তরুণী, যে ছোট শহর থেকে উঠে আসে। তার জীবনে রয়েছে— নাচ। আর আছে প্রতিভা, আবেগ এবং নিজের পরিচয় তৈরি করার লড়াই। অথচ অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন তখন মূলত সৌন্দর্য ও গ্ল্যামার জগতের পরিচিত মুখ। বিশ্বসুন্দরী খেতাব জয়ের পর তার ভাবমূর্তি ছিল সৌন্দর্যকেন্দ্রিক। সুভাষ তার সিনেমায় ‘বিশ্বসুন্দরী’কে চাননি। তিনি চেয়েছিলেন এমন এক অভিনেত্রী, যিনি সারল্য ফুটিয়ে তুলতে পারবেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ঐশ্বরিয়াকে প্রস্তাব দেওয়ার সময়ে তাই পরিচালক তাকে স্পষ্ট করে জানিয়েছিলেন— চরিত্রের প্রয়োজনে তার পরিচিত ভাবমূর্তি পুরোপুরি ভেঙে দিতে হবে। সুভাষ ঘাই বলেন, আমি ওকে বলেছিলাম— তোমার ভাবমূর্তিটা আমাকে ধ্বংস করতে হবে। কিন্তু প্রথম এক ঘণ্টায় তুমি কোনো প্রসাধনী ব্যবহার করতে পারবে না। ঐশ্বরিয়া সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়ে বলেছিলেন— হ্যাঁ, আপনি যা বলবেন, আমি তাই করব।

    উল্লেখ্য, আসছে ‘তাল’ সিনেমার সিক্যুয়েল ‘তাল ২’। এর চিত্রনাট্য প্রায় সম্পূর্ণ বলে জানিয়েছেন পরিচালক সুভাষ ঘাই। তবে সিক্যুয়েল নিয়েও তার অবস্থান স্পষ্ট। ‘তাল’ তারকানির্ভর সিনেমা হতে পারে না। প্রথম সিনেমায় তিনি অভিনেতাদের তারকা পরিচয়কে সামনে রাখেননি। সেই চরিত্রের মধ্য দিয়েই অভিনেতাদের আরও বড় হয়ে ওঠার সুযোগ দিয়েছিলেন তিনি। ‘তাল ২’ সিনেমার ক্ষেত্রেও সেই নীতিতেই অটল থাকতে চান পরিচালক।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সালমানকে প্রশংসায় ভাসালেন পাকিস্তানি গায়ক

    বলিউডের ভাইজানখ্যাত অভিনেতা সালমান খানের জনপ্রিয়তা শুধু ভারতেই সীমাবদ্ধ নয়, বিদেশেও তার জনপ্রিয়তা রয়েছে। তা বহুবার প্রমাণিত। বিশেষ করে পাকিস্তানেও ভাইজানের বিপুল জনপ্রিয়তা রয়েছে। 

    ভারত-পাকিস্তানের সম্পর্ক যেমনই হোক না কেন, পড়শি দেশেও রয়েছে সালমান খানের ফ্যান ফলোয়ার। সম্প্রতি এবার সেই উন্মাদনার কথাই তুলে ধরলেন পাকিস্তানি গায়ক মুস্তাফা জাহিদ। তার দাবি, সালমান খান যদি কখনো লাহোরে আসেন, তাহলে তাকে দেখতে এত মানুষ ভিড় করবেন যে, সরকারকে সেদিন পাবলিক হলিডে ঘোষণা করতে হবে। সম্প্রতি ফারিদুন শাহরিয়ারের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে বলিউড তারকাদের পাকিস্তানে জনপ্রিয়তা প্রসঙ্গে তিনি এমন মন্তব্য করেন। 

    এর আগে ২০০৭ সালে ‘জান্নাত’ ও ‘আওয়ারাপন’ সিনেমার জন্য বলিউড অভিনেতা ইমরান হাশমি পাকিস্তানে গিয়েছিলেন। সেই সময়ও অভিনেতার প্রতি সে দেশের মানুষের বিপুল ভালোবাসা দেখা গিয়েছিল।

    সালমান খান প্রসঙ্গে মুস্তাফা জাহিদ বলেন, ‘আমি সবসময় মজা করে বলি— সালমান যদি লাহোরে আসেন, এত মানুষ একসঙ্গে জড়ো হয়ে যাবেন যে, সরকারকে হলিডে ঘোষণা করতে হবে। পাকিস্তানে শিল্পীদের প্রতি মানুষের আলাদা ভালোবাসা রয়েছে। রাজনৈতিক পরিস্থিতির বাইরে গিয়ে মানুষ সালমানকে ভালোবাসেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বলিউডের বেশ কিছু জনপ্রিয় গানের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে মুস্তাফা জাহিদের নাম। ২০০৭ সালে ইমরান হাশমির ‘আওয়ারাপন’ সিনেমার জন্য তার গাওয়া ‘তেরে মেরা রিস্তা’ ও ‘তো ফির আও, মুঝকো সতাও’ গানগুলো ব্যাপক জনপ্রিয় হয়েছিল।

    ‘আওয়ারাপন ২’মুক্তির জন্য প্রস্তুত। যদিও এ সিনেমায় গান গাওয়ার সুযোগ মুস্তাফা পাননি। তবে সম্প্রতি মাত্র দুদিনে প্রায় ২৫ হাজার মানুষ তাকে মেসেজ করে ‘আওয়ারাপন’-এর স্মৃতি শেয়ার করে নিয়েছেন। অনেকেই জানিয়েছেন, ‘আওয়ারাপন ২’-এ তারা তার কণ্ঠ মিস করবেন।

     ‘আওয়ারাপন’ ছাড়াও মুস্তাফা জাহিদ ‘আশিকি ২’, ‘এক ভিলেন’, ‘মার্ডার ২’ ও ‘রাগিনী এমএম ২’ সিনেমায় গান গেয়েছেন। বর্তমানে তিনি পাকিস্তানি সিনেমা ও মিউজিক ভিডিওর জন্য গান গাওয়া এবং লেখার কাজ করছেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • অফ শোল্ডার পোশাকে অপরূপ ভঙ্গিতে দীঘি

    ঢালিউড অভিনেত্রী প্রার্থনা ফারদিন দীঘি শিশুশিল্পী থেকেই পরিচিত মুখ। বর্তমানে নায়িকা হিসাবে কাজ করছেন। মাঝে বিরতি থাকলেও পরবর্তী সময়ে পূর্ণাঙ্গ অভিনেত্রী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার পথচলা শুরু করেছেন তিনি।

    সময়ের সঙ্গে নিজেকে রুপালি পর্দায় নতুনভাবে মেলে ধরছেন অভিনেত্রী। সাম্প্রতিক সময়ে নিজের ফিটনেস ও আধুনিক মেকওভারের মাধ্যমে প্রায়ই আলোচনায় চলে আসেন তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যমেও নিয়মিত ছবি ও ভিডিও পোস্ট করে তার ভক্ত-অনুরাগীদের শেয়ার করে নিচ্ছেন দীঘি।

    সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মধ্যে সম্পূর্ণ ভিন্ন আমেজের কিছু ছবি পোস্ট করে তার ভক্ত-অনুরাগীদের তাক লাগিয়ে দিয়েছেন অভিনেত্রী। যেখানে কাঁধখোলা আধুনিক পোশাকে এক অন্যরকম রূপের দীঘিকে দেখলেন নেটিজেনরা।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করা ছবিগুলোতে দেখা গেছে, দীঘি খয়েরি রঙের ডটেড ডিজাইনের অফ শোল্ডার পোশাকে অপরূপ ভঙ্গিতে। আকর্ষণীয় রূপে তোলা আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গিতে ক্যামেরাবন্দি হয়েছেন তিনি। গাঢ় মেকআপ, কানে বড় দুল, গহনা এবং ওয়েভি হেয়ারস্টাইলে তার এ গ্ল্যামারাস লুক নজর কেড়েছে নেটিজেনসহ তার ভক্ত-অনুরাগীদের।

    সামাজিক মাধ্যমে এসব ছবি পোস্ট করার পরপরই নেটিজেনদের কমেন্টবক্সে তোলপাড় শুরু হয়েছে। তার এই আধুনিক লুকের প্রশংসায় পঞ্চমুখ তার ভক্ত-অনুরাগীরা। নেটিজেনদের একাংশ তার শিশুশিল্পী থেকে বড় হয়ে ওঠার স্মৃতির কথা তুলে ধরেছেন ছবির কমেন্টবক্সে।

    এক নেটিজেন লিখেছেন—আমার দেখা দীঘি যখন ছোট ছিল, কত সুন্দর অভিনয় করত, দেখতে দেখতে আজ অনেক বড় হয়ে গেছে। আরেক নেটিজেন লিখেছেন—নিজের মেকওভার ও লুকে বেশ পরিবর্তন এনেছেন দীঘি।

    বিনোদন ডেস্ক