Blog

  • প্রথম সিনেমায় কত পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন আমিন খান

    একসময়ের ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা আমিন খান দীর্ঘ বিরতি ভেঙে ভারত-বাংলাদেশের যৌথ প্রযোজনার সিনেমা ‘গুলশানের চামেলি’ দিয়ে অভিনয়ে ফিরেছেন। মুহাম্মদ ইকবাল পরিচালিত এ সিনেমার মাধ্যমে প্রথমবারের মতো অভিনয় করতে যাচ্ছেন কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মধুমিতা সরকার। 

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে দীর্ঘ বিরতির পর রুপালি জগতে ফেরা ও অভিনয়জীবনের শুরুর দিনগুলো নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন আমিন খান। ঢালিউডে শুরুর দিনের স্মৃতিময় সেই অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে জানান তার প্রথম কাজের পারিশ্রমিকের কথা।

    আমিন খান বলেন, আমার প্রথম ছবির পারিশ্রমিক ছিল ১ টাকা। আমার এখনো স্পষ্ট মনে আছে— সেই ১ টাকার নোটটি আমি সযত্নে অ্যালবামে রেখে দিয়েছি। তবে ওই ১ টাকার চেয়েও আমার কাছে সবচেয়ে বড় বিষয় ছিল— সিনেমার পরিচালক ও প্রযোজক মোহাম্মদ হোসেনের ভালোবাসা ও সাপোর্ট।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এ অভিনেতা বলেন, সিনেমার প্রয়োজনে কিংবা সিনেমার বাইরেও যা কিছু লেগেছে, সবটুকু উনি পূরণ করার চেষ্টা করেছেন। প্রথম সিনেমাতেই আমিন খানকে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য যে বিশাল ব্র্যান্ডিং ও প্রচার উনি চালিয়েছিলেন, তার জন্য আমি চিরকৃতজ্ঞ। এমন একজন প্রযোজক-পরিচালক পাশে পাওয়া সত্যি ভাগ্যের ব্যাপার বলেও জানান আমিন খান।

    অভিনেতা বলেন, অভিনয় ক্যারিয়ার গঠনে অর্থের চেয়ে কাজের প্রতি ভালোবাসাই মূল অগ্রাধিকার ছিল। তিনি বলেন, আমার মূল উদ্দেশ্য ছিল— পারিশ্রমিক পাওয়া নয়, অভিনয় করা। লক্ষ্য ছিল এমন একটি কাজ করা, যা আমার ক্যারিয়ার গড়ে দেবে এবং আমাকে এ শিল্পে টিকে থাকতে সাহায্য করবে।

    আমিন খান বলেন, সেই সময় টাকাটা যেমন আমার কাছে মুখ্য ছিল না, এখনো নেই। একটা ব্র্যান্ড হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করাই ছিল আমার মূল চ্যালেঞ্জ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মৌনির সঙ্গে নাম জড়াতেই মুখ খুললেন অর্জুন বিজলানি

    বলিউড অভিনেত্রী মৌনি রায় ও অভিনেতা অর্জুন বিজলানির বন্ধুত্ব বহু পুরোনো। একসঙ্গে কাজ করার সময় থেকেই তাদের মধ্যে ভালো বন্ধুত্ব তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি সেই বন্ধুত্ব নিয়ে শুরু হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনদের মধ্যে নতুন করে জল্পনা-কল্পনা।

    মুম্বাইয়ে এক রেস্তোঁরায় দুজনকে একসঙ্গে দেখা যাওয়ার পরেই তাদের সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। এবার সেই জল্পনায় পানি ঢেলে দিলেন অর্জুন বিজলানি। এর পাশাপাশি শুধু সম্পর্কের গুঞ্জন অস্বীকার করাই নয়, মৌনি রায়ের পাশে দাঁড়িয়ে তার বিরুদ্ধে ছড়ানো নানা মন্তব্য নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিনেতা। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সম্প্রতি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে অর্জুন বিজলানি বলেন, মৌনি রায়ের সঙ্গে তার সম্পর্ক শুধুই বন্ধুত্বের। তাদের একসঙ্গে ডিনারে যাওয়া নতুন কোনো ঘটনা নয়। বরং বহুবার তারা বন্ধুদের সঙ্গে কিংবা একসঙ্গে দুজনে বাইরেও খেতে গেছেন। ফলে এটা নতুন কোনো বিষয় নয়।

    এ অভিনেতা আরও বলেন, সেদিন তারা একা ছিলেন না। আরও কয়েকজন বন্ধু তাদের সঙ্গে ছিল। একসঙ্গে বন্ধুদের ডিনারে যাওয়ার ঘটনা যদি আগেও অসংখ্যবার ঘটে থাকে, তাহলে এবারই বা সেটিকে অন্যভাবে দেখার কারণ কী? মৌনির সঙ্গে তার বহুবার ডিনারে যাওয়া এবং সময় কাটানো হয়েছে। তাই এ ঘটনা ঘিরে তৈরি হওয়া প্রেমের গল্পের কোনো ভিত্তি নেই বলেও জানান অর্জুন বিজলানি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • যেভাবে নায়ক রিয়াজকে খুঁজে পেয়েছিলেন কিংবদন্তি জসিম

    ঢালিউড ইন্ডাস্ট্রির ইতিহাসে অ্যাকশনধর্মী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা আবুল খায়ের জসিম উদ্দিন ওরফে জসিম। খলনায়ক হিসেবে সিনেমা জগতে অভিষেক হলেও পরবর্তী সময়ে নায়ক হিসেবেও তুমুল জনপ্রিয়তা পান তিনি। শুধু অভিনয় নয়, নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করার ক্ষেত্রেও ছিল তার আলাদা নজর। 

    ১৯৯৮ সালের ৮ অক্টোবর মাত্র ৫৩ বছর বয়সে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত কারণে মারা যান এ কিংবদন্তি অভিনেতা জসিম। তার মৃত্যুর পরও চলচ্চিত্রাঙ্গনে স্মৃতি ধরে রাখা হয়েছে। এফডিসির একটি ফ্লোর ‘জসিম ফ্লোর’ নামে পরিচিত। আজ তার জন্মদিন। ১৯৪৫ সালের ১৪ আগস্ট ঢাকার নবাবগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন এ কিংবদন্তি অভিনেতা। 

    শুধু একজন জনপ্রিয় নায়ক হিসেবেই নয়, একজন মুক্তিযোদ্ধাও— ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ২ নম্বর সেক্টরে মেজর হায়দারের নেতৃত্বে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করে স্বাধীনতা এনেছিলেন তিনি।

    অ্যাকশন তারকা ও নতুন প্রতিভার আবিষ্কারক হিসেবেও স্মরণ করা হয় দুর্ধর্ষ খলঅভিনেতা জসিমকে। তার জীবনের অসংখ্য সাফল্যের গল্পের মধ্যে রিয়াজকে খুঁজে পাওয়ার ঘটনাটি যেন একটু আলাদা। কারণ একজন কিংবদন্তির চোখে সেদিন ধরা পড়েছিল আরেক ভবিষ্যৎ তারকার। আর সেই দেখাই বদলে দিয়েছিল রিয়াজের জীবন। তার আবিষ্কারক রিয়াজ আজও সিনেমাপ্রেমীদের কাছে পরিচিত নাম। আর তাই জসিমের জন্মদিনে তার অভিনয়জীবনের পাশাপাশি ফিরে ফিরে আসে সেই গল্প, যেভাবে রিয়াজকে খুঁজে পেয়েছিলেন নায়ক জসিম। তার হাত ধরেই সিনেমা জগতে এসেছিলেন সময়ের আলোচিত অভিনেতা রিয়াজ। 

    প্রায় দুই দশকের চলচ্চিত্রজীবনে দুই শতাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছেন জসিম। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘রংবাজ’, ‘দোস্ত দুশমন’, ‘এক মুঠো ভাত’, ‘প্রতিজ্ঞা’, ‘সবুজ সাথী’, ‘লাইলী মজনু’, ‘জনি’, ‘সারেন্ডার’, ‘লালু মাস্তান’, ‘মাস্তান রাজা’, ‘কালিয়া’, ‘স্বামী কেন আসামি’সহ আরও অনেক সিনেমা। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    চলচ্চিত্রে জসিমের পথচলা সত্তরের দশকের শুরুতে। ১৯৭২ সালে ‘দেবর’ সিনেমার মাধ্যমে অভিনয়ে যাত্রা শুরু। পরের বছর ‘রংবাজ’ সিনেমায় অ্যাকশন পরিচালক হিসেবে কাজ করেন তিনি। এরপর দেওয়ান নজরুল পরিচালিত ‘দোস্ত দুশমন’ সিনেমায় খলনায়ক চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক পরিচিতি পান জসিম। ‘দোস্ত দুশমন’ ছিল ভারতের জনপ্রিয় সিনেমা ‘শোলে’র আদলে নির্মিত। এতে জসিম অভিনয় করেছিলেন গাফফার চরিত্রে। তার অভিনয় এতটাই প্রশংসিত হয়েছিল যে ‘শোলে’র গব্বর সিং চরিত্রে অভিনয় করা আমজাদ খানও জসিমের অভিনয়ের প্রশংসা করেছিলেন বলে নানা প্রতিবেদনে উঠে আসে।

    তবে খলনায়ক হিসেবেই থেমে থাকেননি জসিম। ‘সবুজ সাথী’ সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে নায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। এরপর একের পর এক অ্যাকশনধর্মী সিনেমায় অভিনয় করে হয়ে ওঠেন দর্শকদের প্রিয় নায়ক। আশির দশকে শাবানা ও রোজিনার সঙ্গে তার জুটি বিশেষ জনপ্রিয়তা পায়। শোষিত-বঞ্চিত মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে বিভিন্ন সিনেমায় তার চরিত্র দর্শকদের মনে গভীর দাগ কাটে। ব্যক্তিজীবনেও জসিম ছিলেন আলোচিত। তার প্রথম স্ত্রী ছিলেন অভিনেত্রী সুচরিতা। পরে নাসরিনকে বিয়ে করেন তিনি। তাদের তিন ছেলে রাতুল, রাহুল ও সামি। তিনজনই সংগীতের সঙ্গে যুক্ত।

    এদিকে রিয়াজ তখনো চলচ্চিত্রের মানুষ নন। বিমানবাহিনীতে বিমানচালক হিসেবে প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর চাকরি হারিয়ে ঢাকায় চলে আসেন তিনি। তার চাচাতো বোন ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী ববিতা। একদিন ববিতার সঙ্গে এফডিসিতে গিয়েছিলেন রিয়াজ। আর সেখানেই তার দিকে চোখ পড়ে জসিমের। ১৯৯৪ সালের সেই ঘটনা বদলে দেয় রিয়াজের জীবন। সুদর্শন তরুণ রিয়াজকে দেখে তার মনে হয়, তাকে চলচ্চিত্রে নেওয়া যেতে পারে। তিনি রিয়াজকে অভিনয়ের প্রস্তাব দেন। তখন অভিনয় সম্পর্কে রিয়াজের কোনো অভিজ্ঞতাই ছিল না। জসিমের প্রস্তাবের পাশাপাশি ববিতার উৎসাহও তাকে চলচ্চিত্রে আসার সাহস জোগায়।

    পরের বছরই জসিমের সঙ্গে ‘বাংলার নায়ক’ সিনেমায় অভিনয়ের সুযোগ পান রিয়াজ। মুক্তি পাওয়া সেই সিনেমাটিতে জসিম অভিনয় করেছিলেন ডন চরিত্রে। শাবানা ছিলেন রোকেয়া আর রিয়াজ অভিনয় করেন মুন্না চরিত্রে। সেই সিনেমাটিই হয়ে ওঠে রিয়াজের চলচ্চিত্রে অভিষেক। শুধু অভিনয়ের সুযোগ দিয়েই দায়িত্ব শেষ করেননি জসিম। 

    নবাগত রিয়াজকে অভিনয় ও অ্যাকশনের নানা কৌশলও শেখান তিনি। পরে জসিমকে স্মরণ করে রিয়াজ বলেছিলেন— এফডিসিতে জসিমের শুটিং চলার সময় তিনি ফাইট প্র্যাকটিস করতেন। এমনও হয়েছে, নিজের শুটিং রেখেও জসিম তাকে ফাইট শিখিয়েছেন।

    রিয়াজ আরও বলেন, জসিমের কারণেই তিনি নায়ক রিয়াজ হয়ে উঠতে পেরেছেন। অর্থাৎ জসিমের জীবনে রিয়াজকে আবিষ্কারের ঘটনাটি ছিল শুধু একজন নবাগতকে সুযোগ দেওয়ার বিষয় নয়; পরবর্তী সময়ে সেটি হয়ে ওঠে ঢাকাই চলচ্চিত্রের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার।

    ‘বাংলার নায়ক’র পর অবশ্য নিজের জায়গা তৈরি করতে খুব বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়নি রিয়াজকে। পরে ‘প্রাণের চেয়ে প্রিয়’সহ একের পর এক সফল সিনেমায় অভিনয় করে নব্বইয়ের দশকের অন্যতম জনপ্রিয় নায়ক হয়ে ওঠেন তিনি। কিন্তু তার সেই দীর্ঘ চলচ্চিত্রযাত্রার প্রথম দরজাটি খুলে দিয়েছিলেন জসিমই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভারতীয় ভক্তদের উদ্দেশে আতিফ আসলাম, ‘আমি সবসময়ই তোমাদের মিস করেছি’

    বলিউডে কাজের পুরনো স্মৃতি এবং ভারতীয় শ্রোতাদের ভালোবাসার কথা স্মরণ করে পাকিস্তানি জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আতিফ আসলাম বলেছেন, তিনি তার ভারতীয় ভক্তদের অত্যন্ত মিস করেন। একই সঙ্গে তিনি দুদেশের সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক বাধার মধ্যেও ক্রমাগত সমর্থনের জন্য ভক্তদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। 

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে আতিফ আসলাম তার নতুন মিউজিক প্রজেক্ট ‘বর্ডারলেস মিউজিক’ নিয়ে কথা বলেন। তিনি জানান, এই প্রকল্পের মাধ্যমে তরুণ ও প্রবীণ শিল্পী, সংগীত পরিচালক, গীতিকার এবং ইন্ডাস্ট্রির কিংবদন্তিদের একসঙ্গে নিয়ে আসার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 

    আতিফ বলেন, ‘আমি বর্ডারলেস মিউজিক নামের একটি নতুন প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করছি।’ তিনি আরও জানান, এই প্রজেক্টের আওতায় শ্রোতারা শিগগিরই প্রচুর নতুন গান দেখতে পাবেন। 

    পাশাপাশি, ভারতে পাকিস্তানি শিল্পীদের ওপর থাকা নিষেধাজ্ঞার প্রসঙ্গে আতিফ তার অনুরাগীদের মন খারাপ না করার পরামর্শ দেন। ভারতীয় ভক্তদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আমি আমার সব ভারতীয় ভক্তদের বলতে চাই, নিষেধাজ্ঞার কারণে আপনারা মন খারাপ করবেন না বা দুঃখ পাবেন না। শুধু জেনে রাখুন, আমি সবসময়ই আপনাদের মিস করেছি।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তবে আতিফ এও স্পষ্ট করেন যে, সেখানে কাজ করার চেয়ে ভারতীয় শ্রোতাদের সঙ্গে সংগীতের মাধ্যমে গড়ে ওঠা সেই আত্মিক যোগাযোগটিকেই তিনি বেশি মিস করেন। এই সংগীতশিল্পীর ভাষায়, ‘আমি সেখানে কাজ করা মিস করি না, তবে আমি অবশ্যই আপনাদের সবাইকে মিস করি।’ 

    নিজের সংগীত জীবনের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে আতিফ আরও বলেন, বলিউডে প্লেব্যাক গাওয়া তাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। এই অভিজ্ঞতাই পরবর্তীতে তাকে নিজস্ব স্বতন্ত্র মিউজিক তৈরিতে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।

    তিনি ইঙ্গিত দেন যে, পাকিস্তানি শিল্পীদের ওপর যদি এই নিষেধাজ্ঞা না আসত, তবে হয়তো তিনি সৃজনশীলভাবে আজকের এই ধারায় কাজ করতেন না। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সব সময় তার পাশে থাকার জন্য এবং ভালোবাসা দেওয়ার জন্য ভারতীয় ভক্তদের ধন্যবাদ জানান এই জনপ্রিয় গায়ক। 

    সূত্র: সামা টিভি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • মনিকা বেলুচ্চির সঙ্গে এক সিনেমায় সালমান-সঞ্জয় জুটি

    গ্লোবাল অ্যাকশন থ্রিলার চলচ্চিত্র ‘সেভেন ডগস’-এর হিন্দি ভাষায় অফিশিয়াল ট্রেলার বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) প্রকাশ পেল। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক এই অ্যাকশন সিনেমায় দুই ভারতীয় তারকা সালমান খান ও সঞ্জয় দত্তকে দেখা যাবে। আর এর মাধ্যমে প্রায় দুই যুগ পর আবারও রুপালি পর্দায় একসঙ্গে হাজির হবেন সালমান-সঞ্জয় জুটি। 

    বৃহস্পতিবার সালমান খান নিজেই তার অফিশিয়াল ইনস্টাগ্রামে আন্তর্জাতিক মানের এই সিনেমার ট্রেলারটি ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, সিনেমায় তাদের উপস্থিতি শুধু স্বল্প সময়ের জন্য নয়, বরং গল্পের একটি বড় অংশজুড়ে রয়েছে তাদের ভূমিকা। 

    ‘সেভেন ডগস’-এর মূল গল্প আবর্তিত হয়েছে মিশরের দুই খ্যাতিমান অভিনেতা আহমেদ এজ এবং করিম আবদেল আজিজকে কেন্দ্র করে। তবে ছবিটির বৈশ্বিক আবেদনের অন্যতম বড় কারণ এর বিশাল আন্তর্জাতিক কাস্ট। 

    ভারত থেকে সালমান খান ও সঞ্জয় দত্তের পাশাপাশি এতে আরও অভিনয় করেছেন মনিকা বেলুচ্চি (ইউরোপ), জিয়ানকার্লো এস্পোসিটো (হলিউড), মার্টিন লরেন্স, তারা এমাদ, নাসের আল-কাসাবি ও ম্যাক্স হুয়াংয়ের মতো খ্যাতনামা আন্তর্জাতিক তারকারা। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    হলিউডের সুপারহিট ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘ব্যাড বয়েজ ফর লাইফ’ ও ‘ব্যাড বয়েজ: রাইড অর ডাই’-এর সফল পরিচালক জুটি আদিল এল আরবি এবং বিলাল ফাল্লাহ ছবিটি পরিচালনা করেছেন। ছবিটির মূল ধারণা ও সহ-চিত্রনাট্য তৈরি করেছেন তূর্কি আল-শেখ।

    জানা যায়, ‘সেভেন ডগস’ নামের একটি আন্তর্জাতিক অপরাধচক্র এবং তাদের তৈরি ‘পিংক লেডি’ নামের বিপজ্জনক এক নতুন মাদককে কেন্দ্র করে এগিয়েছে সিনেমাটির গল্প। পুরো ছবিটি মূলত আরবি ও ইংরেজি ভাষায় নির্মিত হলেও বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় এটি মুক্তি দেওয়া হবে।

    ছবিটির শ্বাসরুদ্ধকর অ্যাকশন ও স্টান্ট সিকোয়েন্স ডিজাইন করেছে বিশ্বখ্যাত অ্যাকশন কোম্পানি ৮৭ইলেভেন, যারা জনপ্রিয় ‘জন উইক’ ফ্র্যাঞ্চাইজির অ্যাকশনের জন্য পরিচিত। পুরো অ্যাকশন কোরিওগ্রাফির দায়িত্বে রয়েছেন প্রখ্যাত স্টান্ট ডিজাইনার স্টিফেন ডানলেভি, যিনি ‘ম্যাড ম্যাক্স: ফিউরি রোড’ এবং ‘জন উইক’-এর মতো সিনেমায় কাজ করেছেন। 

    সৌদি আরবের ‘জেনারেল এন্টারটেইনমেন্ট অথরিটি’ এবং ‘রিয়াদ সিজন’-এর সহযোগিতায় ছবিটি প্রযোজনা করেছে সেলা স্টুডিওস। বিশাল ক্যানভাস ও চোখধাঁধানো অ্যাকশনে নির্মিত এই বৈশ্বিক থ্রিলারটি গত ২৭ মে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তি পেয়েছে এবং আগামী ২১ আগস্ট ভারতের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ছবি নিয়ে বিতর্কের মুখে অভিনেত্রী

    ভারতীয় বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী অঙ্কিতা চক্রবর্তীর নগ্ন ছবি নিয়ে বিতর্ক হচ্ছে। ৩৯ বছর বয়সী এই অভিনেত্রীর নগ্ন ছবি দেখে চমকে গেলেন তার ভক্ত-অনুরাগীরা। 

    বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) অঙ্কিতা চক্রবর্তী তার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি পোস্ট করেছেন। তাতে দেখা যায় বিছানায় বসে আছেন অঙ্কিতা। শরীরে কোনো পোশাক নেই। মাথার চুলগুলো আলগা করে ছেড়ে দেওয়া। জানালার ফাঁক দিয়ে আলোর রেখা তার মুখে পরেছে। েই ছবির ক্যাপশনে অঙ্কিতা লিখেছেন—‘আলো আর ছায়া।’ 

    ছবিটি দেখে অঙ্কিতার ভক্তরা ট্রল ও নোংরা মন্তব্য করতে শুরু করেন। অনেকে ছবিটিকে ‘অশ্লীল’ বলেও মন্তব্য করেছেন। কটাক্ষ করে অর্পিতা লিখেছেন, ‘ওমা! আমি ভাবলাম, শ্মশান থেকে মরা উঠে বসে পড়েছে।’

    চৈতালি ঘোষ লেখেন, ‘আগে মানুষ জামাকাপড় পরে সভ্য হয়েছিল। এখন মানুষ জামাকাপড় খুলে সভ্যতা প্রদর্শন করছে…। হায়রে সভ্যতা।’ 

    নূপুর ঘোষ লেখেন, ‘মনে হয় মাথায় একটু ডিস্টার্ব হয়েছে।’  

    অঙ্কিতার অভিনয়ে মুগ্ধ হলেও নগ্ন ছবিটি দেখে বিরক্ত সুস্মিতা দত্ত লেখেন, ‘এই মেয়েটা এত ভালো অভিনেত্রী, সিরিয়ালে অপূর্ব অভিনয় দেখে ওর ফ্যান ছিলাম। এখন এরকম অধঃপতন হয়েছে। যে এত ভালো অভিনয় করে, তার এসব ছবি তুলে ভিউ জোগাড় করতে হচ্ছে!’

    তন্ময় লেখেন, ‘আহা, এই বয়েসে এসে আবার এসব কেন? হায়রে ইন্ডাস্ট্রি।’

    আরেকজন লেখেন, ‘এরপর বেশি বিতর্ক হলে এটাকেই এআই বলে চালিয়ে দেবে।’ এমন অসংখ্য মন্তব্য ভেসে বেড়াচ্ছে কমেন্ট বক্সে। তাছাড়াও এমন সব নোংরা মন্তব্য রয়েছে যা প্রকাশের অযোগ্য।  

    কেবল নগ্ন ছবি নয়, গত মে মাসে ‘অভিশপ্ত নাইটি’খ্যাত পরিচালক দেবালয় ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ তুলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসেন অঙ্কিতা চক্রবর্তী। সংবাদ সম্মেলনে অঙ্কিতা জানান, ২০২০ সালে দেবালয় ভট্টাচার্য পরিচালিত ‘পবিত্র পাপীজ’ সিরিজে অভিনয় করেন অঙ্কিতা। ২০২১ সালে সিরিজটির সাকসেস পার্টিতে দেবালয় তাকে জোর করে চুম্বনের চেষ্টা করেন। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পরিচালককে আইনি নোটিশ পাঠান বলেও জানান তিনি। 

    ২০২২ সালে দীর্ঘদিনের বন্ধু ও অভিনেতা প্রান্তিক ব্যানার্জির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন অঙ্কিতা চক্রবর্তী। পাহাড়ে এক ঘরোয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সাতপাকে বাঁধা হন। ২০২৫ সালের শেষের দিকে বিবাহবিচ্ছেদের ঘোষণা দেন এই যুগল। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • তানজিন তিশার জামিন শুনানিতে যা হলো

    বিশ্বাসভঙ্গের মামলায় জামিন পেয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানা আত্মসমর্পণ পূর্বক আবেদনের শুনানি শেষে এই জামিন আদেশ দেন।

    এদিন ঢাকার সিএমএম আদালতে তানজিন তিশা আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।

    শুনানিতে তিশার আইনজীবী নিহার হোসেন ফারুক বলেন, তানজিন তিশা একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রী। তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। এ জন্য আদালতে এসেছেন। বাদীর ‘অ্যাপোনিয়া’ পেজে শাড়ি দেখে কিনতে আগ্রহী ছিলেন। তখন বাদীপক্ষ তিশাকে বলেন, আমরা একটি শাড়ি দিচ্ছি। আমাদের পেজ মেনশন দিয়ে পোস্ট দিয়েন। 

    তানজিন তিশা তখন বলেন, ‘ঠিক আছে। শাড়ি পাঠান। আমি পেজে আপলোড দেব।’ তিনি ভিডিও আপলোডও করেছেন। পিকচারও আপলোড করবেন বলেছিলেন। এরই মধ্যে বাদী মামলা করে দিয়েছেন কোর্টে। 

    আইনজীবী আরও বলেন, ‘তিশা খুবই ফেমাস একজন অভিনেত্রী। সামনে একটা বড় পর্দার সিনেমা হাতে নিয়েছেন। তাকে জামিন দেন।’

    এ সময় পেজ থেকে নেওয়া সেই শাড়ি আদালতে উপস্থাপন করে দেখান আসামিপক্ষের আইনজীবী নিহার হোসেন ফারুক। তিনি বলেন, এই দেখেন সেই শাড়ি। আসামি শাড়ির ভাজও ভাঙেননি।

    বাদীপক্ষের আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মুকুল শুনানিতে বলেন, একটু আগে বলা হলো শাড়ি পরে ভিডিও আপলোড করেছেন তানজিন তিশা। এখন বলা হচ্ছে, শাড়ির ভাজ ভাঙা হয়নি। শাড়ির ভাজ না ভাঙলে বা প্যাকেট থেকে না খুললে, ভিডিও করল কীভাবে ?

    আইনজীবী আরও বলেন, এমনি এমনি মামলা হয়নি। আগে আসামিকে লিগ্যাল নোটিশ দেওয়া হয়েছে। মামলাটি ডিবি তদন্ত করছে। ডিবি পুলিশ বার বার ডাকলেও তানজিন তিশা হাজির হননি। তিনি প্রতারণা করেছেন। মামলাটি জামিন অযোগ্য ধারায় অভিযোগ করা হয়েছে। আইন সবার জন্য সমান। অভিনেত্রীদের জন্যও সমান। তাকে জেল-হাজতে আটক রাখার আবেদন করছি।

    জানা গেছে, অনলাইন ফ্যাশন পেজ ‘অ্যাপোনিয়া’ থেকে প্রায় ২৮ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের একটি শাড়ি সংগ্রহ করেন তানজিন তিশা। শাড়িটির প্রচারণা চালানো এবং মূল্য পরিশোধের আশ্বাস দেওয়া হলেও পরে তিনি যোগাযোগ বন্ধ করে দেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • না ফেরার দেশে নাট্যকার তানিন রহমান

    নাটকের গল্প ও চিত্রনাট্যের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে দর্শকদের কখনো হাসিয়েছেন, কখনো কাঁদিয়েছেন, আবার কখনো আবেগে আপ্লুত করেছেন নাট্যকার তানিন রহমান। এক দশকের বেশি সময় ধরে টেলিভিশন নাটকের সঙ্গে যুক্ত থেকে শোবিজ অঙ্গনে নিজের আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছিলেন তিনি। তবে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যুতে থেমে গেল সেই দীর্ঘ পথচলা।

    তানিন রহমানের মৃত্যুর বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন নির্মাতা মাহমুদুর রহমান হিমি। বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে তিনি তানিন রহমানের মৃত্যুসংবাদ জানিয়ে শোক প্রকাশ করেন।

    তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্বও। তানিন রহমানের লেখা বহু গল্প ও চিত্রনাট্যে অভিনয় করেছেন এই অভিনেতা। বিকেল ৫টা ৫১ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তানিন রহমানের ছবি প্রকাশ করে অপূর্ব লেখেন, ‘আমার অসংখ্য নাটকের রাইটার তানিম রহমান আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তানিম রহমানের মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত। অসংখ্য নাটকের গল্প ও চিত্রনাট্যে তার সঙ্গে কাজ করার স্মৃতি সবসময় মনে থাকবে। আল্লাহ তাআলা তাকে ক্ষমা করুন, কবরের আজাব মাফ করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন (আমিন)।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    নির্মাতা আশিকুর রহমান জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন তানিন রহমান। সম্প্রতি মিরপুর কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতালে তার কিডনি প্রতিস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বুধবার সফলভাবে অস্ত্রোপচারও সম্পন্ন হয়েছিল। পরে তাকে আইসিইউতে রাখা হয়। কিন্তু বৃহস্পতিবার সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তিনি।

    এক দশকের বেশি সময়ের ক্যারিয়ারে তানিন রহমান টেলিভিশনের জন্য অসংখ্য নাটকের গল্প ও চিত্রনাট্য লিখেছেন। তার লেখায় দেশের অনেক পরিচিত অভিনয়শিল্পী কাজ করেছেন। দর্শকমহলে পরিচিত তার উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে রয়েছে—‘নিয়তি’, ‘মেঘের গল্প’, ‘আবারও’, ‘এই পথ যদি না শেষ হয়’, ‘লাল রঙা স্বপ্ন’, ‘শত ডানার প্রজাপতি’, ‘সেই ছেলেটা’, ‘তোমায় ভালোবেসে’, ‘প্রেম তুমি’, ‘ইন আ রিলেশনশিপ’, ‘এতটা ভালোবাসি’, ‘ভালোবাসার ফানুশ’, ‘নো’ ও ‘উৎসর্গ’।

    তানিন রহমানের মৃত্যুতে দেশের নাট্যাঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। তার লেখা গল্প ও চিত্রনাট্যের মাধ্যমে দর্শকদের সঙ্গে তৈরি হওয়া দীর্ঘ সম্পর্কই তার সৃষ্টিশীলতার অন্যতম স্মারক হয়ে থাকবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অস্ত্রোপচার শেষে ভক্তদের সুখবর দিলেন জুনিয়র এনটিআর

    কাঁধের অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা জুনিয়র এনটিআরের। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। বুধবার হায়দরাবাদের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তার কাঁধে অস্ত্রোপচার করা হয়। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের সুস্থতার খবর জানিয়ে ভক্তদের আশ্বস্ত করেন অভিনেতা।

    হাসপাতালে জুনিয়র এনটিআরের কাঁধে ‘আর্থ্রোস্কোপিক’ পদ্ধতিতে অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। অস্থিসন্ধির বিভিন্ন সমস্যা নির্ণয় ও চিকিৎসায় আধুনিক এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। এতে ছোট ক্যামেরাযুক্ত একটি নল শরীরের নির্দিষ্ট অংশ দিয়ে প্রবেশ করিয়ে অস্থিসন্ধির ভেতরের অবস্থা দেখা হয় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সেখানেই চিকিৎসা বা অস্ত্রোপচার করা হয়।

    অস্ত্রোপচারের পর দেওয়া এক সংক্ষিপ্ত বার্তায় জুনিয়র এনটিআর ভক্তদের ভালোবাসা, প্রার্থনা ও শুভকামনার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। চিকিৎসকদের প্রতিও ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি পরিবার, বন্ধু ও অনুরাগীদের সমর্থন তাকে প্রতিনিয়ত সাহস জোগায় বলেও উল্লেখ করেন অভিনেতা।

    শিগগিরই আবার সবার সঙ্গে দেখা করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন জুনিয়র এনটিআর। তার এই বার্তা প্রকাশের পর স্বস্তি ফিরেছে ভক্তদের মধ্যে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মন্তব্যে দ্রুত জমেছে শুভেচ্ছা ও দ্রুত সুস্থতার প্রার্থনা। অনেকেই অভিনেতাকে আরও কিছুদিন সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    জানা গেছে, গত ২৭ জুলাই কাঁধে চোট পান জুনিয়র এনটিআর। এরপর চিকিৎসকেরা তাকে ছয় থেকে আট সপ্তাহ বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দেন। তবে ঠিক কীভাবে এই চোট পেয়েছেন, সে বিষয়ে অভিনেতা বা তার দলের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

    এদিকে তার নতুন সিনেমা ‘ড্রাগন’-এর শুটিং নিয়েও শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। ছবিটির শুটিংয়ের সময়ই অভিনেতা চোট পেয়েছেন বলে ধারণা করছেন অনেকে। যদিও বিষয়টি নিয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

    অস্ত্রোপচার সফল হওয়ায় এখন মূল লক্ষ্য দ্রুত সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরা। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তাকে কিছুদিন বিশ্রামে থাকতে হবে। পুরোপুরি স্বাভাবিক কাজকর্মে ফিরতে প্রায় দুই থেকে তিন মাস সময় লাগতে পারে বলে জানা গেছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • জামিনের পর তিশা, ‘স্বামীর ক্ষমতা দেখিয়ে আমার সঙ্গে এটা করেছে’

    শাড়ি আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) জামিন পেয়েছেন ছোটপর্দার দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। এদিন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে হাজির হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিনের আবেদন জানান তিনি। শুনানি শেষে আদালত তাকে জামিন মঞ্জুর করেন। 

    তবে জামিন পাওয়ার পরই আদালত প্রাঙ্গণে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিশা। তার বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী একজন নারী হয়েও স্বামীর ক্ষমতা ব্যবহার করে অভিনেত্রীকে হেনস্তা করতেই এই অপচেষ্টা চালিয়েছেন বলে সরাসরি অভিযোগ করেন তিনি। 

    তিশা বলেন, ‘যিনি আমার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ এনেছেন, তিনি একজন নারী। তার স্বামীর ক্ষমতা দেখিয়ে আমার সঙ্গে এটা করেছে এবং সে আমাকে অনেক ধরনের হুমকিও দিয়েছে সেগুলো আমি প্রকাশ করব। সেই সংক্রান্ত অনেক বিষয়ই আমার কাছে আছে, যা আমি সময়মতো প্রকাশ্যে আনব।’ 

    তার বিরুদ্ধে এই আইনি জটিলতা তৈরি করাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে তিশা আরও বলেন, ‘একটি ২৭ হাজার টাকা মূল্যের শাড়ির জন্য বলা হচ্ছে, আমি নাকি আত্মসাত করেছি! আমার দীর্ঘ ১৫ বছরের ক্যারিয়ার। এটি কোনোভাবেই কাম্য নয় যে, আমাকে মাত্র একটি শাড়ির জন্য আদালতে আসতে হবে। আমি যেন সঠিক ও ন্যায়বিচার পাই, এটাই আমার একমাত্র কামনা।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিশা অভিযোগকারীর প্রতি ইঙ্গিত করে আরও বলেন, ‘তারও একটা ছোট মেয়ে আছে, তারও সংসার ও একটা ব্যক্তিগত জীবন আছে। উনি নিজেও একজন নারী। সেই জায়গা থেকে আরেকজন নারীকে এভাবে হয়রানি করা কোনোভাবেই মানা যায় না। আমি আশা করি ভবিষ্যতে আর কাউকে যেন এমন হীন উদ্দেশ্যে হয়রানি না করা হয়। আমরা আদালতের কাছে ন্যায়বিচার পাব বলেই বিশ্বাস করি।’ 

    মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, অনলাইন ফ্যাশন পেজ ‘অ্যাপোনিয়া’ থেকে ২৮ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের একটি শাড়ি নেন তানজিন তিশা। অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, শাড়িটির প্রচার চালানো এবং এর মূল্য পরিশোধের আশ্বাস দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু পরবর্তীতে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন অভিনেত্রী। 

    এ ঘটনায় শাড়িটির মূল্য পরিশোধ না করা এবং প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রচার না চালানোর অভিযোগে তার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের মামলা করা হয়। 

    বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে হাজির হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিনের আবেদন জানান তানজিন তিশা। শুনানি শেষে আদালত তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।  

    বিনোদন ডেস্ক