Blog

  • জয়া আহসানের ভারতের স্বাধীনতা উদযাপন নিয়ে কটাক্ষ শ্রীলেখার

    বিনোদন জগতের দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসানকে নিয়ে ভারতের স্বাধীনতা দিবস কেন্দ্র করে সমালোচনার গুঞ্জন উঠেছে। যদিও অভিনেত্রী ঢালিউডের পাশাপাশি টালিউডেও সমানতালে কাজ করে যাচ্ছেন। 

    ১৫ আগস্ট ভারতের স্বাধীনতা দিবস প্রাক্কালে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল ও একটি প্রথমসারির সংবাদমাধ্যমের উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছিল মধ্যরাতের এক পদযাত্রা।

    কলকাতার রাজপথে বর্ষীয়ান অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, চৈতি ঘোষাল, ইন্দ্রাণী হালদারদের সঙ্গে পা মেলান বাংলাদেশি অভিনেত্রী জয়া আহসানও। এ পদযাত্রায় হাঁটতে দেখে অনেকেই ভ্রু কুঁচকেছেন। অনেকেই বিদ্রুপ করছেন। সমালোচনায় বিদ্ধ বাংলার বাঘিনী জয়া। 

    বাংলার নন্দিত অভিনেত্রীকে দেখে টালিপাড়ার অন্যতম ঠোঁটকাটা অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র চুপ থাকলেন না। জয়া আহসানকে বিঁধে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন তিনি। সেই পোস্ট শেয়ার করে নিজের মতামত রাখলেন মোদির পোস্টার ইস্যুতে সদ্য বিতর্কের কেন্দ্রে থাকা শ্রীলেখা মিত্র।

    সেই পোস্টে প্রশ্ন তোলেন অভিনেত্রী, ‘জয়া আহসান কবে থেকে ভারতীয় হয়ে উঠল, প্লিজ জানাবেন। আজন্ম আমি জেনে এসেছি— ১৫ আগস্ট ভারতবর্ষ স্বাধীন হয়েছিল? আর কদিন আগে অবধি ‘দিপু দাস হত্যাকাণ্ড’ নিয়ে ভারতবর্ষ তোলপাড় হয়েছিল। রিসেন্টলি দিলীপ ঘোষ মহাশয় ভারতীয় মুসলমান গোষ্ঠীকে নামাজ পড়তে হলে পাকিস্তান চলে যাওয়ার সাজেশন অবধি দিয়েছেন।…জয়া আহসান হচ্ছেন সনাতনী, পিওর, আদি ও আসল ভারতীয়। নেতাজির পূর্বপুরুষ। আমার উত্তর চাই কেন? জয়া এহসান থেকে তাসলিমা নাসরিন, তা হলো— তাদের জন্মভূমির কাছে দেশদ্রোহী।

    এই পোস্ট শেয়ার করে শ্লেষাত্মক বার্তা শ্রীলেখার, ‘ধর্ম…ধান্দা…ও দেশপ্রেম… বাকিরা দেশদ্রোহী… হিংটিংছট’।

    যদিও মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের বিশেষ আমন্ত্রণেই এ ওয়াকাথনে যোগ দেন জয়া আহসান। ঢাকায় ফেরার টিকিট বাতিল করে ইমন-পৌষালীদের সঙ্গে গলা মেলান ‘কারার ঐ লৌহকপাট’ থেকে ‘অ্য়ায় মেরে ওয়াতনকে লোগো’তে। 

    তবে শুধু ভারতের স্বাধীনতার উদযাপন নয়, এই ওয়াকাথন ছিল নারীদের স্বাধীনতা, নিরাপত্তা এবং সমমর্যাদার বার্তা দেওয়ার উদ্যোগ। সেই তাগিদ থেকেই রাজপথে হাঁটেন অভিনেত্রী।

    শ্রীলেখা মিত্রের সেই পোস্টের কমান্ডবক্সে জয়া আহসানকে বিদ্রুপ করে এক নেটিজেন লিখেছেন—ঋতুপর্ণার পাশে এটা সেই শুক্রবারি খালা’ না? এর উত্তরে শ্রীলেখা লিখেছেন—না, উনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সত্য কখনো চাপা থাকে না, সামনে আসবেই: সাদিয়া আয়মান

    বিনোদন  জগতের ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান প্রায়ই তার সাবলীল অভিনয় স্টাইলিশ লুক নিয়ে আলোচনায় থাকেন। নানা সময়ে তারকাদের প্রেম, বিয়ে কিংবা বিভিন্ন গুঞ্জন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের
    মধ্যে চর্চা
    হওয়া নতুন কিছু নয়। সম্প্রতি বেশ কিছু নাটক, ফিল্ম, ওয়েব ফিল্ম দিয়ে আলোচনায় এলেও বর্তমানে অভিনেত্রীর ব্যস্ততা খানিকটা কম দেখা গেছে।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ছড়িয়ে পড়া নানা গুঞ্জন, ব্যক্তিগত জীবন ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছেন অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান। কোনো বিষয়ে পালটাপালটি মন্তব্য করে বিতর্ক বাড়ানো নয়, বরং নিজের কাজ মানসিক শান্তি রক্ষা করাকেই প্রাধান্য দিচ্ছেন বলে জানান তিনি।

    সাদিয়া আয়মান বলেন, ‘গুঞ্জন তো গুঞ্জনই। গুঞ্জন নিয়ে বলার কিছু নেই, থাকেও না। তবে কিছু কথা না বললেও হয়। যখন একটা মানুষ তার কথা বলে ফেলে, আমি যদি আমার সাইড অফ স্টোরি বলি, তখন কিন্তু গল্পটা আসলে অন্যরকম হবে।

    তিনি বলেন, তো ওইটা হয়তোবা যে মানুষটা বলে সে চিন্তাও করে না। আমি চাই না আসলে কাদা ছোড়াছুড়ি হোক। আমি চাই না একজন একটি ইন্টারভিউতে এক কথা বলছে, আবার আমি আরেক কথা বলব। এ রকম নোংরামি করতে চাই না। আমার মনে হয় সত্য কখনো চাপা থাকে না, সত্য একসময় সামনে আসবেই।

    সাদিয়া আয়মান বলেন, ‘আমি আগেও বলেছিআমার প্রেমের খুব ইচ্ছা নেই। আমি সব সময় আমার সেটেলমেন্ট করাতেই বিশ্বাসী। আমার কাছে যখন মনে হবে ঠিকঠাক মতো সময়, সুযোগআল্লাহ তো সব লিখে রেখেছে কপালে। আমরা অনেক কিছু চাইলেও সেটা হয় না। আল্লাহ সবকিছু আসলে প্ল্যান করে রেখেছেন। আমাদের কোনো প্ল্যান থাকলেও সেটা আসলে পরক্ষণেই চেঞ্জ হয়ে যেতে পারে। তো আমার মনে হয় যখন সঠিক সময় হবে, যা হবে সব।

    অভিনেত্রী বলেন, অহেতুক বিতর্ক থেকে দূরে থেকে নিজের কাজ, পরিবার মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষাতেই নজর দিচ্ছেন। তিনি
    বলেন,
    আমার মনে হয় এখন সময় না। আমি এখন অনেক ছোট, কাজ করে যাই। যখন অনেক বড় হব, সিনিয়র হয়ে যাব, তখন আমার গল্পগুলো বলব, তখন সেগুলো আরও ভ্যালু অ্যাড করবে।

    সাদিয়া আয়মান বলেন, আসলে এত এনার্জি নষ্ট করার কোনো মানে হয় না। শুটিংয়ের কাজ, ফ্যামিলি, আমার বিড়ালের যত্ন নেওয়াআমাকে নিজেকে নিয়েই চিন্তা করতে হয়। আমার মেন্টাল হেলথ আমি খুবই প্রটেক্ট করি। যেগুলো আমাকে মেন্টাল হেলথে ইফেক্ট করতে পারে, সেগুলোকে আমি পাত্তাই দিই না বলে জানান এ অভিনেত্রী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কিয়ারার সঙ্গে উষ্ণ দৃশ্য নিয়ে যা বললেন যশ

    ‘টক্সিক’ ছবির ঝলক প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই আলোচনায় কিয়ারা আডবাণী ও যশের রসায়ন। ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের জন্য সমালোচিতও হয়েছেন কিয়ারা। সেই প্রসঙ্গে আগেই জবাব দিয়েছিলেন যশ। এবার ছবিতে একাধিক যৌনদৃশ্য নিয়ে মুখ খুললেন দক্ষিণী তারকা।

    ‘টক্সিক’ ছবিতে শুধু কিয়ারার সঙ্গেই নয়। তারা সুতারিয়ার সঙ্গেও বেশ কিছু ঘনিষ্ঠ দৃশ্য রয়েছে যশের। একটি দৃশ্যে যশকে নগ্নও দেখা গেছে। তবে অভিনেতার বক্তব্য, ছবিতে যৌন দৃশ্য থাকলেও কোনও অশালীনতা নেই। 

    তিনি বলেন, অশালীনতা মোটেই সমর্থনযোগ্য নয়। আপনারা ভালো করে দেখলে বুঝবেন, আমি তো চুম্বন করিনি। সব কিছুরই একটা সীমা আছে, আমরা সেটা বুঝি।

    যৌনতার দৃশ্য কীভাবে ক্যামেরাবন্দি করা হবে, সেই বিষয়েও কথা বলেন যশ। তার কথায়, বিষয়গুলি সুন্দর ভাবে ক্যামেরাবন্দি করতে হয়।

    এই ছবিটি আসলে নতুন প্রজন্মের দর্শকের জন্য। উদার মন নিয়ে ছবিটি দেখার কথাও বলেন তিনি। সেই সঙ্গে স্পষ্ট করে দেন, এই ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে দেখলেই সবচেয়ে ভালো স্বাদ উপভোগ করা যাবে।

    ‘টক্সিক’ ছবিতে ‘তবাহী’ নামে একটি গানে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে দেখা গিয়েছে যশ ও কিয়ারাকে। সেই গানের ভিডিও মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই বিতর্কে কিয়ারা। অনেকে বলেছেন, সন্তানের মা হয়ে কীভাবে এমন দৃশ্যে অভিনয় করতে পারলেন!

    এই বিষয়টিতে নায়িকার পাশে দাঁড়িয়েছেন যশ। ছবির ঝলক-মুক্তি অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে যশ জানান, ঝলকে দর্শক কিয়ারার চরিত্রের খুব সামান্য অংশই দেখেছেন। ছবিতে অভিনেত্রীর কাজ আরও অনেক বেশি নজর কাড়বে। কিয়ারার নিষ্ঠা ও পরিশ্রমেরও প্রশংসা করেন তিনি।

    যশ বলেন, একজন অভিনেতা হিসেবে অনেক সময় নানা ধরনের সমালোচনার মুখে পড়তে হয়। কিন্তু সেগুলো নিয়ে ভাবার প্রয়োজন নেই। নিজের বিশ্বাস অনুযায়ী কাজ করে যেতে হবে। মানুষ শেষ পর্যন্ত সেই কাজেরই প্রশংসা করবে। হয়তো আমরা সময়ের থেকে একটু এগিয়ে আছি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রথম দিনেই ২৭ কোটি, ইমরান হাশমির ক্যারিয়ারে নতুন বসন্ত

    ইমরান হাশমির ক্যারিয়ারে যেন নতুন করে বসন্ত এসেছে। দীর্ঘদিন পর আবারও আলোচনার কেন্দ্রে এই অভিনেতা। সেই প্রত্যাবর্তনের মধ্যেই মুক্তি পেয়েছে তার বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘আওয়ারাপন ২’। মুক্তির প্রথম দিনেই বক্স অফিসে দারুণ সাড়া ফেলেছে সিনেমাটি।

    বিশ্বব্যাপী প্রথম দিনে ‘আওয়ারাপন ২’ আয় করেছে ২৭ কোটি রুপির বেশি, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় সাড়ে ৩৪ কোটি টাকা। ভারতের বাজারেই সিনেমাটির প্রথম দিনের নেট আয় দাঁড়িয়েছে ২১ কোটি রুপি। গ্রস হিসাবে ভারত থেকে আয় হয়েছে প্রায় ২৫ কোটি ২০ লাখ রুপি। আন্তর্জাতিক বাজারের আয় যোগ করে প্রথম দিনের বিশ্বব্যাপী সংগ্রহ ২৭ কোটি রুপি ছাড়িয়েছে।

    এই আয় ইমরান হাশমির ক্যারিয়ারে লিড অভিনেতা হিসেবে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় উদ্বোধনী সংগ্রহ। এর আগে তার সর্বোচ্চ উদ্বোধনী আয় ছিল ‘বাদশাহো’ সিনেমার। ২০১৭ সালে মুক্তি পাওয়া সিনেমাটি প্রথম দিনে আয় করেছিল ১২ কোটি ৫০ লাখ রুপি। ‘আওয়ারাপন ২’ সেই রেকর্ডকে প্রায় দ্বিগুণ করে নতুন মাইলফলক তৈরি করেছে।

    মুক্তির আগেই সিনেমাটির অগ্রিম টিকিট বিক্রি থেকে আয় হয়েছিল ৮ কোটি রুপির বেশি। শুক্রবার প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর ভারতের টিয়ার-২ ও টিয়ার-৩ শহরগুলোতে দর্শকদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা গেছে। বেশ কিছু শহরে শুক্রবার রাতের শোগুলোতে দর্শক উপস্থিতি ৯০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে।

    আন্তর্জাতিক বাজারে ভারতের তুলনায় ব্যবসা কিছুটা সীমিত হলেও মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আমেরিকার কয়েকটি কেন্দ্রে ভালো সাড়া পেয়েছে সিনেমাটি। এসব আন্তর্জাতিক অঞ্চল থেকে প্রথম দিনে ‘আওয়ারাপন ২’ আয় করেছে ২ লাখ ২০ হাজার ডলারের বেশি।

    প্রথম দিনের ব্যবসার পাশাপাশি আরও একটি রেকর্ড গড়েছে সিনেমাটি। মুক্তির এক দিনের মধ্যেই ‘আওয়ারাপন ২’ ছাড়িয়ে গেছে ইমরান হাশমির ক্যারিয়ারের অন্যতম আলোচিত সিনেমা ‘মার্ডার’র পুরো সময়ের আয়।

    ২০০৪ সালে মুক্তি পাওয়া ‘মার্ডার’ ভারতীয় বাজারে প্রায় ১৬ কোটি রুপি নেট আয় করেছিল। বিশ্বব্যাপী সিনেমাটির গ্রস আয় ছিল প্রায় ২৫ কোটি রুপি। ‘আওয়ারাপন ২’ মুক্তির প্রথম দিনেই এই দুই হিসাবকে ছাড়িয়ে গেছে।

    শুধু ‘মার্ডার’ নয়, ‘আওয়ারাপন’র প্রথম কিস্তির লাইফটাইম আয়ও এক দিনেই পেরিয়ে গেছে সিক্যুয়েলটি। ২০০৮ সালে মুক্তি পাওয়া প্রথম ‘আওয়ারাপন’ বক্স অফিসে বড় সাফল্য না পেলেও পরবর্তী সময়ে এটি ইমরান হাশমির ক্যারিয়ারের অন্যতম কাল্ট সিনেমা হিসেবে দর্শকদের কাছে বিশেষ জায়গা করে নেয়। দীর্ঘ অপেক্ষার পর সেই সিনেমার দ্বিতীয় কিস্তি মুক্তি পাওয়ায় শুরু থেকেই দর্শকদের মধ্যে ছিল বাড়তি আগ্রহ। 

    নিতিন কক্কর পরিচালিত ‘আওয়ারাপন ২’ প্রযোজনা করেছেন বিশাল ভাট। সিনেমাটিতে শিবম পণ্ডিত চরিত্রে আবারও পর্দায় ফিরেছেন ইমরান হাশমি। তার সঙ্গে অভিনয় করেছেন শাবানা আজমি, দিশা পাটানি ও সুবিন্দর ভিকি।

    সিনেমাটি মুক্তির পর সমালোচকদের কাছ থেকেও মিশ্র থেকে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেয়েছে। বিশেষ করে ইমরান হাশমির অভিনয়, সিনেমার আবহ এবং আবেগঘন উপস্থাপনা প্রশংসিত হয়েছে।

    প্রথম দিনের শক্তিশালী ব্যবসার পর শনিবার সিনেমাটির আয় আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মুক্তির প্রথম সপ্তাহান্তে দর্শকদের আগ্রহ ধরে রাখতে পারলে ‘আওয়ারাপন ২’ ১০০ কোটি রুপির কাছাকাছি পৌঁছে যেতে পারে বলে প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। আর সেই লক্ষ্য পূরণ হলে ইমরান হাশমির ক্যারিয়ারে এটি হয়ে উঠতে পারে অন্যতম বড় বাণিজ্যিক সাফল্য।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সামনে এলো অভিনেত্রী রিধির চাঞ্চল্যকর তথ্য

    রাজধানী থেকে অভিনেত্রী ও মডেল রিধিকা রিধির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। 

    প্রেমঘটিত বিষয় নিয়ে ঝগড়ার জেরে শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে রিধি নিজেকে শেষ করেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। 

    ওই সময় কথিত প্রেমিককে ভিডিও কলে রেখেই এই অভিনেত্রী আত্মহত্যা করেন বলেও দাবি করেছেন পরিবারের সদস্যরা।

    পরিবারের সদস্যদের বরাতে ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম জানিয়েছেন, রিধির একজনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। শনিবার ভোরে ওই ব্যক্তির সঙ্গে ভিডিও কলে তার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাকে ভিডিও কলে রেখেই রিধি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। 

    তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও ঘটনার তদন্তের পরই এই অভিনেত্রীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

    ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ওয়াদুদ জানিয়েছেন, অভিনেত্রী রিধির পরিবারের কাছ থেকে পাওয়া তার জাতীয় পরিচয়পত্রে নাম লীনা আক্তার। পুলিশ তার পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি রিধির সঙ্গে ওই ব্যক্তির সম্পর্ক ও মৃত্যুর আগে তাদের মধ্যে কী ঘটেছিল, সেসব বিষয়েও তদন্ত করছে।

    এর আগে শনিবার ভোরে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় অভিনেত্রী ও মডেল রিধিকা রিধির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মডেলিংয়ের মাধ্যমে শোবিজে পরিচিতি পান তিনি। পরবর্তী সময়ে অভিনয়েও নিয়মিত কাজ করেন। 

    বেশ কয়েকটি নাটকে অভিনয় করে দর্শকদের নজরে আসেন এই অভিনেত্রী। তার অভিনীত নাটকের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ‘এখানে মানুষ বিক্রি হয়’, ‘বহুরূপী’, ‘ডাবল হানিমুন’ ও ‘সুন্দরী’।

    এ ছাড়া সোশ্যাল মিডিয়াতেও বেশ সক্রিয় ছিলেন রিধিকা রিধি। বিভিন্ন সময় তিনি তার কাজের ছবি প্রকাশ করতেন।

    যুগান্তর ডেস্ক

  • ‘বিগ ব্রাদার’-এর আদলে শুরু, কেন নাম হলো ‘বিগ বস’?

    রিয়্যালিটি শোর জগতে ‘বিগ বস’ এখন ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় অনুষ্ঠান। প্রতিযোগীদের ঝগড়া-বিবাদ, প্রেম, বন্ধুত্ব, নানা টাস্ক এবং একের পর এক বিতর্ক—সব মিলিয়ে বছরের পর বছর দর্শকদের আগ্রহ ধরে রেখেছে শোটি। আর সঞ্চালক হিসেবে সালমান খানের উপস্থিতি ‘বিগ বস’-এর জনপ্রিয়তাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে জানেন কি, বিদেশি ‘বিগ ব্রাদার’-এর আদলে শুরু হলেও ভারতের সংস্করণটির নাম কেন ‘বিগ বস’ রাখা হয়েছিল?

    ‘বিগ বস’-এর মূল ফরম্যাট নেওয়া হয়েছে নেদারল্যান্ডসের জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো ‘বিগ ব্রাদার’ থেকে। এই ফরম্যাটে একদল প্রতিযোগীকে বাইরের জগত থেকে বিচ্ছিন্ন একটি বাড়িতে রাখা হয়। সেখানে ক্যামেরায় সারাক্ষণ তাদের কর্মকাণ্ড ধারণ করা হয়। প্রতিযোগীদের বিভিন্ন টাস্কে অংশ নিতে হয়। পাশাপাশি থাকে মনোনয়ন ও দর্শকদের ভোটে বাদ পড়ার প্রক্রিয়া। শেষ পর্যন্ত যিনি টিকে থাকেন, তিনিই বিজয়ী হন।

    ভারতে এই ফরম্যাট নিয়ে কাজ শুরুর সময় নির্মাতাদের সামনে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায় অনুষ্ঠানের নাম কী হবে। ‘বিগ ব্রাদার’ নামটি সরাসরি ব্যবহার না করে ভারতীয় দর্শকদের কাছে সহজে গ্রহণযোগ্য ও অনুষ্ঠানের চরিত্রের সঙ্গে মানানসই একটি নতুন নাম খোঁজা শুরু হয়।

    এন্ডেমেল শিন্ডে ইন্ডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা দীপক ধর ভারতীয় সংস্করণটি তৈরির প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, নাম নির্বাচনের সময় দর্শকদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা, উচ্চারণের সহজতা এবং অনুষ্ঠানের ভাবমূর্তিসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ‘বিগ বস’ নামটিই চূড়ান্ত করা হয়।

    তবে শুধু সৃজনশীল চিন্তা থেকেই নামটি বেছে নেওয়া হয়নি। নাম নির্বাচনের ক্ষেত্রে সংখ্যাতত্ত্বও বিবেচনায় রাখা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন দীপক ধর। শব্দের অর্থ ও উচ্চারণের পাশাপাশি নামের অক্ষরগুলোর সংখ্যাগত মূল্যও দেখা হয়েছিল। ফলে ‘বিগ ব্রাদার’ থেকে ‘বিগ বস’-এ পরিবর্তন ছিল পরিকল্পিত ব্র্যান্ডিংয়ের অংশ।

    বর্তমানে ‘বিগ বস’ নামটি বলতেই অনেকের চোখে ভেসে ওঠে সালমান খানের মুখ। তবে শুরু থেকেই তিনি এ অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ছিলেন না। হিন্দি সংস্করণের প্রথম সিজন শুরু হয় ২০০৬ সালে এবং সেবার সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন আরশাদ ওয়ারসি। দ্বিতীয় সিজনে সঞ্চালক ছিলেন শিল্পা শেঠি। তৃতীয় সিজনে দায়িত্ব নেন অমিতাভ বচ্চন।

    এরপর চতুর্থ সিজন থেকে ‘বিগ বস’-এর সঞ্চালকের দায়িত্বে আসেন সালমান খান। দীর্ঘদিন ধরে তার উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানটি আরও জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বর্তমানে ‘বিগ বস’ শুধু একটি রিয়্যালিটি শো নয়, ভারতীয় টেলিভিশন বিনোদনের অন্যতম পরিচিত ব্র্যান্ড হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মিথ্যা ভান করার চেয়ে সত্যকে বেছে নেওয়া জরুরি: প্রভা

    বিনোদন জগতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা দীর্ঘদিন ধরেই দাপটের সঙ্গে অভিনয় করে যাচ্ছেন। এর পাশাপাশি প্রতিনিয়তই নিজের নানা অনুভূতির কথা সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মধ্যে শেয়ার করে নেন। তার এসব পোস্টে জীবনের নানা অভিজ্ঞতা ও বাস্তবতা তুলে ধরেন তিনি। নজর কাড়েন নেটিজেনসহ ভক্ত-অনুরাগীদের। 

    শুক্রবার (১৪ আগস্ট) নিজের ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে সম্পর্ক চুকে ফেলা, আত্মসম্মান এবং মানসিক শান্তি বজায় রাখার তাগিদ দিয়ে একটি দীর্ঘ ও আবেগঘন বার্তা শেয়ার করে নিয়েছেন এ অভিনেত্রী।  সেই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি সম্পর্ক তৈরি ও ভাঙন নিয়ে নতুন এক দর্শনের কথা তুলে ধরেন প্রভা। 

    সেই পোস্টে অভিনেত্রী লিখেছেন— সম্পর্ক ছিন্ন করা মানে মানুষের কাছ থেকে হাল ছেড়ে দেওয়া নয়। বরং কখনো কখনো এটি নিজের কাছে অবশেষে সত্যি স্বীকার করা— একসময় যে সম্পর্কটি অর্থবহ ছিল, সেটিই এখন ধীরে ধীরে আপনাকে ভেতর থেকে ভেঙে দিচ্ছে।

    তিনি বলেন, ভালোবাসার মূল্য কখনোই আপনার মানসিক শান্তি, পরিচয় কিংবা মানসিক স্বাস্থ্য খোয়ানোর বিনিময়ে হতে পারে না। যারা শুধু নিজের প্রয়োজনেই পাশে আসে, তারা আপনার উপকারে না এলেও নিঃশেষ করে দেয়। 

    অভিনেত্রী বলেন, আবার পরিবারের এমন কেউ থাকেন, যারা সীমা লঙ্ঘন করেন, আবার কেউ আছেন পাশে থাকার পরও আপনাকে একাকী অনুভব করান। এমন পরিস্থিতিতে পরিবর্তন আসবে এ আশায় মানুষ চেষ্টা চালিয়ে যায়। যতক্ষণ না আবিষ্কার করে এ প্রক্রিয়ায় সে নিজেই হারিয়ে যাচ্ছে।

    জীবন থেকে সবকিছু সরিয়ে নেওয়া কোনো নির্মমতা নয়, বরং এটি একটি সাহসিকতার পরিচয় উল্লেখ করে প্রভা বলেন, মিথ্যা ভান করার চেয়ে সত্যকে বেছে নেওয়া এবং নীরব যন্ত্রণার চেয়ে আত্মসম্মানকে অগ্রাধিকার দেওয়াটাও জরুরি। তিনি বলেন, অনেকে বলতে পারেন যে, মানুষটি বদলে গেছে, কিন্তু তারা এটা বুঝতে পারে না যে, কাউকে জীবন থেকে ছেঁটে ফেলা হচ্ছে না; বরং এটি শেষ পর্যন্ত নিজেকে বাঁচানোরই একটি সিদ্ধান্ত।

    অভিনেত্রী বলেন, যেখানে প্রতিনিয়ত আঘাত পাওয়া যায়, সেখানে কখনো নিরাময় সম্ভব নয়। যে পরিবেশ আপনার মানসিক পরিসরকে সংকুচিত করে, সেখানে কখনো বেড়ে ওঠা যায় না। তাই সম্পর্ক কিংবা পরিস্থিতি থেকে সরে আসা মানেই কাউকে পরিত্যাগ করা নয়; বরং এটি নিজের আত্মমর্যাদা ফেরত পাওয়ার পথ। মাঝে মাঝে কোনো কিছু ছেড়ে দেওয়াটাই ভালোবাসার সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী প্রকাশ হতে পারে বলে জানান প্রভা। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি পেলেন রানি মুখার্জি

    বলিউড অভিনেত্রী রানি মুখার্জি সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি পেয়েছেন। প্রায় তিন দশকের অভিনয়জীবনের পর এই সম্মান পাওয়াকে অত্যন্ত আবেগের ও বিনম্রতার মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন তিনি।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অনুভূতি জানিয়ে রানি বলেন, জীবনের কিছু মুহূর্ত মানুষকে থমকে দাঁড়িয়ে নিজের পুরো যাত্রাপথের দিকে ফিরে তাকাতে বাধ্য করে। আজকের দিনটি তার জন্য তেমনই একটি দিন।

    তিনি জানান, অস্ট্রেলিয়ার লা ট্রোব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট পাওয়া তার জন্য গভীরভাবে সম্মানের। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে করা প্রতিটি চরিত্র, প্রতিটি গল্প ও প্রতিটি অভিজ্ঞতা তাকে আজকের মানুষ ও অভিনেত্রী হিসেবে গড়ে তুলেছে। 

    রানি মুখার্জি আরও বলেন, এত বছর ধরে দর্শকরা তার কাজকে নিজেদের ঘর, হৃদয় ও স্মৃতির অংশ করে নিয়েছেন। দর্শকদের ভালোবাসা ছাড়া তার এই দীর্ঘ যাত্রা একই রকম হতো না।

    এই সম্মান কৃতজ্ঞতা ও গর্বের সঙ্গে গ্রহণ করছেন বলে জানান তিনি। পাশাপাশি গল্পের শক্তির ওপর তার বিশ্বাস আরও গভীর হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন এই অভিনেত্রী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • যেভাবে রিয়াজকে খুঁজে পেয়েছিলেন কিংবদন্তি জসিম

    ঢালিউড ইন্ডাস্ট্রির ইতিহাসে অ্যাকশনধর্মী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা আবুল খায়ের জসিম উদ্দিন ওরফে জসিম। খলনায়ক হিসেবে সিনেমা জগতে অভিষেক হলেও পরবর্তী সময়ে নায়ক হিসেবেও তুমুল জনপ্রিয়তা পান তিনি। শুধু অভিনয় নয়, নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করার ক্ষেত্রেও ছিল তার আলাদা নজর। 

    ১৯৯৮ সালের ৮ অক্টোবর মাত্র ৫৩ বছর বয়সে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত কারণে মারা যান এ কিংবদন্তি অভিনেতা জসিম। তার মৃত্যুর পরও চলচ্চিত্রাঙ্গনে স্মৃতি ধরে রাখা হয়েছে। এফডিসির একটি ফ্লোর ‘জসিম ফ্লোর’ নামে পরিচিত। আজ তার জন্মদিন। ১৯৪৫ সালের ১৪ আগস্ট ঢাকার নবাবগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন এ কিংবদন্তি অভিনেতা। 

    শুধু একজন জনপ্রিয় নায়ক হিসেবেই নয়, একজন মুক্তিযোদ্ধাও— ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ২ নম্বর সেক্টরে মেজর হায়দারের নেতৃত্বে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করে স্বাধীনতা এনেছিলেন তিনি।

    অ্যাকশন তারকা ও নতুন প্রতিভার আবিষ্কারক হিসেবেও স্মরণ করা হয় দুর্ধর্ষ খলঅভিনেতা জসিমকে। তার জীবনের অসংখ্য সাফল্যের গল্পের মধ্যে রিয়াজকে খুঁজে পাওয়ার ঘটনাটি যেন একটু আলাদা। কারণ একজন কিংবদন্তির চোখে সেদিন ধরা পড়েছিল আরেক ভবিষ্যৎ তারকার। আর সেই দেখাই বদলে দিয়েছিল রিয়াজের জীবন। তার আবিষ্কারক রিয়াজ আজও সিনেমাপ্রেমীদের কাছে পরিচিত নাম। আর তাই জসিমের জন্মদিনে তার অভিনয়জীবনের পাশাপাশি ফিরে ফিরে আসে সেই গল্প, যেভাবে রিয়াজকে খুঁজে পেয়েছিলেন নায়ক জসিম। তার হাত ধরেই সিনেমা জগতে এসেছিলেন সময়ের আলোচিত অভিনেতা রিয়াজ।  

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    প্রায় দুই দশকের চলচ্চিত্রজীবনে দুই শতাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছেন জসিম। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘রংবাজ’, ‘দোস্ত দুশমন’, ‘এক মুঠো ভাত’, ‘প্রতিজ্ঞা’, ‘সবুজ সাথী’, ‘লাইলী মজনু’, ‘জনি’, ‘সারেন্ডার’, ‘লালু মাস্তান’, ‘মাস্তান রাজা’, ‘কালিয়া’, ‘স্বামী কেন আসামি’সহ আরও অনেক সিনেমা। 

    চলচ্চিত্রে জসিমের পথচলা সত্তরের দশকের শুরুতে। ১৯৭২ সালে ‘দেবর’ সিনেমার মাধ্যমে অভিনয়ে যাত্রা শুরু। পরের বছর ‘রংবাজ’ সিনেমায় অ্যাকশন পরিচালক হিসেবে কাজ করেন তিনি। এরপর দেওয়ান নজরুল পরিচালিত ‘দোস্ত দুশমন’ সিনেমায় খলনায়ক চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক পরিচিতি পান জসিম। ‘দোস্ত দুশমন’ ছিল ভারতের জনপ্রিয় সিনেমা ‘শোলে’র আদলে নির্মিত। এতে জসিম অভিনয় করেছিলেন গাফফার চরিত্রে। তার অভিনয় এতটাই প্রশংসিত হয়েছিল যে ‘শোলে’র গব্বর সিং চরিত্রে অভিনয় করা আমজাদ খানও জসিমের অভিনয়ের প্রশংসা করেছিলেন বলে নানা প্রতিবেদনে উঠে আসে।

    তবে খলনায়ক হিসেবেই থেমে থাকেননি জসিম। ‘সবুজ সাথী’ সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে নায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। এরপর একের পর এক অ্যাকশনধর্মী সিনেমায় অভিনয় করে হয়ে ওঠেন দর্শকদের প্রিয় নায়ক। আশির দশকে শাবানা ও রোজিনার সঙ্গে তার জুটি বিশেষ জনপ্রিয়তা পায়। শোষিত-বঞ্চিত মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে বিভিন্ন সিনেমায় তার চরিত্র দর্শকদের মনে গভীর দাগ কাটে। ব্যক্তিজীবনেও জসিম ছিলেন আলোচিত। তার প্রথম স্ত্রী ছিলেন অভিনেত্রী সুচরিতা। পরে নাসরিনকে বিয়ে করেন তিনি। তাদের তিন ছেলে রাতুল, রাহুল ও সামি। তিনজনই সংগীতের সঙ্গে যুক্ত।

    এদিকে রিয়াজ তখনো চলচ্চিত্রের মানুষ নন। বিমানবাহিনীতে বিমানচালক হিসেবে প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর চাকরি হারিয়ে ঢাকায় চলে আসেন তিনি। তার চাচাতো বোন ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী ববিতা। একদিন ববিতার সঙ্গে এফডিসিতে গিয়েছিলেন রিয়াজ। আর সেখানেই তার দিকে চোখ পড়ে জসিমের। ১৯৯৪ সালের সেই ঘটনা বদলে দেয় রিয়াজের জীবন। সুদর্শন তরুণ রিয়াজকে দেখে তার মনে হয়, তাকে চলচ্চিত্রে নেওয়া যেতে পারে। তিনি রিয়াজকে অভিনয়ের প্রস্তাব দেন। তখন অভিনয় সম্পর্কে রিয়াজের কোনো অভিজ্ঞতাই ছিল না। জসিমের প্রস্তাবের পাশাপাশি ববিতার উৎসাহও তাকে চলচ্চিত্রে আসার সাহস জোগায়।

    পরের বছরই জসিমের সঙ্গে ‘বাংলার নায়ক’ সিনেমায় অভিনয়ের সুযোগ পান রিয়াজ। মুক্তি পাওয়া সেই সিনেমাটিতে জসিম অভিনয় করেছিলেন ডন চরিত্রে। শাবানা ছিলেন রোকেয়া আর রিয়াজ অভিনয় করেন মুন্না চরিত্রে। সেই সিনেমাটিই হয়ে ওঠে রিয়াজের চলচ্চিত্রে অভিষেক। শুধু অভিনয়ের সুযোগ দিয়েই দায়িত্ব শেষ করেননি জসিম।  

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    নবাগত রিয়াজকে অভিনয় ও অ্যাকশনের নানা কৌশলও শেখান তিনি। পরে জসিমকে স্মরণ করে রিয়াজ বলেছিলেন— এফডিসিতে জসিমের শুটিং চলার সময় তিনি ফাইট প্র্যাকটিস করতেন। এমনও হয়েছে, নিজের শুটিং রেখেও জসিম তাকে ফাইট শিখিয়েছেন।

    রিয়াজ আরও বলেন, জসিমের কারণেই তিনি নায়ক রিয়াজ হয়ে উঠতে পেরেছেন। অর্থাৎ জসিমের জীবনে রিয়াজকে আবিষ্কারের ঘটনাটি ছিল শুধু একজন নবাগতকে সুযোগ দেওয়ার বিষয় নয়; পরবর্তী সময়ে সেটি হয়ে ওঠে ঢাকাই চলচ্চিত্রের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার।

    ‘বাংলার নায়ক’র পর অবশ্য নিজের জায়গা তৈরি করতে খুব বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়নি রিয়াজকে। পরে ‘প্রাণের চেয়ে প্রিয়’সহ একের পর এক সফল সিনেমায় অভিনয় করে নব্বইয়ের দশকের অন্যতম জনপ্রিয় নায়ক হয়ে ওঠেন তিনি। কিন্তু তার সেই দীর্ঘ চলচ্চিত্রযাত্রার প্রথম দরজাটি খুলে দিয়েছিলেন জসিমই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ১০ গুণ বেশি পারিশ্রমিক নিলেন ইমরান হাশমি, শাবানা আজমিকে ছাড়ালেন দিশা পাটানি

    অভিনেতা ইমরান হাশমি ২০০৭ সালে ‘আওয়ারাপন’ সিনেমায় শিবম পন্ডিত চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। এবার সিক্যুয়েলে তার প্রত্যাবর্তনকেই বড় আকর্ষণ হিসেবে দেখা যাচ্ছে। এই প্রত্যাবর্তন চরিত্রের জন্য আনুমানিক ১০ থেকে ১২ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নিয়েছেন তিনি। যিনি এই প্রোজেক্টের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত অভিনয়শিল্পী। এর আগে ‘আওয়ারাপন’ সিনেমায় তার পারিশ্রমিক ছিল ১ কোটি ২০ লাখ থেকে ১ কোটি ৫০ লাখ রুপি। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার। 

    ধারণা করা হচ্ছে, নতুন পরিস্থিতি ও নতুন সব চরিত্রের মধ্য দিয়ে শিবম পন্ডিতের কাহিনি সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়া হবে। মূল সিনেমাটি মোহিত সুরির পরিচালনায় অভিনয় করেছিলেন শ্রীয়া শরন।   

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এদিকে, ‘আওয়ারাপন ২’ সিনেমায় ইমরান হাশমি ছাড়াও অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী দিশা পাটানি। তিনি এর জন্য প্রায় ৫ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নিয়েছেন। আর অ্যাকশন থ্রিলারের সঙ্গে যুক্ত খলনায়িকার চরিত্রে অভিনয় করা অন্যতম প্রবীণ অভিনেত্রী শাবানা আজমি পেয়েছেন ২ থেকে ৫ কোটি রুপির মধ্যে। তবে এর পার্শ্বচরিত্রে থাকা সুবিন্দর ভিকি, বিজয়ন্ত কোহলিসহ অন্যদের পারিশ্রমিক প্রকাশ করা হয়নি।

    উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে মূল সিনেমা মোহিত সুরি পরিচালনা করলেও এবার পরিচালনার আসনে পরিবর্তন এসেছে। এবার ‘আওয়ারাপন ২’ পরিচালনা করেছেন নিতিন কক্কর। এবারের গল্প লিখেছেন বিলাল সিদ্দিকী। ‘ভে জুনুন’, ‘ইয়ে আওয়ারাপন’ ও ‘তেরা মেরা রিশতা কন্টিনিউজ’র মতো গান জায়গা করে নিয়েছে এবারের সিক্যুয়েলে।

    বিনোদন ডেস্ক