Blog

  • শুটিংয়ের ফাঁকে যে অভ্যাসের কারণে সাইফ অন্যদের থেকে আলাদা

    প্রথমবারের মতো পতৌদি পরিবারের নবাব অভিনেতা সাইফ আলি খানের সঙ্গে কাজ করছেন পরিচালক প্রিয়দর্শন। তাদের আসন্ন ‘হৈবান’ সিনেমায় সাইফকে পরিচালনা করার অভিজ্ঞতা জানালেন তিনি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সাইফকে ‘লোভী, কিন্তু বাধ্য’ উল্লেখ করেছেন পরিচালক। এর পাশাপাশি জানিয়েছেন কাজ করতে করতে পরিচালকের প্রতি অভিনেতার আস্থা কীভাবে তৈরি হয়েছিল, তা জানান প্রিয়দর্শন।

    সাইফকে ‘পরিণত শিশু’ উল্লেখ করে প্রিয়দর্শন বলেন, অভিনেতার মনে কাজ নিয়ে অনেক প্রশ্ন থাকে। তবে সেই প্রশ্নের উত্তর পেয়ে গেলে তিনি আর কোনো তর্ক না করে পরিচালকের নির্দেশ মেনে কাজ করে যান।

    পরিচালক বলেন, ওর প্রতিবারই অনেক প্রশ্ন থাকে। অবশ্য প্রত্যেক অভিনেতারই প্রশ্ন করার অধিকার রয়েছে। কিন্তু প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার পরেই ও পরিচালকের কথা মেনে নেয়। তিনি বলেন,  দুদিন পর দেখলাম আর কোনো প্রশ্ন নেই। তাই এক সকালে ওকে জিজ্ঞাসা করলাম—কোনো প্রশ্ন আছে? ও বলল, ‘না স্যার, এখন আমি জানি আপনি কী শুট করতে চাইছেন।’

    প্রিয়দর্শন বলেন, এই পারস্পরিক বোঝাপড়াই ধীরে ধীরে দুজনের মধ্যে আস্থা তৈরি করেছে। এভাবেই আমাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস তৈরি হয় এবং কাজ এগিয়ে যায়। সাইফ ভীষণ নিষ্ঠাবান।

    অভিনেতার আরও একটি অভ্যাস নজর কেড়েছে বলে জানান পরিচালক। তিনি বলেন, শুটিংয়ের ফাঁকে অন্য অনেক অভিনেতার মতো ফোনে ডুবে না থেকে সাইফ বই পড়েন। বর্তমান সময়ে অভিনেতাদের মধ্যে সেই অভ্যাস খুঁজে পাওয়া বেশ কঠিন বলে জানান প্রিয়দর্শন।

    তিনি বলেন, সাইফ অত্যন্ত বইপাগল মানুষ। তার চারপাশের পৃথিবী সম্পর্কে জ্ঞানও যথেষ্ট গভীর। ফলে অভিনেতার সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা করতেও তার ভালো লেগেছে।

    কাজের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে পরিচালক বলেন, আমি ওর সঙ্গে অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে পারতাম। কারণ আমি পতৌদি নবাবের খুব বড় ভক্ত। তাই ওর সঙ্গে অনেকটা সময় কাটিয়েছি। ও আমাকে পতৌদির স্বক্ষরসহ একটি সুন্দর বইও উপহার দিয়েছে। ফলে ওর সঙ্গে সময় কাটিয়ে আমার খুব ভালো লেগেছে বলে জানান প্রিয়দর্শন।

    এ নির্মাতা বলেন, আমি ওকে খুব বাধ্য অভিনেতা হিসাবে পেয়েছি। একটু লোভী, কিন্তু খুবই বাধ্য অভিনেতা। আর এটাই ওর সবচেয়ে ভালো দিক। তিনি বলেন, আমার মনে হয়, ও আমার ওপর একটা নির্দিষ্ট ধরনের আস্থা তৈরি করেছিল। সেটি সিনেমাটাকে খুব মসৃণভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে আমাকে অনেক সাহায্য করেছে। সেই সঙ্গে কাজের ক্ষেত্রে, চরিত্র নিয়ে আরও জানার লোভই সাইফকে পরিণত অভিনেতা হতে সাহায্য করেছে বলে মনে করেন পরিচালক। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • রোমান্টিক আবহে দেব-শুভশ্রী

    একসময়ের টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা দীপক অধিকারী দেব ও অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলি দীর্ঘ ১১ বছর পর একসঙ্গে আবারও জুটি হয়ে কাজ শুরু করেছেন। সময়ের ব্যবধানে তা অনেক হলেও মাঝখানে মনোমালিন্যে ভাটা পড়েছিল। ইন্ডাস্ট্রিতে থাকলেও দুজন দুদিকে ছিল। তবে দীর্ঘদিন পর মান-অভিমান ভুলে গত বছর তাদের অভিনীত ‘ধূমকেতু’ মুক্তি পেয়েছিল। যদিও সেই সিনেমাটির কাজ হয়েছিল ২০১৫ সালে। 

    তবে এবার ‘দেশু ৭’ দিয়ে নতুন করে জুটি বাঁধলেন দেব-শুভশ্রী। এ সিনেমার ফার্স্টলুক পোস্টার প্রকাশ্যে এসেছে। এ সিনেমাটি দিয়েই প্রথমবারের মতো পরিচালকের আসনে বসেছেন দেব। তাই ভক্ত-অনুরাগীদের কাছে ‘দেব-শু ৭’ সিনেমাটি একটু বেশিই বিশেষ। আগামী ১৬ অক্টোবর মুক্তির লক্ষ্যে পুরোদমে শুটিং করে চলেছেন এ তারকা জুটি।

    দেব ও শুভশ্রী হচ্ছে টালিউডের অন্যতম সফল জুটি। তাদের সব সিনেমাই হয়েছে ব্যবসাসফল। সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের কাছে ‘দেশু’ বিপুল জনপ্রিয়। কিন্তু মাঝের ব্যক্তিগত কারণে অনেক বছর একসঙ্গে কাজ করা হয়নি তাদের। এতেই ভক্তরা মর্মাহত ছিলেন। তবে আবারও প্রাণ ফিরেছে ‘দেশু’ ভক্ত-অনুরাগীদের। দীর্ঘ বিরতির পর জুটি হয়ে শুটিংয়ে ফিরেছেন দেব-শুভশ্রী। 

    দেব পরিচালিতি ‘দেশু ৭’ সিনেমাটির ফার্স্টলুক পোস্টার প্রকাশ্যে এসেছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) প্রকাশিত হয়েছে তাদের প্রথম পোস্টার। যেখানে পুরনো আমেজের রোমান্টিক আবহে ধরা দিয়েছেন এ তারকা জুটি।

    পোস্টারে দেখা গেছে, পাহাড়ের ওপর বাইক নিয়ে বসে আছেন দেব, অন্যদিকে তাকে জড়িয়ে বসে আছেন শুভশ্রী। সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করা এই ফার্স্টলুকের ক্যাপশনে লেখা হয়েছে— ‘যতই আসুক না বাধা, তোমায়-আমায় করা যাবে না আলাদা। ভালোবাসা তাদের চোখে, আগুন তাদের রক্তে। প্রেম, অ্যাকশনের নতুন এক অধ্যায়ের জন্য সবাই প্রস্তুত হও।’  

    তাদের দুজনের এই প্রেমময় মুহূর্তে মজেছেন সামাজিক মাধ্যমের নেটিজেনসহ ভক্ত-অনুরাগীরা। সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে পোস্টের পরপরই প্রায় ৬০ হাজার প্রতিক্রিয়া আর কয়েক হাজার মন্তব্য জমা পড়েছে।

    শুধু তাই নয়, সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের পাশাপাশি দেব-শুভশ্রীর এই পুনর্মিলনে উচ্ছ্বসিত তাদের বর্তমান সঙ্গীরাও। দেবের প্রেমিকা রুক্মিণী মৈত্র ও শুভশ্রীর স্বামী-নির্মাতা রাজ চক্রবর্তীও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঢাকায় এসে যেভাবে গিটারের জাদুকর হয়ে উঠেন আইয়ুব বাচ্চু

    বিনোদন জগতের সংগীতাঙ্গনের বাংলা ব্যান্ডসংগীতের কিংবদন্তি গিটারবাদক, সুরকার ও সংগীতশিল্পী আইয়ুব বাচ্চুর জন্মদিন আজ। যদি তিনি বেঁচে থাকতেন, তবে আজ ৬৪ বছরে পা দিতেন এ গিটারবাদক। ১৯৬২ সালের এই দিনে চট্টগ্রাম শহরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

    এ কিংবদন্তির সংগীতশিল্পীর জন্মদিন উপলক্ষ্যে এবার প্রকাশ পাচ্ছে তার ২০টি কালজয়ী গান। নতুন সংগীতায়োজনে গানগুলো নিয়ে সাজানো হয়েছে বিশেষ অ্যালবাম ‘উত্তরাধিকার’। আজ রোববার (১৬ আগস্ট) তার জন্মদিনে অ্যালবামটি প্রকাশ করা হচ্ছে। এতে দেশের আটটি উদীয়মান ব্যান্ড ও ১২ জন একক শিল্পী কণ্ঠ দিয়েছেন। 

    দ্বৈত অ্যালবামের পাশাপাশি বিভিন্ন ডিজিটাল মাধ্যমেও গানগুলো প্রকাশ করা হবে। ইকবাল আসিফ জুয়েলের তত্ত্বাবধানে তৈরি অ্যালবামটিতে থাকছে আইয়ুব বাচ্চুর জনপ্রিয় গান ‘চলো বদলে যাই’, ‘রুপালি গিটার’, ‘নীল বেদনা’, ‘গতকাল রাতে’, ‘চাঁদ মামা’, ‘অচেনা জীবন’, ‘মাধবী’ ও ‘বাংলাদেশ’সহ আরও বেশ কয়েকটি গান।

    মাত্র ৫৬ বছরের জীবনে আইয়ুব বাচ্চু বাংলা সংগীতকে যা দিয়ে গেছেন, তা তাকে করে তুলেছে অনন্য। গিটার হাতে মঞ্চে দাঁড়িয়ে তার পরিবেশনা যেমন দর্শকদের মুগ্ধ করত, ঠিক তেমনি তার কণ্ঠের গান ছুঁয়ে যেত শ্রোতাদের হৃদয়। ভক্ত-অনরাগীদের কাছে তিনি ছিলেন ‘বস’। কারও কাছে ‘স্যার’। আবার কারও কাছে সংগীতাঙ্গনে পরিচিত ছিলেন গিটারের জাদুকর হিসেবে।

    আইয়ুব বাচ্চু রকসংগীতের শিল্পী হলেও নিজেকে কোনো একটি ঘরানায় আটকে রাখেননি। আধুনিক গান, লোকগীতি ও চলচ্চিত্রের গানেও শ্রোতাদের মুগ্ধ করেন তিনি। তার কণ্ঠ, সুর ও গিটারের অনন্য মিশেলে তৈরি হয়েছে অসংখ্য জনপ্রিয় গান। ১৯৮৩ সালে মাত্র ৬০০ টাকা নিয়ে ঢাকায় এসেছিলেন এ গিটারবাদক। 

    এরপর প্রতিভা, পরিশ্রম আর অদম্য ইচ্ছাশক্তির মাধ্যমে ধীরে ধীরে নিজেকে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ব্যান্ড তারকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। সোলসসহ বিভিন্ন ব্যান্ডে কাজ করার পর ১৯৯০ সালে গড়ে তোলেন নিজের ব্যান্ড ‘লিটল রিভার ব্যান্ড’, যা পরবর্তী সময়ে ‘লাভ রান্স ব্লাইন্ড’ বা এলআরবি নামে পরিচিতি পায়। তবে হাসি-আনন্দের আড়ালে আইয়ুব বাচ্চুর ভেতরে ছিল গভীর অভিমান ও বেদনা। 

    কাছের মানুষের ভাষ্যানুযায়ী, আইয়ুব বাচ্চু ছিলেন অত্যন্ত আবেগপ্রবণ ও অভিমানী একজন মানুষ। নিজের কষ্ট সবসময় প্রকাশ করতেন না। কখনো কখনো সেই না বলা কথাগুলোই উঠে এসেছে তার গান ও সুরে। মায়ের মৃত্যুর পর ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। মায়ের প্রতি তার গভীর ভালোবাসার কথা নানা সময় নিজেই বলেছেন। মায়ের চলে যাওয়া তার জীবনের সবচেয়ে বড় কষ্টগুলোর একটি হয়েছিল।

    আইয়ুব বাচ্চুর সবচেয়ে বড় ভালোবাসা ছিল গিটার। তিনি বলতেন, গিটারই তার প্রথম ও শেষ ভালোবাসা। জীবনের বড় একটি অংশ তিনি গিটার সংগ্রহ ও বাজানোর পেছনে ব্যয় করেছেন। বিভিন্ন দেশে গিয়ে নামি গিটারের দোকানে ঘুরেছেন, নতুন গিটার সংগ্রহ করেছেন। তার কাছে এসব গিটার ছিল শুধু বাদ্যযন্ত্র নয়, আবেগ ও ভালোবাসার অংশ। জীবনের শেষ দিকে নিজের গিটারগুলো নিয়ে দেশব্যাপী একটি প্রতিযোগিতা আয়োজনের স্বপ্নও দেখেছিলেন তিনি। চেয়েছিলেন— প্রতিভাবান গিটারবাদকরা তার প্রিয় গিটারগুলো বাজাবেন। কিন্তু সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা পাননি। আজ তার জন্মদিনে আবারও মনে পড়ে সেই শিল্পীকে, যিনি গিটার হাতে প্রজন্মের পর প্রজন্মকে গান শুনিয়েছেন। তার চলে যাওয়ার আক্ষেপ হয়তো কখনোই শেষ হবে না। তবে তার সৃষ্টি, গান ও গিটারের সুর তাকে বাঁচিয়ে রাখবে সংগীতপ্রেমীদের হৃদয়ে। আইয়ুব বাচ্চু নেই, কিন্তু তার গান আছে। আর সেই গানেই বারবার ফিরে আসবেন গিটারের এই জাদুকর।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিয়ের মাস যেতে না যেতেই দুঃসংবাদ আমিরের বাড়িতে

    ২০২৬ সালের ৫ জুলাই দীর্ঘদিনের বান্ধবী গৌরী স্প্র্যাটকে আইনিভাবে বিয়ে করেন বলিউডের মিস্টার পারফেকশনিস্ট অভিনেতা আমির খান। এটি তার তৃতীয় এবং গৌরীর দ্বিতীয় বিয়ে। তৃতীয় বিয়ের পর থেকেই একের পর এক সমস্যায় জর্জরিত অভিনেতা। বিয়ের পরই ‘লাভ জিহাদ’ কটাক্ষে জর্জরিত তিনি। শুধু তাই নয়, দিল্লির যন্তর-মন্তরে প্রতিবাদে মুখ না খোলা থেকে শুরু করে বারবার অন্য ধর্মের নারীকে বিয়ে করা পর্যন্ত— একাধিক বিষয় নিয়ে কটাক্ষের শিকার হয়েছেন মিস্টার পারফেকশনিস্ট অভিনেতা।

    আমির খান জানান, গৌরী হিন্দু নয় ক্রিস্টিয়ান। সাবেক স্ত্রীরা মুসলিম না হলেও তিনি কখনোই কাউকে ধর্ম পরিবর্তন করার জন্য জোর দেননি। এ ছাড়া ভিন্ন ধর্মে বিয়ে তার পরিবারে একাধিকবার হয়েছে, তাই এ ক্ষেত্রে লাভ জিহাদ কথাটির কোনো মানে নেই। 

    খুব স্বাভাবিকভাবেই বোঝা যাচ্ছে, সময়টা একেবারেই ভালো যাচ্ছে না এ অভিনেতার। এর মধ্যেই হঠাৎ করে সাবেকের সঙ্গে দেখতে পাওয়া গেল আমির খানকে। শুধু তাই নয়, মুখ গম্ভীর ও চোখে পানি। আমিরের এমন রূপ দেখে খুব স্বাভাবিকভাবেই চিন্তিত সবাই। হঠাৎ এমন কী হলো অভিনেতার?

    সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে ছড়িয়ে পড়েছে কিছু ছবি, যেখানে দেখতে যাচ্ছে— সাবেক স্ত্রী কিরণ রাও এবং ছেলে আজাদের সঙ্গে দাঁড়িয়ে রয়েছেন আমির খান। কান্নায় ভেঙে পড়েছে আজাদ। অন্যদের মুখও গম্ভীর। 

    জানা গেল আসল কারণ। ছেলে ও সাবেক স্ত্রীকে নিয়ে পেট ক্লিনিক থেকে বেরিয়ে আসছিলেন আমির খান। ফলে বোঝাই যায় বাড়ির কোনো পোষ্য হয়তো অসুস্থ। সেই পোষ্যকে নিয়েই তাই তড়িঘড়ি ক্লিনিকে দৌড়েছেন মিস্টার পারফেকশনিস্ট অভিনেতা।

    যদিও এ বিষয় নিয়ে আমির খান বা তার পরিবারের তরফ থেকে কিছু জানানো হয়নি। তবে আজাদের কান্না দেখে অনেকেই ভাবছেন— হয়তো পোষ্য গুরুতর অসুস্থ। আবার অনেকে ভাবছেন— হয়তো বাড়ির পোষ্য মারা গেছে, তাই কান্নায় ভেঙে পড়েছে আজাদ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ৫৬ বছরেও ফিট থাকার রহস্য জানালেন সাইফ

    বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা সাইফ আলী খান রোববার (১৬ আগস্ট) ৫৬ বছরে পা রাখলেন। দীর্ঘ অভিনয় জীবনে দিল চাহতা হ্যায়, ওমকারা, লাভ আজ কাল ও তানহাজিসহ নানা চলচ্চিত্রে ভিন্নধর্মী চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি স্বাস্থ্য ও ফিটনেস সচেতন জীবনযাপনের জন্যও পরিচিত এই অভিনেতা।

    অনেক তারকা যেখানে কঠোর ও জটিল ডায়েট মেনে চলেন, সেখানে সাইফের খাদ্যাভ্যাস বেশ সাধারণ ও ঘরোয়া। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, সুস্থ থাকতে বিলাসবহুল খাবার বা কঠোর ডায়েটের প্রয়োজন নেই; বরং নিয়মিত ও পরিমিত খাবারই যথেষ্ট।

    সাইফ বলেন, দিনের বেলায় তিনি তুলনামূলক হালকা ও নিরামিষ খাবার খেতে পছন্দ করেন, আর রাতের খাবারে রাখেন আমিষ পদ। তার দিনের শুরু হয় ডিম ও টোস্ট দিয়ে। দুপুরের খাবারে সাধারণত থাকে সবজি, ভেন্ডি, ডাল, গাজর-মটর এবং একটি রুটি। মাঝে মাঝে তিনি মাছ-ভাতও খেয়ে থাকেন।

    অভিনেতার ভাষায়, ‘আমি দুপুরে একটু স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে পছন্দ করি। সকালে ডিম ও টোস্ট খাই। দুপুরে সাধারণত সবজি, ভেন্ডি, ডাল, গাজর-মটর ও একটি রুটি থাকে। সব মিলিয়ে খুবই সাধারণ খাবার। কখনো কখনো মাছ-ভাতও খাই।’

    শুটিংয়ের সময় খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণে রাখতে তিনি ব্যক্তিগত রাঁধুনির সাহায্য নেন বলেও জানান। তার মতে, চলচ্চিত্রের সেটে পাওয়া খাবার সব সময় স্বাস্থ্যকর হয় না। তাই সম্ভব হলে বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে যাওয়াই তার পছন্দ।   

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এ প্রসঙ্গে সাইফ বলেন, ‘ফিট থাকতে চাইলে অনেক সময় ইউনিটের খাবার এড়িয়ে চলতে হয়। তাই শুটিংয়ে আমি সাধারণত বাড়ির খাবার সঙ্গে নিয়ে যাই। তবে বিদেশে শুটিং বা ভ্রমণের সময় সেটে পাওয়া দেশি খাবার সব সময় ডায়েটের জন্য উপযোগী হয় না।’

    ভালো খাবার পছন্দ করলেও ভারী ও অতিরিক্ত সমৃদ্ধ খাবার খুব একটা খান না তিনি। সন্ধ্যায় মাঝে মাঝে কাবাব খেলেও বেশিরভাগ সময় ডায়েটভিত্তিক খাবারেই ভরসা রাখেন।

    খাওয়া-দাওয়া নিয়ে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সাইফ বলেন, ‘আমি মূলত বেঁচে থাকার জন্য খাই। খাবার আমার জীবনের প্রধান আকর্ষণ নয়। ফিট থাকতে হবে বলেই আমরা সাধারণ খাবার খাই। এমনকি পাতৌদিতেও আমি ও কারিনা খুবই সাধারণ খাবার খেয়ে থাকি।’

    কাজের ক্ষেত্রে সাইফ আলী খানকে পরবর্তী সময়ে অক্ষয় কুমারের সঙ্গে ‘হাইওয়ান’ চলচ্চিত্রে দেখা যাবে।

    সূত্র: এনডিটিভি

    বিনোদন ডেস্ক

  • পোশাক নিয়ে সমালোচনার মুখে ওয়ামিকা

    সম্প্রতি ‘আওয়ারাপান ২’ সিনেমার একটি অনুষ্ঠানে সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী লুকে উপস্থিত হয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল আলোচনার জন্ম দিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী ওয়ামিকা গাব্বি। চিরাচরিত লাল গালিচার জমকালো পোশাক কিংবা গ্ল্যামারাস গাউন এড়িয়ে স্পোর্টি ও ‘ওয়াইটুকে’ অনুপ্রাণিত একটি পরীক্ষামূলক পোশাক বেছে নিয়েছিলেন তিনি। তবে তার এই অনন্য সাজ নেটিজেনদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। 

    অনুষ্ঠানের জন্য ওয়ামিকা একটি ওভারসাইজড বাদামী ও কালো শেডের চিতা-প্রিন্ট ফুটবল জার্সি বেছে নেন। জার্সির কলারটি ছিল সাদা-কালো রঙে তৈরি এবং সামনে ছিল বোল্ড গ্রাফিক ডিটেইলিং। 

    তিনি জার্সিটিকে একটি মিনি ড্রেস হিসেবে পরিধান করেন, যার নিচের অংশ থেকে সামান্য কালো রঙের টিউল বা ঝালর উঁকি দিচ্ছিল।

    খেলাধুলার এই ক্যাজুয়াল পোশাকটিকে রাতের মানানসই রূপ দিতে তিনি বেছে নেন সরু স্টিলেটো হিলসহ কালো অ্যাঙ্কেল বুট। অভিনেত্রীর পুরো সাজের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ ছিল চোখ ঢাকা ওয়াইটুকে ধাঁচের কালো সানগ্লাস। পাশাপাশি তার ছোট, উস্কোখুস্কো হেয়ারস্টাইল তার পুরো চেহারায় একটি ভিন্ন আমেজ এনে দেয়। গহনা ছাড়াই তার পোশাক, চশমা ও জুতোকে লুকের মূল আকর্ষণ হিসেবে রাখেন এই অভিনেত্রী। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ওয়ামিকা সাহসিকতার সঙ্গে নতুন এই ফ্যাশন উপভোগ করলেও ইন্টারনেটে ভক্ত ও নেটিজেনদের প্রতিক্রিয়া ছিল মিশ্র। অনেকেই এই ওভারসাইজড জার্সি, অদ্ভুত চশমা ও হেয়ারস্টাইলের সমন্বয়ের তীব্র সমালোচনা করেছেন। 

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একজন তাকে নিয়ে মজা করে কমেন্ট করেছেন ‘বলিউডের শহীদ আফ্রিদি’। তবে কিছু মন্তব্য ছিল অনেক বেশি কঠোর, যেখানে নেটিজেনরা—‘খুবই সস্তা লুক’, ‘বাজে’, ‘ছাপরি’ কিংবা ‘পুরো জোকার লাগছে…’ বলে কটাক্ষ করে মন্তব্য করেন। 

    অন্য একজন লিখেছেন, ‘সব স্টাইল সবাইকে মানায় না। ওয়ামিকা গাব্বি এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ। তার ওপর মেকআপ বাজে এবং ড্রেসটির ফিটিং ভালো নয়।’ 

    তবে সমালোচনার পাশাপাশি অনেক অনুরাগী তার এই ভিন্নমাত্রার চেষ্টার প্রশংসাও করেছেন। ভক্তদের একাংশ তার এই সাহসী লুককে ‘মনোমুগ্ধকর’ বলে উল্লেখ করেছেন এবং তার নিজস্ব ইউনিক ফ্যাশন সেন্সের প্রশংসা করেছেন। 

    সূত্র: ফ্রি প্রেস জার্নাল 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিজ্ঞাপনে কাজ করে কেন আইনি বিপাকে এই তিন তারকা

    ভারতের মহারাষ্ট্রে নিষিদ্ধ পণ্য ‘পান মসলা’ পরোক্ষভাবে প্রচারের অভিযোগে তিন বলিউড তারকা শাহরুখ খান, অজয় দেবগন এবং টাইগার শ্রফকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠিয়েছে রাজ্যটির খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ)। খবর এনডিটিভির।

    তুকারাম মুন্ধে চালিত এই খাদ্য নিরাপত্তা সংস্থার পাঠানো ৯ পৃষ্ঠার নোটিশে অভিনেতাদের অবিলম্বে এই বিজ্ঞাপনী প্রচার থেকে সরে দাঁড়াতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অফিশিয়াল অ্যাকাউন্ট থেকে এই সংক্রান্ত যাবতীয় প্রচারমূলক কনটেন্ট ও পোস্ট মুছে ফেলারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    ২০২৪ সালে পান মসলা প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ‘বিমল’-এর এলাচির একটি বিজ্ঞাপনে এই তিন অভিনেতাকে একসঙ্গে দেখা যায়। এফডিএ-র নোটিশে বলা হয়েছে, আপাতদৃষ্টিতে এটি ‘বিমল এলাচি’র বিজ্ঞাপন হলেও মূলত বিমল ব্র্যান্ডটি পান মসলার সঙ্গেই ব্যাপকভাবে পরিচিত, যা মহারাষ্ট্রে তৈরি, সংরক্ষণ, পরিবহন, বণ্টন ও বিক্রি করা সম্পূর্ণ আইনিভাবে নিষিদ্ধ। বিজ্ঞাপনে বিমল নামটির এমন ব্যবহার ভোক্তাদের বিভ্রান্ত করতে পারে এবং পরোক্ষভাবে নিষিদ্ধ পণ্যের মূল ব্র্যান্ড প্রচার করতে সাহায্য করে বলে উল্লেখ করা হয়। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ভুল তথ্যভিত্তিক বা বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপনে অংশ নেওয়ার কারণে রাজ্যটির ভোক্তা অধিকার আইন অনুযায়ী অভিযুক্তদের ১০ লাখ থেকে ৫০ লাখ রুপি পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। পাশাপাশি তাদের যেকোনো পণ্যের প্রচারণায় সর্বোচ্চ ৩ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করার বিধানও রয়েছে। এ জন্য এফডিএ কর্তৃপক্ষ এই তারকাদের কাছে তাদের স্পন্সরশিপ চুক্তিপত্র, প্রচারের বিবরণ এবং পণ্যটি প্রচারের আগে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাইয়ের প্রমাণাদি তলব করেছে।

    উল্লেখ্য, এর আগে ২০২২ সালে বিমল এলাচির একই ধরণের বিজ্ঞাপনে অংশ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন অভিনেতা অক্ষয় কুমার। পরবর্তী সময়ে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চান এবং চুক্তি থেকে সরে এসে বিজ্ঞাপনের সমুদয় পারিশ্রমিক জনকল্যাণমূলক কাজে দান করার ঘোষণা দেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ৬০০ টাকা নিয়ে ঢাকায় এসে কিংবদন্তি, আইয়ুব বাচ্চুর জন্মদিন আজ

    বাংলা ব্যান্ড জগতের কিংবদন্তি শিল্পী আইয়ুব বাচ্চু। দেশের জনপ্রিয় এই গায়ক, গিটারবাদক, গীতিকার, সুরকার ও সংগীত পরিচালক ১৯৬২ সালের আজকের এই দিনে (১৬ আগস্ট) চট্টগ্রাম শহরে জন্মগ্রহণ করেন। মাত্র ৫৬ বছরের ছোট্ট জীবনে এই কিংবদন্তি বাংলা ব্যান্ডজগতকে কেবল সমৃদ্ধই করে গেছেন। বেঁচে থাকলে আজ ৬৪ বছরে পা দিতেন তিনি। 

    ১৯৭৮ সালে ‘ফিলিংস’ ব্যান্ডের মাধ্যমে ব্যান্ড সংগীতে পথচলা শুরু করেন আইয়ুব বাচ্চু। ১৯৮৩ সালে মাত্র ৬০০ টাকা নিয়ে পা রাখেন ঢাকায়। এরপর প্রতিভা, পরিশ্রম ও অদম্য ইচ্ছাশক্তির মাধ্যমে ধীরে ধীরে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ব্যান্ড তারকা হিসেবে। এরপর ১০ বছর সোলস ব্যান্ডের লিড গিটারিস্ট হিসেবে কাজ করেন তিনি। 

    ১৯৯০ সালে যাত্রা শুরু হয় তার নিজের ব্যান্ড দল ‘এলআরবি’র। শুরুতে ব্যান্ডটির নাম ‘লিটল রিভার ব্যান্ড’ রাখা হলেও পরবর্তী সময়ে ‘লাভ রান্স ব্লাইন্ড’ বা এলআরবি নামে এটি পরিচিতি পায়। 

    রক সংগীতের বরপুত্র হিসেবে খ্যাত হলেও আইয়ুব বাচ্চু নিজের সুরের ভুবন কেবল একটি নির্দিষ্ট ঘরানায় সীমাবদ্ধ রাখেননি। আধুনিক গান, লোকসংগীত কিংবা চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক—সবখানেই তিনি শ্রোতাদের বিমোহিত করেছেন তার অসাধারণ কণ্ঠ, সুর ও গিটারের জাদুকরী মূর্ছনায়। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    শ্রোতাদের সামনে হাসিমুখ ও উল্লাসের আড়ালে এই শিল্পীর ভেতরে লুকিয়ে ছিল গভীর অভিমান। কাছে থেকে যারা তাকে চিনেছেন, তাদের মতে তিনি ছিলেন অত্যন্ত আবেগপ্রবণ ও সংবেদনশীল এক হৃদয়বান মানুষ। তবে নিজের ভেতরে জমে থাকা কষ্টের কথাগুলো মুখ ফুটে না বললেও, তা ফুটে উঠত তার গান আর সুরের মুর্ছনায়। 

    জানা যায়, মায়ের প্রয়াণ ছিল তার জীবনের সবচেয়ে বড় ধাক্কা। মায়ের প্রতি গভীর ও নিঃশর্ত ভালোবাসার কথা তিনি বারবার প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন আড্ডায় ও সাক্ষাৎকারে। মায়ের এই না-ফেরার দেশে চলে যাওয়া তার আত্মাকে গভীরভাবে ক্ষতবিক্ষত করেছিল। 

    পাশাপাশি, ব্যান্ডের সহশিল্পীদের দলছুট হওয়াও তাকে প্রবলভাবে আহত করত। কারণ ব্যান্ড সদস্যদের তিনি কেবল মিউজিশিয়ান মনে করতেন না, ভাবতেন তার নিজের পরিবারেরই অংশ। আর আইয়ুব বাচ্চুর সবচেয়ে বড় ভালোবাসা ছিল গিটার। তিনি বলতেন, গিটারই তার প্রথম ও শেষ ভালোবাসা। জীবনের বড় একটি অংশ তিনি গিটার সংগ্রহ ও বাজানোর পেছনে ব্যয় করেছেন। 

    দীর্ঘ কয়েক দশকের সংগীত জীবনে অসংখ্য কালজয়ী ও শ্রোতাপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন আইয়ুব বাচ্চু। ‘চলো বদলে যাই,’ ‘হাসতে দেখো,’ ‘এখন অনেক রাত,’ ‘রুপালি গিটার’, ‘মেয়ে’ ‘আমি কষ্ট পেতে ভালোবাসি,’ ‘সুখের এ পৃথিবী,’ ‘ফেরারী মন,’ ‘উড়াল দেবো আকাশে,’ ‘বাংলাদেশ,’ ‘আমি বারো মাস তোমায় ভালোবাসি,’ ‘এক আকাশের তারা,’ ‘সেই তারা ভরা রাতে,’ ‘কবিতা,’ ‘আমি তো প্রেমে পড়িনি,’ ‘তিন পুরুষ,’ ‘যেওনা চলে বন্ধু,’ ‘বেলা শেষে ফিরে এসে,’ ‘আমি তো প্রেমে পড়িনি,’ ‘তিন পুরুষ’ সহ অসংখ্য জনপ্রিয় গানের স্রষ্টা তিনি। 

    ২০১৮ সালের ১৬ আগস্ট ঘরোয়া আয়োজনে কাছের মানুষদের নিয়ে নিজের শেষ জন্মদিন পালন করেছিলেন আইয়ুব বাচ্চু। তার মাত্র দুই মাস পর ১৮ অক্টোবর হঠাৎ করেই না ফেরার দেশে চলে যান বাংলা ব্যান্ড সংগীতের এই কিংবদন্তি। 

    আইয়ুব বাচ্চুর চলে যাওয়ার প্রায় ৮ বছর হতে চললেও এ কিংবদন্তির সৃষ্টি, গান ও গিটারের সুর প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে সংগীতপ্রেমীদের হৃদয়ে তাকে বাঁচিয়ে রাখবে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘তেরা মেরা রিশতা ২.০’ নিয়ে ফিরলেন মুস্তফা জাহিদ

    প্রায় দুই দশক পর ইমরান হাশমির ২০০৭ সালের আলোচিত সিনেমা ‘আওয়ারাপান’-এর জনপ্রিয় গান ‘তেরা মেরা রিশতা’ নতুন করে শ্রোতাদের সামনে নিয়ে এলেন পাকিস্তানি রক ব্যান্ড রক্সেন-এর প্রধান গায়ক মুস্তফা জাহিদ। 

    গত ১৪ আগস্ট গানটির নতুন সংস্করণ প্রকাশ করেন তিনি। গানটিতে মূল সুরের প্রাণবন্ত আমেজ ঠিক রেখে লিরিক্সে কিছুটা পরিমার্জন আনা হয়েছে। 

    মিউজিক ভিডিওতে জাহিদকে একটি উন্মুক্ত স্থানে রাতের বেলা গানটি পরিবেশন করতে দেখা যায়, যার পটভূমিতে দৃশ্যমান ছিল শহরের চোখধাঁধানো স্কাইলাইন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ভারতীয় সিনেমায় পাকিস্তানি শিল্পীদের কাজের ওপর চলমান নিষেধাজ্ঞার কারণে ‘আওয়ারাপান ২’ সিনেমার অফিশিয়াল সাউন্ডট্র্যাকে অংশ নিতে পারেননি মুস্তফা জাহিদ। মূল অ্যালবাম থেকে বাদ পড়লেও এই ফ্র্যাঞ্চাইজি থেকে গানটিকে হারিয়ে যেতে দেননি তিনি। ভক্তদের কথা ভেবেই ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম রিলস এবং বিভিন্ন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে স্বাধীনভাবে নিজের এই একক সংস্করণটি মুক্তি দেন তিনি। 

    অন্যদিকে, ইমরান হাশমি ও দিশা পাটানি অভিনীত ‘আওয়ারাপান ২’ সিনেমাটি নিজস্ব অফিশিয়াল সাউন্ডট্র্যাক নিয়েই মুক্তি পেয়েছে। তবে প্রযোজনা সংস্থার অ্যালবাম থেকে বাদ পড়লেও, নিজস্ব কণ্ঠে গানটি নিয়ে এসে দুই দেশের শ্রোতাদের ফ্র্যাঞ্চাইজিটির সেই পুরানো আবেগে আবারও ভাসিয়েছেন মুস্তফা জাহিদ। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আইনি জটিলতায় সেলেনা

    হলিউডের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও অভিনেত্রী সেলেনা গোমেজ আইনি জটিলতায় জড়ালেন। শুধু তাই নয়। মা ম্যান্ডি টিফি ও সাবেক ব্যবসায়িক সহযোগী ড্যানিয়েলা পিয়ারসনের বিরুদ্ধেও মামলা করেছে দুই বিনিয়োগকারী সংস্থা।

    তাদের অভিযোগ—মানসিক স্বাস্থ্যের স্টার্টআপ ওয়ান্ডারমাইন্ড গ্লোবালে বিনিয়োগের আগে সংস্থা নিয়ে ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছিল। এমনকি সংস্থার বিপুল আর্থিক ক্ষতির কথাও দুই বিনিয়োগকারীর কাছে গোপন করার অভিযোগ ওঠে।

    ডেলাওয়্যারের আদালতে মামলাটি হয়েছে। ওয়ান্ডারমাইন্ড এসআরএস ৪৪ এলএলসি এবং বিস্পোক ওয়ান্ডারমাইন্ড এলএলসি নামে দুই সংস্থা সেলেনা, তার মা ম্যান্ডি, ওয়ান্ডারমাইন্ড  গোলাবারে এবংবিজনেস পার্টনা ড্যানিয়েলা পিয়ারসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে। 

    বিনিয়োগকারী সংস্থার দাবি, ২০২২ সালে তারা প্রায় ১.২ মিলিয়ন ডলার ‘ওয়ান্ডারমাইন্ড’-এ বিনিয়োগ করেছিলেন। অভিযোগ, তাদের সামনে এমন একটি পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছিল, যেটি সেই সময়ে লাভজনক বলে মনে হয়েছিল দুই সংস্থার। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে স্পষ্ট— সেলেনাদের পরিকল্পনার সঙ্গে কাজের কোনো মিল নেই।

    সংস্থার মার্কেটিং হেড সেলেনা গোমেজের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি সক্রিয়ভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তার বিপুল সোশ্যাল মিডিয়া ফলোয়িং, বিজ্ঞাপন এবং টেলিভিশন উপস্থিতিকে ওয়ান্ডারমাইন্ডের প্রচারের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিনিয়োগকারীদের সামনে তুলে ধরা হয়েছিল।

    কিন্তু পরে সেলেনা সংস্থাটিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য তার দেওয়া কথা রাখেননি বলে অভিযোগ। এমনকি একটি মোবাইল অ্যাপ তৈরি এবং বিভিন্ন ব্যবসায়িক উদ্যোগ বাস্তবায়নের কথাও বলা হয়েছিল, যার কোনোটিই বাস্তবে সফল হয়নি বলে দাবি মামলাকারীদের।

    বিনোদন ডেস্ক