Blog

  • দুর্নীতি বিতর্কে নাসিরুদ্দিনের মন্তব্যে ঘি ঢাললেন কঙ্গনা

    রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা ও প্রতিবাদী অবস্থান নিয়ে শুরু হওয়া বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ ও বহুমুখী শিল্পী পীযূষ মিশ্রর মধ্যকার বাকযুদ্ধে এবার সরাসরি নাসিরুদ্দিন শাহকে ‘শিয়াল’ সম্বোধন করে তীব্র আক্রমণ ছুড়ে দিয়েছেন বিতর্কিত অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত।

    সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে নাসিরুদ্দিন শাহর আনুগত্য ও অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অভিনেত্রী। সেই পোস্টে কঙ্গনা রানাউত লিখেছেন, সত্যিটা হলো— আমরা প্রত্যেকেই কারও না কারও অনুগত। তিনি বলেন, আমি গর্বিত যে আমি সেই বাড়ির সুরক্ষায় লড়ি, যেখানকার অন্ন গ্রহণ করি। কিন্তু নাসিরুদ্দিন এ দেশের অন্ন খেয়ে অন্য দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেন।

    নিজের স্বভাবসিদ্ধ চাঁচাছোলা ভঙ্গিতে অভিনেত্রী বলেন, ‘আজকের দিনে কুকুর শব্দটা আসলে প্রশংসা। কারণ আনুগত্য ও বিশ্বস্ততা এখন বিরল। নাসিরুদ্দিনের মতো ‘শিয়াল’ হওয়ার চেয়ে আমি কুকুর হওয়াকেই শ্রেয় মনে করি।

    একটি সূত্রে জানা গেছে, নিট দুর্নীতি নিয়ে যন্তর-মন্তরে আয়োজিত এক প্রতিবাদ কর্মসূচিতে এ ঘটনার সূত্রপাত। সেখানে তারকাদের নীরবতা নিয়ে তোপ দেগে অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ বলেছিলেন— মুখে হাড় থাকলে কুকুর ঘেউ ঘেউ করতে পারে না। বলিপাড়ার একাংশকে ইঙ্গিত করে এ বর্ষীয়ান অভিনেতার মন্তব্যটি প্রকাশ্যে আসতেই ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। নাসিরুদ্দিনের এ মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানান পীযূষ মিশ্র। ঝাড়খণ্ডের ছাত্র আন্দোলন প্রসঙ্গে নাসিরুদ্দিন কেন নীরব তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। সামাজিক মাধ্যমে পীযূষের সেই মন্তব্যটি পুনঃপ্রকাশ করে তার সঙ্গে একমত পোষণ করেন কঙ্গনা রানাউত।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সাবেক স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ের ছবি দেখেই রহস্যময় বার্তা উর্মিলার

    বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী উর্মিলা মাতণ্ডকরের সাবেক স্বামী মহসিন আখতার মীর সম্প্রতি তার দ্বিতীয় বিয়ের প্রীতিভোজের একগুচ্ছ ছবি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করে নিয়েছেন। সেই সঙ্গে কাশ্মীরের শ্রীনগরভিত্তিক সাবেক অভিনেত্রী ও মডেল স্ত্রী নিধা ভাটকে নিয়ে একটি আবেগঘন পোস্টও দিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে জানিয়েছেন, নিধা শুধু তার স্ত্রী নন। হয়ে উঠেছেন তার জীবনের ‘ঘর এবং শান্তিস্থল’। মোহসিনের সেই পোস্টের পরেই সামাজিক মাধ্যমে একটি রহস্যময় বার্তা দিয়েছেন সাবেক পত্নী উর্মিলা মাতণ্ডকর।

    মহসিন মীরের পোস্ট করা প্রীতিভোজের ছবিতে দেখা গেছে গোলাপি শেরওয়ানিতে। অন্যদিকে লাল পোশাকে নজর কেড়েছেন নিধা ভাট। ছবিগুলো পোস্ট করে স্ত্রীকে উদ্দেশ করে মহসিন লিখেছেন— তুমি শুধু আমার স্ত্রী নও, তুমি আমার ঘর, আমার শান্তি এবং প্রতিদিনের সবচেয়ে প্রিয় অংশ হয়ে উঠেছ। তোমাকে আমার জীবনে নিয়ে আসার জন্য আল্লাহর কাছে আমি কৃতজ্ঞ। তিনি বলেন, আমার জীবনের প্রতিটি অধ্যায়ে তোমাকে আগলে রাখব, তোমার পাশে থাকব এবং ভালোবাসব— এই প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। এই ভালোবাসার জন্য চিরকাল কৃতজ্ঞ থাকব।

    চলতি বছরের জুন মাসেই দ্বিতীয় বিয়ের কথা প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন মহসিন আখতার মীর। সেই সময় আবেগঘন একটি বার্তায় নতুন করে ভালোবাসা খুঁজে পাওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়েছিলেন তিনি। স্ত্রীকে নিয়ে নতুন জীবন শুরুর কথাও উঠে এসেছিল সেখানে। মহসিন লিখেছিলেন— বিশুদ্ধ উদ্দেশ্য, সৎ ভালোবাসা এবং কৃতজ্ঞতায় ভরা হৃদয়। নিজের আত্মাকে পবিত্র রাখুন। বিশ্বাস রাখুন, আল্লাহর লেখা চিত্রনাট্য সবসময়েই ভালো। তার নির্ধারিত সঠিক সময়ে আমার সুন্দরী স্ত্রী নিধাকে আমি পেয়েছি। উপরওয়ালা আশীর্বাদ করেছেন। তুমি আমার জীবনে আলো এনেছ। তাই তোমাকে ধন্যবাদ, ভালোবাসা।

    মহসিনের সেই আবেগঘন বার্তার মাঝেই উর্মিলা সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে পোস্ট নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। সেই পোস্টে উর্মিলা লিখেছেন— আমি দামি জিনিস পছন্দ করি। যেমন— ভালোবাসা, আনুগত্য ও সময়।

    মহসিন মীর এর আগে অভিনেত্রী উর্মিলা মাতণ্ডকরের স্বামী ছিলেন। ২০১৪ সালে তাদের প্রথম পরিচয় হয়। পোশাকশিল্পী মনীশ মালহোত্রার ভাইঝির বিয়েতে তাদের আলাপ হয়েছিল। ২০১৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি আড়ম্বরহীন একটি অনুষ্ঠানে বিয়ে করেছিলেন তারা। তাদের বিয়ে নিয়ে সেই সময় যথেষ্ট আলোচনা হয়েছিল। তাদের মধ্যে বয়সের ব্যবধানও ছিল ১০ বছর। ভিন্নধর্মী বিয়ে বলেও আলোচনা হয়েছিল। তবে প্রায় এক দশকের দাম্পত্যের পর তাদের সম্পর্কে চিড় ধরে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শিবপ্রসাদ-নন্দিতার নতুন সিনেমায় মিঠুন, যা বললেন অভিনেতা

    সম্প্রতি হাতে অস্ত্রোপচারের পর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন টালিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। আপাতত তিনি সুস্থ আছেন বলে জানা গেছে। তবে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ঘরে ফিরতে না ফিরতেই সুখবর পেলেন এ ফাটাকেষ্টখ্যাত অভিনেতা। এবার শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও নন্দিতা রায়ের সঙ্গে জুটি বাঁধতে চলেছেন তিনি। 

    আগামী বছর উইন্ডোজের পঁচিশ বছরপূর্তিতে আসবে সেই নতুন সিনেমা। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সব চূড়ান্ত হওয়ার পর সবার সঙ্গে সেই খবর শেয়ার করে নিলেন পরিচালক শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। যদিও টালিউডের প্রায় সব পরিচালকই এ অভিনেতাকে নিয়ে সিনেমা নির্মাণের স্বপ্ন দেখে থাকেন। চিত্রনাট্য যদি মনের মতো হয় তিনি বাংলা ছবি করতে সবসময় রাজি। বলিউডে নিজের জায়গা পোক্ত করেও তিনি বাংলাকে ভোলেননি। হিন্দি সিনেমার পাশাপাশি প্রতি বছরই বাংলায় এসে ছবি করেছেন মিঠুন চক্রবর্তী।

    পরিচালক শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় নিজেই এ খবর জানান সামাজিক মাধ্যমে। মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করে উচ্ছ্বসিত হয়ে নির্মাতা লিখেছেন—হ্যাঁ ফাইনালি আমরা একসঙ্গে কাজ করছি। আমি আর নন্দিতা দি, সঙ্গে মিঠুন চক্রবর্তী। 

    তিনি বলেন, প্রত্যেক মানুষেরই কিছু স্বপ্ন থাকে। আমার তেমনই একটি স্বপ্ন ছিল — কোনো একদিন মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে কাজ করব। কারণ বড় হয়েছি তাকে পর্দায় দেখে। ‘অগ্নিপথ’, ‘ডিস্কো ড্যান্সার’, ‘দো আনজানে’, ‘ড্যান্স ড্যান্স’ — আরও কত ছবি! 

    শিবপ্রসাদ বলেন, আবার বাংলা সিনেমায় তার অসামান্য সব কাজ আমাদের বারবার মনে করিয়ে দেয়— একজন অভিনেতার কোনো ভাষা হয় না, কোনো সীমানা হয় না। তার অভিনয়, তার ব্যক্তিত্ব, তার পর্দাজুড়ে থাকা— সব মিলিয়ে ছোটবেলা থেকেই তিনি আমার কাছে শুধু একজন তারকা নন, এক অদ্ভুত বিস্ময়। আমার কাছে উনিই রামকৃষ্ণ, উনিই মৃগয়া, উনিই ডিস্কো ড্যান্সার।

    এর আগে এ কিংবদন্তি অভিনেতাকে নিজে চিত্রনাট্য পড়ে শুনিয়েছিলেন শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। সেই অভিজ্ঞতাও শেয়ার করে নিলেন তিনি। এ নির্মাতা বলেন, কিছু কিছু অপেক্ষা বোধহয় ঠিক গল্পটার জন্যই থেকে যায়। যেদিন ওর সঙ্গে দেখা করে গল্পটা শোনালাম, বুকের ভেতরটা কোথাও সেই ছোটবেলার আমিটা বোধহয় তখনো চুপ করে বসেছিল। গল্প বলা শেষ হতেই মিঠুনদা হাত মিলিয়ে বললেন— ফাটিয়ে দিয়েছিস! এ তো আমার জীবনের গল্প।

    এর আগে আমেরিকায় থাকাকালে মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন পরিচালক। নিজের পরিচয় দিয়ে একটা ভয়েস নোট পাঠিয়েছিলেন তিনি, যা শুনেই সঙ্গে সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন এ বর্ষীয়ান অভিনেতা। সেদিন মিঠুনদা কল ব্যাক করে বলেছিলেন—শিবু! নিজেকে শিবপ্রসাদ বলে এত বড় ফিরিস্তি দিচ্ছিস কেন? বসে আছি তো কাজ করব বলে!

    আগেবতাড়িত হয়ে শিবপ্রসাদ বলেন, কয়েকটা শব্দ কখনো কখনো অনেক বছরের স্বপ্নকে ছুঁয়ে যায়। সেই মুহূর্তটা আমার কাছে ঠিক তেমনই। আর কয়েকটি দিনের অপেক্ষা। তারপর বহুদিনের স্বপ্ন বাস্তবে রূপান্তিরত হবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ডিভোর্সের মামলা তুলে নিলেন বিজয়ের স্ত্রী, রহস্যময় বার্তা তৃষার

    দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির সুপারস্টার তথা রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয়ের স্ত্রী সংগীতা সোরনালিঙ্গম এর মধ্যেই বিবাহবিচ্ছেদের মামলা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এর চার দিন পরেই সামাজিক মাধ্যমে পরপর দুটি রহস্যময় পোস্ট করলেন অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণন। আর তাতেই নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে বিজয়-সংগীতার দাম্পত্যজীবন নিয়ে। 

    সদ্য সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে একটি পোস্ট দিয়েছেন অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণান। সেই পোস্টে একটি ইমোজি দিয়ে অভিনেত্রী লিখেছেন— এই বয়সে এত নাটক করা সত্যিই লজ্জাজনক। তারচেয়ে বরং টাকা রোজগার কর এবং শান্তিতে থাকো। 

    তবে কার উদ্দেশে কিংবা কোন পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে অভিনেত্রী এ বার্তা দিয়েছেন, তা স্পষ্ট করেননি তিনি। কিন্তু সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের অনুমান— সংগীতার বিবাহবিচ্ছেদ প্রত্যাহারের জেরেই এ পোস্ট দিয়েছেন তৃষা কৃষ্ণান।

    এরপর আরও একটি স্টোরি শেয়ার করে নেন অভিনেত্রী। সেখানে তিনি লিখেছেন— একদিন যে জীবনের প্রার্থনা করেছিলে, সেই জীবনে ডুবে থাকার সৌভাগ্য আর কী হতে পারে। তৃষার এ দুই পোস্টের কোনোটিতেই বিজয় কিংবা সংগীতার নাম উল্লেখ করা হয়নি।

    তবে সংগীতার বিবাহবিচ্ছেদের মামলা প্রত্যাহারের পর এ পোস্টগুলো প্রকাশ্যে আসায় সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা-কল্পনা। দীর্ঘদিন ধরেই বিজয়ের সঙ্গে তৃষার সম্পর্ক নিয়ে নানা গুঞ্জন ছড়িয়েছে। যদিও বিজয় কিংবা তৃষা— কেউ-ই প্রকাশ্যে সেই জল্পনা নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।

    উল্লেখ্য, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করেছিলেন থালাপতি বিজয়ের স্ত্রী  সংগীতা সোরনালিঙ্গম। বিয়ে হয় ১৯৯৯ সালে। তাদের দুই সন্তান রয়েছে— জেসন সঞ্জয় ও দিব্যা শাশা। 

    এর মধ্যেই তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসেছেন থালাপতি বিজয়। সম্প্রতি বিবাহবিচ্ছেদের মামলা প্রত্যাহার করেন সংগীতা। আদালতের নির্দেশানুযায়ী, ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে হাজির হয়ে সংগীতা জানান যে, তিনি আর মামলাটি চালিয়ে যেতে চান না। এর পাশাপাশি মামলা প্রত্যাহারের আবেদনও জমা দেন তিনি।

    বিজয়ের আইনজীবী সেই আবেদনের বিরোধিতা করেননি। এরপর আদালত সংগীতাকে মামলা প্রত্যাহারের অনুমতি দেন। তবে ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে নতুন করে মামলা করার সুযোগও রাখা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে অবশ্য সংগীতার মামলা প্রত্যাহারের কারণ ব্যাখ্যা করা হয়নি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘বিজেপির পা চাটাদের’ খোঁচা শ্রীলেখার

    বিতর্কে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একের পর এক পোস্ট করে চলেছেন টালিউডের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র।

    মোদির বিতর্কিত পোস্টার ঘিরে তার ওপর হওয়া একাধিক এফআইআর, সোশ্যাল মিডিয়ার বিতর্কে দমার পাত্রী যে নন, তা বুঝিয়ে দিয়েছেন অভিনেত্রী। আর এবার সুপ্রিম কোর্ট চোখের চিকিৎসায় অভিষেককে বিদেশ যাওয়ার অনুমতি দিতেই সামাজিক মাধ্যম ফেসবুক পোস্টে  বিজেপি সমর্থকদের খোঁচা দিলেন শ্রীলেখা মিত্র।

    এ সংবাদের একটি শিরোনাম শেয়ার করে শ্রীলেখা লিখেছেন— ‘অভিষেক বাঁ চোখ দেখাতে বিদেশ যেতে পারছে সুপ্রিম কোর্ট? ভালো টিএমসিদের জন্য সব করে দেবেন। আর দোষ করল শুধু আমার চশমা। অঞ্চন দত্ত চশমা খসে গেলে একা মুশকিলে পড়েন না! এফআইআর আর নব্য বিজেপির পা চাটা ওয়ালা… ’।

    বর্তমানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা চলছে। রাজ্য সরকারের তরফে আদালতে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছিল— একবার বাইরে যাওয়ার অনুমতি পেলে তিনি দেশে না-ও ফিরতে পারেন।

    দেশেই তার চোখের চিকিৎসা করানোর দাবি তুলেছিল তারা। যদিও অভিষেকের আইনজীবীদের শর্ত ছিল— এর আগেও ১৫ বার বিদেশ গেছে অভিষেক। ফিরে এসেছে। কলকাতায় তার স্ত্রী-সন্তানরা আছে। একটি দলের জেনারেল সেক্রেটারি তিনি, দেশের এমপি।

    নিজের রায়ে সুপ্রিম কোর্ট অভিষেককে তিন সপ্তাহের জন্য বিদেশযাত্রার অনুমতি দিয়েছে। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপোকে জানিয়ে যেতে হবে তিনি কখন যাবেন, কখন ফিরবেন, ফ্লাইট ডিটেইলস, কোন হাসপাতালে তার চিকিৎসা হবে ইত্যাদি। এ ছাড়া বিদেশে তিনি কোন ঠিকানায় থাকবেন জানাতে হবে পুলিশকে।

    শ্রীলেখার পোস্টে তার এক অনুরেগী মন্তব্য করেছেন, ‘দূর সব সেটিং করা’। আরেকজন লেখেন, ‘তুমিও বিজেপিতে গেলে ওরা লুফে নেবে। এটা নিন্দুকেও জানে। মাথা নত করো নি এটা দোষের। এরা ভালোমূল। তুমি অগ্নিমুল।’

    যন্তর মন্তরে পড়ুয়াদের ওপর লাঠি চালানোর অভিযোগে কলকাতায় বাম ও ককরোচ জনতা পার্টির তরফে একটি মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল। এতে যোগ দিয়েছিলেন শ্রীলেখা মিত্রও।

    তবে সেখানে তার হাতে থাকা একটি পোস্টার নিয়ে বিতর্ক বাড়ে। কারণ সেখানে দেশের প্রধানমন্ত্রী মোদির একটি বিকৃত কার্টুন ব্যবহার করা হয়েছিল। ৪০টিরও বেশি থানায় এফআইআর হয় শ্রীলেখার নামে। তার বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখাতে পৌঁছে যান বিজেপি সমর্থকরা। 

    শ্রীলেখার দাবি—  তিনি যেহেতু চশমা পরেননি, তাই চোখে দেখতে পারছিলেন না ঠিক করে। তাই পোস্টারটি ভালোভাবে না দেখেই নিয়েছিলেন হাতে। এমনকি শ্রীলেখার সমালোচনা শুধু রাজনীতির জগতের মানুষদের থেকেই নয়, এসেছে টালিপাড়ার ভেতর থেকেও। হাতেগোনা দুই-একজনকে পাশে পেয়েছেন ইন্ডাস্ট্রি থেকে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাজনীতি সায়ন্তিকার জন্য সঠিক জায়গা নয়, মন্তব্য জ্যোতিষীর

    গত বিধানসভা নির্বাচনে ভোটে হেরে যাওয়ার পর থেকেই টালিউড অভিনেত্রী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেকে ধীরে ধীরে সরিয়ে নিয়েছেন রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে।

    সামাজিক মাধ্যমে মাঝেমধ্যেই অভিনেত্রীর জিমে ঘাম ঝরানো থেকে নতুন ফটোশুটের মুহূর্ত দেখতে পাওয়া যায়। আর তাতেই বোঝা যায়, তিনি রাজনীতি থেকে সরে আসছেন। রাজ্যের পালাবদলের পর তিনি যে ধীরে ধীরে আবার পুরোনো জায়গায় ফিরতে চাইছেন, সে কথা নিজেই স্বীকার করে নেন সায়ন্তিকা।

    বড়পর্দায় প্রত্যাবর্তন নিয়ে গুঞ্জনের মধ্যেই জানা যায় সায়ন্তিকা আসতে চলেছেন হইচইয়ের পর্দায়। প্রথমে অনেকেই ভেবেছিলেন হয়তো কোনো সিরিজে অভিনয় করতে চলেছেন তিনি, তবে পরে বোঝা যায়— ইমন চক্রবর্তী সঞ্চালিত নতুন নন ফিকশন শো কর্মা ক্লিনিকে যোগ দিতে চলেছেন সায়ন্তিকা।

    ইতোমধ্যে সেই অনুষ্ঠানের একটি ছোট্ট ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। সেই ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গেছে, সায়ন্তিকার ভবিষ্যৎ কোন দিকে এগোতে চলেছে, তা নিয়ে কথা বলছেন জ্যোতিষী বাসব বন্দ্যোপাধ্যায়। 

    সায়ন্তিকার রাজনৈতিক ভরাডুবির কথা প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, এতদিন তিনি সাধারণ মানুষের কাছে যেভাবে পৌঁছে গিয়েছিলেন, ঠিক সেভাবেই এবার নিজের জায়গায় ফিরতে চান তিনি।

    সায়ন্তিকার মুখে এমন কথা শুনেই জ্যোতিষী বলেন, ‘রাজনীতি সায়ন্তিকার জন্য সঠিক জায়গা নয়। এ মুহূর্তে নায়িকার জীবনে শনিরদশা চলছে। তবে শিগগির ব্যক্তিজীবনে বড় মোড় আসতে পারে। অভিনেত্রী যা চান সেটাই হবে আগামী দিনে।’

    জ্যোতিষীর মুখে এই কথা শুনে লজ্জায় লাল হয়ে যান সায়ন্তিকা, হাসতে থাকেন ইমন। এই ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই অনেকে ভাবছেন হয়তো এই ভাবেই নিজের নতুন কাজের ইঙ্গিত দিলেন সায়ন্তিকা। আবার অনেকেই ভাবছেন জয় মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর এবার হয়তো নতুন সম্পর্কে জড়াতে চলেছেন অভিনেত্রী, সেটারই ইঙ্গিত দিলেন জ্যোতিষী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিনয় থেকে কি একেবারেই সরে দাঁড়াচ্ছেন হাসান মাসুদ?

    জনপ্রিয় অভিনেতা হাসান মাসুদ হজ করে আসার পর দীর্ঘদিন অভিনয় থেকে দূরে আছেন। গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানিয়েছিলেন— আপাতত অভিনয় করছেন না। তিনি ধর্মকর্মেই মনোযোগ দিয়েছেন। সম্প্রতি এমন মন্তব্যে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে।

    হাসান মাসুদের সেই মন্তব্য সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে ভাইরাল হয়ে পড়ে। এ নিয়ে অনেক বিতর্ক ওঠে। অনেকে আবার প্রশ্ন তোলেন— তাহলে কি অভিনয় থেকে পুরোপুরি সরে দাঁড়াচ্ছেন হাসান মাসুদ? অবশেষে সেই প্রশ্নের উত্তর দিলেন এ অভিনেতা। তিনি বলেন, অভিনয় ছাড়ার কোনো সিদ্ধান্ত তিনি নেননি। বরং তার বক্তব্য ভুলভাবে প্রচার করা হয়েছে।

    হজ করে দেশে ফেরার পর এরই মধ্যে দুটি বিজ্ঞাপনচিত্রে অভিনয় করেছেন বলেও জানান হাসান মাসুদ। পছন্দসই গল্প ও কাজের প্রস্তাব পেলে ভবিষ্যতেও অভিনয় করবেন তিনি। একসময়ের জনপ্রিয় এ অভিনেতার অভিনয়জীবনের শুরু অবশ্য অন্যভাবে। সেনাবাহিনীতে ক্যাডেট হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন তিনি। পরে অবসর নিয়ে সাংবাদিকতায় যুক্ত হন।

    ২০০৩ সালে মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘ব্যাচেলর’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় এ অভিনেতার। এরপর নাটকেও নিয়মিত মুখ হয়ে ওঠেন হাসান মাসুদ। ‘হাউসফুল’, ‘এফডিসি’, ‘গ্র্যাজুয়েট’, ‘রঙের দুনিয়া’, ‘বিহাইন্ড দ্য সিন’, ‘খুনসুটি’সহ বেশ কিছু জনপ্রিয় নাটকে অভিনয় করে দর্শকের কাছে পরিচিতি পান তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি গানও করেছেন হাসান মাসুদ। ২০০৬ সালে প্রকাশ করা হয় তার গানের অ্যালবাম।

    সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হাসান মাসুদ বলেন, ‘ওই কথাটা বলা আমার ভুল হয়েছে। আমি বলেছিলাম— দুই বছর ধরে অভিনয় করছি না, এবং মাঝেমধ্যে বিজ্ঞাপনচিত্রে কাজ করছি। এ মুহূর্তে ভালো কনটেন্টও তেমন নেই। কিন্তু আমি কখনো বলিনি যে, আর অভিনয় করব না।

    এ অভিনেতা বলেন, তবে ভালো গল্প ও চরিত্র পেলে এখনো অভিনয়ে ফিরতে  চান তিনি। ধর্মচর্চার সঙ্গে অভিনয়কে সাংঘর্ষিক বলেও মনে করেন না হাসান মাসুদ। তিনি  বলেন, আপনি ধর্ম পালন করতে পারেন, আবার শুটিং সেটেও নামাজ পড়তে পারেন।

    গত চার-পাঁচ বছরে যাদের সঙ্গে কাজ করেছি, তারা সবাই জানেন যে আমি ২০০০ সাল থেকে নিয়মিত নামাজ পড়ি। শুটিংয়ের সময় সবাই আমাকে নামাজ পড়ার জন্য বিরতি দিতেন। আমি চেষ্টা করতাম ওই সময়ে যেন আমার কোনো দৃশ্যের শুটিং না থাকে। তিনি বলেন, পরবর্তী সময়ে পরিচালকরাই বলতেন— বিরতির সময় হয়েছে হাসান ভাই। যান নামাজ পড়ে আসেন। এভাবেই চলত।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ইমরান হাশমি কত টাকার মালিক জানেন

    বলিউডের প্রভাবশালী অভিনেতাদের মধ্যে একজন হলেন ইমরান হাশমি। তিনি ক্যারিয়ারের শুরু থেকে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছেন। বছরের পর বছর ধরে তিনি বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করে নিজের দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছেন।

    শুধু অভিনয়ে নয়, সম্পদের দিকেও তিনি কম নন। সিনেমা থেকে পাওয়া পারিশ্রমিক তার মোট সম্পদের একটি বড় অংশ। বিভিন্ন প্রতিবেদনে তার মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১০৫ কোটি রুপি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    সিনেমার পারিশ্রমিক এবং বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপন থেকে পাওয়া আয়ই তার সম্পদের মূল উৎস বলে জানা যায়।

    সিনেমা ও বিজ্ঞাপন থেকে আয়ের পাশাপাশি ইমরান হাশমির রিয়েল এস্টেটের মালিকানাও বেশ উল্লেখযোগ্য। একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গোয়ায় তার একটি পেন্টহাউস রয়েছে, এটি তিনি ১০ কোটি রুপিরও বেশি দামে কিনেছেন।

    এছাড়াও মুম্বাইয়ের বান্দ্রা এলাকায় তার একটি অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে, যার মূল্য প্রায় ১৬ কোটি রুপি বলে জানা যায়। এর পাশাপাশি, লোনাভালায় প্রায় ১২ কোটি রুপি দিয়ে কেনা একটি ভিলার মালিকও তিনি।

    ইমরান হাশমির বিলাসবহুল গাড়ির সংগ্রহও তার বিপুল সম্পদের আরেকটি দিক বলেই সেই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

    অভিনেতার গ্যারেজে রয়েছে বেশ কিছু দামি ও বিলাসবহুল গাড়ি। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য— ল্যাম্বরগিনি হুরাকান, যার দাম প্রায় ৩ কোটি ২০ লাখ রুপি, রেঞ্জ রোভার ভোগ, যা মূল্য প্রায় ২ কোটি ৯ লাখ রুপি, অডি এ৮ এল, যার মূল্য প্রায় ১ কোটি ৮৮ লাখ রুপি এবং প্রায় ২ কোটি ৫৭ লাখ রুপি মূল্যের মার্সিডিজ-মেব্যাক এস৫৬০।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘তুমিই আমার সব’— বয়ফ্রেন্ড বনির জন্মদিনে আদুরে বার্তা কৌশানির

    গত কয়েক দিন ধরেই টালিপাড়ায় ফিসফাস— অভিনেতা বনি সেনগুপ্ত ও অভিনেত্রী কৌশানি মুখোপাধ্যায়ের সম্পর্ক নিয়ে। তাদের প্রেম কি তবে ভাঙনের পথে?

    এ জল্পনা যখন তুঙ্গে, ঠিক তখনই সব গুঞ্জনে পানি ঢেলে দিলেন অভিনেত্রী নিজেই। বনির জন্মদিনে সামাজিক মাধ্যমে আদুরে ছবি ও অতি রোমান্টিক এক বার্তা পোস্ট করে বুঝিয়ে দিলেন— তাদের রসায়ন আগের মতোই অটুট।

    সম্প্রতি পর্দায় বনি-অঙ্গনা রায়ের রসায়ন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে নানা গুঞ্জন। অঙ্গনার ঠোঁটে ঠোঁট রাখা নিয়ে নাকি ‘অভিমানী’ কৌশানি— এমন কানাঘোষা শোনা গিয়েছিল। তবে বনির জন্মদিনে সেসব পুরোনো কাসুন্দি না ঘেঁটে প্রেমিককে আদুরে ভরালেন অভিনেত্রী। নিজেদের বেশ কিছু মিষ্টি ও রোমান্টিক মুহূর্তের ছবি শেয়ার করে কৌশানি তার ভালোবাসার মানুষটিকে জন্মদিনের উষ্ণ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

    সামাজিক মাধ্যমে বনিকে বাহুডোরে জড়িয়ে ধরা ছবি পোস্ট করেছেন কৌশানি। সেই পোস্টের ক্যাপশনে আবেগঘন বার্তা লিখেছেন অভিনেত্রী— ‘শুভ জন্মদিন আমার সবকিছু! তুমি সেই একজন, যাকে আমি কখনো হারাতে চাই না। তোমার সঙ্গে  জীবনের সেরা মুহূর্তগুলো এভাবে বেঁচে যেতে চাই। আমাদের আত্মার এই ম্যাজিক্যাল বন্ধন সত্যিই ভাঙার নয়। পরিস্থিতি যাই আসুক না কেন, জীবন তোমাকে যেখানেই নিয়ে যাক, মনে রেখো তোমার এ পার্টনার সবসময় তোমার পাশে থাকবে। চলো দুজনে মিলে বিশ্ব জয় করি— হ্যাপি বার্থডে মাই লাভ।’

    কৌশানির এ আবেগপ্রবণ পোস্ট সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ্যে আসতেই বিচ্ছেদসংক্রান্ত সব রটনার অবসান ঘটে গেল। ছবিতে দুজনকেই জমকালো পোশাকে একে অপরের চোখে চোখ রেখে ধরা দিতে দেখা গেছে। 

    এর আগে বনি-কৌশানির প্রেমের শুরু ২০১৫ সালে— ‘পারবো না আমি ছাড়তে তোকে’র হাত ধরে। তারপর গত এক দশক ধরে পরস্পরকে আগলে রেখেছেন এই প্রেমিক জুটি। শুরু থেকেই নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে রাখঢাকহীন দুজনে। ‘আমরা শুধুই বন্ধু’ এমন কথা কোনো দিন শোনা যায়নি তাদের মুখে। বরং মন খুলে বলেছেন ভালোবাসার কথা। কৌশানির এই ভালোবাসায় ভরা বার্তা দেখে তাদের সহকর্মী ও অনুরাগী মহল আনন্দে ভাসছেন। 

    কমেন্ট বক্সে বনিকে শুভ জন্মদিনের ভালোবাসার পাশাপাশি এই জনপ্রিয় জুটিকে একসঙ্গে দেখার শুভকামনা জানিয়েছেন ভক্তরা। সবার মনেই প্রশ্ন— বিয়েটা কবে করছ?

    আপতত ক্যারিয়ারই মূল ফোকাস দুজনের। সেসব গুছিয়ে নিলেই চারহাত এক হবে। আপতত শুধুই অপেক্ষা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • তুমি অন্য কাউকে বিয়ে করে নাও, কেন প্রেমিককে এমন পরামর্শ দেন হিনা খান

    অভিনেত্রী হিনা খান এবং ব্যবসায়ী, প্রযোজক ও পরিচালক রকি জয়সওয়াল দীর্ঘদিনের জীবনসঙ্গী ও স্বামী-স্ত্রী। স্টার প্লাসের বিখ্যাত ধারাবাহিক ‘ইয়ে রিশতা কেয়া কেহলাতা হ্যায়’-এর সেটে তাদের পরিচয় ও প্রেম হয় এবং দীর্ঘ ১৩-১৪ বছর সম্পর্কের পর তারা ২০২৫ সালের জুন মাসে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। 

    ঘরোয়া আয়োজনে বিয়ে সারার পরেই অবশ্য তাদের নিয়ে শুরু হয় নানা জল্পনা-কল্পনা। বিশেষ করে ‘পতি, পত্নী অউর পঙ্গা’ রিয়্যালিটি শোয়ে তারা একসঙ্গে আসার পর অনেকে দাবি করেছিলেন, শোর প্রচারের জন্যই নাকি বিয়ে করেছিলেন তারা। সম্প্রতি নিজের পডকাস্টে সেই জল্পনার জবাব দিলেন হিনা ও রকি।

    তবে বিয়ের সঙ্গে কোনো প্রচার কৌশলের সম্পর্ক নেই বলে জানান হিনা খান। বিগ বস ১১-এ দ্বিতীয় স্থানের অধিকার এ প্রতিযোগী অভিনেত্রী বলেন, আমরা জানি, সত্যিটা কী। কেউ যদি সব কিছু প্রচারের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখে, তাহলে আসল কারণটাই হারিয়ে যায়। 

    বিয়ের পরিকল্পনা হয়েছিল অনেক আগেই। এমনকি বিয়ের দিনক্ষণও আগে থেকেই ঠিক করা ছিল। তাদের বিয়ে হয়েছে ‘স্পেশ্যাল ম্যারেজ অ্যাক্ট’-এর অধীনে। তাই হঠাৎ করে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগও ছিল না বলে জানান এ অভিনেত্রী।

    তবে জীবনের অন্যতম কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন হিনা খান। স্তন ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন তিনি। সেই সময়ে তাদের সম্পর্কেরও কঠিন পরীক্ষা হয়েছিল। হিনা বলেন, শুধু তার নিজের অসুস্থতা নয়, রকির মায়ের অসুস্থতাও তাদের জীবনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। সেই কঠিন সময়ে রকিকে অন্য কাউকে বিয়ে করার কথাও বলেছিলেন হিনা খান। অভিনেত্রী বলেন,  আমি ওকে বলেছিলাম— তুমি অন্য কাউকে বিয়ে করে নাও। সব কিছু আর আগের মতো থাকবে না।

    কেন এমন কথা বলেছিলেন অভিনেত্রী? উত্তরে তিনি বলেন, চেয়েছিলেন রকি যেন নিজের সুখের কথা ভেবে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। আমি ওকে এতটাই ভালবাসি যে, ওর সুখ আমার সঙ্গে থাকার থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

    তবে রকি তার পাশ থেকে সরে যাননি বলেও জানান এ অভিনেত্রী। বরং হিনা খানের কঠিন চিকিৎসার সময়ে প্রতিটি পরিস্থিতিতে সঙ্গ দিয়েছেন। তিনি বলেন, রকি ছাড়া আমার পক্ষে এত কিছু করা সম্ভব হতো না। ও সব কিছু সহজ করে দিয়েছিল।

    উল্লেখ্য, স্টার প্লাসে প্রচারিত জনপ্রিয় ধারাবাহিক ইয়ে রিশতা কেয়া কেহলাতা হ্যায়ে অক্ষরা চরিত্রে অভিনয় করে ভারতীয় টেলিভিশন অ্যাকাডেমি পুরস্কার ও দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারসহ প্রায় ১৮টির মতো পুরস্কার জয়লাভ করেছেন হিনা খান। তিনি ইস্টার্ন আই দ্বারা প্রকাশিত শীর্ষ ৫০ আবেদনময়ী এশিয়ান নারীর তালিকায় চারবার উপস্থিত হন। ২০১৭ সালে কালারসে প্রচারিত জনপ্রিয় রিয়্যালিটি অনুষ্ঠান বিগ বস ১১-এ একজন প্রতিযোগী হিসেবে উপস্থিত হন। যেখানে তিনি ২য় স্থান অধিকার করেন।

    বিনোদন ডেস্ক