Tag: সিনেমা

  • যে কারণে শাকিব খানের ‘প্রিন্স’ সিনেমার শুটিং বন্ধ

    ঢালিউড অভিনেতা শাকিব খানের আলোচিত সিনেমা ‘প্রিন্স : ওয়ানস আপন আ টাইম ইন ঢাকা’ এবারের ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত পেয়েছে। সেই সিনেমা ঘিরে বিতর্ক যেন থামছেই না। মুক্তির পর প্রযুক্তিগত ত্রুটি ও নির্মাণগত নানা সমালোচনার মধ্যেই এবার বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রযোজক খোরশেদ আলম খসরু।

    সম্প্রতি পরিচালক সমিতি আয়োজিত ‘আমাদের চলচ্চিত্র, আজকের প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্য দিতে গিয়ে খসরু দাবি করে বলেন, ‘প্রিন্স’ সিনেমাটির নির্মাণ প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের জটিলতা ছিল। শুধু ডাবিং নয়, শ্রীলংকায় ১৬ দিন থাকার পরও শুটিং করতে পারেনি প্রিন্স টিম বলে জানান তিনি।

    অভিযোগ তুলে খসরু আরও বলেন, ভারতে শুটিং চলাকালে অতিরিক্ত পারিশ্রমিকের দাবি ওঠায় ডাবিং কার্যক্রমও বন্ধ ছিল, যা পুরো প্রজেক্টকে আরও জটিল করে তোলা হয়। যদিও সরাসরি কারকরা হয়নি। তবে এ আলোচনায় বিতর্কের নতুন জন্ম দিয়েছে।

    সিনেমাটি মুক্তির আগে সামাজিক মাধ্যমে এ বিষয়টি নিয়ে তুমুল চর্চা হয়। ঈদের সময় ঘনিয়ে এলেও সিনেমার শুটিং আটকে রেখে শ্রীলংকায় অন্য একটি প্রজেক্টের শুটিং করছিলেন শাকিব খান। সেই সময় বিষয়টি নিয়ে সিনেমাপাড়ায় কানাঘুষা চলছিল—সেখানেই বিষয়টি আলোচনায় উঠে আসে। 

    খোরশেদ আলম খসরু বলেন, প্রিন্স মুক্তির পর সবাই মিলে প্রযোজককে দোষ দেওয়া হলো। কিন্তু ঠিক সময়ে সিনেমা শেষ করতে কেন পারল না, অসম্পূর্ণ সিনেমা কেন রিলিজ দিল— সবাই মিলে নতুন প্রযোজককে চেপে ধরা হলো।

    তিনি বলেন, ভেতরের কাহিনি কি জানার চেষ্টা করেছে কেউ? একটি ইউনিট যদি ১৬ দিন শ্রীলংকায় গিয়ে বসে থাকে অথচ শুটিং হয় না, তার দায়ভার কার? সেখানে একজন প্রযোজকের কী করার আছে। আবার ভারতে গিয়ে বাড়তি টাকার জন্য ডাবিং বন্ধ থাকে। যেখানে চুক্তির বেশিরভাগ টাকা দিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    প্রযোজক সমিতি কার্যকর থাকলে এ বিষয়টি এতদূর গড়াত না বলেও দাবি করেন খোরশেদ আলম খসরু। তিনি বলেন, প্রযোজক সমিতি সক্রিয় থাকলে এমন সংকট এতদূর গড়াত না। সমিতি থাকলে শুটিং বিলম্বের কারণ খতিয়ে দেখা, সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধান বের করা এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ডাবিং শেষ করার মতো উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব হতো।

    তিনি বলেন, চলচ্চিত্র নির্মাণের শেষ পর্যায়ে আর্থিক চাপ তৈরি হওয়া নতুন কোনো ঘটনা নয়, তবে সে কারণে কাজ থেমে থাকা বা অসম্পূর্ণ অবস্থায় মুক্তি পাওয়া, কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। পেশাদারি ও দায়বদ্ধতার ঘাটতিই এসব সমস্যার মূল কারণ বলে জানিয়েছেন খসরু।

    ঈদুল ফিতরে মুক্তির পর থেকেই সিনেমাটি নানা সমালোচনার মুখে পড়ে। সাউন্ড, ভিএফএক্স, পোস্ট-প্রোডাকশন ত্রুটি এবং গল্পের অসঙ্গতি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন দর্শকরা। প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে দেশের অন্যতম মাল্টিপ্লেক্স স্টার সিনেপ্লেক্সে প্রথম কয়েক দিন সিনেমাটি প্রদর্শিত হয়নি। কিছু সিঙ্গেল স্ক্রিনেও মুক্তির দিন প্রদর্শনী ব্যাহত হয়। পরে এসব ত্রুটির কথা স্বীকার করে বিশেষ প্রদর্শনীতে ক্ষমা চান সিনেমার প্রধান অভিনেতা শাকিব খান। 

    এ প্রসঙ্গে ‘প্রিন্স : ওয়ানস আপন আ টাইম ইন ঢাকা’ সিনেমাটির পরিচালক আবু হায়াত মাহমুদ বলেন, প্রিন্সের শুটিং বা ডাবিংয়ে শাকিব খান বাড়তি পারিশ্রমিক দাবি করেন, এই অভিযোগ সত্যি নয়। এমন আরও অনেক গুজব চারপাশে শোনা যাচ্ছে। কোনোটাই ঠিক নয়। তিনি বলেন, আমি বা আমরা কোথাও এমন কোনো অভিযোগ আনিনি। জানি না এ কথাগুলো কেন ছড়াল? যিনি এ অভিযোগ জানিয়েছেন, এটি সম্পূর্ণ তার রেসপনসিবিলিটি।

    উল্লেখ্য, নব্বইয়ের দশকের এক গ্যাংস্টারের গল্প নিয়ে নির্মিত ‘প্রিন্স’ সিনেমায় শাকিব খান ছাড়াও আরও অভিনয় করেছেন তাসনিয়া ফারিণ, জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডু, দিব্যেন্দু ভট্টাচার্য ও ইন্তেখাব দিনার প্রমুখ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রবীণ বলিউড অভিনেতা ভরত কাপুর মারা গেছেন

    হিন্দি চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন জগতের পরিচিত মুখ, প্রবীণ অভিনেতা ভরত কাপুর আর নেই। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকালে মুম্বাইয়ের সায়ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। 

    পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত তিনদিন ধরে তিনি অসুস্থ ছিলেন এবং তাকে হাসপাতালেও ভর্তি করা হয়েছিল। সোমবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে তার মৃত্যু হয় এবং ওইদিন সন্ধ্যায় হাসপাতালের নিকটস্থ শ্মশানে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। 

    আগামী ৩০ এপ্রিল বিকাল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত উত্তর মুম্বাই অ্যাসোসিয়েশনে (পাঞ্জাব অ্যাসোসিয়েশন) প্রয়াত এই অভিনেতার স্মরণে একটি প্রার্থনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। 

    ভরত কাপুরের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা অশোক পণ্ডিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে শ্রদ্ধা জানিয়ে এক বার্তায় তিনি লেখেন, ‘প্রবীণ মঞ্চ ও চলচ্চিত্র অভিনেতা ভরত কাপুর জির প্রয়াণের খবর শুনে আমি অত্যন্ত মর্মাহত। আমার ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে তার সঙ্গে কাজ করার দারুণ কিছু স্মৃতি রয়েছে। তিনি একজন চমৎকার মানুষ ছিলেন।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ভরত কাপুর দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময় ধরে রুপালি পর্দা এবং ছোট পর্দায় নিয়মিত অভিনয় করেছেন। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে নূরী (১৯৭৯), রাম বলরাম (১৯৮০), বাজার (১৯৮২), গোলামি (১৯৮৫), আখরি রাস্তা (১৯৮৬), স্বর্গ (১৯৯০), খুদা গাওয়াহ (১৯৯২), সাজন চলে সসুরাল (১৯৯৬) ইত্যাদি। 

    কেবল বড় পর্দায় নয়, নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় সব টেলিভিশন সিরিয়ালেও তিনি ছিলেন অপরিহার্য। ‘ক্যাম্পাস’, ‘পরম্পরা’, ‘সাঁস’, ‘আমানত’, ‘তারা’, ‘চুনৌতি’ এবং ‘কাহানি চন্দ্রকান্তা কি’-র মতো জনপ্রিয় সব ধারাবাহিকে তার অভিনয় দর্শকদের মনে চিরস্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে। 

    সূত্র: এনডিটিভি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • পর্দায় ফিরলেন মাইকেল, তবে আড়ালেই রয়ে গেল জীবনের অন্ধকার

    মাইকেল জ্যাকসনের জীবন নিয়ে নির্মিত নতুন সিনেমাটি তার জীবনের কেবল একপাক্ষিক ও বাছাই করা অংশই তুলে ধরেছে। তবে পর্দার বাইরের এ রূপান্তর সম্ভবত সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার সঙ্গেই বেশি মানানসই।

    কেবল মুনাফালোভী স্টুডিও কর্তারাই নন, ভক্তরাও অনেক সময় তাদের প্রিয় তারকার জীবনের অন্ধকার অধ্যায়গুলো এড়িয়ে যেতেই বেশি পছন্দ করেন।

    কোটি কোটি মানুষের মতো আমিও এ সপ্তাহে ‘মাইকেল’ দেখতে গিয়েছিলাম। আমি জানতাম আমি কী দেখতে যাচ্ছি—সিনেমাটির বেশির ভাগ সমালোচনা ছিল বেশ রূঢ়। কেউ একে বলেছেন ‘কলঙ্ক মোচনের চেষ্টা’ (হোয়াইটওয়াশ), কেউ বলেছেন ‘ভুতুড়ে’, আবার কেউ একে ‘বিলাসবহুল প্রমোদতরীর বিনোদন’ বা ‘১২৭ মিনিটের ট্রেলার মন্টাজ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। অথচ মাইকেল জ্যাকসনের বিশ্বতারকা হয়ে ওঠার এ সিনেমাটি বায়োপিক বা জীবনীচিত্রের ইতিহাসে উদ্বোধনী আয়ের সব রেকর্ড ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে। মুক্তির প্রথম সপ্তাহান্তেই এটি বিশ্বজুড়ে ২১ কোটি ৭০ লাখ ডলার আয় করেছে এবং ধারণা করা হচ্ছে প্রদর্শন শেষে এর আয় ৯০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাবে।

    আমি নিজেকেই প্রশ্ন করলাম- আমরা যদি জানিই যে, এ সিনেমাগুলো অনেক সময় সত্য গোপন করে সাজানো একপ্রকার ‘নরম খিচুড়ি’, যেখানে উত্তরাধিকারী বা আইনজীবীরা শিল্পীর জীবনের আস্ত এক একটি অধ্যায় ছেঁটে ফেলেছেন—তবে আমরা কেন দলে দলে সিনেমা হলে ভিড় করছি? অবশ্যই এর একটি সহজ ব্যাখ্যা আছে। এ জীবনীচিত্রগুলো দর্শকদেরতাঁদের প্রিয় শিল্পীর স্বর্ণযুগকে পুনরায় অনুভব করার এবং তাদের জনপ্রিয় গানগুলোতে ডুবে থাকার সুযোগ করে দেয়।

    তবে এর পেছনে আরও একটি কারণ আছে বলে আমার সন্দেহ। সেটি হলো প্রতিভার প্রতি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি এবং তা ব্যাখ্যা করার এক অদ্ভুত তাড়না।

    আমরা সবসময়ই এটা মানতে কষ্ট পাই যে, কোনো অসাধারণ প্রতিভা বিশেষ কোনো পরিস্থিতি ছাড়াই স্রেফ প্রকৃতিগতভাবে বিদ্যমান থাকতে পারে। প্রায় ২ হাজার বছর আগে প্লুটার্ক যখন ‘প্যারালাল লাইভস’ লিখেছিলেন, তখন থেকেই এ বিশ্বাস জেঁকে বসেছে যে—যদি কোনো মহৎ জীবনকে খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করা যায়, তবে তার সফলতার রহস্য উন্মোচন করা সম্ভব। এ তাড়না থেকেই রোমান্টিক যুগের কবিরা জোর দিয়ে বলতেন যে, কবির মনের ক্ষত না বুঝলে তার কবিতা বোঝা সম্ভব নয়। প্রতিভা যে অযাচিতভাবে এবং কোনো পূর্বশর্ত ছাড়াই আসতে পারে, তা আমরা মেনে নিতে পারি না।

    আমরা জানতে চাই- সেই সুর আর শিল্পের উৎস কোথায়। আমরা সেই শৈশবকে খুঁজতে চাই, সেই জীবন বদলে দেওয়া অভিজ্ঞতাগুলোকে জানতে চাই যা ‘থ্রিলার’ বা ‘বোহেমিয়ান র‌্যাপসোডি’র জন্ম দিয়েছে। শেক্সপিয়রের মনস্তত্ত্ব নিয়ে লিখতে গিয়ে কবি জন কিটস একটি শব্দবন্ধ ব্যবহার করেছিলেন—‘নেগেটিভ ক্যাপাবিলিটি’ বা নেতিবাচক সক্ষমতা। যার অর্থ হলো ‘অনিশ্চয়তা, রহস্য আর সন্দেহকে গ্রহণ করার ক্ষমতা’। পরিহাসের বিষয় হলো, কিটস এটি দিয়ে বুঝিয়েছিলেন কেন প্রতিভাকে ব্যাখ্যা করা যায় না। আর সেই ব্যাখ্যার অতীত রহস্যই আমাদের বারবার চেষ্টা করতে বাধ্য করে।

    জীবনীচিত্রগুলো এ রহস্য সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে তা কখনই পারে না। ‘মাইকেল’-এর ক্ষেত্রে তার জীবনের অনেক বড় অংশ বাদ দেওয়া হয়েছে। সিনেমাটি ১৯৮৮ সালে এসে থমকে যায়। ফলে শিশু যৌন নির্যাতনের সেই অভিযোগগুলো পুরোপুরি আড়াল করা হয়েছে, যা জ্যাকসনের জীবনের শেষ কয়েক দশকজুড়ে কালো ছায়া ফেলেছিল এবং আজও তার উত্তরাধিকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। জ্যাকসন আমৃত্যু এ অভিযোগ অস্বীকার করে গেছেন। কিন্তু জীবনের অন্ধকারতম অংশগুলো বাদ দিয়ে আমরা কীভাবে একজন মানুষের জীবন ও কর্মকে বিচার করতে পারি?

    জ্যাকসনের সম্পত্তির উত্তরাধিকারীরা (যারা এ সিনেমার প্রযোজকও বটে) লক্ষ্য করেছিলেন যে, এক অভিযোগকারীর সঙ্গে সমঝোতার চুক্তিতে একটি ধারা ছিল—যা কোনো সিনেমায় তার উল্লেখ বা চিত্রায়ন নিষিদ্ধ করে। ফলে সিনেমার শেষ এক-তৃতীয়াংশ ফেলে দিয়ে পুনরায় শুটিং করতে হয়েছে। শেষ পর্যন্ত যা টিকে আছে তা হলো কিছু রোমহর্ষক মিউজিক্যাল সিকোয়েন্স এবং জাফার জ্যাকসনের অবিশ্বাস্য শারীরিক অভিনয়—কিন্তু মানুষ মাইকেল জ্যাকসনকে এখানে খুঁজে পাওয়া ভার।

    তা সত্ত্বেও, সিনেমায় কিছু অস্বস্তিকর ঝলক ছিল: পিটার প্যানের প্রতি জ্যাকসনের আসক্তি, নেভারল্যান্ডের স্থাপত্য, আর বাস্তব জগত থেকে বাঁচতে এক মানুষের কাল্পনিক জগত তৈরির চেষ্টা। কিন্তু সিনেমাটি তার সৃজনশীল প্রক্রিয়া বা সেই দ্বন্দ্বগুলোর কোনো হদিস দিতে পারেনি, যা তাকে ২০ শতকের অন্যতম আকর্ষণীয় ও বিতর্কিত শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিল। আমরা তার অত্যাচারী বাবা জোসেফ জ্যাকসনকে খলনায়ক হিসেবে দেখি। কিন্তু যখন মাইকেল নিজেই একটি নৈতিক সংকটে পরিণত হন, তখন কী হয়? অর্ধেকটা দিয়ে একটি জীবনকে বোঝা সম্ভব নয়।

    স্টুডিও কর্তাদের কাছে জীবনের বাছাই করা অংশ তুলে ধরা কোনো সমস্যাই নয়। বর্তমানে চলচ্চিত্র শিল্প যখন আগে থেকে প্রতিষ্ঠিত জনপ্রিয় বিষয়ের (ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি) ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল, তখন মিউজিক বায়োপিক হলো একটি ‘পারফেক্ট প্রোডাক্ট’। এতে আগে থেকেই তৈরি ভক্তকুল আছে, আছে জনপ্রিয় সব গান আর নস্টালজিয়ার হাতছানি। ২০১৮ সালের ফ্রেডি মার্কারির জীবনীচিত্র ‘বোহেমিয়ান র‍্যাপসোডি’ ছিল এর টার্নিং পয়েন্ট। মার্কারির যৌন পরিচয় এবং এইডস আক্রান্ত হওয়ার বিষয়গুলো এড়িয়ে যাওয়ার জন্য ব্যাপক সমালোচিত হওয়া সত্ত্বেও এটি ব্যবসায়িকভাবে বিশাল সফল হয়েছিল। হলিউড এখান থেকে শিক্ষা নিয়েছে যে—দর্শকরা জটিলতা নয়, স্রেফ বিনোদন চায়।

    সেই ধারাবাহিকতায় আমরা বব ডিলান, এলভিস, ব্রুস স্প্রিংস্টিন, এলটন জন বা অ্যামি ওয়াইনহাউসদের বায়োপিক পেয়েছি। সামনে আসছে বিটলস নিয়ে চারটি আলাদা সিনেমা। জনি মিচেল বা জ্যানিস জপলিনদের নিয়েও কাজ চলছে।

    শিল্পীদের উত্তরাধিকারীরাও গল্পের কিছু অংশ বলতে এবং কিছু লুকাতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। ২০০৯ সালে যখন মাইকেল জ্যাকসন মারা যান, তখন তিনি ৫০ কোটি ডলারেরও বেশি ঋণে ডুবে ছিলেন। আজ তার সম্পত্তির মূল্য ২০০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে। রয়্যালটি, মিউজিক্যাল আর এ সিনেমার মাধ্যমে তার সেই সাম্রাজ্য পুনর্গঠিত হয়েছে। এটি কট্টর ভক্ত আর সাধারণ শ্রোতা—উভয়কেই তৃপ্ত করে। অনেকেই চান জ্যাকসনের ফেলে যাওয়া গানগুলোর সঙ্গে যুক্ত থাকতে, যেখানে কোনো কলঙ্কজনক অভিযোগ তাদের আনন্দকে বিষাদগ্রস্ত করবে না।

    কিন্তু যখন কারও জীবনকে এভাবে ‘সম্পাদনা’ করে পরিবেশন করা হয়, তখন আমরা সবাই কিছু না কিছু হারাই। চার্লস বুকোস্কি তার এক কবিতায় কিছু ক্ষতিগ্রস্ত মহাতারকার তালিকা দিয়েছিলেন—যাদের মধ্যে হেমিংওয়ে, ফকনার, সিলভিয়া প্লাথ এবং দস্তয়েভস্কি ছিলেন। তিনি তাদের ‘গৌরবের উন্মত্ত কুকুর’ বলে ডেকেছিলেন, যারা আমাদের দিকে এক চিলতে আলো ছুড়ে দেন। প্রতিভাধর ব্যক্তিরাও ভুলের ঊর্ধ্বে নন এবং তারাও গুরুতর অন্যায় করতে পারেন।

    সম্ভবত ‘মাইকেল’ সিনেমাটি আমাদের এ সত্য মেনে নেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে যে, অনুমোদিত জীবনীচিত্রগুলো আসলে কী করতে পারে না। এগুলো রাস্তার পাশের সেই নীল ফলকের (ব্লু প্লেক) মতো—যা শুধু আমাদের জানায় যে ‘এখানে একদা একজন মহান ব্যক্তি বাস করতেন’, তার বেশি কিছু নয়। আমরা যদি সত্যিই বুঝতে চাই এই শিল্পীদের মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার পেছনের আসল গল্প কী, তবে আমাদের আরও অগোছালো আর অস্বস্তিকর সত্যের মুখোমুখি হতে হবে। যা হয়তো কোনোদিন বড় পর্দার ব্লকবাস্টার সিনেমা হয়ে উঠবে না।

    লেখক: ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের শিল্প ও সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিবেদক

    নাদিয়া খোমানি

  • বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিক

    বিনোদন জগতের সংগীতাঙ্গনের কিংবদন্তির গায়ক মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিক ‘মাইকেল’ সিনেমা মুক্তি পেয়েছে। এ সিনেমাটি সমালোচকদের পাত্তা না দিয়ে মুক্তির প্রথম দিন থেকেই বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে। 

    শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির প্রথম দিনেই প্রায় ৩৯ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে। সপ্তাহান্তে সেই অঙ্ক দাঁড়ায় ৯৫ থেকে ১০০ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে, যা সংগীতভিত্তিক জীবনীচিত্রের ইতিহাসে নতুন রেকর্ড গড়ার পথে। এর আগে ‘বোহেমিয়ান র্যাপসোডি’ বা ‘স্ট্রেইট আউটা কম্পটন’ যে মানদণ্ড তৈরি করেছিল, তা সহজেই ছাপিয়ে গেছে ‘মাইকেল’ সিনেমাটি।

    শুধু যুক্তরাষ্ট্রই নয়, আন্তর্জাতিক বাজারেও মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিক ‘মাইকেল’ সিনেমাটি দাপট দেখাচ্ছে। ৮০টির বেশি দেশে মুক্তি পেয়ে প্রথম সপ্তাহেই বিশ্বব্যাপী আয় করে ২০০ মিলিয়ন ডলার ছুঁয়ে ফেলেছে। মহামারির পর প্রযোজনা সংস্থা লায়নসগেটের কোনো সিনেমার এটিই সবচেয়ে বড় ওপেনিং, যা স্টুডিওটির জন্য এক বিশাল স্বস্তির বার্তা।

    ‘মাইকেল’ সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন অ্যান্টনি ফুকোয়া, যিনি এর আগে ‘দ্য ইকুয়ালাইজার’ সিনেমার মতো অ্যাকশন চলচ্চিত্রে সফলতা পেয়েছেন। প্রযোজনায় ছিলেন ‘বোহেমিয়ান র্যাপসোডি’র গ্রাহাম কিং। আগেরটির মতো এবারও তিনি আরেকটি সফল সংগীত বায়োপিক উপহার দিয়েছেন।

    এ সিনেমায় মাইকেল জ্যাকসনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তারই ভাতিজা জাফর জ্যাকসন। তার পারফরম্যান্স ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে, বিশেষ করে মাইকেলের নাচ, ভঙ্গি ও কণ্ঠস্বর নিখুঁত পারদর্শিতার পরিচয় দিয়েছেন তিনি।

    এতদিন সমালোচকদের প্রতিক্রিয়া পুরোপুরি ইতিবাচক ছিল না। অনেকেই মনে করেন, সিনেমাটি মাইকেল জ্যাকসনের জীবনের বিতর্কিত অধ্যায়গুলো এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ‘৯০-এর দশকের অভিযোগগুলো নিয়ে সিনেমায় খুব বেশি গভীরে যাওয়া হয়নি। কিন্তু দর্শকদের প্রতিক্রিয়া একেবারেই ভিন্ন। প্রেক্ষাগৃহে দর্শকের নাচ–গানের সঙ্গে গলা মেলানো— সব মিলিয়ে যেন এক ধরনের উদযাপনের আবহ তৈরি হয়েছে। অনেকের ধারণা, এটি শুধু একটি সিনেমা নয়, বরং ‘একটি অভিজ্ঞতা’— একটি নস্টালজিক টাইম মেশিন, যা দর্শককে ফিরিয়ে নিয়ে যায় ‘বিলি জিন’ কিংবা ‘থ্রিলার’-এর যুগে।

    ‘মাইকেল’ সিনেমাটি নির্মাণে মোটেও সহজ ছিল না। এ নির্মাণের মাঝপথে আইনি জটিলতা, তৃতীয় অঙ্ক পুনর্নির্মাণ— সব মিলিয়ে বাজেট বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ১৫৫ মিলিয়ন ডলারে। এমনকি সিনেমার একটি বড় অংশ পুনরায় শুট করতে হয়। যে কারণে বাস্তব জীবনের একটি মামলার প্রসঙ্গ দেখানোর ক্ষেত্রে আইনি বাধা ছিল।

    ১৯৯৩ সালের অভিযোগ— প্রথমে গল্পে অন্তর্ভুক্ত থাকলেও পরে আইনি জটিলতার কারণে তা বাদ দিতে হয়। ফলে নির্মাতাদের গল্পের ফোকাস সরিয়ে আনতে হয়েছে তার পরিবার, বিশেষ করে বাবা জো জ্যাকসনের সঙ্গে সম্পর্কের দিকে, যা সিনেমার আবেগঘন স্তরকে আরও গভীর করেছে। আর এ সিনেমায় সংগীতের স্বত্ব, বিশাল কনসার্টের দৃশ্য এবং পুনরায় শুটিং— সব মিলিয়ে খরচ বেড়েছে কয়েক ধাপে। বিশেষ করে সিনেমার তৃতীয় অংশ নিয়ে বড় পরিবর্তন আনতে হয়েছে।

    ‘মাইকেল’ সিনেমার এই সাফল্যের পেছনে কয়েকটি বড় কারণ কাজ করেছে। প্রথমত মাইকেল জ্যাকসনের বৈশ্বিক জনপ্রিয়তা। তার গান, নাচ, স্টেজ পারফরম্যান্স— সবকিছুই এখনো বহু প্রজন্মকে আকর্ষণ করে থাকে। দ্বিতীয়ত সিনেমাটি তৈরি হয়েছে এক ধরনের ‘ফ্যান সার্ভিস’ হিসেবে, যেখানে দর্শক তাদের প্রিয় তারকার উজ্জ্বল দিকগুলোই বেশি দেখতে পেয়েছে। তৃতীয়ত সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে সিনেমাটির প্রচার ছিল ব্যাপক। মুক্তির আগেই ট্রেলার ও গানগুলো কোটি কোটি মানুষের কাছে পৌঁছে যায়।

    এ সিনেমার প্রতি দর্শকদের আগ্রহ ছিল প্রবল। ‘দ্য সুপার মারিও গ্যালাক্সি মুভি’ বা ‘প্রজেক্ট হেল মেরি’ সিনেমার দুটি ভালো ব্যবসা করলেও ‘মাইকেল’–এর তুলনায় অনেকটাই পিছিয়ে। এটি প্রমাণ করে, শক্তিশালী একটি ব্যক্তিত্বকেন্দ্রিক গল্প এখনো দর্শকদের হলে টানতে পারে।

    এই সাফল্যের আরেকটি দিক হচ্ছে— শিল্পীর জীবন নিয়ে নির্মিত ছবি দর্শকপ্রিয়। তবে ‘মাইকেল’ সেই ধারার এক উচ্চতর উদাহরণ, যেখানে শুধু একজন শিল্পীর জীবন নয়, বরং পুরো একটি যুগকে পুনর্নির্মাণের চেষ্টা করা হয়েছে। আপাতত নিশ্চিত করে বলা যায়, ‘কিং অব পপ’ রাজত্ব হারাননি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • শাহরুখের যে সিনেমা দেখে অঝোরে কেঁদেছিলেন আমির

    বলিউডের ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’ আমির খান মানেই পর্দায় নিখুঁত অভিনয় আর পর্দার পেছনে চুলচেরা বিশ্লেষণ। কিন্তু এই কঠোর পরিশ্রমী অভিনেতার ভেতরেও যে একজন অত্যন্ত আবেগী মানুষ লুকিয়ে আছে, তা আরও একবার স্পষ্ট হলো তার সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে। 

    রেডিও মির্চি-কে দেওয়া সেই সাক্ষাৎকারে আমির জানান, তিনি রোমান্টিক সিনেমার ভীষণ ভক্ত এবং পর্দায় আবেগী মুহূর্ত দেখলে নিজের চোখের জল ধরে রাখতে পারেন না। 

    স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আমির জানান, করণ জোহরের অভিষেক সিনেমা ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’ দেখার সময় তিনি কতটা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলেন। 

    সেই সময় তিনি তার তৎকালীন স্ত্রী রিনা দত্তের সঙ্গে রাজকমল থিয়েটারে সিনেমাটি দেখতে গিয়েছিলেন। শাহরুখ খান, কাজল ও রানি মুখোপাধ্যায় অভিনীত সেই কালজয়ী প্রেমকাহিনি আমিরকে এতটাই প্রভাবিত করেছিল যে, সিনেমার একাধিক দৃশ্যে তার চোখ ফেটে পানি বেরিয়ে আসছিল। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এই গল্পের সবচেয়ে মজার অংশটি হলো আমিরের চোখের পানি মোছার কায়দা। 

    অভিনেতা জানান, কান্নার সময় রুমাল না থাকায় তিনি পাশে বসে থাকা রিনা দত্তের ওড়না দিয়েই বারবার চোখ মুছছিলেন। 

    আমির হাসতে হাসতে বলেন, ‘আমি রোমান্টিক সিনেমার জন্য পাগল। রোমান্টিক ছবি দেখতে গিয়ে আমি প্রচুর কাঁদি। মনে আছে, রিনা আর আমি রাজকমল থিয়েটারে ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’ দেখছিলাম। আমি এমনিতেই খুব বেশি কাঁদি।’

    তবে বিপত্তি বাধে রিনার ওড়না নিয়ে। সেই ওড়নাটিতে ছিল সূক্ষ্ম জরির কাজ। বারবার চোখ মোছার ফলে সেই জরির ঘর্ষণে আমিরের চোখে যেমন অস্বস্তি হচ্ছিল, তেমনি রিনার দামী ওড়নাটিও নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। 

    অভিনয়ের পাশাপাশি একজন দর্শক হিসেবেও গল্পের গভীরে আমির কতটা ডুবে যান, এই ছোট ঘটনাটি যেন তার প্রমাণ। 

    পর্দার বাইরের এই আবেগী আমিরকে সবশেষ বড় পর্দায় দেখা গেছে ‘সিতারে জমিন পার’ সিনেমায়। যেখানে জেনেলিয়া ডি’সুজার বিপরীতে একজন বাস্কেটবল কোচের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন তিনি। 

    সূত্র: এনডিটিভি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘বীর জারা’ থেকে কেন বাদ পড়েছিল সেই জনপ্রিয় গানটি, কারণ জানালেন যশ

    বলিউড ইতিহাসের অন্যতম কালজয়ী সিনেমা ‘বীর জারা’। শাহরুখ খান ও প্রীতি জিনতা অভিনীত এই সিনেমাটি যেমন তার গল্পের জন্য জনপ্রিয়, তেমনই এর গানগুলো আজও মানুষের হৃদয়ে গেঁথে আছে। তবে ছবিটির একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় গান ‘ইয়ে হাম আ গায়ে হ্যায় কাহাঁ’ মূল সিনেমা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কেন এমন সিদ্ধান্ত?

    সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পুরনো ভিডিও পুনরায় ভাইরাল হওয়ার পর এই সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ সামনে এসেছে।

    বিখ্যাত নির্মাতা করণ জোহরের সঙ্গে এক আলাপচারিতায় প্রয়াত কিংবদন্তি পরিচালক যশ চোপড়া নিজেই এই রহস্যের উন্মোচন করেন। 

    ওই সাক্ষাৎকারে করণ জোহর যশ চোপড়াকে প্রশ্ন করেন, ‘আমরা সবাই ‘ইয়ে হাম আ গায়ে হ্যায় কাহাঁ’ গানটি খুব পছন্দ করি। লতা জির কণ্ঠ এবং গানটির কথা ছিল অসাধারণ। এটি ছিল একদম আপনার সিগনেচার রোমান্টিক গান। তবুও কেন এটি মূল সিনেমাতে রাখা হলো না?’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    জবাবে যশ চোপড়া জানান, গানটির দৃশ্যধারণ তিনি সম্পন্ন করেছিলেন এবং তা যথাস্থানে বসিয়েও ছিলেন। কিন্তু সমস্যা দেখা দেয় সিনেমার গতির ক্ষেত্রে। 

    যশ চোপড়া বলেন, ‘গানটি সিনেমার একদম ক্লাইম্যাক্স বা শেষ মুহূর্তের কাছাকাছি ছিল। আমি যখন দেখলাম, মনে হলো গানটি গল্পের যে প্রবাহ সেটাকে বাধাগ্রস্ত করছে। তখন আমার ভেতরের পরিচালক ও প্রযোজক সত্তা আমাকে বলল, ‘আমার স্বার্থপর হওয়া উচিত নয়’। 

    আদিত্য (আদিত্য চোপড়া) আমাকে বলেছিল, ‘বাবা, এই গানটি গল্পের গতি নষ্ট করবে, তোমার উচিত গানটি উৎসর্গ করা’। এরপর অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আমি গানটি কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত নিই।’

    যদিও সিনেমা হলের দর্শকের জন্য গানটি সরিয়ে ফেলা হয়েছিল, এরপরও যশ চোপড়া ভক্তদের বঞ্চিত করতে চাননি। তিনি জানান, পরবর্তীতে যারা এই সিনেমার ডিভিডি সংগ্রহ করেছেন, তাদের জন্য বিশেষ ফিচার হিসেবে গানটি যুক্ত করা হয়েছিল। 

    বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেও গানটি সিনেমার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দেখা যায়। 

    ‘বীর-জারা’ শুধু একটি সিনেমা নয়, এটি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্প্রীতির এক মানবিক দলিল। গানটির বিশেষত্ব হলো এর সুরকার প্রয়াত মদন মোহন। তার মৃত্যুর বহু বছর পর তার অপ্রকাশিত কিছু সুরকে নতুনভাবে সাজিয়ে এই সিনেমার সঙ্গীত পরিচালনা করা হয়েছিল। জাভেদ আখতারের কথায় এবং লতা মঙ্গেশকরের কণ্ঠে গানটি আজও শ্রোতাদের কাছে এক চিরসবুজ আবেদন হয়ে আছে। 

    সূত্র: সিয়াসাত ডেইলি

    বিনোদন ডেস্ক

  • ৩৩ বছর পর সিক্যুয়েলে ফিরছেন সঞ্জয় দত্ত

    নব্বই দশকের অন্যতম সফল ও কালজয়ী সিনেমা ‘খলনায়ক’ নতুন রূপে পর্দায় ফেরার জন্য প্রস্তুত। অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত আনুষ্ঠানিকভাবে তার নতুন প্রজেক্ট ‘খলনায়ক রিটার্নস’-এর ঘোষণা করেছেন। এটি মূল সিনেমার সিক্যুয়েল হিসেবে নির্মিত হবে বলে জানা গেছে। 

    শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় মুম্বাইয়ে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে ছবিটির একটি সংক্ষিপ্ত টিজার উন্মোচন করা হয়। সেখানে সঞ্জয় দত্তকে তার চিরচেনা ‘বল্লু’ চরিত্রে এক নতুন ও শক্তিশালী লুকে দেখা গেছে। 

    সঞ্জয় দত্তের নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থা ‘থ্রি ডাইমেনশন মোশন পিকচার্স’ এবং প্রযোজক অক্ষয় কম্বোজের ‘অ্যাসপেক্ট এন্টারটেইনমেন্ট’ যৌথভাবে কিংবদন্তি চলচ্চিত্র নির্মাতা সুভাষ ঘাই ও তার প্রতিষ্ঠান ‘মুক্তা আর্টস’ থেকে এই ফ্র্যাঞ্চাইজির স্বত্ব কিনে নিয়েছে। ছবিটির সৃজনশীল পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন জিও স্টুডিওসের জ্যোতি দেশপাণ্ডে। 

    অনুষ্ঠানে সঞ্জয় দত্ত একটি আবেগঘন বার্তা শেয়ার করেন। তিনি জানান, ১৯৯৩ সালের মুম্বাই বিস্ফোরণ মামলায় জেল খাটার সময়ই ‘খলনায়ক’-এর কাহিনী এগিয়ে নেওয়ার চিন্তা তার মাথায় আসে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অভিনেতা বলেন, ‘জেলে থাকাকালীন আমি বন্দিদের কাছে জানতে চেয়েছিলাম তারা এটি দেখতে আগ্রহী কিনা। প্রায় ৪ হাজার কয়েদি ইতিবাচক সাড়া দেন। আমি তাদের সবাইকে নতুন গল্পের ওপর এক পৃষ্ঠা করে লিখতে বলেছিলাম। সেই ৪ হাজার পৃষ্ঠা পড়তে আমার দীর্ঘ সময় লেগেছে।’

    পরবর্তীতে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে তিনি সুভাষ ঘাইয়ের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন এবং তার সম্মতি আদায় করেন। 

    সিনেমার প্রত্যাশা নিয়ে ৬৬ বছর বয়সি এই তারকা জানান, তিনি কোনো তাড়াহুড়ো করতে চান না। তার মতে, ‘ছবির আসল নায়ক হলো এর চিত্রনাট্য। সেটি নিখুঁত করতে যদি ৬ থেকে ৮ মাস বা তার বেশি সময় লাগে, আমরা তা নেব। যতক্ষণ না চিত্রনাট্য সেই উচ্চতায় পৌঁছাচ্ছে, ততক্ষণ আমরা শুটিং শুরু করব না।’ 

    মূল সিনেমার পরিচালক সুভাষ ঘাই সঞ্জয় দত্তের এই উদ্যোগে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘সঞ্জু এবং মান্যতার দীর্ঘদিনের ইচ্ছা ছিল এটি করার। আমি নিশ্চিত এটি মূল ছবির চেয়েও ভালো কিছু হবে।’

    উল্লেখ্য, ১৯৯৩ সালের ‘খলনায়ক’ ছবিতে সঞ্জয় দত্ত (বল্লু), জ্যাকি শ্রফ (রাম) এবং মাধুরী দীক্ষিত (গঙ্গা) অভিনয় করেছিলেন। তবে এর নতুন কিস্তিতে পুরোনো শিল্পীদের দেখা যাবে কিনা, সেটি গোপন রাখা হয়েছে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে সিনেমার কাজ ফিরিয়ে দিয়ে তানজিকা আমিনের আফসোস!

    গেল ঈদুল ফিতরে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় তানিম নূর পরিচালিত সিনেমা ‘বনলতা এক্সপ্রেস’। মুক্তির তিন সপ্তাহ পেরোলেও এখনো সিনেমাটি দর্শকমন জয় করে চলেছে। বক্স অফিসে গড়ছে একের পর এক রেকর্ড। 

    এই ছবিতে কাজের সুযোগ পেয়েছিলেন ছোট ও বড়পর্দার অভিনেত্রী তানজিকা আমিন। কিন্তু তখন সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন তিনি। তবে পরে বিষয়টি নিয়ে এ অভিনেত্রীর কিছুটা আফসোসও ছিল। সম্প্রতি এক পডকাস্টে অংশ নিয়ে বিষয়টি নিজেই জানিয়েছেন তানজিকা। 

    জনপ্রিয় পডকাস্ট ‘বিহাইন্ড দ্য ফেইম উইথ আরআরকে’-তে উপস্থিত হয়ে এই অভিনেত্রী বলেন, ‘আমাকে যখন সিনেমাটির জন্য প্রস্তাব করা হয়েছিল, তখন আমার চরিত্রটি সেভাবে বিস্তার লাভ করেনি। তাই মনে হয়েছিল সিনেমাটি আমি না করলেও কারো কোনো ক্ষতি হবে না। তবে মুক্তির পর যতবার সিনেমাটি দেখছি, বারবার মনে হয়েছে, ইশ্ কী বড় মিসটাই না করলাম!’ 

    আফসোসের সুরে তিনি বলেন, ‘লজ্জা লাগছে নিজের কাছে কেন যুক্ত হলাম না। এটা আমার জন্য সত্যিই দুঃখজনক ঘটনা।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    রুম্মান রশীদ খানের সঞ্চালনায় এই পডকাস্টে তানজিকা আমিন অকপটে স্বীকার করেছেন, ২০১৩ সালেও তিনি ওপার বাংলার সিনেমায় প্রসেনজিতের বিপরীতে দুর্দান্ত একটি সিনেমার প্রস্তাব বাধ্য হয়েছিলেন ফিরিয়ে দিতে। পডকাস্টে এই সিদ্ধান্তের কারণটি তিনি বিশদভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। 

    নিজের আত্মবিশ্বাস নিয়েও অকপট এই অভিনেত্রী বলেন, ‘আমার আত্মবিশ্বাস এতটাই বেশি, মাঝে মাঝে মনে হয় আমি রানী ভিক্টোরিয়া। এক হাজার মেয়ের মাঝেও যদি আমাকে বসিয়ে দেওয়া হয়, আমি নিজের ওপর বিশ্বাস অনুভব করব। 

    তবে এই আত্মবিশ্বাস পরিমিত আকারেই আমি ধারণ করি। অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসীদের অনেকে বেয়াদব বলে, অহঙ্কারী বলে। আমাকে আজ পর্যন্ত কেউ এই ধরনের অপবাদ দেয়নি।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘ওম পুরি আমার বোনের জীবন ধ্বংস করেছেন’

    বলিউডের প্রবীণ অভিনেতা আন্নু কাপুর সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে প্রয়াত অভিনেতা ওম পুরির সঙ্গে তার জটিল সম্পর্কের বিষয়ে মুখ খুলেছেন। ওম পুরিকে একজন অসাধারণ অভিনেতা হিসেবে শ্রদ্ধা করলেও ব্যক্তিগত জীবনে নিজের বোনের প্রতি তার অসদাচরণের জন্য তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি।

    প্রসঙ্গত, আন্নু কাপুরের বোন সীমা কাপুরের সঙ্গে ওম পুরির বিয়ে হয়েছিল। কিন্তু বিয়ের মাত্র কয়েক মাসের মাথায় তা ভেঙে যায়। সম্প্রতি সিদ্ধার্থ কানানের সঙ্গে আলাপকালে আন্নু কাপুর সেই তিক্ত স্মৃতিই রোমন্থন করেন। 

    আন্নু কাপুর বলেন, ‘ওম পুরি ছিলেন একজন কিংবদন্তি অভিনেতা, তার মতো গুণী শিল্পী খুব কমই আছেন। কিন্তু অভিনেতা আর মানুষ তো আলাদা। তিনি যখন কারো স্বামী হলেন, তখন তিনি একজন নারীর সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করলেন। আর আমি সেই নারীর ভাই।’

    তিনি আরও জানান যে, জীবনের শেষ সময়ে যখন ওম পুরি শারীরিকভাবে অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন, তখন তার প্রথম স্ত্রী সীমা কাপুরই তার সেবা করেছিলেন। 

    আন্নু কাপুরের ভাষায়, ‘সেদিন সীমা পাশে না থাকলে ওম পুরি আরও ১০ বছর আগেই চলে যেতেন। যখন তার শরীর ভেঙে পড়ল, তখন তিনি ফিরে এলেন। এ কারণে আমি আমার বোনের ওপরও অনেক রাগ করেছিলাম।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    গত বছর সীমা কাপুরও এক সাক্ষাৎকারে সেই যন্ত্রণার কথা জানিয়েছিলেন। তিনি জানান, বিয়ের পর সব ঠিকই চলছিল, কিন্তু ‘সিটি অব জয়’ সিনেমার কাজ করার সময় সাংবাদিক নন্দিতা পুরির সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন ওম পুরি। 

    সীমা তখন তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। তিনি বলেন, ‘পুরি সাহেব মদ্যপান করে মাতাল হতেন এবং নন্দিতা ঝামেলা তৈরি করত। এক রাতে অসহ্য হয়ে আমি ঘর ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিই।’ 

    তিনি আরও জানান, তাদের সন্তান মারা যাওয়ার পর ওম পুরি তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার বদলে তার সেক্রেটারির মাধ্যমে ২৫ হাজার টাকা পাঠিয়েছিলেন, যা সীমা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেন। 

    আন্নু কাপুর জানান, ওম পুরি তাকে ভয় পেতেন কারণ তিনি সবসময় সোজাসাপ্টা কথা বলেন। তবে এখন তার সেই ক্ষোভ কিছুটা প্রশমিত হয়েছে। আন্নু বলেন, ‘আজ ওম পুরি সাহেব নেই, তার ছেলে আছে। আমি আজও তার ছেলে এবং সাবেক স্ত্রী নন্দিতার মঙ্গলের জন্য প্রার্থনা করি। কারো প্রতি আমার বিদ্বেষ নেই, কিন্তু আফসোস এটাই যে আমার বোন সীমার জীবনটা নষ্ট হয়ে গেল। আজও তার কোনো অবলম্বন নেই।’

    উল্লেখ্য, ১৯৯৩ সালে ওম পুরি নন্দিতা পুরিকে বিয়ে করেন এবং ২০১৭ সালে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর আগে তিনি সীমার কাছে নিজের ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েছিলেন বলে জানা যায়। 

    সূত্র: এনডিটিভি

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে সিনেমার জন্য কুরআন শিখেছিলেন বলিউড তারকা ইয়ামি গৌতম

    বলিউডে বহুমুখী চরিত্র পর্দায় ফুটিয়ে তোলার জন্য সুপরিচিত ইয়ামি গৌতম। ক্যারিয়ারে বেশ কিছু ভিন্নধর্মী চরিত্রে অভিনয় করে আগেই নিজের জাত চিনিয়েছেন। একজন দক্ষ অভিনয়শিল্পী নিজের চরিত্রকে পর্দায় জীবন্ত করে তুলতে কতটা পরিশ্রম করতে পারেন, গত বছর তারই অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন এই ভারতীয় অভিনেত্রী। 

    গত বছরের নভেম্বরে মুক্তি পায় আলোচিত বলিউড সিনেমা ‘হক’। এটি মূলত ১৯৭০-এর দশকের ভারতের এক সত্য ঘটনার ওপর ভিত্তি করে নির্মিত। ছবির মূল চরিত্র শাজিয়া বানো হিসেবে তাতে অভিনয় করেন ইয়ামি। 

    সম্প্রতি বিবিসি এশিয়ান নেটওয়ার্ককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ছবির পরিচালক সুপর্ণ ভার্মা জানিয়েছেন, তার পরিচালিত ‘হক’-এর প্রস্তুতির জন্য ইয়ামি কোনো সংক্ষিপ্ত পথ বেছে নেননি। সাক্ষাৎকারে ভার্মা জানান, ছবির প্রধান চরিত্র শাজিয়া বানোতে অভিনয় করার জন্য অভিনেত্রীকে তিনি কুরআন শেখার জন্য উৎসাহিত করেছিলেন। 

    ইসলাম সম্পর্কে প্রচলিত ভুল ধারণা দূর করাই ‘হক’ সিনেমার মূল উদ্দেশ্য বলেও উল্লেখ করেন এই নির্মাতা। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সাক্ষাৎকারে ভার্মা বলেন, ‘চার মাস সময় নিয়ে ইয়ামি ভাষা ও উচ্চারণ বোঝার চেষ্টা করেছে। আমরা যেভাবে কুরআন ব্যবহার করেছি, তা সরাসরি উদ্ধৃত করা হয়েছে। এ কারণেই আমি ছবিটি ‘ইকরা’ শব্দ দিয়ে শেষ করেছি। ’

    ইসলাম নিয়ে ভ্রান্ত তথ্য ও বিভ্রান্তি প্রসঙ্গে ভার্মা বলেন, ‘ইসলামকে ঘিরে অসংখ্য ভুল ধারণা রয়েছে। আমরা এখন ভ্রান্ত তথ্যের যুগে বাস করছি।  অ্যান্ড্রু টেটের মতো ব্যক্তিকে যারা বোঝে ও সমর্থন করে—তাদের নিয়েই যেন এক আলাদা জগৎ তৈরি হয়েছে। আমরা এক বিকৃত বাস্তবতায় বসবাস করছি।’

    নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন এই নির্মাতা। তিনি বলেন, ‘আমার সারা জীবনেই মুসলিম বন্ধু ছিল। একজন ভারতীয় হিসেবে আমি বিষয়টি গভীরভাবে বুঝতে চেয়েছি। আমরা প্রায় দেড় বছর সময় নিয়ে ইসলামি আইন নিয়ে গবেষণা করেছি’। 

    চলচ্চিত্রটিতে শরিয়াহ আইন ও তিন তালাকের মতো বিতর্কিত বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে ভার্মা বলেন, ‘তিন তালাক নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আমি ভুল ধারণাগুলো দূর করতে চেয়েছি। মানুষকে বোঝাতে চেয়েছি, ‘মোহর’ আসলে নারীদের জন্য এক ধরনের সুরক্ষা ব্যবস্থা’।

    চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘কেউ কেউ জিজ্ঞেস করেন, এখন কেন এ গল্প? ৪০ বছরে নারীদের জন্য কী বদলেছে? তখনো তারা পুরুষশাসিত সমাজে বাস করত, এখনো করে। একই বৈষম্য, একই বাধার মুখোমুখি হয় তারা’।

    ‘হক’ চলচ্চিত্রে এক নারীর ভরণপোষণ ও সম্মানের জন্য আইনি লড়াই তুলে ধরা হয়েছে। স্বামীর পরিত্যাগ ও তালাকের পর তার ব্যক্তিগত সংগ্রাম কীভাবে নারীর অধিকার নিয়ে জাতীয় বিতর্কে রূপ নেয়, সেটিই ছবির মূল উপজীব্য। 

    সূত্র: এক্সপ্রেস ট্রিবিউন ও ইমেজেস অবলম্বনে 

    বিনোদন ডেস্ক