Tag: সিনেমা

  • সুখবর দিলেন ফেরদৌস-পূর্ণিমা

    ঢাকাই সিনেমার দুই জনপ্রিয় তারকাশিল্পী ফেরদৌস ও পূর্ণিমা। পেশাদার সম্পর্কের বাইরে তারা দুজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু। অভিনয়ের বাইরে উপস্থাপনাও করেন এ দুই তারকা। সেটাও জুটি বেঁধেই। 

    rnrn

    কিছুদিন আগে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত একটি সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করেছেন। নাম ‘আহারে জীবন’। এটি পরিচালনা করেছেন ছটকু আহমেদ। 

    rnrn

    ফেরদৌস আগেও সরকারি অনুদানের সিনেমায় অভিনয় করেছেন। তবে পূর্ণিমার এটাই প্রথম। এরই মধ্যে সিনেমাটির কাজ প্রায় শেষ। ‘আহারে জীবন’ সিনেমার পর এ দুই তারকাকে আর কোনো সিনেমায় একসঙ্গে দেখা যায়নি। 

    rnrn

    এবার ভক্তদের সুখবর দিলেন ফেরদৌস ও পূর্ণিমা। 

    rnrn

    সম্প্রতি ফেরদৌস ও পূর্ণিমা একসঙ্গে স্টেজ শোতে পারফরম করার প্রস্তুতি নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। কাজের প্রস্তাব বেশ আগেই পেয়েছেন। কিন্তু রান্নাবিষয়ক একটি টেলিভিশন রিয়েলিটি শোয়ের বিচারকের দায়িত্ব পালন করছেন পূর্ণিমা। 
    rnসেটার শুটিংয়ের জন্য চলতি বছরে শুরুর দিনগুলো ব্যস্ত ছিলেন তিনি। সেটিরও কাজ প্রায় শেষ। এবার শুরু করবেন স্টেজ শো। 

    rnrn

    এ প্রসঙ্গে ফেরদৌস বলেন, ‘এরই মধ্যে কয়েকটি স্টেজ শোতে আমার এবং পূর্ণিমার একসঙ্গে কাজ করার প্রস্তাবও এসেছিল। কিন্তু পূর্ণিমা রিয়েলিটি শো নিয়ে ব্যস্ত থাকায় আমাদের আর একসঙ্গে কাজ করা হয়ে ওঠেনি। তবে এখন আশা করা যাচ্ছে শিগ্গির আমরা একসঙ্গে কয়েকটি স্টেজ শোতে পারফরম করতে পারব।’ 

    rnrn

    এদিকে ফেরদৌস শিগ্গির নতুন একটি সিনেমায় অভিনয়ের জন্য কলকাতা যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন। সেখান থেকে দেশে ফিরে বাংলাদেশি কয়েকটি সিনেমার কাজও করবেন তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মাত্র ৫০০ টাকা নিয়ে মুম্বাইয়ে পা রেখেছিলাম: কঙ্গনা

    নানা কারণে সবসময়ই আলোচিত-সমালোচিত হন বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। কিছু বললেই বিতর্কের সৃষ্টি হয়। এর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিষোদগার করায় তার টুইটার প্রোফাইল সাসপেন্ড করা হয়েছিল এ অভিনেত্রীর। 

    rnrn

    প্রায় ২০ মাস পর অ্যাকাউন্ট ফিরে পেয়ে ফের সমালোচনায় সরব হয়েছেন। টুইটারে ফিরেই পাঠান সিনেমাকে ইঙ্গিত করে বলিউডকে বিষোদগার করেন তিনি। কিন্তু ছবিটি দেখে প্রশংসায় ভরিয়েছেন অভিনেত্রী।

    rnrn

    তিনি সদ্য শেষ করেছেন ‘ইমার্জেন্সি’ ছবির শুটিং। এ ছবির জন্য নানা চড়াই-উতরাই পার হতে হয়েছে বলে জানান তিনি। তবে তিনি দমে যাওয়ার পাত্রী নন। 

    rnrn

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কঙ্গনা বলেন, প্রতি মুহূর্তেই চ্যালেঞ্জ নিয়ে গেছি। যখন মুম্বাইয়ে পা রেখেছিলাম, সঙ্গে ছিল মাত্র ৫০০ টাকা। তাই যদি সর্বস্বান্তও হয়ে যাই, আবার শক্তি সঞ্চয় করে ঘুরে দাঁড়াতে পারব, সেই সাহস আছে। টাকা-পয়সা, সম্পত্তি আমার কাছে বড় নয়। এসবের কোনো অর্থ নেই।

    rnrn

    ২০২১-এ ‘ইমার্জেন্সি’ ছবির ঘোষণা করেন কঙ্গনা রানাউত। ছবিতে দেশের অন্যতম চর্চিত প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন ‘গ্যাংস্টার’খ্যাত অভিনেত্রী। ছবিটি নির্মাণের জন্য নিজের সব সম্পত্তি বন্ধক রেখেছেন বলে জানিয়েছেন কঙ্গনা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘হিন্দি সিনেমা আনলে অবস্থা হবে নেপালের মতো’

    বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহে হিন্দি সিনেমা দেখানোর বিরোধিতা করছেন চিত্রনায়ক জায়েদ খান। তিনি বলেছেন, হিন্দি সিনেমা আনলে দেশের চলচ্চিত্র শিল্প মুখ থুবড়ে পড়বে।

    rnrn

    চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান বৃহস্পতিবার বলেন, আমাদের সিনেমা কেবল হাঁটি হাঁটি পা পা করে এগোচ্ছে। পরাণ, হাওয়ার মতো সিনেমাগুলো নতুন প্রজন্মের দর্শকদের হলে টানছে। এ অবস্থায় হিন্দি ছবি মুক্তি দিলে দেশের চলচ্চিত্র ধ্বংস হয়ে যাবে।

    rnrn

    প্রতিবেশী দেশ নেপালের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, নেপাল পরীক্ষামূলকভাবে হিন্দি ছবি মুক্তি দিয়েছিল। তারপর তাদের সিনেমা দর্শক হারিয়েছিল। পরে বাধ্য হয়ে হিন্দি ছবি বন্ধ করতে হয়েছে। আমাদের অবস্থাও হবে নেপালের মতো। চলচ্চিত্র শিল্প ধ্বংস হয়ে যাবে। হাজার হাজার শিল্পী বেকার হয়ে যাবে।

    rnrn

    তিনি আরও বলেন, ওদের বড় ইন্ডাস্ট্রি। একশ কোটি টাকা বাজেটে সিনেমা বানায়। আমাদের সিনেমার বাজেট থাকে এক কোটি টাকা। এক কোটি টাকা বাজেটের সিনেমা কখনোই একশ কোটির সাথে পাল্লা দিয়ে টিকতে পারবে না। বাংলা ছবি তখন কেউ দেখবে না।

    rnrn

    জায়েদ খান বলেন, ডিশের সহজলভ্যতার কারণে টেলিভিশনের বাজার পুরোপুরি ভারতীয় সিরিয়ালের দখলে চলে গেছে। হিন্দি ছবি দেশে আনলে হলের বাজারও ওদের দখলে চলে যাবে। আমাদের শিল্পীরা কাজ পাবে না। না খেয়ে মরবে। সে অবস্থা আমি কোনোভাবেই দেখতে চাই না। ফলে শুরু থেকে যেমন হিন্দি ছবি আনার বিরুদ্ধে ছিলাম, এখনও বিরুদ্ধেই আছি। আমি কোনোভাবেই হিন্দি ছবি আনার পক্ষে না।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সেন্সর বোর্ডে সিনেমা আটকে থাকে যেসব কারণে

    বাংলাদেশে সিনেমা নির্মাণের পর সেটি প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শন করতে চাইলে অবশ্যই আগে সেন্সর ছাড়পত্র নিতে হবে। এ ছাড়পত্র বা সনদ দেয় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড নামে একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান। 

    rnrn

    এ প্রতিষ্ঠানটির নিয়ন্ত্রক তথ্য মন্ত্রণালয়। কিন্তু সেন্সর বোর্ড থেকে অনেক সময় সিনেমা আটকে দেওয়া হয়। বা বোর্ড সসদ্যরা সিনেমা দেখার পর বিভিন্ন শর্তে ছাড়পত্র প্রদান করেন। কিছু কিছু সিনেমা আবার প্রদর্শনের অযোগ্য বলেও বাতিল করেন। বোর্ড থেকে প্রাথমিক প্রদর্শনে বাতিল হলে সিনেমাসংশ্লিষ্টরা বোর্ডেরই আপিল বিভাগে আপিল করতে পারেন। 
    rnআপিল বোর্ড থেকেও যদি প্রদর্শনের অযোগ্য বলে রায় আসে তখন নির্মাতা বা প্রযোজকের শেষ রাস্তা থাকে আদালত। সম্প্রতি ‘শনিবার বিকেল’ নামে একটি সিনেমা সেন্সর বোর্ডে আটকে থাকার পর আপিল বিভাগ শর্তসাপেক্ষে মুক্তির নির্দেশনা দেন। কিন্তু একই সময় ‘মেকআপ’ নামে আরেকটি সিনেমাকে প্রদর্শনের অযোগ্য বলে রায় দেন। 

    rnrn

    প্রশ্ন হচ্ছে, সেন্সর বোর্ডে কেন সিনেমা আটকে থাকে। বা বোর্ড থেকে ছাড়পত্র না দেওয়ার কারণ কী? এ নিয়ে কথা হয়েছিল বোর্ডের বর্তমান কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে।

    rnrn

    সেন্সর বোর্ডের সদস্য চিত্রপরিচালক মুশফিকুর রহমান গুলজার বলেন, ‘একটি সিনেমা আটকে রাখলে সেন্সর বোর্ডের কোনো লাভ হয় না। বরং মুক্তির ছাড়পত্র দিলে ইন্ডাস্ট্রিরই লাভ। তবে নির্মাণের দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি একজন পরিচালককে শিখতে হবে সেন্সরের রুলসগুলো। যেহেতু আইন আছে, অবশ্যই সে আইন মানতে হবে। যে সিনেমা রাষ্ট্র কাঠামোতে আঘাত হানবে; সে সিনেমা অবশ্যই আটকে রাখার অধিকার রাষ্ট্রের আছে। 

    rnrn

    অন্যদিকে সেন্সর বোর্ডের সদস্যদের অনেকেই দোষারূপ করেন। এটি উচিত নয়। কারণ, আমাদের বোর্ড সদস্যদের একক কোনো ক্ষমতা নেই যে সিনেমা মুক্তিতে বাধা দেবে বা আমাদের কথায় সিনেমা মুক্তি দেওয়া হয়; বিষয়টি এমনও নয়। সিনেমা মুক্তির অনুমতি তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে আসে। আমরা শুধু সিনেমাটি দেখি। মতামত দেই। সত্যি বলতে নির্মাতাদের আইন মেনে সিনেমা পরিচালনা করা উচিত বলে আমি মনে করি।’

    rnrn

    এ প্রসঙ্গে সেন্সর বোর্ডের আরেক সদস্য অভিনেত্রী রোজিনা বলেন, ‘সিনেমা আটকে রাখার ক্ষমতা কী আমাদের? আমরা তো মত দিতে পারি। সেন্সর বোর্ডের সদস্য হিসাবে বলতে পারি, এ সিনেমার এ জায়গাটি অনেক ভালো হয়েছে। এ সিকোয়েন্সটা হিট করতে পারে। কিন্তু সেন্সর বোর্ডের সদস্যরা কখনো বলতে পারে না এ সিনেমা যাবে না। একটি সিনেমা মুক্তি দেওয়ার অনুমতি রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আসে; বিশেষ করে তথ্য মন্ত্রণালয় সিনেমা মুক্তির অনুমতিপত্র দিয়ে থাকেন।’

    rnrn

    রোজিনার সঙ্গে তাল মিলিয়ে সেন্সর বোর্ডের সদস্য অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাস বলেন, ‘সেন্সর বোর্ড নিয়ে আমারও ভুল ধারণা ছিল। একটা সময় আমিও মনে করতাম সেন্সর বোর্ড মনে হয় সিনেমা আটকে রাখে। বিষয়টি সত্যি নয়। বোর্ডের সদস্যরা একটি সিনেমা শুধু দেখেন এবং ভালো-মন্দ বলেন। কিন্তু সিনেমা মুক্তির অনুমতি দেন স্বয়ং তথ্য মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সচিবদ্বয়। সেন্সর বোর্ড ও সদস্যদের দোষারোপ করে কোনো কিছু হবে না।’

    rnrn

    বোর্ড সদস্য নির্মাতা সোহানুর রহমান সোহান বলেন, ‘সেন্সর বোর্ড সিনেমা নির্মাণ, সম্পাদনা, গল্পটা কেমন এসব বিষয় নিয়ে কথা বলে। কিন্তু বোর্ড কিংবা কোনো সদস্য কখনো একটি সিনেমা মুক্তি-বন্ধ করতে পারে না। এ বিষয় নিয়ে তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে কথা বলতে হবে। রাষ্ট্রই অনুমতি দেন কোন সিনেমা মুক্তি দেওয়া হবে কোনটা হবে না।’

    rnrn

    এ বিষয়ে প্রখ্যাত অভিনেতা তরিক আনাম খান বলেন, ‘সিনেমা মুক্তির অনুমতি না দেওয়ার পুরো বিষয়টি ঘোলাটে! একটি সিনেমা অনেক কষ্ট করে নির্মিত হয়। সিনেমা যদি খারাপ হয় তবে দর্শকই মুখ ফিরিয়ে নেবে। অনেক সিনেমা, অনেক বাজেটে নির্মিত হয় অথচ দর্শক নেয় না, তেমনি কম বাজেটের সিনেমা অনেক সময় হিট সুপার হিট হয়। সিনেমা দেখে দর্শক ভালো-মন্দ বিচার করবে। কিন্তু দর্শকের কাছে পৌঁছাতে কেন এত বাধা দেওয়া হয় বুঝি না। সত্যিকার অর্থে এমন পরিস্থিতি থেকে আমরা রেহাই চাই।’
    rn 

    বিনোদন ডেস্ক

  • তিনটি সিনেমার গল্প দারুণ: পূর্ণিমা

    দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পূর্ণিমার নতুন কোনো সিনেমা মুক্তি পাচ্ছে না। তবে শুটিং করছেন একাধিক সিনেমার। কিছুদিন আগে ছটকু আহমেদ পরিচালিত ‘আহারে জীবন’ নামে একটি সিনেমার শুটিং শেষ করেছেন। জানা গেছে চলতি বছরই সিনেমাটি মুক্তি দেওয়া হবে। 

    rnrn

    এদিকে এ নায়িকা ২০১৯ সালের শেষের দিকে নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল পরিচালিত ‘গাঙচিল’ নামে একটি সিনেমার শুটিং শুরু করেছিলেন। বিভিন্ন লটে এ সিনেমার শুটিং হলেও একটি গানের শুটিং এখনো বাকি আছে। শিগ্গির এ কাজটিও করবেন পূর্ণিমা। এ সিনেমায় তার নায়ক ফেরদৌস। 

    rnrn

    অন্যদিকে একই পরিচালকের ‘জ্যাম’ নামে আরও একটি সিনেমার শুটিংও শিগ্গির শুরু হবে বলে জানা গেছে। কাজ শেষে এটি চলতি বছর মুক্তি দেওয়া হবে বলে নির্মাতা জানান। সব মিলিয়ে চলতি বছর তিনটি সিনেমা নিয়ে বড় পর্দায় ফিরছেন পূর্ণিমা। 

    rnrn

    এ ছাড়া সম্প্রতি তিনি একটি ওয়েব সিরিজের শুটিংও করেছেন। ব্যস্ততা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তিনটি সিনেমার গল্প দারুণ। আমার চরিত্রগুলোও অসাধারণ। যতটুকু শুটিং করেছি বেশ ভালো লেগেছে। পর্দায় দর্শক সিনেমাগুলো দেখলে আমার বিশ্বাস তাদেরও ভালো লাগবে।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • জেলেনস্কির প্রাসাদের সামনেই হয়েছিল ‘আরআরআর’ ছবির সেই গানের শুটিং

    গত বছর মুক্তির পর ভারতের চেয়ে বিদেশে আরও বেশি সমাদৃত হয় এসএস রাজামৌলির সিনেমা ‘আরআরআর’। সেটি এতটাই যে হলিউডের প্রথম সারির অনেক পরিচালক, প্রযোজক ও অভিনয়শিল্পী সিনেমাটির প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন।

    প্রথম ভারতীয় গান হিসেবে গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার জিতেছে ‘আরআরআর’ সিনেমার ‘নাটু নাটু’ গান। সেরা মৌলিক গান ক্যাটাগরিতে সেরার পুরস্কার জিতে নেয় গানটি। এই গানের পেছনে কত শ্রম দিতে হয়েছে, তা বোঝানোর জন্য একটা পরিসংখ্যানই যথেষ্ট। টানা ২০ দিন শুটিং করতে হয়েছে এই গানের জন্য। তার আগে এক মাস ধরে করা হয়েছে গানটির কোরিওগ্রাফির পরিকল্পনা। 

    জানা গেছে, এই গানটির শুটিং করা হয়েছিল ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির প্রাসাদের সামনে।

    মুভিটির পরিচালক নিজেই বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

    জানা গেছে, গানটির দৃশ্যায়ন ইউক্রেনের কিয়েভের মারিনস্কি প্যালেসের সামনে হয়েছে। এটি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের প্রাসাদ। শুটিং হয়েছিল ২০২১ সালের আগস্টে। আর ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করে। 

    তেলেগু গান নাটু নাটু লিখেছেন চন্দ্রবোস, গানটিতে সুর করেছেন এমএম কিরাবাণী, গানটি গেয়েছেন রাহুল সিপ্লিগুঞ্জ ও কলা ভৈরব।

    এক সাক্ষাৎকারে পরিচালক জানান, গানটি রিয়েল লোকেশনে শুট করা। লোকেশনটি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির প্রাসাদের সামনে। প্রাসাদটির পাশেই দেশটির পার্লামেন্ট। 

    তিনি আরও জানান, ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট নিজেই একজন অভিনেতা হওয়ায় তিনি ওই লোকেশনে গানের শুট করার অনুমতি দিতে দুবার ভাবেননি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • দেখা হবে ২০ জানুয়ারি: পরীমনি

    ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা পরীমনি। সংসার ভাঙার খবর দিয়ে বছরের শেষ দিন আলোচনায় ছিলেন তিনি। 

    ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে এক স্ট্যাটাসে পরীমনি বলেন, ‘হ্যাপি থার্টিফার্স্ট এভরিওয়ান। আমি আজ রাজকে আমার জীবন থেকে ছুটি দিয়ে দিলাম এবং নিজেকেও মুক্ত করলাম একটা অসুস্থ সম্পর্ক থেকে। জীবনে সুস্থ হয়ে বেঁচে থাকার থেকে জরুরি আর কিছুই নেই।’

    এদিকে সংসার ভাঙার জোরালো ইঙ্গিতের মধ্যেই শুভাকাঙ্ক্ষীদের সুখবর দিলেন পরীমনি। সিয়াম-পরী অভিনীত ‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’ সিনেমার খবর দিলেন তিনি।

    বুধবার এক স্ট্যাটাসে পরীমনি লিখেন, শুভ সকাল! 

    আমাদের #অ্যাডভেঞ্চার_অব_সুন্দরবনের প্রধান দর্শকরা অনেক ভালোবাসা আপনাদের জন্য। দেখা হবে সিনেমা হলে আসছে ২০ জানুয়ারি।

    শিশুতোষ চলচ্চিত্র 'অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন'। ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের লেখা 'রাতুলের দিন, রাতুলের রাত' উপন্যাস অবলম্বনে সিনেমাটি বানিয়েছেন আবু রায়হান জুয়েল।

    এর আগে গতকাল মঙ্গলবার সিয়াম-পরী অভিনীত ‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’ সিনেমার ‘সারেং ছাড়া জাহাজ চলে’ গানটি বঙ্গবিডির ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করা হয়।

    গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন বাউল শফি মণ্ডল। কথা লিখেছেন— গত বছর প্রয়াত পুলিশ সুপার ও গীতিকার দেওয়ান লালন আহমেদ এবং সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন ইমন চৌধুরী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মিমের সঙ্গে রাজ সিনেমা করুক চান না পরীমনি

    বিয়ের মাত্র এক বছরের মাথায় ভেঙে যাচ্ছে ঢাকাই সিনেমার সবচেয়ে আলোচিত-সমালোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনি ও উঠতি অভিনেতা শরীফুল ইসলাম রাজের সংসার। 

    rnrn

    শুক্রবার মধ্যরাতে ফেসবুকে নিজের অ্যাকাউন্টে এক পোস্টের মাধ্যমে পরী জানান, রাজকে তার জীবন থেকে আজীবনের জন্য ছুটি দিয়ে দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, ‘হ্যাপি থার্টি ফার্স্ট এভরিওয়ান! আমি আজ রাজকে আমার জীবন থেকে ছুটি দিয়ে দিলাম এবং নিজেকেও মুক্ত করলাম একটা অসুস্থ সম্পর্ক থেকে। জীবনে সুস্থ হয়ে বেঁচে থাকার থেকে জরুরি আর কিছুই নাই।’

    rnrn

    জানা গেছে, এ পোস্ট দেওয়ার আগে তিনি সন্তান নিয়ে রাজের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে তার বাসা থেকে বেরিয়ে এসেছেন। যদিও এ বাসাটি পরীই ভাড়া নিয়েছিলেন বলে জানিয়েছে তার ঘনিষ্ঠরা। সে হিসাবে বলা যায়, নিজের বাসা থেকে নিজেই বেরিয়ে এসেছেন তিনি। 

    rnrn

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এই বেরিয়ে আসার মতো অবস্থা একদিনে তৈরি হয়নি। গত কুরবানির ঈদের পর থেকেই রাজ-পরীর সংসারে অশান্তির আগুন জ্বলছিল। রায়হান রাফি পরিচালিত ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘পরান’ নামে একটি সিনেমা নিয়েই এ দ্বন্দ্ব। 

    rnrn

    এ সিনেমায় বিদ্যা সিনহা মিম ও শরীফুল রাজ অভিনয় করেছেন। তখন থেকেই নাকি এ দুজনের মধ্যে গোপন কোনো সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। এমনটাই সোশ্যাল মিডিয়ায় দাবি করেছেন পরীমনি। একই পরিচালকের ‘দামাল’ নামে আরও একটি সিনেমায় অভিনয় করেছেন বিদ্যা সিনহা মিম ও শরীফুল রাজ। একই সিনেমায় সঙ্গে রয়েছেন সিয়াম। 

    rnrn

    এ সিনেমার প্রচারণায় ‘রাজ মিমের হাত ধরে আছেন’ এমন একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন। মূলত তখন থেকেই ধারণা পাওয়া গেছে রাজের সঙ্গে মিমকে নিয়ে সন্দেহ করছেন পরী। এর কিছুদিন পর রায়হান রাফিকে উদ্দেশ করে পরীমনি এক পোস্টে লিখেন, ‘সিনেমার সাথে সাথে দালালিটাও ভালো করেন দেখি!’ 

    rnrn

    একই পোস্টে বিদ্যা সিনহা মিমকে ট্যাগ করে পরী লিখেন, ‘নিজের জামাইকে নিয়ে সন্তুষ্ট থাকা উচিত ছিল।’ রাজকে উদ্দেশ করে লিখেন, ‘এটা এতদূর গড়াতে দেওয়া উচিত হয়নি তোমার!’ ‘এটা’ বলতে মূলত পরীমনি মিম ও রাজের মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে বলেছেন।

    rnrn

    জানা গেছে, পরী রাজের এ সংসার ভাঙার জন্য মূলত দুজনের প্রতি দুজনার সন্দেহই দায়ী। পরী চান না রায়হান রাফি কিংবা মিমের সঙ্গে রাজ আর কোনো কাজ করুক। 

    rnrn

    এদিকে রায়হান রাফির ঘনিষ্ঠ বন্ধু চিত্রনায়িকা তমা মির্জার সঙ্গে অঘোষিত বিবাদ ছিল পরীমনির। সেটাও রাফিকে কেন্দ্র করেই। এসব নিয়ে রাজ খুবই বিরক্ত ছিল পরীর ওপর। দিনে দিনে রাজের বিরক্তি ও পরীর সন্দেহপ্রবণতা এতটাই বেড়ে গিয়েছিল যে, সেটা শেষ পর্যন্ত সংসার ভাঙাতেই রূপ নিয়েছে।

    rnrn

    এদিকে সংসার ভাঙার বিষয়ে পরীমনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এখনো ডিভোর্স দেইনি। তবে আমি সম্পর্ক ছিন্ন করে রাজের বাসা থেকে বেরিয়ে এসেছি। আজ (গতকাল) থেকে আমরা আলাদা হয়ে গেলাম। শিগগিরই ডিভোর্সের চিঠি পাঠিয়ে দেব।’ 

    rnrn

    ডিভোর্স দেওয়ার কারণ হিসাবে তিনি বলেছেন, ‘বেশ কিছুদিন ধরেই সমস্যা হচ্ছিল। সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে একসঙ্গে থাকার চেষ্টা করেছি। কিন্তু পারিনি। তার (রাজ) আচার-আচরণ একসঙ্গে থাকার মতো নয়। তাই বাধ্য হয়ে বাসা ছেড়ে আলাদা হয়ে গেলাম।’

    rnrn

    এদিকে পরীর সঙ্গে আলাদা হয়ে যাওয়ার বিষয়ে শরীফুল রাজ এখনো মুখ খোলেননি। তবে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘আর্থিক অবস্থাটা যদি আরও ভালো থাকত, তাহলে স্ত্রী ও সন্তানকে আরও বেশি সময় দিতে পারতাম।’

    বিনোদন ডেস্ক