Tag: সিনেমা

  • ‘দেশু ৭’ সিনেমার শুটিং শেষে যে চমক দেখালেন দেব-শুভশ্রী

    টালিউডের জনপ্রিয় পাগলুখ্যাত অভিনেতা দীপক অধিকারী দেব এবার চলচ্চিত্রের মাধ্যমে প্রথমবার পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছেন। ‘দেশু ৭’ সিনেমাটিতে অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজনা ও পরিচালনাও সামলাচ্ছেন তিনি। দীর্ঘদিন পর মান-অভিমান ভুলে পর্দায় ফিরছেন দেব-শুভশ্রী। তাদের নতুন এ রসায়ন দেখতে মুখিয়ে আছেন বাংলা সিনেমার দর্শকরা।

    বর্তমানে এ জনপ্রিয় তারকা জুটি ‘দেশু ৭’ সিনেমার শুটিংয়ের পর্ব শেষ করেছেন। সম্প্রতি দৃশ্যধারণ শেষ হয়েছে লাদাখে। এরপর এক ব্যতিক্রমী ভিডিও তৈরি করেন এ তারকা জুটি। মূলত অনেক দিন আগের ব্যবসাসফল সিনেমা ‘রোমিও’-এর সুপারহিট গান ‘কবে আইবে আমার পালা রে’-এর তালে নেচেছেন তারা, যা সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের নিয়ে গেছে সেই পুরোনো দিনে, করেছে নস্টালজিয়ায়।

    সামাজিক মাধ্যমে সেই ভিডিওটি পোস্ট করেছেন অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলি। তাতে উল্লেখ করেন এক বার্তা। সেই পোস্টে অভিনেত্রী লিখেছেন— ‘কৃতজ্ঞতা, গর্ব ও কিছুটা আবেগে ভরা হৃদয় নিয়ে আমরা ‘দেশু ৭’ সিনেমার শুটিং শেষের ঘোষণা দিচ্ছি। যারা এ সিনেমায় নিজেদের সর্বস্ব উজাড় করে দিয়েছেন, তাদের সবাইকে ধন্যবাদ। শুটিং হয়তো শেষ। তবে সিনেমাটি নিয়ে আমাদের মূল যাত্রা কেবল শুরু হলো— এই পূজায় দেখা হচ্ছে প্রেক্ষাগৃহে!’

    ভিডিওটিতে দেখা গেছে, একটি খোলা রাস্তায় দাঁড়িয়ে ‘রোমিও’ সিনেমার সুপারহিট গান ‘কবে আইবে আমার পালা রে’-এর তালে নাচছেন দেব-শুভশ্রীসহ আরও কিছু পার্শ্বশিল্পী। আবহে লাদাখের সৌন্দর্যও দৃশ্যমান। এরপর ড্রোন রাইজ শট দিয়ে শেষ করা হয় ভিডিও, দেওয়া হয় আসন্ন সিনেমা ‘দেশু ৭’-এর ঘোষণা। তবে ভিডিওটি দেখার পর, বিশেষ করে এই জুটির সেই গান ও নাচের স্টেপ দেখে কমেন্ট বক্সে দর্শকরা তাদের শৈশব ও সোনালি স্মৃতির কথা তুলে ধরে আবেগ প্রকাশ করেছেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সামাজিক মাধ্যমে এক নেটিজেন লিখেছেন— ‘এই নস্টালজিক অতীত পুনরুজ্জীবিত।’ আরেক নেটিজেন লিখেছেন— ‘চাইল্ডহুড ইমোশন।’ অন্য আরেক নেটিজেন লিখেছেন— ‘উফ, সেরা সেরা। পুরোনো দিনে ফিরে গেলাম।’

    উল্লেখ্য, ‘রোমিও’-এর সুপারহিট গান ‘কবে আইবে আমার পালা রে’-এর তালে দেব-শুভশ্রীর নাচের এ ভিডিওটি প্রকাশ পাওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ৪১ হাজারেরও বেশি রি-অ্যাকশন ও বিপুলসংখ্যক মন্তব্য জমা পড়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মাত্র ৬ হাজার টাকায় নির্মিত সিনেমার আয় ২৬ কোটি টাকা!

    এতটাই বাজে সিনেমা যে, মানুষ তা দেখতে এখন প্রেক্ষাগৃহে লাইন দিচ্ছে! এমনই এক অভিনব ঘটনার জন্ম দিয়েছে চীনের স্বল্প বাজেটের অ্যানিমেশন সিনেমা ‘নিউ লাই’। 

    একটি গরুর স্বপ্নের অদ্ভুত কাহিনি এবং অত্যন্ত নিম্নমানের গ্রাফিক্সের জন্য নেটদুনিয়ায় ট্রোলের শিকার হয়ে রাতারাতি ভাইরাল হয়ে গেছে সিনেমাটি, আর তাতেই রকেট গতিতে বেড়েছে এর টিকিট বিক্রি। অথচ ছবিটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে মোটে ৪৭ ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫ হাজার ৭০০ টাকা)।

    মুভি ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ‘মাও ইয়ান’-এর তথ্য অনুযায়ী, মুক্তির প্রথম ১০ দিনে ছবিটির আয় ছিল মাত্র ৭,৭০৫ ইউয়ান (প্রায় ১,১৪০ ডলার)। বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ লাখ ৩৮ হাজার টাকা। 

    কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তোলপাড় শুরুর পর ইতোমধ্যে চলচ্চিত্রটির মোট আয় ১৪.৯ মিলিয়ন ইউয়ান (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকা) ছাড়িয়ে গেছে। এমনকি বর্তমানে প্রেক্ষাগৃহে ‘দ্য ওডিসি’ কিংবা ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’-র মতো হলিউড ব্লকবাস্টার ছবির সঙ্গে টেক্কা দিচ্ছে এই স্বল্প বাজেটের সিনেমাটি। 

    চীনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক জনপ্রিয় পোস্টে বলা হয়েছে, ‘সিনেমাটি দেখলে আপনি হয়তো ৮০ মিনিটের জন্য অনুশোচনা করবেন, কিন্তু না দেখলে অনুশোচনা থেকে যাবে সারাজীবনের জন্য!’ 

    বর্তমান যুগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যালগরিদমে যখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি কনটেন্টের ছড়াছড়ি, তখন নেটিজেনদের একাংশ এই সিনেমাটিকে একটি ব্যতিক্রমী ‘প্রতিষেধক’ হিসেবে দেখছেন। এর বাজে অ্যানিমেশন কোয়ালিটিকে উপহাসের ছলে ‘হস্তশিল্প’ হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন দর্শকেরা। এটি যে কোনো এআই দিয়ে তৈরি নয়, বরং মানুষের হাতেই তৈরি—সেটিরই প্রমান হিসেবে ক্লিপগুলো শেয়ার করা হচ্ছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    চীনের জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ওয়েইবো-তে ব্যবহারকারীরা ছবিটিকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন। 

    ছবিটি জনপ্রিয় হওয়ার পেছনে আরও এক অদ্ভুত কারণ রয়েছে। চীনে ‘ষাঁড়’ এবং ‘গরু’—দুটোকেই একই চীনা অক্ষর দিয়ে প্রকাশ করা হয়। শেয়ার বাজারের চাঙ্গা ভাবকে বলা হয় ‘বুলিশ মার্জিন’। ফলে চাঙ্গা শেয়ার বাজারের প্রত্যাশায় অনেকে কেবল নামের খাতিরেই সিনেমাটিকে সমর্থন জানাচ্ছেন!

    এক নেটিজেন লিখেছেন, ‘আগামীকাল সূচক যদি ৪,০০০ পয়েন্টে পৌঁছায়, তবে আমি সিনেমা হলে গিয়ে এই সিনেমাকে সমর্থন দিয়ে আসব।’ অন্য একজন মন্তব্য করেন, ‘সিনেমাটি বাজে হলেও নামটা দুর্দান্ত!’ 

    একে তো নামমাত্র বাজেটের সিনেমা, তার ওপর মুক্তির আগে কোনো বড় প্রচারণাও ছিল না। সিনেমাটি এতটা অবহেলিত ছিল যে এর কোনো অফিশিয়াল পোস্টারও প্রকাশ করা হয়নি। এখন হঠাৎ চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বাধ্য হয়ে প্রদর্শনীর সংখ্যা বাড়িয়েছে প্রেক্ষাগৃহগুলো। 

    মজার বিষয় হলো, ছবিটির কোনো পোস্টার না থাকায় অনেক সিনেমা হলের কর্মীরা নিজেরাই হাতে ছবি এঁকে অভিনব পোস্টার বানিয়ে দর্শকদের আকর্ষণ করছেন! 

    চলচ্চিত্র পর্যবেক্ষণকারী এক জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের মতে, ‘বক্স অফিসের এই রেকর্ড অভূতপূর্ব এবং হয়তো ভবিষ্যতে এর পুনরাবৃত্তি আর দেখা যাবে না।’ 

    তবে সবাই কিন্তু এই অভাবনীয় সাফল্যকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন না। গত সপ্তাহের শেষে চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম ‘বেইজিং নিউজ’-এর এক সম্পাদকীয়তে এ বিষয়ে শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়, এভাবে প্রদর্শনীর সংখ্যা বাড়িয়ে নিচু মানের সিনেমা প্রচার করতে থাকলে প্রেক্ষাগৃহগুলো দর্শকদের ‘বিশ্বাস হারাতে’ পারে।

    বেইজিং নিউজের নিবন্ধে বলা হয়, ‘অতীতে বাজে কাজের জন্য সমালোচিত হওয়া সিনেমাগুলোর মতো ‘নিউ লাই’ ছবিটির মাধ্যমে বাজে চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে দর্শকদের প্রত্যাশার মান আরও এক ধাপ নিচে নেমে গেল।’ 

    এর পাশাপাশি প্রেক্ষাগৃহগুলোকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তারা আরও উল্লেখ করে, ‘সিনেমা হলগুলোর উচিত দর্শকদের জন্য সচেতন অভিভাবক হিসেবে কাজ করা। স্ট্যান্ডার্ডের নিচে থাকা এমন নিম্নমানের সিনেমাকে প্রশ্রয় না দিয়ে শুরুতেই প্রত্যাখ্যান করা।’ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • স্বপ্নের হলিউড সিনেমায় বাবা বিজয় ও স্টেথামকে চান ছেলে সঞ্জয়

    ভারতীয় তামিল সিনেমার অন্যতম শীর্ষ তারকা ও রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয়কে নিয়ে এক অভাবনীয় স্বপ্নের কথা জানালেন তার ছেলে জেসন সঞ্জয়। উদীয়মান এই তরুণ পরিচালক জানিয়েছেন, তার স্বপ্নের হলিউড প্রজেক্ট তৈরি হলে সেখানে বাবা বিজয়ের বিপরীতে অভিনয় করবেন প্রখ্যাত অ্যাকশন আইকন জেসন স্টেথাম। 

    ‘বিহাইন্ডউডস টিভি’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জেসন সঞ্জয়কে প্রশ্ন করা হয়েছিল—যদি হলিউডের অ্যাকশন তারকা জেসন স্টেথাম তামিল সিনেমার কারো সঙ্গে কাজ করতে চান, তবে তিনি কাকে বেছে নেবেন? 

    এক মুহূর্তও না ভেবে জেসন সঞ্জয় উত্তর দেন, ‘আমার বাবা (বিজয়)। এটি দারুণ একটি কোলাবরেশন হবে।’ 

    নিজের এই মন্তব্যের কথা বলতে গিয়ে তিনি রসিকতা করে আরও বলেন, তার এই উত্তরটি নিশ্চয়ই সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক ট্রোল ও মিমের জন্ম দেবে। 

    তামিল সুপারস্টারের ছেলে হওয়া সত্ত্বেও অভিনয়ে না এসে কেন তিনি সিনেমা পরিচালনায় এলেন—সেই প্রশ্নের জবাবে জেসন সঞ্জয় জানান, শৈশব থেকেই চলচ্চিত্রের সেটে বড় হওয়াই তার চিন্তাভাবনা তৈরি করতে সাহায্য করেছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিনি বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই শুটিং সেটে যাওয়ার সুযোগ আমার ছিল। এটা আমার একটা বিশেষ অধিকার বা সুবিধা ছিল বলা চলে। সেখানে আমি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতাম। শুটিং সেটে যাওয়াকে জীবনের একটা স্বাভাবিক অংশ বানিয়ে ফেলেছিলাম। আর সেখান থেকেই সিনেমার প্রতি আগ্রহের স্ফুলিঙ্গ তৈরি হয়।’ 

    তবে শুরু থেকেই যে চলচ্চিত্রে কাজ করার ইচ্ছা ছিল, তা কিন্তু নয়। জেসন সঞ্জয়ের ভাষ্য, ‘প্রথমে আমি পাইলট হতে চেয়েছিলাম। এর মাঝে ক্রিকেটার হওয়ারও ইচ্ছা জেগেছিল। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়ার সময় সিনেমার প্রতি ঝোঁক তৈরি হয়। এরপর কলেজে পড়ার সময় সিদ্ধান্ত নিই যে আমি চলচ্চিত্র নির্মাণ বা পরিচালনাই শিখব।’ 

    জেসন আরও জানান, গল্প বলা এবং তা লিখে রাখাই ছিল তার আসল আবেগ। তাই অভিনয়ের প্রতি তার কখনোই আলাদা আকর্ষণ কাজ করেনি। কানাডায় গিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণের ওপর উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করার পরই নিজের পথ বেছে নেন তিনি। 

    উল্লেখ্য, সন্দীপ কিষাণ অভিনীত ‘সিগমা’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছেন জেসন সঞ্জয়। ছবিটি পূর্বে ৩১ জুলাই মুক্তির তারিখ নির্ধারিত থাকলেও এর মুক্তি পিছিয়ে গেছে বলে জানা যায়। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • যুক্তরাষ্ট্রের একদিন আগেই বাংলাদেশে মুক্তি পাচ্ছে ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’

    মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্সের (এমসিইউ) ৩৮তম চলচ্চিত্র এবং স্পাইডার-ম্যান সিরিজের চতুর্থ কিস্তি ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ নিয়ে দর্শক ও ভক্তদের আগ্রহ তুঙ্গে। 

    যুক্তরাষ্ট্রে ছবিটি আগামী ৩১ জুলাই বিশ্বব্যাপী মুক্তির জন্য নির্ধারিত থাকলেও বাংলাদেশের দর্শকরা এর আনন্দ উপভোগ করতে পারবেন একদিন আগেই। ৩০ জুলাই থেকেই দেশের প্রেক্ষাগৃহে দেখা যাবে বহুল প্রতীক্ষিত এই সিনেমাটি। 

    দেশের সর্ববৃহৎ মাল্টিপ্লেক্স চেইন স্টার সিনেপ্লেক্স সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে খবরটি নিশ্চিত করেছে। ৩০ জুলাই থেকে সিনেপ্লেক্সের সকল শাখায় সিনেমাটি প্রদর্শিত হবে। 

    ডেস্টিন ড্যানিয়েল ক্রেটন পরিচালিত এই ছবিতে যথারীতি স্পাইডার-ম্যান (পিটার পার্কারের) চরিত্রে ফিরছেন টম হল্যান্ড এবং ‘এমজে’ চরিত্রে দেখা যাবে জেনডায়াকে। এ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে প্রত্যাবর্তন করছেন জেকব ব্যাটালন এবং ‘হাল্ক’ খ্যাত মার্ক রাফালো। 

    চলচ্চিত্রটিতে বেশ কিছু নতুন মুখ এবং চমকপ্রদ চরিত্রের আগমন ঘটছে। ‘স্পাইডার-ম্যান: নো ওয়ে হোম’-এর ঘটনার চার বছর পরের গল্প নিয়ে নির্মিত এই ছবিতে পিটারের স্মৃতি মুছে যাওয়ার পর এমজে তার জীবনে এগিয়ে গেছে। ছবিতে এমজের নতুন প্রেমিকের চরিত্রে অভিনয় করেছেন ‘আসোকা’ খ্যাত অভিনেতা ইমান এস্ফান্দি। এ ছাড়া রহস্যময় এক চরিত্রে হাজির হচ্ছেন ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’ খ্যাত জনপ্রিয় অভিনেত্রী স্যাডি সিঙ্ক। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    মার্ভেল ভক্তদের জন্য অন্যতম বড় চমক হলো জনপ্রিয় নেটফ্লিক্স সিরিজ ‘ডেয়ারডেভিল’-এর পর বড় পর্দায় আইকনিক চরিত্র ‘ফ্র্যাঙ্ক ক্যাসেল’ বা ‘দ্য পানিশার’ রূপে জন বার্নথালের প্রত্যাবর্তন। 

    চিত্রনাট্য ও ভিজ্যুয়াল ইফেক্টসের বাইরেও সিনেমাটি প্রযুক্তিগত দিক থেকে এক নতুন মাইলফলক স্থাপন করতে যাচ্ছে। এটি বিশ্বের প্রথম চলচ্চিত্র যা পুরোপুরি ‘শট ফর স্ক্রিন-এক্স’ উদ্যোগের অধীনে নির্মিত হয়েছে। স্ক্রিন-এক্স মূলত একটি সর্বাধুনিক সিনেমা প্রজেকশন প্রযুক্তি, যা থিয়েটারের মূল পর্দার পাশাপাশি দুই পাশের দেওয়ালেও দৃশ্য সম্প্রসারিত করে দর্শকদের ২৭০-ডিগ্রি প্যানোরামিক ভিউয়ের অভিজ্ঞতা দেয়। 

    ‘নো ওয়ে হোম’-এর নাটকীয় মোড়ের পর পিটার পার্কারের জীবনের নতুন অধ্যায় কীভাবে শুরু হয়, তা দেখার জন্য বিশ্বজুড়ে ভক্তরা এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ২০ সেকেন্ডের স্পাইডার-ম্যান টিজারে মেসির আয় ১৮৩ কোটি টাকা

    বিশ্বকাপের উন্মাদনার মধ্যেই ফুটবল ও হলিউডের দুই জনপ্রিয় জগতের এক ব্যতিক্রমী মেলবন্ধন ঘটাল সনি পিকচার্স। আসন্ন ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ সিনেমার নতুন টিজারে দেখা গেছে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসিকে। এতে স্পাইডার-ম্যান চরিত্রে অভিনয় করা টম হল্যান্ডের সঙ্গে অল্প সময়ের আকর্ষণীয় উপস্থিতিতে ভক্তদের চমকে দিয়েছেন আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই ফুটবলার।

    জানা গেছে, ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ এর ২০ সেকেন্ডের টিজারে উপস্থিত থাকার জন্য লিওনেল মেসি ১ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার পারিশ্রমিক পেয়েছেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ১৮৩ কোটি টাকা।

    টিজারের শুরুতে দেখা যায়, মেসি একটি কফিশপে প্রবেশ করে সাধারণ পোশাকে থাকা পিটার পার্কারের মুখোমুখি হন। তিনি জানান, মোবাইল ফোনে একটি ট্র্যাকার ব্যবহার করে শহরজুড়ে স্পাইডার-ম্যানকে খুঁজছেন। কিছুক্ষণ পর পার্কার অন্তরালে চলে গেলে তার জায়গায় হাজির হন স্পাইডার-ম্যান। এরপর দুজনের রোমাঞ্চকর অভিযানে বিজ্ঞাপনটি শেষ হয়।

    টিজারটি প্রকাশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলে। ফুটবল ও মার্ভেল—দুই অঙ্গনের ভক্তরাই এই ব্যতিক্রমী ক্রসওভারকে উচ্ছ্বাসের সঙ্গে গ্রহণ করেছেন।

    ডেসটিন ড্যানিয়েল ক্রেটন পরিচালিত ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্সে টম হল্যান্ড অভিনীত চতুর্থ স্পাইডার-ম্যান চলচ্চিত্র। ‘স্পাইডার-ম্যান: নো ওয়ে হোম’-এর ঘটনার পর পিটার পার্কারের নতুন অধ্যায় নিয়েই এগোবে সিনেমার গল্প। ছবিটি বিশ্বব্যাপী মুক্তি পাবে ২০২৬ সালের ৩১ জুলাই।

    বিশ্বকাপের আবহে মেসির উপস্থিতিকে কৌশলগত প্রচারণা হিসেবেই দেখছে সনি। বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ফুটবলার এবং বৈশ্বিক সাংস্কৃতিক আইকন হিসেবে তার আবেদনকে কাজে লাগিয়ে স্পাইডার-ম্যানের সঙ্গে এই অপ্রত্যাশিত জুটিকে সামনে আনা হয়েছে।

    সূত্র: ইএসপিএনলেগিত

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘আইজ’ আমার কাছে ভীষণ স্পেশাল

    ঢালিউড নির্মাতা রায়হান রাফী ও ভিন্নধারার আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন নির্মাতা আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ— দুই মেরুর এ দুই পরিচালকের এক হওয়া সিনেমার জন্য নিঃসন্দেহে এক বড় চমক। আর সেই চমক নিয়েই এবার বড়পর্দায় নিয়ে আসছেন নতুন সিনেমা ‘আইজ’। এ সিনেমাটির প্রযোজক হিসেবে আছেন তানভীর হোসেন। নির্মাণের শুরুতেই আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে সুখবর বয়ে এনেছে এ প্রজেক্টটি। সম্প্রতি এমন খবরই দিয়েছেন নির্মাতা রায়হান রাফী। 

    সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্ট দিয়েছেন পরিচালক রায়হান রাফী। সেই পোস্টে নতুন মিশন ও সিনেমার আদ্যোপান্ত নিয়ে কথা বলেছেন তিনি। জানিয়েছেন সিনেমার পেছনের গল্প ও ভাবনার কথা। নির্মাণাধীন সিনেমা ‘আইজ’ মর্যাদাপূর্ণ ‘কোপ্রো-অ্যাক্সেস ল্যাব ২০২৬’–এর জন্য নির্বাচিত হওয়ার কথা।

    সামাজিক মাধ্যমে পোস্টে রায়হান রাফী লিখেছেন, ‘কিছু চলচ্চিত্রের জন্ম হয় গল্প থেকে। কিছু চলচ্চিত্রের শুরুটা হয় কোনো প্রশ্নকে ঘিরে। আর ‘আইজ’ -এর জন্ম এক অদম্য বিশ্বাস থেকে। দীর্ঘদিন ধরে আমরা তথাকথিত আর্ট হাউস আর বাণিজ্যিক সিনেমার এক কৃত্রিম দেয়াল টেনে রেখেছি। আমি কখনোই বিশ্বাস করি না যে, সিনেমাকে এমন কোনো গণ্ডির মধ্যে আটকে রাখা যায়।’

    এ নির্মাতা বলেন, ‘একটি চলচ্চিত্র একই সঙ্গে আবেগঘন, বিনোদনধর্মী, চিন্তাশীল ও সমসাময়িক হয়েও দর্শকের মনকে গভীরভাবে নাড়া দিতে পারে। আমার কাছে সিনেমার সার্থকতা সবসময় এখানেই। ‘আইজ’ আমার কাছে ভীষণ স্পেশাল। কারণ এ সিনেমাটির সূত্র ধরেই আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ ও তানভীর হোসেনের সঙ্গে আমার এক হওয়া।’

    এ ত্রয়ী একত্র হওয়া প্রসঙ্গে রায়হান রাফী বলেন, ‘আমরা তিনজন সম্পূর্ণ ভিন্ন পটভূমি, ভিন্ন মনস্তত্ত্ব আর ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সিনেমাকে দেখি। আর এ বৈচিত্র্যই আমাদের এই যৌথ যাত্রাকে আমার কাছে এতটা রোমাঞ্চকর করে তুলেছে। সাদের শক্তি তার মনস্তাত্ত্বিক গভীরতা, নীরবতা ও নৈতিক টানাপোড়েন আর মানুষের ভেতরের ভঙ্গুর সত্যকে পর্দায় আনা। 

    তিনি বলেন, আর তানভীরের শক্তি তার বিশ্বাস, অধ্যবসায় আর এই মেলবন্ধনকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার মতো একজন প্রযোজকের দূরদর্শিতা। আমি সেখানে যোগ করেছি গতি, ব্যাপ্তি, আবেগ আর দর্শকের মনস্তত্ত্ব বোঝার সহজাত ক্ষমতা। আমার বিশ্বাস, এই ভিন্ন ভিন্ন শক্তির মেলবন্ধনেই ‘আইজ’ তার নিজস্ব ভাষা খুঁজে পাবে।

    পুরো টিমকে ধন্যবাদ জানিয়ে উচ্ছ্বসিত রায়হান রাফী বলেন, অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আমাদের নির্মাণাধীন সিনেমা ‘আইজ’  ‘কোপ্রো-অ্যাক্সেস ল্যাব ২০২৬’ -এর জন্য নির্বাচিত হয়েছে। 

    তিনি বলেন, যে কাজটি আমরা অত্যন্ত যত্ন আর ভালোবাসা দিয়ে বড় করে তুলছি, তার জন্য এটি একটি দারুণ অর্থবহ প্রথম পদক্ষেপ। এ প্রজেক্টটির ওপর আস্থা রাখার জন্য কোপ্রো-অ্যাক্সেস ল্যাব এবং পুরো টিমকে আন্তরিক ধন্যবাদ। সেলিন লুপ, মাথিভানান রাজেন্দ্রন, পূজা মোহিতে- আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে কারণে ম্যাডোনার বহুল প্রতীক্ষিত বায়োপিক বাতিল হলো

    মার্কিন পপ সম্রাজ্ঞী ম্যাডোনা। বেশ কিছু দিন ধরেই তার সুর-সংগীতে জমজমাট বর্ণাঢ্য জীবন নিয়ে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণের আলোচনা চলছিল।  বিষয়টি তিনি নিজেই তদারকি করছিলেন। জানা গেছে, বহুল প্রতীক্ষিত বায়োপিকটি আর বানানো হচ্ছে না। 

    শেষ পর্যন্ত হলিউড স্টুডিও ‘ইউনিভার্সাল’র সঙ্গে বাজেট নিয়ে বনিবনা না হওয়ায় প্রকল্পটি বাতিল হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন পপ তারকা নিজেই।

    ‘ইন্টারভিউ’ ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যাডোনা বলেন, ‘বাজেট নিয়ে ইউনিভার্সালের সঙ্গে আমাদের মতবিরোধ তৈরি হয়েছিল। কারণ আমার একটি অসাধারণ এবং বিশাল জীবন রয়েছে, তাই এটি পর্দায় তুলে আনতে আমার বড় বাজেটের প্রয়োজন ছিল।’ 

    খরচ কমিয়ে আনতে ম্যাডোনা সিনেমার শুটিং সার্বিয়াতে স্থানান্তরের প্রস্তাব করেছিলেন, কিন্তু স্টুডিও কর্তৃপক্ষ তা মেনে নেয়নি। ম্যাডোনা বলেন, ‘আমি সার্বিয়াতে কম খরচে সিনেমাটি বানানোর একটি পথ বের করেছিলাম, কিন্তু আমার মনে হয় তারা এই ধারণায় খুব একটা আগ্রহী ছিল না—আমি ঠিক জানি না। 

    সম্ভবত তারা আমার ওপর বিশ্বাস রাখতে পারেনি। তাদের প্রথম প্রতিক্রিয়াগুলোর একটি ছিল- আমাদের বিশ্বাস হয় না যে আপনি সার্বিয়াতে চার দিনের বেশি টিকতে পারবেন।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এর জবাবে ম্যাডোনা উল্টো প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেন, ‘আমি তাদের বলেছিলাম, আপনারা কি চিত্রনাট্যটি পড়েছেন? আমার পুরো জীবনটাই তো টিকে থাকার লড়াই (সারভাইভাল)। আমি সেখানে কোনো ছুটিতে যাচ্ছি না।’ 

    ২০২০ সালে প্রথম এই প্রজেক্টটির ঘোষণা দেওয়া হয়। ‘ইয়াং অ্যাডাল্ট’ ঘরানার খ্যাতনামা লেখক ডায়াবলো কোডির লেখা চিত্রনাট্যে ম্যাডোনা নিজেই এটি পরিচালনা করার পরিকল্পনা করেছিলেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, ‘আমার নিজের কণ্ঠ ও দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে আমার জীবনের এই রোলারকোস্টার রাইডটি সবার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।’ 

    এর আগে ২০১৭ সালে ইউনিভার্সাল স্টুডিওজ ম্যাডোনার প্রাথমিক ক্যারিয়ার নিয়ে ‘ব্লন্ড অ্যাম্বিশন’ নামের একটি সিনেমা নির্মাণের স্বত্ব কিনেছিল। ম্যাডোনা সেটির তীব্র সমালোচনা করে ইনস্টাগ্রামে লিখেছিলেন, ‘ইউনিভার্সাল স্টুডিওজ কেন সম্পূর্ণ মিথ্যা একটি চিত্রনাট্যের ওপর ভিত্তি করে আমার বায়োপিক বানাতে চাইবে?’ 

    পরবর্তীতে ম্যাডোনার নিজস্ব প্রজেক্টের জন্য ‘ম্যাডোনা বুটক্যাম্প’ খ্যাত এক কঠোর অডিশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মূল চরিত্রে অভিনয়ের জন্য জুলিয়া গার্নারকে নির্বাচিত করা হয়। তবে ২০২৩ সালে খবর আসে যে, ‘হুজ দ্যাট গার্ল’ টাইটেলের এই সিনেমাটি পুরোপুরি বাতিল করা হয়েছে।

    ম্যাডোনার পূর্ববর্তী চলচ্চিত্র ক্যারিয়ার 

    পরিচালক হিসেবে ম্যাডোনার পূর্বের অভিজ্ঞতা খুব একটা সুখকর নয়। এর আগে তিনি দুটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র পরিচালনা করেছেন—‘ফিল্থ অ্যান্ড উইজডম’ (লন্ডনে সফল হতে চাওয়া এক ইউক্রেনীয় সংগীতশিল্পীকে নিয়ে) এবং ‘ডব্লিউ.ই.’ (ওয়ালিস সিম্পসন এবং সাবেক অষ্টম এডওয়ার্ডের কাহিনী নিয়ে)। 

    ব্রিটিশ পত্রিকা ‘দ্য গার্ডিয়ান’-এর চলচ্চিত্র সমালোচক পিটার ব্র্যাডশ এই দুটি সিনেমাকেই মাত্র ‘ওয়ান স্টার’ রিভিউ দিয়েছিলেন। 

    অবশ্য অভিনেত্রী হিসেবে ম্যাডোনার ঝুলিতে বেশ কিছু প্রশংসিত কাজ রয়েছে, যার মধ্যে ‘ডেসপারেটলি সিকিং সুসান’, ‘ডিক ট্রেসি’, ‘ইভিটা’ এবং ‘দ্য নেক্সট বেস্ট থিং’ অন্যতম। 

    সাক্ষাৎকারে ম্যাডোনা আরও জানান, তিনি নেটফ্লিক্সের জন্য একটি সিরিজ করার প্রস্তাব পেয়েছিলেন, কিন্তু সেখানেও বাধা হয়ে দাঁড়ায় ইউনিভার্সাল স্টুডিওজ। কারণ সিনেমাটির জন্য যে চিত্রনাট্য তিনি লিখেছিলেন, সেটির মালিকানা ছিল ইউনিভার্সালের হাতে।

    ম্যাডোনা আক্ষেপ করে বলেন, ‘নেটফ্লিক্স একটি সিরিজ করার জন্য যোগাযোগ করেছিল। সেটি ছিল আরেক দীর্ঘ প্রক্রিয়া। কারণ ইউনিভার্সালের কাছে থাকা চিত্রনাট্যটি আমি ব্যবহার করতে পারছিলাম না, যদি না আমি তাদের কাছ থেকে সেটি চড়া দামে কিনে নিতাম—অথচ চিত্রনাট্যটি আমারই লেখা! এরপর আমি বোঝার চেষ্টা করলাম সিরিজ কীভাবে তৈরি হয়। এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি প্রক্রিয়া। আপনাকে অনেক লেখকের সঙ্গে বসতে হবে, সঠিক ব্যক্তিকে খুঁজে বের করতে হবে যিনি শোটি এগিয়ে নেবেন… কিন্তু আমি তেমন কাউকেই খুঁজে পাইনি।’ 

    সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান 

    বিনোদন ডেস্ক

  • মা হওয়ার গুঞ্জনের পর যে সিদ্ধান্তের কথা জানালেন সামান্থা

    দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার জল্পনায় সিলমোহর দিলেন। ‘মা ইনতি বঙ্গারাম’ সিনেমার সাফল্য উদযাপনের অনুষ্ঠানে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময়ে অভিনেত্রী মা হওয়ার কথা স্বীকার করে নেন। 

    সম্প্রতি সিনেমার প্রচার অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন সামান্থা। সেখানে তার স্ফীতোদরের ছবি সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ্যে আসে। 

    এরপর অভিনেত্রীর এক ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, সত্যিই অভিনেত্রী মা হতে চলেছেন। অবশেষে বুধবার (২৪ জুন) সেই প্রচার অনুষ্ঠানের সামনেই স্বীকার করে নেন অভিনেত্রী— তিনি মা হতে চলেছেন।

    এর পাশাপাশি তিনি আরও জানান, এ মুহূর্তে যে কাজগুলো হাতে রয়েছে, সেগুলো শেষ করার পর তিনি কিছু দিনের জন্য বিরতি নেবেন। 

    সামান্থা বলেন, এরপর আমার শারীরিক অবস্থার কথা মাথায় রেখে কিছু দিনের বিরতি নিতে হবে। আমাকে মাতৃত্বকালীন ছুটি নিতে হবে। তারপর আমি আবার আমার ভক্ত-অনুরাগীদের জন্য নতুন সিনেমা নিয়ে ফিরব।

    ‘মা ইনতি বঙ্গারাম’ সিনেমার প্রচার অনুষ্ঠানে দেখা যায়, সামান্থার পরনে ছিল আসমানি রঙের টি-শার্ট ও জিন্স প্যান্ট। সেই ভিডিও দেখে সামাজিক মাধ্যমের নেটিজেনদের একাংশ শুভেচ্ছা জানাতে শুরু করেন সামান্থাকে।

    নেটিজেনদের দাবি— সামান্থার স্ফীতোদর স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। এক নেটিজেন লিখেছেন— আমি খুশিতে কাঁদছি। আরেক নেটিজেন লিখেছেন— সামান্থা এবার প্রাণভরে আনন্দে থাকুক।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    জানা গেছে,  আগামী ডিসেম্বর মাসে নাকি ভূমিষ্ঠ হতে পারে রাজ ও সামান্থার দম্পতির প্রথম সন্তান। সামান্থা এখন গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে রয়েছেন। এ খবরে তারকা দম্পতি ভীষণ খুশি। বিশেষ করে সামান্থা। কারণ তিনি সবসময়ই মা হতে চেয়েছিলেন। খুব সচেতনভাবেই তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

    উল্লেখ্য, সামান্থা রুথ প্রভু এর আগে অভিনেতা নাগ চৈতন্যের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর দীর্ঘদিন মানসিক যন্ত্রণায় ভুগেছিলেন। এর পাশাপাশি শারীরিক অসুস্থতাতেও ভুগেছিলেন তিনি। ২০২৫ সালের ১ ডিসেম্বর রাজ নিদিমোরুর সঙ্গে ঘরোয়া পরিবেশে বিয়ে সারেন সামান্থা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ১০০ কোটি ডলার আয়ের পথে ‘মাইকেল’

    পপ সম্রাট মাইকেল জ্যাকসনের জীবনীনির্ভর চলচ্চিত্র ‘মাইকেল’ বক্স অফিসে এক নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। গত ২৪ এপ্রিল মুক্তি পাওয়ার পর থেকে বিশ্বজুড়ে ৯১১.৯ মিলিয়ন ডলার আয় করে এটি এখন ইতিহাসের সর্বোচ্চ আয়কারী মিউজিক বায়োপিক (সঙ্গীতভিত্তিক জীবনীচিত্র) হিসেবে রেকর্ড গড়েছে। 

    এর মাধ্যমে সিনেমাটি ২০১৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত কিংবদন্তি ব্যান্ড ‘কুইন’-এর বায়োপিক ‘বোহেমিয়ান র‍্যাপসোডি’কে ছাড়িয়ে গেল, যার বৈশ্বিক বক্স অফিস কালেকশন ছিল ৯১০.৯ মিলিয়ন ডলার।

    অ্যান্টোনি ফুকো পরিচালিত এই চলচ্চিত্রে নাম ভূমিকায় (মাইকেল জ্যাকসন) অভিনয় করেছেন খোদ মাইকেল জ্যাকসনেরই ভাতিজা জাফর জ্যাকসন। সিনেমাটিতে পপ সম্রাটের বিশ্বজোড়া খ্যাতি এবং উত্থানের গল্প তুলে ধরা হয়েছে, যার সমাপ্তি টানা হয়েছে ১৯৮৮ সালের প্রেক্ষাপটে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    আন্তর্জাতিক বাজারের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বক্স অফিসেও এটি এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আয়কারী বায়োপিক হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। চলচ্চিত্র বিশ্লেষকদের ধারণা, সিনেমাটি খুব দ্রুতই বিশ্বজুড়ে ১ বিলিয়ন (১০০ কোটি) ডলার আয়ের মাইলফলক স্পর্শ করবে। ‘মাইকেল’ এখনো বিশ্বের বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হচ্ছে এবং দর্শকদের বিপুল সাড়া পেয়ে যাচ্ছে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ফিরছে ‘মাসুদ’, ‘সুড়ঙ্গ ২’র টিজারে আফরান নিশোর চমক

    ২০২৩ সালের ঈদুল আজহায় মুক্তি পায় রায়হান রাফি পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘সুড়ঙ্গ’। এর কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে রুপালি পর্দায় অভিষেক করেছিলেন আফরান নিশো। ছবিটিতে ‘মাসুদ’ চরিত্রে অভিনয় করে তিনি ব্যাপক দর্শকপ্রিয়তা পান। 

    এরপর থেকেই দর্শকেরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় ছিলেন সিনেমার সিক্যুয়েল নিয়ে। তিন বছর পর অবশেষে আসতে চলেছে এর সিক্যুয়েল ‘সুড়ঙ্গ ২’। 

    শুক্রবার (১২ জুন) বিকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হঠাৎ করেই দেড় মিনিটের দুর্ধর্ষ একটি টিজার প্রকাশ করেছে রায়হান রাফি যা সিনেমাপ্রেমীদের মাঝে রীতিমতো আলোচনার ঝড় তুলেছে। 

    প্রকাশিত টিজারে আফরান নিশো একেবারে ভিন্ন ও দুর্ধর্ষ রূপে চমকে দিয়েছেন। টিজারের শুরুতেই অন্ধকার এক সুড়ঙ্গের দিকে যেতে যেতে মাসুদ চরিত্রে অভিনয় করা নিশোকে আক্ষেপের সুরে বলতে শোনা যায়, ‘এই দুনিয়ায় ভালো মানুষের কোনো দাম নেই’। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এরপরই তাকে ধ্বংসস্তূপ ও শত্রুদের মোকাবিলা করতে দেখা যায়। 

    টিজারের একটি দৃশ্যে হাতঘড়ি পরার সময় নিশোর হাতে ‘ময়না’ নামের একটি ট্যাটুও দর্শকের নজর কেড়েছে। ভিডিওতে মিখাইল নামের এক খলনায়ককে উদ্দেশ্য করে ‘মাসুদ’কে বলতে শোনা যায়, তার মতো বহু লোককে তিনি সামলেছেন। তার টাকা কেউ নিতে পারবে না। 

    ভিডিওর শেষাংশে রায়হান রাফী জানান, চলতি বছরের ডিসেম্বরেই প্রেক্ষাগৃহে আসছে ‘সুড়ঙ্গ ২’। 

    উল্লেখ্য, এর আগে ছবির প্রথম কিস্তিতে মাসুদেও স্ত্রী ‘ময়না’ চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তমা মির্জা। 

    বিনোদন ডেস্ক