Tag: সালমান শাহ

  • সালমান শাহ হত্যা মামলা: আসামিদের গ্রেফতার প্রসঙ্গে যা বলল পুলিশ

    বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি নায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর প্রায় ২৯ বছর পর নতুন মোড় নিয়েছে তার আলোচিত মামলা। আদালতের নির্দেশে আত্মহত্যা নয়, এবার এটি ‘হত্যা মামলা’ হিসেবে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    গত সোমবার (২০ অক্টোবর) সকালেই রমনা থানা পুলিশ ১১ জনকে আসামি করে আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্তে নামে। ইতোমধ্যে আসামিদের দেশত্যাগে জারি করা হয়েছে নিষেধাজ্ঞা, এবং ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হয়েছে।

    সালমান হত্যার আসামিদের গ্রেফতার প্রসঙ্গে রমনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম ফারুক বলেন, ‘সালমান শাহ হত্যা মামলায় আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এছাড়া কয়েকজন দেশের বাইরে আছেন। যারা দেশে আছেন তাদের অবস্থান তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় শনাক্তের চেষ্টা করা হচ্ছে। খুব দ্রুতই অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।’

    এদিকে সালমানের নারকীয় হত্যাযজ্ঞের সে রাতের লোমহর্ষক বর্ণনা দেন সালমান শাহ হত্যা মামলার ১১ নম্বর আসামি রেজভী আহমেদ ফরহাদ। এরপরই নতুন করে আলোচনায় আসে দীর্ঘ ২৮ বছর আগে ১৯৯৭ সালের রেজভীর দেওয়া একটি জবানবন্দি।

    ওই জবানবন্দিতে রেজভী সালমান শাহর হত্যার দায় স্বীকার করে বলেন, ‘আমরা সালমান শাহকে হত্যা করেছি। হত্যার ঘটনাকে আত্মহত্যা বলে সাজানো হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডে সামিরা ও তার পরিবারসহ অনেকে জড়িত। হত্যাযজ্ঞে আমিও ছিলাম।’

    ১৯৯৭ সালের ১৬৪ ধারার সেই জবানবন্দিতে তিনি আরও জানান, সালমান শাহর মৃত্যু ছিল ১২ লাখ টাকার এক হত্যার চুক্তি। যে চুক্তি করেছিলেন সালমান শাহর শাশুড়ি লতিফা হক লুসি। এ হত্যা চুক্তিতে আরও ছিলেন বাংলা সিনেমার খলনায়ক ডন, ডেভিড, ফারুক ও জাভেদ।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • মাসখানেক আগেও ডন আমাকে হুমকি দিয়েছে: নীলা চৌধুরী

    ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার ইস্কাটনের বাসায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় ঢালিউডের ক্ষণজন্মা অভিনেতা সালমান শাহের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার অকালমৃত্যু নিয়ে তৈরি হওয়া রহস্যের জট এবার হত্যা মামলায় রূপ নিয়েছে। এর আগে সালমান শাহের মৃত্যুর ঘটনায় পিবিআই বলেছিল— হত্যা নয়, সালমান শাহ আত্মহত্যা করেছিলেন। পিবিআই নিরপেক্ষ তদন্ত করেনি—দাবি করে ২০২১ সালে নারাজি দিয়েছিলেন সালমান শাহের মা নীলা চৌধুরী। 

    দীর্ঘদিন ধরে আত্মহত্যা বললেও গত সোমবার (২০ অক্টোবর) ২৯ বছর পর হত্যা মামলা করার নির্দেশ দেন আদালত। সেই মামলায় ১১ জন আসামি রয়েছে এবং তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এ বিষয়ে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে রমনা থানাপুলিশ। সম্প্রতি গণমাধ্যমে  দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে লন্ডন থেকে সালমান শাহের মা নীলা চৌধুরী একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে বলেন, তিনি ন্যায় বিচার পেতে যাচ্ছেন।

    কোনো আলামত দেখে মনে হয়েছিল খুন? এমন প্রশ্নের উত্তরে নীলা চৌধুরী বলেন, খুনের চিহ্ন আর আত্মহত্যার চিহ্ন আলাদা। সেটি তার শরীরেও ছিল। এটি খুন, বোঝাই যাচ্ছিল। প্রমাণও ছিল। সামিরার ঘনিষ্ঠরা পরে তো বলেই দিল— কীভাবে খুন করেছে। 

    তিনি বলেন, এটা পরিকল্পিত খুন। সামিরা চিটাগং থেকে লোক এনেছে। এরাই অন্যদের সঙ্গে মিলে ইমনকে (সালমান শাহ) খুন করেছে। ওই বিল্ডিংয়ের অনেক ফ্ল্যাট ছিল আজিজ মোহাম্মদের ভাড়া করা। সেখানে তার লোকজন থাকত। ২৯ বছর ধরেই আমি বলে আসছি, আমার ছেলে আত্মহত্যা করার মতো ছেলে নয়। কিন্তু কেউ আমার কথা কানে নেইনি। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    নীলা চৌধুরী বলেন, এই ২৯ বছর কিছু মানুষ আমাকে খারাপ বলেছে। আমার ছেলেকে খারাপ বলেছে। আমার জন্য ছেলে মারা গেছেন, সেটিও শুনতে হয়েছে আমাকে। লালন-পালন করে বড় করে আমি নাকি আমার ছেলেকেই মেরেছি— এটিও আমাকে শুনতে হয়েছে।

    তিনি বলেন, এই এক মাস আগেও অভিনেতা ডন আমাকে হুমকি দিয়েছে। প্রেসক্লাবের সামনে যেতে বলেছে। চিন্তা করা যায়, যে আমার ছেলের পিছে পিছে ঘুরত। সাহস পেত না আমাদের সঙ্গে কথা বলার। সেই ডন কত বড় ব্যাকআপ থাকলে আমাকে হুমকি দিতে পারে?

    সালমান শাহের মা বলেন, আমাকেই দায়ী করেছে সামিরা, আজিজ, ডনরা। কিন্তু ২৯ বছর ধরে আমার বিশ্বাস ছিল, আইনে একদিন প্রমাণ হবে— এটি খুন। আদালত যেভাবে সোমবার (২০ অক্টোবর) ঘটনাটি উপস্থাপন করেছেন, সেখান থেকে আমাকে যেভাবে সান্ত্বনা দেওয়া হয়েছে; সেটি আমাকে মানসিকভাবে শান্তি দিয়েছে। 

    নীলা চৌধুরী বলেন, দীর্ঘদিন পর একটা ভরসার জায়গা তৈরি হলো। মামলার কার্যক্রম এত দ্রুত হয়ে যাবে ভাবিনি। এ জন্য শুকরিয়া। অনুভূতি আর কী বলব। আমার সব শরীর–মন খালি খালি মনে হচ্ছে। ফাঁকা ফাঁকা মনে হচ্ছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ছেলেকে মার্ডার করা হয়েছে, মামলা হচ্ছে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করে অবশেষে ন্যায়বিচার পাব—এটাই ভালো লাগার কথা বলে জানান সালমান শাহের মা। 

    তিনি বলেন, আমার কাছে মনে হয়েছে ন্যায়বিচার পাচ্ছি। প্রত্যাশা আছে বলেই ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতে ন্যায়বিচার পাব। এতদিন যারা এত কথা বলেছে, আমাকে হুমকি দিয়েছে, তাদের বিচার হতেই হবে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • সালমানের মৃত্যুর আগেরদিন বোরকা পরে কারা এসেছিল, প্রশ্ন নীলা চৌধুরীর

    ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার ইস্কাটনের বাসায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় ঢালিউডের ক্ষণজন্মা অভিনেতা সালমান শাহের লাশ উদ্ধার করা হয়। তার অকালমৃত্যু নিয়ে তৈরি হওয়া রহস্যের জট এবার হত্যা মামলার তদন্তের মাধ্যমে খুলবে কিনা, সেদিকেই তাকিয়ে আছে পুরো দেশবাসী। এর আগে সালমান শাহের মৃত্যুর ঘটনায় পিবিআই বলেছিল— হত্যা নয়, সালমান শাহ আত্মহত্যা করেছিলেন। পিবিআই নিরপেক্ষ তদন্ত করেনি—দাবি করে ২০২১ সালে নারাজি দিয়েছিলেন সালমান শাহের মা নীলা চৌধুরী। 

    সম্প্রতি সালমান শাহের মৃত্যুকে দীর্ঘদিন ধরে আত্মহত্যা বললেও ২৯ বছর পর হত্যা মামলা করার নির্দেশ দেন আদালত। সেই মামলায় ১১ জন আসামি রয়েছে এবং তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।  

    দীর্ঘ এই সময় ধরে ছেলে হত্যার বিচার চাওয়া সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী যেন এবার একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন, ন্যায়বিচার পেতে যাচ্ছেন তিনি। নীলা চৌধুরী বলেন, খুনের চিহ্ন আর আত্মহত্যার চিহ্ন আলাদা। সেটা তার শরীরেও ছিল। এটি খুন, বোঝাই যাচ্ছিল। প্রমাণও ছিল। সামিরার ঘনিষ্ঠরা পরে তো বলেই দিল— কীভাবে খুন করেছে।

    সালমান শাহের মা বলেন, এটা পরিকল্পিত খুন। ২৯ বছর ধরেই আমি বলে আসছি— আমার ছেলে আত্মহত্যা করার মতো ছেলে নয়। তিনি বলেন, আমরা খবর পাই আমার ছেলে অসুস্থ। কিন্তু আমরা যাওয়ার পর বাসায় ঢুকতে দেওয়া হয়নি, কেন? 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এরপর কয়েকটি প্রশ্ন রেখে নীলা চৌধুরী বলেন, সামিরার মা ৫ সেপ্টেম্বর কেন ঢাকা এসেছিল? ইমনের (সালমান শাহ) বিল্ডিংয়ে মৃত্যুর একদিন আগে একটি গাড়ি আসে, বোরকা পরে সেই গাড়িতে কারা ছিল? আমরা পরে শুনেছি। এগুলো তদন্ত করলে সব বের হয়ে আসবে বলে জানান তিনি।

    নীলা চৌধুরী বলেন, আমার ছেলের সাদা কাপড়ে রক্তের দাগ ছিল। কিন্তু গলায় কোনো দাগ ছিল না। পোস্টমর্টেমের বাহানা করে আমার ছেলের পার্টস কেটে নেওয়া হয়। 

    উল্লেখ্য, সালমান শাহ হত্যা মামলায় ১১ জনকে আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রধান আসামি করা হয়েছে নায়কের সাবেক স্ত্রী সামিরা হক। অন্য ১০ আসামি হলেন প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, খলনায়ক ডন, নায়কের সাবেক শাশুড়ি লতিফা হক লুসি, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, মেফিয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আবদুস সাত্তার, সাজু ও  রেজভি আহমেদ ফরহাদ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ২০২০ সালে সালমান শাহর মৃত্যু নিয়ে যা বলেছিলেন ডন

    ২০২০ সালে অভিনেতা সালমান শাহের ‘রহস্যজনক মৃত্যু’ নিয়ে চাঞ্চল্যকর এক মামলার তদন্তে ইতি টানে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সম্প্রতি সালমান শাহের মৃত্যুর ঘটনায় আবার হত্যা মামলা করার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

    সেই মামলাটি তদন্তের জন্য রমনা থানাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে তার সাবেক স্ত্রী সামিরা হকসহ মোট ১১ জনকে। আসামী করা হয়েছে খলনায়ক ডনকে।

    ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক এ আদেশ দেন। এর ফলে সালমানের পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা করা হয়।

    এর আগে ২০২০ সালে পিবিআই বলেছিল, হত্যা নয়, সালমান শাহ আত্মহত্যা করেছিলেন। সেই সময় পিবিআইয়ের এমন প্রতিবেদন প্রকাশের পর সন্দেহভাজন আসামি খল-অভিনেতা ডন বলেছিলেন, ‘আল্লাহ যা করেন, ভালোর জন্যই করেন। অবশেষে বন্ধুকে হত্যার মিথ্যা অভিযোগ থেকে মুক্ত হলাম।’

    ডন আরও বলেন, ২৪ বছর বুকের ভেতর বন্ধু হত্যার মিথ্যা অপবাদ আমাকে নিয়ে ঘুরতে হয়েছে। আমার যে ক্ষতি হয়েছে, তার পূরণ কিছুতেই হবে না। আমি ধৈর্য ধরে ছিলাম। সত্য কোনো দিন মিথ্যা হয় না। মিথ্যাকেও কোনো দিন জোর করে সত্যি বানানো যায় না বলে জানান এ খল-অভিনেতা।

    ওই সময় এ অভিনেতা আরও বলেন, সালমান শাহ এ দেশের মানুষের কাছে একটি আবেগের নাম। মৃত্যুর এতগুলো বছর পেরিয়েও সে সবার কাছে জীবন্ত কিংবদন্তি। ডন বলেন, আমি বহুবার ভেবেছি, যদি এমন হতো মীরাকল ঘটে গেছে একটা— সালমান ফিরে এসেছে। আবার দুজন সিনেমা করতাম। এ দেশের মানুষ জানত সালমান আমাকে কতটা ভালোবাসে। সালমানের মৃত্যৃর পর আমার অনেক ক্ষতি হয়েছে। সেটি কেবল আমিই জানি। এটা আর কেউ উপলব্ধি করতে পারবে না।

    উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার ইস্কাটনের বাসায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় সালমান শাহের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার অকালমৃত্যু নিয়ে তৈরি হওয়া রহস্যের জট এবার হত্যা মামলার তদন্তের মাধ্যমে খুলবে কিনা, সেদিকেই তাকিয়ে আছে পুরো দেশবাসী। এর আগে সালমান শাহের মৃত্যুর ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত করেনি পিবিআই— দাবি করে ২০২১ সালে নারাজি দিয়েছিলেন তার মা নীলা চৌধুরী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সালমান শাহ হত্যা মামলায় আসামি বাংলা সিনেমার এই ‘ভিলেন’

    আদালতের নির্দেশে চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর ২৯ বছর পর হত্যা মামলা করা হয়েছে। মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে তার সাবেক স্ত্রী সামিরা হকসহ মোট ১১ জনকে।

    সোমবার (২০ অক্টোবর) মধ্যরাতে রাজধানীর রমনা থানায় এ মামলা দায়ের করা হয়।

    আজ (মঙ্গলবার) রমনা জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মো. মাজহারুল ইসলাম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি জানান, এজাহার মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    মামলার এজাহারে বাংলা চলচ্চিত্রের পরিচিত মুখ খলনায়ক ডনকেও আসামি করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এছাড়া সালমান শাহের স্ত্রী সামিরা হক, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুসিসহ আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

    মোট অভিযুক্ত ১১ জনের পাশাপাশি উল্লেখ করা হয়েছে অজ্ঞাতনামা আরো কয়েকজনের নাম।

    অভিনেতা সালমান শাহ হত্যা মামলা পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তার মা নীলা চৌধুরীর রিভিশন আবেদন মঞ্জুর করে এ হত্যা মামলা চলবে বলে ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক এ আদেশ দিয়েছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সালমান শাহের মৃত্যুর ২৯ বছর পর হত্যা মামলা, সামিরাসহ আসামি ১১

    ঢাকাই সিনেমার ক্ষণজন্মা জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহের রহস্যজনক মৃত্যুর ২৯ বছর পর আদালতের নির্দেশে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    সোমবার (২০ অক্টোবর) দিবাগত রাতে স্বপ্নের নায়ক খ্যাত অভিনেতা সালমান শাহের স্ত্রী সামিরা হকসহ ১১ জনকে আসামি করে রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সোমবার আদালতের নির্দেশে সালমান শাহের মৃত্যুর ঘটনায় পুনঃতদন্তের নির্দেশ দেওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই মামলা দায়ের করেন শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন ওরফে সালমান শাহের মামা আলমগীর কুমকুম। 

    মামলার এজাহারে আসামি সামিরা হক ছাড়াও রয়েছেন ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুসি, চলচ্চিত্রের খলনায়ক ডন প্রমুখ। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

    এর আগে, অভিনেতা সালমান শাহ হত্যা মামলা পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তার মা নীলা চৌধুরীর রিভিশন আবেদন মঞ্জুর করে এই হত্যা মামলা চলবে বলে ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক এ আদেশ দিয়েছেন।

    চূড়ান্ত শুনানিতে উল্লেখ করা হয়, সালমান শাহর মৃত্যুর দিন অভিনেতার লাশের বুকের বাম পাশে কালো দাগ ছিল এবং মল ও বীর্যও বের হয়েছিল।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    শুনানিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ঘরে সিরিঞ্জ এবং স্ত্রীর ব্যাগে ক্লোরোফরম ওষুধ পাওয়া যায়। শুধু তাই নয়, অভিনেতার স্বজনদের অভিযোগ পোস্টমর্টেম রিপোর্টে আত্মহত্যার কথা উল্লেখ থাকলেও সিবিআইয়ের তদন্তে দেওয়া তথ্যে রয়েছে বড়সড় গড়মিল।

    অভিযোগগুলো আমলে নিয়ে সালমান শাহর অপমৃত্যুর মামলাকে হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন আদালত। সেই সঙ্গে রমনা থানার ওসি পুনরায় তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়।

    এরআগে, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মাত্র ২৫ বছরে মারা যান সালমান শাহ। অভিনেতার হঠাৎ মৃত্যুকে ‘আত্মহত্যা’ বলে দাবি করেন তার সাবেক স্ত্রী সামিরা হক। তবে সেটি মেনে না নিয়ে অভিনেতার পরিবার আদালতে অভিযোগ করে আত্মহত্যা নয়, সুপরিকল্পিতভাবে সালমান শাহকে হত্যা করা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, সালমান শাহর প্রকৃত নাম ছিল শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন। তার বাবা কমর উদ্দিন চৌধুরী ও মা নীলা চৌধুরী। ক্যারিয়ারের শুরুতে ছোটপর্দায় ‘আকাশ ছোঁয়া’, ‘দোয়েল’, ‘সব পাখি ঘরে ফেরে’, ‘সৈকতে সারস’, ‘নয়ন’ ও ‘স্বপ্নের পৃথিবী’ সহ একাধিক নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি। এছাড়াও তিনি বেশ কিছু বিজ্ঞাপনে কাজ করেছেন। ক্ষণজন্মা এই অভিনেতা মাত্র সাড়ে তিন বছরের অভিনয় ক্যারিয়ারে বাংলা চলচ্চিত্রের দর্শকদের মন জয় করে নিমিষেই খসে পড়েন চলচ্চিত্রের আকাশ থেকে।

    ১৯৯৩ সালে সালমান শাহ অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ মুক্তি পায়। প্রয়াত নির্মাতা সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত সিনেমাটি দেখে মন্ত্রমুগ্ধের মতো আবিষ্কার করল এক নবাগত নায়কের অসাধারণ অভিনয়শৈলী। এমনি করে চলচ্চিত্রপ্রেমীরা প্রেক্ষাগৃহ মুখী হলেন, পরিচালকরা হলেন আস্বস্ত। এমনি করে সুদিন ফিরে আসে বাংলার চলচ্চিত্রে। এরপর আর ফিরে তাকাতে হয়নি অচেনা অজানা সালমানকে। বাংলা চলচ্চিত্রের ত্রাতা হয়ে একে একে উপহার দিলেন দুর্দান্ত ২৭টি সিনেমা। অভিনয়ের জাদু দেখালেন, সবার মন জয় করলেন আবার কাউকে কিছু না-বলে একবুক চাপা অভিমান নিয়ে চলেও গেলেন।

    সালমান শাহ অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে ১৯৯৩ সালে মুক্তি পায় ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’, ‘দেন মোহর’ ও ‘তোমাকে চাই’। ১৯৯৪ সালে মুক্তি পায় ‘বিক্ষোভ’, ‘আনন্দ অশ্রু’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’ এবং ‘বিচার হবে’। ১৯৯৫ সালে মুক্তি পায় ‘জীবন সংসার’, ‘মহামিলন’, ‘স্বপ্নের পৃথিবী’, ‘স্বপ্নের ঠিকানা’ ও ‘এই ঘর এই সংসার’ প্রভৃতি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সালমান শাহ হত্যা মামলার রায় ২০ অক্টোবর

    ‎দেশের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলা নিষ্পত্তির আদেশের বিরুদ্ধে করা রিভিশন মামলার শুনানি শেষে ২০ অক্টোবর রায় ঘোষণার দিন ঠিক করেছেন আদালত।

    সোমবার ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক রায়ের দিন নির্ধারণ করেন। রিভিশনকারী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. ওবায়দুল্লাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান চিত্রনায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার (ইমন) ওরফে সালমান শাহ। এ ঘটনায় প্রথমে অপমৃত্যুর মামলা করেন তার বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী। পরের বছর ২৪ জুলাই ছেলেকে হত্যার অভিযোগে আবার মামলা করেন তিনি। তখন ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত অপমৃত্যু ও হত্যার মামলার একসঙ্গে তদন্ত করতে সিআইডিকে নির্দেশ দেন। তদন্ত শেষে ১৯৯৭ সালের ৩ নভেম্বর ঘটনাটিকে ‘আত্মহত্যা’ বলে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় সিআইডি।

    ওই বছরের ২৫ নভেম্বর ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন গৃহীত হয়। তবে প্রতিবেদনটি প্রত্যাখ্যান করে রিভিশন মামলা করেন কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী। পরে ২০০৩ সালের ১৯ মে মামলাটি বিচার বিভাগীয় তদন্তে পাঠান আদালত। 

    দীর্ঘ ১১ বছর পর ২০১৪ সালের ৩ আগস্ট আদালতে বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন মহানগর হাকিম ইমদাদুল হক। ওই প্রতিবেদনেও সালমান শাহর মৃত্যুকে ‘অপমৃত্যু’ বলা হয়। কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরীর মৃত্যুর পর ছেলে হত্যা মামলার বাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন মা নীলা চৌধুরী। 

    ২০১৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি তিনি সিএমএম আদালতে বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজির আবেদন করেন। সর্বশেষ মামলাটি পিবিআই তদন্ত করে। ২০২০ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিবিআইয়ের পুলিশ পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন। ২০২১ সালের ৩১ অক্টোবর আদালত ওই প্রতিবেদন গ্রহণ করে মামলাটি নিষ্পত্তি করেন। এরপর ২০২২ সালের ১২ জুন এই আদেশের বিরুদ্ধে ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে রিভিশন মামলা করে বাদীপক্ষ।

    রিভিশন মামলায় বলা হয়, সালমান শাহকে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু বারবার তদন্তে তার মৃত্যুকে অপমৃত্যু মামলা হিসেবে বলা হচ্ছে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • সালমান শাহ কত পারিশ্রমিক পেতেন, জানালেন সামিরা

    ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান শাহ এসেছিলেন ধূমকেতুর মতো। যেন তিনি এলেন, দেখলেন, জয় করলেন—আবার চলেও গেলেন। ক্যারিয়ারের মাত্র চার বছরেই নিভে গেল সেই উজ্জ্বল নক্ষত্র। কিন্তু আজও থামেনি তার আলো। আজও সালমান শাহ বাংলা সিনেমার দর্শকহৃদয়ে আবেগের নাম, স্বপ্নের রাজকুমারের মতো জায়গা করে আছেন তিনি।

    ১৯৯২ সালের আগস্টে সোহানুর রহমান সোহানের পরিচালনায় ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হন সালমান শাহ। তার পরের বছর ১০ মার্চ মুক্তি পাওয়া এ সিনেমাটি বদলে দিয়েছিল তার ক্যারিয়ারের জীবন। তিনি হয়ে উঠেছিলেন সারা বাংলার ক্রেজ, হার্টথ্রব নায়ক। সেই সঙ্গে সবচেয়ে দামি নায়কও হয়ে উঠেছিলেন তিনি।

    কত টাকার নায়ক ছিলেন সালমান শাহ?—এমন প্রশ্ন করা হয়তো বোকামি হবে। তবে টাকার মূল্যে সালমানের মেধা, জনপ্রিয়তা এবং মৃত্যুর এত বছর পরও কিংবদন্তি হয়ে তার অমরত্ব পাওয়ার মর্যাদা পরিমাপ করা অবান্তরই বটে। তবু কালজয়ী এই নায়কের সবকিছু নিয়ে কৌতূহল রয়েছে ভক্ত-অনুরাগীদের। সিনেমার বাজারে কেমন চাহিদা ছিল সালমান শাহের? কত টাকা পারিশ্রমিক পেতেন তিনি। আজ শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সালমান শাহের জন্মদিন। এদিনে সেই গল্পটাই জানবেন তার ভক্ত-অনুরাগীরা।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    প্রথম সিনেমায় সালমান শাহ পারিশ্রমিক নিয়েছিলেন ২৫ হাজার টাকা। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন সালমানের সাবেক স্ত্রী সামিরা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, প্রথম সিনেমায় ২৫ হাজার টাকা পারিশ্রমিক নিয়ে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছিল ইমন। সিনেমাটি মুক্তি পেলে আকাশছোঁয়া সাফল্য পায়। জনপ্রিয় হয়ে যায় সালমান-মৌসুমী জুটি। এরপর তার চাহিদা অনুযায়ী পারিশ্রমিক বাড়তে থাকে।

    সামিরা বলেন, ‘তুমি আমার’ সিনেমার জন্য প্রথমবারের মতো এক লাখ টাকা পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন সালমান শাহ। সেই সময় এটা বেশ মোটা অংকের পারিশ্রমিক ছিল। পরে ‘দেনমোহর’ সিনেমায় দেড় লাখ এবং সর্বশেষ ছটকু আহমেদের ‘বুকের ভিতর আগুন’ সিনেমার জন্য ১০ লাখ টাকা পারিশ্রমিক নিয়েছিলেন সালমান শাহ।

    তিনি বলেন, ১০ লাখ টাকা পারিশ্রমিকের মাধ্যমে ইমন হয়ে উঠেছিল ইন্ডাস্ট্রির সবচেয়ে দামি নায়ক। আরও বেশ কিছু সিনেমার জন্য পারিশ্রমিক বাড়ানোর পরিকল্পনা ছিল তার। কারণ তখন ওর কাছে অনেক সিনেমা আসছিল।

    কিন্তু হঠাৎ সব কিছু থেমে গেল ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর, অভিশপ্ত সেই দিনে। পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে গেলেন সবার প্রিয় সালমান শাহ। থেমে যায় সব কাজ। সেই সঙ্গে থমকে দাঁড়ায় অকাল মৃত্যুর রহস্যও।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সালমান শাহকে স্মরণ করে যা বললেন শাকিব খান

    ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর, মাত্র ২৪ বছর বয়সে চিরবিদায় নেন বাংলা সিনেমার অমর নায়ক সালমান শাহ। আজ শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) তার ২৯তম মৃত্যুবার্ষিকী। এই দিনে তাকে স্মরণ করছেন অসংখ্য ভক্ত ও চলচ্চিত্রপ্রেমীরা।

    শুধু ভক্তরাই নন, ঢালিউডের বর্তমান শীর্ষ নায়ক শাকিব খানও সালমান শাহকে স্মরণ করেছেন শ্রদ্ধাভরে। শনিবার দুপুরে নিজের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এসকে ফিল্মস-এর একটি ফটোকার্ড ফেসবুকে শেয়ার করেন তিনি। কোলাজে সাজানো ছিল সালমান শাহের তিনটি ছবি, তাতে লেখা— ‘স্মরণে অমর নায়ক সালমান শাহ।’

    পোস্টের ক্যাপশনে শাকিব লিখেছেন, ‘যেখানেই থাকুন, আপনার আত্মার শান্তি কামনা করছি।’

    শাকিবের এ পোস্ট দেখে ভক্তরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। অনেকে সালমান শাহ ও শাকিব খান— দুই তারকার প্রতিই ভালোবাসা প্রকাশ করেন। একজন মন্তব্য করেন, ‘প্রতিটা ভক্তের হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকবেন প্রিয় অমর নায়ক সালমান শাহ।’

    উল্লেখ্য, সালমান শাহের অকাল মৃত্যু ঢালিউডে এক অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি করে। তার মৃত্যু ঘিরে শুরু থেকেই ধোঁয়াশা রয়ে গেছে— কেউ মনে করেন আত্মহত্যা, আবার কারও দাবি এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। এখনো সেই রহস্য উন্মোচিত হয়নি।

    তবুও তার স্টাইল আজও দর্শকের মনে গেঁথে আছে। মাথায় ব্যান্ডানা, চোখে সানগ্লাস, বাইক চালানো, ঘন কালো চুল আর মায়াবী হাসি— এইসব দিয়েই সালমান শাহ হয়ে উঠেছিলেন তারুণ্যের প্রতীক ও ঢাকাই চলচ্চিত্রের অমর নায়ক।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সালমানের মৃত্যুর পর কেন তার বন্ধুকেই বিয়ে করেন, জানালেন সামিরা

    ঢালিউডের ক্ষণজন্মা জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান শাহর মৃত্যু হয়েছে ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর। সেই সময় এ খবরে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল সারা দেশ। যদিও তার মৃত্যুরহস্য আজও উদ্ঘাটিত হয়নি। তার ভক্ত-অনুরাগী-সমর্থকরা আবার সালমানের মৃত্যুরহস্য নতুন করে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। যদিও ২০২০ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি পুলিশের তদন্ত বিভাগ জানায়, সালমান শাহ আত্মহত্যাই করেছিলেন।

    দীর্ঘ ২৯ বছর পর আবার সালমান শাহকে নিয়ে আলোচনা গোটা দেশ। তবে এবার এ ক্ষণজন্মা অভিনেতার স্ত্রী সামিরা ও তার বন্ধুকে নিয়ে আলোচনা। সম্প্রতি  সালমান শাহর মারা যাওয়ার পর তার স্ত্রী সামিরা সালমানের বন্ধুকে বিয়ে করার ঘটনায় আবার সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। 

    এমন প্রশ্নের জবাবে সালমান শাহর স্ত্রী বলেন, এটা কেমন কথা। আমি সালমান শাহ মারা যাওয়ার পর ওনি, ইফ আই এম নট রং। আপনি যদি রেডিও এফএম-এ যান, আপনি এখনো রেকর্ডটা পাবেন। ওনি বলেছেন যে, সামিরা আমাকে না বলে কেন চলে গেল। ওর বাবা কেন আমার থেকে ওকে নিয়ে গেল। ওকে তো আমি শাহরানের সাথে বিয়ে দিতে পারতাম। 

    সালমানপত্নী বলেন, ওনি যদি ওনার নিজের ছোট ছেলের সাথে আমাকে বিয়ে দিতে চায়, তাহলে আমি কেন তার বন্ধুকে বিয়ে করতে পারব না?

    তিনি বলেন, আর বন্ধুর সাথে বিয়ে করাটা কোনটাই আমার সিদ্ধান্ত ছিল না। এটা আমার বাবা-মায়ের সিদ্ধান্তে বিয়েটা হয়েছে। এটা এরেঞ্জ ম্যারেজ ছিল— লাভ ম্যারেজ ছিল না।

    বিনোদন ডেস্ক