Tag: সালমান শাহ

  • সালমান শাহ হত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিল ফের পেছাল

    ঢালিউডের ক্ষণজন্মা অভিনেতা সালমান শাহকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগে তার স্ত্রী সামিরা হকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৩ জুন দিন ধার্য করেছেন আদালত। 

    বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল না করায় বিচারক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য এ দিন ধার্য করেন।

    ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহর মৃত্যুর পর রমনা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়। তবে গত বছরের ২০ অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক বাদী পক্ষের করা রিভিশন মঞ্জুর করে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। এরপর ২১ অক্টোবর সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন। ১১ আসামির বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।

    সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর অভিযোগ করেছেন, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তার বোন নিলুফার জামান চৌধুরী (নীলা চৌধুরী), বোনের স্বামী কমর উদ্দীন আহমদ চৌধুরী এবং তাদের ছোট ছেলে শাহরান শাহ নিউ ইস্কাটনের বাসায় সালমান শাহর সঙ্গে দেখা করতে যান। সেখানে গিয়ে তারা জানতে পারেন— সালমান ঘুমাচ্ছেন। কিছুক্ষণ পর প্রোডাকশন ম্যানেজার সেলিম ফোন করে জানান, সালমানের কিছু হয়েছে। তখন দ্রুত তারা বাসায় ফিরে দেখেন যে, সালমান শয়নকক্ষে নিথর পড়ে আছেন এবং কয়েকজন বহিরাগত নারী তার হাত-পায়ে তেল মালিশ করছেন। পাশের কক্ষে সারিরার আত্মীয় রুবি বসে ছিলেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিনি বলেন, সালমানের মা চিৎকার করে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার অনুরোধ করেন। পথে তারা সালমানের গলায় দড়ির দাগ এবং মুখমণ্ডল ও পায়ে নীলচে দাগ দেখতে পান। তারা সালমান শাহকে প্রথমে হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল নিয়ে যান। সেখান থেকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান— সালমান শাহ অনেক আগেই মারা গেছেন। সালমানের বাবার মৃত্যুর পর তিনি তার বোনের পক্ষ থেকে মামলাটি পরিচালনা করছেন।

    মোহাম্মদ আলমগীর এজাহারে আরও উল্লেখ করেন, সালমানের বাবা কমর উদ্দীন আহমদ চৌধুরী তার মৃত্যুর আগে ছেলের মৃত্যুকে হত্যা বলে সন্দেহ করে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি দরখাস্ত দাখিল করেন। এতে তিনি রমনা থানার অপমৃত্যু মামলাটি দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণ এবং সিআইডির মাধ্যমে তদন্তের আবেদন জানান।

    মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে কেউ মৃত্যুবরণ করে থাকলে, প্রমাণ সাপেক্ষে তারা মামলার দায় থেকে অব্যাহতি পাবেন। এজাহারনামীয় ও অজ্ঞাতনামা পলাতক আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে পরস্পর যোগসাজশে সালমান শাহকে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

     মামলার আসামিরা হলেন— সালমান শাহর স্ত্রী সামিরা হক, চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, খলঅভিনেতা ডন, লতিফা হক লুছি, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, মে-ফেয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আব্দুস ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ফরহাদ। এ ছাড়া মামলায় অজ্ঞাত আরও অনেককে আসামি করা হয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রেক্ষাগৃহে সালমান শাহর তিন সিনেমা, কোথায় কোনটি চলছে?

    বাংলাদেশি চলচ্চিত্র জগতের জনপ্রিয় এক নায়ক সালমান শাহ।  তিন দশকেরও আগে না ফেরার দেশে পাড়ি জমানো এই অভিনেতাকে নিয়ে ভক্তদের আগ্রহ এখনো যেন সেই আগের মতোই আছে। তার সিনেমাগুলো এখনো প্রায়ই দেশের কোনো না কোনো প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হয়। তারই ধারাবাহিকতায় এবার এই অভিনেতাকে ঘিরে সপ্তাহব্যাপী বিশেষ আয়োজন করেছে পুরান ঢাকার মাল্টিপ্লেক্স লায়ন সিনেমাস। 

    ‘ফিরে দেখি সালমান শাহ’ শিরোনামে আয়োজিত এই উদ্যোগে বড় পর্দায় সালমান শাহ অভিনীত দর্শকপ্রিয় তিনটি সিনেমা দেখানো হচ্ছে। ছবিগুলো হল ‘স্বপ্নের পৃথিবী’, ‘অন্তরে অন্তরে’ ও ‘সত্যের মৃত্যু নেই’। ছবি তিনটির পরিচালক যথাক্রমে বাদল খন্দকার, শিবলী সাদিক ও ছটকু আহমেদ। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এই আয়োজন প্রসঙ্গে এক ভিডিও বার্তায় লায়ন সিনেমাস কর্তৃপক্ষ জানায়, ‘কিছু নায়ক শুধু সিনেমায় আসেন, আর কিছু নায়ক পুরো চিত্রজগৎটাই বদলে দেন। সালমান শাহ তেমনই একজন। তার নাম হয়ে উঠেছিল একটি পুরো প্রজন্মের অনুভূতি। তার বিদায় আজও লাখ লাখ সিনেমাপ্রেমীকে কাঁদায়। লায়ন সিনেমাসে আবারও বড় পর্দায় তার সিনেমা দেখার সুযোগ এসেছে।’ 

    জানা গেছে, বিশেষ এই আয়োজনে প্রতিদিন প্রতিটি চলচ্চিত্রের দুটি করে শো প্রদর্শিত হচ্ছে। এটি ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • সামীরা-ডনসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন পেছাল

    চিত্রনায়ক সালমান শাহকে হত্যার অভিযোগে রাজধানীর রমনা মডেল থানায় দায়ের করা মামলায় তার সাবেক স্ত্রী সামীরা হক ও খলনায়ক ডনসহ ১১ আসামির বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল আবারও পেছাল। আগামী ১৩ জানুয়ারি নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।

    রোববার (৭ ডিসেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালত এ নতুন দিন ধার্য করেন। এদিন প্রতিবেদন দাখিলের সময় থাকলেও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও রমনা মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক আতিকুল ইসলাম খন্দকার কোনো প্রতিবেদন জমা দিতে পারেননি। ফলে আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

    মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন— সামীরা হকের মা লতিফা হক লুছি, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুসি, খলনায়ক ডন, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, রুবী, আ. ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ওরফে ফরহাদ।

    গত ২০ অক্টোবর সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় করা অপমৃত্যুর মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন আদালত। এর পরদিন মধ্যরাতে সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে তার ভাই মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন।

    ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইস্কাটনের বাসা থেকে চিত্রনায়ক সালমান শাহর লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে তার বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেন। ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই ওই মামলা হত্যা মামলা হিসেবে রূপান্তরের আবেদন করা হলে আদালত সিআইডিকে তদন্তের দায়িত্ব দেন।

    ১৯৯৭ সালের ৩ নভেম্বর সিআইডি তদন্ত শেষে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে, যেখানে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলা হয়। ওই বছরের ২৫ নভেম্বর সিএমএম আদালত প্রতিবেদনটি গ্রহণ করলেও কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী তা প্রত্যাখ্যান করে রিভিশন মামলা করেন। পরে ২০০৩ সালের ১৯ মে মামলাটি বিচার বিভাগীয় তদন্তে পাঠানো হয়। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    দীর্ঘ ১১ বছর পর ২০১৪ সালের ৩ আগস্ট বিচার বিভাগীয় তদন্তের প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইমদাদুল হক। ওই প্রতিবেদনেও সালমান শাহর মৃত্যুকে অপমৃত্যু বলা হয়। 

    কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরীর মৃত্যুর পর তার স্ত্রী নীলা চৌধুরী হত্যা মামলার বাদী হন এবং ২০১৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজির আবেদন করেন।

    সর্বশেষ পিবিআই তদন্ত করে ২০২১ সালের ৩১ অক্টোবর আদালত সেই প্রতিবেদন গ্রহণ করে মামলাটি নিষ্পত্তি করেন। পরে ২০২২ সালের ১২ জুন এ আদেশের বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে রিভিশন মামলা দায়ের করা হয়।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • ‘সালমান শাহ বেঁচে থাকলে বলিউডকে টেক্কা দিত ঢালিউড’

    প্রয়াত চিত্রনায়ক সালমান শাহ বেঁচে থাকলে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রি ভারতের বলিউডের চেয়েও এগিয়ে যেত বলে মন্তব্য করেছেন অভিনেত্রী অহনা রহমান।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    অহনা বলেন, ‘সালমান শাহ যদি থাকতেন তাহলে বাংলাদেশের ইন্ডাস্ট্রি বলিউডের চেয়েও এগিয়ে যেত। কারণ একটা ছবি সব সময় সামনে আসে, শাহরুখ খান, গৌরী খান, সালমান শাহ ও তার ওয়াইফ। ওই ছবিটা দেখেই বোঝা যায় সালমান শাহ কী ছিলেন সে সময়।’

    ‘আর তার স্টাইল এখনো নকল করে অনেকে। তার মতো নায়ক বললেই হয়ে যায় না। এত সহজ নয়’-যোগ করেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী।

    অভিনেত্রী অহনা রহমান। ছবি: সংগৃহীত

    অহনা মনে করেন সালমান শাহ বেঁচে থাকলে বলিউডের সঙ্গে এ দেশের ইন্ডাস্ট্রির মেলবন্ধন থাকত।

    তিনি বলেন, ‘চিন্তা করেন তো সালমান শাহ-শাহরুখ একসঙ্গে মুভি করলে কী হতো? বাংলাদেশের আর্টিস্টরা গিয়ে বলিউডে অভিনয় করতেন, বলিউডের আর্টিস্টরা এসে ঢালিউডে সিনেমা করতেন। তাই হতো, কিন্তু তা তো হচ্ছে না, হবে না।’

    ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার ইস্কাটনের বাসায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় সালমান শাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর একে একে থানা-পুলিশ, সিআইডি, র‍্যাব, পিবিআইসহ একাধিক সংস্থা তদন্ত চালায়। সবশেষ আদালতের নির্দেশে তার মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সালমান শাহকে নিয়ে যে সন্দেহ প্রকাশ করলেন প্রসূন আজাদ

    ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসে অমর নায়ক সালমান শাহের মৃত্যুর পর রমনা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়। সেই মামলায় পিবিআই বলেছিল— হত্যা নয়, সালমান শাহ আত্মহত্যা করেছিলেন। পিবিআই নিরপেক্ষ তদন্ত করেনি দাবি করে ২০২১ সালে সালমান শাহের মা নীলা চৌধুরী নারাজি দিয়েছিলেন। 

    গত ২০ অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক বাদীপক্ষের করা রিভিশন মঞ্জুর করে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি করেন সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর। মামলায় সালমান শাহের স্ত্রী সামিরা হক, আজিজ মোহাম্মদ ভাই, খলনায়ক ডনসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

    ক্ষণজন্মা সালমান শাহ মাত্র চার বছরের ক্যারিয়ারে ২৭টি সুপারহিট সিনেমা উপহার দিয়ে কোটি দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন। তার অকাল মৃত্যু মেনে নিতে পারেননি কেউ। প্রায় তিন দশক পর তার অপমৃত্যুর মামলা স্থানান্তরিত হয়েছে হত্যা মামলায়। এরপর থেকেই সরগরম নেটদুনিয়া। সামাজিকমাধ্যমে অভিযোগ-পালটা অভিযোগ করছেন অভিনেতার ভক্ত-অনুরাগীসহ বিনোদন জগতের তারকারা। 

    এদিকে শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্টে অভিনেত্রী প্রসূন আজাদ মন্তব্য করে বলেছেন, সত্যিকার অর্থে সালমান শাহকে কেউ কখনো ভালোবেসেছিল কিনা তার সন্দেহ আছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    প্রসূন আজাদ বলেন, আমার ধারণা— সালমান প্রচণ্ড ডিপ্রেশনে ভুগছিলেন। সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ হওয়া সম্ভব ছিল।  কারণ স্টারদের স্টারডম সবাই ভালোবাসে। তার একাকিত্ব তাতে কমে না।

    সালমান খানের মা নীলা চৌধুরী ও সাবেক স্ত্রী সামিরা হককে অভিযোগের কাঠগড়ায় তুলেছেন অভিনেত্রী। সালমানকে কেউ কখনো নিঃস্বার্থভাবে ভালোবাসেননি উল্লেখ করে প্রসূন আজাদ আরও বলেন, তার মা নীলা চৌধুরী কিংবা স্ত্রী সামিরা কেউ আদৌ নিঃস্বার্থভাবে তার পাশে দাঁড়াতে চেয়েছিল কিনা সন্দেহ রয়েছে। সফলতার চরমতম স্বাদ পাওয়ার পর তারা সব ছেড়ে চলে যায়। 

    উল্লেখ্য, সালমান শাহ হত্যা মামলায় ১১ আসামির মধ্যে প্রধান আসামি করা হয়েছে নায়কের সাবেক স্ত্রী সামিরা হককে। অন্য ১০ আসামি হলেন প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, খলনায়ক ডন, সামিরার মা লতিফা হক লুসি, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, মেফিয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আবদুস সাত্তার, সাজু ও  রেজভি আহমেদ ফরহাদ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সালমানের সঙ্গে কি প্রেম ছিল, যা বললেন শাবনূর

    একসময়ের ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শাবনূর বর্তমানে সিনেমা থেকে দূরে আছেন। এমনকি দেশ ছেড়ে অস্ট্রেলিয়ায় সপরিবারের বসবাস করছেন তিনি। নব্বইয়ের দশকে রুপালি পর্দা কাঁপানো অভিনেত্রী সালমান শাহের সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করে আলোড়ন সৃষ্টি করেন। চার বছরের সংক্ষিপ্ত সময়েই তারা একসঙ্গে ১৪টি সিনেমায় অভিনয় করে বাংলা সিনেমার ইতিহাসে গড়ে তোলেন এক অধ্যায়। সময় গড়িয়ে গেছে, কিন্তু সালমান–শাবনূরের জুটির জনপ্রিয়তা আজও অমলিন রয়েছে।

    দীর্ঘদিন পর সালমান শাহের মৃত্যু কেন্দ্র করে আবার আলোচনায় এলেন শাবনূর। সালমানের মৃত্যুতে তাকে দোষারোপ করা হচ্ছে। এতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান অভিনেত্রী। সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শাবনূর বলেন, সালমান শাহ আর আমাকে নিয়ে অনেক কথা হয়েছে। তাদের উদ্দেশে শুধু বলব— এসবের কোনো কথাই সত্য নয়। সালমানের কোনো বোন ছিল না, তাই আমাকে ছোট বোনের মতোই দেখতেন। আমাকে ‘পিচ্চি’ বলে ডাকতেন। তার মা-বাবাও আমাকে খুব আদর করতেন, মেয়ের মতোই ভালোবাসতেন বলে জানান অভিনেত্রী।

    তিনি বলেন, আমিও সালমানকে ভাইয়ের মতোই দেখতাম। তবে আমাদের মধ্যে ছিল দারুণ বন্ধুত্ব। সালমান নাচে একটু দুর্বল ছিল। প্রায়ই বলতেন—আমাকে একটু নাচ দেখিয়ে দে তো। আমি হাসতে হাসতে দেখিয়ে দিতাম।

    সালমান–শাবনূরের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল—এ প্রসঙ্গে শাবনূর বলেন, কিছু মানুষ আমাদের সম্পর্ক নিয়ে নানা মুখরোচক গল্প বানিয়েছে। কেউ কেউ সেটি দিয়ে ব্যবসাও করেছে। এতে আমার কষ্ট হয়েছে। কারণ আমি আমার ক্যারিয়ারটা অনেক কষ্ট করে গড়েছি। অথচ সালমানকে আমি ভাই ছাড়া অন্য কোনো চোখে দেখিনি।

    সালমানের সাবেক স্ত্রী সামিরা হক সম্পর্কে অভিনেত্রী বলেন, সামিরা আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিল। শুটিংয়ে প্রায় সবসময়ই সে থাকত। আমাদের মধ্যে কখনো কোনো মনোমালিন্য হয়নি। সামিরা নিজে আমার হাতে চুড়ি পরিয়ে দিয়েছে, পোশাক মিলিয়ে দিয়েছে, কানের দুল বেছে দিয়েছে—আমরা সত্যিই খুব ভালো সময় কাটিয়েছি।

    সালমানের মৃত্যুর সংবাদ পাওয়ার মুহূর্তটিকে জীবনের সবচেয়ে বড় ধাক্কা বলে মনে করেন শাবনূর— হঠাৎ কেউ একজন জানাল— সালমান মারা গেছে। আমি বিশ্বাসই করতে পারিনি। ভেবেছিলাম কেউ মজা করছে। পরে নিশ্চিত হয়ে পুরোপুরি ভেঙে পড়েছিলাম। এরপর এফডিসিতে গিয়ে ওকে শেষবার দেখি।

    শাবনূর বলেন, সালমান যদি বেঁচে থাকত, বাংলা চলচ্চিত্রের চেহারাটা আজ ভিন্ন হতো। যেমন উত্তম কুমার আর সুচিত্রা সেনের জুটি এখনো কিংবদন্তি, আমরা হয়তো তেমনভাবেই জায়গা করে নিতে পারতাম।  তিনি বলেন, যদি কোনো দিন সালমানের সঙ্গে দেখা হতো, আমি তাকে জিজ্ঞেস করতাম— সালমান, তুমি কেন মরে গেলে? তোমার কী কষ্ট ছিল? এত সাফল্য, এত ভালোবাসা থাকা সত্ত্বেও কেন তুমি চলে গেলে?’

    এদিকে সালমান-শাবনূরের সম্পর্ক ভাইবোনের মতো ছিল বলে জানিয়েছেন সেই সময়ের সালমান শাহের সহকারী মনসুর আলী । তিনি বলেন, আমি সাড়ে চার বছর সালমান ভাইয়ের সঙ্গে ছিলাম। তাদের প্রেমের সম্পর্কের বিষয়ে কিছুই জানি না। বরং ভাই সব নায়িকাকেই সম্মান করতেন। শাবনূরকে প্রথম দেখেই বলেছিলেন—আমার তো কোনো বোন নেই, তুমি আমার ছোট বোনের মতো।

    উল্লেখ্য, এফডিসিতে মৌসুমীর সঙ্গে সালমানের শুটিং চলাকালীন শাবনূরের প্রথম দেখা হয়েছিল। পরে ‘তুমি আমার’ সিনেমায় সালমানের সঙ্গে কাজের সুযোগ হয় শাবনূরের। সেই সিনেমার সাফল্যের পর দর্শকরা তাদের নতুন জুটিকে ভালোবাসতে শুরু করেন। শাবনূর বলেন, আমাদের বোঝাপড়াটা ছিল অসাধারণ, একই দৃশ্যে আমরা একে অন্যের চোখের ইশারা বুঝতে পারতাম।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সামিরাকে বিয়েতে রাজি করাতে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন সালমান!

    বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসে এক অমর নাম সালমান শাহ। মাত্র চার বছরের ক্যারিয়ারে কোটি দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন তিনি। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তার আকস্মিক মৃত্যু এখনো রয়ে গেছে রহস্যে ঘেরা। তাকে ঘিরে নতুন করে আলোচনার ঝড় তুলেছেন অভিনেতার সাবেক স্ত্রী সামিরা হক। 

    তার দাবি, সালমান শুধু আত্মহত্যা করেছেন তাই নয়, বিয়ের আগেও তিনি একাধিকবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। এর মধ্যে একবার সামিরাকে বিয়েতে রাজি করানোর জন্যও আত্মহত্যার চেষ্টা করেন এই জনপ্রিয় নায়ক।

    ২০২৪ সালের সালমান শাহর জন্মদিন উপলক্ষে গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সামিরা জানান, ইমন (সালমান শাহ) মানসিকভাবে আত্মহত্যাপ্রবণ ছিল। আমাদের বিয়ের আগেই সে তিনবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন- একবার মায়ের সঙ্গে ঝগড়া করে, একবার আমাকে বিয়েতে রাজি করানোর জন্য, আরেকবার অন্য এক ঘটনায়। সামিরার দাবি অনুযায়ী, এসব ঘটনার রেকর্ড মেট্রোপলিটন হাসপাতালসহ কয়েকটি হাসপাতালে রয়েছে। 

    সালমান শাহ ও সামিরা হক ১৯৯২ সালে বিয়ে করেন। সাক্ষাৎকারে সামিরা আরও জানান, সালমানের শৈশব ও পারিবারিক জীবনে নানা মানসিক আঘাত ছিল, যা তার মনের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। 

    তিনি বলেন, ইমন অনেক কিছু দেখে বড় হয়েছে, যা ওর দেখার কথা ছিল না। সেই মানসিক চাপ থেকে ও কখনও বেরোতে পারেনি। এখন যেমন কাউন্সেলিং বা রিহ্যাবের সুযোগ আছে, তখন এসব ছিল না। তাই ওর ভেতরের কষ্টগুলো কেউ বুঝতে পারেনি।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সম্প্রতি, প্রায় ২৯ বছর পর নতুন করে মামলার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক নীলা চৌধুরীর আবেদনের পর এই আদেশ দেন। সালমানের পরিবারের দাবি, পিবিআইয়ের আগের তদন্ত ছিল পক্ষপাতমূলক এবং অসম্পূর্ণ। 

    প্রসঙ্গত, মাত্র ২৫ বছর বয়সে ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার ইস্কাটনের নিজ বাসায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় সালমান শাহর লাশ উদ্ধার করা হয়। এর পর থেকে পুলিশ, সিআইডি, র‌্যাব ও পিবিআইসহ বিভিন্ন সংস্থা তদন্ত চালালেও রহস্যের সমাধান হয়নি। নব্বইয়ের দশকে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’, ‘অন্তরে অন্তরে’, ‘স্বপ্নের পৃথিবী’সহ পরপর হিট সিনেমা উপহার দিয়ে দেশের চলচ্চিত্রে রোমান্টিক হিরোর নতুন যুগের সূচনা করেছিলেন সালমান শাহ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আইয়ুব বাচ্চুর গান গেয়ে ভাইরাল সালমান শাহ হত্যার আসামি ডন

    ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার ইস্কাটনের বাসায় ঢালিউডের ক্ষণজন্মা অভিনেতা সালমান শাহের লাশ উদ্ধার করা হয়। তার অকালমৃত্যু নিয়ে তৈরি হওয়া রহস্যের জট এবার হত্যা মামলায় রূপ নিয়েছে। সেই মামলায় সালমান শাহের সাবেক স্ত্রী সামিরা, আজিজ মোহাম্মদ ভাই, ডনসহ ১১ জন আসামি রয়েছে এবং তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন আদালত। এর মধ্যে গ্রেফতারের মাঝে ব্যান্ড তারকা প্রয়াত আইয়ুব বাচ্চুর গান গেয়ে সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছেন ঢালিউডের খল-অভিনেতা আশরাফুল হক ডন।  

    আদালতের নির্দেশে মামলার সব আসামির দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারির পর থেকেই আবারও ডনের নাম ঘুরছে আলোচনার কেন্দ্রে। দ্রুতই আসামিদের গ্রেফতারের পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। ইমিগ্রেশন পুলিশকেও সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে গুঞ্জন— ডন নাকি দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। তবে সেই গুজব উড়িয়ে দিয়েছেন খল-অভিনেতা নিজেই। ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে ডন জানিয়েছেন, পালানোর প্রশ্নই আসে না। প্রয়োজনে তিনি আইনের কাছে আত্মসমর্পণ করবেন।

    তবে তার এই আত্মসমর্পণের ঘোষণার চেয়েও বেশি আলোচনায় এসেছে প্রয়াত সংগীতশিল্পী আইয়ুব বাচ্চুর একটি গান। সম্প্রতি ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে ডনের গাওয়া আইয়ুব বাচ্চুর জনপ্রিয় গান ‘এখন অনেক রাত’। 

    একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, ঘরোয়া পরিবেশে মাইক্রোফোন হাতে গানটি গাইছেন তিনি। মুহূর্তেই ভিডিওটি সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে গানটি কয়েক লাখ ভিউ ছাড়িয়ে গেছে। এক নেটিজেন লিখেছেন— খলনায়ক হয়েও কণ্ঠে দারুণ মাধুর্য। আরেক নেটিজেন লিখেছেন—গানটা শুনে পুরোনো দিনের কথা মনে পড়ে গেল।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ডনের কণ্ঠে গান শুনে প্রশংসার পাশাপাশি নেটিজেনরা সমালোচনাও করেছেন। ‘সালমান শাহের খুনি’ আখ্যা দিয়ে দ্রুত তাকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন। কেউ কেউ লিখেছেন, গান গাইছেন ভালো, তবে এবার কারাগারে বসে গাওয়ার প্রস্তুতি নিন।

    উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালের ৬ ডিসেম্বর রহস্যজনকভাবে মারা যাওয়া সালমান শাহের মৃত্যু আত্মহত্যা বলে জানিয়েছিল পিবিআই। এর আগে এ ঘটনায় পিবিআই বলেছিল— হত্যা নয়, সালমান শাহ আত্মহত্যা করেছিলেন। পিবিআই নিরপেক্ষ তদন্ত করেনি দাবি করে ২০২১ সালে নারাজি দিয়েছিলেন সালমান শাহের মা নীলা চৌধুরী। সম্প্রতি সালমান শাহের মৃত্যুকে দীর্ঘদিন ধরে আত্মহত্যা বললেও ২৯ বছর পর হত্যা মামলা করার নির্দেশ দেন আদালত।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ট্রেন্ডিংয়ে সালমান শাহ হত্যা মামলা, আলোচনায় সামিরা-ডনও

    ঢাকাই সিনেমার অমর নায়ক সালমান শাহ। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তিনি পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেন। তার রহস্যময় মৃত্যু আজও কোটি ভক্তের কাছে এক হাহাকার হয়ে আছে। দীর্ঘদিন ধরে সালমান শাহের মাসহ পরিবারের সদস্যরা দাবি করে আসছিলেন, নায়ককে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু সেটিকে অপমৃত্যু মামলায় বারবার আত্মহত্যা বলেই দেখানো হয়েছে।

    অবশেষে গেল ২০ অক্টোবর সালমান শাহের মৃত্যুর ঘটনায় পুনঃতদন্তের নির্দেশ দেন আদালত। তখন থেকেই সারা দেশে আবারও আলোচনায় উঠে আসেন সালমান শাহ। নতুন করে আলোচ্য হয়ে উঠে তার মৃত্যু। আদালতের নির্দেশের ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন সালমান শাহের মামা আলমগীর কুমকুম। মামলার এজাহারে প্রথম আসামি হিসেবে নাম রয়েছে সালমানের সাবেক স্ত্রী সামিরা হকের। এছাড়াও রয়েছেন ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুসি, চলচ্চিত্রের খলনায়ক ডনসহ আরো কয়েকজন। মোট অভিযুক্ত ১১ জনের পাশাপাশি উল্লেখ করা হয়েছে অজ্ঞাতনামা আরো কয়েকজনের নাম।

    সেই থেকে বাংলাদেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ট্রেন্ডিংয়ের শীর্ষে রয়েছে চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলা। নানা তথ্য উপাত্ত ঘেঁটে দেখা যায়, ২০ অক্টোবর দিনভরই বাংলাদেশে গুগল ট্রেন্ডিংয়ের এক নম্বরে ছিলেন সালমান শাহ। ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত প্রায় কয়েক লক্ষ মানুষ সালমান শাহকে নিয়ে গুগলে সার্চ করেছেন। তাদের আগ্রহের মধ্যে রয়েছে সালমান শাহের মৃত্যু, সালমান শাহ হত্যা, সালমান শাহ হত্যা মামলা, সালমান শাহের মৃত্যুর রহস্য, সালমান শাহের সিনেমা, গান ও ক্যারিয়ারের নানা বিষয়াদি।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এর পাশাপাশি সালমান শাহের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এমন ব্যক্তিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি খোঁজা হয়েছে নায়কের সাবেক স্ত্রী সামিরা হককে। এরপরই আছেন অভিনেতা ডন ও সালমান শাহের মা নীলা চৌধুরী। যথাক্রমে শাবনূর, আজিজ মোহাম্মদ ভাই, মৌসুমীও সমানভাবে আগ্রহের কেন্দ্রে আছেন। লোকজন সালমান-সামিরার প্রেম, বিয়ে, বিচ্ছেদ, তাদের সংসার জীবন ও সন্তান বিষয়ক নানা তথ্যের পাশাপাশি শাবনূরের সঙ্গে সালমানের প্রেম ও সম্পর্ক নিয়েও অনেক তথ্য জানতে চেয়েছেন। নায়িকা মৌসুমীর সঙ্গে সালমানের সম্পর্ক, সিনেমা নিয়েও আগ্রহ দেখাচ্ছেন অনেকে। সালমান শাহের ছোট ভাইকে নিয়েও অনেকে জানতে চেষ্টা করেছেন গেল এক সপ্তাহে।

    কিছু বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, দেশ হিসেবে বাংলাদেশ থেকেই সালমান শাহ সংশ্লিষ্ট সর্বাধিক খোঁজ করা হয়েছে। এরপর আছ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ওমান, সৌদি আরব, কাতার, অস্ট্রেলিয়া।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    আর বাংলাদেশের মধ্যে এই বিষয়ে সবচেয়ে বেশি আগ্রহী সালমান শাহের জন্মস্থান সিলেট বিভাগের মানুষ। এরপর যথাক্রমে বরিশাল, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, ঢাকা, খুলনার মানুষ আগ্রহী হয়ে সালমান শাহকে ট্রেন্ডিংয়ে রেখেছেন।

    বয়সভেদে দেখা গেছে ২১-৪০ বছর বয়সি নেট ইউজাররা সালমান শাহ ও তার মৃত্যু রহস্য নিয়ে বেশি কৌতুহলী। আর তার মধ্যে পুরুষের সংখ্যা বেশি।

    সালমান শাহের মৃত্যুর ঘটনা চিত্র জগতে দীর্ঘকাল ধরে একটি গোপন রহস্য হিসেবে ছিল। ১৯৯৬ সালে সালমান শাহের অকাল মৃত্যু সমগ্র বিনোদন জগতকে শোকের মধ্যে ফেলে দিয়েছিল। সেই শোক আজও বুকে বয়ে বেড়াচ্ছেন ভক্তরা। পুত্রকে অকালে হারিয়ে আজও শোকে কাতর সালমানের মা নীলা চৌধুরী। মূলত তাদের আগ্রহ আর প্রচেষ্টাতেই দীর্ঘদিন পর সালমানের মৃত্যুর ঘটনাটি অপমৃত্যু থেকে হত্যা মামলায় রুপ নিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই পট পরিবর্তনই জনসাধারণের কৌতূহল আরও বাড়িয়েছে সালমান ও তার মৃত্যুকে নিয়ে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    আইনজীবী এবং অপরাধ বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই মামলা শুধু বিনোদন জগতের নয় দেশের বিচার ব্যবস্থার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ একটি পরীক্ষা। মামলার প্রমাণ, সাক্ষী এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য সঠিকভাবে বিচারককে উপস্থাপন করা হলে এ থেকে একটি পরিষ্কার রায় আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ভক্ত এবং অনুরাগীরা সোশ্যাল মিডিয়ায় নিয়মিত এ ব্যাপারে তাদের মতামত প্রকাশ করছেন। অনেকেই চাইছেন যে সত্য উদঘাটিত হোক এবং অপরাধীরা দণ্ডিত হোক। অনলাইনে হ্যাশট্যাগ, মন্তব্য এবং শেয়ার চলমান এই আলোচনাকে আরও তীব্র করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের উচ্চমাত্রার জনচাহিদা বিচার ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা ও কৌতূহলকে প্রমাণ করছে।

    মামলার অগ্রগতি, আসামিদের অবস্থান এবং তদন্ত সংক্রান্ত সংবাদ এখন দেশের সকল গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্ল্যাটফর্মে শীর্ষে রয়েছে। বিশেষ করে গত এক সপ্তাহে এই বিষয়টি সংবাদ এবং অনলাইন ট্রেন্ডে শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করবেন অভিনেতা ডন

    ক্যারিয়ারের শীর্ষ সময়েই রহস্যজনকভাবে মৃত্যুবরণ করেছিলেন দেশের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহ। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইস্কাটনের নিজ বাসা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি প্রথমে ‘আত্মহত্যা’ হিসেবে দেখানো হলেও পরিবার দাবি করে আসছে-এটি একটি পরিকল্পিত হত্যা।

    প্রায় তিন দশক পর সেই মামলার তদন্তে নতুন মোড় এসেছে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সম্প্রতি ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক বাদীপক্ষের রিভিশন আবেদন মঞ্জুর করে মামলাটিকে হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশের পর ২১ অক্টোবর রমনা থানায় সালমান শাহর মামা আলমগীর কুমকুম নতুন করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

    মামলায় মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে সালমানের সাবেক স্ত্রী সামিরা হকসহ রয়েছেন অভিনেতা ডনও। খল চরিত্রে অভিনয় করে চলচ্চিত্রে পরিচিতি পেয়েছেন এই অভিনেতা।

    এদিকে মামলার আসামি অভিনেতা ডন জানিয়েছেন, তিনি শিগগিরই পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করবেন। ডন বলেন, ‘সবাই বলছে আমি নাকি পালিয়ে বেড়াচ্ছি। ৩০ বছর পালাইনি, এখন পালাব কেন? আমি বাসাতেই আছি। ভাবছি দু-এক দিনের মধ্যেই পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করব। কারণ ৩০ বছর ধরে যন্ত্রণা ভোগ করছি। এর একটা সুরাহা হওয়া দরকার।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অন্যদিকে সালমানের সাবেক স্ত্রী সামিরা হক বরাবরই হত্যার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। গত বছর এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‌‘সালমান আত্মহত্যা করেছেন এটা আমার দোষ নয়। এর আগে সে তিনবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিল।’

    তবে আদালতের নতুন নির্দেশের পর থেকে সামিরার কোনো নতুন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    চলচ্চিত্রজগতে একসময় সালমান শাহ ও ডন ছিলেন ঘনিষ্ঠ বন্ধু। সেই বন্ধুত্ব এখন অনেকের কাছেই প্রশ্নবিদ্ধ। প্রায় ২৯ বছর পর মামলাটি আবারও আলোচনায় আসায় সালমান শাহর ভক্তদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। তাদের প্রত্যাশা এবার যেন প্রকৃত হত্যাকারীদের মুখোশ উন্মোচিত হয়।

    এদিকে, মামলার আসামিদের দেশত্যাগে বাধা দিতে পুলিশ ইতিমধ্যেই ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের কাছে তাদের তথ্য পাঠিয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক