Tag: সালমান খান

  • সালমানকে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আজও আফসোস করেন আমিশা প্যাটেল

    একসময়ের বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী আমিশা প্যাটেল এখন সিনেমায় অনেকটাই অনিয়মিত। তবে সিনেমায় তাকে দেখা না গেলেও সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে রয়েছে তার সরব উপস্থিতি। সম্প্রতি বলিউড বাবলের এক সাক্ষাৎকারে অজানা কথা প্রকাশ করলেন অভিনেত্রী। বললেন সালমান খানের ‘তেরে নাম’ সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব পাওয়ার পরও তিনি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। যেখানে ভাইজান নিজে তাকে সিনেমার গল্প বলেছিলেন, কিন্তু তিনি একটি কারণে প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন।

    ‘তেরে নাম’ সিনেমাটি পরিচালনা করেছিলেন সতীশ কৌশিক। অভিনেতা হিসেবে সবাইকে হাসানো সতীশ এ সিনেমার মাধ্যমে অনেককে কাঁদিয়েছেন। এ সিনেমায় সালমান খান ছাড়াও ছিলেন অভিনেত্রী ভূমিকা চাওলা, অভিনেতা রবি কিষাণ। এটি তামিল সিনেমা ‘সেতু’-এর হিন্দি রিমেক ছিল।

    এর আগে ২০০৩ সালে ভাইজানের ‘তেরে নাম’ সিনেমাটি খুবই জনপ্রিয় হয়েছিল। সেই সিনেমায় সালমানের রাধে চরিত্রটি খুবই হিট হয়েছিল। এতে তার সঙ্গে ভূমিকা চাওলা কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। পর্দায় তাদের জুটি খুবই হিট হয়েছিল। অথচ সালমান খান প্রথমে আমিশা প্যাটেলকে প্রধান চরিত্রে চেয়েছিলেন।

    আমিশা প্যাটেল বলেন, ইশ, আমি যদি প্রস্তাব ফিরিয়ে না দিতাম। কিন্তু সেই সময়ে যখন সালমান প্রস্তাব দিয়েছিলেন, তখন কেবল গানগুলো তৈরি হয়েছিল এবং এটি ছিল সিনেমার ধারণা ও গল্প। 

    অভিনেত্রী বলেন, ভাইজান আমাকে গল্পটি বলেছিলেন, গানগুলোও শুনিয়েছিলেন। তখন তারিখ ঠিক ছিল না এবং কে পরিচালনা করবেন তাও জানা ছিল না। সালমান ‘তেরে নাম’ নিয়ে খুব উত্তেজিত ছিলেন। যখন সবকিছু চূড়ান্ত হলো, তখন সতীশ কৌশিক জি যুক্ত হলেন এই প্রজেক্টে। ততদিনে আমি অন্য প্রজেক্টে ব্যস্ত হয়ে পড়ি।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    আমিশা প্যাটেল বলেন, সিনেমাটি অনেক পরিচালকের কাছে গিয়েছিল। কিছুই চূড়ান্ত ছিল না এবং একজন অভিনেতা হিসেবে আমি তাদের সময় দিতে পারিনি। যদি সালমান আমাকে নির্দিষ্ট তারিখ ও নির্দিষ্ট পরিচালকের বিবরণসহ প্রস্তাব দিতেন, তবে আমি সিনেমাটি করতাম। তিনি বলেন, আমি ‘তেরে নাম’ সিনেমার মতো একটি সিনেমা ফিরিয়ে দিতাম না। সিনেমাটি কত সুন্দর ছিল এবং আমার গল্পটি খুব পছন্দ হয়েছিল। আমার গানগুলো খুব পছন্দ হয়েছিল। তাই হ্যাঁ, এটা আমার ক্ষতি হয়েছে।

    উল্লেখ্য, আমিশা প্যাটেল বর্তমানে কোনো সিনেমার সঙ্গে যুক্ত নেই। তবে এর আগে ২০২৩ সালে ‘গদর ২’ সিনেমার মাধ্যমে সানি দেওলের সঙ্গে একটি ব্লকবাস্টার সিনেমা উপহার দিয়েছিলেন। সেই সিনেমায় তিনি আবার সখিনা চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। ভক্তরা তাকে আবার সেই রূপে দেখে ভীষণ খুশি হয়েছিলেন। তারা সিং ও তার জুটি ‘গদর ২’-কে সেই বছরের সর্বোচ্চ উপার্জনকারী সিনেমাগুলোর মধ্যে একটি ছিল। এরপর ২০২৪ সালে অভিনেত্রীকে ‘তওবা তেরা জলওয়া’-তে দেখা গিয়েছিল, যা তেমন সফল হয়নি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রথমবার এক সিনেমায় সালমান-নয়নতারা, শুরু হলো শুটিং

    বলিউড সুপারস্টার সালমান খান এবং দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার ‘লেডি সুপারস্টার’ নয়নতারা একসঙ্গে তাদের নতুন সিনেমার কাজ শুরু করেছেন। মুম্বাইয়ের গোরেগাঁওয়ে সিনেমাটির শুটিং শুরু হয়েছে। আপাতত ছবিটির নাম রাখা হয়েছে ‘এসভিসি ৬৩’। 

    সিনেমাটি পরিচালনা করছেন জনপ্রিয় নির্মাতা ভামশি পেডপাল্লি। 

    শনিবার (১৮ এপ্রিল) একটি বিশেষ পূজা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই প্রজেক্টটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। উল্লেখ্য, এ সিনেমার মাধ্যমেই পরিচালক পেডপাল্লি এবং অভিনেত্রী নয়নতারা—উভয়ের সঙ্গেই প্রথমবার স্ক্রিন শেয়ার করতে যাচ্ছেন সালমান খান। 

    সিনেমাটির প্রথম ধাপের শুটিং হচ্ছে গোরেগাঁওয়ের এসআরপিএফ গ্রাউন্ডে। ‘ভ্যারাইটি ইন্ডিয়া’র তথ্যমতে, সেখানে একটি জনাকীর্ণ শহরের আদলে বিশাল সেট তৈরি করা হয়েছে। মুম্বাইসহ ভারতের বিভিন্ন শহরে টানা তিন মাস এ সিনেমার শুটিং চলবে বলে জানা গেছে। এই দীর্ঘ শিডিউলে সালমানের বেশ কিছু হাইভোল্টেজ অ্যাকশন দৃশ্যের শুটিং করবেন পরিচালক পেডপাল্লি। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    নির্মাতা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬ সালের আগস্ট-সেপ্টেম্বরের মধ্যে ছবিটির শুটিংয়ের মূল অংশের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নিয়েছে তারা। সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সালের ঈদে বড় পর্দায় মুক্তি পাবে বিগ বাজেটের এ সিনেমাটি। 

    সালমান ও নয়নতারা ছাড়াও এ ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা যাবে ‘রোজা’ খ্যাত অভিনেতা অরবিন্দ স্বামী এবং অনিল কাপুরকে। পরিচালক ভামশি পেডপাল্লি এর আগে ‘ইয়েভাদু’ (২০১৪), ‘মহর্ষি’ (২০১৯) এবং ‘বারিসু’ (২০২৩)-এর মতো ব্লকবাস্টার সিনেমা উপহার দিয়েছেন। 

    বর্তমানে নতুন এ সিনেমার পাশাপাশি যুদ্ধভিত্তিক ছবি ‘মাতৃভূমি’ নিয়েও ব্যস্ত সময় পার করছেন সালমান। অপূর্ব লাখিয়া পরিচালিত এ সিনেমায় এই অভিনেতার বিপরীতে চিত্রাঙ্গদা সিংকে দেখা যাবে। 

    বলিউড হাঙ্গামা জানিয়েছে, আগে সিনেমাটি একটি বাস্তব ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত ছিল। কিন্তু প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে গল্প নতুনভাবে সাজানো হয়েছে। ৪০ শতাংশ শুটিং করা হয়েছে নতুনভাবে। সে কারণে অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছিয়ে গেছে মাতৃভূমির মুক্তির দিনক্ষণ। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • সালমানের প্রশংসায় বলিউড অভিনেত্রী

    শুটিং সেটে ‘ভাইজান’-এর প্রশংসায় পঞ্চমুখ বলিউড অভিনেত্রী চিত্রাঙ্গদা সিং। অভিনেতা সালমান খানকে নিয়ে কাজ করা যে কোনো অভিনেত্রীর জন্যই বিশেষ কিছু বলে জানিয়েছেন তিনি। তার ক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম নয়। ‘মাতৃভূমি’ সিনেমার শুটিং করতে গিয়ে সালমানের কর্মনিষ্ঠা ও সাধারণ মানুষের প্রতি তার ভালোবাসা দেখে মুগ্ধ হয়েছেন অভিনেত্রী। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এমন কথাই বলেছেন চিত্রাঙ্গদা সিং।

    ‘মাতৃভূমি’ সিনেমার শুটিং অভিজ্ঞতা চিত্রাঙ্গদার জন্য কেবল কাজ নয়, বরং সালমান খানের মানবিকতা এবং পেশাদারত্বকে কাছ থেকে দেখার এক স্মরণীয় সুযোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানান এ অভিনেত্রী।

    তিনি বলেন, সালমান তার টিমের প্রতিটি মানুষের খুব খেয়াল রাখেন। বিশেষ করে সবাইকে খাওয়ানো তার অন্যতম প্রিয় কাজ। নাস্তার বিরতি থেকে শুরু করে দুপুরের কিংবা রাতের খাবার—সবাই ঠিকমতো পাচ্ছে কিনা, সেদিকে তার কড়া নজর থাকে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন
     

    চিত্রাঙ্গদা বলেন, সালমানের আসলে কোনো ছুটির দিন নেই। তিনি সারাক্ষণ সিনেমাটি কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, তা ভিএফএক্স হোক কিংবা ফ্রেমের ছোট কোনো অংশ— তা নিয়ে ভাবেন। 

    তিনি বলেন, একদিন আমার একটি খুব আবেগঘন দৃশ্যের শুটিং ছিল। সেখানে সালমানের থাকার কোনো দরকার ছিল না। কিন্তু শুধু আমার সংলাপের সঠিক প্রতিক্রিয়া দিতে তিনি সেটে চলে এসেছিলেন। শিল্পের প্রতি এই নিবেদন সত্যিই শেখার মতো।

    শুটিং সেটে সালমানকে কোনো বড় তারকার চেয়ে বরং সাধারণ কর্মীদের সঙ্গে বেশি আড্ডা দিতে দেখা যায় বলেও জানিয়েছেন চিত্রাঙ্গদা সিং। তিনি বলেন, সালমান সেটের লাইট বয় থেকে শুরু করে সবার সঙ্গেই খুব সহজভাবে মেশেন। চিৎকার-চেঁচামেচি করে কাজ করানোয় তিনি বিশ্বাসী নন। বরং সেটের পরিবেশ আনন্দদায়ক রাখতেই তিনি বেশি পছন্দ করেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আশা ভোসলের শেষকৃত্য যে কারণে এড়িয়ে গেলেন শাহরুখ-সালমান

    বিনোদন জগতের সংগীতাঙ্গনের প্রয়াত কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোসলের শেষকৃত্যে উপস্থিত ছিলেন বলিউডের অনেক তারকা। আশা পারেখ থেকে শুরু করে মিস্টার পারফেকশনিস্ট অভিনেতা আমির খান, রণবীর সিংসহ আরও অনেকেই। তবে গায়িকার শেষকৃত্যে দেখা যায়নি ভাইজানখ্যাত অভিনেতা সালমান খান, বাদশাহ শাহরুখ খানকে। তা নিয়েই শুরু হয়েছে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে জোর গুঞ্জন।

    মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্কে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন হয় আশার শেষকৃত্য। পরিবার, বন্ধু, সিনেমা জগতের বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ও রাজনৈতিক মহলের উপস্থিতিতে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয় তাকে। সেই অনুষ্ঠানে ছিলেন না শাহরুখ ও সালমান। মুম্বাইয়ে ছিলেন তারা, কেন তাদের দেখা যায়নি, তা নিয়ে নেটিজেনদের মাঝে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    একটি সূত্র জানিয়েছে, দুজনেই সেই সময় মুম্বাইয়ে থাকার পরও প্রয়াত কিংবদন্তিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে জেতে পারেননি ভিন্ন একটি কারণে। আর সেটি ভিড় ও নিরাপত্তার অভাববোধ থেকেই তারা শেষকৃত্যে উপস্থিত হননি। ভিড়ের মধ্যে তাদের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বলে সূত্রের দাবি।

    যদিও অনুষ্ঠানে যোগ না দিলেও দুই অভিনেতাই আলাদা করে সামাজিক মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। শাহরুখ খানের পোস্টে ফুটে উঠেছে গভীর আবেগ। তিনি আশাকে ভারতীয় সিনেমার অন্যতম স্তম্ভ হিসেবে উল্লেখ করেন। অন্যদিকে সালমান খানও আশা ভোসলের মৃত্যুতে ‘অপূরণীয় ক্ষতি’ বলে শোক প্রকাশ করেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে কারণে দুই রুমের ফ্ল্যাটে থাকেন সালমান খান

    বলিউড ভাইজান সালমান খান ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম শীর্ষ আয়কারী অভিনেতা। সিনেমাপ্রতি কোটি কোটি টাকা পারিশ্রমিক নেন। তার উপর রিয়েলিটি শো ‘বিগ বস’-এর একটি সিজন থেকেই এক বছরের সমান আয় করেন তিনি। 

    এত বড় অঙ্কের আয় সত্ত্বেও এখনো এই অভিনেতা একটি দুই বেডরুমের অ্যাপার্টমেন্টে থাকেন। কিন্তু কেন?এ বিষয়ে একবার এক সাক্ষাৎকারে মুখ খুলেছিলেন সালমান। 

    ২০০৪ সালে দেওয়া সেই সাক্ষাৎকারটিতে দুই রুমের ফ্ল্যাটে থাকা প্রসঙ্গে অভিনেতা জানিয়েছিলেন, যদি ভবিষ্যতে তার ক্যারিয়ার থেকে সাফল্য চলে যায়, তাহলে অন্তত এই দুই বেডরুমের ফ্ল্যাটটি তার থেকে যাবে। 

    সাক্ষাৎকারটি ছিল ২০০৪ সালের ছবি ‘মুঝসে শাদি করোগি’-এর সেট থেকে। 

    ওই সাক্ষাৎকারে সালমান তার বহুল জনপ্রিয় ‘তেরে নাম’ এবং ‘করণ অর্জুন’ ছবি দুটি নিয়েও কথা বলেছিলেন। সালমান বলেছিলেন যে, ‘তেরে নাম’ ছবিতে তিনি আসলে কিছুই করেননি। পুরোটাই ছিল পরিচালক এবং চিত্রনাট্যের কাজ। তিনি শুধু একটি পরচুলা পরে এদিক-ওদিক তাকাচ্ছিলেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    আর ছবির দ্বিতীয়ার্ধে তিনি কিছুই বলেননি। শুধু মুখ বিষন্ন করে তাকিয়ে ছিলেন। 

    এরপর এই অভিনেতা ‘করণ অর্জুন’ নিয়েও কথা বলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, এই ছবিতেও তিনি কিছুই করেননি। অন্যেরা তার হয়ে কাজ করেছেন। কিন্তু এই ছবির জন্যও তিনি প্রশংসা পেয়েছিলেন। 

    অভিনেতা এটাও স্বীকার করেন যে, কখনো কখনো তিনি কঠোর পরিশ্রম করেন কিন্তু প্রশংসা পান না। আবার কখনো কঠোর পরিশ্রম না করেও মানুষ তার ব্যাপক প্রশংসা করে। 

    সামনে সালমানকে ‘মাতৃভূমি’ ছবিতে দেখা যাবে। সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ছবিটির ৪০ শতাংশ শুটিং পুনরায় করা হয়েছে। তবে বর্তমানে এর মুক্তি নিয়ে নতুন কোনো খবর প্রকাশ করা হয়নি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আইনি জটিলতায় আবারও ফাঁসলেন সালমান

    বলিউড অভিনেতা সালমান খান রাজশ্রী এলাচ নিয়ে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। জেলা কমিশন আদালতের আদেশ অমাননার অভিযোগে ৭২ ধারা অনুযায়ী ভাইজানের বিরুদ্ধে জামিনযোগ্য পরোয়ানা জারি করেছে। এর পাশাপাশি তার উপস্থিতি নিশ্চিত করতে একটি স্পেশাল টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

    সালমান খান এ সিদ্ধান্তকে রাজস্থান স্টেট কনজিউমার কমিশনে চ্যালেঞ্জ করেছেন। তবে গত ১৬ মার্চ রাজ্য কমিশন তার আবেদন খারিজ করে দিয়ে জেলা কমিশনের সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে।

    মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সালমান খানের আইনজীবী ন্যাশনাল কনজিউমার ডিসপুটস রেড্রেসাল কমিশনে (এনসিডিআরসি) দাবি করেছেন যে, জয়পুর ভোক্তা কমিশন তার মক্কেলের প্রতি অন্যায় করেছে। তাদের অভিযোগ— সঠিকভাবে নোটিশ বা আদেশের কপি না দিয়েই অভিনেতা সালমান খানের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    আইনজীবী যোগেন্দ্র বাডিয়াল জয়পুর জেলা ভোক্তা কমিশনে অভিযোগ দায়ের করে আরও দাবি করেন যে, ‘রাজশ্রী ইলাইচি’ আসলে এলাচের নামে পান-মসলার প্রচার করছে। এ অভিযোগের ভিত্তিতে গত ৬ জানুয়ারি জেলা কমিশন একতরফা অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেয়, যেখানে ‘রাজশ্রী ইলাইচি’-র ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর সালমান খানসহ অন্যদের এমন বিজ্ঞাপন বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

    বার অ্যান্ড বেঞ্চের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযোগকারী দাবি করেন যে, কমিশনের নির্দেশ সত্ত্বেও সালমান খানের সঙ্গে যুক্ত একটি হোর্ডিং এখনো প্রদর্শিত হচ্ছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৫ জানুয়ারি প্রথম শুনানিতেই জেলা কমিশন সালমান খানের বিরুদ্ধে জামিনযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে।

    কিন্তু সালমান খানের পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী রবি প্রকাশ বলেন, এই আদেশ সম্পর্কে তাদের কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি এবং তারা কোনো নোটিশও পাননি। তিনি আরও বলেন, আদেশের সরকারি কপি না পেলে সেটি লঙ্ঘনের অভিযোগ কীভাবে আনা যায়? অফিসিয়াল কপি পাওয়ার আগেই বিষয়টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছিল।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সালমান খানের অজানা গল্প শোনালেন এক ভক্ত

    পর্দায় যেমন, ঠিক বাস্তবজীবনেও তার মানবিকতার গল্প কম নয়। ২০০৭ সাল থেকে তার ‘বিইং হিউম্যান’ ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে তিনি অসংখ্য মানুষের চিকিৎসা ও শিক্ষার দায়িত্ব নেন। সম্প্রতি কর্নাটকের বাসিন্দা রিনা রাজু নামে এক নারী সেই অভিনেতার মহানুভবতার এক অজানা গল্প শুনিয়েছেন।

    সেই নারী তার জীবনগল্প জানিয়েছেন, তার প্রথম হার্ট ট্রান্সপ্ল্যান্টের সময় অত্যন্ত কঠিন এক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাওয়ার পরিণতির কথা। সেই সময় তিনি সালমান খানকে একটি মেসেজ করেছিলেন। 

    রিনা রাজু বলেন, অবাক করার বিষয় হলো— সালমান তখন অস্ট্রেলিয়ায় শুটিংয়ে ব্যস্ত থাকলেও সেই রাতেই তাকে ফোন করেন। তিনি বলেন, সালমান টানা দুই ঘণ্টা আমার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন এবং আমাকে সাহস জোগান। একজন সুপারস্টার হয়েও তিনি যেভাবে আমার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, তা ভাবাই যায় না।   

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    কারণ অনেক আগে রিনা রাজু ভাইজানকে সাইকেলের ব্যাপারে একটি মেসেজ পাঠিয়েছিলেন, যা অভিনেতা মনে রেখেছিলেন। অসুস্থতা নিয়েও রিনা যাতে মানসিকভাবে সুস্থ থাকেন, সে জন্য সালমান তাকে তার ‘রেস ৩’ সিনেমার শুটিং সেটে নিয়ে যান। সেখানে তারা পুরো দিন একসঙ্গে কাটান। রিনা রাজু বলেন, সালমানের ব্যক্তিত্ব অত্যন্ত দয়ালু এবং তিনি সবসময়ই তার প্রতি সুরক্ষামূলক ছিলেন।

    আজও যখনই তিনি স্বাস্থ্য সমস্যায় ভোগেন, সালমান তাকে মেসেজে উৎসাহিত করেন। রিনার ভাষায়, সালমান খান সত্যিই একজন দুর্লভ মানুষ।

    এর আগে ২০১৮ সালে রিনা রাজুর দ্বিতীয়বার হার্ট প্রতিস্থাপন করা হয়। এরপর মুম্বাইতে সালমানের বাড়িতে তার সঙ্গে সরাসরি দেখা করার সুযোগ হয় রিনার। সাধারণত সৌজন্য সাক্ষাৎ হওয়ার কথা থাকলেও সালমান তাকে পুরো সময় দেন। শুধু তাই নয়, রিনার শরীরচর্চার সুবিধার জন্য সালমান তাকে একটি সাদা রঙের ‘বিইং হিউম্যান’ সাইকেল উপহার দিয়েছিলেন। বর্তমানে রিনা রাজু সুস্থ আছেন। এবং ‘লাইট আ লাইফ’ নামে একটি ফাউন্ডেশন চালান তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সেটে বসেই মদপান করতেন সালমান!

    ‘ভাইজান’খ্যাত অভিনেতা সালমান খানকে একটা সময় ডাকা হতো বলিউডের ‘ব্যাড বয়’ বলে। ‘বিবি হো তো অ্যায়সি’ সিনেমা থেকে বড়পর্দায় অভিনয়ের সফর শুরু করেছিলেন তিনি। এরপর ‘ম্যায়নে পেয়ার কিয়া’, ‘বাগী’র মতো সিনেমায় কাজ করেন সালমান খান।

    ‘পাত্থর কে ফুল’ সিনেমায় রাভিনা টেন্ডনের সঙ্গে জুটি বেঁধেছিলেন ভাইজান। আর এ সিনেমার মধ্য দিয়ে অভিনেত্রীও অভিনয়ের সফর শুরু করেছিলেন। সফল হয়েছিল সেই জুটি। সিনেমাটি প্রশংসাও কুড়িয়েছিল। 

    সেই সিনেমার সেটে মদপান করতেন সালমান খান, এমনটা বলে অভিযোগ করেন পরিচালক বিবেক বাসওয়ানি। এরপর সালমানের সঙ্গে আর কোনো সিনেমা করেননি পরিচালক। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অতীত অভিজ্ঞতার কথা জানালেন সেই সিনেমার পরিচালক। কেন আর সালমান খানের সঙ্গে কাজ করেননি, তাও জানিয়েছেন তিনি।

    শুটিং চলাকালীন সেটে কিছু নিয়মকানুন মেনে চলতেই হবে। তবেই তিনি কাজ করবেন—এমন কিছু শর্ত রয়েছে তার। শুটিং সেটে মদপান বা অনিয়ম করা মোটেই সমর্থন করেন না তিনি। তবে কি সালমান শুটিং সেটে মদপান করতেন?

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সে প্রসঙ্গ উঠতেই পরিচালক বলেন, আমি এমন পরিবেশে কাজ করতে পারি না, যেখানে মদপান করা হয়। মানুষ একই সঙ্গে কাজ করবে আর মদপান করবে— সেটি হতে পারে না। আমি পারি না এভাবে কাজ করতে।

    সালমান খান মদপান করতেন কিনা, তা সরাসরি বলেননি বিবেক বাসওয়ানি। তবে আকার-ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি। সঞ্জয় লীলা বানসালি ও সুরজ বরজাতিয়ার মতো পরিচালকের সঙ্গে একেবারে অন্য রূপ দেখা যায় সালমানের। সেই পরিচালকদের সিনেমার সেটে সালমান নিয়মকানুন মেনে চলতেন। ভাইজানের এই রূপ পছন্দ বিবেকের। 

    এমন নিয়মকানুন মেনে চললে তবেই সালমানের সঙ্গে কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন বিবেক বাসওয়ানি। তিনি বলেন, বানসালি ও সুরজ বরজাতিয়ার সঙ্গে সালমান খুব পেশাদার ও নিয়ম মেনে চলেন। নিজের সেরা কাজটা করে দেন। বড়মাপের পরিচালক বলেই তাদের সঙ্গে অন্য রূপ থাকে সালমানের।

    পরিচালকদের তারকা সালমানকে প্রয়োজন নেই, তারা অভিনেতা সালমানকে দিয়ে কাজ করাতে চান। বিবেকেও এমনটিই চান। সালমানের অভিনয় সত্তাকেই কাজে লাগাতে চান বলে জানান এ পরিচালক। ক্ষোভপ্রকাশ করেই বিবেক বলেন, আমি বেনিয়ম চাই না। শুটিং শুরু হওয়ার কথা সকাল ৯টায়। সেই জায়গায় বিকাল ৪টায় উপস্থিত হলে চলবে না। এটা কিছুতেই মেনে নেওয়া যায় না।

    সালমান নাকি সিনেমার চিত্রনাট্য নিজেই পালটে দেন। শুটিং হওয়ার পরও বদল আনার চেষ্টা করেন তিনি। এমন অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। কিন্তু ‘পাত্থর কে ফুল’ সিনেমার চিত্রনাট্য লিখেছিলেন ভাইজানের বাবা সেলিম খান। তাই সেই সিনেমায় কোনো বদল আনেননি সালমান।

    খান পরিবারের সঙ্গে সুসম্পর্কও আছে পরিচালকের। সেলিম খানের বাড়িতে প্রায়ই চিত্রনাট্য নিয়ে আলোচনা করতে যেতেন তিনি। স্মৃতিচারণ করে বিবেক বলেন, চিত্রনাট্য নিয়ে আলোচনা করতে প্রায়ই সেলিম খানের বাড়িতে যেতাম। ওদের বাড়ির খাওয়াদাওয়া অসাধারণ। কী অসাধারণ আপ্যায়ন করতেন। সালমা কাকিমা, হেলেন কাকিমা, সোহেল, আরবাজকে আমি খুব ভালোবাসতাম। অর্পিতা তখন খুব ছোট বলে জানান পরিচালক।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এক বাড়িতেই থাকতেন সালমান ও ক্যাট, দাবি পাক অভিনেত্রীর

    নিজেদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে কখনই প্রকাশ্যে মান্যতা দেননি বলি ভাইজানখ্যাত অভিনেতা সালমান খান ও অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ। তবে ক্যাটরিনার কর্মজীবনে সালমানের অবদানের কথা ইন্ডাস্ট্রিতে সবার জানা। যদিও তাদের সম্পর্ক বেশি দিন টেকেনি। তাদের বিচ্ছেদ হয় ২০১২ সালে। ‘এক থা টাইগার’ সিনেমায় কাজ করার সময়েই এমন ঘটনা ঘটে। পরে ভিকি কৌশলকে বিয়ে করেন ক্যাটরিনা কাইফ। সালমান খান থেকে যান এখনো অবিবাহিত। এখন আবার নতুন করে আলোচনায় ক্যাটরিনা-সালমানের প্রেমকাহিনি।

    ক্যাটরিনা যখন প্রথম বিদেশ থেকে মুম্বাইয়ে আসেন, তখন থেকেই সালমানের সঙ্গে সখ্যতা ছিল তার। অভিনেত্রী ২০০৫ সালে ‘ম্যায়নে পেয়ার কিউ কিয়া’ সিনেমার সময় থেকেই সেই বন্ধুত্ব ঘনিষ্ঠতায় রূপ নেয়। 

    ভাইজানের সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙার পর অভিনেতা রণবীর কাপুরের সঙ্গেও সম্পর্কে ছিলেন অভিনেত্রী। তবে এখন সবই অতীত। ক্যাটরিনা আপাতত ঘোরতর সংসারী, ভিকি কৌশলের ঘরনি। 

    তবে এর মধ্যেই সালমান খান ও ক্যাটরিনা কাইফকে নিয়ে পাকিস্তানের অভিনেত্রী আরজুমান্দ রহিমের বক্তব্য সামাজিক মাধ্যমে‘ভাইরাল’ হয়েছে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    আরজুমান্দের একটি ভিডিও ঘুরছে নেটদুনিয়ায়। সেখানে ক্যাটরিনা ও সালমান সম্পর্কে নানা কথা বলতে শোনা গেছে অভিনেত্রীকে। ভাইজানের বাড়িতে নৈশভোজের আমন্ত্রণে গিয়ে ক্যাটরিনার সঙ্গে সাক্ষাতের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন তিনি। পাক-অভিনেত্রীর দাবি, সালমান ও ক্যাটরিনা একসঙ্গেই থাকতেন সেই সময়ে। তিনি সালমানের অনুরাগী ছিলেন। তবে ব্যক্তিগতভাবে আলাপ করার পর সালমানকে আরও ভালো করে চিনতে পারেন তিনি। 

    আরজুমান্দ বলেন, সালমান খুবই দয়ালু, ভালো মনের মানুষ। সর্বোপরি সবাইকে সম্মান করতে জানেন। তার বাড়িতেই ক্যাটরিনার সঙ্গে দেখা হয়। তিনিও খুব ভালো মানুষ। কথাবার্তা খুব ভালো। দুজনেই খুব আন্তরিক। আমাকে খুব সুন্দর করে স্বাগত জানান। এত বড় তারকা, তবু তাদের ব্যবহার এমন সরল, যা অবাক করে দেয়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আন্ডারওয়ার্ল্ডের চাপের মুখে ছিলেন বলিউডের তিন খান!

    বলিউডের প্রভাবশালী কোরিওগ্রাফার ও নির্মাতা ফারাহ খান সম্প্রতি নব্বইয়ের দশকের হিন্দি চলচ্চিত্র শিল্পের অন্ধকার দিকগুলো নিয়ে মুখ খুলেছেন। জনপ্রিয় পডকাস্টার রণবীর এলাহাবাদিয়ার সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তিনি সেই সময়ের আন্ডারওয়ার্ল্ডের প্রভাব এবং করণ জোহরের ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’ সিনেমার প্রিমিয়ার চলাকালীন এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতার স্মৃতিচারণ করেন।

    ফারাহ জানান, নব্বইয়ের দশকে চলচ্চিত্র শিল্পে অপরাধ জগতের ব্যাপক প্রভাব ছিল। তিনি ১৯৯৩-৯৪ সালের একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করেন, যখন চলচ্চিত্র প্রযোজক মুকেশ দুগলকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল।

    স্মৃতিচারণ করে ফারাহ বলেন, ‘আমি তখন একটি সিনেমার সেটে ছিলাম। মুকেশ দুগলের মৃত্যুর খবর আসার পর পুরো ইন্ডাস্ট্রিতে এক ধরনের ভীতি ছড়িয়ে পড়েছিল। পরিবেশটা খুবই বিপজ্জনক ছিল।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    পডকাস্ট চলাকালীন রণবীর এলাহাবাদিয়া জানতে চান, তৎকালীন শীর্ষ তারকা শাহরুখ খান, সালমান খান এবং আমির খানকেও কি আন্ডারওয়ার্ল্ডের চাপের মুখে পড়তে হয়েছিল? ফারাহ এর উত্তরে সরাসরি ‘হ্যাঁ’ বলেন।

    বিশেষ করে ১৯৯৮ সালের ব্লকবাস্টার ছবি ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’-র কথা উল্লেখ করে ফারাহ বলেন, ‘সিনেমাটির প্রিমিয়ারের সময় করণ জোহরকে আন্ডারওয়ার্ল্ড থেকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ ছিল যে, আমরা দীর্ঘক্ষণ আলোচনায় বসেছিলাম যে প্রিমিয়ারটি আদৌ করা উচিত হবে নাকি বাতিল করা হবে।’

    ফারাহর মতে, আশির দশক ছিল হিন্দি সিনেমার জন্য সবচেয়ে দুর্বল সময়। তিনি বলেন, ‘আমি যখন কলেজে পড়তাম, তখন ভালো মানের কাজ না হওয়ায় আমার বন্ধুরা হিন্দি ছবি বাদ দিয়ে হলিউডের ছবি দেখত।’ তবে নব্বইয়ের দশকে কাজের মান উন্নত হলে তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আন্ডারওয়ার্ল্ডের প্রভাবও বেড়েছিল বলে মন্তব্য করেন ফারাহ।

    বিনোদন ডেস্ক