Tag: সালমান খান

  • ‌‘সালমান ক্যামেরার দিকে তাকালেই ম্যাজিক ঘটে’

    সেটে বলিউড অভিনেতা সালমান খানের উপস্থিতি তাকে হলিউড তারকা উইল স্মিথের কথা মনে করিয়ে দেয়। তার মতোই ভাইজানের মধ্যেও রয়েছে সহজাত তারকাসুলভ আচরণ বলে জানিয়েছেন পরিচালক আদিল।

    শুক্রবার (২১ আগস্ট) প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলেছে বহু প্রতীক্ষিত আন্তর্জাতিক অ্যাকশন থ্রিলার সিনেমা ‘৭ ডগস’। এ সিনেমায় ভাইজানখ্যাত অভিনেতা সালমান খান ও বর্ষীয়ান অভিনেতা সঞ্জয় দত্তের পাশাপাশি রয়েছেন ইতালীয় অভিনেত্রী মনিকা বেলুচ্চিও। 

    সম্প্রতি এ সিনেমার মরক্কো-বেলজিয়ান পরিচালক জুটি আদিল এল আরবি ও বিলাল ফালাহ এক সাক্ষাৎকারে সালমানের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে নেন। ভাইজানকে নিয়ে তারা প্রশংসায় পঞ্চমুখ।

    পরিচালক আদিল বলেন, সেটে সালমানের উপস্থিতি তাকে হলিউড তারকা উইল স্মিথের কথা পর্যন্ত মনে করিয়েছে। ক্যামেরা তার দিকে তাক করলেই যেন কিছু ‘ম্যাজিক’ ঘটে যায়। অদ্ভুত ব্যাপার ঘটে।

    সালমান খুব দ্রুত বুঝতে পারেন, একটি দৃশ্যের প্রয়োজন ঠিক কী। সেটি নিখুঁতভাবে করার পর নিজের মতো করে আরও অনেক কিছু যোগ করেন। আদিলের কাছে সেই অভিজ্ঞতা অনেকটা অভিনয় প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে গিয়ে চলচ্চিত্র তৈরি শেখার মতো।

    অন্যদিকে আরেক পরিচালক বিলালের অভিজ্ঞতাও একই রকম। তিনি বলেন,  শুটিংয়ের সময়ে সালমান অনেক সময়ে এমন এক-দুটি সংলাপ যোগ করতেন, যা পরে সম্পাদনার সময়ে নতুন করে নজরে আসত। পরিচালক বলেন, ছোট্ট একটি মুহূর্তকেও স্মরণীয় করে তোলার ক্ষমতা রয়েছে সালমানের।

    ‘৭ ডগস’ সিনেমাটির বাজেট প্রায় চার কোটি ডলার। আরব অঞ্চলের অন্যতম ব্যয়বহুল ছবিগুলোর মধ্যে এটি একটি। সৌদি আরবের রিয়াদে এ সিনেমার বড় অংশের শুটিং হয়েছে। লড়াই, স্টান্ট ও বিস্ফোরণের ওপরেও বিশেষ জোর দিয়েছেন নির্মাতারা।

    সিনেমাটির বড় আকর্ষণগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো— একটি বিস্ফোরণ, যা গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে জায়গা করে নিয়েছে। ‘৭ ডগস’ সিনেমায় দেখানো বিস্ফোরণটিকে চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ‘বিস্ফোরণ’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সালমানকে প্রশংসায় ভাসালেন পাকিস্তানি গায়ক

    বলিউডের ভাইজানখ্যাত অভিনেতা সালমান খানের জনপ্রিয়তা শুধু ভারতেই সীমাবদ্ধ নয়, বিদেশেও তার জনপ্রিয়তা রয়েছে। তা বহুবার প্রমাণিত। বিশেষ করে পাকিস্তানেও ভাইজানের বিপুল জনপ্রিয়তা রয়েছে। 

    ভারত-পাকিস্তানের সম্পর্ক যেমনই হোক না কেন, পড়শি দেশেও রয়েছে সালমান খানের ফ্যান ফলোয়ার। সম্প্রতি এবার সেই উন্মাদনার কথাই তুলে ধরলেন পাকিস্তানি গায়ক মুস্তাফা জাহিদ। তার দাবি, সালমান খান যদি কখনো লাহোরে আসেন, তাহলে তাকে দেখতে এত মানুষ ভিড় করবেন যে, সরকারকে সেদিন পাবলিক হলিডে ঘোষণা করতে হবে। সম্প্রতি ফারিদুন শাহরিয়ারের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে বলিউড তারকাদের পাকিস্তানে জনপ্রিয়তা প্রসঙ্গে তিনি এমন মন্তব্য করেন। 

    এর আগে ২০০৭ সালে ‘জান্নাত’ ও ‘আওয়ারাপন’ সিনেমার জন্য বলিউড অভিনেতা ইমরান হাশমি পাকিস্তানে গিয়েছিলেন। সেই সময়ও অভিনেতার প্রতি সে দেশের মানুষের বিপুল ভালোবাসা দেখা গিয়েছিল।

    সালমান খান প্রসঙ্গে মুস্তাফা জাহিদ বলেন, ‘আমি সবসময় মজা করে বলি— সালমান যদি লাহোরে আসেন, এত মানুষ একসঙ্গে জড়ো হয়ে যাবেন যে, সরকারকে হলিডে ঘোষণা করতে হবে। পাকিস্তানে শিল্পীদের প্রতি মানুষের আলাদা ভালোবাসা রয়েছে। রাজনৈতিক পরিস্থিতির বাইরে গিয়ে মানুষ সালমানকে ভালোবাসেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বলিউডের বেশ কিছু জনপ্রিয় গানের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে মুস্তাফা জাহিদের নাম। ২০০৭ সালে ইমরান হাশমির ‘আওয়ারাপন’ সিনেমার জন্য তার গাওয়া ‘তেরে মেরা রিস্তা’ ও ‘তো ফির আও, মুঝকো সতাও’ গানগুলো ব্যাপক জনপ্রিয় হয়েছিল।

    ‘আওয়ারাপন ২’মুক্তির জন্য প্রস্তুত। যদিও এ সিনেমায় গান গাওয়ার সুযোগ মুস্তাফা পাননি। তবে সম্প্রতি মাত্র দুদিনে প্রায় ২৫ হাজার মানুষ তাকে মেসেজ করে ‘আওয়ারাপন’-এর স্মৃতি শেয়ার করে নিয়েছেন। অনেকেই জানিয়েছেন, ‘আওয়ারাপন ২’-এ তারা তার কণ্ঠ মিস করবেন।

     ‘আওয়ারাপন’ ছাড়াও মুস্তাফা জাহিদ ‘আশিকি ২’, ‘এক ভিলেন’, ‘মার্ডার ২’ ও ‘রাগিনী এমএম ২’ সিনেমায় গান গেয়েছেন। বর্তমানে তিনি পাকিস্তানি সিনেমা ও মিউজিক ভিডিওর জন্য গান গাওয়া এবং লেখার কাজ করছেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • মনিকা বেলুচ্চির সঙ্গে এক সিনেমায় সালমান-সঞ্জয় জুটি

    গ্লোবাল অ্যাকশন থ্রিলার চলচ্চিত্র ‘সেভেন ডগস’-এর হিন্দি ভাষায় অফিশিয়াল ট্রেলার বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) প্রকাশ পেল। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক এই অ্যাকশন সিনেমায় দুই ভারতীয় তারকা সালমান খান ও সঞ্জয় দত্তকে দেখা যাবে। আর এর মাধ্যমে প্রায় দুই যুগ পর আবারও রুপালি পর্দায় একসঙ্গে হাজির হবেন সালমান-সঞ্জয় জুটি। 

    বৃহস্পতিবার সালমান খান নিজেই তার অফিশিয়াল ইনস্টাগ্রামে আন্তর্জাতিক মানের এই সিনেমার ট্রেলারটি ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, সিনেমায় তাদের উপস্থিতি শুধু স্বল্প সময়ের জন্য নয়, বরং গল্পের একটি বড় অংশজুড়ে রয়েছে তাদের ভূমিকা। 

    ‘সেভেন ডগস’-এর মূল গল্প আবর্তিত হয়েছে মিশরের দুই খ্যাতিমান অভিনেতা আহমেদ এজ এবং করিম আবদেল আজিজকে কেন্দ্র করে। তবে ছবিটির বৈশ্বিক আবেদনের অন্যতম বড় কারণ এর বিশাল আন্তর্জাতিক কাস্ট। 

    ভারত থেকে সালমান খান ও সঞ্জয় দত্তের পাশাপাশি এতে আরও অভিনয় করেছেন মনিকা বেলুচ্চি (ইউরোপ), জিয়ানকার্লো এস্পোসিটো (হলিউড), মার্টিন লরেন্স, তারা এমাদ, নাসের আল-কাসাবি ও ম্যাক্স হুয়াংয়ের মতো খ্যাতনামা আন্তর্জাতিক তারকারা। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    হলিউডের সুপারহিট ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘ব্যাড বয়েজ ফর লাইফ’ ও ‘ব্যাড বয়েজ: রাইড অর ডাই’-এর সফল পরিচালক জুটি আদিল এল আরবি এবং বিলাল ফাল্লাহ ছবিটি পরিচালনা করেছেন। ছবিটির মূল ধারণা ও সহ-চিত্রনাট্য তৈরি করেছেন তূর্কি আল-শেখ।

    জানা যায়, ‘সেভেন ডগস’ নামের একটি আন্তর্জাতিক অপরাধচক্র এবং তাদের তৈরি ‘পিংক লেডি’ নামের বিপজ্জনক এক নতুন মাদককে কেন্দ্র করে এগিয়েছে সিনেমাটির গল্প। পুরো ছবিটি মূলত আরবি ও ইংরেজি ভাষায় নির্মিত হলেও বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় এটি মুক্তি দেওয়া হবে।

    ছবিটির শ্বাসরুদ্ধকর অ্যাকশন ও স্টান্ট সিকোয়েন্স ডিজাইন করেছে বিশ্বখ্যাত অ্যাকশন কোম্পানি ৮৭ইলেভেন, যারা জনপ্রিয় ‘জন উইক’ ফ্র্যাঞ্চাইজির অ্যাকশনের জন্য পরিচিত। পুরো অ্যাকশন কোরিওগ্রাফির দায়িত্বে রয়েছেন প্রখ্যাত স্টান্ট ডিজাইনার স্টিফেন ডানলেভি, যিনি ‘ম্যাড ম্যাক্স: ফিউরি রোড’ এবং ‘জন উইক’-এর মতো সিনেমায় কাজ করেছেন। 

    সৌদি আরবের ‘জেনারেল এন্টারটেইনমেন্ট অথরিটি’ এবং ‘রিয়াদ সিজন’-এর সহযোগিতায় ছবিটি প্রযোজনা করেছে সেলা স্টুডিওস। বিশাল ক্যানভাস ও চোখধাঁধানো অ্যাকশনে নির্মিত এই বৈশ্বিক থ্রিলারটি গত ২৭ মে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তি পেয়েছে এবং আগামী ২১ আগস্ট ভারতের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রতারণার মামলায় সালমান ও তার বোনকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ

    ‘বিয়িং হিউম্যান’ জুয়েলারি ব্র্যান্ডের একটি শোরুম নিয়ে কোটি টাকার প্রতারণার মামলায় বলিউড অভিনেতা সালমান খান, তার বোন আলভিরা খান অগ্নিহোত্রী এবং ‘স্টাইল অ্যান্ড কনটেন্ট জুয়েলারি প্রাইভেট লিমিটেড’-এর পরিচালকদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছে ভারতের চণ্ডীগড়ের একটি জেলা আদালত। খবর ইন্ডিয়া টুডের। 

    আগামী ৫ অক্টোবর সব আসামিকে আদালতে সশরীরে হাজির হয়ে অভিযোগের লিখিত জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চণ্ডীগড়ের ব্যবসায়ী অরুণ গুপ্তার দায়ের করা এক মামলার ভিত্তিতে আদালত এই সমন জারি করেন। 

    অভিযোগে বলা হয়েছে, মনিমাঝরায় ‘বিয়িং হিউম্যান’ জুয়েলারির একটি শোরুম খোলার বিনিময়ে তাকে মোটা অঙ্কের লাভের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে কোনো ব্যবসায়িক সহায়তা না পাওয়ায় তিনি কয়েক কোটি রুপির আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন। 

    অরুণ গুপ্তার দাবি, ‘বিয়িং হিউম্যান’ জুয়েলারির বিপণনকারী সংস্থা ‘স্টাইল অ্যান্ড কনটেন্ট জুয়েলারি প্রাইভেট লিমিটেড’-এর সঙ্গে চুক্তি করার পর তিনি প্রায় ৩ কোটি রুপি বিনিয়োগ করেন। এর মধ্যে কেবল শোরুম তৈরিতেই খরচ হয়েছিল প্রায় ১ কোটি। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    শোরুম চালু হওয়ার পর চুক্তি অনুযায়ী কোনো ব্যবসায়িক সাহায্য মেলেনি বলে অভিযোগ করেছেন ওই ব্যবসায়ী। এমনকি ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে গয়না সরবরাহের দায়িত্বে থাকা মূল কেন্দ্রটি বন্ধ থাকায় শোরুমের ইনভেন্টরি ও ব্যবসা পুরোপুরি বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। 

    প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগে আকৃষ্ট করতে সালমান খানের উপস্থিতি ও ব্র্যান্ড প্রচারের বিষয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে তাকে বিনিয়োগে প্রলুব্ধ করা হয়েছিল বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। 

    এদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করে সংশ্লিষ্ট সংস্থাটি জানিয়েছে, ২০১৮ সালে চণ্ডীগড়ের ব্যবসায়ীর সঙ্গে চুক্তিতে সালমান খানের কোনো প্রত্যক্ষ ভূমিকা ছিল না। 

    তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালে ‘সালমান খান ফাউন্ডেশন’ জুয়েলারি ব্যবসার জন্য ‘স্টাইল অ্যান্ড কনটেন্ট জুয়েলারি প্রাইভেট লিমিটেড’-কে তাদের ব্র্যান্ড লাইসেন্স দেয়। সংস্থাটি একটি স্বতন্ত্র লাইসেন্স চুক্তির অধীনে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল, তাই গয়না ব্যবসার বিপণন, পরিচালনা ও বিক্রয়ের যাবতীয় দায়ভার সম্পূর্ণভাবে ওই প্রতিষ্ঠানের ওপরই বর্তায়। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘সালমানের সঙ্গে বেশি দিন থাকলে ওর দেহরক্ষীই হয়ে যেতাম’

    দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেতা প্রদীপ রাওয়াত ক্যানসারে মারা গেছেন। দীর্ঘদিন ধরেই ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন তিনি। মাঝে খানিক সুস্থ হলেও আবার ফিরে এসেছিল ক্যানসার। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এ অভিনেতা।

    চার দশকেরও বেশি অভিনয়জীবনে তিনি একাধিক ভাষার সিনেমা ও ছোটপর্দার ধারাবাহিকে কাজ করেছেন। হিন্দি, তামিল ও তেলেগুর পাশাপাশি কন্নড়, মালায়ালাম, ভোজপুরিসহ বাংলা সিনেমাতেও কাজ করেছেন এ অভিনেতা। ২০১৬ সালে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত ‘হিরো ৪২০’ নামে একটি বাংলা সিনেমাতেও অভিনয় করেন প্রদীপ রাওয়াত। 

    বলিউডের মিস্টার পারফেকশনিস্ট অভিনেতা আমির খান, সালমান খানসহ বহু তারকার সঙ্গে পর্দা শেয়ার করে নিয়েছেন প্রদীপ রাওয়াত। ‘সরফরোশ’, ‘লগান’ ও ‘গজনী’র মতো সিনেমায় অভিনয় করে নিজেকে বিশেষভাবে পরিচিত করেছিলেন তিনি। 

    সম্প্রতি পুরোনো এক সাক্ষাৎকারে বলি ভাইজানখ্যাত অভিনেতা সালমান খানের সঙ্গে কাটানো সময়ের স্মৃতি শেয়ার করেন তিনি। ভাইজানের সঙ্গে বন্ধুত্ব ছিল তার। ১৯৯০ সালে ‘বাগী’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় থেকেই তাদের বন্ধুত্বের শুরু।

    সেই সময় প্রদীপ রাওয়াত বলেছিলেন, ‘সালমানের শারীরচর্চার খুব শখ ছিল। আমারও ছিল। টানা চার থেকে ছয় মাস এমন একটা সময় গেছে, যখন সালমান আমাকে বাড়ি ফিরতেই দিত না। ওর বাড়িতেই খেতাম, ঘুমাতাম, শারীরচর্চা করতাম। জামাকাপড় বদলাতাম, স্নান করতাম। তারপর সেখান থেকেই কাজে বেরিয়ে যেতাম।’ 

    তিনি আরও বলেন, ‘সালমান অনেক পার্টিতে যেত। সে ধরনের পার্টিতে যাওয়ার মতো স্যুট আমার ছিল না। বড় কোনো অনুষ্ঠানে যেতে হলে আমার জন্য স্যুট ভাড়া করা হতো।’ তবে পরে নিজেই সালমানের কাছ থেকে দূরে সরে আসার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। প্রদীপ রাওয়াতের মনে হয়েছিল, ওই জীবনযাত্রায় তিনি অতিরিক্ত স্বচ্ছন্দ হয়ে পড়ছেন। নিজের ক্যারিয়ার গড়তে হলে আলাদা পথেই হাঁটতে হবে। 

    প্রদীপ রাওয়াত বলেন, ‘অনেক দিন সালমানের সঙ্গে দেখা করিনি। আমার মনে হয়েছিল, যদি ওর সঙ্গে এভাবে থেকে যাই, তাহলে ওর দেহরক্ষীতে পরিণত হব। নিজেকে বলেছিলাম— এই আরামদায়ক জীবন ছেড়ে বেরিয়ে আসতে হবে। 

    তিনি বলেন, আরামদায়ক বলতে, সংগ্রামের সময়ে যদি খাওয়া, থাকার জায়গা আর সঙ্গে থাকার মানুষ সবই পেয়ে যাও, তারচেয়ে বেশি আর কী চাই? কিন্তু এতে আমার নিজের কোনো লক্ষ্য পূরণ হচ্ছিল না। তাই বুঝেছিলাম, এভাবে বেশি দিন থাকা চলবে না।

    বিনোদন ডেস্ক

  • জেল জীবনের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা প্রকাশ সালমান খানের

    তারকাদের ব্যক্তিগত জীবনের খবর জানতে সর্বদাই আগ্রহী সাধারণ মানুষ। আর সেটা যদি হয় বলিউড সুপাস্টার সালমান খানের মতো তারকা তাহলে তো কোনো কথাই নেই। ভাইজান সম্পর্কে জানতে কে না আগ্রহী!

    ‘আমাজন প্রাইম ভিডিও’র পপুলার শো ‘অ্যালাইন্স’-এর লেটেস্ট প্রোমো প্রকাশ্যে আসতেই ভাইজান ভক্তদের মধ্যে উত্তেজনার পারদ ঊর্ধ্বমুখী।

    এই শোয়ে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকছেন সুপারস্টার সালমান খান। প্রতিযোগীদের উদ্ভুদ্ধ করতে আর ভাই সোহেল খানকে অনুপ্রাণিত করতেই শোয়ে আসছেন সালমান। ব্যক্তিগত জীবনের গোপন তথ্য নিজেই ফাঁস করবেন। সেই ইঙ্গিতই রয়েছে প্রোমোতে। কোন ঘটনা খোলসা করবেন ভাইজান?

    ‘অ্যালাইন্স’-এর প্রোমো অনুযায়ী জেল জীবনের সেই অন্ধকারাচ্ছন্ন দিনের ভয়াবহ স্মৃতিচারণ করবেন সালমান। 

    কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলায় যখন জেলে গিয়েছিলেন সালমান খান সেই সময়ের অভিজ্ঞতা প্রকাশ করবেন তিনি। সালমান খান বলেন, ‘অনেক বছর আগে যখন আমি জেলে গিয়েছিলাম তখন আমাদের সামনে লোহার শিক ছিল। খুব ছোট একটি জায়গায় প্রায় ৫০ থেকে ৭০ জনকে থাকতে দেওয়া হয়েছিল। এতগুলো মানুষের ব্যবহারের জন্য ছিল মাত্র একটা টয়লেট। সেখানে ছিল পিপড়া, তেলাপেকা আর টিকটিকির উপদ্রব। তার থেকেও খারাপ পরিস্থিতি ছিল যখন টয়লেট ভরে ময়লা ভেসে থাকত।’ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘আমি ১৬ কেজি ওজন কমিয়েছি’—ভাই সোহেলকে জানালেন সালমান খান

    বলিউড ভাইজান সালমান খান জানিয়েছেন, তিনি ১৬ কেজি ওজন কমিয়েছেন। সম্প্রতি তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের উদ্বেগের মধ্যে এই তথ্য সামনে এসেছে।

    সম্প্রতি অ্যামাজন প্রাইমের রিয়েলিটি শো ‘অ্যালায়েন্স’-এর ফাইনাল সপ্তাহে ভাই সোহেল খানকে সমর্থন জানাতে বিশেষ অতিথি হিসেবে হাজির হন সালমান। অনুষ্ঠানটির একটি ভিডিও ক্লিপ ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

    ভিডিওতে সালমানকে সোহেলের সঙ্গে ওজন কমানো নিয়ে কথা বলতে দেখা যায়। সোহেল জানান, তিনি ১২ কেজি ওজন কমিয়েছেন এবং নিজের অ্যাবসও দেখান। জবাবে সালমান বলেন, ‘আমি ১৬ কেজি ওজন কমিয়েছি।’

    সম্প্রতি মুম্বাইয়ে স্লাম রিহ্যাবিলিটেশন অথরিটি (এসআরএ)-এর একটি সরকারি অনুষ্ঠানে সালমানের উপস্থিতির ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়। অনেক ভক্ত তার চেহারা দেখে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।

    রিয়েলিটি শোতে ভাইয়ের সঙ্গে আলাপচারিতার সময় সালমান মজা করে অভিনেতা রিতেশ দেশমুখকেও খোঁচা দেন। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হচ্ছে রিতেশ দেশমুখের চাকরি বিপদে আছে।’ যদিও তিনি ঠিক কী প্রসঙ্গে এ মন্তব্য করেছেন, তা প্রচারিত প্রোমোতে স্পষ্ট করা হয়নি।

    অনুষ্ঠানে সোহেল এক আবেগঘন মুহূর্তের কথা উল্লেখ করে বলেন, তিনি এতটাই উত্তেজিত হয়ে পড়েছিলেন যে স্টোররুমের দরজায় বারবার লাথি মেরেছিলেন। এরপর সালমান প্রতিযোগীদের উদ্দেশে মজা করে জানতে চান, তারা কি সোহেলকে অতিরিক্ত চাপ দিচ্ছেন।

    সালমান খান ও রিতেশ দেশমুখের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। রিতেশের পরিচালনায় নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র ‘রাজা শিবাজি’-তে তার অনুরোধেই বিশেষ উপস্থিতি দিয়েছিলেন সালমান।

    ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সাধারণত আলোচনার বাইরে থাকা সোহেল খান ‘অ্যালায়েন্স’-এ অংশ নেওয়ার পর নতুন করে আলোচনায় আসেন। পরে তার সাবেক স্ত্রী সীমা সাজদেহও অনুষ্ঠানে যোগ দিলে দর্শকদের আগ্রহ আরও বাড়ে। সোহেল ফাইনাল সপ্তাহে জায়গা করে নেওয়ায় তাকে উৎসাহ দিতে হাজির হন সালমান।

    দীর্ঘদিন ‘বিগ বস’ সঞ্চালনার মাধ্যমে দর্শকদের সামনে উপস্থাপক হিসেবে পরিচিত সালমান এবার কোনো সঞ্চালক বা তারকা অতিথি হিসেবে নয় বরং একজন সহায়ক বড় ভাইয়ের ভূমিকায় রিয়েলিটি শোতে উপস্থিত হন। এই ভিন্ন রূপ ভক্তদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিনেতা হওয়ার মূল্য দিতেই হবে: সালমান

    বলিউড সুপারস্টার সালমান খানকে ঘিরে ভক্তদের আগ্রহের শেষ নেই। তার অভিনয়জীবন, ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে নানা অভ্যাসও প্রায়ই আলোচনায় উঠে আসে। এবার অভিনেতাকে নিয়ে বহু বছরের পুরোনো এক মজার ও ব্যতিক্রমী স্মৃতির কথা শেয়ার করেছেন প্রযোজক ও শিল্পপতি শৈলেন্দ্র সিং।

    শৈলেন্দ্র জানান, একসময় মুম্বাইয়ের বিখ্যাত গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টে প্রতি সোমবার নিয়মিত আড্ডা ও পার্টির আয়োজন হতো। তিনি সেই আড্ডার নিয়মিত অতিথিদের একজন ছিলেন। সেখানেই কাছ থেকে দেখেছেন সালমান খানের একটি অদ্ভুত অভ্যাস।

    তার ভাষ্য অনুযায়ী, খাওয়ার সময় সালমান ডাইনিং টেবিলের সামনে থাকা আয়নার দিকে তাকিয়ে বসতে পছন্দ করতেন। শুধু তাই নয়, নিজের প্রতিবিম্বের সঙ্গে মাঝেমধ্যেই কথাও বলতেন তিনি।

    তবে সবচেয়ে অবাক করা অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন এক সোমবারের আড্ডায়। শৈলেন্দ্র বলেন, সালমান তখন আরাম করে বসে বিরিয়ানি খাচ্ছিলেন। এমন সময় গ্লাভস পরা এবং চিকিৎসা সরঞ্জাম হাতে এক ব্যক্তি ঘরে প্রবেশ করেন। এরপর তিনি সালমানের মাথার ত্বকে সুচ প্রয়োগ করতে শুরু করেন।

    ঘটনাটি দেখে বিস্মিত হয়ে আয়নার মাধ্যমে সালমানকে ইশারায় কী হচ্ছে জানতে চান শৈলেন্দ্র। জবাবে অভিনেতা স্বাভাবিক ভঙ্গিতে বলেন, অভিনেতা হওয়ার মূল্য তো দিতেই হবে, ভাই। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    মজার বিষয় হলো, চিকিৎসার সময় কোনো ধরনের অস্বস্তি প্রকাশ না করে সালমান আগের মতোই বিরিয়ানি খেতে থাকেন।

    পরে শৈলেন্দ্র জানতে পারেন, সালমান আসলে ‘প্লেটলেট-রিচ প্লাজমা’ (পিআরপি) থেরাপি নিচ্ছিলেন। এই চিকিৎসা পদ্ধতিতে নিজের রক্ত থেকে সংগ্রহ করা প্লাজমা ব্যবহার করে চুল পড়া কমানো ও নতুন চুল গজাতে সহায়তা করা হয়।

    শৈলেন্দ্র বলেন, সে সময় তিনি চিকিৎসাটি সম্পর্কে জানতেন না। তবে বর্তমানে চুলের যত্ন ও পুনরুদ্ধারে এই পদ্ধতি বেশ জনপ্রিয়। তার মতে, বয়সের সঙ্গে চুল পাতলা হয়ে গেলে অনেক তারকাই এখন পিআরপি থেরাপির শরণাপন্ন হন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • দেড় কোটি টাকার কর বাকি রাজেশ খান্নার, সালমান এগিয়ে এলে যা ঘটে

    বলিউড সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেতা রাজেশ খান্না ও বলি ভাইজানখ্যাত অভিনেতা সালমান খানের মধ্যে এক চমৎকার ও ঐতিহাসিক ঘটনা রয়েছে, যা সম্প্রতি তাদের মধ্যকার সম্পর্কের একটি অজানা দিক প্রকাশ করেছে।

    ষাটের দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে অভিনয় শুরু করেছিলেন রাজেশ খান্না। বলিপাড়ার তারকার খ্যাতি পাওয়া প্রথম অভিনেতা বলা হয় তাকে। কিন্তু রাজেশ খান্নার জনপ্রিয়তার স্থায়িত্ব বেশি দিনের ছিল না। জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকাকালে মুম্বাইয়ের কার্টার রোডের একটি পরিত্যক্ত বাংলো সেই সময় ৬৫ হাজার টাকায় কিনে নেন এ অভিনেতা। কিন্তু সেই বাংলোর দেড় কোটি টাকার কর বাকি পড়ে। এমন খবরে সাহায্যের হাত বাড়ালেন ভাইজানখ্যাত অভিনেতা সালমান খান। আর তাতে চটে যান রাজেশ খান্না।

    কার্টার রোডের সেই বাড়িটি ছিল পঞ্চাশের দশকের জনপ্রিয় অভিনেতা ভরত ভূষণের। তারপর সেটি কেনেন রাজেন্দ্র কুমার। সেই সময় বাড়িটির নাম ছিল ‘ডিম্পল’। রাজেন্দ্রর মেয়ের নামে ছিল বাড়িটি। অবশেষে সত্তরের দশকে সেই বাড়িটি কিনে নেন রাজেশ খান্না। রাজেন্দ্রর শর্ত ছিল— বাড়ির নামটা বদলে ফেলতে হবে। রাজেন্দ্রই বলে যান এ বাড়ি রাজেশের ভাগ্যবদলে দেবে। তা শুনেই রাজেশ বাড়ির নাম রাখেন ‘আশীর্বাদ’। 

    সেই সময়ে সাধারণ মানুষের কাছে বাংলোটি অন্যতম আকর্ষণে পরিণত হয়েছিল। ‘আশীর্বাদ’-এর বাইরে সবসময় ভক্ত-অনুরাগীদের ভিড় লেগে থাকত। রাজেশকে ঘিরে নারী ভক্ত-অনুরাগীদের উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মতো। সত্তর থেকে আশির দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ উপার্জনকারী বলি অভিনেতাদের তালিকায় শীর্ষে ছিলেন রাজেশ খান্না। সেই সময় বলিউডে উত্থান ঘটে অমিতাভ বচ্চনের। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বলিউড সিনেমা সহজ-সরলমনা নায়ক নয়, ঝুঁকতে থাকে ‘অ্যাংরি ইয়ংম্যান’ অমিতাভের দিকে। সেই সময় বক্স অফিসে ব্যর্থ হতে শুরু করে রাজেশ খান্নার সিনেমা। আর তাতে দেনায় জর্জরিত হয়ে পড়েন অভিনেতা। তার পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, তার সঙ্গে কোনো পরিচালকই কাজ করতে রাজি হচ্ছিলেন না। 

    স্ত্রী-সন্তানদের ছেড়ে ফাঁকা বাংলোয় থাকতে ভালো লাগত না রাজেশ খান্নার। লিঙ্কিং রোডের অফিসেই বেশি সময় কাটাতে শুরু করেন অভিনেতা। তখনই ওই বাড়িটি কেনার প্রস্তাব পাঠান সালমান খান। মাধ্যম হিসাবে যান চিত্রনাট্যকার রুমি জাফরি।

    রুমি জাফরি গিয়ে রাজেশকে জানান, ওই বাড়ির সেই সময়ের বাজারমূল্য দিয়ে কিনতে চান সালমান খান। এমনকি রাজেশের সব ঋণ শোধ করে দেওয়ারও প্রস্তাব দেন তিনি। সেই সঙ্গে অভিনেতার প্রযোজনা সংস্থার হয়ে বিনামূল্যে একটি সিনেমায় কাজ করারও প্রস্তাব দেন। এমন প্রস্তাব শুনে রেগে যান রাজেশ খান্না। সালমানের এহেন প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করে দেন অভিনেতা।

    শুধু তাই নয়, অভিনেতা রেগেও যান সালমানের ওপর। আমৃত্যু নিজের বাংলোতেই ছিলেন রাজেশ খান্না। কর বাকি ছিল কোটি কোটি টাকা। রাজেশের মৃত্যুর পর ২০১৪ সালে বাংলোটি ৯০ কোটি টাকায় এক শিল্পপতির কাছে বিক্রি হয়ে যায়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শেষ বার্তায় ‘আন্দোলনকারীদের যা বললেন সালমান খান

    শিক্ষার্থীদের সমর্থনে কথা বলেছিলেন বলিউডের ভাইজানখ্যাত অভিনেতা সালমান খান। বুধবার (২২ জুলাই) রাতে সবাইকে চমকে দিয়ে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেছিলেন তিনি। শিক্ষার্থীদের সমর্থনে অন্য কথা বলেছিলেন ভাইজান।  বৃহস্পতিবারের পোস্টে প্রতিবাদী শিক্ষার্থীদের বাড়ি ফেরার আবেদন জানিয়েছেন সালমান খান। 

    সামাজিক মাধ্যমে অভিনেতা লিখেছেন, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও নিরাপত্তাই এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তাই তাদের আর উদ্বিগ্ন হওয়ার বা বাবা-মাকে উদ্বেগে রাখার দরকার নেই। প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে টুইট করেছেন। আমার বিশ্বাস, প্রশ্নফাঁসের জন্য যারা দায়ী, তাদের বিরুদ্ধে তিনি কঠোর ব্যবস্থা নেবেন। তিনি বলেন, তাই শিক্ষার্থীদের বলছি— বাড়ি ফিরে যাও, বাবা-মায়ের কাছে ফিরে যাও।

    শুধু এখানেই শেষ নয়; সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকের প্রতিও অনশন তুলে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন সালমান খান। ভাইজান লিখেছেন—সোনম, যথেষ্ট হয়েছে। আর অনশন বাড়িও না। ভবিষ্যতে যদি আবার প্রয়োজন পড়ে, সে লড়াইয়ের জন্য শক্তি সঞ্চয় করে রাখো। যদিও আমার মনে হয়, আর সে প্রয়োজন হবে না। কিছু খেয়ে নাও। চাইলে বাড়ি থেকে তোমার জন্য খাবার পাঠিয়ে দেব।

    সালমানের এ পোস্টে কিছুটা অবাক তার ভক্ত-অনুরাগীরা। বলি তারকার কাছে প্রায়ই আসে লরেন্স বিষ্ণোইয়ের থেকে প্রাণনাশের হুমকি। তার পরিবারকেও হুমকি দেওয়া হয়। তাই অনেকেই মনে করেছিলেন, ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন নিয়ে তিনি মুখ খুলবেন না। কিন্তু বুধবার সবাইকে অবাক করে দিয়ে আন্দোলনের পক্ষে মুখ খোলেন সালমান খান। তিনিই প্রথম ‘খান’, যিনি মুখ খুলেছিলেন এ বিষয়ে। তাই অনেকেই প্রশংসা করেছিলেন।

    এর আগে পোস্টে সালমান খান লিখেছিলেন—এটি খুবই শান্তিপূর্ণ একটি আন্দোলন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হিংসাত্মক মোড় নেওয়ায় খুব খারাপ লাগছে। আহত ছাত্রছাত্রী এবং তাদের পরিবারের জন্য আমার সত্যিই খুব কষ্ট হচ্ছে। প্রশ্নপত্র ফাঁস অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। তবে দেশের শিক্ষার্থীরা যে আরও ভালো শিক্ষাব্যবস্থার দাবিতে একজোট হয়েছেন এবং তাদের অভিভাবকরাও পাশে দাঁড়িয়েছেন, তা দেখে ভালো লাগছে।

    তিনি আরও বলেন, ওরা যে অবস্থান নিয়েছেন, তার প্রশংসা করি। পড়াশোনার প্রতি ওদের নিষ্ঠা, আন্তরিকতা এবং নিজের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার ইচ্ছা ও শিক্ষিত ভারত গড়ার স্বপ্ন সত্যিই প্রশংসনীয়। 

    সালমান খানের সেই পোস্ট থেকে মনে হয়েছিল— তিনি এ আন্দোলনের পক্ষে। লিখেছিলেন, এ প্রতিবাদই সঠিক পথ। আর ছাত্রছাত্রীরা শান্তিপূর্ণভাবেই সেই পথ বেছে নিয়েছেন। এ সাহস ও দৃঢ়তা সত্যিই অনুপ্রেরণা দেয়। শিক্ষার প্রতি এ প্রজন্মের আগ্রহ এবং লক্ষ্যই একদিন ভারতকে গর্বিত করবে। কিন্তু তার পরের দিনই অন্য সুরে পোস্ট করলেন। সালমানের অনুরাগীদের অনুমান— কোনো রকম চাপে পড়েই এমন পোস্ট করেছেন ভাইজান।

    বিনোদন ডেস্ক