Tag: সামান্থা রুথ প্রভু

  • বদলে গেছেন সামান্থা, ভাইরাল ভিডিওতে হইচই

    অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু তার অভিনয় জীবন শুরু করেন ২০১০ সালে। প্রথম থেকেই তার কর্মজীবনে তিনি শুধু চলচ্চিত্রে নয়, বিভিন্ন শো ও বিজ্ঞাপনেও কাজ করেছেন। তার চরিত্রের ব্যাপক প্রশংসা পাওয়ার পর তিনি দক্ষিণী ভারতীয় চলচ্চিত্রের একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। ‘চিটাগং’, ‘এওয়ার্ডস’, ও ‘র্যাম্প শো’-এ তার সৌন্দর্য এবং অভিনয় দক্ষতা তাকে এক বিশেষ জায়গায় নিয়ে গেছে। সামান্থা রুথ প্রভু বর্তমানে তার বিস্ফোরক অ্যাকশন ওয়েব সিরিজ ‘সিটাডেল: হানি বানি’ নিয়ে খবরের শিরোনামে রয়েছেন।

    ২০২২ সালে মায়োসাইটিস নামে এক রোগে আক্রান্ত হন তিনি। রোগ ধরা পড়ার পর ওয়েব সিরিজ ‘সিটাডেল: হানি বানি’র শুটিং করছিলেন অভিনেত্রী। একদিন সেটেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তিনি। তাকে কেউ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ারও ছিল না বলে জানান সামান্থা রুথ প্রভু। সম্প্রতি ওয়েব সিরিজ ‘সিটাডেল: হানি বানি’র কলাকুশলীদের নিয়ে এক সাক্ষাৎকারে সেই কথা জানান অভিনেত্রী।

    পাশাপশি ভাইরাল এক ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সামান্থার। সেই ভিডিও নিয়ে আলোচনায় শুরু হয়েছে। এই ভিডিওটি ১৪ বছর আগের পুরোনো এবং এতে সামান্থাকে চিনতে সত্যিই কঠিন হয়েছে। অভিনেত্রীর এই রূপান্তর দেখে ভক্তরা একেবারে হতবাক। অনেকেই প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না যে এটি সামান্থা রুথ প্রভু। ভিডিওটি একটি ট্যালকম পাউডারের বিজ্ঞাপন থেকে নেওয়া, যেখানে সামান্থা গোলাপি ও হলুদ স্যুট পরে ক্যামেরার সামনে হাসতে হাসতে নাচছেন।

     ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অনেক ভক্ত মন্তব্য করতে শুরু করেছেন। কিছু ভক্ত অবশ্য বলেছেন, সামান্থা সম্ভবত প্লাস্টিক সার্জারি করিয়েছেন এবং তার সৌন্দর্য অর্জনের পেছনে এই কারণ থাকতে পারে। আবার কিছু ভক্ত তাকে রাশমিকা মান্দানার সঙ্গে তুলনা করেছেন, যেহেতু বর্তমান রূপে সামান্থার কিছুটা রাশমিকার মতো দেখতে মনে হচ্ছে। 

    ভিডিওটি দেখে অনেক ব্যবহারকারী লিখেছেন— আমি দুজনের মধ্যে কোনো মিল দেখছি না, এটি পাগলামি। অন্য আরেকজন লিখেছেন— কোনোভাবেই এটি একই নয়। আরেকজন লিখেছেন— বোটক্স, ফিলার ও সার্জারি। এমনকি আরও কিছু মন্তব্য এসেছে তারা বলেছেন— ওর পুরো মুখ প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। 

    এদিকে সামান্থার সৌন্দর্যের প্রশংসাও করেছেন কিছু ভক্ত। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন— তিনি তখনো সুন্দর ছিলেন, এখনো সুন্দর।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মালাইকার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর অর্জুনকে সাহস জুগিয়েছেন যে অভিনেত্রী

    বেশ কিছু দিন আগেই বলিউড অভিনেতা অর্জুন কাপুর প্রকাশ্যে বলেছেন তার অবসাদের কথা। সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ‘সিংহাম অ্যাগেইন’-এ তার অভিনয় ফের প্রশংসিত হচ্ছে। কিন্তু মাঝের সময়টা কেটেছে তার অবসাদে।

    আনন্দবাজার সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের শুরুর দিকে বলিউড অভিনেত্রী মালাইকা অরোরার সঙ্গে সম্পর্কে ইতি টানেন অভিনেতা অর্জুন কাপুর। টানা পাঁচ বছর একসঙ্গে ছিলেন তারা। বি-টাউনের ‘পাওয়ার কাপল’ হিসেবেও তকমা ছিল তাদের। কিন্তু হঠাৎই ছন্দপতন। তবে সম্পর্ক ভাঙার কারণ প্রকাশ্যে আনেননি কেউই। ঘনিষ্ঠ সূত্রের খবর অনুযায়ী, সৌজন্য বজায় রাখবেন তারা বলে জানা গেছে।

    এদিকে সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ‘সিংহাম অ্যাগেইন’-এ তার অভিনয় ফের প্রশংসিত হচ্ছে। কিন্তু মাঝের অনেকটা সময়ে কেটেছে অবসাদে। অভিনেতা মনোবিদের কাছেওশরণাপন্ন হয়েছেন। তবে শুধুই মনোবিদ নয়; প্রয়োজনের সময়ে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে এক কবিতাও। আর সেই কবিতার হদিস দিলেন অভিনেত্রী অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু। তাকেও নাকি আলোর পথ দেখিয়েছে এই ইংরেজি কবিতা।

    সম্প্রতি রাডিয়ার্ড কিপলিংয়ের একটি কবিতা নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করে নেন অভিনেত্রী। সেই কবিতা আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির কথাও বলেন তিনি। সামান্থা নিজে সেই পোস্টের ক্যাপশনে লিখেছিলেন—এই কবিতা সব সময়ে আমাকে আলোর দিশা দেখিয়ে এসেছে। তাই আজ আপনাদের সবার সঙ্গে শেয়ার করে নিলাম।

    সেই পোস্টের মন্তব্যেই অর্জুন লিখেছেন, তিনিও নিজের ঘরের দেয়ালে সাঁটিয়ে রেখেছেন এই কবিতা। অভিনেতা বলেন, যখন অনুপ্রেরণার প্রয়োজন ছিল, তখন এ কবিতাই আমাকে সাহায্য করেছে।

    সামান্থাও নিজের অসুস্থতা নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলেছেন। সাবেক স্বামী অভিনেতা নাগা চৈতন্যের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর নাকি মন ভাঙে এ অভিনেত্রীর। সঙ্গে শারীরিক অসুস্থতাও। তবে বলিপরিচালক করণ জোহরের অনুষ্ঠানে এসে অভিনেত্রী স্পষ্ট জানিয়েছিলেন— তার মনের জানালা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নাগা-শোভিতার বিয়ের আমন্ত্রণপত্র প্রকাশ্যে

    ঘটনা ২০১৫ সাল। বলিউড অভিনেতা নাগা চৈতন্যের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু। ২০১৭ সালে গাঁটছড়া বাঁধেন দুজনে। দীর্ঘ চার বছর একসঙ্গে থাকার পর বিবাহবিচ্ছেদের পথে হাঁটেন তারা। জানা গেছে, বিচ্ছেদ ঘোষণার কয়েক মাস আগে থেকেই নাগার সঙ্গে পরিবার বড় করার কল্পনা করছিলেন সামান্থা। কিন্তু সম্পর্কে থাকাকালীনই নাগার জীবনে আসেন অভিনেত্রী শোভিতা ধুলিপালা। সামান্থার সঙ্গে বিচ্ছেদ হওয়ার পর শোভিতাকে নিয়ে জল্পনা চলছিল ঠিকই, তবে নাগা বা শোভিতা— কেউ-ই বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলেননি। অবশেষে গত আগস্ট মাসে তারা বাগদান সারেন। নাগা-শোভিতার বাগদানের ছবি আগেই দেখেছেন ভক্ত-অনুরাগীরা। 

    জানা গেছে, আগামী ৪ ডিসেম্বর সাতপাকে বাঁধা পড়তে চলেছেন দক্ষিণী তারকা নাগা চৈতন্য ও শোভিতা ধুলিপালা। এবার হবু দম্পতির বিয়ের কার্ডের ঝলক ভাইরাল হয়েছে সামাজিকমাধ্যমে। সেই সঙ্গে তারা যে পূর্বনির্ধারিত দিনেই নতুন জীবন শুরু করতে চলেছেন, সেই খবরেও সিলমোহর পড়ল।

    সামাজিকমাধ্যমে শোভিতা ও নাগার বিয়ের অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্রের ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে দুই পরিবারের তরফে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। লেখা হয়েছে— আমরা আপনাদের শুভেচ্ছা ও আশীর্বাদের অপেক্ষায় থাকব। যাদের কাছে কার্ড পাঠানো হয়েছে, সঙ্গে বেশ কিছু উপহারও রয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হলো ফুল ও শাড়ি।

    এদিকে হায়দরাবাদের অন্নপূর্ণা স্টুডিওতে বসছে নাগা-শোভিতার বিয়ের আসর। তবে এই খবরে এখনো কোনো সিলমোহর পড়েনি। দিন কয়েক আগে প্রাক-বিবাহ অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে শোভিতার বাড়িতে। সেই নিয়ে ব্যস্ততা ধুলিপালা ও আক্কিনেনি পরিবারে।

    গত ৮ আগস্ট হায়দরাবাদে যখন দুই তারকার বাগদান সম্পন্ন হয়, তার আগে কাকপক্ষীতেও টের পায়নি! এবার বিয়ে। খবর, রাজস্থানের জয়পুরে ডেস্টিনেশন ওয়েডিং করতে চলেছেন তারা। তবে আক্কিনেনিদের পারিবারিক অন্নপূর্ণা স্টুডিওতেও নাকি বেশ কিছু আয়োজন করা হচ্ছে। 

    জানা গেছে, সেখানেও মণ্ডপ বাঁধার কাজ চলছে। প্রায় ২২ একর জায়গা নিয়ে তৈরি এই স্টুডিও অবস্থিত বানজারা হিলসে। ৬০টিরও বেশি ছবির শুটিং হয়েছে সেখানে। তা হলে কি সিনেমার সেটেই বিয়ে সারবেন নাগা-শোভিতা? এসব নিয়ে জল্পনা জোরদার।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বরুণের স্ত্রী-পরিবারের কথা শুনে কান্না চাপলেন সামান্থা, কিন্তু কেন?

    বলিউড অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু গুমরে মুখ ভার করে আছেন। কোনো রকমে ভেতরের কষ্ট চাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন তিনি। মুখে হাসি লেগে থাকলেও তার চোখ বলছে তিনি ভালো নেই। এমনই দেখা গেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা একটি ভিডিওতে।

    আনন্দবাজার সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালে বলিউড অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু ও অভিনেতা নাগা চৈতন্য তাদের দাম্পত্যের ইতি টানেন। এরপর কেটে গেছে অনেকটা সময়। নিজেকে কাজে আরও বেশি মনোনিবেশ করেছেন এ অভিনেত্রী।  অন্যদিকে নাগা চৈতন্যও শোভিতা ধুলিপালার সঙ্গে জীবনের আরেকটি ইনিংস শুরু করতে চলেছেন। আগামী ৪ ডিসেম্বর চার হাত এক হচ্ছে তাদের। কিন্তু এত কিছুর পরও সামান্থার সময় যেন এগোয়নি। কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও মানসিকভাবে তিনি এখনো আগের জায়গায় আটকে রয়েছেন।

    সম্প্রতি সামান্থা ও বরুণ ধওয়ান তাদের ওয়েব সিরিজ ‘সিটাডেল হানি বানি’র প্রচারে এক অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। সেই অনুষ্ঠানের একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, সামান্থা যেন গুমরে রয়েছেন। কোনো রকমে ভেতরের কষ্ট চাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন তিনি। মুখে হাসি থাকলেও তার চাপা কষ্ট ফুটে উঠেছে। তার চোখ বলছে তিনি ভালো নেই। এমনই অনুমান তার ভক্ত-অনুরাগীদের।

    ঠিক কী হয়েছিল?—এমন এক প্রশ্নের উত্তরে অভিনেতা বরুণ তার নিজের পরিবার নিয়ে কথা বলছিলেন। তিনি বলেন, এটা আমার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ পর্ব ছিল। আমি আর নাতাশা সেই সময়ে পরিবার-পরিকল্পনা করি। ‘সিটাডেল হানি বানি’ সিরিজে আমার চরিত্র বানিও খুব পরিবারকেন্দ্রিক। নায়ক পরিবার চায়। আমার মধ্যেও এই চাহিদা রয়েছে। তাই চরিত্রটি সহজে বুঝতে পারি।

    বরুণ নিজের স্ত্রী নাতাশা ও তার পরিবার নিয়ে কথা বলছিলেন ঠিকই। কিন্তু দর্শকদের চোখ ছিল সামান্থার ওপর। এ কথাবার্তার সময়ে সামান্থার চোখের কোণ যেন হঠাৎই চিকচিক করে ওঠে। নেটিজেনরা বুঝতে পারেন এমন পরিস্থিতি— সামান্থা বোধহয় চিৎকার করে কাঁদতে চাইছেন। আরেক নেটিজেন লিখেছেন—আমার সত্যিই সামান্থার জন্য খুব খারাপ লাগছে। তিনিও তো এমনই একটা পরিবার চেয়েছিলেন।

    উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে সামান্থা ও চৈতন্য বাগদান পর্ব সেরেছিলেন। ২০১৯ সালে তারা বিয়ে করেন। কিন্তু সেই সম্পর্ক স্থায়ী হয়নি। জানা গেছে, সন্তান ধারণের জন্য প্রস্তুতিও নিচ্ছিলেন সামান্থা। কিন্তু সেই সময় বিচ্ছেদ ঘটে যায়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নায়কের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হয়ে এ কেমন প্রতিশোধ নিলেন সামান্থা!

    বলিউড অভিনেতা নাগা চৈতন্যের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পরই সামান্থা রুথ প্রভুর ‘উ অন্তাভা’ গানে নাচ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন। এবার বলিউডের কোন নায়কের সঙ্গে নিবিড় চুম্বনে এ কেমন প্রতিশোধ নিলেন অভিনেত্রী?

    আগামী ৪ ডিসেম্বর সাতপাকে বাঁধা পড়তে চলেছেন অভিনেতা নাগা চৈতন্য ও শোভিতা ধূলিপালা। সামান্থার সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের আড়াই বছরের মাথায় ফের বিয়েরপিঁড়িতে বসতে চলেছেন এ অভিনেতা। 

    এদিকে নাগার সঙ্গে বিচ্ছেদের পরই সামান্থা জানিয়েছিলেন, তার মনের দরজা নাকি বন্ধ হয়ে গেছে। তবু বিবাহবিচ্ছেদের পরবর্তী সময়ে নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন সামান্থা। কখনো নিজের বিয়ের সাদা পোশাক ছিঁড়ে পুর্ননির্মাণ করে কালো রঙ করেছেন। আবার বিবাহবিচ্ছেদের পরই সামান্থার ‘উ অন্তাভা’ গানে নাচ করে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন। সেটিও ছিল নাগার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর পরই। 

    এদিকে রাজ নিদিমরু ও কৃষ্ণ ডিকের পরিচালনায় গতকাল বৃহস্পতিবার ভারতে মুক্তি পেয়েছে ‘সিটাডেল: হানি বানি’। হলিউডের মূল ছবিটিতে অভিনয় করেছিলেন প্রিয়াংকা চোপড়া ও রিচার্ড ম্যাডেন। ভারতীয় সংস্করণে নাম ভূমিকায় রয়েছেন বরুণ ধাওয়ান ও সামান্থা রুথ প্রভু। সেখানেই বরুণের সঙ্গে ঠোঁটে ঠোঁট ছোঁয়ালেন অভিনেত্রী। তিনি যেন আরও সাহসী হয়ে উঠলেন। 

    যদিও এমনিতেই ছবি নির্বাচনের ক্ষেত্রে খুব সাবধানতা অবলম্বন করেন সামান্থা। বিয়ের আগে এবং নাগার সঙ্গে বিয়ের পর সম্পর্কে থাকাকালীন সেভাবে কোনো নায়কের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে দেখা যায়নি এ অভিনেত্রীকে। তবে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর যেন আরও বেশি সাহসী হয়ে উঠলেন সামান্থা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • চেহারা নিয়ে নেটিজেনদের প্রশ্নের উত্তরে যা বললেন সামান্থা

    সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে একটু এদিক ওদিক হওয়া মানেই নতুন করে আলোচনা শুরু। বিনোদন জগতের অভিনেত্রীরা কে কখন রোগা হলেন, আবার কে কখন মোটা হয়ে গেলেন, তা নিয়ে ভক্ত-অনুরাগীদের আলোচনার শেষ থাকে না। এ মুহূর্তে যেমন  আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আছেন বলিউড অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু। 

    একদিকে তার নতুন ছবি ‘সিটাডেল: হানি বানি’ ছবি মুক্তি পাওয়ার চাপ চলছে। অন্যদিকে আবার অত্যধিক রোগা হয়ে গেছেন বলেও নেটিজেনদের মাঝে সেই নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে।

    প্রথমবার অভিনেতা বরুণ ধাওয়ানের সঙ্গে দেখা যাবে অভিনেত্রী সামান্থাকে। এ জুটিকে দেখার জন্যও উত্তেজিত সিনেপ্রেমী দর্শকরা। এর মাঝে দর্শকদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তরের খেলায় মজেছিলেন অভিনেত্রী। সেখানে ভক্ত-অনুরাগীদের অবাধ অধিকার ছিল সামান্থাকে প্রশ্ন করার। 

    এমন সময় এক নেটিজেন তাকে প্রশ্ন করে বসেন— ম্যাম দয়া করে নিজের ওজন একটু বাড়ান, একটু মোটা হন। এই প্রশ্নকে একেবারেই এড়িয়ে যাননি অভিনেত্রী। উল্টে উত্তর দিয়েছেন নিজের ভক্তকে। তবে শুধু একজন নয়, অনেকেই তার ওজন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

    কী উত্তর দেন অভিনেত্রী? সামান্থা লিখেছেন— এটি ২০২৪। দয়া করে মানুষকে বাঁচতে দিন এবং নিজেও বাঁচুন। অন্যদের বিচার করা বন্ধ করুন। সেই সঙ্গে তিনি যোগ আরও লিখেছেন— আমি নিজের শারীরিক অবস্থার জন্য একটি কড়া ডায়েটে আছি। যে কারণে অনেক সময় আমার ওজন বেড়েও যেতে পারে। কিন্তু এটা নিয়ে এত আলোচনার কিছু হয়নি।

    উল্লেখ্য, এ মুহূর্তে নতুন ছবি ‘সিটাডেল: হানি বানি’ ছবি মুক্তি নিয়ে বেশ চাপে আছেন অভিনেত্রী। অন্যদিকে বরুণকে অনেকেই অনেক কথা বলেছিলেন সামান্থার সঙ্গে কাজ করার জন্য। তবে কারও কোনো কথাতেই পাত্তা দেননি এ অভিনেতা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • জেমস বন্ডের অ্যাকশন ছবিতে কাজ করার স্বপ্ন সামান্থার!

    মূল ধারার চলচ্চিত্রে নায়িকাদের কী কাজ? অনেকেই বলেন, সেজেগুজে ঘোরা এবং দু’একটা গান বা নাচ। প্রথম থেকেই এই বক্তব্যের বিরোধিতা করেছেন কঙ্গনা বা কারিনা কাপুরের মতো নায়িকারা। কিন্তু এ কথাও তাদের স্বীকার করতে হয়েছে, বলিউডে তেমন সুযোগ তারা পান না। কারিনা তো পারিশ্রমিকের অসাম্য নিয়েও সরব। এবার অ্যাকশন ছবিতে অভিনয় করার জন্য বলিউড নায়িকাদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ সামান্থা রুথ প্রভু। অভিনেত্রী নিজেও খুশি এই ধারার ছবিতে অভিনয় করে।

    সামান্থা জানিয়েছেন, জেমস বন্ডের কোনো নারী সংস্করণে অভিনয় করা তার স্বপ্ন। অ্যাকশন ছবিতে অভিনয়ের জন্য বলিউডের দীপিকা পাড়ুকোন, আলিয়া ভাট, অনুশকা ও শেট্টিদের প্রশংসাও করেছেন তিনি। ‘সিটাডেল: হানি বানি’তে সামান্থার স্বপ্ন খানিকটা পূরণ হয়েছে বলাই যায়।

    রাজ নিদিমরু এবং কৃষ্ণ ডিকের পরিচালনায় ভারতে মুক্তি পেতে চলেছে ‘সিটাডেল: হানি বানি’। হলিউডের মূল ছবিটিতে অভিনয় করেছিলেন প্রিয়াংকা চোপড়া জোনাস এবং রিচার্ড ম্যাডেন। ভারতীয় সংস্করণে নাম ভূমিকায় দেখা যাবে বরুণ ধাওয়ান ও সামান্থাকে। 

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী বলেন, এই নতুন ধারার ছবিতে কাজ করতে পেরে আমি খুবই খুশি। আজকাল অনেক অভিনেত্রীই অ্যাকশন ছবিতে অভিনয় করছেন। আলিয়া করেছেন, ইতিমধ্যে দীপিকা পাড়ুকোন, ক্যাটরিনা কাইফও করেছেন। দিশা, কিয়ারাও আজকাল এই ধরনের ছবি করছেন। কঙ্গনা রানাউত করেছেন। অনুশকা শেট্টিও অ্যাকশন করেছেন। নারীরা ছবির নিয়ন্ত্রণ রাখছেন, এটা দারুণ বিষয়।

    দক্ষিণী ছবিতে সামান্থার অভিনয়ের অভিজ্ঞতা দীর্ঘ। ‘ইয়ে মায়া চেসাভে’, ‘ইগা’, ‘নিথানে এন পোনভাসন্থাম’, ‘মহান্তি’ এবং ‘সুপার ডিলাক্স’-এর মতো ছবিতে অভিনয় করে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন তিনি।

    হিন্দিতে ‘ফ্যামিলি ম্যান ২’ সিরিজ়ে অভিনয় করেছিলেন সামান্থা। এই ছবির পরিচালকও রাজ নিদিমরু এবং কৃষ্ণ ডিকে। নায়কের প্রতিপক্ষ হিসেবে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে তাকে। 

    কিন্তু সামান্থার অভিমান, তার অধিকাংশ অ্যাকশন দৃশ্যেই সে বার কাঁচি পড়েছিল। এবার আর তা ঘটবে না। ফলে খুশি সামান্থা। তিনি বলেন, এবারে দৃশ্যগুলো রয়েছে। আমি খুশি।

    কেন এত অ্যাকশনের প্রতি আকর্ষণ নায়িকার? জবাবে সামান্থা বলেন, কে না চায় গোয়েন্দা গল্পে নিপুণ লড়াইয়ের দৃশ্যে অভিনয় করতে! আমার তো মনে হয়, সমস্ত অভিনেতারই স্বপ্ন জেমস বন্ডের চরিত্রে অভিনয় করা। আমরা, অভিনেতারা এ নিয়ে সব সময় উত্তেজিত। অ্যাকশন ছবি করা খুবই আনন্দদায়ক।

    তবে এরপর কমেডি ছবিতে অভিনয় করতে চান বলেও জানিয়েছেন সামান্থা। আর সেখানে নায়ক হিসাবে পেতে চান ‘সিটাডেল’-এর বানি বরুণকেই। খুব শীঘ্রই এমন একটি ছবিতে অভিনয় করতে চলেছেন বলে সরাসরি দাবি করেছেন সামান্থা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কঙ্গনার মন্তব্য শুনে যা বলেন সামান্থা

    সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে জন কলিনস নামে এক ব্যক্তি মন্তব্য করেন, ‘ডাইনিদের ভয় পাবেন না। বরং ডাইনিদের যারা পুড়িয়ে মারে, তাদের থেকে সাবধান হোন।’ এ মন্তব্যের প্রেক্ষাপটে বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত নিজের মতামত প্রকাশ করেছেন।

    কঙ্গনা জানিয়েছেন, সমাজে এখনো অনেক নারীর বিরুদ্ধে ডাইনির খেতাব দেওয়া হয়। বিশেষ করে, যেসব নারীরা স্বাধীনতা এবং নিজেদের মত প্রকাশ করেন, তাদের অনেক সময় ডাইনির মতো নিন্দিত করা হয়। তিনি বলেন, ‘এটি অত্যন্ত দুঃখজনক যে, আমাদের সমাজে এখনো নারীদের এইভাবে দমন করা হচ্ছে।’

    এদিকে, কঙ্গনার মন্তব্যকে সমর্থন জানিয়েছেন জনপ্রিয় ভারতীয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের উচিত নারীদের প্রতি এই ধরনের বৈষম্য এবং অত্যাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া।’

    কঙ্গনা তার পোস্টে লেখেন, ‘যে নারীদের আত্মসম্মান বোধ প্রবল, যারা নিজেদের মনের কথা বিশ্বাস করেন, যারা মুক্ত, যাদের দমিয়ে রাখা যায় না, যারা সমস্ত বেড়া ভেঙে এগিয়ে যেতে পারেন, তারাই আসলে ডাইনি। এই বৈশিষ্ট্যগুলিই এই নারীদের রহস্যময় ও ভয়ংকর করে তোলে। কিন্তু যারা অভিশপ্ত ও খাঁচায় বন্দি থাকতে ভালোবাসেন, তারাই এই নারীদের ভয় পান।’

    কঙ্গনা মনে করেন, সমাজে শক্তিশালী নারীদেরই ডাইনি তকমা দেওয়া হয়। দাগিয়ে দেওয়া হয়, অলৌকিক ভাবে এরা সাহসী হয়ে উঠেছেন। তাই এই নারীদের শক্তি ও সাহস দেখে খাঁচায় বন্দি মানুষেরা তাদের পুড়িয়ে ছাই করে দিতে চান। 

    অভিনেত্রী লেখেন, ‘হিংসার মতো দুর্দশা কিছু হয় না। এই নারীদের দেখে আপনি হিংসা করবেন না কি এদের দেখে অনুপ্রাণিত হবেন, তা আপনার ওপর নির্ভর করছে। বুদ্ধি করে সিদ্ধান্ত নিন। খাঁচা ভেঙে বেরিয়ে আসুন ও মুক্ত হয়ে বাঁচুন।’

    কঙ্গনার এ পোস্টে পূর্ণ সমর্থন জানান সামান্থা। পোস্টের প্রতিচ্ছবি নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শেয়ার করেন দক্ষিণী অভিনেত্রীও।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ব্যক্তিগত জীবনে একের পর এক ঝড়, কীভাবে কাটছে সামান্থার দিন?

    গত কয়েক বছরে ব্যক্তিগত জীবনে একের পর এক ঝড় সামলে আপাতত কিছুটা থিতু হয়েছেন অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু। নাগা চৈতন্যর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পরে মানসিকভাবে একেবারে ভেঙে পড়েছিলেন সামান্থা। তার পরেই মায়োসাইটিস নামক বিরল রোগ ধরা পড়ে তার। ২০২২ সালে প্রথম পেশির প্রদাহজনিত এই অসুখে ভোগার কথা জানান সামান্থা। তারপর থেকেই রোগের সঙ্গে লড়াই চলছে। 

    তবে একটু একটু করে সুস্থ হচ্ছেন সামান্থা। কাজেও ফিরেছেন এরমধ্যে। কড়া ডায়েট ও শরীরচর্চার মাধ্যমে রোগ নির্মূল করার চেষ্টা করছেন। সামান্থার দৈনন্দিন জীবনযাপনে অনেক বদল এসেছে। আগের মতোই ত্বকের দীপ্তি ফিরে পেতে ও সক্রিয় থাকতে সামান্থা ঠিক কী কী করছেন, তা জানিয়েছেন নিজেই।

    মায়োসাইটিসে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে লম্বা সময় ধরে শারীরিক যন্ত্রণা সহ্য করতে হচ্ছে তাকে। কারণ, এই রোগটিতে পেশিতে প্রদাহ বাড়ে। এমন এক ‘অটো ইমিউন’ রোগ যাতে নিজের শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভুলবশত দেহেরই সুস্থ-সবল পেশিকে আক্রমণ করে। ফলে পেশির দুর্বলতা বাড়তে থাকে। প্রথম প্রথম দেহের বিভিন্ন অঙ্গে শুরু হয় ব্যথা। হাত, পা, ঘাড়ের পেশিতে যন্ত্রণা হয়। পেশি এতই দুর্বল হয়ে যায় যে, রোগী মাঝেমধ্যেই পড়ে যেতে পারেন। একটানা দাঁড়িয়ে থাকলে কিংবা দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলে ক্লান্ত লাগে শরীর। সেই সঙ্গে শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যাও শুরু হয়। 

    সামান্থা জানিয়েছেন, বিরল এই রোগ সারিয়ে ওঠা খুবই কঠিন ছিল। কিন্তু দৈনন্দিন জীবনে নিয়ম মেনেই তিনি সুস্থতার পথে হাঁটছেন। অভিনেত্রীর পরামর্শ, ডায়েট, শরীরচর্চা, মেডিটেশন ও কিছু অভ্যাস সঠিক ভাবে মেনে চললেই সুস্থ থাকা সম্ভব।

    সামান্থার দিন শুরু হয় সকাল সাড়ে ৬টা থেকে। ঘুম থেকে উঠেই রোদে কিছু ক্ষণ হাঁটাহাঁটি করেন। গায়ে রোদ লাগানোর পরে তার পরবর্তী কাজ ‘অয়েল পুলিং’। এটি এমন এক পদ্ধতি, যেখানে পানির বদলে মুখ কুলকুচি করা হয় তেল দিয়ে। প্রাচীন ভারতীয় আয়ুর্বেদ শাস্ত্রেই এমন পদ্ধতির উল্লেখ আছে। তেল দিয়ে কুলকুচি করে দাত ও মাড়ি ভাল থাকে, মুখে দুর্গন্ধ হয় না, মুখের ভিতর কোনো রকম জীবাণুঘটিত সংক্রমণের আশঙ্কাও থাকে না।

    এরপর শরীরচর্চা শুরু হয় সকাল ৭টা থেকে। অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকের সাহায্যেই বিভিন্ন রকম ওয়েট ট্রেনিং ও কার্ডিয়ো করেন সামান্থা। যেহেতু মায়োসাইটিস রোগের কারণে তার পেশি দুর্বল হয়ে পড়েছে, তাই পেশির শক্তি বাড়াতেই ওজন তুলে ব্যায়াম করেন সামান্থা। এই শরীরচর্চার অভ্যাসই তাকে সুস্থ করে তুলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    দীর্ঘ দিনের অসুখে চোখ-মুখের দীপ্তি একেবারেই হারিয়ে গিয়েছিল অভিনেত্রীর। তার কোটরে বসা চোখ, মুখচোখে কালচে ছোপ, চোখের তলায় কালি দেখে চমকে গিয়েছিলেন অনুরাগীরাও। 

    সামান্থা জানিয়েছেন, রোগের জন্য কড়া ওষুধ খেতে হয়। এই ওষুধের প্রভাব পড়ে তার ত্বকের উপরে। পিগমেন্টেশন, শুষ্কতা ও ফোলা ভাবও তৈরি হয়। এর থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য ‘রেড লাইট থেরাপি’ শুরু করেছেন তিনি। ত্বকের জৌলুস ফেরাতে অনেকেই এখন এই থেরাপির সাহায্য নিচ্ছেন। লেজ়ার আলো দিয়ে ত্বকে এই থেরাপি করা হয়। আবার অনেক ক্ষেত্রে একটি মুখোশ পরিয়ে দেওয়া হয়। মুখোশের মধ্যে একাধিক লাল এলইডি আলো দেওয়া থাকে। ত্বকের মধ্যে সরাসরি সেই আলো প্রবেশ করে। বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের এই আলো ত্বকের বিভিন্ন গভীরতায় প্রবেশ করে ক্ষতিগ্রস্ত কোষগুলোকে মেরামত করে। ত্বকের প্রদাহ দূর করে, ত্বকের বয়সও কমায় এই লাল আলোর থেরাপি।

    রেড লাইট থেরাপির পরে বরফ জলে বেশ কিছুক্ষণ মুখ ডুবিয়ে রাখেন সামান্থা। এটিও এক ধরনের ফেশিয়াল থেরাপি, যা ত্বকের প্রদাহ, বলিরেখা ও ব্রণের সমস্যা দূর করে। কেবল সামান্থা নন, বলিউডের অনেক অভিনেত্রীই এই ‘আইস ওয়াটার থেরাপি’ করেন।

    সন্ধ্যা ৬টায় ফের রেড লাইট থেরাপির পরে পিক্লবল খেলতে চলে যান সামান্থা। টেনিসের মতোই এই খেলা র্যাকেটের বদলে খেলা হয় প্যাডল দিয়ে। টেনিস কোর্টের থেকে আকার ও আয়তনে ছোট হয় পিক্লবল কোর্ট। দু’জন বা চার জন খেলতে পারেন। এই খেলা নিয়মিত অভ্যাস করলে হাত-পায়ের পেশির সক্রিয়তা বাড়ে। খেলা শেষে কিছু ক্ষণ মেডিটেশন করেন সামান্থা। 

    তারপর ১০টার মধ্যেই শুতে চলে যান তিনি। অভিনেত্রী জানিয়েছেন, এই রুটিন মেনেই তিনি এখন সুস্থ তো বটেই, তার চনমনে ভাবও ফিরে এসেছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার মতো কেউ ছিল না: সামান্থা

    বলিউড অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু অসুস্থতার কথা নিজেই প্রকাশ্যে এনেছেন। ২০২২ সালে মায়োসাইটিস নামে এক রোগে আক্রান্ত হন তিনি। রোগ ধরা পড়ার পর ওয়েব সিরিজ ‘সিটাডেল: হানি বানি’র শুটিং করছিলেন অভিনেত্রী। একদিন সেটেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তিনি। তাকে কেউ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ারও ছিল না বলে জানান সামান্থা রুথ প্রভু। সম্প্রতি ওয়েব সিরিজ ‘সিটাডেল: হানি বানি’র কলাকুশলীদের নিয়ে এক সাক্ষাৎকারে সে কথা জানান অভিনেত্রী।

    সামান্থা বলেন, এতটাই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তিনি যে, স্মৃতিভ্রম পর্যন্ত হয় তার। অভিনেত্রী বলেন, মাথায় আঘাত পেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম। আমি সবার নাম পর্যন্ত ভুলে গিয়েছিলাম। মুহূর্তে সব যেন অচেনা লাগছিল। তিনি বলেন, এখন ভেবে দেখি— কেউ আমাকে একবারও হাসপাতালে পর্যন্ত নিয়ে যায়নি। এমনকি কেউ একবারও জিজ্ঞেসও করেননি আমাকে। হাসতে হাসতেই বলছিলেন সামান্থা। 

    সঙ্গে সঙ্গে ‘সিটাডেল’-এর লেখিকা সীতা মেনন বলেন, আমরা ফোনে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলছিলাম। সামান্থা চিকিৎসকের নাম জানতে চান। উত্তরে সীতা বলেন, কনকাশনের জন্য তোমার কিছুই মনে ছিল না।

    অভিনেত্রী রসিকতা করে বলেন, আমি তখন অচৈতন্য অবস্থায় পড়ি। তবে শুনতে পাচ্ছিলাম সবাই বলাবলি করছেন— একদিনের জন্যই এই শুটিং সেট নেওয়া হয়েছে। একদিনের মধ্যেই শুটিং শেষ করতে হবে। বিষয়টি মজা করে বললেও সামান্থা বলেন, শারীরিকভাবে সেই সময় ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। এমনকি এ সিরিজ থেকে সরে যাওয়ার কথাও ভেবেছিলেন বলে জানান সামান্থা।

    এ অভিনেত্রী বলেন, আমাকে ছাড়াই কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেছিলাম। ভেবেছিলাম, আমি কাজটা করতে পারব না। আমি নিশ্চিত ছিলাম, আমার দ্বারা হবে না। এমনকি অন্য কোনো অভিনেত্রীকে এই চরিত্রে নেওয়া যায়, সেটি নিয়েও আলোচনা করেছিলাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত নির্মাতারা এই চরিত্র থেকে সামান্থাকে সরিয়ে দিতে রাজি হননি।

    বিনোদন ডেস্ক