Tag: সাইফ আলি খান

  • এবার মালাইকার বাড়িতে ঢুকে পড়ল অজ্ঞাতনামা

    কিছু দিন আগেই বলিউড তারকা সাইফ আলি খানের ওপর হামলার খবরে স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিল মুম্বাই শহর। প্রায় একই রকমের অভিজ্ঞতা হয়েছিল মালাইকা অরোরারও। মুম্বাইতে অভিনেত্রী-মডেলের বাড়িতেও ঢুকে পড়েছিলেন এক অজ্ঞাতপরিচয়। ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন মালাইকা। সেই ঘটনা সম্প্রতি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

    সংখ্যা ব্যতীত বয়স কিছুই নয়, বার বার প্রমাণ করেছেন মালাইকা। ৫১ বছর বয়সেও তার চেহারায় মুগ্ধ অনুরাগীরা। এখনও মার্জার সরণিতে তার আত্মবিশ্বাস নজর কাড়ে। রাস্তায় এক ঝলক তাকে দেখা গেলেই নিমেষে ছেঁকে ধরেন ছবিশিকারিরা। তবে খ্যাতির সঙ্গে বিড়ম্বনাও থাকে। এক অনুরাগীর জন্যই বিপদে পড়েছিলেন মালাইকা। সেই অনুরাগীই নাকি গোপনে ঢুকে পড়েছিলেন তার বাড়িতে।

    মালাইকা সেই দিন নিজের ঘরে তৈরি হচ্ছিলেন। ঘর থেকে বেরিয়ে বসার ঘরে এসে দেখেন এক অজ্ঞাতপরিচয় নারী সেখানে বসে রয়েছেন। মালাইকা বলেছেন, ‘আমি বুঝতেই পারছিলাম না কিছু। আমাকে দেখেই কিছু একটা বলতে যান ওই নারী। সত্যি কথা বলতে, আমি খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম।’

    অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘একজন অচেনা নারী এসেছিলেন। তার সঙ্গে আর এক উন্মাদ ভক্ত এসেছিলেন। তারা সোফায় বসেছিলেন। তবে ওই নারীর কাছে কাঁচি জাতীয় কিছু একটা ছিল। ওটা দেখে ভয় হচ্ছিল। বুঝতে পারছিলাম, কিছু সমস্যা তো রয়েছে। আমি শান্ত থাকার চেষ্টা করি। তার পরে তাদের সঙ্গে কথা বলি। অনুরাগীদের সঙ্গে যে এই ভাবেও কথা হতে পারে, সেই প্রথম অভিজ্ঞতা হয়।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমাদের সম্পর্ক শুধুই স্বামী-স্ত্রীর মতো নয়!

    বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খানের বাড়িতে হামলার পর থেকেই নেটদুনিয়ায় তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে সাইফ-কারিনা দম্পতিকে ঘিরে। বিশেষ করে সেই সময় কারিনা স্বামীর পাশে ছিলেন না—এই অভিযোগ তুলে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন তার ভূমিকা নিয়ে। এতদিন এই প্রসঙ্গে চুপ থাকলেও, অবশেষে মুখ খুলেছেন কারিনা কাপুর খান।

    একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্টভাবেই জানিয়ে দিয়েছেন, ‘আমাদের সম্পর্ক স্বামী-স্ত্রীর সীমার মধ্যে আটকে নেই, তার চেয়েও অনেক গভীর, অনেক বেশি অর্থপূর্ণ।’

    কারিনার মতে, তারা একে অপরের উপর ভীষণ নির্ভরশীল। সম্পর্কের ভিত তৈরি হয়েছে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার ওপর। 

    তিনি বলেন, ‘খুব ক্লান্ত হয়ে বাড়ি ফিরলে আমি শুধু সাইফকেই খুঁজি। তখন এক কাপ কফি বা এক গ্লাস ওয়াইন নিয়ে তার পাশে বসে থাকাই যথেষ্ট। আলাদা করে কাউকে ফোন করে ডাকার দরকার পড়ে না। সাইফ এমনভাবেই আমার চারপাশটা পূর্ণ করে রাখে।’

    এই নির্ভরতাকেই কারিনা বাঁধতে চান না শুধু ‘স্বামী-স্ত্রীর’ সম্পর্কের গণ্ডিতে। তার বিশ্বাস, এই বিশ্বাস আর নির্ভরতার বন্ধন কখনও ভাঙবে না।

    তবে এরই মাঝে সাইফ-কারিনার বিচ্ছেদ নিয়েও একাধিকবার গুঞ্জন ছড়িয়েছে। সেই জল্পনা একঝটকায় উড়িয়ে দিয়ে কারিনা বলেন, ‘যেদিন এই বিশ্বাসে ফাটল ধরবে, সেদিনই আমাদের সম্পর্ক নিয়ে ভাববো। তার আগে নয়।’

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সাইফ আলি খানও বিচ্ছেদ প্রসঙ্গে কথা বলেন। প্রথম স্ত্রী অমৃতা সিংয়ের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর তিনি উপলব্ধি করেছেন—ভালোবাসা, সম্পর্ক, বিয়ে—সবকিছুই বুঝে ও ভেবেচিন্তেই করা উচিত।

    সাইফ বলেন, ‘মানুষ একটা সময়ের পর অনেক সময় কোনো একটি সম্পর্কে থাকতে চায় না। কিন্তু এটা মনে রাখতে হবে, বিচ্ছেদ মানে শুধু আবেগের বিচ্ছেদ নয়, এটা আর্থিকভাবেও অনেক ব্যয়বহুল। মোটা অঙ্কের খোরপোষ দেওয়ার ক্ষমতা সবার থাকে না। তাই একটা সময়ের পর সম্পর্ককে মানিয়ে নেওয়াটাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • করণ জোহরের হাত ধরেই সাইফপুত্রের অভিষেক

    বাবাদের রাজত্ব শেষ, শুরু হচ্ছে সন্তানদের যুগ। এক এক করে বলিউডে অভিষেক হচ্ছে তারকা সন্তানদের। সাইফ আলি খানের মেয়ে সারা আলি খানের অনেক আগেই অভিষেক হয়েছে, নাম-ডাকও ভালো কামিয়েছেন। এবার নবাব পরিবারের আরেক সদস্য সাইফপুত্র ইব্রাহিম আলি খানের বলিউডে অভিষেক হচ্ছে।  যার হাত ধরে অভিষেক হচ্ছে তিনি আবার যেনতেন কোনো কেউ নন, প্রখ্যাত নির্মাতা-প্রযোজক করণ জোহর।  করণের হাত ধরে বলিউডে এসে অনেক অভিনেতা-অভিনেত্রী পরবর্তীতে দারুণ সফলতা পেয়েছেন। 

    ‘নাদানিয়া’ নামে সিনেমার মাধ্যমে সিনেমা জগতে পা রাখছেন ইব্রাহিম। বড়পর্দায় নয়, সিনেমাটি মুক্তি পাচ্ছে নেটফ্লিক্সে। অর্থাৎ শ্রীদেবীকন্যা খুশি কাপুর, শাহরুখ খানের কন্যা সুহানা খান, অমিতাভ বচ্চনের নাতি অগস্ত্য নন্দার মতো সাইফপুত্রও বলিউডে পা রাখবে ওয়েব মাধ্যমের হাত ধরে, বড়পর্দা নয়। কিছুদিন আগে মুক্তি পেয়েছে সিনেমাটির ট্রেলার। 

    যেখানে জানা যায়, অর্জুন এবং পিয়া একই কলেজের ছাত্রছাত্রী। দুই ভিন্ন মেরুর দুই মানুষের ভালোবাসা নিয়েই সিনেমাটি। ট্রেলারে দেখা যায় খুশির চরিত্রের নাম পিয়া। সে বোল্ড, প্রাণখোলা মেয়ে। দক্ষিণ দিল্লির বাসিন্দা। অন্যদিকে ইব্রাহিমের চরিত্রের নাম অর্জুন। সে থাকে নয়ডায়। সাধারণ মধ্যবিত্ত বাড়ির ছেলে। দু’জনই একেবারে আলাদা পৃথিবীর মানুষ।

    অর্জুন এবং পিয়ার ভালোবাসা আর চার-পাঁচটা প্রেমের গল্পের মতো নয়। পিয়ার সঙ্গে কোনো এক চুক্তি করেছিল অর্জুন, সে অনুযায়ী পিয়ার বয়ফ্রেন্ড সেজে থাকার দরুন প্রতি মাসে সে ২৫ হাজার টাকা করে পাবে। অর্জুন এবং পিয়ার এই গোপন বোঝাপড়ার কথা যখন সবার সামনে চলে আসে তখন থেকেই শুরু হয় সমস্যা। প্রেম, সম্পর্ক এই সমস্ত কিছু থেকে দূরে পালিয়ে যায় অর্জুন, নিজের লক্ষ্যে আরও ফোকাস করতে চায়, কিন্তু অজান্তেই সে পিয়ার প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ে।

    অন্যদিকে নায়িকাও যে নিজের পরিবারকে নিয়ে একেবারে খুশি নয়, সেটিও বোঝা যায় বিভিন্ন দৃশ্য দেখে। তারপর কী ঘটে, তারা কি অবশেষে সমস্ত জটিলতা কাটিয়ে এক হতে পারবে? সেটি নিয়েই এই ছবি।

    এই সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন শাওনা গৌতম। এটি তার প্রথম পরিচালিত সিনেমা। পরিচালক জানিয়েছেন, ‘নাদানিয়া’ আমার জন্য অন্যরকম স্পেশাল। এই সিনেমাটি আমার প্রথম পরিচালিত সিনেমা। কারণ, স্যারের সঙ্গে কাজ করতে পারা আমার কাছে স্বপ্নের মতো ছিল, যা পূরণ হয়েছে।

    সিনেমাটি প্রযোজনা করেছেন করণ জোহর। এর আগে তিনি আলিয়া থেকে বরুণ ধাওয়ান, এর আগে একাধিক তারকা সন্তানকে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করিয়েছেন। বরাবরই তিনি তারকা সন্তানদের নিজের ছবিতে কাজ দেওয়ার জন্য পরিচিত। এর জন্য তাকে সমালোচনারও শিকার হতে হয়েছে। তা সত্ত্বেও তিনি আরও এক তারকা সন্তানের জন্য বলিউডের দরজা খুলে দিলেন।

    ইব্রাহিম প্রসঙ্গে করণ জোহর বলেন, ইব্রাহিমের সঙ্গে প্রথম সাক্ষাৎ অনেকটা সইফের সঙ্গে দেখা হওয়ার মতো। আমি ওদের পরিবারকে প্রায় ৪০ বছর ধরে চিনি। তাদের সঙ্গে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করেছি। আমি জানি এই পরিবারের রক্ত এবং তাদের আবেগে সিনেমা রয়েছে। আমার বিশ্বাস সিনেমার পর্দায় খুব শিগগিরই ঘর করে নেবে ইব্রাহিম। সেই অপেক্ষায় রয়েছি।

    ‘নাদানিয়া’ সিনেমাটি আরও একটি কারণে স্পেশাল হয়ে উঠেছে, কারণ এই সিনেমায় বহু বছর পর পর্দায় অভিনয় করতে দেখা যাবে সুনীল শেট্টি, দিয়া মির্জা, যুগল হংসরাজ এবং মহিমা চৌধুরীকে। নস্টালজিয়া এবং নতুন প্রজন্ম যে এই সিনেমায় মিলেমিশে একাকার হতে চলেছে, তা আরও একবার প্রমাণ হয়ে গেল ট্রেলারে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অতীত খুঁড়ে বার করলেন সাইফের ভগ্নিপতি কুণাল

    পতৌদি পরিবারের নবাব বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খানের ওপর হামলার ঘটনায় স্তম্ভিত হয়ে পড়েছিলেন মুম্বাইয়ের বাসিন্দারা। মধ্যরাতে বিলাসবহুল বহুতল ভবনে ঢুকে পড়েছিলেন এক দুষ্কৃতকারী। বাধা দিতে গেলে সাইফকে ছুরিকাঘাতে রক্তাক্ত করেছিলেন তিনি। ১২ বছর আগে প্রায় একই রকম ঘটনা ঘটেছিল সোহা আলি খানের বাড়িতেও। সেই পুরোনো ঘটনা অতীত খুঁড়ে বার করলেন সাইফের ভগ্নিপতি কুণাল খেমু।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কুণাল বলেছেন, দুর্ভাগ্যবশত ১২ বছর আগে আমি এমনই একটা পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছিলাম। সোহার বাড়িতে এক দুষ্কৃত ঢুকে পড়ার চেষ্টা করেছিলেন। আমি তখন উপস্থিত ছিলাম সেখানে। সেটিও ডাকাতির ঘটনাই ছিল। তবে সৌভাগ্যবশত আমার সকাল সকাল ঘুম ভেঙে গিয়েছিল। ধরে ফেলেছিলাম সেই দুষ্কৃতকারীকে। তারপর থানায় নিয়ে গিয়েছিলাম।

    তিনি বলেন, এসব ঘটনা ঘটতেই থাকবে। তাই নিজেদের সতর্ক থাকতে হবে বলে মনে করেন তিনি। কুণাল বলেন, আমাদেরই সাবধানে থাকতে হবে। আমরা বলে দিতে পারি না, আমাদের শহর খুব নিরাপদ, সোনার গহনা পরে রাস্তায় শুয়ে থাকলেও কিছু হবে না! তাই সব রকমভাবে নিজেকে ও নিজের পরিবারকে সুরক্ষিত রাখতে হবে। 

    তিনি বলেন, তার মানে কি এই যে আমি বলব— এই শহরে আমি নিরাপদে নেই, সেটিও আমি বলছি না। আমি এখনো মনে করি, বাস করার জন্য মুম্বাই শহরই অন্যতম সেরা। এই ধরনের ঘটনা সর্বত্র ঘটে।

    উল্লেখ্য, ঘটনা ২০১১ সালের। তখন সম্পর্কে ছিলেন সোহা ও কুণাল। মুম্বাইয়ের খার এলাকায় সোহার ফ্ল্যাটে এ ঘটনা ঘটেছিল। ভোরের দিকে হঠাৎই এক অচেনা কণ্ঠ শুনতে পান যুগল। তড়িঘড়ি ঘর থেকে বেরিয়ে গিয়ে কুণাল দেখেন, এক দুষ্কৃত বাড়িতে ঢোকার চেষ্টা করছেন। কুণালকে দেখতে পেয়ে সেই দুষ্কৃত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু টাল সামলাতে না পেরে পড়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে পড়েন কুণাল। ধরে ফেলেন সেই দুষ্কৃতকারীকে। তাকে থানায় নিয়ে যান।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ছুরিকাণ্ডের পর একসঙ্গে বিয়েতে সাইফ-কারিনা

    সাতপাকে বাঁধা পড়লেন কারিনার ফুফাতোভাই আদর জৈন ও আলেখ্য আদভানি। আর এদিন তাদের বিয়েতে এসেছিলেন বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খান ও অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খান। সাইফ বাসায় ছুরিকাহত হওয়ার পর এই প্রথমবার তারকা দম্পতি ধরা দিলেন কোনো সামাজিক অনুষ্ঠানে।

    আদর জৈন ও আলেখ্য আদভানি মুম্বাইয়ে সাতপাকে বাঁধা পড়লেন। সেখানেই এদিন জুটিতে হাজির হলেন কারিনা কাপুর খান ও সাইফ আলি খান। গতকাল শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) তাদের এই গ্র্যান্ড বিয়েতে হাতে হাত ধরে আসতে দেখা যায়। তাদের এতদিন পর, বিশেষ করে ছুরিকাণ্ডের পর একসঙ্গে দেখে উচ্ছ্বাসে ভেসে যান সবাই। ফটোগ্রাফাররা চিৎকার করতে থাকেন। কেউ কেউ তাকে নবাব বলে ডাকেন।

    এদিন সাইফ প্রথমে একা কিছু ছবি তোলেন। তার পর কারিনা তার সঙ্গে যোগ দেন। তাদের এদিন সাবেকি রাজকীয় সাজে দেখা যায়। কারিনা কাপুর খান এদিন একটি লাল রঙের শাড়ি পরেছিলেন। তাতে ভরাট হলুদ জরির কাজ ছিল। সঙ্গে ম্যাচিং স্লিভলেস ব্লাউস পরেছিলেন। গায়ে ছিল সবুজ পাথরের গহনা। হাতে নিয়েছিলেন একটা ব্যাগ। চুল খোলা রেখে মানানসই মেকআপ করে ধরা দেন অভিনেত্রী। অন্যদিকে সাইফ আলি খান পরেছিলেন একটি কালো রঙের বন্ধ গলা শেরওয়ানি ও সাদা পায়জামা।

    এর আগে ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে রোকা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় আলেখ্য আদভানি ও আদর জৈনের। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। গোয়ায় বসেছিল সেই অনুষ্ঠানের আসর। এদিন তারা সামাজিকভাবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলেন।

    উল্লেখ্য, বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খান গত ১৫ জানুয়ারি গভীর রাতে নিজ বাড়িতে দুষ্কৃতকারীর হাতে আক্রান্ত হওয়ার পর মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে শয্যাশায়ী ছিলেন। সেখানে সফল অস্ত্রোপচারের পর তাকে আইসিইউ থেকে জেনারেল বেডে নেওয়া হয়। অবশেষে পাঁচ দিন হাসপাতালে থাকার পর মঙ্গলবার  বাড়ি ফেরেন অভিনেতা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সাইফ সুস্থ হতেই শুটিংয়ে কারিনা কাপুর

    পতৌদি পরিবারের নবাব বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খান আগের তুলনায় বেশ ভালো আছেন। সদ্য লীলাবতী হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসকদের পরামর্শ নিয়ে এসেছেন তিনি। সম্প্রতি নিজের ওপর হামলা নিয়ে কথা বলেছেন অভিনেতা, যা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এর মধ্যেই নিজের সিনেমার প্রচারও সেরে ফেলেছেন সাইফ আলি খান। 

    নবাব পরিবার ক্রমশ ভয়াবহ পরিস্থিতি ভুলে স্বাভাবিক ছন্দে ফেরার চেষ্টা করছে। আর তাই গতকাল মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) শুটিংয়ে ফিরলেন সাইফপত্নী কারিনা কাপুর খান। বন্দি হলেন ফটোসাংবাদিদের ক্যামেরায়। মেকআপ ভ্যানে ঢুকছেন অভিনেত্রী— সেই ছবি মুহূর্তে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল। ভক্ত-অনুরাগী থেকে সহ-অভিনেতা— প্রত্যেকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কারিনাকে।

    ধূসর সোয়েট শার্ট, কালো জিন্স আর রোদচশমায় দ্যুতিময় কারিনা। হাসিমুখে নবাবপত্নী ফটোসাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনে দাঁড়ান। পতৌদি নবাব পরিবারের পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ জানান তাদের। এরপর মেকআপ ভ্যানে উঠে চলে যান। এদিনও কারিনাকে ঘিরে ছিলেন নিরাপত্তারক্ষীরা।

    উল্লেখ্য, ১৫ জানুয়ারির গভীর রাত নাড়িয়ে দিয়েছে পতৌদি পরিবারকে। মধ্যরাতে নিজের বাড়িতে হামলা। স্বামী গুরুতর জখম। কী করে তাকে বাঁচাবেন? কিছুতেই বুঝতে পারছিলেন না কারিনা। সাইফের কথা অনুযায়ী— অভিনেত্রী শেষে নাকি চিৎকার করে আশপাশের সবাইকে ডাকছিলেন। যদি কেউ এসে সাইফকে হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু পড়শিরা নাকি ঘুমে অচৈতন্য! কেউ কারিনার চিৎকার শুনতে পাননি। পরিবারের সবাইকে আতঙ্কিত দেখে শেষে হাল ধরেন সাইফ। তিনি কারিনা-তৈমুরকে আশ্বস্ত করে বলেন, তোমরা চিন্তা কর না, আমি ঠিক আছি, আমি মরব না।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমার পরিবারের কেউ ক্ষতি করতে চায় না: সাইফ

    নিজের নিরাপত্তা নিয়ে মোটেও চিন্তিত নন পতৌদি পরিবারের নবাব অভিনেতা সাইফ আলি খান। বরং তিনি নবাবের মতো ঘোষণা করলেন— সেদিনের ঘটনা নিছকই ছোট্ট একটা ভুল মাত্র।

    এর আগে গত ১৫ জানুয়ারি গভীর রাতে নিজ বাড়িতে দুষ্কৃতকারীর হামলায় আহত হয়ে মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে শয্যাশায়ী ছিলেন অভিনেতা। পরে সফল অস্ত্রোপচার শেষে পাঁচ দিন হাসপাতালে থাকার পর বাসায় ফিরেন তিনি। সেদিনের সেই হামলা নিয়ে বহু ঘটনার মোড় নেয়। এবার সেই ঘটনায় নীরবতা ভাঙলেন সাইফ আলি খান। 

    যদিও সেই রাতে হামলার ঘটনা নিয়ে নানা কথা বলেছেন অভিনেতা। হামলাকারীর প্রতি সমব্যথী তিনি। অথচ বাবার নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তায় দুই পুত্র জেহ ও তৈমুর। তবে নিজের নিরাপত্তা নিয়ে মোটেও চিন্তিত নন নবাব।

    এদিকে এক মুহূর্তে যে কথা বলছেন, পরমুহূর্তে সেই কথা বদলে ফেলছেন সাইফ আলি খান। হামলার রাতে বাড়ি সুরক্ষিত ছিল না, তা নিয়ে খেদ প্রকাশ করেছেন অভিনেতা। উপযুক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকলে হয়তো এত বড় অঘটন ঘটত না। যুগপৎ বিস্মিতও! ভাবতেই পারেননি, তার বাড়িতে, তার পরিবারের সঙ্গে এ রকম কিছু ঘটতে পারে। এ-ও জানিয়েছেন, আত্মরক্ষার জন্য বন্দুক রাখার ছাড়পত্র আছে তার। সেদিন হাতের কাছে সেটি থাকলে না জানি কী ঘটে যেত! যদিও ভয় পেয়ে যাননি অভিনেতা।

    সাইফ বলেন, আমি আমাদের সুরক্ষা কিংবা নিজের সুরক্ষা নিয়ে চিন্তিত নই। আমার কোনো নিরাপত্তারক্ষীরও প্রয়োজন নেই। আমি চারপাশে তিনজন লোক নিয়ে ঘুরতে পছন্দ করি না। আমার মনে হয় না, আমার কোনো ভয় রয়েছে। আমার পরিবারেরও কেউ ক্ষতি করতে চায় না। একটা ভুল হয়েছে।

    যদিও এ ঘটনার পর সাইফের আবাসন সিসিটিভি ক্যামেরায় মুড়ে ফেলা হয়েছে। অভিনেতা যে তিনটি তলায় থাকেন, তার বারান্দায় লোহার গ্রিল লাগানো হয়েছে। এমনকি মূল প্রবেশদ্বারে বায়োমেট্রিকের ব্যবস্থা করা হয়েছে। অন্যদিকে অভিনেতার ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়টি দেখভাল করছেন রণিত, রয়েছে নিরাপত্তা এজেন্সি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • হামলার রাতে কারিনার ভূমিকা নিয়ে মুখ খুললেন সাইফ

    পতৌদি পরিবারের নবাব অভিনেতা সাইফ আলি খান গত ১৫ জানুয়ারি গভীর রাতে নিজ বাড়িতে দুষ্কৃতকারীর হামলায় আহত হয়ে মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে শয্যাশায়ী ছিলেন। পরে অস্ত্রোপচার শেষে পাঁচ দিন পর হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেন অভিনেতা। সেদিনের সেই হামলায় বাড়িতে ঘটে যাওয়া ঘটনায় অনেকে যেমন দুঃখ প্রকাশ করেছেন, তেমনি অনেকেই অভিনেতার স্ত্রী অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খানকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। 

    অনেকের মতে, নিশ্চয়ই কারিনা সেদিন মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। বাড়িতে এত কিছু ঘটল, কিন্তু তিনি কোথায় ছিলেন, তিনি কি আদৌ বাড়িতে ছিলেন?—এমন প্রশ্নের মুখোমুখি হলেন অভিনেতা। এ বিষয়টি নিয়ে শুরু থেকেই কোনো কথা বলেননি সাইফ আলি খান। এবার নীরবতা ভাঙলেন তিনি। কারিনা সম্পর্কে সমালোচনার ডালাপালা ছড়িয়ে পড়ায় আর চুপ থাকতে পারলেন না সাইফ। 

    অভিনেতা বলেন, সেদিন কারিনা ডিনার করার জন্য বাইরে গিয়েছিল। পর দিন সকালে কিছু কাজ ছিল বলে আমি বাড়িতেই ছিলাম। আমি যাইনি। ও ফিরে আসার পর আমরা কিছুক্ষণ গল্প করি এবং শুয়ে পড়ি। শুয়ে পড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই আমরা চিৎকার শুনতে পাই, কেউ একজন জেহর ঘরে ঢুকেছে ছুরি হাতে। টাকা চাইছে।

    সাইফ বলেন, চিৎকার শুনেই আমি ঘর থেকে বেরিয়ে আসি এবং লোকটিকে ঘর থেকে বের করার চেষ্টা করি। ধস্তাধস্তি হওয়ায় আমার পিঠে, কব্জিতে এবং ঘাড়ে আঘাত লাগে। তিনি বলেন, আমি যখন হাতাহাতি করছিলাম, তখন কারিনা জেহকে নিয়ে তৈমুরের ঘরে চলে যায়।

    এ অভিনেতা বলেন, কারিনা শুধু আমাকে নয়, বাচ্চা দুটোকেও সঙ্গে করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসে। ও ভয় পাচ্ছিল, যদি ওই লোকটা বা লোকটার অন্য কোনো সঙ্গী বাড়িতে থাকে, তাহলে বাচ্চাগুলোর ক্ষতি হয়ে যাবে। আমরা কোনোরকমে সিঁড়ি দিয়েই নিচে নামছিলাম। কারিনা ক্যাব, রিকশা ও অটোর জন্য চিৎকার করছিল। আমার পিঠে তখন অসহ্য যন্ত্রণা করছিল।

    সাইফ বলেন, বেবো বাচ্চা দুটোকে দিদির বাড়িতে রেখে আমাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে চাইছিল। বারবার পাগলের মতো সবাইকে ও ফোন করছিল, কিন্তু কেউ একবারও ফোন ধরেনি। এ অভিনেতা বলেন, আমি তখন বললাম— আমি ঠিক আছি। আমি মরব না। সবশেষে একটা অটো ধরে আমরা চারজনেই হাসপাতালে যাই।

    উল্লেখ্য, সাইফের ওপর যে হামলা করেছিল, সেই ব্যক্তির নাম মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম শেহজাদ। দীর্ঘদিন বিজয় দাস নামে ভুয়া পরিচয় নিয়ে ভারতে থাকছিল ওই ব্যক্তি। আপাতত পুলিশের হেফাজতে রয়েছে ওই দুষ্কৃতকারী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রক্তাক্ত সাইফকে দেখে কাঁপতে কাঁপতে যা বলেছিল তৈমুর

    পতৌদি পরিবারের নবাব বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খান গত ১৫ জানুয়ারি গভীর রাতে নিজ বাড়িতে দুষ্কৃতকারীর হাতে আক্রান্ত হয়ে মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে শয্যাশায়ী ছিলেন। পাঁচ দিন হাসপাতালে থাকার পর বাসায় ফিরেন তিনি। কিন্তু এর মধ্যে এই হামলা নিয়ে বহু নাটকীয় ঘটনা ঘটে। জানুয়ারি মাসের ঘটনা ফেব্রুয়ারিতেও থামেনি অভিনেতাকে নিয়ে নানান জল্পনা। 

    বাড়ি ফেরার পর গত সপ্তাহে একটি সিনেমার প্রচারে হাজির হয়েছিলেন সাইফ আলি খান। তবে সাংবাদিকদের কোনো প্রশ্নের উত্তর দেননি তিনি। অবশেষে আলোচিত সেই ঘটনা নিয়ে বোম্বে টাইমসের সঙ্গে কথা বলেছেন অভিনেতা। 

    সাইফ জানিয়েছেন, হামলাকারীর সঙ্গে লড়াই করতে গিয়ে আহত হওয়ার পর তার কুর্তা রক্তে ভেসে গিয়েছিল। সাইফের স্ত্রী কারিনা এবং দুই ছেলে তৈমুর ও জেহ নিচে নেমে হাসপাতালে যাওয়ার জন্য অটো বা ক্যাব খোঁজার চেষ্টা করেন।

    সাইফ বলেন, আমি বললাম, ব্যথা লাগছে। পিঠেও সমস্যা হচ্ছে। ও (কারিনা) বলল—তুমি হাসপাতালে যাও, আমি ছেলেদের নিয়ে বোনের (কারিশমা) বাড়ি চলে যাব। ও পাগলের মতো ফোন করছে একে–ওকে। কেউ ফোন তুলছিল না। এরপর ও অসহায়ের মতো তাকায় আমার দিকে। 

    অভিনেতা বলেন, আমি শান্ত করতে ওকে বলি— আমি ভালো আছি, আমি মরব না। এরপর তৈমুরও আমাকে প্রশ্ন করে— তুমি কি মরতে যাচ্ছ? আমি ওকেও বলি, না।

    অথচ চিকিৎসকের কথা অনুযায়ী, সাইফের বড় ছেলে ইব্রাহিম তাকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন। লীলাবতী হাসপাতালের চিকিৎসকরা সেই একই কথা বলেন, আহত সাইফের সঙ্গে ইব্রাহিম ও আট বছরের তৈমুরও এসেছিল।

    এ বিষয়ে অভিনেতা বলেন, ‘ও (তৈমুর) ভীষণ ঠান্ডা মাথায় ছিল। আমাকে বলল—আমি তোমার সঙ্গে আসছি। আমারও তখন মনে একটা ভয় কাজ করছিল, যদি কিছু হয়ে যায়… ওকে দেখে আসলে খুব শান্তি লাগছিল। 

    তিনি বলেন, আমিও একা হাসপাতালে যেতে চাইনি। আমার স্ত্রী জেনেই ওকে সঙ্গে পাঠিয়েছিল—ও কী করতে পারে। আমার তখন ভালো লাগছিল যে, তৈমুর সঙ্গে যাচ্ছে। মনে হচ্ছিল সৃষ্টিকর্তা না করুন যদি কিছু হয়ে যায়…ও তো সঙ্গে থাকবে। আর ও নিজেও সেটা চাইছে। তখন আমরা তিনজনই হাসপাতালে চলে যাই, আমি, তৈমুর আর হরি, অটোয় চেপে।’

    উল্লেখ্য, ২১ জানুয়ারি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান সাইফ আলি খান। চলতি মাসের শুরুর দিকে নেটফ্লিক্স ইন্ডিয়ার একটি অনুষ্ঠানে প্রথম জনসমক্ষে আসেন অভিনেতা। গলায় ব্যান্ডেজ ও হাতে কাস্ট নিয়েই মঞ্চে উঠে সাইফ ‘জুয়েল থিফ’-এর প্রচার করেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ফের হাসপাতালে সাইফ

    বলিউড অভিনেতা নবাব সাইফ আলি খান এর আগে গত ১৫ জানুয়ারি গভীর রাতে নিজ বাড়িতে দুষ্কৃতকারীর হাতে আক্রান্ত হওয়ার পর মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে শয্যাশায়ী ছিলেন। পরে সফল অস্ত্রোপচার শেষে পাঁচ দিন হাসপাতালে থাকার পর বাসায় ফিরেন তিনি। এর মধ্যে এই হামলা নিয়ে বহু নাটকীয় ঘটনার মোড় নেয়। জানুয়ারি মাসের ঘটনা ফেব্রুয়ারিতেও থামেনি অভিনেতাকে নিয়ে জল্পনা। এর মাঝে গতকাল রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) আবার লীলাবতী হাসপাতালে দেখা গেল অভিনেতাকে।

    ছয়বার ছুরির কোপ পড়েছিল সাইফ আলি খানের শরীরে। শিরদাঁড়ার কাছে বিঁধে ছিল ভাঙা ধাতব ফলা। সেখান থেকে বেরিয়ে এসেছিল সেরিব্রো-স্পাইনাল তরল। যার শরীরের এমন ধকল গেছে, তিনি মাত্র পাঁচ দিনেই সুস্থ হয়ে গটগটিয়ে হেঁটে বাসায় ফিরেছিলেন। সাইফের এমন বীরদর্পে প্রত্যাবর্তন দেখে ফিসফাস শুরু হয় বলিপাড়ায়। 

    কেউ কেউ আবার সরাসরি প্রশ্ন তোলেন— এমন গুরুতর আঘাত লেগেছিল যার, তিনি মাত্র পাঁচ দিনে সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেন কীভাবে? কেউ কেউ একধাপ এগিয়ে গোটা ঘটনাকে ‘সাজানো নাটক’ বলেও ব্যাখ্যা দিয়েছেন। জানুয়ারির ঘটনা ফেব্রুয়ারিতেও সাইফকে নিয়ে জল্পনা থামাতে পারেনি। এর মধ্যেই আবার লীলাবতী হাসপাতালে অভিনেতা, কিন্তু কেন?

    জানা গেছে, গতকাল রোববার পরনে সাদা টিশার্ট, ডেনিম প্যান্ট, চোখে রোদ চশমা, চুলে উল্টে আঁচড়ানো পরিপাটি হয়ে কড়া নিরাপত্তাবেষ্টনীর মধ্যেই হাসপাতালে ঢুকলেন সাইফ আলি খান। এবারও একেবারে ঋজু তিনি। যদিও প্রথমবার হাসপাতাল থেকে ফেরার দিন সাংবাদিকদের দেখে অভিবাদন জানিয়েছিলেন। এবার সেসব এড়িয়ে গেলেন অভিনেতা। সোজা হাসপাতালে ঢুকে গেলেন। 

    এদিকে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার সময়ই চিকিৎসকরা বলেছিলেন— মাঝেমধ্যে এসে তাকে চেকআপ করাতে হবে। সে রকমই ‘রুটিন চেকআপে’ গিয়েছিলেন সাইফ আলি খান। চিকিৎসকরা তাকে চেকআপ করে আপাতত বিশ্রাম নিতে বলেছেন তাকে। সম্প্রতি নেটফ্লিক্সের অনুষ্ঠানে দেখা গিয়েছিল সাইফকে।

    বিনোদন ডেস্ক