Tag: সাইফ আলি খান

  • দিল্লির পানশালায় ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন সাইফ আলি

    বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খান তারকা পরিবারের সন্তান হলেও খুব একটা প্রচারে থাকতে পছন্দ করেন না। অভিনয়ের পাশাপাশি গানবাজনা ও পড়াশোনাতেও তার আগ্রহ রয়েছে। তাই ভক্ত-অনুরাগীর সংখ্যা নেহাত কম নয় এ অভিনেতার। আর খ্যাতি থাকলে যে তার বিড়ম্বনাও থাকে— এটিই স্বাভাবিক।

    rnrn

    আজ খ্যাতির জন্যই এমন প্রায় বিড়ম্বনার মুখোমুখি হন নবাব সাইফ আলি খান। দিল্লির পানশালায় এক অনুরাগী ও তার প্রেমিকের সঙ্গে দেখা হয়। অনুরাগীর সঙ্গে সাইফকে পানশালায় নাচতে হবে, এটিই ছিল অনুরাগীর প্রেমিকের বিশেষ অনুরোধ।

    rnrn

    আনন্দবাজার প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৪ সালে দিল্লির এক পানশালার ঘটনা। নেহা ধুপিয়ার চ্যাট শোয়ে এসে দিল্লির পানশালার ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন সাইফ আলি খান। সেই ঘটনার কথা তুলে ধরে তিনি। দিল্লি শহরে বা তার আশপাশে জটিলতা বা তরজা সাধারণত এড়িয়ে চলেন বলেও জানান এ অভিনেতা। দিল্লিতে নাকি সহজেই মানুষ কলহে জড়িয়ে পড়েন। আর সেবার এক ভক্তের প্রেমিকের সঙ্গে নাকি হাতাহাতিও হয়েছিল সাইফ আলি খানের।

    rnrn

    সূত্র জানায়, সেই পানশালায় অনুরাগী ও তার প্রেমিকের সঙ্গে দেখা হয়। অনুরাগীর সঙ্গে সাইফকে সেখানে নাচতে হবে। এটিই ছিল অনুরাগীর প্রেমিকের অনুরোধ। কিন্তু সেই অনুরোধ রাখতে রাজি হননি এ অভিনেতা। সঙ্গে সঙ্গে চটে যান অনুরাগীর প্রেমিক। তিনি হুমকি দিয়ে বলেন, তোমার মুখ মেরে ক্ষতবিক্ষত করে দেব। প্রথমে এই হুমকিতে খুব একটা গুরুত্ব দেননি সাইফ। কিন্তু সেই অনুরাগীর প্রেমিক নাকি কাচের গ্লাস ছুড়ে মারেন তার কপালে বলে জানান এ অভিনেতা।

    rnrn

    সাইফ আলি বলেন, শুধু ওই যুবকের প্রেমিকার সঙ্গে নাচতে রাজি হইনি বলে এই কাণ্ড ঘটিয়েছিলেন তিনি। প্রথমে আমাকে হুমকি দেন। তার পর ওই ব্যক্তি আমার কপালে কাচের গ্লাস ছুড়ে মারেন। সেদিন বিষয়টি হাতাহাতির পর্যায় পৌঁছেছিল।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কী দেখে সাইফের প্রেমে পড়েছিলেন কারিনা?

    ২০১২ সালে সাইফ আলি খানের সঙ্গে বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন কারিনা কাপুর খান। তবে, বিয়ের আগের পাঁচ বছর একসঙ্গে ছিলেন এই জুটি। সাইফের থেকে কারিনা ১০ বছরের ছোট। বিয়ের সময় থেকেই বয়সের ফারাক এবং ভিন্ন ধর্মে গাঁটছড়া বাঁধা নিয়ে নানা কটাক্ষ শুনতে হয় বলিউডের এই জুটিকে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে করিনা জানিয়েছেন, সাইফের কোন বিষয়টি তাকে আকর্ষণ করেছিল। আর কেনই বা তাকে বিয়ে করেছেন।

    ওই সাক্ষাৎকারে করিনা বলেন, সাইফের সঙ্গে প্রথম দেখা হওয়ার পরেই মনে হয়েছিল, এত সুদর্শন পুরুষ আমি আগে দেখিনি। ওর চোখের মধ্যে অদ্ভুত এক ঝলক ছিল। খুব হাসিখুশিও মনে হয়েছিল তাকে দেখে। সবচেয়ে বড় কথা, ওর চোখ দু’টো দেখে খুব দয়ালুও মনে হয়েছিল আমার। নারীরা এই বিষয়টিই সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন। ওর মধ্যে কোনো ভণিতাও দেখিনি সেদিন। এটাই আমার প্রথম সাক্ষাতে খুব ভালো লেগেছিল।

    জানা যায়, ২০০৪-এ অভিনেত্রী অমৃতা সিংহের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হয় সাইফের। তার পরের বছর অর্থাৎ ২০০৫-এ কারিনার সঙ্গে প্রথম ফটোশুট করেন সাইফ। ‘টশন’, ‘ওমকারা’, ‘কুরবান’-এর মতো ছবিতে একসঙ্গে কাজ করেছিলেন এই জুটি। তবে এখনও প্রতিনিয়ত সাইফকে নাকি নতুনভাবে আবিষ্কার করেন কারিনা।

    বিয়ে নিয়ে কারিনা বলেন, মানুষ তখনই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয়, যখন তারা সন্তানের জন্ম দেওয়ার কথা ভাবে। না হলে তো একসঙ্গে থাকলেই হয়! বিয়ের আগে আমি আর সাইফ পাঁচ বছর একসঙ্গে ছিলাম। এরপর আমরা যখন সন্তানের জন্ম দেওয়ার কথা ভাবি, তখন বিয়ে করি।

    উল্লেখ্য, বর্তমানে সাইফ-কারিনার দুই সন্তান রয়েছে। তারা হলেন তৈমুর এবং জাহাঙ্গীর। কিছুদিন আগেই জন্ম নিয়েছে জাহাঙ্গীর। প্রায়ই ‘সুখী’ সংসারের নানা মুহূর্তে সমাজমাধ্যমে শেয়ার করেন কারিনা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভাইকে নিয়ে কেন এত আফসোস সারার!

    বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খান ও অভিনেত্রী অমৃতা সিং। ভালোবেসে ১৯৯১ সালে বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন তারা; কিন্তু ২০০৪ সালে ১৩ বছরের সংসারের ইতি টানেন তারা। সারা আলি খান ও ইব্রাহিম খান নামে দুটি সন্তান রয়েছে সাবেক এই দম্পতির।

    অমৃতা-সাইফের বিচ্ছেদের পর থেকে সারা-ইব্রাহিম তাদের মায়ের সঙ্গেই থাকে। সেই সময় ইব্রাহিমের বয়স মাত্র ৩ বছর। দিদি সারার বয়স ৯ বছর। নানা চড়াই-উৎরাই পার করে বেড়ে উঠতে হয়েছে তাদের। তবে সবকিছু ছাপিয়ে দুই ভাইবোনের খুঁনসুটিতে ভরপুর মিষ্টি সম্পর্কের কথা কমবেশি সবারই জানা। 

    সম্প্রতি মুম্বাই সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভাই ইব্রাহিমের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুলেছেন সারা।

    এ সাক্ষাৎকারে সারা আলি খান বলেন, ছোটবেলা থেকেই বড়দিদি নয়, যেন ইব্রাহিমের মা হয়ে উঠেছেন তিনি। ভাইকে সবকিছু থেকে রক্ষা করা, ভাইয়ের কোনো কিছুতে যেন অসুবিধা না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতেন তিনি। তবে এ দায়িত্ব তাকে কেউ দেয়নি। বরং নিজেই স্নেহের বশে এ দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন সারা। 
    অভিনেত্রী বলেন, ইব্রাহিম দুই মায়ের সান্নিধ্যে বড় হয়েছে। তাই অনেক নিয়ম মেনে চলতে হয়েছে তাকে। এখন বড় হওয়ার পর ভাইকে নিজের থেকেও অনেক বুদ্ধিমান আর পরিপক্ব মনে হয় সারার। 

    সারা আরও বলেন, এখন তার আফসোস হয়, কেন ছোটবেলায় ভাইকে মায়ের মতো শাসন করতেন তিনি- এই ভেবে।
    সারা আলি খানকে সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল ‘অ্যায় ওয়াতান মেরে ওয়াতান’ সিনেমায়। তার অভিনয়ের জন্য সমালোচকদের প্রশংসা পেয়েছিলেন সারা এবং সিনেমাটি ভক্তদের কাছ থেকে একটি ইতিবাচক প্রতিক্রিয়াও অর্জন করেছিল।

    এদিকে আদিত্য রায় কাপুরের সঙ্গে অনুরাগ বসুর ‘মেট্রো ইন ডিনো’তে অভিনয় করবেন সারা। এ ছবিটিতে অনুপম খের, পঙ্কজ ত্রিপাঠী, নীনা গুপ্তা, ফাতিমা সানা শেখ, আলি ফজল, এবং কঙ্কনা সেন শর্মারা প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন; যা ২৯ নভেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ছেলেদের বিষয়ে দাদি ‘চ্যাম্পিয়ন’: সারা

    বলিউড তারকা সাইফ আলি খান ও অমৃতা সিংহের যখন বিবাহবিচ্ছেদ হয়, সারা আলি খানের বয়স তখন মাত্র ৯ বছর। তার পরে মা আর ভাইয়ের সঙ্গেই থাকতেন অভিনেত্রী। বাবার সঙ্গে সারার সম্পর্ক ভালোই। সাইফ আর কারিনা কাপুরের বিয়ের পর সারার সঙ্গে সম্পর্কে অবনতি হয়নি সাইফের। ইনস্টাগ্রাম হোক কিংবা পাপ্পারাজ্জিদের ক্যামেরা, প্রায়ই বাবার সঙ্গে খোশমেজাজে দেখা যায় সারাকে। মা খান পরিবার ত্যাগ করার পর দাদি শর্মিলা ঠাকুরের সঙ্গে জমাটি রসায়ন সারার।

    rnrn

    দাদি শর্মিলা ঠাকুর, আর নাতনি হালের ‘হার্টথ্রব’ সারা আলি খান। ষাট ও সত্তর দশকে বলিউডে শর্মিলা ঠাকুরে মুগ্ধ হননি, এমন সিনেপ্রেমীর সংখ্যা বিরল। টানা টানা চোখ, বাহারি কেশসজ্জায় বঙ্গললনা রীতিমতো রুপোলি পর্দা কাঁপিয়েছিলেন। রাজেশ খন্নার সঙ্গে শর্মিলার পর্দার রসায়নে মজেছিল বি-টাউন। যদিও ক্রিকেট তারকা মনসুর আলি খান পাতৌডির সঙ্গে বিবাববন্ধনে আবদ্ধ হন শর্মিলা। একসময়ে যেমন শর্মিলাকে নিয়ে চর্চা হত তেমনই এখন চর্চায় নাতনি সারা। তার ও কার্তিক আরিয়ানের সম্পর্ক নিয়ে বলিউডের নানা মহলে নানা জল্পনা। এ ছাড়াও সম্প্রতি জাহ্নবী কাপুরের প্রেমিক শিখর পাহাড়িয়ার ভাইয়ের সঙ্গে সারা প্রেমে চর্চা বর্তমান। তবে পুরুষ সঙ্গীদের নিয়ে সারা যাবতীয় বুদ্ধি নেন শর্মিলার কাছ থেকে। তাকে ‘বড়ি আম্মি’ বলেন অভিনেত্রী।

    rnrn

    শর্মিলা যে তাদের পরিবারের ভিত্তি সে কথাই জানালেন সারা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সারা বলেন,‘আমার দাদি আমাদের পরিবারের কণ্ঠ। ২০২০ সালে যখন খুব কঠিন সময় দেখলাম। সেই সময় দাদিই সামলে ছিল। আমার বাবাও ছিল সঙ্গে। দাদি আমাদের শিকড়ের সঙ্গে জুড়ে রাখতে সাহায্য করে। আমার দাদি যেমন ঐতিহ্যকে আগলে রাখলেন ততটাই আধুনিক। আমাকে তো ছেলেদের বিষয়ে ভালো-মন্দ দিকগুলো তিনিই বুঝিয়ে দেন। আমার দাদি ‘চ্যাম্পিয়ন’ এ ব্যাপারে। তেমনই সমাজ জীবন নিয়ে আমাকে প্রতিমুহূর্তে আগলে রাখনে।’

    যুগান্তর ডেস্ক

  • সাইফের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর যাদের নিয়ে নতুন জীবন শুরু করেছিলেন অমৃতা 

    ১৯৮১ সালে ১২ বছরের ছোট সাইফ আলি খানকে বিয়ে করেছিলেন অমৃতা সিংহ। বলিউডের এই জুটির বয়সের ফারাক তাদের প্রেম পর্বের শুরু থেকেই ছিল চর্চায়। কিন্তু সংসার পাতার কয়েক বছরের মধ্যেই অশান্তি শুরু দুজনের। দুই সন্তান— ইব্রাহিম ও সারার জন্মও তাদের সম্পর্কের ভাঙন ঠেকাতে পারেনি।

    rnrn

    এক দীর্ঘ দাম্পত্য জীবন পেরিয়ে পথ আলাদা হয় সাইফ-অমৃতার। তবে বিচ্ছেদের পর এক মুহূর্তের জন্যও নিজেকে গুটিয়ে নেননি অমৃতা। চটজলদি ফিরেছিলেন কাজে। মন খারাপ করে এক জায়গায় আটকে থাকেননি। তার নেপথ্যে কারণ কী ছিল, জানালেন অমৃতা। 

    rnrn

    বাবা-মা যে ভালো নেই, তা অনেক ছোট বয়সেই টের পেয়েছিলেন সারা আলি খান। তবে বিবাহবিচ্ছেদের সিদ্ধান্তটা একেবারে ঠিক ছিল, খানিক বড় হয়ে বুঝেছিলেন সারা। নিজেই বলেছিলেন, বিচ্ছেদের পর এখন অনেক ভালো আছেন অমৃতা। সুখে আছেন সাইফও।

    rnrn

    অমৃতা নিজেই জানিয়েছেন, ছেলে বা মেয়ের কথা ভেবেই বিবাহবিচ্ছেদের পর অবসাদে নিজেকে ডুবিয়ে দেননি তিনি, বরং নতুন করে বাঁচতে চেয়েছেন। অমৃতার কথায়— ‘আমি কোনো দিনও চাইনি আমার সন্তানরা বড় হয়ে ভাবুক আমাদের অপদার্থ বাবা-মা আমাদের ছেড়ে দিয়েছে। তাই বাড়ি বসে অবসাদে ভোগা বা শারীরিকভাবে মুটিয়ে যাওয়া এগুলোকে পাত্তা দিতে চাইনি।’ 

    rnrn

    সারা এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘আমার মা দশটা বছর হাসতে ভুলে গিয়েছিল। বাবার সঙ্গে বিচ্ছেদ হওয়ার পর প্রথম মাকে প্রাণ খুলে হাসতে দেখেছি, আমাদের সঙ্গে মজা করতে দেখেছি। মা-বাবা একসঙ্গে থাকার দিনগুলোতে সেসব কখনো হতো না।’

    rnrn

    বিচ্ছেদের পর একাই ছেলে ও মেয়ে— ইব্রাহিম ও সারাকে বড় করে তুলেছেন অমৃতা। তবে সাইফের সঙ্গে তাদের মেলামেশায় বাধা ছিল না কখনই। বড় হয়ে ইব্রাহিম যেন হয়ে উঠেছে অবিকল কম বয়সের সাইফের মতো। আর সারা হুবহু তরুণী অমৃতার মতোই দেখতে। দুই ক্ষেত্রেই এতটাই মিল যে, দুজনের ছবি ধাঁধায় ফেলে দেওয়া অনুরাগীদেরও।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কামড় দেন সাইফ আলি খান, যেতে হয় হাসপাতালে

    ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা সাইফ আলি খান। তিনি ভারতীয় সাবেক তারকা ক্রিকেটার মনসুর আলি খান পতৌদির ছেলে। 

    rnrn

    বলিউডের এই জনপ্রিয় অভিনেতা সাইফ আলি খান নব্বইয়ের দশকে রাস্তায় মেজাজ হারিয়ে এক যুবককে কামড় দেন। ওই যুবকও তাকে কামড় দেয়। যে কারণে তাকে হাসপাতালে যেতে হয়। এমনটি জানিয়েছেন সাইফ আলি খানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু চলচ্চিত্র নির্মাতা কামাল সাদানাহ।

    rnrn

    সিদ্ধার্থ কান্নানের সঙ্গে একটি সাক্ষাত্কারে সেই ঘটনা তুলে ধরে কামাল জানান, আমরা (সাইফ আলি, অমৃতা সিং এবং আমি) কোথাও থেকে ফিরছিলাম, খুব সম্ভবত সাইফ গাড়ি চালাচ্ছিল। এরপর পিছন থেকে একটা গাড়ি হঠাৎ করেই আমাদের গাড়িকে টপকে সামনে চলে যায়। তখন মেজাজ হারিয়ে ওই গাড়ির লোকের সঙ্গে ঝগড়া শুরু করে দেন সাইফ আলি। আমি আর অমৃতা সিং গাড়িতে বসে তাদের ঝগড়া দেখছিলাম।

    rnrn

    কমল জানিয়েছেন, এরপর হাস্যকর একটি ঘটনা ঘটে। তারা দুজনেই ঝগড়া করতে গিয়ে মেজাজ হারিয়ে একে অপরকে কামড় বসিয়ে দেন। ঝগড়া শেষে দুজনেই নিজেদের পাগলামির জন্য হেসে দেন। এরপর সাইফ আলিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

    rnrn

    গত জানুয়ারিতে দোবারা ছবির শুটিং চলাকালীন সময়ে চোট পান সাইফ। যে কারণে তাকে হাসপাতালে যেতে হয়। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • কেমন ক্রিকেট খেলেন কারিনা, জানালেন সাইফ আলি খান

    ভারতীয় স্ট্রিট প্রিমিয়ার লিগে কলকাতা দলের মালিক সাইফ আলি খান এবং কারিনা কাপুর খান। তাদের দলের নাম- টাইগার্স অফ কলকাতা। এ টিমের জন্য এক প্রেস কনফারেন্সে হাজির হয়েছিলেন দুজন। সেখানে এক সাংবাদিক কারিনার প্রতি আক্ষেপ করে বলেন, যদি সে (কারিনা) ক্রিকেট খেলতে পারত!

    rnrn

    সাংবাদিকের মুখে এ কথা শুনে নরম সুরে সাইফ জানান, অবশ্যই সে পারে। তখন মুখে হাসি নিয়ে কারিনা জানান, খেলোয়াড় হিসেবে তিনি মোটেই ভালো নন। তবে বসে খেলা দেখতে পছন্দ করেন। 

    rnrn

    কারিনা বলেছেন, আমি ভালো খেলোয়াড় নই। বল মারতে পারি না। কিন্তু খেলার আর দেখার মজাই আলাদা। তাই আমি নজর রাখি। আমি দর্শক। সাইফ খেলোয়াড়।

    rnrn

    ম্যাচের ইভেন্টে টিমের জার্সি পরে দেখা মেলে দুই তারকার। সদ্য জামনগর থেকে ফিরেছেন বলিউজ সেলেবরা। এরপরই ক্রিকেটের মাঠে দেখা গেল অভিনয় আর ক্রিকেট জগতের তারকা ব্যক্তিত্বদের একসঙ্গে। মুম্বাইয়ে ইন্ডিয়ান স্ট্রিট প্রিমিয়ার লিগের (আইএসপিএল) উদ্বোধনী দিনে রামচরণ, অক্ষয় কুমার, সুরিয়া এবং বোমান ইরানি একফ্রেমে ধরা দেন। তারকারা চার্টবাস্টার গান 'নাটু নাটু'-তে নেচেছেন। প্রবীণ অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন এবং তার ছেলে অভিষেক বচ্চনও উপস্থিত ছিলেন।

    rnrn

    সাবেক কিংবদন্তি ক্রিকেটার শচিন টেন্ডুলকর তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন। এদিন সকালে রামচরণ আর শচিনের মাঠে থাকার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল ভাইরাল হয়েছে। 

    rnrn

    সম্প্রতি ইন্ডিয়ান স্ট্রিট প্রিমিয়ার লিগ শুরু হয়েছে। থানেতে হচ্ছে ম্যাচ। এ ম্যাচে প্রথম ম্যাচটাতে মুখোমুখি হয়েছে মাস্টার একাদশ ও খিলাড়ি একাদশ। মাস্টার একাদশকে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন শচিন টেন্ডুলকর। আর অন্যদিকে খিলাড়ি একাদশ দল হচ্ছে অক্ষয় কুমারের। এ দিন কমেডিয়ান ও বিগ বগ জয়ী মুনাওয়ার ফারুকির বলে আউট হলেন শচিন টেন্ডুলকর। এমনই এক ঘটনার সাক্ষিী থাকল ক্রিকেট মহল। শচিনের আউটে স্টেডিয়াম পুরো স্তব্ধ হয়ে যায়। ক্রিকেটের ঈশ্বরকে আউট করে মুনাওয়ার আনন্দ লাফিয়ে ওঠেন। 

    rnrn

    শুরু হয়েছে ইন্ডিয়ান স্ট্রিট প্রিমিয়ার লিগ বা আইএসপিএল। মুম্বাইয়ে হচ্ছে প্রথম বছরের প্রতিযোগিতা। মোট ১৯টি ম্যাচ হবে প্রতিযোগিতায়। খেলা হবে ১০ ওভারের। ক্রিকেটের পরিচিত ডিউস বলের পরিবর্তে খেলা হচ্ছে টেনিস বলে। ঠিক যেমন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে রাস্তায়, মাঠে খেলা হয়ে থাকে। প্রথম বছরের প্রতিযোগিতায় রয়েছে ছয়টি ফ্র্যাঞ্চাইজ়ি। মুম্বাই ছাড়াও হায়দরাবাদ, বেঙ্গালুরু, কলকাতা, চেন্নাই এবং শ্রীনগরের দল আছে।

    অনলাইন ডেস্ক

  • বয়স নিয়ে চিন্তা হওয়া উচিত সাইফের, আমার নয়: কারিনা

    সাইফ আলি খান প্রথমে বিয়ে করেছিলেন অভিনেত্রী অমৃতা সিংকে। সাইফের বয়সের তুলনায় অমৃতা ছিলেন অনেকটাই বড়। সেই বিয়ে টেকেনি। 

    ২০১২ সালে কারিনা কাপুরের সঙ্গে মালাবদল করেন বলিউড সুপারস্টার। সাইফের চেয়ে ১০ বছরের ছোট কারিনা। 

    বিয়ের সময় থেকেই বয়সের ফারাক এবং ভিন্ন ধর্মে গাঁটছড়া বাঁধা নিয়ে নানা কটাক্ষ শুনতে হয় দু’জনকে। বিয়ের প্রায় এক যুগ পর এই বিতর্ক নিয়ে মুখ খুললেন কারিনা।

    সাইফের জন্ম ১৯৭০ সালের আগস্টে, কারিনার ৮০ সালের সেপ্টেম্বরে। সঙ্গী সাইফের বয়স নিয়ে ভাবতেই নারাজ কারিনা। অভিনেত্রীর মতে, বয়সের এতোখানি তফাতই নাকি সম্পর্কের জাদু ধরে রাখে। শুধু তা-ই নয়, কারিনার মতে, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাইফ যেন আরও বেশি সুন্দর হচ্ছেন। জানিয়েছেন, বয়সের এই তারতম্যের জন্য তিনি খুশি। বরং ভয় পাওয়ার কথা নাকি সাইফের। 

    ‘আমার কাছে বয়সটা একেবারেই ভাবনার বিষয় নয়। সাইফ আগের থেকে অনেক বেশি সুন্দর হয়েছে। কে বলবে ওর বয়স ৫৩। আমি খুশি। আসলে সাইফেরই খানিক চিন্তায় থাকা উচিত, আমার নয়। বয়স নয় বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধাটাই আসল’—যোগ করেন কারিনা।

    কারিনা পাঞ্জাবি পরিবারের মেয়ে, বিয়ে করেন মুসলিম সাইফকে। শুধু বয়স নয়, লোকের আলোচনার বিষয় ছিল দু’জনের ভিন্ন ধর্ম নিয়েও।

    এ প্রসঙ্গে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কারিনা বলেন, আমাদের সম্পর্কে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল- আমরা একে অপরকে ভালবাসি। আসলে আমাদের সম্পর্কে ধর্ম কিংবা বয়সের মতো বিষয়গুলো কোনও প্রতিবন্ধকতা নয়।

    বিয়ের আগে কারিনাকে দেওয়া কথা রেখেছেন সাইফ। বলেছিলেন, তার ক্যারিয়ারে কোনওদিন যেন কোনও রকম বাধা না দেন সাইফ। বিয়ে, সন্তান, সংসার— কোনও কিছুই কারিনার ক্যারিয়ারে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে পারেনি।

    বিনোদন ডেস্ক