Tag: শ্রীলেখা মিত্র

  • রাজ্য সরকারকে এক হাত নিলেন শ্রীলেখা

    এসএসসিকাণ্ড নিয়ে তোলপাড় রাজ্য। প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক চাকরি খোয়ালেন। ২০১৬ সালের গোটা প্যানেল বাতিল হওয়ায় ক্ষোভ ও কান্নায় ফেটে পড়েন অনেকেই। এমতাবস্থায় টালিউডের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেছেন।

    অভিনেত্রী এদিন বাংলার একটি প্রথম সারির সংবাদ পত্রিকার প্রথম পাতার বিজ্ঞাপনের ছবি শেয়ার করেছেন, যেখানে বেঙ্গল মিন্স বিজনেসের বিজ্ঞাপন দেখা যাচ্ছে। আর সেখানেই লেখা— ‘স্বাস্থ্য কিংবা শিক্ষা, বাংলা মানে ভরসা।’ এসএসসিকাণ্ডের পর ২৬ হাজার শিক্ষক চাকরি খোয়ানোর পর এ কথাকে ব্যঙ্গ করেছেন অভিনেত্রী।

    এদিন এ ছবিটি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে শ্রীলেখা লিখেছেন— আর কিছুই বলার নেই। কুড়ুল আর গাছ— দুটোই আমরা সমর্পণ করেছি, আমাদের কাটবে না তা হয় নাকি? এই তো এগিয়ে বাংলা। দয়া করে হাসবেন না এটা দেখে। 

    অনেকেই তার পোস্টে তাকে সমর্থন করেছেন। এক নেটিজেন লিখেছেন— বিপ্লব ছাড়া বিকল্প নেই। আরেক নেটিজেন লিখেছেন— পশ্চিমবঙ্গের শ্মশানে আর কিছু যদি হওয়ার থাকে, তা আনতে পারত যারা, তাদের মানুষ সেই কবে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে। এখন তো মানুষের সব রেডিমেট টাকা আর অনুদান তহবিল সংগ্রহ করেই বেঁচে থাকা, অন্তত এই পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে। 

    আবার কারও মতে, চপ শিল্প আর ভাতা শিল্প, দাদার স্টিল প্ল্যান্টের সঙ্গে সংগীত, পহেলা বৈশাখ, ঈদ ও কার্নিভ্যাল— এসব নিয়ে এগিয়ে।

    প্রসঙ্গত, প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিল হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট বহাল রেখেছেন হাইকোর্টের রায়কেই। যোগ্য-অযোগ্যদের কেন আলাদা করতে পারল না এসএসসি তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বহু সংসারে নেমে এসেছে অন্ধকার। রাজ্যসরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছেন অনেকেই। 

    এসবের মধ্যে বাংলার মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় বলেছেন, ‘যারা বঞ্চিত হয়েছেন, তারা একটা ডিপ্রাইভড টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন তৈরি করেছেন জাস্টিস পাওয়ার জন্য। শিক্ষামন্ত্রীকে তারা অনুরোধ করেছেন। সবাই মিলে একটা সভা করতে চান। আমি যদি সেখানে থাকি, মুখ্যসচিব, আইনজীবীরাও থাকবেন। আমি তাদের কথায় সাড়া দিয়ে আগামী ৭ তারিখ নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে যাব। শুনতে কোনো আপত্তি নেই।’ 

    যদিও বিরোধীরা বলছেন, এর দায় নিতে হবে বাংলার মুখ্য়মন্ত্রীকে। তিনি এখন আড়াল করার চেষ্টা করছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শ্রীলেখার ঘর গুছিয়ে দিচ্ছেন মুনমুন সেন, কেন?

    অভিনেত্রী মুনমুন সেনের পরনে ছাই রঙের ফুলেল শাড়ি ও হাতকাটা ব্লাউজ। টালিউড অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রের শেয়ার করা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, খাটের পাশের টেবিলে পানির বোতলগুলো গুছিয়ে রাখছেন সুচিত্রাকন্যা। কোনো সিনেমার শুটিং নাকি?

    শ্রীলেখা মিত্রের ঘর গুছিয়ে দিচ্ছেন মুনমুন সেন। কোনো সিনেমার দৃশ্য নয়। বাস্তবেই এমন ঘটেছে। সেই দৃশ্য নিজে সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করে নিয়েছেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা। এমন বিরল দৃশ্য দেখে নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছেন না অভিনেত্রী।

    গোছাতে গোছাতেই মুনমুন হঠাৎ বলে ওঠেন—আমি পেটিকোট খুঁজে পাচ্ছি না। এসব দেখে হতভম্ভ শ্রীলেখা। অভিনেত্রী বলেন, সবাই দেখুন কে আমার ঘর গুছিয়ে দিচ্ছেন! এই নারী আমার ঘর গুছিয়ে দিচ্ছেন। কোনো মানে হয়! আমি অবশ্য গোছাতেও দিচ্ছি। ভিডিও করছি, তবু গোছাতে নিষেধ করছি না।

    মুনমুন সেন ঘর গুছিয়েই চলেছেন। অন্যদিকে শ্রীলেখাও সেই মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করে চলেছেন। সুচিত্রা সেনের কন্যা তার ঘর গোছাচ্ছেন— এই দেখে শ্রীলেখা চেঁচিয়ে ওঠেন— আমার লজ্জা করছে। কী মিষ্টি নারী। কিন্তু এসব শুনেও থামছেন না মুনমুন। একের পর এক পানির বোতল এনে বিছানার পাশে টেবিলে রাখছেন তিনি। তখন বাধ্য হয়ে শ্রীলেখাই বলেন, এবার তুমি থামো তো। শুধু পানির বোতল নয়। এর পর মুনমুন হাত দেন শ্রীলেখার স্যুটকেসে। জিজ্ঞেস করেন কোনটা কী। শ্রীলেখা বলে চলেন, কোন শাড়ির সঙ্গে কোন গহনা এনেছেন তিনি। পরিস্থিতি দেখে বোঝা যায়, কোনো হোটেলের ঘরে ঘটছে এ ঘটনা। তবে কি দুই অভিনেত্রী একসঙ্গে কোনো শুটিংয়ে গেছেন? না কি বেড়াতে গেছেন নিছক অবসর যাপনে? জানা যায়নি। 

    কারণ শ্রীলেখা মিত্রকে ফোন করেও পাওয়া যায়নি। শুধু পাওয়া গেছে এক অপার আনন্দের ছাপ। এই ভিডিও শেয়ার করে নিয়ে শ্রীলেখা লিখেছেন—কোনো মানে হয়! এত ভালোবাসা নিয়ে কী করি, কেউ দেয়নি।

    এই পোস্ট মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক মাধ্যমে। দুই অভিনেত্রীকে ঘরোয়া পরিবেশে এক ফ্রেমে দেখে মুগ্ধ তাদের অনুরাগীরাও। তাদের কথায়— সত্যিই ভাবা যায় না। খুবই মিষ্টি একজন নারী, তেমন সুন্দরীও। যদি সত্যিই কোনো শুটিংয়ের জন্য গিয়ে থাকেন দুই অভিনেত্রী, তবে আগামী দিনে বাঙালি অপেক্ষা করে থাকবে এক চমকের জন্য।

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রেম করতে চাই, বিয়ে নয়: শ্রীলেখা

    টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র সবসময় আলোচনায় থাকেন। আর আলোচনায় থাকতে তিনি হয়তো পছন্দও করেন। তবে কাউকে ছেড়ে কথা বলেন না। আর সে কারণে তার ভক্ত-অনুরাগীরাও তাকে বেশ পছন্দ করেন। সম্প্রতি আবার নিজের ব্যক্তিজীবন নিয়ে কথা বললেন শ্রীলেখা মিত্র। আর কথা বললেন সাবেক স্বামী, প্রেম-বিয়ে ও টালি ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ পাওয়া না পাওয়া নিয়ে। 

    অভিনেত্রী বলেন, কেন পরিচালকরা কাজ দেন না, সেটি তো আমি বলতে পারব না। এ প্রশ্নের উত্তর তারা দিতে পারবেন। তিনি বলেন, সদা সত্য কথা বলিবে, সত্য বই মিথ্যা বলিবে না— এটা তো ছোট থেকে শিখে এসেছি। তো এটার বাইরে কী করা যায় আমি জানি না।

    প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গ ওঠায় তিনি বলেন, ‘প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে তো কখনো খারাপভাবে কথা বলিনি। তবে মিষ্টি করে কথা বললে কাজ হতো কি হতো না জানি না সেটা। বুম্বাদার ওই পছন্দের তালিকায় আমি ছিলাম না। সেটুকু আমি জানি। উনি তো আমার সঙ্গে অনেক কাজ করেছেন আমার সঙ্গে আমার ছোটবেলায়।

    প্রেম করতে চান বলেও জানান শ্রীলেখা মিত্র। তিনি বলেন, যদি কারও সঙ্গে প্রেম হয়, তাহলে প্রথম শর্ত হচ্ছে— কুকুর ভালোবাসতে হবে। অভিনেত্রী বলেন, আমি তো দেখছি না কেউ প্রেমেটেমে পড়ছে। কোথায় তারা? কুকুর বলতেও আমার কেমন জানি লাগে। ওরা আমার বাচ্চা। নাম ধরে ডাকি।

    তবে প্রেম করতে চাইলেও তিনি বিয়ে করতে চান না অভিনেত্রী। এ বিষয়ে শ্রীলেখা বলেন, ‘প্রেমে পড়তে চাই। প্রেমে পড়ে উঠতে চাই— কিন্তু বিয়ে করতে চাই না। আমার এখনো একটা ইউনিট মনে হয় আমি, আমার সাবেক স্বামী ও মেয়ে। এই ইউনিটটা আমি ভাঙতে চাই না বলে জানান শ্রীলেখা মিত্র।

    উল্লেখ্য, অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রকে শেষবার মায়ানগর সিনেমা দেখা গেছে। তার অভিনীত এই সিনেমাটি দর্শকদের কাছে তুমুল প্রশংসা পেয়েছে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ইন্ডাস্ট্রি আমাকে খরচার খাতায় ফেলে দিয়েছিল: শ্রীলেখা

    আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্তের সিনেমা ‘মায়ানগর’-এর হাত ধরে অনেক দিন পর বড়পর্দায় টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। তার এই সিনেমাটি ২০২১ সালে ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রিমিয়ার হয়েছিল। বেশ লম্বা সময়ের পর অবশেষে বড়পর্দায় মুক্তি পেল ‘মায়ানগর’। গতকাল শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সিনেমাটির প্রিমিয়ারে কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন অভিনেত্রী।

    শ্রীলেখা বলেন, আমি নতুন করে নিজেকে প্রমাণ দেওয়ার পরীক্ষায় পাশ করলাম। ফেল তো করবই না, পাশ করবই। কিন্তু কীভাবে পাশ করলাম, সেটি মনে হয় গুরুত্বপূর্ণ। মাঝে অনেকগুলো বছর কেটে গেছে। অনেক দিন ধরে অপেক্ষা করে বসেছিলাম যে, ‘মায়ানগর’ সিনেমা কবে মুক্তি পাবে। বারবার মুক্তির কথা হলেও পিছিয়ে গেছে। তখন খানিকটা হতাশ হয়ে পড়েছিলাম। 

    তিনি বলেন, কিন্তু যখন ইন্ডাস্ট্রি আমাকে খরচার খাতায় ফেলে দিয়েছিল, সেই সময় এই সিনেমা এলো। এখানে আমি কামব্যাক করলাম বলব না, কিন্তু একটা ভালো কাজ উপহার দেওয়ার চেষ্টা করলাম মাত্র।

    অভিনেত্রী বলেন, বর্তমানে অনেক ভালো ভালো বাংলা সিনেমা হচ্ছে। কিন্তু আমাদের এই সিনেমাটি বর্তমান সময়ানুযায়ী রাজনৈতিক ও আর্থ-সামাজিক অবস্থা নিয়ে, অন্যরকমের গল্প বলবে। তবে এটা আমার একার সিনেমা নয়। এই সিনেমার মূল চরিত্র হচ্ছে— কলকাতা শহর। সেখানে থাকা কিছু মানুষের গল্প। তারা কি এই পরিবর্তনশীল কলকাতায় কেউ থমকে গেছে? এই বদলের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছে না? সেটা নিয়েই আমাদের সিনেমা।

    এই ছবির হাত ধরেই বিশ্বদরবারে আরও একবার সম্মানিত হয়েছিল বাংলা ছবি। শ্রীলেখা বলেন, কুড়ি বছর বাদে কোনো বাংলা ছবির হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছিলাম। রেড কার্পেটে হেঁটেছিলাম। আমি ভেনিস গিয়েছিলাম। ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে আমাদের সিনেমার প্রিমিয়ার হয়েছিল। ভারত থেকে সেই বছর একটাই সিনেমা নির্বাচিত হয়েছিল, আর সেটি হচ্ছে— আমাদের সিনেমা ‘মায়ানগর’। তখন এর নাম ছিল ‘ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ক্যালকাটা’ আর এখন এই সিনেমার নাম ‘মায়ানগর’। বিশ্বদরবারে যে অভ্যর্থনা আমি পেয়েছি, তাতে আমি আপ্লুত। আসলে এখানে তো ঘরকা মুরগি ডাল বরাবর। তবে ঠিক আছে। ওদের কাছে ভারতীয় সিনেমা  মানেই ছিল বলিউড। আমাদের এই ছবি দেখে ওরা বলেছিলেন— তোমার ওখানে এ ধরনের সিনেমাও হয়!’ ওরা মন থেকে আমাদের সিনেমাটা পছন্দ করেছিলেন।

    কিন্তু ছবির প্রিমিয়ারে প্রচুর দর্শক যে এসেছিলেন তা নয়। বেশ কিছু সিট ফাঁকা দেখে অভিনেত্রী বলেন, সিটগুলো খালি দেখে আমার খুব মন খারাপ লাগছে। সব বড় বড় পরিচালকের ক্ষেত্রে সিটগুলো ভর্তি থাকে তো। তারপর অভিনেত্রী তার সহ-অভিনেতাদের দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করেন— ‘ভুল বললাম আমি আবার?’ তখন অবশ্য বাকিরা হালকা হাসেন। তারপরই অভিনেত্রী দর্শকদের অনুরোধ জানান অন্য দর্শকদের সিনেমার বিষয়ে বলার জন্য।

    বহুল প্রচলিত কথা— ‘বাংলা ছবির পাশে দাঁড়ান’-এর প্রসঙ্গ টেনে নায়িকা বলেন, ‘বাংলা ছবির পাশে দাঁড়াতে হবে এমন কোনো মাথার দ্যিবি কারুর নেই, ভালো সিনেমার পাশে দাঁড়ান।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • সাইফকে নিয়ে যা বললেন শ্রীলেখা

    ভারতের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে সাইফ আলী খানের ওপর হামলার ঘটনা। বলিউড অভিনেতার ওপর হওয়া এই হামলা নিয়ে সবাই সরব। কেউ বলছেন নিরাপত্তা নিয়ে, আবার কেউবা সাইফের দ্রুত আরোগ্য চেয়ে করছেন দোয়া। কেউবা ছুটছেন হাসপাতালে। এ থেকে বাদ যায়নি টালিউড অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রও।

    সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে সাইফকে নিয়ে লেখেন শ্রীলেখা। বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে শ্রীলেখা সাইফের সঙ্গে থাকা কয়েকটি ছবি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি জানান, ছবিগুলো ২০০৭ সালের, থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে শুটিং চলাকালীন সময়ের। ওই শুটিং পরিচালনা করেন প্রদীপ সরকার।

    শ্রীলেখা লেখেন, ‘কারো জন্মদিন বা মৃত্যুদিনে ওই ব্যক্তির সঙ্গে তোলা কোনো ছবিই মানুষ সাধারণত সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেন। কিন্তু এই স্মৃতিচারণ আমার পছন্দ নয়। তার ওপর, এই সময়ে সাইফ ও তার পরিবার কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। পোস্টে সাইফের দ্রুত আরোগ্যের জন্য দোয়া করেন এই অভিনেত্রী।

    এদিকে মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাইফের অবস্থা এখন ভালো। তার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সাইফ ভালো আছেন। অন্যদিকে হামলাকারীর ছবি প্রকাশ করেছে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো। 

    গত বুধবার (১৫ জানুয়ারি) মুম্বাইয়ের পশ্চিম বান্দ্রায় নিচ বাড়িতে হামলা হয় সাইফের ওপর। বহুতল ভবনটির ৮ম তলায় থাকতেন সাইফ-কারিনা দম্পতি। সেদিন রাত ২টা ৩৩ মিনিটে হামলাকারীকে দেখা যায় সিঁড়িতে। সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামছিল মধ্যবয়স্ক ওই ব্যক্তি। জিন্স ও টিশার্ট পরা ওই ব্যক্তি নামার সময় এক পর্যায়ে ক্যামেরার দিকে তাকান।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঢাকাই সিনেমায় সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বসিত শ্রীলেখা

    ঢাকাই সিনেমায় কাজ করার জন্য কলকাতার অভিনেত্রীরা উদ্গ্রীব। রীতিমতো নিজেদের মধ্যেই দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে, কে কাকে সরিয়ে বাংলাদেশি কাজ দখলে নেবেন। সবার নজর এখন ঢাকার ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে। 

    এদিকে সম্প্রতি বাংলাদেশি একটি সিনেমা থেকে বাদ পড়েছেন কলকাতার ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। আর সে সুযোগের সদ্ব্যবহার করলেন শ্রীলেখা মিত্র। সুযোগটি তিনি লুফে নেন। 

    এদিকে শ্রীলেখার বাংলাদেশি সিনেমায় কাজ করার ইচ্ছা দীর্ঘদিনের। গত দুবছর আগেও বাংলাদেশে এসেছিলেন। তখনো কাজ করার সুযোগ চান বলে জানিয়েছেন। এবার তার সেই আশা পূরণ হলো। 

    সম্প্রতি ‘তরী’ নামে একটি সিনেমায় কাজ করছেন বলে নিশ্চিত করেছেন এর নির্মাতা রাশিদ পলাশ। জানুয়ারি থেকে শুটিংয়ে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে এ অভিনেত্রীর। 

    এদিকে ঋতুপর্ণার সঙ্গে শ্রীলেখার সম্পর্কও খুব একটা সুবিধার নয়। শ্রীলেখার দাবি, ঋতুপর্ণার জন্য তাকে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে নোংরা পলিটিক্সের শিকার হতে হয়েছে। তার জন্যই শ্রীলেখা আজ যে অবস্থানে থাকার কথা, সেখানে পৌঁছাতে পারেননি। তাই ঋতুপর্ণার জায়গায় নিজে কাজের সুযোগ পাওয়াতে বেশ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন শ্রীলেখা মিত্র।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘সরকার পড়ে যাওয়ার পর ঋতুপর্ণার বাড়িতে নাকি ছিল ফেরদৌস’

    গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গা ঢাকা দিয়েছেন আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের বেশিরভাগ নেতাকর্মী। তাদের মতোই পালিয়ে বেড়াচ্ছেন চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদও। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের টিকিটে নির্বাচন করে সংসদ সদস্য হয়েছিলেন তিনি।

    ফেরদৌস লাপাত্তা হওয়ার পর বিভিন্ন সূত্রে গুঞ্জন শুরু হয়, ভারতে পশ্চিমবঙ্গের অভিনেত্রী ঋতুপর্ণার বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন তিনি। যদিও ঋতুপর্ণা এটিকে স্রেফ গুঞ্জন বলে উড়িয়ে দেন।

    তবে সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-র সঙ্গে আলাপে আবার সে প্রসঙ্গ ফিরিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের আরেক অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। তিনি বলেছেন, ‘সরকার পড়ে যাওয়ার পর ঋতুপর্ণার বাড়িতে নাকি ছিল ফেরদৌস। যাই হোক, ওখানে তো একটা রেভ্যুলুশন হয়েছে। ওখানকার মানুষদের চাহিদার কথা তো মাথায় রাখতেই হবে।’

    ফেরদৌসের সঙ্গে সখ্যতার কারণে বাংলাদেশের সিনেমা ‘তরী’ থেকে বাদ পড়েছেন ঋতুপর্ণা। সিনেমাটির পরিচালক নিজেই জানিয়েছেন, বিতর্ক সৃষ্টি না করতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    ঋতুপর্ণাকে বাদ দিয়ে শ্রীলেখা মিত্রকে সিনেমায় কাস্ট করেছেন নির্মাতা রাশিদ পলাশ। এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেছেন, ’আমি জানতাম না ঋতুপর্ণার বিষয়টা। ওরা আমার সঙ্গে সিনেমার ব্যাপারে সেপ্টেম্বরের আগে যোগাযোগ করে। তখন কিছু ইস্যু হয়ে যাওয়ায়, আমার আর কাজটা করা হয়নি। পরে গল্পটা শুনে ভাল লেগেছিল। তারপর ওরা আমার সঙ্গে আলোচনা করল, কীভাবে কাজটা কি করা যায়। এভাবেই সম্পর্কটা তৈরি হলো।’

    শ্রীলেখা যোগ করেন, ‘তিনটা মেয়ের গল্প এই ছবিটা। ঐ দেশের নায়িকারা রয়েছেন। খুব ইন্টারেস্টিং একটা বিষয়।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ফেরদৌসের বন্ধু ঋতুপর্ণা আউট, শ্রীলেখা ইন

    ঢাকাই সিনেমার নায়ক ফেরদৌসের সঙ্গে বেশ ঘনিষ্ঠ ওপার বাংলার অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। প্রায় অর্ধশত ছবিতে একসঙ্গে অভিনয় করেছেন তারা। বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখলেই ফেরদৌসের বাড়িতে ঘুরতে যান ঋতুপর্ণা। ভারত গেলে ঋতুপর্ণার বাসায় না গিয়ে আসেন না বাংলাদেশের চিত্রনায়ক।

    জুলাই বিপ্লবের আগে আগে সেই ঋতুপর্ণাকে নিয়ে নতুন সিনেমার কাজ শুরু করেন ঢালিউডের রাশিদ পলাশ। ছবির নাম ‘তরী’। প্রথম লটের শুটিং হয়ে আটকে যায় বিপ্লবে অচলাবস্থার কারণে।

    তবে অবশেষে ৫ মাসের মাথায় জানা যায়, সিনেমা থেকে বাদ পড়েছেন ঋতুপর্ণা। যুক্ত হয়েছেন একই শহরের শ্রীলেখা মিত্র।

    রোববার (৮ ডিসেম্বর) বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন নির্মাতা রাশিদ পলাশ। তিনি বললেন, শ্রীলেখা মিত্রের বিষয়টি চূড়ান্ত করতে সম্প্রতি কলকাতায় গিয়েছিলাম। গতকাল (৭ ডিসেম্বর) ফিরেছি। শ্রীলেখাকে পেয়ে আমরা আনন্দিত।’

    নির্মাতা জানান, চিত্রনাট্যে ঋতুপর্ণার চরিত্রের যে পরিধি ছিলো সেটি আরও বাড়ছে শ্রীলেখাকে ভেবে।

    কিন্তু এক লটের শুটিং হয়েও ঋতুপর্ণাকে কেন বাতিল করা হলো? এমন প্রশ্নের জবাব সরাসরি না দিলেও এটুকু জানান, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এ বদল করেছেন তিনি।

    বলা দরকার, এ ক্ষেত্রে ‘তরী’ থেকে ঋতুপর্ণার বাদ পড়ার মূল কারণে রয়েছেন নায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য ফেরদৌস। নির্মাতা চাননি, ফেরদৌসের সূত্র ধরে ছবিটির শুটিং ও মুক্তিতে কোনো প্রতিবন্ধকতা তৈরি হোক।

    নির্মাতা বলেন, ‘আমরা ছবিটির প্রথম ধাপের শুটিং শেষ করেছি। সেপ্টেম্বরে ঢাকায় এসে শুটিংয়ে যোগ দেওয়ার কথাও ছিল ঋতুপর্ণার। জুলাইর প্রথম সপ্তাহ থেকে দ্বিতীয় ও শেষ লটের প্রস্তুতিও নিচ্ছিলাম। এরই মধ্যে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শিডিউল ভেস্তে যায়। এখন নতুন করে শুটিংয়ে পরিকল্পনার কথা ভাবছি।’

    এরই মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তবর্তী এলাকায় ছবির প্রথম ধাপের শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। আগামী মাসেই সিলেটে দ্বিতীয় ধাপের শুটিংয়ে যুক্ত হবেন শ্রীলেখা।

    আহাদুর রহমানের গল্পে ‘তরী’ সিনেমার চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন গোলাম রাব্বানী। ছবিতে আরও অভিনয় করছেন তুষার খান, সুমন আনোয়ার, রেহনুমা। ২০২৫ সালে ছবিটি মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে নির্মাতার।

    ঋতুপর্ণার মতো অতোটা জনপ্রিয় না হলেও শ্রীলেখা মিত্রও বাংলাদেশে ভালোই পরিচিত। এর আগে যৌথ প্রযোজনায় বেশ কিছু ছবিতে কাজ করেছেন। সর্বশেষ বাংলাদেশের ওয়েব সিনেমা ‘কলকাতা ডায়েরিজ’-এ তিনি অভিনয় করছেন। যা তৈরি করেছেন নির্মাতা রাশেদ রাহা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আরজি করকাণ্ডে সরকারের বিরোধিতা করেছি বলে কাজ পাইনি: শ্রীলেখা

    আরজি করকাণ্ডে সরকারের বিরোধিতা করেছি বলে কাজ না দেওয়ার নির্দেশ এসেছে উপরমহল থেকে অভিযোগ করে আনন্দবাজারের এক সাক্ষাৎকারে জানান টালিউড অভিনেতা শ্রীলেখা মিত্র। তিনি বলেন, আরজি করকাণ্ডে একটু বেশিই জোরালো প্রতিবাদ করেছি। অবশেষে তার ফল পেলাম। দুই-দুটা বিজ্ঞাপনের কাজ হাতছাড়া হয়ে গেল। দুটা কাজ থেকেই ভালো অঙ্কের পারিশ্রমিক পেতাম।  ক্লায়েন্ট যোগাযোগ করেছিলেন এজেন্সির সঙ্গে। এজেন্সির যিনি প্রতিনিধি তিনি আমাকে পছন্দ করেন। চেয়েছিলেন কাজটা আমিই করি। কিন্তু ওর তো কোথাও না কোথাও বাধা রয়েছে। উনি বললেন—দিদি আরজি করকাণ্ডে তোমার বক্তব্য তোমার বিরুদ্ধে গেছে। তুমি সরকারের বিরোধিতা করেছ। তোমাকে দিয়ে কাজ না করানোর নির্দেশ এসেছে। 

    শ্রীলেখা বলেন, ছবি হাতছাড়া হচ্ছে প্রায়শই। রিয়্যালিটি শো থেকে বাদ পড়ছি। বিজ্ঞাপনী ছবির জন্য নির্বাচিত হয়েও শেষে আর কাজ হলো না। অভিযোগের তালিকা অনেক লম্বা। কিছু জানিয়েছি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। অনেক কিছুই জানাইনি। জানিয়ে লাভ নেই, তাই জানাইনি। 

    তিনি বলেন, কিন্তু আবারও আমি সরব। আরজি করকাণ্ড নিয়ে অনেকের অনেক বক্তব্য। প্রায় রোজই কেউ কিছু না কিছু বলছেন। আমি একটু বেশিই জোরালো প্রতিবাদ করেছি। অবশেষে তার ফল পেলাম। দু-দুটা বিজ্ঞাপনের কাজ হাতছাড়া হয়ে গেল। 

    তিনি আরও বলেন, আমি আর এ ধরনের ঘটনায় বিচলিত হই না। কোনো কালেই মধু মাখিয়ে কথা বলতে পারি না। বাকিরা যতটা না মনের গভীর থেকে মৃতা চিকিৎসকের জন্য ন্যায়বিচার চেয়েছেন, আমার চাওয়া ছিল আরও গভীর। আমার বক্তব্য ছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। বাংলায় এই দুই পদেই মুখ্যমন্ত্রী আসীন। তাহলে কাকে বলব? মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেই মুখ খুলতে হবে। সেটিই করেছি।

    এ অভিনেত্রী বলেন, ভয় না পাওয়ার আরও একটা কারণ— আমার মাথার ওপরে কোনো দায় নেই। ঋণের বোঝা নেই। প্রচুর চাহিদা নেই। দামি গাড়ি, দামি বাড়ি, দামি পোশাকের বিলাসিতা নেই। ফলে প্রচুর অর্থের প্রয়োজনও নেই। একইভাবে যতটা সম্ভব সৎ থেকে কাজ করা যায় ততটাই সৎ আমি। 

    তিনি বলেন, একমাত্র দেয়ালে পিঠ ঠেকে না গেলে মিথ্যে কথা বলি না। বললেও এমন মিথ্যে বলি না যা অপরের ক্ষতি করবে। বরাবর নিজের কাজ নিজেই জোগাড় করে এসেছি। কোনো দিন তথাকথিত ‘সুগার ড্যাডি’ নেই। ভালোবাসার মানুষজনেরও বড়ই অভাব। সব মিলিয়ে নিজেই নিজের হর্তা-কর্তা-বিধাতা। ফলে যা-ই ঘটুক ঠিক চালিয়ে নেব।

    শ্রীলেখা বলেন, আজ আমি পরিচালক হলে এমন অভিনেতা বাছাই করতাম, যিনি আক্ষরিক অর্থেই সৎ ব্যক্তি। তা হলেই আমার বিজ্ঞাপন বেশি বিশ্বাসযোগ্য হতো। কারণ জনতা সেই বিশ্বাসযোগ্য মুখ দেখে জিনিস কেনার ভরসা পেত। আমার মতো করে তো সবাই ভাববেন না। অনেকে বলেন— এত বিতর্ক, এত বিরোধিতা যখন, তখন একটু কম কথা বললেই তো হয়। তিনি বলেন, আমি বলেছি— আমি পারব না। এই বয়সে এসে নিজেকে বদলানো সম্ভব নয়। তা ছাড়া মাথা নোয়াতে শিখিনি। তাই আমার মতো করেই চলব। এককালে খুব কম উপার্জন করিনি। সেগুলো উড়িয়ে নষ্ট করিনি। আমার চলে যাবে। বরং এ ধরনের ঘটনা আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয়। বুঝতে পারি— আমিই সঠিক। ঠিক পথে হাঁটছি বলেই আমাকে ঘিরে এত কথা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সমাজ বদলের নামে চাটুন ও চাটান: শ্রীলেখা

    বিনোদন জগতের টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টের মাধ্যমে শাসক দলের উদ্দেশে তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, তিনি কিছু বিশেষ ঘটনা ও পরিস্থিতির বিরুদ্ধে কথা বলতে ভয় পান না। যদিও জানেন যে, এর ফলে কত বড় প্রতিক্রিয়া আসতে পারে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টে শ্রীলেখা লিখেছেন— সমাজ বদলের জন্য চাটুন ও চাটান… কালীঘাটের হাওয়াই চটি…Tring Tring tri tring।

    শ্রীলেখার এই পোস্টে একটি ইঙ্গিত রয়েছে, যা অনেকেই মনে করছেন, তা রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও টালিউডের কিছু চরিত্রের প্রতি নির্দেশিত। তবে স্পষ্ট নয়, তিনি আসলে কাদের দিকে আঙুল তুলেছেন। তিনি বরাবরই সমাজের বিভিন্ন অবিচারের বিরুদ্ধে সরব থেকেছেন। এমনকি আরজি করকাণ্ডের ঘটনার প্রতিবাদে তিনি প্রথম সারিতে ছিলেন।

    সোমবার রাসবিহারিতে হওয়া একটি প্রতিবাদ কর্মসূচিতেও উপস্থিত ছিলেন শ্রীলেখা মিত্র। সেখানে তিনি একটি ভিডিও শেয়ার করে লিখেছেন— গতকাল অভয়া মঞ্চ থেকে… আমরা ভুলিনি ভুলতে দেব না। আরজি করকাণ্ড টু ফালাকাঁটা… বিচার ছিনিয়ে নেওয়ার সময় আসছে। মনে রাখবেন— এ রাজ্য কারোর বাবার নয়, কোনো রানি ও যুবরাজ নেই এখানে। এ রাজ্য আমার আপনার সবার…।

    শ্রীলেখা আরও লিখেছেন—রাজ্যে বাচ্চা ও নারীদের সঙ্গে নিরন্তর যে অন্যায় হতেই চলেছে, তার দায় পুলিশ-মন্ত্রীকে নিতেই হবে। জগাখিচুড়ি আর বানাতে দেওয়া যাবে না। বানালে ছাড়ব না। এসব মন্তব্যে তার প্রতিজ্ঞা এবং দৃঢ়তার পরিচয় মিলছে।

    তবে সরাসরি শাসক দলের বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য তিনি বেশ কিছু কদর্য মিমের শিকার হয়েছেন। শাসক দলের সমর্থিত ফেসবুক পেজ থেকে শ্রীলেখার বিরুদ্ধে বানানো মিম শেয়ার করা হয়েছে, যা সমাজে তার জনপ্রিয়তা ও পরিচয়কে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে। কিন্তু এসব কিছুতেই শ্রীলেখার মুখ বন্ধ করা সম্ভব হয়নি।

    বিনোদন ডেস্ক