Tag: শ্রীলেখা মিত্র

  • তন্ময়ের বিরুদ্ধে নারী সাংবাদিকের কোলে বসার অভিযোগ, প্রতিবাদ শ্রীলেখার

    ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিএম) বর্ষীয়ান নেতা ও সাবেক বিধায়ক তন্ময় ভট্টাচার্য বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন পশ্চিমবঙ্গের এক নারী সাংবাদিক। 

    গত রোববার ফেসবুক লাইভে ওই সাংবাদিক অভিযোগ করেন, তন্ময় বাবুর ইন্টারভিউ নিতে গেলে সেখানে তিনি তার ‘কোলে বসে পড়েন’। এই ঘটনায় হতভম্ব ওই সাংবাদিক স্পষ্ট বলেন, ‘এরাই আসলে সম্ভাব্য ধর্ষক, যাদের চিনে রাখা দরকার’। 

    ফেসবুক লাইভটি মুহুর্তের মধ্যে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে। আরজি কর কাণ্ডে যখন নারী নিরাপত্তা ও নারী সুরক্ষা নিয়ে উত্তাল গোটা পশ্চিমবঙ্গ সেখানে সিপিএম-এর বর্ষীয়ান এই নেতার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ স্বভাবতই দলকে অস্বস্তিতে ফেলেছে। 

    সিপিএমকে কড়া প্রশ্নবাণে বিদ্ধ করেছে শাসকদল তৃণমূল। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ অবিলম্বে তন্ময় ভট্টাচর্যকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন। পরিস্থিতি অন্যদিকে মোড় নিতে পারে এই আশঙ্কাতেই কার্যত তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিপিএম।

    আপাতত তন্ময় ভট্টচার্যকে বহিস্কার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে সেটা কার্যকর করতে একটু সময় লাগতে পারে। রোববার সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিম এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। 

    বহিস্কারের ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক মাধ্যমে সরব হয়েছেন বাম সমর্থক টালিউড তারকারাও। পান থেকে চুন খসলেই তৃণমূল-বিজেপিকে আয়না দেখাতে ব্যস্ত হয়ে উঠেন শ্রীলেখা মিত্র। ঘোষিত এই বাম সমর্থক কারো নাম উচ্চারণ না করেই ফেসবুকে লেখেন, ‘অভিযুক্ত না কি দোষী…দল সাসপেন্ড কিন্ত করল’। 

    শ্রীলেখা আরও একটি পোস্ট শেয়ার করেন ফেসবুক ওয়ালে। যেখানে লেখা রয়েছে- ‘অভিযোগ হলেই সে অভিযুক্ত নয়’ এটা যারা বিশ্বাস করেন, এবার তারা কী বলবেন দেখা যাক! নিজের বেলায় আঁটিসাঁটি পরের বেলায় দাঁতকপাটি- এটা হয় না। আমরা কিন্তু বরাবরই বিশ্বাস করি অভিযোগ যার নামে, সে অবশ্যই অভিযুক্ত।’

    মূলত দিন কয়েক আগে জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে নবান্নের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, অভিযোগ থাকলেই প্রমাণ ছাড়া তাকে অভিযুক্ত বলা যায় না। সেই মন্তব্যের প্রেক্ষিতেই এই পোস্ট। অভিযোগ থাকলেই তিনি অভিযুক্ত, এই ধারণাতেই বিশ্বাসী শ্রীলেখা।

    একই সুরে সুর মেলান পরিচালক সৌরভ পালোধি। তিনি লিখেন, ‘অভিযুক্তকে সাসপেন্ড করলো তার দল। তাকে সেফগার্ড করেনি। ভুলটা ব্যক্তির, সঠিক সিদ্ধান্তটা পার্টির’।

    এদিকে এই ঘটনায় তন্ময় ভট্টাচার্য বলেন, ‘আমি সবার সঙ্গে ইয়ার্কি করে থাকি। আগে ওই মেয়েটি অন্তত দশবার আমার সাক্ষাৎকার নিয়েছে। ওর সঙ্গে আমি আগেও ইয়ার্কি করেছি। কিন্তু আজকে হঠাৎ কী হল জানি না। একটা বাচ্চা মেয়ে। ওকে আমি মা বলে ডাকি। সে এ কথা বলবে ভাবতে পারছি না।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • কোথায় ভালোবাসা, তারপর তো কামড়: শ্রীলেখা

    টালিউড অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রের সঙ্গে বেশ ভালো সম্পর্ক নেটিজেনদের— এমনটিই বলা যায়। কখনো কেউ কোনো মন্তব্য করলে, জবাব দিতেও ভোলেন না এ অভিনেত্রী। তা সে যতই কটাক্ষ ভরা হোক, নিজের মতো করে উত্তর দেন তিনি। 

    গতকাল বুধবার (২৩ অক্টোবর) গাড়িতে বসে একটি সেলফি শেয়ার করলেন শ্রীলেখা মিত্র। গায়ে শাড়ি, সাদামাটা মেকআপ হলেও বেশ গাঢ় করে ব্লাশ লাগিয়েছেন। ঠোঁটে ব্রাউন লিপস্টিক। নাকের নকল নথ পরেছেন ঠোঁটে। আর লিপস্টিক দিয়ে কপালে ও থুতনিতে দাগ কেটেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এরকম একটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন— ‘ভারতীয় বাঙালির ভাইকিং ভার্সন’।

    ভাইকিং বলতে স্ক্যান্ডিনেভিয়ার (বর্তমান ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন) সমুদ্রে বসবাসকারী ব্যবসায়ী, যোদ্ধা ও জলদস্যুদের দলকে বোঝায়, যারা অষ্টম শতক থেকে একবিংশ শতক পর্যন্ত ইউরোপের এক বিরাট এলাকাজুড়ে লুটতরাজ চালায় ও বসতি স্থাপন করে।

    শ্রীলেখার এই পোস্টেই এক নেটিজেন মন্তব্য করেন, ‘কে দিল লাভ বাইট?’ যার জবাবে অভিনেত্রী লিখেছেন—কোথায় ভালোবাসা, তারপর তো কামড়। নিজেই পেনসিল দিয়ে ভাইকিং সাজার চেষ্টা করলাম। 

    শ্রীলেখার অনুরাগী এই মন্তব্যে যে মজার ছলে করেছেন, তাতে সন্দেহ নেই। অভিনেত্রীর মন্তব্যের জবাবে আধিজিৎ কুণ্ডু লিখেছেন—আপনি যে নারী ভাইকিং তাতে সন্দেহ নেই। শুধু আইসল্যান্ড, নরওয়ে না গিয়ে কলকাতায় এসেছেন।

    আরেকজন লিখেছেন—দক্ষিণ ভারতীয়রাই সম্প্রদায়ের রানি লাগছে পুরো। কেউ আবার শ্রীলেখার সাজ নিয়ে প্রশংসাও করেছেন।

    ঠোঁটকাটা হিসেবে বেশ বদনাম রয়েছে শ্রীলেখার। তা সে মোদি-মমতা হোক বা ইন্ডাস্ট্রিতে ঋতুপর্ণা-প্রসেনজিৎ— প্রয়োজন পড়লে যে কারও দিকে আঙুল তুলতে দ্বিধা করেন না অভিনেত্রী। তিনি বলেন, আজকাল এত বেশি সত্যি কথা বলেন যে, কাজ পান না টালিউডে। 

    অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালনা-প্রযোজনাতেও হাত পাকিয়েছেন শ্রীলেখা। এমনকি তার ছবি এবং ছাদ জায়গা করেছে দেশ-বিদেশের অনেক নামি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবেও।  

    উল্লেখ্য, ২০০৩ সালে শিলাদিত্য সান্যালের সঙ্গে সাতপাকে বাঁধা পড়েছিলেন শ্রীলেখা মিত্র। ১০ বছর পর বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায় তাদের। এরপর আর বিয়ের পিঁড়িতে বসেননি তিনি। একমাত্র মেয়ে আর কাজ নিয়েই কাটছে তার জীবন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শুধু প্রেমের ওপর আমার ক্যারিয়ার দাঁড়িয়ে: শ্রীলেখাকে স্বস্তিকা

    আরজি করকাণ্ডে নারী চিকিৎসককে ধর্ষণের পর হত্যার বিচার দাবিতে বিনোদন জগতের তারকাদের রাজপথে আন্দোলনের মাঝেই টেক্কার প্রোমোশনে যাওয়া, সেখানে গিয়ে সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে নিজের ভেঙে যাওয়া প্রেম নিয়ে নতুন করে চর্চা, সেই সঙ্গে ট্রলে অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। এবার যেন সব কিছুর জবাব দিলেন তিনি। 

    আরজি কর আন্দোলনে প্রথম থেকেই রাস্তায় নেমেছিলেন স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের। দিনের পর দিন কাটিয়েছেন তিনি রাজপথে। ধর্মতলার ধর্না মঞ্চ থেকে, সল্টলেকের ডাক্তারদের আন্দোলনস্থল— সব জায়গায় থাকেননি শুধু, সরকারের বিপক্ষে, আরজি করে চলা দুর্নীতির বিপক্ষে আওয়াজ তোলায় ক্রমাগত হন ট্রল। এখানেই শেষ নয়, পূজার ছবি টেক্কার প্রোমোশন করতে আরও হিতে বিপরীত হয়। তার সিনেমা বয়কট করার দাবিও ওঠে।

    আবার বিতর্কে নাম জড়িয়েছেন এ অভিনেত্রী। বিশেষ করে যখন টেক্কার প্রোমোশনে তিনি সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে তার পুরোনো প্রেম-সম্পর্ক নিয়ে খোলাখুলি কথা বলেন। সেই সময় বহু সাধারণ মানুষ অভিনেত্রীকে ঠুঁকেছেন। শুধু তাই নয়, টালিউডের আরেক জনপ্রিয় নায়িকা শ্রীলেখা মিত্রও একহাত নিয়েছেন।

    এবার যেন সব কটক্ষেরই জবাব দিলেন স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের। বৃহস্পতিবার রাতের দিকে সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টে লিখেলেন— আজ আর কোনো তথ্য পাওয়া গেল আমার ব্যাপারে? গত এক মাসে এত কিছু জানলাম, নতুনভাবে চিনছি নিজেকে। মানুষ এত কিছু জানে আমার ব্যাপারে, যা আমিই জানি না। তিনি বলেন, পুরোনো তথ্য নব্য প্যাকেজে পাওয়া গেলেও চলবে। কেউ জানলে বা খবর পেলে একটু শেয়ার করবেন। 

    স্বস্তিকা বলেন, খুব অস্থির লাগছে, একটাও গালাগাল নেই, সমালোচনা নেই, কার্টুন নেই, মিম নেই, বয়কট পর্যন্ত নেই। অভ্যাসটা এমন খারাপ হয়ে গেছে এই কয়েক দিনে… মনে হচ্ছে আবার একা হয়ে গেলাম।

    ও হ্যাঁ, প্রেম নিয়ে কটাক্ষেরও জবাব দিয়েছেন শ্রীলেখা। লিখেছেন— ‘ওহ আরেকটা কথা আগের পোস্টে লিখতে ভুলে গেছি। আমি প্রেম করে কাজ পাওয়া থামাবো না। ২৪ বছর ধরে শুধু প্রেমের ওপর আমার গোটা ক্যারিয়ারটা দাঁড়িয়ে আছে। আগামী বছরগুলোতেও তাই থাকবে। এ সিদ্ধান্ত নিলাম। প্রেম দীর্ঘজীবী হোক। ধন্যবাদ সৃজিত মুখোপাধ্যায় ‘টেক্কা’র জন্য। EX = প্রেম ধরে নিয়ে কষব।’

    কদিন আগেই এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শ্রীলেখা মিত্র ‘সুবিধাবাদী’ বলে কটাক্ষ করেছিলেন স্বস্তিকাকে। ‘আমি যেভাবে কথা বলি কাউকে তোয়াক্কা না করে, তাতে আমার অনেক দিন আগে জেলে চলে যাওয়ার কথা ছিল। আমি রেড রোডে হাত নাড়তে নাড়তে যাইনি। যখন শিক্ষা রাস্তায় বসেছিল, কই তখন তো আজকের যে বা যারা বড় বিপ্লবী হয়েছেন, কই তারা তো এটার বিরুদ্ধে মুখ খোলেননি। সে বছরই তো তারা পূজার সময় হাত নেড়ে নেড়ে গেলেন।, বলেন অভিনেত্রী।

    সেখানে শ্রীলেখা কটাক্ষ করেন স্বস্তিকার ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও। যা খুব ভাইরাল হয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। নাম না করে ইন্ডাস্ট্রির সহকর্মীকেই কি তাহলে জবাব দিলেন স্বস্তিকা? উঠছে প্রশ্ন!

    বিনোদন ডেস্ক

  • আপনি না আইনজীবী, এত উকিল রেখেছেন কেন: মমতাকে শ্রীলেখা

    এখনো চলছে আরজি করকাণ্ডে চিকিৎসক ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদ। বিচারের দাবিতে এখনো মুখর বিনোদন দুনিয়া তথা ভারতজুড়ে। চলছে একে অপরের দোষারোপ। এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এক হাত নিয়েছেন টালিউড অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। নিশানা বানালেন মুখ্যমন্ত্রীকে। 

    সবাই জানেন টালিউড অভিনেত্রী বাম সমর্থক। নানা সময় তৃণমূলের নানান কাজ ও কথার বিরোধিতা করতে দেখা গেছে তাকে। এদিন আবারও আরজি করকাণ্ড নিয়ে শ্রীলেখার নিশানা বানালেন মুখ্যমন্ত্রীকে। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশ্যে আরজি করকাণ্ডের জন্য বহুসংখ্যক উকিল রাখা প্রসঙ্গে শ্রীলেখা মিত্র বলেন, উনি তো একটা জায়গায় বলেছেন যে, উনি ল পাশ করেছেন। একটা ভিডিওতে দেখেছি। তা হলে এত লাখ লাখ টাকা দিয়ে অত উকিল রাখা কেন? উনি বলে দিলেই তো হয়ে গেল।

    তৃণমূল কংগ্রেসকেও আক্রমণ করে শ্রীলেখা বলেন, এই দলটাই এরম। এদের কালচার এমনই। এরা বলবে মেয়েটা যেন রাত জেগে কাজ না করে, ৮টার মধ্যে বাড়ি চলে আসে। নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতেই এসব করছে।

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পদত্যাগ করার আর্জি জানিয়ে তিনি বলেন, আপনার পদত্যাগ করা উচিত। এ ছাড়া আমি আর বিকল্প কিছু দেখছি না। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তো মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার যোগ্য নন বলে জানান শ্রীলেখা মিত্র।

    কেবল মমতা বা তৃণমূল নয়, শ্রীলেখা মিত্র এদিন সরাসরি আক্রমণ করেন দেবাংশু ভট্টাচার্যকে। তিনি কিছু দিন আগে অভিনেত্রী মৌসুমি ভট্টাচার্যকে যেভাবে আক্রমণ করেছিলেন, সেটির জবাবে শ্রীলেখা মিত্র বলেন, এই ছেলেটি ভীষণ পাকা— দেবাংশু। অতি ডেপো। বলছে সিরিয়ালে কাজ না পেয়ে নাকি বদন বিগড়েছে। যারা এমন কথা বলে তাদের আর কী বলব?

    বিনোদন ডেস্ক

  • নিপীড়নের অভিযোগ শ্রীলেখার, কোন পদক্ষেপ নিলেন পরিচালক

    অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র এর আগে মালায়ালাম পরিচালকের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ করেছিলেন। যৌন হেনস্তার এ অভিযোগ আনতেই সেই রাজ্যের সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী সাজি চেরিয়ানের সঙ্গে বৈঠক করেন পরিচালক রঞ্জিত। 

    আনন্দবাজার অনলাইন সূত্রে জানা গেছে, শ্রীলেখা মিত্রের অনুমতি ছাড়া তার শরীর স্পর্শ করেছিলেন মালায়ালাম পরিচালক ও কেরালা রাজ্য চলচ্চিত্র অ্যাকাডেমির প্রধান রঞ্জিত। গত শনিবার এমনই এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে আনেন এ অভিনেত্রী। তার জেরে এবার ‘কেরালা চলচ্চিত্র অ্যাকাডেমি’র প্রধানের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন এ পরিচালক।

    পরিচালক রঞ্জিতের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ উঠতেই সেই রাজ্যের সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী সাজি চেরিয়ানের সঙ্গে বৈঠক করেন রঞ্জিত। সেখানে পরিচালক তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ভিত্তিতে পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

    এর আগে ২০০৯ সালের ‘পালেরি মনিক্যম: ওরু পাথিরাকোলাপাথাকাথিনতে কথা’-এর অডিশনের সময়ে তাকে যৌন হেনস্তা করেছিলেন পরিচালক রঞ্জিত। শ্রীলেখা বলেন, আমি এক সিনেমাটোগ্রাফারের সঙ্গে ফোনে কথা বলছিলাম। রঞ্জিত হঠাৎই আমাকে ডেকে নিয়ে যান ওর শোবারঘরের দিকে নিয়ে যান, ছবির গল্প বলার জন্য। আমি ভাবলাম, ভিড় এড়ানোর জন্য তিনি ডেকেছেন। ঘরটি বেশ অন্ধকার ছিল। আমি ঘরের বারান্দায় দাঁড়িয়ে ফোনে কথা বলছিলাম। হঠাৎ আমার হাতের চুড়িগুলো নিয়ে খেলতে লাগলেন পরিচালক। আমরা নারীরা পুরুষের স্পর্শের অর্থ বুঝি। আমার অস্বস্তি হচ্ছিল। কারণ আমার তার সঙ্গে তেমন কোনো বন্ধুত্বও ছিল না। কিন্তু আমি নিশ্চিত হতে পারছিলাম না। তার পর তিনি আমার ঘাড়ে ও চুলে হাত দিতে শুরু করেন। সঙ্গে সঙ্গে আমি সেই ঘর থেকে বেরিয়ে যাই।

    শ্রীলেখার এ অভিযোগকে অবশ্য অসত্য বলেই দাবি করেন রঞ্জিত। তিনি বলেন, ছবিতে অভিনয়ের সুযোগ না পেয়েই যৌন হেনস্তার অভিযোগ করছেন শ্রীলেখা। 
    তবে অভিনেত্রীর এ অভিযোগের ২৪ ঘণ্টা পেরোনোর আগেই পদত্যাগ করেছেন রঞ্জিত। শুধু তিনি নন, ওই একই দিনে ‘কেরালা চলচ্চিত্র অ্যাকাডেমি’র সহসম্পাদক অভিনেতা সিদ্দিকও ইস্তফা দিয়েছেন বলে জানা গেছে। সিদ্দিকের বিরুদ্ধেও যৌন হেনস্তার অভিযোগ আনেন অভিনেত্রী রেবতী সম্পত।

    বিনোদন ডেস্ক

  • পরিচালকের বিরুদ্ধে হেনস্তার অভিযোগ শ্রীলেখার

    আরজি করকাণ্ডে চিকিৎসক পড়ুয়ার মৃত্যুর প্রতিবাদে মাঠে নেমেছিলেন বিনোদন জগতের তারকারা। মাঠে নেমেছিলেন টালিউড অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রও। এর মধ্যেই এ অভিনেত্রী সামাজিকমাধ্যমে এক পরিচালকের বিরুদ্ধে হেনস্তার অভিযোগ করে বলেছেন, অন্ধকার বারান্দায় আমাকে স্পর্শ করেন তিনি।

    মালয়ালাম পরিচালক রঞ্জিতের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ করে শ্রীলেখা মিত্র বলেন, রঞ্জিত তার সঙ্গে অসংযত আচরণ করেন। এমনকি তাকে স্পর্শও করেছেন অনুমতি ছাড়া। 

    আনন্দবাজার প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, আরজি করকাণ্ডে উত্তাল রাজ্য। এর তীব্র নিন্দা করেছেন টালিউড ও বলিউডের বহু অভিনেতা-অভিনেত্রী। এর মধ্যেই টালিউড অভিনেত্রী শ্রীলেখাও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। কিন্তু সামাজিকমাধ্যমে পরিচালকের বিরুদ্ধে হেনস্তার অভিযোগ করেছেন তিনি। শ্রীলেখা বলেন, অন্ধকার বারান্দায় আমাকে স্পর্শ করেন পরিচালক রঞ্জিত।

    এ ঘটনার রেশ ভয়ানক বলে জানিয়ে অভিনেত্রী বলেন, আমি এ ঘটনা কারও সঙ্গে শেয়ার করে নিতে পারছিলাম না। এ ঘটনার পর আমি নিজের হোটেলে যাই এবং খুব আতঙ্কে সারা রাতটা কাটাই। মনে হচ্ছিল, কেউ যদি এসে দরজায় কড়া নাড়ে। আমি দিনের আলো ফোটার অপেক্ষা করছিলাম। তিনি আরও বলেন, এ ঘটনার পর তাকে কলকাতা ফেরার টিকিটের ব্যবস্থাও করে দেওয়া হয়নি। 

    সংবাদমাধ্যমকে শ্রীলেখা জানিয়েছেন, ‘পালেরি মণিক্যম: ওরু পাথিরাকোলাপাথাকাথিনতে কথা’-এর অডিশনের সময়ে তাকে যৌন হেনস্তা করেছেন পরিচালক রঞ্জিত। অভিনেত্রী বলেন, আমি এক সিনেমাটোগ্রাফারের সঙ্গে ফোনে কথা বলছিলাম। রঞ্জিত হঠাৎই আমাকে ডেকে নিয়ে গেলেন ওর শোবারঘরের দিকে ছবির গল্প বলার জন্য। আমি ভাবলাম ভিড় এড়ানোর জন্য তিনি ডাকছেন। ঘরটি বেশ অন্ধকার ছিল। আমি ঘরের বারান্দায় দাঁড়িয়ে ফোনে কথা বলছিলাম। হঠাৎ আমার হাতের চুড়িগুলি নিয়ে খেলতে লাগলেন পরিচালক। আমরা নারীরা পুরুষের স্পর্শের অর্থ বুঝি। আমার অস্বস্তি হচ্ছিল। কারণ আমার তেমন বন্ধুত্বও ছিল না ওর সঙ্গে। কিন্তু আমি নিশ্চিত হতে পারছিলাম না। তিনি আমার ঘাড়ে ও চুল স্পর্শ করতে থাকেন। সঙ্গে সঙ্গে আমি সেই ঘর থেকে বেরিয়ে যাই।

    এদিকে অভিনেত্রীর এ অভিযোগের প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন কেরালা রাজ্য চলচ্চিত্র একাডেমির প্রধান ও পরিচালক রঞ্জিত। শ্রীলেখার অভিযোগকে মিথ্যে বলে দাবি করে পরিচালক বলেন, চিত্রনাট্যকার শঙ্কর রামাকৃষ্ণনের উপস্থিতিতে আমি ওর (শ্রীলেখা) সঙ্গে কথা বলেছিলাম। গল্প শোনার পর শ্রীলেখা খুশি হয়েছিলেন। আমি একটু সংশয়ে ছিলাম কোন চরিত্র শ্রীলেখাকে দেওয়া যাবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে কোনো চরিত্র দেওয়া হয়নি বলে তিনি যৌন হেনস্তার অভিযোগ এনেছেন বলে দাবি পরিচালকের।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শ্রীলেখার তোপের মুখে ঋতুপর্ণা

    টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। টালিকুইন খ্যাত এই নায়িকার বর্তমান সময় খুব ভালো যাচ্ছে না। সম্প্রতি রেশন দুর্নীতির মামলায় জড়িয়েছে তার নাম। এই মামলায় ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) জেরার মুখে পড়েছেন ঋতুপর্ণা। গত জুন মাসে সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দপ্তরে যান তিনি। পাঁচ ঘণ্টা ধরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। 

    তবে এ ঘটনায় নিজের জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করলেও ৭০ লাখ রুপি ফেরত দিতে চেয়েছেন অভিনেত্রী। ইডির বরাত দিয়ে এ খবর প্রকাশ করেছে ভারতীয় একাধিক গণমাধ্যম।

    বিষয়টি নিয়ে যখন আলোচনা তুঙ্গে তখন ঋতুপর্ণাকে নিয়ে ক্ষোভ ঝাড়লেন শ্রীলেখা। ঋতুপর্ণার একটি ভিডিও নিজের ফেসবুকে পোস্ট করে অভিনেত্রী লিখেছেন, চুরি না করলে টাকা ফেরত দিতে চাচ্ছেন কেন? ৭০ লাখ টাকা তো মুখের কথা না। সাধারণ মানুষের থেকে চুরি করা টাকা। কেউ নিজের আয় করা টাকা এমনি এমনি দেবে না।

    এ ভিডিওতে হাত নেড়ে কথা বলতে দেখা যায় ঋতুপর্ণাকে। বিষয়টি উল্লেখ করে শ্রীলেখা মিত্র লেখেন, ক্যামেরার সামনে হাত নেড়ে কি প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন? আপনি অস্কার পাচ্ছেন না, আপনাকে চোর বলা হচ্ছে। লজ্জা করে না?   

    ঋতুপর্ণার বিষয়টি নিয়ে টলিউড ইন্ডাস্ট্রি নীরব থাকবে। এ তথ্য উল্লেখ করে শ্রীলেখা লেখেন, তারপরেও মিডিয়া এনাদের নাম্বার ওয়ান শিরোপা দিবে? আমার ইউটিউব ভিডিও নিয়ে মিডিয়ার এক অংশ এবং ইন্ডাস্ট্রি এনাদের হয়ে কথা বলবেন। এখন দুর্নীতির কোনো সীমা নেই। ছি! ধিক্কার জানাই। খেয়াল করে দেখবেন, আমার এই পোস্ট নিয়ে ইন্ডাস্ট্রির লোকজন নির্বাক থাকবে।’

    জেরার পর ঋতুপর্ণা জানান, রেশন দুর্নীতির সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। তবে তার কাছে যে-সব নথি চাওয়া হয়েছিল, সেগুলো তদন্তকারীদের হাতে তুলে দিয়েছেন তিনি। এরপরই নাকি ৭০ লাখ রুপি ফেরত দিতে চেয়ে ইডি বরাবর আবেদন করেছেন ঋতুপর্ণা। তবে এ বিষয়ে গণমাধ্যমে সরাসরি কিছু বলেননি ঋতুপর্ণা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভোট করার গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুললেন শ্রীলেখা

    ভারতের কেন্দ্রীয় ও রাজ্য রাজনীতিতে অভিনেতা ও খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণ নতুন নয়। ইদানীং আরও বেড়েছে। লোকসভা নির্বাচনে তারকা অভিনেতা ও অন্যান্য সেক্টরের তারকাদের অংশগ্রহণ বেশ বেড়েছে। 

    rnrn

    রোববার ব্রিগেড থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী ঘোষণা করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ তালিকায় চমক হিসেবে উঠে এসেছে রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। হুগলি কেন্দ্র থেকেই এবারের লোকসভায় রচনার বিপরীতে বিজেপির লকেট চট্টোপাধ্যায়। 

    rnrn

    এসবের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় গুঞ্জন উঠেছে, সিপিআইএমের প্রার্থী তালিকায় নাকি থাকছেন টালিউড অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। এমনকি রটে যায় হুগলি কেন্দ্রেই নাকি রচনা, লকেটের সঙ্গে লড়বেন তিনি।

    rnrn

    তবে এই গুঞ্জনকে সরাসরি না বলে দিয়ে শ্রীলেখা বলেন, ‘আমি বরাবরই প্রকাশ্যে রাজনীতি নিয়ে কথা বলি। তাই অনেকে মনে করেন, হয়তো আমার কোনো অভিসন্ধি রয়েছে। তাই হয়তো এ রকম রটেছে’।

    rnrn

    শ্রীলেখার সাফ মন্তব্য— আমার কোনো রাজনৈতিক পরিচয়ই নেই। আর সিপিআইএম তো এ রকম একটা দল নয় যে, শুধু ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে জড়িত হওয়ার জন্য টিকিট দেবে। এসব গুজবে একেবারে কান দেবেন না।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ৫৬ বছর আগের গান নিয়ে শ্রীলেখার নতুন ভিডিও, যা বলছেন ভক্তরা

    বাড়িতেই শাড়ি পরে সেজেগুজে রিল ভিডিও পোস্ট করলেন শ্রীলেখা মিত্র। অভিনেত্রী ফিরে গেলেন ৫৬ বছর আগে। ১৯৬৭ সালের সেই বিখ্যাত ছবি ‘জুয়েল থিফ’। ছবিতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন দেব আনন্দ ও বৈজয়ন্তীমালা। 

    আরও পড়ুন 

    সেই ছবির বিখ্যাত গান ‘হোটো মেঁ অ্যাইসি বাত’। গানটি গেয়েছিলেন ভূপিন্দর সিংহ, লতা মঙ্গেশকর। সেই গানেই ঠোঁট মেলালেন শ্রীলেখা। ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করলেন ভিডিও। 

    হালকা খয়েরি শাড়ির সঙ্গে মানানসই মেকআপ করে, দুদিকে খোঁপা করে, কানের দুল এবং গাঢ় রঙের লিপস্টিক পরে দেখা গেল অভিনেত্রীকে। ভিডিও পোস্ট করে শ্রীলেখা লেখেন— ‘ঠোঁটে ঠোঁটে ব্যারিকেড।’

    সাধারণত খুব যে রিল ভিডিও তৈরি করেন শ্রীলেখা তেমনটি নয়। যদিও ফেসবুকে খুবই সক্রিয় অভিনেত্রী। কিন্তু ইনস্টাগ্রামে সচরাচর ভিডিও পোস্ট করতে দেখা যায় না। তাই অভিনেত্রীর এই ভিডিও দেখে অবাক অনেকেই।

    তুলনাও শুরু হয়েছে রীতিমতো। ভিডিওর মন্তব্য বাক্স ভরে গেছে। তারই মধ্যে একজন লিখেছেন— ‘বাজারে স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের প্রতিযোগী একটাই।' 

    এই মন্তব্যের উত্তরে আরও বেশ কিছু মন্তব্য দেখা গেছে। অনেকেই লিখেছেন— ঠিক। সত্যিই কি স্বস্তিকার সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারবেন শ্রীলেখা? 

    সে ক্ষেত্রে অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন, তিনি কখনো এ বিষয়ে বিশ্বাস করেন না। মানুষ নানা ধরনের মন্তব্য রটায়। কিন্তু এমন সব মন্তব্যে গুরুত্ব দিতে রাজি নন তিনি।

    বেশ অনেক দিন হলো ‘পারিয়া’ ছবির শুটিং শেষ করেছেন অভিনেত্রী। নতুন কিছু শুরু করার খবর এখনো শোনা যায়নি। তবে নিজের মতো করে ছবি তৈরির ইচ্ছা শ্রীলেখার। সঠিক প্রযোজক পেলেই শুরু করবেন পরিচালনার কাজ।
     

    বিনোদন ডেস্ক

  • এক ফোন কলেই সর্বনাশ শ্রীলেখার!

    ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিজীবন নিয়ে অধিকাংশ সময় আলোচনায় থাকেন টালিউড অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। কিছু দিন আগেই জন্মদিন ছিল তার। গত ৩০ আগস্ট জীবনের এই বিশেষ দিনের আগের দিনই নাকি এক অঘটন ঘটেছে তার জীবনে।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর, একটি অচেনা নম্বর থেকে ফোন এসেছিল অভিনেত্রীর কাছে। ফোন রিসিভ করার পরই বিপত্তি ঘটে। ফোনের অপরপ্রান্ত থেকে একটি অ্যাপ ডাউনলোড করতে বলা হয় অভিনেত্রীকে। তার পর কী হয় সেসব আর বুঝে উঠতে পারেননি টালি তারকা।

    শ্রীলেখা অসুস্থ ছিলেন। জ্বরে আক্রান্ত থাকায় রক্ত পরীক্ষা করিয়েছেন। আর শারীরিক অসুস্থ অবস্থায় ফোনে অ্যাপ ডাউনলোড করতেই ব্যাংক অ্যাকাউন্টে থাকা লক্ষাধিক টাকা খোয়া গেছে তার।

    আরও পড়ুন 

    এ অভিনেত্রী বলেন, নিজেকে তো চালাক বলতে চাই। কিন্তু আমি তো এখনো বোকা। আমার মতো যেন অন্যরা কেউ এ পরিস্থিতির মুখে না পড়ে, তাই সবাইকে সতর্ক করছি। কত টাকা প্রতারকের জালে হারিয়েছি তা বলতে চাই না। তবে লাখের বেশি টাকা খোয়া গেছে। বিষয়টি থানায় জানিয়েছি। পাশাপাশি সাইবার সেলেও জানিয়েছি।

    টালিউডের এ ঠোঁটকাটা স্বভাবের অভিনেত্রী জানান, তার আর্থিক প্রতারণার শিকার হওয়ার খবর জানা মাত্রই পদক্ষেপ নিয়েছে পুলিশ। এখন সবই সময়ের ব্যাপার। তবে খোয়া যাওয়া টাকা ফেরত পাবেন কিনা, তা নিশ্চিত নয় শ্রীলেখা।

    সম্প্রতি এ অভিনেত্রী ‘পারিয়া’ সিনেমার শুটিং শেষ করেছেন। আগামীতে নিজের পরিচালনায় কাজ শুরু করবেন তিনি। আপাতত ভালো প্রযোজকের অপেক্ষায় রয়েছেন শ্রীলেখা।

    বিনোদন ডেস্ক