Tag: মৃত্যু

  • স্বামীর মৃত্যুর একদিন পরই কাজে ফিরে যা বললেন অভিনেত্রী

    ফেব্রুয়ারিতে দ্বিতীয় বিবাহবার্ষিকী। কীভাবে উদযাপন করবেন তা নিয়েই হয়তো ভাবছিলেন টালিউড অভিনেত্রী পৌষমিতা গৌস্বামী। কিন্তু তার আগেই সব শেষ। হারাতে হলো স্বামী অর্ণব রায়কে। বৃহস্পতিবার রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান টালিউডের এই প্রযোজক। অর্ণবের ৪০ পেরিয়েছিল বয়স।

    স্বামীকে হারিয়ে ভেতরে-ভেতরে ভেঙে পড়লেও নিজেকে বাইরে থেকে শক্ত রেখেছেন পৌষমিতা। তিনি লড়াকু মানুষ। কাজেও গেছেন স্বামীর মৃত্যুর একদিন পর শনিবার। 

    তিনি বলেন, আমার আর অর্ণবের মধ্যে একটা সোল-কানেক্ট আছে। অনেক আগে চলে গেল আমাকে ছেড়ে। এটা চলে যাওয়ার বয়স না। কিন্তু আমাদের মধ্যে একটা আত্মিক যোগ আছে আগেই বললাম। আমি জানি ওর সঙ্গে আমার আবারও দেখা হবে। বাবা-মা আছেন। আমি তো এখনই ওদের ছেড়ে চলে যেতে পারি না। কিন্তু আমি জানি, যে মুহূর্তে আমি পৃথিবী ছাড়ব, ও আমার জন্য দাঁড়িয়ে থাকবে পরপারে। সেদিন আমরা আবার একসঙ্গে থাকব।

    আরও পড়ুন: 

    পৌষমিতার এই বিশ্বাসের কারণেই তিনি অনেক বেশি মনের জোর সঞ্চয় করতে পেরেছেন এই কঠিন সময়েও। বলেছেন, আমি জানি তো আমাদের দেখা হবেই। তাই মনের জোর রাখতে পেরেছি। কাজেও জয়েন করেছি। কারণ অর্ণব চাইত কাজ নিয়ে থাকতে। আমাদের একটা প্রযোজনা সংস্থাও ছিল। সেই কাজটা আমাকে একাকিই করতে হবে। না হলে পরপারে বকুনি খাব।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিনেত্রী মৌটুসীর বাবা আর নেই

    ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মৌটুসী বিশ্বাসের বাবা প্রফেসর ড. সৌরেন বিশ্বাস আর নেই। তিনি খুলনার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন।

    rnrn

    বৃহস্পতিবার মৌটুসী তার ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে জানান, মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টা ৩০ মিনিটে তার বাবা মৃত্যুবরণ করেন।

    rnrn

    পুরনো ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে বাবাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করে মৌটুসী লেখেন, ‘বাবা ছাড়া জীবন কেমন আমি জানি না। উনার তৃতীয় ব্রেন স্ট্রোকের সময় এক মুহূর্ত না ভেবে নিয়ে গেলাম গ্রাম থেকে খুলনায়, কিন্তু ফিরিয়ে আনতে পারলাম না। আমি এখনো ডিনায়ালে (অসত্য মনে হওয়া) আছি। দোতালা থেকে মনে হয় উনি এক তলায় আছেন। এক তলাটা বাবা ছাড়া কেমন আমি জানি না। অনেকের প্রিয় সৌরেন স‍্যার, গ্রামের বটতুল‍্য দাদা, জ‍্যাঠা, মামা…. আমার শুধু বাবা।’

    rnrn

    উল্লেখ্য, ড. সৌরেন বিশ্বাস চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) বাংলা বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান ছিলেন। এ ছাড়া তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির সংগীত বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা ও বিভাগীয় সভাপতি ছিলেন। এছাড়াও চবির নজরুল গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এই শিক্ষক।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • সালমান-শাবনূরের স্বপ্নের ঠিকানার পরিচালক খালেক আর নেই

    সালমান শাহর ‘স্বপ্নের ঠিকানা’ চলচ্চিত্রের পরিচালক বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ খালেক আর নেই (ইন্নানিল্লাহি…রাজিউন)। গতকাল বুধবার মধ্যরাতে হঠাৎ তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। হাসপাতালে নেওয়ার আগেই রাত ৩টার দিকে তিনি মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। 

    পরিচালক এমএ খালেকের মৃত্যুর সংবাদটি সংবাদমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন নির্মাতা অপূর্ব রানা।

    দেশের একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, কয়েক দিন আগে ঢাকার মতিঝিলে এক দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিলেন এমএ খালেক। পেছন থেকে আরেকটি রিকশার ধাক্কায় রাস্তায় পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পেয়েছিলেন তিনি। পরে ধরাধরি করে কয়েকজন পথচারী তাকে ঢাকার মধুবাগের বাসায় পৌঁছে দেন।

    তাৎক্ষণিকভাবে পরিবারের সদস্যরা তাকে হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে নেন। পরীক্ষা–নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসকরা জানান, এমএ খালেকের মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ ঘটেছে। এরপর মাসখানেক ধরে হাসপাতালে চিকিৎসা চলছিল তার। শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় দিনপাঁচেক আগে তাকে বাসায় আনা হয়।

    ১৯৯৫ সালের ১১ মে দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় সালমান শাহ ও শাবনূর জুটির ‘স্বপ্নের ঠিকানা’। এমএ খালেক পরিচালিত চলচ্চিত্রটি ব্যবসায়িক সফলতার সঙ্গে দর্শকপ্রিয়তাও লাভ করে।
     

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • গান গাইতে গাইতে মঞ্চেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন গায়ক

    গান গাইতে গাইতে মঞ্চেই এবার মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন ৩০ বছর বয়সি গায়ক পেড্রো হেনরিক। ব্রাজিলিয়ান গসপেল গায়ক পেড্রো হেনরিক ব্রাজিলের ফেইরা দে সান্তানা শহরে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পারফরম করছিলেন। 

    rnrn

    এর আগে কলকাতার নজরুল মঞ্চে ২০২২ সালে পারফরম করার সময় গুরুতর অসুস্থ হয়ে নির্মম মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছিলেন গায়ক কৃষ্ণকুমার কুন্নাথ ওরফে কেকে। ঠিক একই দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি হলো আবার! 

    rnrn

    আমেরিকার ফক্স নিউজ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ৩০ বছর বয়সি এই গায়ক ব্রাজিলের ফেইরা দে সান্তানা শহরে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পারফরম করছিলেন। যেখানে তাকে মঞ্চের একপ্রান্তে তার ‘ভাই সের তাও লিন্ডো’ নামের গানটি আবেগের সঙ্গে ভিড় করা দর্শকদের সামনে গাইতে দেখা যায়।

    rnrn

    একপর্যায়ে পেড্রো তার মাইক্রোফোনটি দর্শকদের সামনে ধরে গান গাইতে অনুরোধ করেন। তবে যখন তিনি মাইকটি ফের মুখের কাছে নিয়ে আসেন, তখন হঠাৎ করেই নিজের ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। এ সময় তিনি পেছনে পড়ে যান। সঙ্গে সঙ্গে তাকে নিকটবর্তী হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। 

    rnrn

    চিকিৎসকরা জানান, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই মৃত্যু হয়েছে এই গায়কের।

    rnrn

    প্রয়াত হেনরিক তার স্ত্রী সুইলান ব্যারেটো ও দুই মাস বয়সি কন্যা জোকে রেখে গেছেন। তার শেষকৃত্য হবে গায়কের জন্মস্থান পোর্তো সেগুরো শহরে। তবে তিনি সাও পাওলোর গুয়ারুলহোসে বসবাস করতেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • জীবন সুন্দর, মৃত্যু যে বড় সুন্দর: পরীমনি

    বৃহস্পতিবার রাতে পরীমনির নানা শামসুল হক গাজী মারা গেছেন। সুখ-দুঃখে যিনি ছিলেন তার আশ্রয়স্থল। নানার মৃত্যুতে তাই দিশাহারা হয়ে পড়েছেন এ চিত্রনায়িকা। 

    শনিবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানার সমাধিস্থলের কিছু ছবি পোস্ট করে পরীমনি লিখেছেন, ‘এই কবর স্থানে এখন তিনটা কবর। প্রথমটা আমার মায়ের। তার পর নানি আর এই যে আমার জানের মানুষটার কবর। নানু মরে যাওয়ার আগে নিজেকে আমার এতিম লাগে নাই কোনো দিন।’

    তিনি আরও বলেন, ‘এই জীবনে আমার নানার মতোন কেউ আমাকে ভালোবাসে নাই আর। যারা আমাকে খুব কাছ থেকে চেনেন তারা সবাই জানেন এই মানুষটা আমার জন্যে কী ছিল। আজ হয়তো এই পরিবারের সবার থেকে ভেঙে পড়ার কথা ছিল আমার। কিন্তু আমার নানা আমাকে সবার বটগাছ করে দিয়ে গেছে। এর থেকে বড় কোনো শোক আমার আর আসবে না। যদি আসে সব শোক সহ্য করার ক্ষমতা আল্লাহ আমাকে দেবেন এটা আমার নানুর দোয়া। কত ভাগ্যে আমি আমার নানুর সঙ্গে তার শেষ কলেমা পড়তে পেরেছি! আহা নানুভাই কত সান্ত্বনায় রেখে গেল আমাকে।’

    শেষে ভালোবাসার ইমোজি জুড়ে দিয়ে পরীমনি লিখেছেন, ‘জীবন সুন্দর। মৃত্যু যে বড় সুন্দর…’।

    প্রসঙ্গত, পরীমনির নানাবাড়ি পিরোজপুরে। তার নানা শামসুল হক গাজী ছিলেন ভগীরথপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক। ছোটবেলায় মা-বাবা মারা যাওয়ার পর নানাবাড়িতেই বেড়ে উঠেন পরীমনি। নানাবাড়িতে থেকেই মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন পরী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • হিমুর মৃত্যু নিয়ে মুখ খুললেন সেই মেকআপ আর্টিস্ট মিহির 

    জনপ্রিয় অভিনেত্রী হোমায়রা হিমুর মৃত্যুতে দেশের মিডিয়াপাড়া বেশ সরগরম। এ মৃত্যুর রহস্য নিয়ে নানা প্রশ্ন ভক্তদের।  

    জানা গেছে, হিমুর মৃত্যুর সময় প্রেমিক উরফি জিয়া ছাড়াও সেখানে ছিলেন মেকআপ আর্টিস্ট মিহির। ইতোমধ্যে উরফিকে জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি আরেক ব্যক্তির কাছেও সুরাহা খুঁজছে র্যাব।
    এই মিহির শুধু অভিনেত্রী হোমায়রা হিমুই নয়; ২০১৮ সালের মে মাসে বিনোদন জগতের জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব তাজিন আহমেদের মৃত্যুর সময়ও পাশে ছিলেন। এমনকি দুজনকে হাসপাতালে নেওয়া থেকে শুরু করে চিকিৎসকের মৃত ঘোষণা পর্যন্ত সঙ্গে ছিলেন মিহির। এককথায় তাদের পুরো মৃত্যুর ঘটনাটি দেখেছেন একজন মেকআপম্যান।

    আরও পড়ুন: 

    হিমুর মৃত্যুর পর মিহির প্রসঙ্গে উপস্থাপক ও অভিনেতা শাহরিয়ার নাজিম জয় এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে বলেন, হিমুর সমস্ত তথ্য, জীবনযাপনের কষ্ট, সব কিছু মিহির জানে। মিহিরকে ডিবি বা পুলিশের ইন্টারোগেশনে আসা উচিত। তাকে জিজ্ঞাসা করলেই তথ্য পাওয়া যাবে এটা কি অপমৃত্যু, না অন্য কিছু।

    এসব আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই রোববার সকালে আলোচিত মিহির নিজের ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে আসেন। সেখানে তিনি হুমায়রা হিমুর মৃত্যু নিয়ে কথা বলেন। সঙ্গে রাখেন বেশ কয়েকটি প্রশ্নও। ১৫ মিনিটের সেই লাইভের শুরুতেই মিহির জানান, তিনি প্রচণ্ড মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছেন। এ জন্য তিনি বিষয়টি সবার সঙ্গে শেয়ার করতে লাইভে এসেছেন। 

    মিহির বলেন, ফেসবুকে আমাকে নিয়ে ঝড় তুলছে কিছু মানুষ। আমি হেন, আমি তেন, আমি ড্রাগ ডিলার। তার পর তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন— এর পরও পুলিশ আমাকে রিমান্ডে নেয় না কেন? তিনি বলেন, আপনারা যে এটা লিখেছেন আপনারা কি জানেন আমি এই তিন দিন কোথায় ছিলাম? আমি হিমুকে বাসা থেকে হাসপাতালে নিয়ে গেছি, যখন ডাক্তার ঘোষণা দিয়েছে যে হিমু মৃত। সঙ্গে সঙ্গে হিমুর বয়ফ্রেন্ড দুটি মোবাইল নিয়ে পালিয়ে গেছে। তার পর ওর (হিমুর) খালারা আসছে, আমরা থানায় গেছি, স্টেটমেন্ট দিয়েছি। তখন থেকে আমি কালকে (শনিবার) পর্যন্ত থানায় বসা ছিলাম।

    শনিবার সকালে ওসি আমাকে ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে পুরান ঢাকা পাঠাইছেন। ওখানে গিয়ে আমি ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে সাক্ষী দিই। তার পর ম্যাজিস্ট্রেট আমাকে বলেছেন যে, ঠিক আছে আপনি এখন যেতে পারেন। এসআই সাব্বির ভাই বলল, আপনার আর কোনো কাজ নেই আপনি যেতে পারেন। এই তিন দিন ধরে আমাকে থানায় বসিয়ে রাখা হয়েছে, নজরবন্দিতে রাখা হয়েছে। আমার ফোন টেপ করা হয়েছে। আমাকে বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন করা হয়েছে। হাজার হাজার প্রশ্ন করা হয়েছে। 

    আমাকে পুলিশ আর কি রিমান্ডে নেবে, আমাকে কি নিয়ে ফাঁসি দিয়ে দিবে— এমন প্রশ্ন রেখে মিহির বলেন, আমি কি ক্রাইম করছি। হিমুর বাসায় থাকার কারণ হচ্ছে, আমার কাজ বন্ধ, আমি একটা সিরিয়াল করছি ওইটার পেমেন্ট আজকে ছয় মাস ধরে বিটিভিতে আটকানো, বাসা ভাড়া দিতে পারি না। আমার বাড়িওয়ালি আমার রুম তালা মেরে দিসে। তাই আমি বাধ্য হয়ে হিমুর বাসায় ছিলাম।

    আর এমনিতেও থাকতাম। রাতে হয়তো আমি আমার বাসায় থাকতাম, পরে আমি হিমুর দেখাশোনা করতে চলে আসতাম। কারণ হিমুর মাকে আমি মা ডাকছি, উনাকে আমি আম্মা বলতাম। হিমুর মা আমাকে বলছে যে, আমি না থাকলে আমার মেয়ের দেখাশোনা করিস।

    তাজিন আপা মরছে আমি ছিলাম, হিমু মরছে আমি ছিলাম— এ বিষয়টি আপনাদের ভাবিয়ে তুলছে জানিয়ে মিহির বলেন, এই পাঁচ বছরের ব্যবধানে দুজন মানুষ মরছে আমি ছিলাম। তারা আমার নিকটাত্মীয় ছিল, ফ্যামিলি মেম্বারের মতো। 

    তিনি বলেন, আমি না থাকলে হিমুর বয়ফ্রেন্ড তাকে ঘরের ভেতর ঝুলাইয়া রাইখা দরজা বন্ধ কইরা পালাইয়া যাইত। এটা কি হতো না? এটা তো কেউ বলেন না যে, তুই ছিলি বলে হিমুকে আমরা বের করে আনতে পারছি বা ওকে ধরতে পারছে পুলিশ। হিমুর বয়ফ্রেন্ড ইন্ডিয়ান। না হলে তো ওই ছেলে হিমুকে রেখে কবে পালাইয়া যাইত। ঠাণ্ডা মাথায় পলাইয়া যাইত। আমি ভালো করছি এটা কেউ বলে না। সব খারাপ করছি, আমি রাবন। আমাকে পারলে ফাঁসি নিয়া দেন। 

    মিহির বলেন, হিমু মরছে আমি ছিলাম। এখন আমি করছি না ওই ছেলে করছে সেটা তো ওই ছেলে নিজেই স্বীকার করছে। তার পরও কেন আপনাদের ভেতর এত দ্বিধাদ্বন্দ্ব যে মিহির ছিল। মিহির ছিল বলেই তো ফ্রেশ হিমুরে বের করে হাসপাতালে নিয়ে আসছে।

    আমি উপকার করছি এই জন্য আমাকে সবাই মিলে ফাঁসি দিয়ে দেন। আমার কেউ নেই তো, কোনো বড় লেভেলের মানুষ নেই যে আমাকে সাপোর্ট দিবে, ব্যাকআপ দিবে। আমি মনে করতাম মিডিয়া আমার ফ্যামিলি, আমি কাজ করি, সবাই আমার পরিবার, আমি যখন যেখানে কাজ পাই, তাদের জন্য মন থেকে কাজ করি। এমনকি অতিরিক্ত কাজও করে দিই। 

    তাদের যে কাজ আমার করার না, এগুলোও আমি করি শুটিংয়ের সেটে। আমি সেটে সবাইকে আপন করার চেষ্টা করি। সবাইকে ভালো করে সার্ভিস দিই। কিন্তু কোনো লাভ হয়নি এত বছরের সার্ভিসে। আমার ভুলটা কোথায় একজন বের করেন, একজন গাইড করেন আমাকে। তা না খালি আমাকে নিয়ে বড় বড় কথা আর বদনামি করবেন, করেন।

    আমি যদি কোনো ধরনের খারাপ কাজ করতাম, তা হলে ভয়ে পালাইয়া যাইতাম। আমার ভেতরে ভয় লাগে না। আমার ভেতরে ঘেন্না লাগছে, ভেতরে কষ্ট হচ্ছে। আপনাদের জন্য মায়া হচ্ছে যে, আপনারা এতটা নেগেটিভ যে আপনারা মানুষকে নিয়ে ভাবতে পারেন না। মানুষের সাহায্য করতে পারেন না। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • হোমায়রা হিমুর কথিত প্রেমিক কে এই রাফি?

    অভিনেত্রী হোমায়রা হিমু আত্মহত্যা করেছেন, নাকি হত্যার শিকার হয়েছেন এটি নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। এক কথায় মৃত্যুর কারণ এখনো রহস্যাবৃত। সেটি জানা যাবে ময়নাতদন্তের পর। তবে পুলিশ এই অভিনেত্রীর কথিত প্রেমিক মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন রাফিকে (কেউ কেউ বলছেন ওরফে জিয়া) গ্রেফতার করেছে।

    rnrn

    জানা যায়, হিমুকে হাসপাতালে নিয়ে যান রাফি। অভিনেত্রীর মৃত্যুর পরই তিনি হিমুর মোবাইল ফোনসহ পালিয়ে যান। বিবাহিত রাফির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল হিমুর। 

    rnrn

    উত্তরা জোনের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (এডিসি) মির্জা সালাউদ্দিন বলেন, ‘অভিনেত্রী হিমু ছিলেন ব্রোকেন ফ্যামিলির। তিনি তার এক পালিত ভাইকে নিয়ে উত্তরার ফ্ল্যাটে থাকতেন। তার সঙ্গে এক ছেলের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ওই প্রেমিকের সঙ্গে হিমুর দ্বন্দ্ব হয়েছিল। এর পরই হিমু এ ঘটনা ঘটিয়েছেন। এ ঘটনায় কাউকে আটক বা গ্রেফতার করা হয়নি। দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।’

    rnrn

    হিমুর কথিত প্রেমিক রাফি সম্পর্কে এখনো তেমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। অভিনেত্রীর সহকর্মীরাও তাকে চেনেন না। কারণ ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে হিমু কাউকে কিছু বলতেন না।

    rnrn

    অভিনেত্রীর কাছের সহকর্মী অভিনেতা প্রাণ রায় জানিয়েছেন, তিনি কখনো প্রেমিক রাফির নাম শোনেননি। তা ছাড়া ব্যক্তিগত বিষয় নিয়েও তাদের সঙ্গে আলোচনা হতো না।

    rnrn

    জানা গেছে, অনলাইন প্ল্যাটফরম ভিগো লাইভের সাপোর্টার ছিলেন রাফি। হিমুও এর সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, সেখান থেকেই তাদের সম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে।

    rnrn

    রাফি প্রায়ই হিমুর ফ্ল্যাটে আসা-যাওয়া করতেন। মাঝে মাঝে তারা একসঙ্গে থাকতেন। ঘটনার দিন বিকাল ৩টার দিকে হিমুর বাসায় গিয়েছিলেন রাফি। পরে তাদের মধ্যে কোনো বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব হয়। তখন হিমুর পালিত ভাই মিহির ওয়াশরুমে গিয়েছিলেন। হিমু ঘরে একাই ছিলেন। এর পর মিহির বের হয়ে দেখেন হিমু ফ্যানের হ্যাঙ্গারের সঙ্গে ঝুলছে। রাফি ও মিহির তখন হিমুকে হাসপাতালে নিয়ে যান।

    rnrn

    বৃহস্পতিবার রাজধানীর উত্তরার নিজ ফ্ল্যাটে সিলিংফ্যানের হ্যাঙ্গারে রশি দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলছিলেন হুমায়রা হিমু। পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
    rn 

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভি‌নেত্রী হিমুর মৃত্যু, ফোনসহ নি‌খোঁজ প্রে‌মিক

    ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী হুমায়রা হিমু আর নেই।  বৃহস্পতিবার রাজধানীর উত্তরার বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজে তিনি মারা গেছেন। 

    rnrn

    অভিনয় শিল্পী সংঘের সভাপতি আহসান হাবিব নাসিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

    rnrn

    তিনি বলেন, হিমুকে উত্তরার একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হিমুর মোবাইল ফোনসহ নিখোঁজ রয়েছেন তার প্রেমিক। 

    rnrn

    ধারণা করা হচ্ছে, হুমায়রা হিমু আত্মহত্যা করেছেন। তবে আহসান হাবিব নাসিম বলেন, আত্মহত্যা নাকি হত্যা এখনই বলা যাচ্ছে না। বিকালে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায় তার ছোট বোন ও প্রেমিক। হাসপাতালে নেওয়ার পর ডাক্তার মৃত্যু ঘোষণা করেন। কর্তব্যরত ডাক্তার পুলিশ কল করলে তার প্রেমিক ফোন নিয়ে পালিয়ে যায়।

    rnrn

    হুমাইরা হিমু ১৯৮৫ সালের ২৩ নভেম্বর লক্ষীপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ইস্পাহানি কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ইডেন মহিলা কলেজ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। মঞ্চনাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি প্রথম নাট্য জগতে প্রবেশ করেন। ফ্রেঞ্চ নামক নাট্য দলের হয়ে তিনি অভিনয় করেন।

    rnrn

    ২০০৬ সালে টেলিভিশন নাটক ‘ছায়াবীথি’-তে প্রথম অভিনয় করেন তিনি। একই বছর পিআই (প্রাইভেট ইনভেস্টিগেটর) নামে একটি টিভি সিরিয়ালে অভিনয় করেন। তারপর ‘বাড়ি বাড়ি সারি সারি’, ‘হাউজফুল’, ‘গুলশান এভিনিউ’সহ অনেক জনপ্রিয় নাটক উপহার দিয়েছেন এই অভিনেত্রী।
    rn 

    rnrn

     

    বিনোদন ডেস্ক

  • সন্ত্রাসীদের গুলিতে ভুবনের মৃত্যু: হিমেল দুই দিনের রিমান্ডে

    গুলিবিদ্ধ হয়ে ভুবন চন্দ্র শীল নিহতের ঘটনায় গ্রেফতার মারুফ বিল্লাহ হিমেলের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার উপপরিদর্শক বিএম রানা।

    অন্যদিকে আসামিপক্ষ রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শেখ সাদী তার জামিন নামঞ্জুর করে দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

    এর আগে ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে তেজগাঁও বিজি প্রেস ও পেট্রলপাম্পের মাঝামাঝি স্থানে শীর্ষ সন্ত্রাসী মামুনকে ঘিরে ধরে চারটি মোটরসাইকেলে আসা ৭-৮ জন যুবক।

    এ সময় দৌড়ে পালানোর সময় তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে দুর্বৃত্তরা। অপরদিকে অফিস থেকে আরামবাগের মেসে ফিরছিলেন ভুবন চন্দ্র শীল। তেজগাঁওয়ে এলে তিনি সন্ত্রাসীদের এলোপাতাড়ি গুলিতে আহত হন। ঘটনার আট দিন পর সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর পপুলার হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় মারা যান তিনি।

    এ ঘটনায় নিহত ভুবনের স্ত্রী রত্না রানী শীল বাদী হয়ে তেজগাঁও থানায় অজ্ঞাত সাত-আটজনকে আসামি করে মামলা করেন।

    ভুবন শীল আরামবাগের বাসায় একাই থাকতেন। তার স্ত্রী রত্না একমাত্র মেয়েকে নিয়ে থাকেন নোয়াখালীর মাইজদীতে। রত্না মাইজদীর একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক। তাদের মেয়ে ভূমিকা চন্দ্র শীল সদ্য এসএসসি পাশ করেছে।

    আদালত প্রতিবেদক

  • সোহানুর রহমানের মৃত্যু, যা বললেন মৌসুমী

    নিজ বাসায় ঘুমের মধ্যে বুধবার সন্ধ্যায় মৃত্যু হয় সোহানুর রহমান সোহানের। এর একদিন আগেই মারা গিয়েছিলেন এই পরিচালকের স্ত্রী। চলচ্চিত্র পরিচালক সোহানুর রহমানের মৃত্যুর খবর শুনে হাউমাউ করে কেঁদে উঠেছেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী। 

    ফোনে প্রিয় পরিচালকের মৃত্যুর খবর শুনতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন মৌসুমী। কারণ সোহানের হাত ধরেই চলচ্চিত্রে পথচলা শুরু হয়েছিল এই অভিনেত্রীর। 

    এদিন কান্নাজড়িত কণ্ঠে ফোনের ওপাশ থেকে মৌসুমী বলেন, ‘গতকাল ভাবি চলে গেলেন। আজ শুনি আমাদের সোহান ভাইও নেই….।’ এর পরই আর কথা বলতে পারছিলেন না এই অভিনেত্রী। ফোনটি তুলে দেন স্বামী ওমর সানীর হাতে। এর পর ওমর সানী সোহানুর রহমান সোহানের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে সবাইকে দোয়া করতে বললেন। 

    আরও পড়ুন:

    বাংলাদেশের কালজয়ী সিনেমা ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’। ১৯৯৩ সালের ২৫ মার্চ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় ছবি। যেই ছবি নির্মাণ করেছিলেন সোহান। তার হাত ধরেই অভিষেক ঘটেছিল মৌসুমী ও সালমান শাহর। এই সিনেমার নায়ক প্রয়াত হয়েছেন অনেক আগেই। এবার না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন সোহানও।

    ১৯৭৭ সালে পরিচালক শিবলি সাদিকের সহকারী হিসেবে চলচ্চিত্রে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন সোহানুর রহমান সোহান। এর পর শহীদুল হক খানের ‘কলমিলতা’ (১৯৮১), এজে মিন্টুর ‘অশান্তি’ (১৯৮৬) ও শিবলি সাদিকের ‘ভেজা চোখ’ (১৯৮৮) সিনেমায় সহকারী হিসেবে কাজ করেন। একক ও প্রধান পরিচালক হিসেবে তার প্রথম সিনেমা ‘বিশ্বাস অবিশ্বাস’ (১৯৮৮)।

    এছাড়া বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির টানা দুবার মহাসচিব এবং দুইবার সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

    সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলো হলো ‘আমার দেশ আমার প্রেম’, ‘স্বজন’, ‘আমার ঘর আমার বেহেশত’, ‘অনন্ত ভালোবাসা’, ‘স্বামী ছিনতাই’, ‘আমার জান আমার প্রাণ’, ‘পরাণ যায় জ্বলিয়া রে’, ‘কোটি টাকার প্রেম’, ‘সে আমার মন কেড়েছে’, ‘দ্য স্পিড’ ও ‘লোভে পাপ পাপে মৃত্যু’ ইত্যাদি।

    বিনোদন ডেস্ক