Tag: মৃত্যু

  • নায়ক ফারুকের বর্ণাঢ্য জীবন

    স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি যাদের হাত ধরে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল, তাদের মধ্যে অন্যতম আকবর হোসেন পাঠান। সিনেমা জগতে তিনি রুপালি পর্দার হিরো নায়ক ফারুক নামেই পরিচিত।

    rnrn

    বাংলা চলচ্চিত্রে গ্রামীণ চরিত্রের অপ্রতিদ্বন্দ্বী নায়ক মিয়া ভাই নামে পরিচিত এ অভিনেতা জন্মগ্রহণ করেন ১৯৪৮ সালের ১৮ আগস্ট। ঢাকার অদূরে মানিকগঞ্জ জেলার ঘিওরে। তবে ঘিওরে জন্মগ্রহণ করলেও বেড়ে উঠেছেন পুরান ঢাকায়। 

    rnrn

    তিনি পুরান ঢাকার অলিগলিতে দাপিয়ে বেড়িয়েছেন শৈশবে। বাবা আজগার হোসেন পাঠানের ছিল পাঁচ মেয়ে ও দুই ছেলে। ফারুক ছিলেন ভাইদের মধ্যে সবার ছোট ও ডানপিটে। ফারুক ছোটবেলাতেই ছিলেন খুবই চঞ্চল স্বভাবের। তিনি সুযোগ পেলেই ছুটে যেতেন মাঠে খেলার জন্য।

    rnrn

    নায়ক ফারুক পারিবারিক জীবনেও ছিলেন সুখী মানুষ। দীর্ঘদিন ভালোবেসে বিয়ে করেন ফারজানাকে। তাদের এই সুখী পরিবারে দুই সন্তান জন্ম নেয়। একজন ছেলে যার নাম রওশন হোসেন এবং আরেকজন মেয়ে যার নাম ফারিহা তাবাসুম পাঠান। তাদের ছেলেমেয়ে দুজনেই প্রতিষ্ঠিত নিজ নিজ জায়গায়।

    rnrn

    নায়ক ফারুক জলছবি চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সিনেমা জগতে প্রবেশ করেন। তার প্রথম ছবিটি পরিচালনা করেন এইচ আকবর ১৯৭১ সালে। তার প্রথম ছবিতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের মিষ্টি মেয়েখ্যাত কবরী। পরে কবরী ও ফারুক জুটি একসময় খুবই জনপ্রিয় ছিল। তার প্রথম ছবির পর তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। উপহার দিয়েছে একের পর এক জনপ্রিয় সিনেমা।

    rnrn

    নায়ক ফারুক কাজ করেছেন বাংলাদেশের কিংবদন্তি পরিচালক খান আতাউর রহমান, নারায়ণ ঘোষ মিতা, স্বপন ঘোষ, আজিজুর রহমান, আমজাদ হোসেনসহ আরও গুণী পরিচালকদের সঙ্গে। এসব গুণী পরিচালকদের হাত ধরেই তিনি উপহার দিয়েছেন অনেক কালজয়ী সিনেমা, যা বাংলার সিনেমাপ্রেমীদের মাঝে হিরো ফারুককে চিরস্মরণীয় করে রাখবে। তিনি প্রায় ১০০+ সিনেমায় অভিনয় করেছেন। তার মধ্যে বেশিরভাগ সিনেমাই দর্শকদের মন জয় করতে পেরেছিল।

    rnrn

    চলচ্চিত্র জগতে অবদানের জন্য মিয়াভাইখ্যাত নায়ক ফারুক প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান ১৯৭৫ সালে। নারায়ণ ঘোষ মিতা পরিচালিত বিখ্যাত লাঠিয়াল সিনেমায় অভিনয় করার কারণে শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্র ক্যাটাগরিতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান।
    rnএ ছাড়া চলচ্চিত্রে সামগ্রিক অবদানের জন্য আজীবন সম্মাননা পান ২০১৬ সালে। তা ছাড়া ফারুক বেসরকারি আরও অনেক সম্মানে ভূষিত হয়েছেন।

    rnrn

    তবে চলচ্চিত্রে আসার আগেই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়ান ফারুক। তিনি ঢাকা-১৭ আসন থেকে বিজয়ী হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। 

    rnrn

    এ ছাড়া বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণ করেছিলেন ফারুক। 

    rnrn

    সিনেমা রাজনীতির পাশাপাশি তিনি ব্যবসা ক্ষেত্রেও সফল। ফারুকের নিজের প্রতিষ্ঠান ফারুক নিটিং ডাইং অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি রয়েছে। তার নিজস্ব প্রতিষ্ঠানটি ঢাকার অদূরে গাজীপুরে অবস্থিত। 

    rnrn

    সেই মিয়াভাই সবাইকে কাঁদিয়ে স্থানীয় সময় সকাল ১০টার দিকে সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে মারা গেছেন। সিঙ্গাপুরে প্রায় দুই বছর চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • যেসব সিনেমা দিয়ে দর্শকদের মন কেড়েছেন নায়ক ফারুক

    জলছবি চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সিনেমা জগতে প্রবেশ করেন নায়ক ফারুক। তার প্রথম ছবিতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের মিষ্টি মেয়ে বলে খ্যাত কবরী। তার প্রথম ছবির পর তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। উপহার দিয়েছেন একের পর এক জনপ্রিয় সিনেমা।

    rnrn

    তিনি প্রায় ১০০+ সিনেমায় অভিনয় করেছেন। তার বেশিরভাগ সিনেমাই দর্শকদের হৃদয় জয় করতে পেরেছিল। নায়ক ফারুকের উল্লেখযোগ্য কিছু সুপারহিট সিনেমাগুলোর মধ্যে খান আতাউর রহমান পরিচালিত আবার তোরা মানুষ হ; আবদুল্লাহ আল মামুন পরিচালিত সারেং বৌ; প্রমোদ কর পরিচালিত সুজন সখী ও দিন যায় কথা থাকে; আমজাদ হোসেন পরিচালিত গোলাপী এখন ট্রেনে ও নয়নমনি; দেলোয়ার জাহান ঝন্টু পরিচালিত পালকি; চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত পদ্মা মেঘনা যমুনা।

    rnrn

    এ ছাড়া জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত জীবন সংসার; নারায়ণ ঘোষ মিতা পরিচালিত আলোর মিছিল, সাহেব ও লাঠিয়াল; আব্দুস সামাদ পরিচালিত সূর্যগ্রহণ; তাহের চৌধুরী পরিচালিত মাটির মায়া; বেলাল আহমেদ পরিচালিত নাগরদোলা; শেখ নিয়ামত আলী পরিচালিত এতিমসহ আরও অনেক সিনেমা।

    rnrn

    কালজয়ী এ নায়ক আজ (সোমবার) সকাল ১০টায় সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মারা যান।

    বিনোদন প্রতিবেদন

  • যে নায়িকার সঙ্গে সিনেমায় হাতেখড়ি ফারুকের

    স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি যাদের হাত ধরে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল, তাদের মধ্য অন্যতম হলেন আকবর হোসেন পাঠান, যাকে সিনেমাপ্রেমীরা রুপালি পর্দার হিরো ফারুক হিসেবে চেনেন। 

    rnrn

    নায়ক ফারুক ‘জলছবি’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সিনেমা জগতে প্রবেশ করেন। তার প্রথম ছবিটি পরিচালনা করেন এইচ আকবর ১৯৭১ সালে। তার প্রথম ছবিতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের মিষ্টি মেয়েখ্যাত কবরী। 

    rnrn

    পরবর্তীতে কবরী ও ফারুক জুটি একসময় খুবই জনপ্রিয় ছিল। তার প্রথম ছবির পর তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। উপহার দিয়েছেন একের পর এক জনপ্রিয় সিনেমা।

    rnrn

    নায়ক ফারুক কাজ করেছেন বাংলাদেশের কিংবদন্তি পরিচালক খান আতাউর রহমান, নারায়ণ ঘোষ মিতা, স্বপন ঘোষ, আজিজুর রহমান, আমজাদ হোসেনসহ আরও গুণী পরিচালকদের সঙ্গে। এসব গুণী পরিচালকদের হাত ধরেই তিনি উপহার দিয়েছেন অনেক কালজয়ী সিনেমা, যা বাংলা সিনেমাপ্রেমীদের মাঝে হিরো ফারুককে চিরস্মরণীয় করে রাখবে।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • চলে গেলেন কিংবদন্তি মার্কিন সংগীতশিল্পী হ্যারি বেলাফন্টে

    কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী হ্যারি বেলাফন্টে মারা গেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ম্যানহাটনে আপার ওয়েস্ট সাইডে নিজ বাড়িতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।

    rnrn

    তার মৃত্যুর বিষয়টি জানিয়েছেন তার মুখপাত্র কেন সানশাইন। তার বয়স হয়েছিল ৯৬ বছর।  খবর বিবিসির।

    rnrn

    তার গাওয়া জামাইকান ফেয়ারওয়েল সাদা, কালো, বাদামি, হলুদ- দুনিয়ার সব বর্ণের, সব ধর্মের মানুষের মুখে মুখে ফেরে আজও। শুধু কী জামাইকান ফেয়ারওয়েল? হ্যারি বেলাফন্টের গাওয়া অন্যান্য গানও দশকের পর দশক গোটা পৃথিবীকে মাতিয়ে রেখেছে। এই কিংবদন্তির গান বাংলায়ও অনূদিত হয়েছে।

    rnrn

    হ্যারি বেলাফন্টে শুধু গায়ক হিসেবে নিজের পরিচয়কে সীমাবদ্ধ করেননি। আমেরিকায় সামাজিক আন্দোলনেও অন্যতম নাম হিসেবে স্মরণীয় হয়ে রয়েছেন। কালো মানুষদের অধিকারের জন্য যেমন তিনি লড়াই করেছেন, তেমনি এইডসের মতো রোগের বিরুদ্ধে প্রচার চালিয়েছেন জীবনভর।

    rnrn

    অভিনয়েও পা বাড়িয়েছিলেন বেলাফন্টে। যদিও সংগীতশিল্পী হিসেবেই সারা বিশ্বে বেশি সমৃদ্ধ। ১৯২৭ সালে নিউইয়র্ক শহরে জন্ম বেলাফন্টের। তবে শৈশবের আটটি বছর জ্যামাইকায় কেটেছে এই কিংবদন্তির। পরে নিউইয়র্কে ফিরলেও ডায়ালেক্সিয়ার সমস্যায় হাই স্কুলের পড়াশোনা শেষ করতে পারেননি। পেটের তাগিদে করেছেন নানা বিচিত্র কাজ।

    rnrn

    ১৭ বছর বয়সে যোগ দেন মার্কিন নৌ সেনায়। সেই সময় গোটা বিশ্ব ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াল থাবায়। যুদ্ধশেষে অভিনেতা হওয়ার স্বপ্ন দেখেন বেলাফন্টে। সেই প্রথম অভিনয়ের ক্লাসে ভর্তি হন তিনি। সেই সঙ্গে হাতে তুলেন গিটার। লোকগীতি থেকে পপ, জ্যাজ গেয়ে উপার্জন শুরু করলেন নিউ ইয়র্কের ক্লাবগুলোতে। ক্রমে গানই হয়ে উঠে তার পরিচয়। 

    rnrn

    ১৯৫৪ সালে প্রকাশ পায় প্রথম অ্যালবাম। এরপর দ্বিতীয় অ্যালবামেই দেখেন খ্যাতির মুখ। তবে ইতিহাস গড়ে তৃতীয় অ্যালবাম। ‘ক্যালিপসো’ নামের সেই অ্যালবামে জামাইকান ঐতিহ্যের ছোঁয়া মার্কিনিদের অভিভূত করে। আমেরিকায় সেটাই প্রথম অ্যালবাম, যেটা ১০ লাখেরও বেশি বিক্রি হয়েছিল।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নিজের মৃত্যুর ভুয়া খবর নিয়ে মুখ খুললেন সেই অভিনেত্রী

    পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও মডেল সাইদা ইমতিয়াজ। মঙ্গলবার তার নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে মৃত্যুর ঘোষণা দেওয়া হয়। পাকিস্তানের গণমাধ্যম দ্য ডনসহ বেশ কয়েকটি মিডিয়ায় খুব দ্রুত এ খবরটি ছড়িয়ে পড়ে।

    rnrn

    বিষয়টি নিয়ে দিনভর আলোচনার পর মঙ্গলবার রাতে এক ভিডিওবার্তায় সাইদা ইমতিয়াজ জানান, তিনি ভালো আছেন। তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট কে বা কারা হ্যাক করে মৃত্যুর ঘোষণাটি দিয়েছে।

    rnrn

    সাইদা ইমতিয়াজ বলেন, আমি ঘুম থেকে ওঠার পর কয়েকটি কল ও খুদে বার্তা পেয়েছি। তবে কী ঘটেছে, তা বুঝতে পারছিলাম না। এটি আমার জন্য খুব পীড়াদায়ক ছিল।

    rnrn

    দেশের বাইরে থাকা মা ও বোন এ ঘটনায় খুবই চিন্তিত হয়ে পড়েন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মানুষকে অনেক সময় উত্ত্যক্ত করা হয়। তবে একজনের পরিবারের সদস্যদের এভাবে মানসিকভাবে আঘাতের ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’

    rnrn

    যারা তার (সাইদার) ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট হ্যাক করেছে, তাদের খোঁজ মিলেছে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে আইনিব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে সাইদার আইনি উপদেষ্টা ও ম্যানেজার মিয়ান শাহবাজ আহমেদ জিও নিউজকে জানান, সাইদা ইমতিয়াজ বেঁচে আছেন, পুরোপুরি সুস্থ আছেন। তিনি এখন লাহোরের বাসায় অবস্থান করছেন।

    rnrn

    সংযুক্ত আরব আমিরাতে জন্ম নেওয়া সাইদার বেড়ে ওঠা নিউইয়র্কে। পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, ক্রিকেটার ইমরান খানের বায়োপিক ‘কাপ্তান’-এ ইমরানের সাবেক স্ত্রী জেমিমার চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি।

    rnrn

    ২০১৯ সালে ‘কুলফি’ নামে এক সিনেমার ঘোষণা দেন সাইদা; এর আগে ‘ওয়াজুদ’, ‘রেডরাম’সহ বেশ কয়েকটি পাকিস্তানি সিনেমায় পাওয়া গেছে তাকে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মৃত্যুর আগে যে ইচ্ছা পূরণ করতে চান মৌসুমী

    জীবনের বেশ কয়েকটি ইচ্ছার কথার জানিয়েছেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী। এর মধ্যে হজে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন এই অভিনেত্রী। সেই তালিকায় আছে— মারা যাওয়ার পর তার লাশ যেন কাউকে দেখতে দেওয়া না হয়, দশর্কদের কাছে থাকা ছবি ডিলিট করাসহ বেশ কয়েকটি বিষয়।

    একটি বেসরকারি টেলিভিশনের ‘১৩টি প্রশ্ন’ শিরোনামের আয়োজনে এমন ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন এই চিত্রনায়িকা। উপস্থাপক শাহরিয়ার নাজিম জয় প্রশ্ন রাখেন— ক্যামেরার সামনে শেষ কথা হলে সেটি কী বলতে চান?

    এমন প্রশ্নে মৌসুমী বলেছেন, ‘প্রথমত আমি বলব— আমি যদি মরে যাই, আমার সব ভুলের জন্য ক্ষমা চাই সবার কাছে। ক্ষমা করে দেবেন। আমার কয়েকটি ইচ্ছে আছে, একটি হলো— আমি মারা যাবার পর আমার লাশ যেন কাউকে দেখতে দেওয়া না হয়। যেন খুব সিক্রেটলি কবর দেওয়া হয়। জানাজা হবে। কিন্তু আমি চাই না আমাকে আর কেউ দেখুক।’

    মৃত্যুর আগে হজে যাওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়ে মৌসুমী বলেন, ‘আমি মারা যাবার আগে বড় হজ করতে চাই। আমি যেন হজ করতে পারি, সে জন্য সবাই দোয়া করবেন।’

    ওই প্রশ্নের উত্তরে মৌসুমী আরও বলেন, ‘আমি মারা যাবার পর টিভিতে ধুমধাড়াক্কা ছবি এবং দশর্কদের কাছে অনেক ছবি রয়ে গেছে, সেগুলো ডিলিট করে দিবেন। তবে ছবি যদি সংগ্রহ করতে হয়, তা হলে মৌসুমী আর্কাইভে আলাদাভাবে সংরক্ষণ করতে হবে। সেখানে সবাই আমার সব কিছু জমা দিয়ে দিবেন। যদি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আমার কোনো কাজ মনে হয় আর্কাইভে রাখলে ভালো হবে বা গবেষণার কাজে আসবে, তবে সে উদ্দেশ্যই ছবিগুলো সংরক্ষণ হবে। অবশ্যই বাছাইকৃত ছবিগুলো জমা দেওয়া হবে। এ ছাড়া অন্য সব কিছু ডিলিট করে দিলে ভালো হবে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘এ ছাড়া আমার কিছু উদ্দেশ্য রয়েছে। যেমন আমার কিছু সাংগঠনিকভাবে মৌসুমী ওয়েলফেয়ারের মাধ্যমে যেসব কাজ করার উদ্দেশ্য রয়েছে, আমার সব ভক্তকে অনুরোধ করব, এটাকে সবসময় সচল রাখার জন্য।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • দুঃখী কৃষকের সংলাপ বলতে বলতেই মঞ্চে অভিনেতার মৃত্যু

    মঞ্চে ভিন্ন চরিত্রে নিজেকে আত্মিকভাবে মানিয়ে খ্যাতি অর্জন করেন অভিনয় শিল্পীরা। আবার সেই মঞ্চেই জীবনাবসানের ঘটনাও কম নয়। সে রকমই একটি ঘটনা ঘটেছে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায়।

    শনিবার রাতে উপজেলার জামতৈল ইউনিয়নের নান্দিনামধু গ্রামে আয়োজিত যাত্রার মঞ্চে এ ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নায়কের ভাইয়ের অভিনয় করছিলেন হাসেম আলী সরকার নামে এক যাত্রাশিল্পী। তার চরিত্রটি ছিল দুঃখী এক কৃষকের। যাত্রা চলাকালে কষ্টদায়ক একটি দৃশ্যে সংলাপ বলতে বলতেই আকস্মিকভাবে মঞ্চেই লুটিয়ে পড়েন তিনি। এ সময় দর্শক ও সহ-অভিনেতাসহ সবাই ধারণা করছিলেন হাসেম আলী অভিনয় চালিয়ে যাচ্ছেন। অনেক সময় পরও উঠতে না দেখে সহকর্মীরা তাকে উঠানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু ততক্ষণে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি।

    আরও জানা গেছে, হাসেম আলী দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের গ্রামীণ ঐতিহ্য যাত্রাপালায় অভিনয় করেন। গত শনিবার রাতে নান্দিনামধু এলাকায় 'আলমমালার প্রেম' নামের একটি যাত্রাপালা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেই এ হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বলিউড অভিনেতা সতীশ কৌশিক আর নেই

    বলিউডের নন্দিত অভিনেতা ও নির্মাতা সতীশ কৌশিক মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার সকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর। বরেণ্য এই শিল্পীর প্রয়াণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে ভারতীয় সিনেমাঙ্গনে।

    rnrn

    অভিনেতার পরিবার থেকে জানানো হয়েছে, তিনি সকালে গাড়িতে করে যাচ্ছিলেন। এমন সময় তার হার্টঅ্যাটাক হয়। এর পর দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু চিকিৎসকরা জানান, তিনি আর বেঁচে নেই।

    rnrn

    টুইটারে এ খবর জানান প্রবীণ বলিউড অভিনেতা অনুপম খের।

    rnrn

    অনুপম খের লিখেছেন, ‘জানি, জীবনের সবচেয়ে বড় সত্য মৃত্যু। কিন্তু আমি কখনো ভাবিনি, আমার প্রিয় বন্ধুর জন্য কোনো দিন আমাকে এটা লিখতে হবে। ৪৫ বছরের বন্ধুত্বে হঠাৎ বিচ্ছেদ। তোমার মতো বন্ধুর অনুপস্থিতিতে জীবন বদলে যাবে।’

    rnrn

    নির্মাতা সুভাষ ঘাই বলেছেন, ‘সতীশ কৌশিক এমন একজন মানুষ ছিলেন, যিনি সবসময় হাসিখুশি থাকতেন। এমনকি খুব বাজে পরিস্থিতি বা সংকটেও অন্যদের পাশে থেকেছেন।’

    rnrn

    ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, ‘ভারতীয় সিনেমায় তার অবদান, শৈল্পিক সৃষ্টি ও পরিবেশনাগুলো চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’

    rnrn

    গত ৭ মার্চ জনপ্রিয় গীতিকার জাভেদ আখতার আয়োজিত হোলির উৎসবেও দেখা গিয়েছিল তাকে। তার পরেই হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়।

    rnrn

    সতীশ কৌশিকের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতও। তার আগামী ছবি ‘ইমার্জেন্সি’তে উপপ্রধানমন্ত্রী জগজীবন রামের চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি।

    rnrn

    ১৯৯৩ সালে ‘রূপ কি রানি চোরো কা রাজা’ ছবির হাত ধরে যাত্রা শুরু পরিচালক সতীশ কৌশিকের। পরবর্তী কালে ‘হাম আপকে দিল মে রেহতে হ্যায়’, ‘মুঝে কুছ কেহনা হ্যায়’-এর মতো ছবি পরিচালনা করেন তিনি। সালমান খানের ‘তেরে নাম’ ছবির হাত ধরে পরিচিতি বাড়ে পরিচালক সতীশ কৌশিকের। শুধু পরিচালক হিসাবে নয়, অভিনেতা হিসাবেও নিজের জায়গা তৈরি করেছিলেন তিনি। 

    rnrn

    ‘মিস্টার ইন্ডিয়া’ ছবিতে ক্যালেন্ডারের চরিত্রে তার অভিনয় এখনো মনে আছে দর্শক ও সিনে-অনুরাগীদের। আশি ও নব্বইয়ের দশকের একাধিক ছবির পাশাপাশি হালের ‘বাগী ৩’, ‘ছত্রিওয়ালি’র মতো ছবিতেও অভিনয় করেছেন সতীশ কৌশিক।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘মান্নার মৃত্যুর পর স্বজনদের অবস্থা দেখে হতবাক হয়েছি’

    ২০০৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি ভয়ানক এক শোকের দিন। সেদিন অগণিত ভক্তকূলদের কাদিয়ে না ফেরার দেশে পারি জমান চিত্রনায়ক মান্না। তার মৃত্যুতে শোকে ‘পাথর’ হয়েছিল পুরো পরিবার। 

    rnrn

    মান্নার মৃত্যুর পরদিন আত্মীয় স্বজনদের বদলে যাওয়া দেখে অবাক হয়েছিলেন তার পরিবারের সদস্যরা। সেই ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন মান্নার স্ত্রী শেলী। 

    rnrn

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসুবকে এক পোস্টে শেলী বলেন, পরদিন ১৮ ফেব্রুয়ারি সোমবার সকাল থেকেই আমার চারপাশের অনেক স্বজনের মানবিক চরিত্রের বদল ঘটেছিল। 

    rnrn

    শেলী মান্না বলেন, আমার স্বামীর এভাবে আকস্মিক চলে যাওয়া আমাদের জন্য বিশাল শূন্যতা ও বিষণ্নতার। পরবর্তী সময়ে আমার কাছের অনেক স্বজনের দূরে সরে যাওয়া দেখে হতবাক হয়েছি। খুব কাছ থেকে অনেককে দেখেছি, দিনের পরদিন তারা একসময় অচেনা হয়ে গেলেন। এ সময় আমি মান্নার কর্মকাণ্ড ঘিরে ও আর্তমানবতার সেবায় নিজেকে সমর্পণ করি। 

    rnrn

    শেলী আরও বলেন, কিংবদন্তি অভিনেতা, প্রযোজক মান্নার অগণিত ভক্তকূল, সিনেমাপ্রেমী স্বজন ও পরিবারের দীর্ঘ দিনের দাবি ছিল মান্না ফাউন্ডেশন গঠন নিয়ে। পরে আমরা ফাউন্ডেশন গঠন করি। সেখানেও একসময় সক্রিয় থাকা সম্ভব হয়নি।

    rnrn

    মান্নার রেখে যাওয়া কৃতাঞ্জলি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ও চলচ্চিত্রবিষয়ক কর্মকাণ্ডের হাল ধরেন শেলী। সেই অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখানেও আমি এক বিশ্বাস ও অবিশ্বাসের ফাদের বেড়াজালে পড়ে যাই। সম্মান বাঁচাতে বৈষয়িক অনেক বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হতে লাগলাম। আমাকে শূন্যতা, বিষণ্নতা ও চরম পরিস্থিতি থেকে একবারে টেনে তোলার মতো কোনো স্বজন এগিয়ে আসেননি। যেমনটা আমি একসময় অনেকের অনেক সমস্যায় অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিলাম। শুরু হয় জীবনযুদ্ধ। সেই সঙ্গে কাছের মানুষেরাও হয়ে যায় চির অচেনা।

    rnrn

    শেলী আর বলেন, এখন পারিবারিক, রক্তের বন্ধন ও সামাজিক বন্ধন অনেকাংশেই বিলুপ্তির পথে। আর এই বন্ধনকে আরও জোরদার করার লক্ষ্যে সামাজিক ও পারিবারিক অবক্ষয়কে রোধ দরকার বলেই মান্না ফাউন্ডেশন কাজগুলো নিয়মিত করবে। ‘এসো মানববন্ধন গড়ি’ শিরোনামে এখানে শিক্ষণীয় ও দৃষ্টান্তমূলক বিষয়গুলো নিয়ে কাজ হবে। সেগুলো টেলিভিশন ও কৃতাঞ্জলির ডিজিটাল চ্যানেলে প্রকাশ পাবে।

    rnrn

    শেলী বলেন, এবার আমরা মানবিক ও উদারমনা সংগঠকদের নিয়ে ফাউন্ডেশনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। দেশপ্রেম ও সংগঠনের কার্যক্রমকে প্রাধান্য দিয়ে প্রতিটি কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে হবে। নারী-পুরুষের সম্মিলিত ভূমিকা থাকবে এই সংগঠনের কর্মকাণ্ডে।

    rnrn

    মান্না মারা যাওয়ার পর ২০০৯ সালের পয়লা বৈশাখে গঠন করা হয় মান্না ফাউন্ডেশন। পরবর্তীকালে বাংলাদেশজুড়ে ২৪৫টি অঙ্গসংগঠন তৈরি হয়। শেলী বলেন, আমরা ২০১৪ সাল পর্যন্ত এর কার্যক্রম চালিয়ে যাই। পরে রাজনৈতিক ও পারিপার্শ্বিক কারণে ফাউন্ডেশনের কর্মকাণ্ড কিছুটা থেমে যায়। এ ছাড়া আমাদের ফাউন্ডেশনের কার্যকরী কমিটির শ্রদ্ধেয় চলচ্চিত্র পরিচালক, অভিভাবক চাষী নজরুল ইসলাম ভাইসহ সাতজন মারা যাওয়ার পর আমরা আরও ভেঙে পড়ি। এরা সবাই ছিলেন মান্নাঘনিষ্ঠ।

    স্পোর্টস ডেস্ক

  • চলে গেলেন হলিউড অভিনেত্রী রাকুয়েল ওয়েলস

    হলিউড তারকা রাকুয়েল ওয়েলস মারা গেছেন। ৮২ বছর বয়সি এই মার্কিন অভিনেত্রী ও মডেল বুধবার মারা যান। 

    rnrn

    ওয়েলসের ম্যানেজার স্টিভ সউয়ের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। খবর বিবিসির।

    rnrn

    এক বিবৃতিতে তিনি জানান, গত কয়েক দিন ধরে এই অভিনেত্রী অসুস্থ ছিলেন।

    rnrn

    বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, রাকুয়েল ১৯৪০ সালে তেজাদায় জন্মগ্রহণ করেন এবং ক্যালিফোর্নিয়ায় বেড়ে ওঠেন। সেখানে তিনি কিশোরী সুন্দরী প্রতিযোগিতা জিতেছিলেন।

    rnrn

    ওয়েলস ১৯৬০-এর দশকে আন্তর্জাতিকভাবে আবেদনময়ী নারীর প্রতীকে পরিণত হন। ১৯৬৬ সালের ওয়ান মিলিয়ন ইয়ারস বিসি চলচ্চিত্রে বিকিনি-পরা গুহা নারীর চরিত্রে অভিনয় করে তিনি আলোচনায় আসেন। 

    rnrn

    ১৯৭৪ সালে ‘থ্রি মাস্কেটিয়ার্স’-এ অনবদ্য অভিনয়ের জন্য ওয়েলস গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ড জিতেন। ‘রাইট টু ডাই’-এ অভিনয়ের জন্য ১৯৮৭ সালে ফের তিনি মনোনয়ন পান।

    rnrn

    হলিউডের আধুনিককালের নায়িকানির্ভর অ্যাকশনধর্মী চলচ্চিত্রের জন্য এই আমেরিকান অভিনেত্রীকে কৃতিত্ব দেওয়া হয়।

    rnrn

    সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ৭০টির বেশি চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন অনুষ্ঠানে অভিনয় করেন ওয়েলস। মূলত কল্পবিজ্ঞান নির্ভর ‘ফ্যান্টাস্টিক ভয়েজ’ চলচ্চিত্র মুক্তি পাওয়ার পর তার ক্যারিয়ারে পালে হাওয়া লাগে।

    বিনোদন ডেস্ক