Tag: ভারত

  • স্মৃতির পাশে দাঁড়াবে বলে জেমাইমা বিবিএল ছেড়ে দিল, একেই বলে বন্ধুত্ব: সুনীল

    ভারতের মহারাষ্ট্রের সাঙ্গলিতে বিশ্বকাপজয়ী তারকা ক্রিকেটার স্মৃতি মান্ধানার বিয়ের জমজমাট প্রস্তুতি চলছিল। গত ২১ নভেম্বর বেশ জমকালোভাবে হলুদের অনুষ্ঠানও হয়। ২৩ নভেম্বর চার হাত এক হওয়ার কথা ছিল তাদের; কিন্তু সেদিনই ঘটে যায় এক মহাবিপর্যয়। বিয়ের কয়েক ঘণ্টা আগে আচমকা হৃদরোগে আক্রান্ত হন স্মৃতির বাবা শ্রীনিবাস মান্ধানা। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে হাসপাতালে ভর্তি করান। এখানেই শেষ নয়; আরও এক বিপর্যয়ের খবর অপেক্ষা করছিল স্মৃতি মান্ধানার জীবনে। তার বাবার পর হাসপাতালে নেওয়া হয় হবু স্বামী পলাশ মুচ্ছলকেও। আর তাতেই অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত রাখা হয় বিয়ের অনুষ্ঠান।

    এদিকে স্মৃতি মান্ধানার বিয়ে স্থগিতের পর সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে— ক্রিকেট তারকার হবু স্বামী পলাশ মুচ্ছল নাকি ‘প্রতারক’। পলাশের সঙ্গে নাকি নৃত্যপ্রশিক্ষক মেরি ডি কোস্টার সম্পর্কের কথা প্রকাশ্যে আসে। যদিও মেরি দাবি করে বলেছেন— যার সঙ্গে পলাশের চ্যাট প্রকাশ্যে এসেছে, তিনি সেই মহিলা নন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে আসেননি স্মৃতি মান্ধানা। 

    অন্যদিকে বিশ্বকাপ জেতার পরেই অস্ট্রেলিয়ায় খেলতে যান স্মৃতি মান্ধানার ঘনিষ্ঠ বান্ধবী ও সতীর্থ জেমাইমা রদ্রিগেজ। বিয়ের জন্য দেশে ফেরেন। স্মৃতির বিয়ে পিছিয়ে যেতে অস্ট্রেলিয়ায় না ফেরার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। এমন বন্ধুত্ব দেখে আপ্লুত হয়েছেন বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা সুনীল শেঠি।

    বিগ ব্যাশ লিগে (বিবিএল) ব্রিসবেন হিটের হয়ে খেলছিলেন জেমাইমা রদ্রিগেজ। তিনটি ম্যাচ খেলার পরেই ভারতে ফিরে আসেন তিনি। আর এ মৌসুমে খেলা হবে না তার। জেমাইমার এমন পদক্ষেপে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে চর্চা। এবার সুনীল বাহবা দিলেন জেমাইমা ও স্মৃতির বন্ধুত্বকেও। 

    সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্টে সুনীল শেঠি লিখেছেন—সকালে একটা খবর পড়ে মনটা ভরে গেল। এই সময়ে স্মৃতির পাশে দাঁড়াবে বলে জেমাইমা বিবিএল ছেড়ে দিল। কোনো বড় কথা নয়— একেই বলে সহমর্মিতা। যথার্থ সতীর্থের কাজ করেছেন।

    উল্লেখ্য, গত পাঁচ ধরে চুটিয়ে প্রেম করার পর প্রেমিক পলাশ মুচ্ছলকে প্রকাশ্যে আনেন স্মৃতি মান্দানা। পলাশ মুচ্ছল বলিউডের একজন খ্যাতনামা কম্পোজার। একই সঙ্গে তিনি গায়িকা পালক মুচ্ছলের ভাই। কিন্তু এর মধ্যেই পলাশের সঙ্গে নাকি নৃত্যপ্রশিক্ষক মেরি ডি কোস্টার সম্পর্কের কথা প্রকাশ্যে আসে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিচ্ছেদের পর যা ঘটেছিল সানিয়া মির্জার ওপর, জানালেন ফারাহ খান

    ভারতের টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা ও পাকিস্তানি ক্রিকেটার শোয়েব মালিক ২০২৪ সালে বিবাহবিচ্ছেদের ঘোষণা দেন। বিবাহবিচ্ছেদের কয়েক দিনের মধ্যে তৃতীয় বিয়ে করেন শোয়েব মালিক। অন্যদিকে সানিয়া মির্জা ছেলেকে নিয়ে পাকাপাকিভাবে দুবাইয়ে থাকা শুরু করেন। কারণ শোয়েবের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ছেলেকে একা মানুষ করার দায়িত্ব পড়ে সানিয়ার কাঁধে। আবার কাজের সূত্রে মুম্বাইয়ে যাতায়াত করেন তিনি। 

    বিচ্ছেদের পর বেশ কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন এ টেনিস তারকা। বান্ধবীর এই অসময়ে পাশে ছিলেন কোরিওগ্রাফার ও পরিচালক ফারাহ খান। 

    সম্প্রতি সানিয়ার বাড়িতে আড্ডা দিতে যান ফারাহ খান, তার ইউটিউবের চ্যানেলের জন্য। যদিও সানিয়ার জীবনের এই সফরের সবটাই জানেন এ কোরিওগ্রাফার। 

    তবু তিনি প্রশ্ন করেন— একা মায়ের লড়াই কতটা? উত্তরে সানিয়া মির্জা বলেন, নিজের কাজ, নিজের পড়াশোনা, সন্তানের দায়িত্ব, মাতৃত্ব— সবটা মিলিয়ে মাঝেমধ্যে আবেগতাড়িত হয়ে যান। 

    সানিয়া জানান, তার জীবনের একবারে স্পর্শকাতর একটা সময়ে তিনি ফারাহকে পাশে পেয়েছেন। ফারাহ খান বলেন, তুমি থরথর করে কাঁপছিলে। আমি এর আগে তোমার ‘প্যানিক অ্যাটাক’ হতে দেখিনি। তাই যখন ডাকলে, আমার শুটিং ছেড়ে বাড়িতে পরার পাজামা ও হাওয়াই চটি পরে ছুটেছিলাম।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ফারাহর কথায় সম্মতি জানিয়ে সানিয়া বলেন, ‘সেদিন তুমি না থাকলে শুটিং করতে পারতাম না।

    উল্লেখ্য, সানিয়া মির্জা একজন বিখ্যাত ভারতীয় পেশাদার টেনিস খেলোয়াড়, যিনি তার শক্তিশালী ফোরহ্যান্ড গ্রাউন্ডস্ট্রোকের জন্য পরিচিত। তিনি ২০০৩ থেকে শুরু করে ২০১৪ সালে অবসর নেওয়ার আগ পর্যন্ত ভারতের এক নম্বর মহিলা টেনিস খেলোয়াড় ছিলেন।  তার কর্মজীবনের উল্লেখযোগ্য অর্জন হলো— তিনি ডাবলস ও মিক্সড ডাবলস উভয় বিভাগেই ছয়টি প্রধান গ্র্যান্ডস্লাম শিরোপা জিতেছেন। ২০১৫ সালের এপ্রিলে তিনি ডাবলসে বিশ্বের ১ নম্বরে র‌্যাংকিং অর্জনকারী প্রথম ভারতীয় নারী খেলোয়াড় হন। তিনি ফেডারেশন কাপে (বর্তমানে বিলি জিন কিং কাপ) ভারতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন এবং দেশের হয়ে সর্বোচ্চসংখ্যক ম্যাচ জেতার রেকর্ড গড়েছেন। 

    সানিয়া মির্জা ভারতের সর্বোচ্চ ক্রীড়া সম্মাননা রাজীব গান্ধী খেল রত্ন পুরস্কারসহ বহু জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। খেলাধুলা থেকে অবসর নেওয়ার পর তিনি ক্রীড়া ক্ষেত্রে বিভিন্ন উদ্যোগ এবং সামাজিক কাজে জড়িত আছেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • কনসার্টে আজানের আগে গান থামিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন সনু নিগম

    ভারতের শ্রীনগরে একটি কনসার্টে পারফর্ম করতে গিয়ে আজানের আগে গান বন্ধ করে দেন বলিউডের জনপ্রিয় গায়ক সনু নিগম। যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এমনকি প্রশংসায় ভাসছেন তিনি। 

    এনডিটিভির খবরে বলা হয়, সনু নিগম শ্রীনগরে তার প্রথম কনসার্টে পারফর্ম করার সময় একটা মুহূর্তে দর্শকদের কাছে দুটি মিনিট সময় চেয়ে নেন।

    তিনি বলেন, আমাকে দুই মিনিট সময় দিন দয়া করে। এখানে এখনই আজান শুরু হবে। এরপর সেই দুই মিনিটের জন্য পুরো অনুষ্ঠান থামিয়ে রাখেন। আজান শেষ হওয়ার পর আবার শুরু হয় তার পারফরম্যান্স।

    ভিডিওটি সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর সনু নিগমকে প্রশংসায় ভাসানো হচ্ছে।

    কয়েক বছর আগে আজান নিয়ে বিতর্কে জড়িয়ে সমালোচিত হয়েছিলেন সনু নিগাম। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে সনু নিগম আজান সম্প্রচার নিয়ে বিতর্কের মুখে পড়েছিলেন। সে সময় তিনি একাধিক টুইটে (বর্তমানে এক্স) লাউডস্পিকারে আজান প্রচারের সমালোচনা করে লিখেছিলেন, ভারতে এই জোরপূর্বক ধর্মীয়তা কবে শেষ হবে? 

    তিনি আরও বলেন, এটা শুধু গুন্ডাগিরি।

    তবে এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন মনোভাবে আজানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি নিজেকে নতুন করে উপস্থাপন করলেন। 

    আজানের সময় কনসার্ট থামিয়ে শ্রদ্ধা প্রদর্শনের সনু নিগমের এই আচরণ সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। অনেকেই বলছেন, অতীতের বিতর্ক পেরিয়ে এই গায়ক এখন পারস্পরিক সম্মান ও সহনশীলতার নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রজনীকান্ত-ধানুশের বাড়িতে বোমাতঙ্ক, চেন্নাইয়ে তোলপাড়

    দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির সুপারস্টার রজনীকান্ত ও জনপ্রিয় অভিনেতা ধানুশের বাড়িতে বোমা রাখা আছে—এমন খবরে তোলপাড় চেন্নাই।  সোমবার (২৭ অক্টোবর) তামিলনাড়ুর ডেপুটি জেনারেল অব পুলিশের মেইলে এমন হুমকিবার্তা আসে। সঙ্গে সঙ্গে কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয় দুই তারকা অভিনেতার চেন্নাইয়ের বাসভবন। 

    এর আগেও এমন হুমকিবার্তা পেয়েছেন অভিনেতা ইল্লাইরাজা, বিজয়সহ আরও অনেকে। তালিকায় নতুন সংযোজন রজনীকান্ত, ধানুশসহ তামিলনাড়ু কংগ্রেস কমিটির সভাপতি কে সেভালপেরুনথাগাই।

    হুমকিবার্তা পাওয়ার পরপরই তৎপর হয়ে ওঠে চেন্নাই পুলিশ। নিরাপত্তা বাড়ানোর পাশাপাশি তদন্ত শুরু হয়। প্রশাসনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে— কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রকাশ্যে আসে সত্য ঘটনা। প্রশাসন আরও জানিয়েছে, এর আগে এভাবে ভুয়া হুমকির শিকার হয়েছিলেন তৃষা কৃষ্ণনের মতো খ্যাতনামা তারকা। 

    চেন্নাই পুলিশের দাবি, ওই হুমকিবার্তা ভুয়া, যাকে সাইবার প্রতারণার ভাষায়— ‘হোয়াক্স’ মেল বলা হয়। এ রকম ভুয়া মেল যখন-তখন পৌঁছে যাচ্ছে তামিল তারকাদের কাছে। ফলে প্রতিমুহূর্তে নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কায় ভুগছেন তারকারা।

    হুমকিবার্তা ভুয়া, এ তথ্য পেয়ে যদিও নিশ্চিন্ত নয় চেন্নাই পুলিশ। তামিলনাড়ুর বোম্ব স্কোয়াড পৌঁছে গিয়েছিল ‘থালাইভা’ এবং তার সাবেক জামাতার বাড়িতে। চিরুনি তল্লাশি চলে উভয় তারকার চেন্নাইয়ের বাড়িতে। তবে, কারো বাড়ি থেকেই সন্দেহজনক কোনো কিছু পাওয়া যায়নি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সত্যি হলো মৃত্যুর আগে আসাম নিয়ে বলা জুবিনের সেই ভবিষ্যদ্বাণী

    ভারতের জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী জুবিন গার্গের ভবিষ্যদ্বাণী সত্য হলো। জীবিত থাকতেই তিনি বলেছিলেন, তার মৃত্যুর পর পুরো আসাম রাজ্য থমকে যাবে অন্তত সাত দিনের জন্য। ১৯ সেপ্টেম্বর জুবিনের মৃত্যুতে তার সেই কথা প্রায় সত্যি হয়েছে। মৃত্যুর পর তিন দিন রাজ্যজুড়ে সরকারি শোকপালন হয়েছে, এখনো সেই শোক কাটেনি আসামের মানুষের মনে।

    শেষ সাক্ষাৎকারে জুবিন জানিয়েছিলেন, কেন মুম্বাই ছেড়ে আসামে থেকে গিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘আমি ১২ বছর মুম্বাইয়ে ছিলাম। শহুরে জীবন খুব একঘেয়ে লাগত। অনেকে জিজ্ঞেস করতেন কেন মুম্বাইয়ে থাকি না। একজন রাজার নিজের রাজত্ব ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়। মুম্বাইয়ে কোনো রাজা নেই। লতা মঙ্গেশকর বা রাজেশ খান্না মারা গেলে খবর ছাপা হয়, কিন্তু রাজ্য থেমে থাকে না। কিন্তু আমি যদি আসামে মারা যাই, পুরো রাজ্য সাত দিনের জন্য থমকে যাবে।’

    মুম্বাইয়ের বড় বড় সংগীত পরিচালক ও চলচ্চিত্র নির্মাতাদের ডাকও ফিরিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। রোহিত শেঠির এক গানে গাইতে অস্বীকার করেছিলেন জুবিন, সরাসরি না বলে দেন তিনি। সংগীত পরিচালক প্রীতম তখন বলেছিলেন, ‘ও এমনই, সত্যিই রাজার মতো।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    জুবিনের শেষ ইচ্ছে ছিল মৃত্যুর পরও আসামের মাটিতেই থাকার। গুয়াহাটির প্রিয় জায়গা ‘মহাবহু ব্রহ্মপুত্র রিভার হেরিটেজ সেন্টার’ বা তিল্লা নিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘এটা পৃথিবীর সেরা জায়গাগুলোর একটি। এখানেই থাকতে চাই, এখানেই মরতে চাই। তিল্লাতেই যেন আমার সৎকার হয়, অথবা আমাকে ব্রহ্মপুত্র নদে ভাসিয়ে দেওয়া হয়। আমি একজন সৈনিক।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • বাসন মাজতেন এই অভিনেত্রী, পরে হন ভারতের মন্ত্রী

    বলিউডে নায়িকা হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু বাস্তবতার নিরিখে অভাব তাকে গ্রাস করতে না পারলেও সংসার চালাতে একসময় বাসন মাজতে শুরু করেন রেস্টুরেন্টে। অথচ সেই তরুণীই পরে হয়ে উঠলেন ভারতের টেলিভিশনের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া তারকা। ছিলেন দেশের মন্ত্রী। এ এক অবিশ্বাস্য পথচলা অভিনেত্রী স্মৃতি ইরানির।

    অভিনেত্রীর কর্মজীবন শুরু করেছিলেন ভারতের প্রথম ম্যাকডোনাল্ডস আউটলেটে। খুবই সামান্য বেতনে জীবনযাপন শুরু করেন তিনি। পরে তিনি মিস ইন্ডিয়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন। যেখানে তিনি শীর্ষ ১০ ফাইনালিস্টের মধ্যে ছিলেন। পরে টেলিভিশন জগতে প্রবেশ করেন। এরপর অভিনয়ের জন্য একের পর এক অডিশন দিতে থাকেন। 

    একদিন একতা কাপুরের মা তাকে দেখে বলেন, মেয়েটি খুব সুন্দর, টুইঙ্কেল খান্নার মতো। সে মন্তব্যই স্মৃতির ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়ে দিয়েছিল। সেদিন একতা কাপুর ঝুঁকি নিয়ে তাকে ‘কিউনকি সাস ভি কাভি বহু থি’ সিরিয়ালে সুযোগ করে দেন। ‘তুলসি’ চরিত্রে অভিনয়ের জন্য ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন ইরানি। এ চরিত্রটি ভারতীয় পরিবার—এমনকি প্রতিবেশী দেশগুলোতে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে। সেখানে জন্ম নেয় ইতিহাস। 

    ২০০০ সালের ঘটনা। শুরু হওয়া সেই সিরিজটি তিন মাসেই টিআরপি তালিকার শীর্ষে উঠে যায়। তুলসী বিরানি হয়ে স্মৃতি ইরানি রাতারাতি ভারতের ঘরে ঘরে জনপ্রিয়তা পান। যেখানে মাসে এক হাজার ৮০০ রুপিতে কাজ করতেন, সেখান থেকে দিনে এক হাজার ২০০ রুপি পারিশ্রমিক পেতেন তিনি। ধীরে ধীরে তিনি টেলিভিশনের সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিক পাওয়া অভিনেত্রীতে পরিণত হন।

    স্মৃতি ইরানি টেলিভিশনে সাফল্যের পর রাজনীতির ময়দানেও পা রাখেন। ভারতীয় জনতা পার্টির হয়ে নির্বাচনে লড়াই করেন তিনি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। অভিনয়ের জনপ্রিয়তা আর ব্যক্তিগত সংগ্রামের অভিজ্ঞতা তাকে সাধারণ মানুষের কাছে আরও গ্রহণযোগ্য করে তোলে।

    স্মৃতি ইরানির এ যাত্রা শুধু একজন অভিনেত্রীর গল্প নয়; বরং প্রত্যাখ্যান ও ব্যর্থতা থেকে উঠে দাঁড়ানো এক নারীর জীবন্ত কাহিনি। যেখানে দরিদ্র পরিবারে জন্ম, সমাজের তুচ্ছতাচ্ছিল্য আর পেশাগত প্রত্যাখ্যান, এয়ার হোস্টেস হওয়ার চেষ্টা ব্যর্থ, ইন্টারভিউয়ে প্রত্যাখ্যান, তার চেহারায় ব্যক্তিত্বহীন ছাপ তাকে ভেঙে দেয়নি; বরং আরও শক্তিশালী করে বলিষ্ঠ করেছে।

    সম্প্রতি এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, অনেকে আমাকে ফিরিয়ে দিয়েছে গায়ের রং, রোগা শরীর কিংবা চেহারার জন্য। অনেকবার বলা হয়েছে— আমি দেখতে ভালো নই। কিন্তু আমি জানতাম, আমার ভেতরে অন্য রকম শক্তি আছে।

    উল্লেখ্য, ১৯৭৬ সালে দিল্লিতে জন্ম স্মৃতি মালহোত্রা নামে। তিন বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়। বাবা আধা পাঞ্জাবি, আধা মহারাষ্ট্রীয়; মা বাঙালি। সংসারের অবস্থা ছিল শোচনীয়। বাবা আর্মি ক্লাবের বাইরে বই বিক্রি করতেন, মা মসলা বিক্রি করতেন বাড়ি বাড়ি গিয়ে। আয়ের সীমিত টাকায় দিন চলত। কলেজ ছাড়তে হয়েছিল অর্থাভাবে। পরিবারের হাল ধরতে নেমে পড়তে হয় নানা কাজে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আক্ষেপ ঘুচল শাহরুখের, ছুঁয়ে দেখলেন জাতীয় পুরস্কার

    দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অসংখ্য পুরস্কার জয় করেছে, বক্স অফিসে বাজিমাত করেছে একের পর এক সিনেমা। তবু ‘বলিউড বাদশাহ’ শাহরুখ খানের জীবনে একটা ‘অপূর্ণতা’ ছিল। অবশেষে সেই আক্ষেপও ঘুচেছে তার।

    মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দিল্লির বিজ্ঞানভবনে ৭১তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের মঞ্চে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছ থেকে সেরা অভিনেতার পুরস্কার গ্রহণ করেছেন শাহরুখ। দক্ষিণী নির্মাতা অ্যাটলির ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘জওয়ান’-এ অভিনয়ের স্বীকৃতিস্বরূপ এই পুরস্কার পেলেন তিনি।

    পুরস্কার গ্রহণের সময় শাহরুখের পরনে ছিল আদ্যোপান্ত কালো বন্ধ-গলা শেরওয়ানি। চোখে রোদচশমা।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    জানা গেছে, মঙ্গলবারই পোল্যান্ডে ‘কিং’-এর কাজ স্থগিত রেখে জাতীয় পুরস্কার গ্রহণ করার জন্য দিল্লিতে উড়ে আসেন শাহরুখ।

    এর আগে আগস্টেই চলতি বছরের জাতীয় পুরস্কার জয়ীদের তালিকা প্রকাশ্যে এসেছিল। সেরা অভিনেতা হিসেবে ‘টুয়েলভথ ফেল’-এর জন্য যৌথভাবে পুরস্কৃত হয়েছেন বিক্রান্ত মাসিও। ‘মিসেস চ্যাটার্জি ভার্সেস নরওয়ে’ সিনেমার জন্য জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন রানি মুখার্জি। 

    এবারের দাদাসাহেব ফালকে সম্মানে ভূষিত হয়েছে দক্ষিণী মহাতারকা মোহনলাল।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘স্বামী বেকার হলেও সমস্যা নেই, তাকে রাজার মতো রাখতে চাই’

    ভারতের গোয়ালিয়রের তরুণ উদ্যোক্তা ও সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার তানিয়া মিত্তাল আবারও আলোচনায় এসেছেন। মহাকুম্ভ সফরের সময়কার একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর তিনি রাতারাতি ইন্টারনেট সেনসেশনে পরিণত হন। 

    এবার বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের সঞ্চালনায় চলমান জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘বিগ বস ১৯’-এ অংশগ্রহণ করে নতুনভাবে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন এই উঠতি তারকা। তবে এবার প্রশংসার চেয়ে সমালোচনাই বেশি ঘিরে ধরেছে তাকে।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, বিগ বসের মঞ্চে হাজির হয়ে তানিয়া দাবি করেন, তার রয়েছে ২৬ হাজার বর্গফুট আয়তনের বিলাসবহুল বাড়ি। তার অধীনে কাজ করছেন প্রায় ৮০০ কর্মী। ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য রয়েছে একাধিক দেহরক্ষীও। নিজেকে তিনি প্রকাশ্যে কোটিপতি হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন।

    কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরে বেড়ানো একটি পুরনো সাক্ষাৎকারকে ঘিরেই এখন বেশি আলোচনা হচ্ছে। নিউস্কুপ-কে দেওয়া সেই সাক্ষাৎকারে তিনি একেবারেই ভিন্ন মানসিকতা প্রকাশ করেছিলেন। সেখানে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি জানি না আদর্শ সঙ্গী আদৌ এই পৃথিবীতে আছেন কিনা। তবে যদি থাকেন, তিনি বেকার হলেও সমস্যা নেই। আমি প্রকাশ্যে তার পা ছুঁতে রাজি। আমার বিশ্বাস, সম্পর্কে বড়-ছোট বলে কিছু নেই।’

    নিজেকে ‘হতাশ প্রেমিকা’ আখ্যা দিয়ে তিনি স্মরণ করেন প্রাক্তন প্রেমিকের সঙ্গে কাটানো দিনগুলো। ভিডিওতে তিনি বলেন, ‘আমি এমনই ছিলাম যে আমার বয়ফ্রেন্ড খাওয়া শেষ করলে তার হাত মুছিয়ে দেওয়ার জন্য গরম তোয়ালে এনে দিতাম। আমি জানি, বিয়ের পর আমার স্বামীর ক্ষেত্রেও একইভাবে করব। আমি চাই, তিনি যেন নিজেকে রাজা মনে করেন।’

    তানিয়ার বক্তব্য অনুযায়ী, বিয়ের ক্ষেত্রে ধনী স্বামী খোঁজা তার কাছে জরুরি নয়। তিনি ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, ‘আমার তিনটি কারখানা আছে। আমি এমন কাউকে চাই না, যে আমার জন্য রোজগার করবে। বরং আমি মনে করি, পুরুষরা চায় সংসারে নিশ্চিন্ত থাকতে। তাই আমি রোজগারও করব, আবার স্বামীর জন্য রান্নাও করব।’

    তার ভাষায়, ‘আমি ঘরের সব কাজ জানি। আমার মতে, নারীবাদের নামে আমরা স্বামীদের ছাপিয়ে যেতে শুরু করেছি, যা একদমই ঠিক নয়। দেবী সীতাও তো ভগবান রামের চরণ ছুঁয়েছিলেন।’

    একই সাক্ষাৎকারে তিনি আরও শেয়ার করেন জীবনের একটি অধ্যায়, যখন তিনি সত্যিই ধনী কাউকে বিয়ে করার ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন। সে সময় তিনি সম্পর্ক করেছিলেন এমন একজনের সঙ্গে, যিনি আর্থিকভাবে অনেকটাই সচ্ছল ছিলেন। তানিয়া বলেন, ‘আমি ভেবেছিলাম, যদি আমার ব্যবসা না চলে তবে তাকেই বিয়ে করব। কিন্তু এর আগেই তিনি সম্পর্ক ভেঙে দেন। তার মতে, আমি নাকি সুন্দর নই।’

    অনলাইন ডেস্ক

  • অবশেষে ভারতে মুক্তি পাচ্ছে ফাওয়াদ খানের ‘আবির গুলাল’?

    পাকিস্তানি অভিনেতা ফাওয়াদ খান ও ভারতীয় অভিনেত্রী বানী কাপুরের নতুন সিনেমা ‘আবির গুলাল’ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই চলছিল জলঘোলা। মূলত ভারতশাসিত কাশ্মীরে পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার পর ভারত–পাকিস্তান সম্পর্কে অবনতি ঘটে, আর তার জেরেই পাক শিল্পীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয় ভারতে; যার প্রভাব পড়ে এই সিনেমার মুক্তিতেও। তবে শোনা যাচ্ছে, চলতি মাসেই ভারতে মুক্তি পেতে পারে সিনেমাটি। 

    ফাওয়াদ ও বানী অভিনীত চলচ্চিত্রটি চলতি বছরের ৯ মে মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই ঘটে পেহেলগাম কাণ্ড। আর এ হামলার দায় পাকিস্তানের ওপর চাপিয়েছে ভারত সরকার। অবশ্য পাকিস্তান এ দায় অস্বীকার করেছে।

    তবে পেহেলগাম কাণ্ডের পর থেকেই ‘আবির গুলাল’ যেন কোনোভাবেই ভারতের প্রেক্ষাগৃহে না আসে, সে দাবি তোলে একাধিক সংগঠন। এমনকি নায়িকা বানীকেও সমালোচনার মুখে পড়তে হয় পাক অভিনেতার সঙ্গে কাজ করার জন্য। শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হয়, আপাতত ছবিটি শুধু আন্তর্জাতিক স্তরে মুক্তি পাবে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    গত ১২ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পেয়েছে ‘আবির গুলাল’। এবার খবর এসেছে, সেই নিষিদ্ধ ছবিই এবার ভারতের প্রেক্ষাগৃহে আসছে। আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর মুক্তির সম্ভাব্য তারিখ ঠিক করা হয়েছে; তবে নির্মাতাদের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বাকি। 

    এই সিনেমা সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এটি মূলত এক সাধারণ প্রেমের গল্প, যা বিশ্বজুড়ে সব দর্শকের কাছেই আবেদন তৈরি করবে। তাছাড়া ওই তারিখে অন্য কোনো বড় ছবি মুক্তি পাচ্ছে না, তাই সিনেমাটি এককভাবেই প্রেক্ষাগৃহে চলবে বলে আশাবাদী।

    সূত্র: সামা টিভি

    বিনোদন ডেস্ক

  • আদনান সামিকে পাকিস্তানে ‘দেশদ্রোহী’ তকমা, যা বললেন ছেলে আজান

    উপমহাদেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আদনান সামিকে ঘিরে পাকিস্তানে বহু বিতর্ক রয়েছে। বিশেষ করে পাকিস্তান ছেড়ে ভারতের নাগরিকত্ব গ্রহণ করার কারণে দেশটিতে তাকে ‘বিশ্বাসঘাতক’, ‘দেশদ্রোহী’ হিসেবেও দেখা হয়। সম্প্রতি এক সাক্ষাতকারে আদনান সামির ছেলে আজান সামি তার বাবাকে কীভাবে দেখেন- সেই বিষয়ে খোলামেলা কথা বলেছন। 

    পাকিস্তানের গায়ক থেকে নায়ক হয়ে উঠা আজান জানান, বাবাকে অস্বীকার করতে বললেও তিনি তা কখনোই করবেন না। 

    সাম্প্রতিক সময়ে মুক্তির অপেক্ষায় থাকা তার নতুন ড্রামা সিরিজ ‘ম্যায় মান্টো নাহি হুঁ’ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আজান বাবাকে ঘিরে বিতর্ক, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও শিল্পীজীবনের নানা দিক তুলে ধরেন।

    আজান বলেন, ছেলে হিসেবে তিনি আদনান সামিকে বোঝেন, তবে পাকিস্তানি হিসেবে অনেক বিষয়ে তাদের মতভেদ রয়েছে। বাবার ভারতীয় নাগরিকত্ব নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, শিল্পীদের হৃদয় ভীষণ নাজুক হয়, রাজনৈতিক কিছু কষ্ট তার বাবাকে এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে।  ‘আমি বিষয়টা বুঝি, কিন্তু বাবার হয়ে সাফাই গাইতে আসিনি’, যোগ করেন তিনি।

    অভিনেতা জানান, তাকে অনেকবার প্রকাশ্যে বাবাকে অস্বীকার করতে বলা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তার স্পষ্ট জবাব—‘আমার বাবা আমার বাবা-ই থাকবেন। আমি তাকে গভীরভাবে ভালোবাসি এবং শ্রদ্ধা করি।’

    এই অভিজ্ঞতা থেকে পাওয়া শিক্ষার কথা জানাতে গিয়ে আজান বলেন, পৃথিবীতে ঘৃণা এখনও অনেক বেশি।  তিনি বলেন, ‘যখনই আমি ইনস্টাগ্রামে ভালো কোনো ছবি পোস্ট করি, কিছু মন্তব্য আসে—‘দেশদ্রোহীর ছেলে’। তখন সেই ঘৃণার ছোট্ট অংশ আমাকেও সহ্য করতে হয়।’ আজান স্পষ্ট করে জানান, তিনি দেশপ্রেমিক পরিবার থেকে এসেছেন এবং পাকিস্তানকে ভালোবাসেন। ‘আমাকে কি সারাজীবন দেশপ্রেম প্রমাণ করে যেতে হবে?’ প্রশ্ন রাখেন তিনি।

    আজান মানুষের প্রতি আহ্বান জানান—‘বাবার পাপের দায় ছেলেকে দেবেন না।’ তবে এ অভিনেতা স্পষ্ট করেন, তিনি তার বাবা আদনান সামির কাজকে পাপ মনে করেন না।

    নিজের ক্যারিয়ার প্রসঙ্গে আজান জানান, ছোটবেলায় তিনি ভীষণ আত্মবিশ্বাসহীন ছিলেন এবং মনে করতেন, পাওয়া ভালোবাসা কেবল বাবা-মায়ের খ্যাতির কারণে। সেই অনিশ্চয়তা থেকেই তিনি অভিনয় ও সঙ্গীতের জগতে প্রবল আগ্রহী হয়ে ওঠেন।

    মা জেবা বখতিয়ার প্রসঙ্গে আজান বলেন, ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে তিনি সবসময় মায়ের পরামর্শ নেন। এমনকি প্রতিটি নাটক মুক্তির পরও মায়ের বিশ্লেষণ শোনেন।

    ‘ম্যায় মান্টো নাহি হুঁ’-তে কাজের অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে আজান বলেন, শোবিজের সেরাদের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন তিনি। সহশিল্পী হুমায়ুন সাঈদকে তিনি একজন অভিনেতা ও মানুষ হিসেবে আদর্শ মনে করেন। তবে সায়মা নূরের সঙ্গে অভিনয়ের সময় খানিকটা অস্বস্তি কাজ করে বলে স্বীকার করেন আজান। কারণ, ছোটবেলায় মায়ের সঙ্গে নাটকের সেটে গিয়ে সায়মাকে প্রথম দেখেছিলেন তিনি। তাই দৃশ্যের প্রয়োজনে তাকে অভদ্র হতে হলে আগে থেকেই ক্ষমা চেয়ে নেন।

    প্রসঙ্গত, আদনান সামি ও পাকিস্তানি অভিনেত্রী জেবা বখতিয়ার ১৯৯৩ সালে বিয়ে করেন। তবে বিয়ের তিন বছর পরেই তাদের বিচ্ছেদ হয়। বর্তমানে আজান সামি তার মাকে নিয়ে পাকিস্তানেই বাস করেন।  

    অপরদিকে আদনান সামি পর্যটক ভিসায় ২০০১ সালে ভারতে যাওয়ার পর আর পাকিস্তানে ফেরেননি। ঐ বছরই তিনি দুবাইয়ের এক আরব নারী সাবাহ গালাদারিকে বিয়ে করেন। কিন্তু দেড় বছর পরেই তাদের ডিভোর্স হয়। পরবর্তীতে ২০০৮ সালে সাবাহ মুম্বাইয়ে ফেরত আসেন এবং সামিকে আবার বিয়ে করেন। তবে এক বছরের মাথায় তাদের ফের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। 

    এরপর ২০১০ সালে সামি ভারতের সেনাবাহিনীর এক জেনারেলের মেয়ে রয়াকে বিয়ে করেন। এই দম্পতির একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। 

    ২০১৫ সালে আদনান সামি ভারতে নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করলে ভারত সরকার তা অনুমোদন করে। 

    আদনান সামি হিন্দি, উর্দু, ইংরেজি, তেলেগু, তামিল, কন্নড় এবং মালায়লাম ভাষায় বহু গান গেয়েছেন। তার ঝুলিতে আছে বলিউডের বহু জনপ্রিয় প্লেব্যাক গান। টাইম অব ইন্ডিয়া তাকে ‘সংগীতের সুলতান’ অভিহিত করেছে। ভারতীয় সংগীতে অবদানের জন্য ২০২০ সালে তাকে ‘পদ্মশ্রী’ পুরস্কার প্রদান করে ভারত সরকার। 

    বিনোদন ডেস্ক