Tag: ভারত

  • জয়া আহসানের ভারতের স্বাধীনতা উদযাপন নিয়ে কটাক্ষ শ্রীলেখার

    বিনোদন জগতের দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসানকে নিয়ে ভারতের স্বাধীনতা দিবস কেন্দ্র করে সমালোচনার গুঞ্জন উঠেছে। যদিও অভিনেত্রী ঢালিউডের পাশাপাশি টালিউডেও সমানতালে কাজ করে যাচ্ছেন। 

    ১৫ আগস্ট ভারতের স্বাধীনতা দিবস প্রাক্কালে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল ও একটি প্রথমসারির সংবাদমাধ্যমের উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছিল মধ্যরাতের এক পদযাত্রা।

    কলকাতার রাজপথে বর্ষীয়ান অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, চৈতি ঘোষাল, ইন্দ্রাণী হালদারদের সঙ্গে পা মেলান বাংলাদেশি অভিনেত্রী জয়া আহসানও। এ পদযাত্রায় হাঁটতে দেখে অনেকেই ভ্রু কুঁচকেছেন। অনেকেই বিদ্রুপ করছেন। সমালোচনায় বিদ্ধ বাংলার বাঘিনী জয়া। 

    বাংলার নন্দিত অভিনেত্রীকে দেখে টালিপাড়ার অন্যতম ঠোঁটকাটা অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র চুপ থাকলেন না। জয়া আহসানকে বিঁধে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন তিনি। সেই পোস্ট শেয়ার করে নিজের মতামত রাখলেন মোদির পোস্টার ইস্যুতে সদ্য বিতর্কের কেন্দ্রে থাকা শ্রীলেখা মিত্র।

    সেই পোস্টে প্রশ্ন তোলেন অভিনেত্রী, ‘জয়া আহসান কবে থেকে ভারতীয় হয়ে উঠল, প্লিজ জানাবেন। আজন্ম আমি জেনে এসেছি— ১৫ আগস্ট ভারতবর্ষ স্বাধীন হয়েছিল? আর কদিন আগে অবধি ‘দিপু দাস হত্যাকাণ্ড’ নিয়ে ভারতবর্ষ তোলপাড় হয়েছিল। রিসেন্টলি দিলীপ ঘোষ মহাশয় ভারতীয় মুসলমান গোষ্ঠীকে নামাজ পড়তে হলে পাকিস্তান চলে যাওয়ার সাজেশন অবধি দিয়েছেন।…জয়া আহসান হচ্ছেন সনাতনী, পিওর, আদি ও আসল ভারতীয়। নেতাজির পূর্বপুরুষ। আমার উত্তর চাই কেন? জয়া এহসান থেকে তাসলিমা নাসরিন, তা হলো— তাদের জন্মভূমির কাছে দেশদ্রোহী।

    এই পোস্ট শেয়ার করে শ্লেষাত্মক বার্তা শ্রীলেখার, ‘ধর্ম…ধান্দা…ও দেশপ্রেম… বাকিরা দেশদ্রোহী… হিংটিংছট’।

    যদিও মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের বিশেষ আমন্ত্রণেই এ ওয়াকাথনে যোগ দেন জয়া আহসান। ঢাকায় ফেরার টিকিট বাতিল করে ইমন-পৌষালীদের সঙ্গে গলা মেলান ‘কারার ঐ লৌহকপাট’ থেকে ‘অ্য়ায় মেরে ওয়াতনকে লোগো’তে। 

    তবে শুধু ভারতের স্বাধীনতার উদযাপন নয়, এই ওয়াকাথন ছিল নারীদের স্বাধীনতা, নিরাপত্তা এবং সমমর্যাদার বার্তা দেওয়ার উদ্যোগ। সেই তাগিদ থেকেই রাজপথে হাঁটেন অভিনেত্রী।

    শ্রীলেখা মিত্রের সেই পোস্টের কমান্ডবক্সে জয়া আহসানকে বিদ্রুপ করে এক নেটিজেন লিখেছেন—ঋতুপর্ণার পাশে এটা সেই শুক্রবারি খালা’ না? এর উত্তরে শ্রীলেখা লিখেছেন—না, উনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভাইরাল গাঙ্গুলির বায়োপিকের ফার্স্টলুক, লর্ডসের ব্যালকনিতে রাজকুমার রাও

    ভারতের জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলিকে নিয়ে নির্মিত হচ্ছে বায়োপিক ‘দাদা: দ্য সৌরভ গাঙ্গুলি স্টোরি’। ইতোমধ্যে এ বায়োপিকের শুটিং শুরু হয়েছে। এর মধ্যে ফার্স্টলুক প্রকাশ করেছেন নির্মাতারা।

     

    সৌরভ গাঙ্গুলির আজ ৫৪তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে প্রকাশিত পোস্টারে প্রথমবারের মতো তার চরিত্রে দেখা গেছে বলিউড অভিনেতা রাজকুমার রাওকে। ফার্স্টলুকের পাশাপাশি এ বায়োপিকটি মুক্তির তারিখও ঘোষণা করা হয়েছে। বায়োগ্রাফিক্যাল ড্রামাটি ২০২৭ সালের ১৪ মে বিশ্বজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে। দীর্ঘ ছুটি সামনে রেখেই দিনটি বেছে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্মাতারা।


    সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মধ্যে প্রকাশিত পোস্টারে পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে ভারতীয় ক্রিকেটের অন্যতম আলোচিত একটি মুহূর্ত। ২০০২ সালের ন্যাটওয়েস্ট ট্রফির ফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারানোর পর লর্ডসের ব্যালকনিতে জার্সি খুলে উদযাপন করেছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি।

    সেই দৃশ্যেই রাজকুমার রাওকে দেখা গেছে, যা প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মধ্যে আলোচনা এখন তুঙ্গে।


    এই একটি ছবি মুহূর্তেই ক্রিকেটপ্রেমীদের ভারতের ক্রীড়া ইতিহাসের অন্যতম সেরা ও আইকনিক মুহূর্তে ফিরিয়ে নিয়ে গেছে।


    সেই সময় সৌরভ গাঙ্গুলি সেই স্বতঃস্ফূর্ত উদযাপন স্রেফ জয়ের আনন্দের চেয়েও বেশি কিছু ছিল। এটি ছিল বিশ্বমঞ্চে এক নির্ভীক ভারতীয় ক্রিকেট দলের আগমনী বার্তা, যারা বিদেশি মাটিতে গিয়েও বিশ্বের সেরা দলগুলোকে চ্যালেঞ্জ জানাতে ভয় পেত না।


    পোস্টার প্রকাশের পর রাজকুমার রাওয়ের লুক নিয়েও নেটিজেনদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। সৌরভ গাঙ্গুলির চেহারা, শরীরী ভাষা ও উদযাপনের ভঙ্গি ফুটিয়ে তুলতে অভিনেতার প্রস্তুতির ছাপ ফার্স্টলুকেই দেখা গেছে বলে মত দিচ্ছেন নেটিজেনদের একাংশ। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন


    ‘দাদা: দ্য সৌরভ গাঙ্গুলি স্টোরি’ সিনেমাটি সৌরভ গাঙ্গুলির ক্রিকেটজীবনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় তুলে ধরা হবে। কলকাতার এক তরুণ ক্রিকেটার থেকে ভারতীয় দলের অধিনায়ক হয়ে ওঠা, দলের রূপান্তরে তার ভূমিকা এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার প্রভাব— এসবই সিনেমার মূল উপজীব্য হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


    ফার্স্টলুক প্রকাশের পর থেকেই ‘দাদা: দ্য সৌরভ গাঙ্গুলি স্টোরি’ নিয়ে সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের আগ্রহ আরও বেড়ে গেছে। এখন সিনেমাটির টিজার ও অন্যান্য চরিত্রের প্রথম ঝলকের অপেক্ষায় রয়েছেন সৌরভ ও রাজকুমার রাও— দুজনেরই ভক্ত-অনুরাগীরা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাস্তায় যৌন হয়রানির শিকার ভারতীয় অভিনেত্রী

    বেঙ্গালুরুর রাস্তায় গভীর রাতে ভয়াবহ যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন কন্নড় টেলিভিশনের জনপ্রিয় অভিনেত্রী এবং ‘বিগ বস কন্নড়-৮’ খ্যাত তারকা দিব্যা সুরেশ। 

    সম্প্রতি রোববার (২৮ জুন) রাতে ঘটে যাওয়া এই ট্রমাটিক অভিজ্ঞতার কথা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করে শহরের নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ৩৩ বছর বয়সি এই অভিনেত্রী। 

    ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ঘটনার বিবরণ দিয়ে দিব্যা জানান, রোববার রাত আনুমানিক ১১টা ৩০ মিনিটে তিনি তার এক কাজিনের সঙ্গে তার গাড়ির দিকে হেঁটে যাচ্ছিলেন। সেই সময় এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি তাদের পিছু নেয় এবং অত্যন্ত অশালীন অঙ্গভঙ্গি করতে শুরু করে। 

    দিব্যা লিখেছেন, ‘আমরা বিষয়টি খেয়াল করা মাত্রই তাকে চিৎকার করে বাধা দিই। কিন্তু সে থামেনি। আমরা গাড়িতে উঠে বসা পর্যন্ত সে অনবরত এই কাজ করে যাচ্ছিল।’ 

    নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি আরও বলেন, ‘কেবল রাতে হাঁটার কারণে কোনো নারীকে যেন এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে না হয়।’ 

    বেঙ্গালুরু পুলিশকে ট্যাগ করে ক্ষুব্ধ কণ্ঠে তিনি প্রশ্ন ছুড়ে দেন, ‘আমাদের যে নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা কোথায়?’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা একটি ভিডিও ক্লিপে দেখা যায়, দিব্যা ঘটনার ভিডিও করছেন এবং তার কাজিন সেই ব্যক্তির দিকে আঙুল তুলে অশালীন আচরণের বিষয়টি দেখাচ্ছেন। গাড়ি চালু করার পরও ওই ব্যক্তি তাদের পিছু নিয়েছিল বলে জানান তিনি। 

    কে এই দিব্যা সুরেশ? 

    ২০১৭ সালে ‘মিস ইন্ডিয়া সাউথ’ খেতাব জেতার পর একই বছর ‘#৯, হিলটন ক্রস’ সিনেমা দিয়ে রূপালী পর্দায় পা রাখেন মডেল ও অভিনেত্রী দিব্যা সুরেশ। পরবর্তীতে ‘রোডি বেবি’, ‘হিরণ্যা’র মতো কন্নড় সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি। তবে ২০২১ সালে কালার্স কন্নড়-এর জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘বিগ বস কন্নড় সিজন ৮’-এ প্রতিযোগী হিসেবে অংশ নিয়ে তিনি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। 

    সূত্র: এনডিটিভি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিনেত্রীর ফ্ল্যাট থেকে ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার

    কন্নড় সিনেমার জনপ্রিয় মডেল, অভিনেত্রী এবং ‘বিগ বস কন্নড়’র সাবেক প্রতিযোগী কৃষি থাপান্ডার ব্যাঙ্গালোরের ফ্ল্যাট থেকে এক ব্যবসায়ী যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ওই যুবক আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এমনকি দীর্ঘদিন ধরে বিষণ্নতায়ও ভুগছিলেন। খবর-এনডিটিভির।

    গত বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঘটেছে এ ঘটনা। ঘটনার সময় অভিনেত্রী ইয়েলাহাঙ্কায় ছিলেন। মৃতের নাম বৈশাখ বলে শনাক্ত করা হয়েছে। গত এক সপ্তাহ ধরে তিনি অভিনেত্রীর ফ্ল্যাটে অবস্থান করছিলেন।

    আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে কোনো সুইসাইড নোট বা চিরকুট পাওয়া যায়নি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    জানা গেছে, ব্যবসায়ী বৈশাখ বিষণ্নতার জন্য চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। কিছু ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সমস্যার মুখে পড়েছিলেন। তদন্ত কর্মকর্তারা জানতে পেরেছেন, মাঝে মধ্যে কলহ হওয়ার কারণে প্রায় এক মাস ধরে স্ত্রীর থেকে আলাদা থাকছিলেন তিনি।

    এর আগে ব্যবসায়ী ও আইনজীবী অরবিন্দ রেড্ডির সঙ্গে জড়িত একটি হাই-প্রোফাইল চাঁদাবাজি এবং হুমকিমূলক চিঠির মামলায় পুলিশের নজরদারিতেও ছিলেন বৈশাখ। গত ফেব্রুয়ারিতে কুরিয়ারের মাধ্যমে রেড্ডিকে ৬-৭ কোটি টাকা অর্থ দাবি করে এবং ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান করে একটি হুমকিমূলক চিঠি পাঠানো হয়েছিল।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তদন্তের সময় এইচএএল থানার পুলিশ বৈশাখকে গ্রেফতার করে। পুলিশের দাবি ছিল―এক নারীর সঙ্গে সম্পর্কিত বিরোধের কারণে ওই চিঠি পাঠিয়েছিলেন তিনি। পরবর্তীতে মুক্তি পেয়েছিলেন এ ব্যবসায়ী।

    গত ৬ ফেব্রুয়ারি কর্ণাটক হাইকোর্ট বৈশাখের বিরুদ্ধে চলমান পরবর্তী তদন্তের ওপর স্থগিতাদেশ জারি করে। এর আগে এইচএএল থানার পুলিশ তাকে হেফাজতে নিয়ে পাঁচদিন জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এদিকে তার মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ দায়ের করবেন বলে জানা গেছে। রাজারাজেশ্বরী নগর থানার পুলিশ একটি মামলা দায়ের করবে এবং ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করবে। তবে এই সময়ের মধ্যে যাবতীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রুক্মিণীর বিকৃত ছবি অনলাইনে ছড়ানোর অভিযোগে গ্রেফতার ৩

    ভারতের কন্নড় ইন্ডাস্ট্রির অভিনেত্রী রুক্মিণী বসন্তকে নিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-জেনারেটেড ভুয়া কনটেন্ট তৈরি ও শেয়ার করার অভিযোগে বেঙ্গালুরু সাইবার ক্রাইম পুলিশ তিন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। নিজের বিকৃত ছবি ও ভিডিও অনুমতি ছাড়া অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়ার পর এই কন্নড় অভিনেত্রীর করা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ এ ব্যবস্থা নেয়। 

    কন্নড় সিনেমার উদীয়মান তারকা রুক্মিণী ‘সপ্ত সাগরাদাঁচে এল্লো’ এবং ‘কান্তারা: চ্যাপ্টার ১’-এর মতো চলচ্চিত্রের জন্য পরিচিত। সামাজিক মাধ্যমে নিজের আপত্তিকর এআই-জেনারেটেড ভিজ্যুয়াল দেখতে পেয়ে তিনি কর্তৃপক্ষের দ্বারস্থ হন। 

    সম্প্রতি বিকৃত করা কিছু ছবি ও ভিডিও রুক্মিণীর দাবি করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়া হয় এবং মিথ্যা দাবি করা হয় যে এগুলো একটি সিনেমার শুটিংয়ের দৃশ্য।

    অভিযোগে রুক্মিণী উল্লেখ করেন, এই কনটেন্টগুলো অত্যন্ত মানহানিকর এবং এগুলো তার ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও মানসিক সুস্থতার ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে। 

    ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গ্রেফতারকৃত তিন অভিযুক্তের পরিচয় মিলেছে। তারা হলেন— বাগলকোট জেলার রবিকুমার (২৪), শিবমোগার বাসিন্দা চন্দ্রকান্ত (৩৩) (যিনি বর্তমানে বেঙ্গালুরুতে থাকেন) এবং বেঙ্গালুরুর বাসিন্দা রঞ্জিত (২৫)। পুলিশ তাদের কাছ থেকে তিনটি মোবাইল ফোন জব্দ করেছে, যা এই এআই কনটেন্ট তৈরি ও ছড়ানোর কাজে ব্যবহার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অভিযুক্তদের পরবর্তীতে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত চলছে। তথ্যপ্রযুক্তি আইন এবং ভারতীয় ন্যায় সংহিতা-এর প্রাসঙ্গিক ধারায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। এই চক্রের পেছনে আর কেউ জড়িত আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। 

    গত মাসে সামাজিক মাধ্যমে এই ভুয়া ছবিগুলো ছড়িয়ে পড়ার পরপরই রুক্মিণী বসন্ত প্রকাশ্যে এর প্রতিবাদ করেছিলেন। এক্স (সাবেক টুইটার)-এ একটি বিবৃতি শেয়ার করে তিনি দৃঢ়ভাবে জানান যে, এই ভিজ্যুয়ালগুলোর সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই এবং এগুলো সম্পূর্ণ বানোয়াট।

    তিনি লিখেছিলেন, ‘আমার এবং আমার টিমের নজরে এসেছে যে আমার নামে কিছু এআই-জেনারেটেড ছবি অনলাইনে ছড়ানো হচ্ছে। আমি স্পষ্টভাবে জানাতে চাই, এই ছবিগুলো সম্পূর্ণ ভুয়া ও বানোয়াট।’ 

    এই ঘটনাকে তার গোপনীয়তার চরম লঙ্ঘন উল্লেখ করে রুক্মিণী বলেন, যারা এই কনটেন্ট তৈরি ও শেয়ার করছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখছি এবং এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ও সাইবার ক্রাইম পদক্ষেপ নিচ্ছি।’ 

    বর্তমানে রুক্মিণী বসন্তের হাতে বেশ কয়েকটি বড় প্রজেক্ট রয়েছে। তাকে সুপারস্টার যশের বিপরীতে ‘টক্সিক’ এবং জুনিয়র এনটিআর-এর সঙ্গে প্রশান্ত নীল পরিচালিত বহুল প্রতীক্ষিত অ্যাকশন ড্রামা ‘ড্রাগন’-এ দেখা যাবে। এছাড়া ধানুশের আসন্ন চলচ্চিত্র ‘ডি৫৬’-এও তিনি অভিনয় করছেন বলে জানা গেছে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিয়ের ৬ মাস না যেতেই বাদশার জীবনে নতুন মানুষ, কে সেই নারী

    সবুজের মাঝে এক রহস্যময়ী নারীর হাত ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি পোস্ট করেছেন ভারতের জনপ্রিয় র‌্যাপার বাদশাহ। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে চর্চা যেন থামতেই চাইছে না এ সংগীতশিল্পীর।

    একদিকে যখন পাঞ্জাবি অভিনেত্রী ইশা রিখির সঙ্গে তার গোপনে বিয়ে সেরে ফেলার গুঞ্জনে উত্তাল বিনোদন জগত, ঠিক তখনই নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ‘রহস্যময়ী’ নারীর সঙ্গে একাধিক ঘনিষ্ঠ ছবি পোস্ট করে জল্পনা বহুগুণ বাড়িয়ে দিলেন গায়ক, যা নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে তীব্র কৌতূহল তৈরি হয়েছে। কে সেই রহস্য়ময়ী নারী?

    একটি সবুজ মাঠের মাঝে ওই নারীর হাত শক্ত করে ধরে পোজ দিয়েছেন বাদশাহ। তবে আশ্চর্যজনকভাবে ক্যামেরার দিকে পিঠ করে থাকায় নারীর মুখটি দেখা যাচ্ছে না। সেই ছবির ক্যাপশনে এ সংগীতশিল্পী লিখেছেন— ‘মহাবিশ্বের মানুষকে আপনার জীবনে নিয়ে আসার এক অদ্ভুত উপায় রয়েছে।’

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাদশাহর এই পোস্ট কয়েক মিনিটের মধ্যেই ঝড় তোলে। পোস্টের কমেন্টবক্স তার ভক্ত-অনুরাগীদের কমেন্টে ভরে গেছে। অনেকেই অনুমান করছেন, ছবির সেই রহস্যময়ী নারী আর কেউ নন, বরং পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেত্রী হানিয়া আমির। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অনেক দিন ধরেই হানিয়া আমির ও বাদশাহর ডেটিং ও বন্ধুত্বের গুঞ্জন ভারত-পাকিস্তান দুই দেশের মিডিয়াতেই চর্চায় রয়েছে। কমেন্টবক্সে এক অনুরাগী লিখেছেন— ‘ওটা কি হানিয়া আমির?’ আরেক নেটিজেন লিখেছেন— ‘দেখে তো হানিয়া বলেই মনে হচ্ছে।’ অনেকে আবার প্রশ্ন তুলেছেন— এটি কোনো নতুন মিউজিক ভিডিওর কোলাবরেশন বা প্রচারের অংশ কিনা।

    উল্লেখ্য, র‌্যাপার বাদশাহর এই রহস্যময়ী নারীর ছবি আসার ঠিক আগেই তার বিয়ের গুঞ্জন দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে। প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের প্রায় ছয় বছর পর বাদশাহ নাকি পাঞ্জাবি অভিনেত্রী ইশা রিখির সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছেন। জল্পনা আরও জোরালো হয় যখন ইশা রিখির মা পুনম রিখি নিজের ইনস্টাগ্রামে প্রথাগত বিয়ের রীতিনীতির কিছু ছবি ও ভিডিও শেয়ার করেন। 

    বিয়ের পোশাকে বাদশাহ ও ইশাকে ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের উপস্থিতিতে মালাবদল করতে দেখা যায়। ছবিগুলো পোস্ট করে ক্যাপশনে পুনম রিখি লিখেছেন— ‘ঈশ্বর তোমাদের মঙ্গল করুক ইশা-বাদশা’। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • সরকার বদল হতেই আইনি বিপাকে রচনা ব্যানার্জি

    ভারতে রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর এবার আইনি বিপাকে পড়লেন তৃণমূল সংসদ সদস্য, অভিনেত্রী এবং ‘দিদি নম্বর-১’ খ্যাত উপস্থাপিকা রচনা ব্যানার্জি। 

    মঙ্গলবার (২ জুন) দক্ষিণ কলকাতার টালিগঞ্জ এলাকার চারু মার্কেট থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে। খবর সংবাদ প্রতিদিনের।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের আগস্টে আরজিকর-কাণ্ডের আবহে একাধিকবার নিহত-নির্যাতিতার নামোল্লেখ করেছিলেন রচনা। সেই প্রেক্ষিতে অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এক আইনজীবী।

    এদিকে রচনার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হতেই অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, ঘটনার বছর দেড়েক পর কেন অভিযোগ দেওয়া হলো।

    আইনজীবীর অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে রচনার বিরুদ্ধে ওই সময় অভিযোগ জানানো হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অভিযোগনামায় উল্লেখ- আরজিকর হাসপাতালের নির্যাতিতা তরুণী চিকিৎসকের নামোল্লেখ করে ভিডিও বার্তা দিয়েছিলেন তিনি। ভিডিওতে বারবার নির্যাতিতার নাম বলতে শোনা গেছে তাকে। সেই ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল তখন।

    আইনজীবীর অভিযোগ, ওই সময় লিখিতভাবে অভিযোগ করা হয়েছিল। কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি রচনার বিরুদ্ধে। এ কারণে রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর এবার আবারও লিখিত অভিযোগ দায়ের করা।

    এছাড়া ওই আইনজীবী দাবি করেছেন, রচনা সম্পূর্ণ আইনবিরুদ্ধ কাজ করেছিলেন। তার বিরুদ্ধে শিগগিরই ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। ইতোমধ্যে থানা পুলিশ অভিযোগ গ্রহণ করেছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভারতের কিংবদন্তি গায়িকা সুমন কল্যাণপুর মারা গেছেন

    ভারতীয় সংগীত জগতের এক দেদীপ্যমান নক্ষত্রের পতন হলো। 

    রোববার (৩১ মে) সন্ধ্যায় মুম্বাইয়ের লোখান্ডওয়ালার নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন প্রখ্যাত প্লেব্যাক গায়িকা সুমন কল্যাণপুর। তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। এই গায়িকা তৎকালীন অবিভক্ত ভারতের ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। 

    তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী তথা বিখ্যাত মারাঠি জীবনীগ্রন্থ ‘সুমন সুগন্ধ’-এর লেখিকা মঙ্গলা খাড়িলকর সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে জানান, রোববার রাত ৮টা নাগাদ অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ও নীরবে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই সুরসম্রাজ্ঞী। জীবনের শেষ দিনগুলোতেও তিনি নিজের গাওয়া গান শুনেই সময় কাটাতে ভালোবাসতেন। তার প্রয়াণে ভারতীয় সংগীতের এক গৌরবময় অধ্যায়ের অবসান ঘটল। 

    দীর্ঘ ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে ভারতীয় সংগীত জগতকে সমৃদ্ধ করেছেন পদ্মভূষণজয়ী এই শিল্পী। ঢাকায় জন্ম হলেও সুমন কল্যাণপুর পরবর্তীতে মুম্বাইয়ে স্থায়ী হন এবং নিজের অসামান্য কণ্ঠের জাদুতে প্লেব্যাক সিঙ্গার হিসেবে এক অনন্য স্থান তৈরি করেন। রাগপ্রধান ধ্রুপদী গান থেকে শুরু করে রোমান্টিক ডুয়েট বা ভক্তিগীতি—সবখানেই ছিল তার অবাধ যাতায়াত। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    হিন্দি চলচ্চিত্রের ইতিহাসে তার গাওয়া ‘আজকাল তেরে মেরে পেয়ার কে চৰ্চে’, ‘না না করতে পেয়ার তুমহি সে’ কিংবা ‘তুমনে পুকারা অউর হম চলে আয়ে’-র মতো কালজয়ী গান আজও শ্রোতাদের হৃদয়ে অমলিন। শুধু হিন্দিই নয়, মারাঠি, বাংলা ও ওড়িয়া সহ একাধিক আঞ্চলিক ভাষাতেও তিনি অজস্র জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন। 

    তার গাওয়া মারাঠি গান ‘কেতকিচ্যা বনী তিথে’, ‘সাং কধী কল্নার তুলা’ কিংবা কালজয়ী ঘুমপাড়ানি গান ‘নিম্বোণিয়াচ্যা ঝাড়ামাঘে’ প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে সংগীতপ্রেমীদের মনে আবেগের জায়গা জুড়ে রয়েছে। 

    সুমন কল্যাণপুরের প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও গুণীজনেরা। 

    মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস গভীর শোক প্রকাশ করে বলেন, ‘এটি এক ঐশ্বরিক কণ্ঠের মহাপ্রস্থান, যা ভারতের সুরের ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করেছিল। মারাঠি, হিন্দি, বাংলা ও ওড়িয়া সংগীতে তার অবদান অতুলনীয়। তার শারীরিক উপস্থিতি আমরা মিস করব, কিন্তু তার অমর সুর চিরকাল শ্রোতাদের হৃদয়ে বেঁচে থাকবে।’ 

    এছাড়া এনসিপি (এসপি) প্রধান শরদ পওয়ার এক শোকবার্তায় জানান, ‘সুমনজির প্রয়াণে ভারতীয় শাস্ত্রীয় ও লঘু সংগীতের একটি স্বর্ণযুগের অবসান হলো। তার আবেগঘন ও সুমধুর কণ্ঠ যুগের পর যুগ ধরে মানুষকে মুগ্ধ করেছে।’ 

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়কড়ী গভীর দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, ‘সুমনজির অবদান আগামী প্রজন্মের সংগীতশিল্পীদের চিরকাল অনুপ্রাণিত করবে।’ 

    এক শান্ত, স্নিগ্ধ ও বিনয়ী ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন সুমন কল্যাণপুর। পার্থিব জগৎ থেকে তার বিদায় ঘটলেও, তার রেখে যাওয়া অমূল্য সুরের উত্তরাধিকার কোটি কোটি শ্রোতার হৃদয়ে চিরকাল অনুরণিত হতে থাকবে।  

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমাদের কোনো বিচ্ছেদ হচ্ছে না: ভারতী সিং

    বিচ্ছেদের খবরকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন দাবি করে ভারতের জনপ্রিয় কমেডিয়ান ও সঞ্চালক ভারতী সিং বলেছেন, ‘আপনারা নিশ্চিন্তে থাকুন, আমাদের কোনো বিচ্ছেদ হচ্ছে না। আমাদের মৃত্যু যেদিন হবে, সেদিনই কেবল আমরা আলাদা হব।’ 

    সামাজিক মাধ্যমের বিনোদন দুনিয়ায় গুঞ্জন উঠেছে— হর্ষ লিম্বাচিয়া ও ভারতী সিংয়ের সংসারে নাকি ভাঙনের সুর বাজছে। অশান্তির জেরে হর্ষ আলাদা বাড়িভাড়া নিয়ে থাকছেন।— এমন সব জল্পনা-কল্পনার মাঝে এ কথা বললেন ভারতী সিং।

    বাস্তবজীবন থেকে শুরু করে রুপালি পর্দা— সবখানেই ভারতী ও হর্ষের জুটি দারুণ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। একসঙ্গে একাধিক রিয়েলিটি শো সঞ্চালনা করে দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছেন এ তারকা জুটি। হর্ষও বিভিন্ন সময়ে ভারতীর প্রতি তার ভালোবাসার কথা প্রকাশ করেছেন প্রকাশ্যে। তবে সম্প্রতি অভিনেত্রী নেহা ধুপিয়ার একটি টকশোতে এসে হর্ষ বলেন, তিনি স্ত্রী ও দুই সন্তানকে ছেড়ে অন্যত্র একটি বাড়িভাড়া নিয়েছেন। হর্ষের এমন মন্তব্যের পর থেকেই এ তারকা দম্পতির ডিভোর্স নিয়ে নানা গুঞ্জন ডালপালা মেলতে শুরু করেছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এ প্রসঙ্গে হর্ষ বলেন, মূলত ঘরে সবসময় বাচ্চাদের চিৎকার-চেঁচামেচি ও শোরগোল লেগেই থাকে। সেখান থেকে বাঁচতেই নাকি আলাদা বাড়িভাড়া নিয়েছেন তিনি। হর্ষের এমন যুক্তিতে সঞ্চালক নেহা ধুপিয়া আপত্তি জানালেও নেহার স্বামী অভিনেতা অঙ্গদ বেদি অবশ্য হর্ষের পক্ষই নিয়েছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শুটিং চলাকালীন অভিনেত্রীর গর্ভপাত

    কলকাতার টিভি পর্দার পরিচিত মুখ অভিনেত্রী অন্বেষা রায় মুখোপাধ্যায়। সম্প্রতি এই অভিনেত্রীর জীবনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা থাকা এই অভিনেত্রীর সম্প্রতি এক ধারাবাহিকের শুটিং চলাকালীন গর্ভপাত হয়েছে। 

    স্টার জলসার ‘কম্পাস’ ধারাবাহিকে শুটিংয়ের এক পর্যায়ে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। 

    কিছুদিন আগেই অভিনেত্রী জানতে পারেন তিনি অন্তঃসত্ত্বা। শুক্রবার (৮ মে) শুটিং চলাকালীন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। এর পরই শুটিং থেকে সোজা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না। 

    হাসপাতালে পৌঁছে তিনি জানতে পারেন গর্ভপাত হয়েছে। সেসময় পরিস্থিতি এতটাই কঠিন হয়ে পড়ে যে, অভিনেত্রীর প্রাণহানিরও ভয় ছিল। এই মুহূর্তে হাসপাতালেই আছেন অন্বেষা। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    হাসপাতালের বেড থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছবি পোস্ট করেছেন অন্বেষা। সেই পোস্টের ক্যাপশেন অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘প্রায় মা হয়েই গিয়েছিলাম, জীবন আর কতটা কঠিন হতে পারে? আমার অস্ত্রোপচারের ঠিক কয়েক মিনিট আগে এই লেখাটা পোস্ট করছি যাতে ভবিষ্যতে মনে করতে পারি, আমি কতটা যন্ত্রণা সহ্য করেছি এবং এই কষ্টকর অগ্নিপরীক্ষার পুরোটা সময় জুড়ে আমি কতটা অটল ও শক্তিশালী ছিলাম। মানসিকভাবে, আবেগিকভাবে এবং শারীরিকভাবে সব দিক থেকেই! তবুও আমি মুখে হাসি ধরে রেখেছিলাম। ঠিক মা দিবসের দুদিন আগে, আমি প্রায় মা হয়েই গিয়েছিলাম।’ 

    চিকিৎসকদের মতে, পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে অভিনেত্রীর জীবনও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারত।

    এই আকস্মিক ঘটনায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন অন্বেষা। তবে কঠিন এই সময়ে তার পাশে ছিলেন স্বামী ও শুটিং ইউনিটের সদস্যরা। সবার প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি। 

    বিনোদন ডেস্ক